Category: আন্তর্জাতিক

  • হাডসন নদীর তীরে সৌদি দুই বোনের লাশ : খাশোগির ভাগ্যবরণ?

    হাডসন নদীর তীরে সৌদি দুই বোনের লাশ : খাশোগির ভাগ্যবরণ?

    যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের হাডসন নদী থেকে টেপ দিয়ে পরস্পরের সঙ্গে বাঁধা সৌদি দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হাডসন নদীতে ম্যানহাটান সিটির পশ্চিম তীরে গত ২৪ অক্টোবর ১৬ বছর বয়সি তালা ফারিয়া ও ২২ বছর বয়সী রোতানা ফারিয়া’র লাশ পাওয়া যায়।

    সৌদি আরব থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আশ্রয়লাভের চেষ্টা করছিল তারা। কিন্তু ওয়াশিংটনস্থ সৌদি দূতাবাস তাদের আমেরিকা ত্যাগ করে সৌদি আরবে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল বলে তাদের মা জানিয়েছেন।

    এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে তাদের লাশ উদ্ধার করা হলেও এখন পর্যন্ত তাদের মৃত্যুর কোনো কুলকিনারা করতে পারছে না মার্কিন পুলিশ। সম্পূর্ণ পোশাক পরিহিত এবং পরস্পরের দিকে মুখ করে তাদের দেহ টেপ দিয়ে প্যাঁচানো ছিল।

    কীভাবে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে সে সম্পর্কেও এখনো কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি মার্কিন পুলিশ।

    নিউইয়র্কস্থ সৌদি কনস্যুলেট জেনারেল এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দুই বোন তার এক ভাইয়ের সঙ্গে ওয়াশিংটনে বসবাস করছিল। দুই বোনের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে সাহায্য করার জন্য সৌদি আরবের পক্ষ থেকে একজন আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

    তুরস্কের ইস্তাম্বুলস্থ সৌদি কনস্যুলেটে রাজতন্ত্র বিরোধী সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যাকাণ্ড নিয়ে যখন রিয়াদ তীব্র আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রয়েছে তখন আমেরিকায় আশ্রয়প্রার্থী দুই সৌদি বোনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর এল। সৌদি আরব অনেক নাটক শেষে খাশোগিকে হত্যার কথা স্বীকার করলেও এখনো ওই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে বহু প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি।

  • নভেম্বরের মাঝামাঝিতে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়া শুরু হবে: মিন্ট থোয়ে

    নভেম্বরের মাঝামাঝিতে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়া শুরু হবে: মিন্ট থোয়ে

    চলতি বছরের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাংলাদেশ-মিয়ানমার জয়েন্ট ওয়ার্কিং কমিটির মিয়ানমার প্রতিনিধিদলের নেতা ও দেশটির পররাষ্ট্র সচিব মিন্ট থোয়ে। একই সাথে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নাগরিত্বসহ বিভিন্ন দাবি দাওয়া বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

    রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে বুধবার কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৫ কমিউনিটি হলে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিব এ আশ্বাস দেন। এ সময় জয়েন ওয়ার্কিং গ্রুপের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতা পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল মান্নানসহ দু’দেশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিব মিন্ট থোয়ে বলেন, নভেম্বরের ১৫ তারিখ থেকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়া শুরু করবে। প্রথমে শনাক্তকৃত ৫ হাজার রোহিঙ্গা ও পরে দুই হাজার রোহিঙ্গাকে পর্যাক্রমে ফেরত নিবো।

    রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত দু’দেশের জয়েন্ট ওয়াকিং গ্রুপের তৃতীয় বৈঠক শেষে প্রতিনিধিদল আজ কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলতে আসেন। বেলা ১১টার দিকে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এসে প্রথমে ক্যাম্প কর্মকর্তাসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন। পরে আশ্রয় নেয়া শতাধিক রোহিঙ্গা নেতাদের সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় রাখাইনের বিভিন্ন নির্যাতনের ঘটনার পাশাপাশি প্রত্যাবাসনের শর্ত হিসেবে রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন দাবি দাওয়া তুলে ধরেন। এ সময় মিয়ানমারের প্রতিনিধিদলের নেতা মিন্ট থোয়ে তাদের দাবি দাওয়া মনোযোগ দিয়ে শুনেন এবং বিবেচনার আশ্বাস দেন। সাংবাদিকদের সাথে ব্রিফিং করার পর বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া হিন্দু রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদের সাথে আলাপ করেন।

    এর আগে, প্রত্যাবাসনের জন্য গঠিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের তৃতীয় বৈঠকে যোগ দিতে মিয়ানমার প্রতিনিধি দলটি দুইদিন আগে ঢাকায় পৌঁছেন। ঢাকায় তৃতীয় বৈঠক শেষে আজ বুধবার সকালে মিয়ানমারের ১৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধিদল কক্সবাজার বিমান বন্দর হয়ে উখিয়ার কুতুপালং রাহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসেন। এ সময় ক্যাম্পে অবস্থানরত শতাধিক রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলেন। পরে বিকালে ঢাকায় ফিরে যান প্রতিনিধি দলটি।

  • জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল করছেন ট্রাম্প

    জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল করছেন ট্রাম্প

    জন্মসূত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার চলতি নিয়ম বাতিলের পরিকল্পনা করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    তবে এই ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। খবর বিবিসি বাংলা।

    জনপ্রিয় ওয়েবসাইট এক্সিওস এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, আমেরিকার নাগরিক নন, এমন যে কেউ এসে সন্তান জন্ম দিলেই সেই সন্তান আমেরিকার নাগরিকত্ব দাবি করতে পারে। এই নিয়ম অত্যন্ত হাস্যকর, এটি বন্ধ হওয়া উচিত।

    কিন্তু প্রেসিডেন্ট কি তা করতে পারেন? এই প্রশ্ন অনেকে তুলেছেন।

    দেড়শ বছরের পুরনো এই নীতিতে বলা হয়েছে, আমেরিকার মাটিতে জন্মগ্রহণ করলেই দেশটির নাগরিকত্ব পাবে।

    ট্রাম্পের বক্তব্য হচ্ছে, তার আইন বিশেষজ্ঞরা তাকে নিশ্চিত করেছেন যে, তেমন কোনো সংশোধনীর প্রয়োজন নেই। নির্বাহী আদেশের মাধ্যমেই এটা করা সম্ভব।

    প্রেসিডেন্ট তার একক ক্ষমতাবলে এমন পদক্ষেপ নিতে পারেন কি না? জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের কারণে অবৈধ অভিবাসীরা বিশেষ কোনো সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করে কিনা?

    এখন যুক্তরাষ্ট্রে এসব প্রশ্নে উগ্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে ট্রাম্পের বক্তব্যের কারণে।

    যুক্তরাষ্ট্রের শাসনতন্ত্রে ১৪তম সংশোধনীর মাধ্যমে এই নাগরিকত্বের বিষয়টি নিশ্চিত করা আছে।

    এই সংশোধনীর প্রথম বাক্যতেই বলা আছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী সকল ব্যক্তিই দেশটির নাগরিক হবে। সে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যেখানেই বসবাস করুক, সেটা বিবেচ্য বিষয় নয়।’

    অভিবাসন নিয়ে কট্টরপন্থীরা বলছেন, এই ব্যবস্থা অবৈধ অভিবাসনের জন্য ‘চুম্বক’ হিসেবে কাজ করে থাকে। এবং সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য গর্ভবতী নারীদের সীমান্ত অতিক্রম করে যুক্তরাষ্ট্র আসতে উৎসাহিত করছে।

    ট্রাম্প বলেছেন, জন্ম নেয়া শিশুটি ৮৫ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র্রের সব সুবিধা ভোগ করবে, এটা বন্ধ হতে হবে।

    ২০১৫ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, শতকরা ৬০ভাগ আমেরিকান জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের সুযোগ রাখার পক্ষে রয়েছে। আর এই সুযোগ বাতিলের পক্ষে আছে ৩৭ শতাংশ আমেরিকান।

    খবরে বলা হয়, গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ১৮৬৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে চতুর্দশ সংশোধনী আনা হয়েছিল।

    ত্রয়োদশ সংশোধনী আনা হয়েছিল ১৮৬৫ সালে।সেই সংশোধনীর মাধ্যমে দাসত্ব প্রথা বিলুপ্ত করা হয়েছিল।

    এরপর চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে আমেরিকায় জন্ম নেয়া সাবেক ক্রীতদাসদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা হয়েছিল।

    ১৮৫৭ সালে একটি ঘটনায় সুপ্র্রিমকোর্ট সিদ্ধান্ত দিয়েছিল, আফ্রিকান আমেরিকানরা কখনও আমেরিকার নাগরিক হতে পারে না। কিন্তু এরপর চতুর্দশ সংশোধনী তাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করে।

    ১৮৯৮ সালে সুপ্র্রিমকোর্ট একটি মামলায় নিশ্চিত করে যে,অভিবাসীদের শিশুদের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য হবে।

    চীনা বাবা-মা আমেরিকায় সন্তান জন্ম দিয়েছিলেন। ওয়াং কিম আর্ক নামের সেই শিশু ২৪ বছর বয়সে চীনে বেড়াতে গিয়েছিলেন।

    তিনি ফেরার সময় তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দেয়া হয়।তখন ওয়াং যুক্তি দিয়েছিলেন যে, তিনি আমেরিকায় জন্ম নিয়েছেন।

    চতুর্দশ সংশোধনীতে যে অধিকার আছে, সেখানে তার বাবা মা’র অভিবাসন অবস্থা কোনো প্রভাব ফেলে না।

    এই যুক্তি দিয়ে তিনি সফল হয়েছিলেন।

    ইমিগ্রেশন হিস্ট্রি রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক ইরিকা লী লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়াং কিম আর্কের মধ্যে তখন যে আইনি লড়াই হয়েছে, সেখানে এসেছিল যে আমেরিকায় জন্মগ্রহণকারি সকলে দেশটির নাগরিক হবে।

    তখন থেকে আদালত আর কখনও এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি।

    আইন বিশেষজ্ঞদের বেশিরভাগই মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার বাতিল করতে পারেন না।

    ভার্জিনিয়া আইন স্কুলের অধ্যাপক এবং সংবিধান বিশেষজ্ঞ কৃষ্ণ প্রকাশ বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এমন কিছু করছেন, যা অনেক মানুষকে আঘাত করবে।তবে শেষপর্যন্ত বিষয়টি আদালতে যাবে এবং আদালতই সিদ্ধান্ত দেবে বলে তিনি মনে করেন।

    যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর কয়েকদিন বাকি আছে।

    সে সময় এমন পদক্ষেপের পিছনে রাজনীতি আছে বলে বিশ্লেষকরা বরছেন।

    ট্রাম্প এমন পদক্ষেপ নিয়ে নিজের সমর্থকদের চাঙা করতে চাইছেন।

    একই ভাবনা থেকে মাত্র একদিন আগেই হোয়াইট হাউজ মেক্সিকো সীমান্তে ৫০০০ সৈন্য পাঠানোর কথা ঘোষণা করেছে।

    দক্ষিণ আমেরিকার তিনটি দেশ থেকে মেক্সিকো হয়ে কয়েক হাজার অবধৈ অভিবাসীর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ঠেকাতে এই সৈন্য পাঠানোর ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

  • মহানবী (স.) কে কটূক্তি না করতে ইউরোপীয় আদালতে রুল জারি

    মহানবী (স.) কে কটূক্তি না করতে ইউরোপীয় আদালতে রুল জারি

    মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) কে নিয়ে কোনোরকম কটূক্তি না করতে রুল জারি করেছে ইইউ আদালত। বৃহস্পতিবার ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস (ইসিএইচআর) এ রুল জারি করে।

    ২০১১ সালের করা এক অস্ট্রিয় নারীর অভিযোগের বিচারের রায়ে নবী মুহাম্মদ (স.) কে কোনোরুপ অপমানজনক বক্তব্য দেয়া যাবে না সমর্থন জানিয়ে এই রুল জারি করে তারা।

    এ মর্মে ইসিএইচআর জানায়, ইসলামের নবীকে নিয়ে কুটূক্তি কোনোমতেই কারও বাকস্বাধীনতার মধ্যে পড়েনা।

    উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে ‘বেসিক ইনফরমেশন অন ইসলাম’ শীর্ষক সেমিনারে নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) কে নিয়ে কটূক্তি করেছিলেন এক অস্ট্রিয় নারী।

    ধর্মীয় আদর্শকে অবমাননা ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে ধর্মীয় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্ট করার চেষ্টার অভিযোগে ২০১১ সালে ফেব্রুয়ারিতে ওই নারীকে ৪৮০ ইউরো (সাড়ে ৫শ’ ডলার) অর্থদণ্ড দেয় অস্ট্রিয়ার আদালত।

    ওই নারী এর বিপক্ষে অস্ট্রিয়ার নিম্ন ও উচ্চ আদালতে যান। কিন্তু সেখানে আদালত তার অভিযোগ গ্রহণ না করায় তিনি ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস (ইসিএইচআর) এ অভিযোগ করেন।

    ওই নারীর অভিযোগ দীর্ঘ সময় বিচার বিশ্লেষণের পর ইইউ আদালত বৃহস্পতিবার ওই নারীর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা দেয়। এর আগে ধর্মীয় ব্যাক্তিত্বকে নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা এবং সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর পক্ষের কোনো অভযোগ পেলে আদালত পদক্ষেপ নেবে বলে সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল অস্ট্রিয়ার আদালত।

    সে সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ইসিএইচআর জানায়, অন্য ধর্মের অনুসারীদের অনুভূতি সুরক্ষিত রাখতে ও ধর্মীয় শান্তি সংরক্ষণের লক্ষ্যে এ রুল জারি করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ইউরোপের দেশ অস্ট্রিয়ায় মোট জনসংখ্যা ৮.৮ মিলিয়ন, যেখানে ৬ লাখ মুসলিম অধিবাসী রয়েছেন।

  • আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চারুশিল্পী সোমার ‘ফ্যাশান শো’ ভাবনা

    আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চারুশিল্পী সোমার ‘ফ্যাশান শো’ ভাবনা

    রংতুলির আঁচড় দিয়েই কথা বলতে চান নারীর জীবন সংগ্রামের। যার দিনের অধিক সময়টা কাটে সাদা আর্ট পেপার আর চিকন কাঠের মাথায় কাঠবিড়ালির লোম দিয়ে তৈরি ব্রাশ আর হাতের খেলায়।

    কখনও ৫ নং, আবার কখনও ৬ নং, কিংবা ১০ নং বা হকিয়ার নামক বাহারি তুলির ছোঁয়ায় মন জুড়ানো ছবি আঁকার ভাবনায় ডুবে থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন চিত্রশিল্পীরা।

    বলা যেতে পারে ভিনজগৎ নিয়ে ভাববার সময় কোথায়। কিন্তু না, কাঠের ফ্রেমে বাঁধানো অঙ্কন করা ছবির বৃত্তের মধ্যে থেকেও অন্য গণ্ডিতে পা রাখা যায় অনায়াসে। এমন স্বাক্ষর রেখেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চারুশিল্পী নারগিস পারভিন সোমা।

    সম্প্রতি ভারতের দিল্লীতে অনুষ্ঠিত মিস্টার, মিস এন্ড মিসেস এশিয়া গ্লামার ২০১৮ এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে একমাত্র ভিআইপি গেস্ট হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন রাজশাহীর এই মেয়ে। মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে দেশটির সবচেয়ে বড় এই ফ্যাশান শোর বিজয়ী নির্বাচন প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন রাজশাহী আর্ট কলেজের প্রভাষক ও ষড়ং আর্ট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সোমা।

    বিভিন্ন সময় নারীর জীবন সংগ্রামের ছবির জন্য ভারত, জাপান ও নেপাল থেকে ৮টি অ্যাওয়ার্ড পাওয়া এই কারুশিল্পী পুরো অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করেন বাংলাদেশের।

    রূপকারের দুনিয়ার মাঝেই তার র‌্যাম্প-আপের মঞ্চে মনোনিবেশ নিয়ে প্রশ্ন আসতেই পারে।

    সোমা বলতে চান রুচিশীল ফ্যাশান শোর মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তন করা সম্ভব। প্রতিটি মানুষের জন্য পোশাক অনেক বেশি গুরুত্ব বহন করে। বলা যেতে পারে একটা ছেলে পাঞ্জাবি পরলে তার মনের ভেতর একটু জড়তা চলে আসে।

    যে কোনো কাজ করতে গেলে প্রথমেই ধর্মের কথা তার মনে আসে। যা কিনা জিনস আর শার্ট পরলে হয় না। কাজের ক্ষেত্রে জড়তা কম আসে। শাড়ি আর জামা পায়জামার ক্ষেত্রে একই অবস্থা। রুচিশিল পোশাক সমাজকে সুন্দর করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। তাই ফ্যাশান শোর মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে পোশাকের বিষয়টি খুব সহজেই প্রস্ফূটিত করা যায়। যা অন্য কোনভাবে সম্ভব নয়।

    আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই চারুশিল্পী বলেন, পোশাক কারো কাছে দায়ী, আবার কারো কাছে দায়ী না। মানুষকে বিভিন্ন অপরাধ থেকে দূরে রাখতে হলে সংস্কৃতি চর্চাটা বেশি প্রয়োজন। আর ফ্যাশান শো তারই একটা অংশ। যার দ্বারা সমাজ সংস্কার ও নিজেরের সৌন্দর্য বোধকে জাগ্রত করার জন্য সামাজকে সুন্দর একটা রূপদানেও সহায়ক ভূমিকা রাখে।

    শিল্পেরই আরেকটি অংশ ডিজাইন আর এই ফ্যাশান শো। বর্তমানকে সামনে রেখে বিভিন্ন ধরনের পোশাকে তুলে ধরা হয়েছে। সমাজের সুন্দরতম প্রধান জীব মানুষ। আর এই মানুষের বাহ্যিক রূপ বিকশিত হয় পোশাকে। আর পোশাক নির্বাচিত হয় সাধারণত কালচারের উপর নির্ভর করে। কারণ কোন পোশাক কাকে কেমন মানাবে- এটা বোঝার জন্য এবং সমাজের মানুষের চাহিদা বোঝার জন্য ফ্যাশান শো অনুষ্ঠানের প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন তিনি।

    আয়োজনের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আর ভারতের আয়োজনে খুব বেশি পার্থক্য নেই। কারণ দুই দেশের কালচারের অনেক মিল। বাংলাদেশেও ফ্যাশান শোর আয়োজন হয়। তবে তা বেশিরভাগ ঢাকা কেন্দ্রিক। আসলে এমন আয়োজন প্রত্যেক বিভাগেই হওয়া উচিত। তবেই মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য পোশাকের পরিবর্তন আসবে। আসবে রুচিশীলতা। ভবিষ্যতে ফ্যাশান শোর আয়োজন করার ইচ্ছা আছে বলে জানালেন এই চারুশিল্পী।

    নির্ভয়া ও সত্যনারায়নার আয়োজনে এই ফ্যাশান শোয়ে মিস এশিয়া গ্ল্যামার গোরখাপুরের আরাইনা গৌতম, মিস্টার এশিয়া গ্ল্যামার যমুনানগরের কার্তিক শর্মা এবং মিসেস এশিয়া গ্ল্যামার নিউদিল্লীর ইন্দু কাকার নির্বাচিত হন। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন নেপাল, ভুটান, ভারত এবং থাইল্যান্ডের মডেলরা। মিস এর জন্য ২৫ জন, মিসেস এর জন্য ১৪ জন ও মিস্টারের জন্য অংশ নিয়েছিলেন ৩০ জন। মোট ৭টা রাউন্ডে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনাল রাউন্ড দিল্লীতে হলেও অন্যান্য রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়েছে মুম্বাই, নেপাল, ব্যাঙ্গালোরে। ফাইনাল রাউন্ডে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন এশিয়ান নিউজের সম্পাদক সঞ্জিব দেব মালিক, সোশ্যাল এক্টিভিস্ট রেখা ভোরা ও কির্তি গৌতম।

    গ্র্যান্ড ফিনালেতে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মাথায় মুকুট ও পুরস্কার তুলে দেন ভারতের চলচিত্র পরিচালক অমিত গার্গ। এই সময় ভিআইপি গেস্ট হিসেবে বাংলাদেশের রাজশাহী আর্ট কলেজের প্রভাষক, আন্তর্জাতিক চিত্রশিল্পী নারগিস পারভীন সোমা ও গেস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বলিউড অভিনেতা দিনেশ মোহন।

  • বিয়ের পর শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে থাকতে চান না দীপিকা!

    বিয়ের পর শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে থাকতে চান না দীপিকা!

    বলিউড তারকা রণবীর সিং ও দীপিকা পাডুকোনের বিয়ে আগামী ১৪ ও ১৫ নভেম্বর। বি-টাউন আপাতত তাদের বিয়ে নিয়েই মেতে রয়েছে। তারই মাঝে শোনা যাচ্ছে, দীপিকা নাকি তাঁর শ্বশুর-শাশুড়ি অর্থাৎ রণবীর সিংয়ের বাবা-মা (জগজিৎ সিং ভবানি ও মা অঞ্জু সিং ভবানি) এর সঙ্গে থাকতে চান না। আর সেই কারণে নাকি নতুন করে বাড়ি সাজাতে হয়েছে রণবীরকে।

    শোনা যাচ্ছে, রণবীরের নাকি ইচ্ছে ছিল বিয়ের পর তিনি তাঁর বাবা-মায়ের পুরনো বাড়িতে তাঁদের সঙ্গেই থাকবেন। তবে দীপিকার নাকি তাতে সম্মতি দেননি, যা শুনে রণবীর সিং ও তাঁর পরিবার কিছুটা দুঃখ পান। তবে দীপিকা যে এক্কেবারেই রণবীরের বাবা-মায়ের থেকে আলাদা থাকছেন তেমনটাও যদিও নয়। দীপিকার কথা মত, একই বাড়িতে থাকলেও বাড়ির দু’টো আলাদা দিকে থাকবেন তাঁরা। একদিকে থাকবেন দীপিকা ও রণবীর। অন্যদিকে থাকবেন রণবীরের বাবা-মা ও বোন। সেকারণে রণবীর সিং কিছুদিন আগে রণবীর মুম্বাইয়ে একই অ্যাপার্টমেন্টের দুটি ফ্লোর একসঙ্গে কিনেছেন। যার একটিতে থাকবেন রণবীরের বাবা-মা জগজিৎ সিং ভবানি ও অঞ্জু ভবানি এবং রণবীরের বোন ঋত্বিকা ভবানি। অন্য ফ্লোরে থাকবেন নববিবাহিত দীপিকা ও রণবীর।

    প্রসঙ্গত, যদিও দীপিকার সঙ্গে রণবীর সিংয়ের বাবা-মা ও বোনের সম্পর্ক কিন্তু বেশ ভালো। দীপিকার বহুদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে মুম্বাইয়ে রণবীরের পরিবারকেই তাঁর পরিবার বলে মন্তব্য করেছিলেন।

  • বরিশাল টু কলকাতা নৌপথে চালু হচ্ছে বিলাসবহুল জলযান (পরমহংস-এ)

    বরিশাল টু কলকাতা নৌপথে চালু হচ্ছে বিলাসবহুল জলযান (পরমহংস-এ)

    পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করার লক্ষ্য নিয়ে এবার নৌপথে চালু হচ্ছে বিলাসবহুল ক্রুজ জলযান। এই জলযান কলকাতার মিলেনিয়াম পার্ক থেকে ছেড়ে হলদিয়া বন্দর হয়ে সুন্দরবন ধরে বরিশাল-নারায়ণগঞ্জ দিয়ে পৌঁছাবে ঢাকায়।কলকাতা থেকে দুই দেশের সুন্দরবন ঘুরে আরও এই জলযান বা ক্রুজ ঢাকায় পৌঁছাবে। এই ক্রুজ চালাবে ‘ভিভান্ডা ক্রুজ’।

    তারা ইতিমধ্যে এই ক্রুজ চালানোর কথা তাদের ওয়েবসাইটে ঘোষণা করেছে। কলকাতা থেকে সুন্দরবন হয়ে ঢাকায় চলাচলে ১৩ দিন ১৪ রাতের প্যাকেজ থাকছে।এর মধ্যে প্রথম চার দিন কলকাতার মিলেনিয়াম পার্কের গঙ্গার ঘাট থেকে এটি ছেড়ে হলদিয়া বন্দর হয়ে ভারতের অংশের সুন্দরবন ঘুরে বাংলাদেশের সুন্দরবন হয়ে ঢাকার পথে যাত্রা করবে। দাঁড়াবে বরিশালও। মূলত, ষষ্ঠ দিনে এই জলযানটি সুন্দরবনের ভারতীয় অংশ থেকে বাংলাদেশের সুন্দরবনে প্রবেশ করবে। তারপর বাংলাদেশের সুন্দরবন ঘুরে বরিশাল হয়ে চলে যাবে নারায়ণগঞ্জে। সেখানে প্রাচীন বাংলার রাজধানী সোনারগাঁ, পানামা সিটি ঘুরবে। এখানে যাত্রাবিরতি করে এলাকার বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান ঘুরে ঢাকায় যাবে। তারপর আবার ফিরবে কলকাতায়।

    খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে- এই জলযানে যাঁরা যাত্রী হবেন, তাঁদের পাসপোর্ট-ভিসা থাকতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার হেমনগরে হবে অভিবাসন ও শুল্কসংক্রান্ত কাজ।

    এই বিলাসবহুল জলযান সংস্থার কর্মকর্তা মণীষা সরকার জানিয়েছেন, তাঁদের এই পরিষেবা চালু করা হচ্ছে তিনতলাবিশিষ্ট ক্রুজ পরমহংস-এ। রয়েছে এটিতে ২৬টি এসি রুম। প্রতিটি রুমই নদীর উপকূলমুখী। এই ক্রুজে থাকছে রেস্তোরাঁ, স্পা ও জিম; যা যাত্রীরা ব্যবহার করতে পারবেন।

    উল্লেখ্য, নয়াদিল্লিতে গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এই চুক্তি হয়েছে। এর আওতায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্য সরবরাহ করতে পারবে ভারত। এই চুক্তি ছাড়াও দুই দেশের মধ্যে নদী সংযোগ বাড়িয়ে বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য অভিন্ন নদীর সংস্কারের চেষ্টার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তা ছাড়া কলকাতা থেকে ঢাকা হয়ে আসামের গুয়াহাটি ও জোরহাটের মধ্যে নদীপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। পাশাপাশি ঠিক হয়েছে, ভারতের চেন্নাই থেকে জাহাজে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার পর্যন্ত পর্যটকদের নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও।

  • বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় মসজিদ বানাবে সৌদি

    বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় মসজিদ বানাবে সৌদি

    বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় মসজিদ নির্মাণ করতে চায় সৌদি সরকার। সৌদি সরকারই এ মসজিদ নির্মাণের সমস্ত ব্যয় বহন করতে ইচ্ছুক।

    সোমবার রাতে রাজধানীর হোটেল রেডিসনে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ ইচ্ছা প্রকাশ করেন সফররত সৌদি প্রতিনিধি দল।

    উক্ত বৈঠকে মসজিদটি সৌদি বাদশাহর নামে নির্মাণ করতে চায় সৌদি সরকার বলে জানান সৌদি প্রতিনিধি দল।

    মসজিদটি নির্মাণের জন্য জমি নির্বাচন, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ও আনুষঙ্গিক খরচের বাজেট দিলে তারা মসজিদ নির্মাণের সমুদয় অর্থ বহন করবেন বলে জানিয়েছেন প্রতিনিধি দলটি।

    সৌদি সরকারের ইচ্ছাপ্রকাশের এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ধর্ম সচিব আনিছুর রহমান।

    রাজউকের সঙ্গে আলাপ করে পূর্বাচলে পাঁচ-ছয় বিঘা জমি খুঁজে করবেন বলে জানান তিনি।

    বৈঠকে ১৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের জেলা-উপজেলা পর্যায়ে মোট ৫৬০টি মসজিদ নির্মাণকাজ শুরু হয়ে গেছে জানিয়ে সৌদি প্রতিনিধি দলের সামনে একটি ভিডিও উপস্থাপন করে বাংলাদেশ প্রতিনিদি দল।

    এসময় বাংলাদেশ সরকার এসব মসজিদ নির্মাণে সৌদি সরকারের আর্থিক সহায়তা কামনা করে।

    ভিডিওটি দেখার পর সৌদি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা এ উদ্যোগেকে স্বাগত জানায় এবং তারা এ ব্যাপারে এক মাসের মধ্যে কত অনুদান দেবেন তা জানিয়ে দেন।

    তবে তারা এ মুহূর্তে রাজধানী ঢাকায় কয়েক বিঘা এলাকাজুড়ে সৌদি বাদশাহর নামে একটি বড় মসজিদ স্থাপনের আশা ব্যক্ত করেন।

    উক্ত সভায় বাংলা‌দেশ সরকারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যস‌চিব মো. ন‌জিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর সাম‌রিক স‌চিব মেজর জেনা‌রেল মিয়‌া মো. জয়নুল আবে‌দিন, ধর্মস‌চিব মো. আনিছুর রহমান, অর্থ মন্ত্রণাল‌য়ের অর্থ বিভা‌গের ভারপ্রাপ্ত স‌চিব আবদুর রউফ তালুকদার, ব‌হিঃসম্পদ বিভা‌গের অতি‌রিক্ত স‌চিব মোহাম্মদ শামসুল আলম, ধর্ম মন্ত্রণাল‌য়ের অতি‌রিক্ত স‌চিব ডা. মোয়া‌জ্জেম হো‌সেন, ইসলামী ফাউ‌ন্ডেশ‌নের মহাপ‌রিচালক শামীম মোহাম্মদ আফজাল ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যাল‌য়ের মহাপ‌রিচালক মো. আ‌জিজুর রহমান।

    সফররত সৌ‌দি প্র‌তি‌নি‌ধি দ‌লের সদস্যরা হলেন, সৌ‌দি অর্থ মন্ত্রণাল‌য়ের উপ‌দেষ্টা ফাহাদ আল ওতাইবি, সৌ‌দি ইসলা‌মিক অ্যা‌ফেয়ার্স, দাওয়াহ ও গাই‌ডেন্স বিষয়ক মন্ত্রণাল‌য়ের অফিস ডাই‌রেক্টর শেখ আহ‌মেদ আলী রু‌মি, অর্থ মন্ত্রণাল‌য়ের প্র‌কৌশলী মুতলাক আল খাতা‌নি, অর্থ বিভা‌গের প্র‌তি‌নি‌ধি টার‌কি আল আলা‌বি ও বাংলা‌দেশে সৌ‌দি দূতাবা‌সের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স।

  • ‘বিধ্বস্ত হওয়া বিমানের কেউ বেঁচে নেই’

    ‘বিধ্বস্ত হওয়া বিমানের কেউ বেঁচে নেই’

    ইন্দোনেশিয়ার উত্তর জাভা দ্বীপের কাছে সমুদ্রে বিধ্বস্ত হওয়া বিমানের কোন আরোহী বেঁচে নেই বলে জানিয়েছে দেশটির অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী সংস্থা।

    উদ্ধারকারী সংস্থার অপারেশনাল ডিরেক্টর সূর্য বামবাং জানিয়েছেন, লায়ন এয়ারলাইন্সের বিমানে ১৮৯ জন আরোহী ছিলেন এবং এদের কেউ বেঁচে নেই বলেই মনে হচ্ছে। কারণ অনেকের লাশ বহুদূরে পাওয়া গেছে। এখন আমাদের জন্য প্রয়োজন হচ্ছে বিমানের মূল ধ্বংসাবশেষ খুঁজে বের করা।

    সোমবার সকালে রাজধানী জাকার্তা থেকে সুমাত্রা দ্বীপের পাংকাল পিনাং শহরে যাওয়ার সময় বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি ওড়ার ১৩ মিনিট পর কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে সংযোগ হারিয়ে ফেলে। এসময় বিমানটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১,১১৩ মিটার উপরে ছিল। সমস্যা বুঝতে পেরে বিমানের পাইলট আবার বিমানটি নিয়ে ফিরে আসতে চেয়েছিলেন এবং কন্ট্রোল টাওয়ার তাকে সে অনুমতিও দিয়েছিল কিন্তু এরপরই তিনি যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেন। বিমান দুর্ঘটনার কারণ জানা যায়নি।

    কর্মকর্তারা বলছেন, ব্ল্যাকবক্স উদ্ধার করা সম্ভব হলে সবকিছু পরিষ্কার হবে।

  • সেরা সুন্দরী হয়েছেন শুনেই মঞ্চেই অজ্ঞান হয়ে গেলেন মিস প্যারাগুয়ে

    সেরা সুন্দরী হয়েছেন শুনেই মঞ্চেই অজ্ঞান হয়ে গেলেন মিস প্যারাগুয়ে

    সেরা সুন্দরীর শিরোপা জিতে নিয়েছেন,সেই খুশিতে মঞ্চেই অজ্ঞান হয়ে পড়লেন মিস প্যারাগুয়ে। বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে তিনি নাম লিখিয়েছিলেন সুন্দরী প্রতিযোগিতায়। হাজার হাজার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে তিনি সেরা নির্বাচিত হয়েছেন।

    সেরা সুন্দরী হিসেবে নিজের নাম শোনার পর নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না প্যারাগুয়ের সুন্দরী ক্লারা সসা। আনন্দের অতি আবেগে মঞ্চেই লুটিয়ে পড়লেন তিনি। এ ঘটনার ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

    ভিডিওতে দেখা গেছে, ফাইনালে পুরস্কার ঘোষণার আগের মুহূর্তে রানার্স আপ মীনাক্ষী চৌধুরীর হাত ধরে ছিলেন ক্লারা। নাম ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অশ্বস্তি বোধ করেন সসা। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এমনকি মীনাক্ষীও তাকে আটকে রাখতে পারেননি।

    তবে কিছুক্ষণ পরই আবার স্বাভাবিক হয়ে ওঠেন। তিনি হাসেন এবং সবার অভিবাদন গ্রহণ করেন।

    ক্লারা সসা ২০১৮ সালের মিস গ্র্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল খেতাব জিতেছেন। তবে প্যারাগুয়ের এই সুন্দরীর এটিই প্রথম বিশ্বমানের কোনো খেতাব জয়।