Category: আন্তর্জাতিক

  • টাইগাররা ২৭২ রানের টার্গেট দিল জিম্বাবুয়েকে

    টাইগাররা ২৭২ রানের টার্গেট দিল জিম্বাবুয়েকে

    ইমরুল কায়েস সেঞ্চুরি ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের হাফ সেঞ্চুরির ওপর ভর করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭১ রান করেছে বাংলাদেশ। ফলে জয়ের জন্য জিম্বাবুয়েকে করতে হবে ২৭২ রান।

    দলকে মহাবিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন ইমরুল। তার আর অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিনের সপ্তম উইকেট জুটিই বাংলাদেশকে নিরাপদ বন্দরে পৌঁছে দেয়। এখন বোলাররা কি করেন সেটিই দেখার পালা।

    তিন উইকেটে ১৩৬ রান। এরপর ৬ রান যোগ করতেই পড়ে যায় তিনটি ‍উইকেট। ১৩৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে যখন ঘোর অমানিশায় টাইগাররা তখন হাল ধরেন ইমরুল ও সাইফউদ্দিন। তাদের দায়িত্বপূর্ণ ব্যাটিংয়ে সপ্তম উইকেট জুটিতে শতাধিক রান আসে। এর রানের উপর ভর করে বাংলাদেশ স্কোর ২৫০ ছাড়ায়।

    আন্ডারডগ জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ১৩৯ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন চোখে শর্শে ফুল দেখছিল তখন ইমরুল একজন সঙ্গী খুঁজছিলেন। পেয়েও গেলেন একজন নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। তিনি সাইফউদ্দিন। দলকে টেনে নিয়ে যান প্রায় দুইশ’র কোটায়।

    মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে বাংলাদেশ‌। দলীয় ১৬ রানের মাথায় বিদায় নেন ওপেনার লিটন দাস। এরপর এক রান যোগ করতেই পড়ে আরো ১ উইকেট। এই যখন অবস্থা তখন শক্ত হাতে হাল ধরেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম ও ইমরুল কায়েস।

    তাদের ব্যাটে প্রাথমিক বিপরর‌্যয় কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করে টাইগাররা। কিছুটা সফলও হন তারা। দলীয় ১৭ রানে দুই উইকেট পড়ে যাওয়ার পর দলের স্কোর টেনে ৬৬ পর্যন্ত নিযে যান অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান। দলকে বড় স্কোরের স্বপ্নও দেখাচ্ছিলেন। হাত খুলে খেলছিলেন ইমরুল কায়েস। আর দেশেশুনে ব্যাট করছিলেন মুশফিক।

    কিন্তু ১৪ ওভারের শেষ বলে মাভুতার বলে ক্যাচ দেন মুশফিক। আম্পায়ার প্রথমে আউট দেন নি। কিন্তু জিম্বাবুয়ে দলের অধিনায়ক রিভিউ চেয়ে বসেন। পরে আম্পায়ার আঙ্গুল তুলে সারেন্ডার করেন।

    মুশফিক আউট হওয়ার পর মাঠে নামে মিঠুন। মিঠুনের সঙ্গে জুটি বাধেন ইমরুল। মিঠুনের পর যারা মাঠে নামের তারা কেউই দাঁড়াতে পারেন নি।

    বাংলাদেশ দলের পক্ষে ইমরুলের ১৪৪ ছাড়াও ভালো করেছেন সাইফউদ্দিন। হাফসেঞ্চুরি বঞ্চিত করেছেন ৬৭ বল খেলে। মিঠুন করেছেন ৩৭ আর মুশফিক ১৫ রান। আর কেউই দুই অংশ ছুঁতে পারেননি।

  • মোস্তাফিজকে ছেড়ে দিচ্ছে মুম্বাই?

    মোস্তাফিজকে ছেড়ে দিচ্ছে মুম্বাই?

    আইপিএলের সর্বশেষ মৌসুমে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসে খেলেছিলেন বাংলাদেশের বাঁ হাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। আসছে মৌসুমে তাঁকে ছেড়ে দিতে পারে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। তাঁকে ছেড়ে দিয়ে মুম্বাই নেবে দক্ষিণ আফ্রিকান উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কককে। মোস্তাফিজের সঙ্গে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে শ্রীলঙ্কার আকিলা দনঞ্জয়াকে।

    গত মৌসুমে ২.৮ কোটি রুপিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে খেলেছিলেন ডি কক, ৮ ম্যাচে পারফরম্যান্স ছিল বেশ ভালো। ১২৪.০৭ স্ট্রাইকরেটে তিনি রান করেছিলেন ২০১। তাঁকে এ মৌসুমে একই দামে মুম্বাইয়ের কাছে বিক্রি করে দিতে যাচ্ছে বেঙ্গালুরু। ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, ডি ককের খরচ সামলাতেই নাকি ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে গত মৌসুমে ২.২ কোটিতে নেওয়া মোস্তাফিজ ও ৫০ লাখ রুপিতে কেনা দনঞ্জয়াকে।

    আসছে মৌসুমের জন্য খেলোয়াড় নিলাম অনুষ্ঠিত হবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশনা অনুযায়ী পুরোনো খেলোয়াড় ছেড়ে দেওয়া ও অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে নতুন খেলোয়াড়তে দলভুক্ত করার শেষ তারিখ ১৫ নভেম্বর।

    মোস্তাফিজ ২০১৬ সাল থেকে আইপিএলে আছেন। প্রথম দুই মৌসুম তিনি খেলেছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে। ২০১৬ মৌসুমে দুর্দান্ত নৈপুণ্যে পেয়েছিলেন আইপিএলের সেরা উদীয়মান তারকার পুরস্কার। সেবার ১৬ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ২০১৭ মৌসুমে হায়দরাবাদে থাকলেও মাত্র একটি ম্যাচ খেলে ছিলেন উইকেটশূন্য। গত মৌসুমে মুম্বাইয়ে নাম লিখিয়ে ৭ ম্যাচে নিয়েছিলেন ৭ উইকেট।

  • রাবণ পোড়ানো দেখতে ব্যস্ত জনতাকে পিষে দিয়ে গেছে ট্রেন, নিহত ৫০

    রাবণ পোড়ানো দেখতে ব্যস্ত জনতাকে পিষে দিয়ে গেছে ট্রেন, নিহত ৫০

    ট্রেনের লাইনের ওপর এবং পাশে দাঁড়িয়ে বিজয়া দশমীতে রাবণ পোড়ানো দেখছিলেন কয়েকশ মানুষ। আর সেই ভিড়ের ওপর দিয়েই দ্রুত গতিতে চলে গেল ট্রেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা ঘটেছে ভারতের পাঞ্জাবের অমৃতসরের চৌরি বাজার এলাকায়।

    প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, নিহতের সংখ্যা অন্তত ৫০ জন। এ ঘটনায় বহু মানুষ আহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা আরো বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ এবং উদ্ধারকারীরা।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, রেল লাইনের পাশে রাবণের কুশপুতুল পোড়ানো হচ্ছিল। রেললাইনের পাশে সেই রাবণ পোড়ানো দেখতে দাঁড়িয়ে ছিলেন বহু মানুষ। রাবণ পোড়ানোর সময় বাজির আগুন ছিটকে আসতে থাকে।

    দর্শকদের একাংশ সরে লাইনের উপর উঠে আসেন। আর সেই সময় ওই লাইন ধরে চলে আসে দ্রুত গতির একটি ট্রেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ওই সময় দুই লাইনেই এক সঙ্গে ট্রেন চলে আসে। তাই কোনো দিকেই সরতে পারেননি দর্শকরা। ট্রেনের চাকার তলায় পিষে যায় একের পর এক মানুষের দেহ।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বাজির আওয়াজে ঢাকা পড়ে গিয়েছিল ট্রেনের আওয়াজ। তাই কেউ শুনতে পাননি। তাদের অভিযোগ, রাবণ দাহ যারা করছিলেন সেই আয়োজকরা অন্তত মানুষকে সতর্ক করতে পারতেন।

    উত্তর রেলের জনসংযোগ কর্মকর্তা বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে অমৃতসর এবং মানেওয়ালার মাঝখানে ২৭ নম্বর গেটের সামনে। একটি ডিএমএউ ট্রেন চলে যায় ভিড়ের উপর দিয়ে।

  • ৪ বছর ধরে ২ ভাইয়ের গণধর্ষণের শিকার নাবালিকা বোন

    ৪ বছর ধরে ২ ভাইয়ের গণধর্ষণের শিকার নাবালিকা বোন

    ৪ বছর ধরে ২ ভাইয়ের গণধর্ষণের শিকার  নিজের নাবালিকা বোনকে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মেরঠে। পুলিশ সেই দুই অভিযুক্ত ভাইকে গ্রেফতার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণসহ একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিশ।

    পুলিশ জানিয়েছে, ১৫ বছরের সেই কিশোরী নিজে থানায় এসে অভিযোগ জানায়। সিভিল লাইন পুলিশ স্টেশনের বাসিন্দা সেই কিশোরী জানায়, গত চার বছরের বেশি সময় ধরে দুই ভাইয়ের হাতে গণধর্ষণের শিকার সে। বাধা দিতে গেলে মারধর করা হতো তাকে। তার মা প্রতিবাদ জানালে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হতো। চার বছর ধরে অত্যাচার সহ্য করতে করতে অবশেষে মুখ খোলে সেই নাবালকা। পুলিশের কাছে দায়ের করে এফআইআর।

    সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দুই ভাইকে গ্রেফতার করে মেরঠ থানার পুলিশ। মেয়েটির মেডিকেল পরীক্ষাও হয়। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দুই ভাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেরার মুখে দু’জনেই ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

  • কনস্যুলেটেই হত্যা করা হয়, অবশেষে স্বীকার করল সৌদি

    কনস্যুলেটেই হত্যা করা হয়, অবশেষে স্বীকার করল সৌদি

    অবশেষে সাংবাদিক জামাল খাশোগির মৃত্যুর বিষয়ে মুখ খুলল সৌদি আরব। ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে একটি সংঘর্ষের ঘটনায় জামাল খাশোগি নিহত হয়েছেন বলে স্বীকার করেছে সৌদি। প্রাথমিক একটি তদন্তের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে বেশ কয়েক জনের সঙ্গে লড়াইয়ের ঘটনায় জামাল খাশোগি নিহত হয়েছেন।

    খবরে বলা হয়েছে, খাশোগি নিহত হওয়ার ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে সৌদির উপ-গোয়েন্দা প্রধান আহমাদ আল-আসিরি এবং ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমানের শীর্ষ সহকারী সৌদ আল কাহতানিকে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

    প্রথমবারের মতো প্রাথমিক তদন্তে জামাল খাশোগি নিহত হয়েছেন বলে স্বীকার করে নিল সৌদি। এই ঘটনার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, যা ঘটেছে তা গ্রহণযোগ্য নয়। তবে সৌদি আরব তাদের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশ।

    খাশোগি হত্যাকাণ্ডে তদন্তের অংশ হিসেবে ১৮ জন সৌদি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। একটি গোল টেবিল বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ওই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করাটাই ছিল প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সৌদি রাজতন্ত্র দ্রুত এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করায় তিনি দেশটির প্রশংসা করেছেন।

    এদিকে, বাদশাহ সালমান দেশটির গোয়েন্দা বিভাগকে ঢেলে সাজাতে ক্রাউন প্রিন্স সালমানের নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিপরিষদীয় কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।

    গত ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুল শহরে অবস্থিত সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর নিখোঁজ হন জামাল খাশোগি। তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজ নেয়ার জন্য সেখানে যান। তার প্রেমিকা হাতিস চেঙ্গিসকে বিয়ে করার জন্য এসব কাগজপত্রের প্রয়োজন ছিল। হাতিসকে কনস্যুলেটের বাইরে রেখেই তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন। হাতিস সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টার দাঁড়িয়ে থাকার পরেও খাশোগি আর ফিরে আসেননি। এরপর থেকেই জামাল খাঁশোগির আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

    ওই ঘটনার পরপরই তুরস্কের তরফ থেকে দাবি করা হয় যে, কনস্যুলেটের ভেতরেই জামাল খাশোগিকে টুকরো টুকরো করে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু তুরস্কের এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে সব ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছিল রিয়াদ।

    তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের সঙ্গে সৌদির বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদের ফোনে আলাপ হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই সৌদির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে খাশোগি নিহতের বিষয়টি জানানো হয়।

    খবরে বলা হয়, ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে খাশোগির সঙ্গে কয়েকজন ব্যক্তির সংঘর্ষ ঘটে। এর ফলেই তার মৃত্যু হয়। খাশোগি হত্যার বিষয়ে তদন্ত এখনও চলছে এবং এই ঘটনায় ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবরে জানানো হয়। একই সঙ্গে দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়।

    খাশোগিকে হত্যার দায়ে বরখাস্ত হওয়া সৌদ আল-কাহতানি সৌদি রাজপ্রাসাদের একজন প্রভাবশালী সদস্য এবং প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমানের ঊর্ধ্বতন উপদেষ্টা। অপরদিকে, মেজর জেনারেল আহমাদ আল-আসিরি ইয়েমেনের ওপর সৌদি আগ্রাসনের বিষয়ে শীর্ষ মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

    ২০১৭ সালে এক সাক্ষাৎকারে ইয়েমেনের ওপর সৌদি পদক্ষেপের বিষয়টি সমর্থন করে বক্তব্য দিয়েছিলেন জেনারেল আসিরি। প্রথম থেকেই তুর্কি তদন্ত কর্মকর্তারা এই দুই ব্যক্তির জড়িত থাকার কথা বলে আসছে। কিন্তু রিয়াদ এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিল।

    এদিকে হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সৌদির তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে তারা জানতে পেরেছে। জামাল খাশোগির মৃত্যু ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র গভীরভাবে শোকাহত বলে জানানো হয়।

  • ১০-১৫ সেকেন্ডেই ৩০০ মানুষের জমায়েত পরিণত হয় ছিন্ন-ভিন্ন দেহের স্তুপে

    ১০-১৫ সেকেন্ডেই ৩০০ মানুষের জমায়েত পরিণত হয় ছিন্ন-ভিন্ন দেহের স্তুপে

    ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের অমৃতসরে দশেরার অনুষ্ঠানে রাবণের কুশপুত্তলিকায় আগুন দেওয়া প্রত্যক্ষ করতে ৩০০ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। মাত্র ১০-১৫ সেকেন্ডের মাথায় উৎসবস্থল পরিণত হয় ছিন্ন-ভিন্ন দেহের স্তুপে। স্বজন-সন্তান হারানোর আহাজারিতে আশাপাশ কেঁপে উঠে। সবাই তখন হন্য হয়ে প্রিয়জনকে খুঁজছিলেন। অন্ধকারে এসেছিলেন ঘাতক ট্রেনটি, যার নিচে পড়ে কমপক্ষে ৬১ জন প্রাণ হারায়, আহত হন ৭২ জন।

    অমৃতসর শহরের জোড়া ফটকের কাছে দশেরা উৎসবে রাবণের কুশপুত্তলিকা জ্বালানোর সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। রেললাইনের ধারে দাঁড়িয়ে প্রায় ৩০০ মানুষ দশেরা উৎসব দেখছিলেন, সেই সময়ই ট্রেন সেখানে এসে পড়ে। কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর শব্দে ট্রেনের আওয়াজ কেউ শোনেনি। ট্রেনটি এসেছিল অন্ধকারে, এ জন্য কোনো অ্যালার্ম বাজানো হয়নি। আয়োজক কর্তৃপক্ষ কোনো সতর্কতা জারি করেনি।

    স্থানীয় ব্যবসায়ী পাদাম সিং ধিংরা বলেন, সন্ধ্যা ৬টা ১৫তে অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অমৃতসরের সাংসদ নভোজোত সিং সিধুর স্ত্রী আসতে দেরি করায় অনুষ্ঠানে পিছিয়ে দেয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, অন্যসময় রাবণের কুশপুত্তলিকায় আগেই আগুন দেয়া হয়। প্রধান অতিথির দেরির জন্যই এবার দেরি হয়ে গিয়েছিল।

    স্থানীয়রা জানান, কুশপুত্তলিকায় আগুন দেওয়ার সময় মাইকে ঘোষণা করা হয়, দর্শকরা যেন পেছন দিকে সরে যান। সেই কথা মতো মানুষ পেছনের একটা রেললাইনের ওপরে চলে গিয়েছিল, তখনই সেখান দিয়ে একটি দ্রুতগামী ট্রেন চলে যায়। ট্রেনের ধাক্কায় বহু মানুষ এদিক ওদিক ছিটকে পড়েন।

    প্রত্যক্ষদর্শী একজন জানান, বহু মানুষ রেললাইনের ওপরেই ভিড় করে দাঁড়িয়েছিল প্রতি বছরের মতোই রাবন দহন দেখতে, হঠাৎ করেই জোরে ট্রেনটা এসে লোকের ওপর দিয়ে চলে গেল। কোনো হর্ন বাজায়নি, ট্রেনের গতিও কমায়নি একটুও। এত জোরে ট্রেনটা চলে এলো, মানুষ সরে যাওয়ার সময়ই পায়নি। ট্রেনটি হর্নও দেয়নি। সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

  • কেরালায় বিক্ষোভের মুখে মন্দিরে ঢুকতে পারেননি দুই নারী

    কেরালায় বিক্ষোভের মুখে মন্দিরে ঢুকতে পারেননি দুই নারী

    পাহাড়ে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পথ বেয়ে উঠেছিলেন তাঁরা। সোনার তৈরি ধাপটিতে পৌঁছাতে সিঁড়ির আর মাত্র ১৮টি ধাপ বাকি ছিল। দূরত্ব মাত্র ৫০০ মিটার। এই সোনালি ধাপটুকু পেরোতে পারলেই তাঁরা পৌঁছে যেতেন পবিত্র মন্দিরটিতে। গড়তে পারতেন ধর্মীয় গোঁড়ামি ভঙ্গের ইতিহাস। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ধর্মীয় উন্মাদনার কাছে হার মানতেই হলো তাঁদের। আইনও তাঁদের এই পবর্তসম ধর্মান্ধতাকে চিরে আলো পৌঁছানোর পথ তৈরি করে দিতে পারল না।

    ভারতের কেরালা রাজ্যে সাবারিমালায় পাহাড়ের ওপর আয়াপ্পা দেবতার মন্দিরে দুই নারীকে প্রবেশ থেকে বিরত রাখতে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন পুরোহিতেরা। নারীদের মাসিকের সময় বিবেচনায় ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী নারীদের মন্দিরের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। শত শত বছর ধরে চলে আসছে এই রীতি।

    পুরোহিতদের এই বাধার মধ্য দিয়ে যেন আরেকবার প্রমাণ হলো, পুরুষেরাই ধর্মীয় ব্যাপারে নেতৃত্বের অবস্থানে থাকবেন। নারীরা শুধুই পালন করে যাবেন। তা–ও পালন করতে হবে পুরুষের বেঁধে দেওয়া নিয়মের বেষ্টনীর মধ্যে থেকে। ধর্ম নিয়ে নারীরও যে আবেগ প্রকাশের অধিকার আছে, তা যেন উপেক্ষিতই থেকে যাবে। ধর্মপ্রাণ নারীদের যেন তা–ই করতে হবে, যা পুরুষ চায়।
    যে দুই নারী রীতি ভাঙার সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, মন্দিরে পৌঁছানোর আইনি প্রবেশাধিকার তাঁরা সঙ্গে নিয়েই গিয়েছিলেন। কিন্তু আইন তাঁদের রক্ষাকবচ হতে পারেনি।

    এনডিটিভি অনলাইনের খবরে জানানো হয়, শুক্রবার পুলিশি পাহারায় একজন সাংবাদিকসহ দুজন নারী লক্ষ্যে পৌঁছানোর সময় শেষ ধাপে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মন্দিরের পুরোহিতরা। নারী দুজন শেষ আধা কিলোমিটারের সোনালি ধাপ পেরোতে চাইলে প্রতিহত করার হুমকি দিয়েছিলেন তাঁরা। সব ধরনের ধর্মীয় প্রথা ও প্রার্থনা বন্ধ করে মন্দির বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন।
    সাবারিমালা মন্দিরের প্রধান পুরোহিত কানদারারু রাজিভারু বলেন, ‘আমরা মন্দির বন্ধ করে চাবি হস্তান্তর করে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি ভক্তদের পাশে আছি। আমার কাছে আর কোনো উপায় নেই।আয়াপ্পা দেবতার মন্দিরে নারীদের প্রবেশে বাধা দিতে পথ অবরোধ করে রেখেছেন ভক্তরা। ছবি: এএফপিপুলিশ দুই নারীকে এই বার্তা জানানোর পর তাঁরা ফিরে আসতে রাজি হন। ঘটনাস্থলে পুলিশের দলের নেতৃত্বে থাকা মহাপরিদর্শক (আইজি) এস শ্রিজাত বলেন, ‘আমরা নারীভক্তদের পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেছি, তাঁরা ফিরে যেতে রাজি হয়েছেন। তাই আমরা ফিরে যাচ্ছি। তাঁরা আবার ফিরে আসার কথা জানিয়েছেন।’

    সকালে বিক্ষোভরত ভক্তদের উদ্দেশে শ্রিজাত বলেন, ‘আমিও একজন আয়াপ্পাভক্ত। এখানে এসেছি সুপ্রিম কোর্টের আদেশ পালনে। আমি মনে করি, নারীদের মন্দিরের ভেতর প্রবেশের অধিকার রয়েছে।’
    কিন্তু বিক্ষোভকারীরা তাঁর আহ্বানে সাড়া দেননি। তাঁরা দুই নারীর মন্দিরে প্রবেশের মুখে বাধা দেন।

    গত মাসে দেবতা আয়াপ্পার মন্দিরে নারীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আদেশ দেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এই ঐতিহাসিক নির্দেশের পর তিন দিন আগে মন্দিরটির খোলা হয়। অন্য ভক্তদের মতে, আদালত সে ক্ষেত্রে আবেগ ও ঐতিহ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নেননি। তাঁদের ভাষায়, আয়াপ্পা একজন কুমার দেবতা এবং নারীদের ঋতুকালীন বয়স ‘বিশুদ্ধ নয়’।

    মন্দিরটি পরিচালনায় থাকা দেবাসম বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী কাদাকামপালি সুরেনদ্রান এনডিটিভিকে বলেছেন, যে দুজন নারী মন্দিরে প্রবেশের চেষ্টা করেছেন, তাঁরা ভক্ত নন, অধিকারকর্মী। সত্যিকারের কোনো ভক্ত সেখানে যেতে চাইলে সুরক্ষা দেওয়া হবে। কিন্তু কোনো অধিকারকর্মীকে সাবারিমালাকে তাঁদের জায়গা হিসেবে প্রমাণের সুযোগ দেওয়া হবে না।

    হায়দরাবাদের মোজো টিভির সাংবাদিক কবিতা জাক্কাল হলুদ হেলমেট মাথায় বিক্ষোভের মধ্যে মন্দিরে যাচ্ছিলেন। তাঁকে ঘেরাও করে রেখেছিল পুলিশ। ৩০০ পুলিশ ঘেরাও করে নিয়ে যাচ্ছিল তাঁকে। আরেক নারী কালো শাড়ি পরে, দেবতা আয়াপ্পার জন্য রীতি অনুসারে প্রার্থনার সরঞ্জাম মাথায় নিয়ে আলাদাভাবে হেঁটে যাচ্ছিলেন। ৪৬ বছর বয়সী নারী ম্যারি সুইটি ফিরে আসতে রাজি ছিলেন না। তিনি জানান, তিনি গির্জা, মসজিদ, মন্দিরে গেছেন, আয়াপ্পাও দেখতে চান। সে সময় পুলিশ তাঁকে নিজ দায়িত্বে যেতে বলেন। পাম্বা থেকে তাঁরা ৪ দশমিক ৬ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ বেয়ে উঠেছিলেন।
    বিক্ষোভকারী ভক্তদের দুই দিন ধরে মন্দিরে নারীদের প্রবেশে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে নিলাক্কাল ও পাম্বা বেজ ক্যাম্পে সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে । সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, তাঁদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। ক্রমাগত হুমকির মুখে নারীরা ফিরে আসতে বাধ্য হন।

    গতকাল বৃহস্পতিবার সকালেও দুজন সাংবাদিক যাঁর একজন ‘নিউইয়র্ক টাইমস’–এর ভারতীয় সাংবাদিক মন্দিরের ভেতর প্রবেশের চেষ্টা করে বিক্ষোভকারীদের বাধার মুখে ফিরে আসেন।

  • সৌদি যুবরাজকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে?

    সৌদি যুবরাজকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে?

    যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানকে সরিয়ে তার অপেক্ষাকৃত কম উচ্চাকাঙ্ক্ষী ছোট ভাই খালিদ বিন সালমানকে সৌদি আরবের যুবরাজের পদে অভিষিক্ত করার পরিকল্পনা করছে দেশটির সরকার। ফ্রান্সের দৈনিক লা ফিগারো বৃহস্পতিবার প্যারিসের একটি কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে।

    ফরাসী এই দৈনিক বলছে, রিয়াদবিরোধী সাংবাদিক জামাল খাশোগির গুম হয়ে যাওয়া নিয়ে এরইমধ্যে সৌদি আরবের প্রভাবশালী এলিজেন্স কাউন্সিল গোপনে বৈঠক করেছে। ব্যক্তিগত আক্রোশের বশবর্তী হয়ে এরইমধ্যে যুবরাজ বিন সালমান বহু প্রিন্সের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে এই কাউন্সিলের বিরাগভাজন হয়েছেন।

    খাশোগিকে মোহাম্মাদ বিন সালমানের নির্দেশে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে হত্যা করা হয়েছে বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

    সৌদি এলিজেন্স কাউন্সিল গত বছর দেশটির রাজতন্ত্রের প্রথা ভেঙে বিন সালমানকে নয়া যুবরাজ পদে নিয়োগ দিয়েছিল। ফরাসি পত্রিকাটি বলছে, এই কাউন্সিল এখন ২৮ বছর বয়সী মোহাম্মাদ বিন সালমানের ছোট ভাই খালিদ বিন সালমানকে উপ-যুবরাজের দায়িত্ব দিতে চাচ্ছে। পর্যায়ক্রমে তাকে যুবরাজের পদে অভিষিক্ত করা হবে। খালিদ বর্তমানে আমেরিকায় সৌদি রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করছেন।

    একটি সৌদি সূত্র লা ফিগারোকে বলেছে, খালিদকে উপ-যুবরাজের পদে বসানোর অর্থ হবে আগামীতে যুবরাজের পদ হারাবেন মোহাম্মাদ বিন সালমান। এভাবে সৌদি রাজতন্ত্রের ক্ষমতা সালমান পরিবারের কাছেই রেখে দেয়া সম্ভব হবে।

    দেশে এবং দেশের বাইরে খালিদ বিন সালমান তার বড় ভাই মোহাম্মাদের চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয় বলে পত্রিকাটি জানিয়েছে।

    এর আগে মার্কিন দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস গত সোমবার খবর দিয়েছিল, খালিদ বিন সালমানকে এরইমধ্যে রিয়াদে উড়িয়ে আনা হয়েছে। তিনি আর রাষ্ট্রদূত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাচ্ছেন না।

  • রাখাইনে আশ্রয় শিবিরে আগুন, ৬ রোহিঙ্গা নিহত

    রাখাইনে আশ্রয় শিবিরে আগুন, ৬ রোহিঙ্গা নিহত

    মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে দেশটির সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের জন্য নির্মিত আশ্রয়কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। শুক্রবার মধ্যরাতে জনাকীর্ণ রোহিঙ্গা আশ্রয়কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হলে এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস বিভাগের বরাত দিয়ে ফরাসী বার্তাসংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

    গত বছরের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের রাখাইনে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর নিষ্ঠুর অভিযানের মুখে ৭ লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গা প্রতিবেশি বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। তখন থেকে বিশ্ব পরিমণ্ডলে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মিয়ানমারের এই রোহিঙ্গা সঙ্কট।

    রাখাইনে রক্তাক্ত অভিযান পরিচালনার দায়ে মিয়ানমারের শীর্ষস্থানীয় সেনা জেনারেলদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনেছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক পরিষদ। তবে জাতিসংঘের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটি।

    ২০১২ সালে দেশটিতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর রাখাইনের রাজধানী সিত্তের দক্ষিণে এক আশ্রয়শিবিরে ১ লাখ ২৯ হাজার রোহিঙ্গাকে সরিয়ে নেয়া হয়। আশ্রিত এই রোহিঙ্গাদের জীবন-যাপন প্রায় কারাবন্দীদের মতোই।

    দেশটির উগ্রপন্থী বৌদ্ধদের তাণ্ডবে ওই বছর রাখাইনে শত শত রোহিঙ্গার প্রাণহানি ঘটে। মিয়ানমারের ফায়ার সার্ভিস বিভাগের কর্মকর্তা হ্যান সোয়ে বলেন, অনডু চ্যা আশ্রয়শিবিরে প্রায় ৪ হাজার রোহিঙ্গা রয়েছে। সিত্তে থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরের এই রোহিঙ্গা শিবিরে শুক্রবার মধ্যরাতে আগুনের সূত্রপাত হয়। কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

    তিনি বলেন, আগুনে ছয়জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে একজন পুরুষ ও পাঁচজন নারী রয়েছেন। রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে অন্তত ১৫ টি ঘর পুড়ে গেছে।

    স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাত ৩টা বেজে যায়। শিবিরে অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনায় ৮২০ জন রোহিঙ্গা খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন।

  • খাশোগির মরদেহের সন্ধানে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে তুরস্কের পুলিশ

    খাশোগির মরদেহের সন্ধানে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে তুরস্কের পুলিশ

    খাশোগিকে হত্যার পর সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগির মৃতদেহ টুকরো টুকরো করে বন বা কৃষি জমিতে ফেলে দেয়া হয়েছে এমন ধারণা করছে তুরস্ক।

    খাশোগির মরদেহের সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে তুরস্কের পুলিশ। বিভিন্ন স্থান থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে এখনো কোনো মৃতদেহের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

    গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনসুলেট অফিসে প্রবেশের পর সাংবাদিক জামাল খাশোগির সন্ধান মেলেনি। তুরস্ক দাবি করছে, কনসুলেট অফিসের মধ্যে তাকে হত্যা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়া ১৫ জনের ছবিও প্রকাশ করেছে দেশটির সরকারপন্থি সংবাদমাধ্যম।