Category: আন্তর্জাতিক

  • ভারত ২০১৪ সাল থেকেই ভুল পথে চলছে: অমর্ত্য সেন

    ভারত ২০১৪ সাল থেকেই ভুল পথে চলছে: অমর্ত্য সেন

    ভারতের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন এবার মুখ খুললেন। তিনি বললেন, পিছনের দিকে হাঁটার নিরিখে ভারত এই মুহূর্তে অনেকটা এগিয়েছে। ২০১৪ থেকেই এই বিপজ্জনক অবনতি শুরু হয়ে বর্তমানেও সমান তালে চলছে। সম্প্রতি ভারতের দিল্লিতে নিজের বইয়ের হিন্দি সংস্করণ প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অমর্ত্য সেন। সেখানেই ভারতের পরিস্থিতি নিয়ে এই মত প্রকাশ করেন বিশ্বখ্যাত এই অর্থনীতিবিদ।

    অমর্ত্য সেন’র মতে, ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা-নেপাল ও ভুটান এই রিজিয়নে আগে ভারত ছিল শ্রীলঙ্কার পরেই। অর্থাৎ সেরার নিরিখে দ্বিতীয় অবস্থানে। এখন এই ক্রম পুরো উল্টে গিছে। এখনও ভারত দ্বিতীয়। তবে সেটা তালিকার নিচের দিক থেকে। আর সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে পাকিস্তান।

    কোন ভিত্তিতে এ কথা বলছেন তার ব্যাখ্যাও দেন তিনি। ভারতের সাম্প্রতিক বেশ কিছু ঘটনাবলী উঠে আসে তাঁর কথায়। উঠে আসে, দলিত নিগ্রহের কথা। কিছুদিন আগেই এক দলিত যুবককে পেট্রোল পাম্পে বেঁধে চাবুক মারা হয়। এদিকে নিজের হাতে যারা ম্যানহোলের ময়লা পরিষ্কার করে, সেই শ্রেণির মানুষরা ক্রমাগত উপেক্ষিত এবং অবহেলিত। অর্থাৎ বিশেষ কিছু দিকে যে দৃষ্টি দেওয়া হচ্ছে না, ক্রমাগত কিছু সূচকের নিরিখে ভারতকে পিছু হটতে হচ্ছে তাই-ই স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।

    আরও স্পষ্ট অমর্ত্য সেন বলেন, মোদি বনাম রাহুল দ্বন্দ্বের কথা তিনি বলছেন না। ভারত এবং তার স্বরূপ নিয়েই তিনি ভাবছেন এবং সেই কথাটিই তুলে ধরছেন।

    তিনি আরো বলেন, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় কেউ কল্পনাও করেননি যে, শুধু হিন্দু পরিচিতির জেরে কোন নির্বাচন জেতা যায়। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আজ তাই-ই হচ্ছে। আজ ২০০০ কোটি রুপির বাজেট মানে ভারতের প্রত্যেক মানুষের জন্য বরাদ্দ ২০ রুপি। সুতরাং অর্থনীতি ও সামাজিক দিকে থেকে এই মুহূর্তে ভারতে যে বেশ কিছু সমস্যা আছে এবং সেদিক থেকে ক্রমাগত মুখ ঘুরিয়ে চলা হচ্ছে। সে কথাই আরও একবার স্নরণ করিয়ে দেন অমর্ত্য সেন।

  • গুহায় আটকে পড়াদের মধ্যে ৪ ফুটবলারকে উদ্ধার

    গুহায় আটকে পড়াদের মধ্যে ৪ ফুটবলারকে উদ্ধার

    থাইল্যান্ডের গভীরতম গুহায় আটকে পড়া ১২ ক্ষুদে ফুটবলারদের মধ্যে ৪ জনকে উদ্ধার করেছে ডুবুরিরা। যদিও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে প্রথমে ৬ জনের কথা বলা হলেও পরে ৪ জনের কথা জানিয়েছে।

    উদ্ধারকারী দলের প্রধান নারংসাক অসত্যানাকর্ন বলেন, আমরা আজ ৪ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। নিরাপদে উদ্ধারের পর তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    এর আগে, গুহায় আটকে পড়া ১২ ক্ষুদে ফুটবলার ও তাদের কোচকে উদ্ধারে রবিবার অভিযানে নামে ডুবুরিরা। গত ২৩ জুন গুহায় ঢুকে আটকা পড়ে তারা।

    আবহাওয়া অনুকূলে আসায় ও গুহার ভেতরে পানির স্তর কমতে থাকায় থাইল্যান্ডের চিয়াং রাইয়ের গভর্নর নারুংসাক ওস্তানাকর্ন রবিবার সকালে অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়া ডুবুরিদের মধ্যে ৫ জন থাইল্যান্ডের এবং ১৩ জন বিদেশি ডুবুরি রয়েছেন। সবাই বের করে আনতে দুই থেকে চার দিন লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।তবে সবকিছু আবহাওয়া ও গুহার ভেতরে থাকা পানির মাত্রার ওপর নির্ভর করছে।

  • ভারতীয় তরুণীর প্রেমের ফাঁদে বাংলাদেশি যুবক, অতঃপর…

    ভারতীয় তরুণীর প্রেমের ফাঁদে বাংলাদেশি যুবক, অতঃপর…

    ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ভুয়া সুন্দরী তরুণীর ছবি দেখে আলাপ, পরে প্রেম নিবেদন। এরপর সেই প্রেমিকার সাথে দেখা করতে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ বাংলাদেশি যুবকের। অতঃপর অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে পুলিশের জালে বাংলাদেশি প্রেমিক।

    ভারতের কেরালা রাজ্যের ওয়ানাদ জেলার মেপ্পাদির এক নারী তার নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে নিজের ছবির পরিবর্তে মালয়ালাম অভিনেত্রী কাব্য মাধবনের ছবি ব্যবহার করেন। আর ফেসবুকে সেই ছবি দেখেই ওই তরুণীর প্রেমে পড়েন বাংলাদেশি যুবক শাহিবুল খান। ফেসবুকেই ওই তরুণীকে মুখোমুখি সাক্ষাতের ইচ্ছা প্রকাশ করেন সাহিবুল। এরপর ওই তরুণীও তাতে সম্মতি জানিয়ে নিজের বাসার পৌঁছানোর পথনির্দেশ জানিয়ে দেন।

    ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন ওই বাংলাদেশি যুবক। এরপর শাহিবুল কেরালার মেপ্পাদি শহরে ওই নারীর বাসাও খুঁজে পান। কিন্তু বাড়িতে ঢোকার সময়ই শাহিবুলকে প্রত্যাখান করেন ওই তরুণী। শাহিবুল বুঝতে পারেন যে ফেসবুকে যার ছবি দেখে তিনি প্রেমে পড়েছিলেন এই নারী তিনি নন। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারাও শাহিবুলকে টেনে হিঁচড়ে বাইরে বের করে দেন। খবর দেওয়া হয় স্থানীয় পুলিশকেও। পরে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে শাহিবুলকে আটক করা হয়।

    সাজার মেয়াদ শেষে গত তিন মাস আগেই কারাগার থেকে ছাড়া পান শাহিবুল খান। তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর যাবতীয় প্রক্রিয়াও শেষ। কিন্তু পোস্টাল হরতালের কারণে শাহিবুলের দেশে ফেরার যাত্রা বাতিল হয়। এই অবস্থায় দূতাবাস থেকে শাহিবুল যাতে দ্রুত ছাড়পত্রের নথি পায় সেই চেষ্টাই চালাচ্ছে মেপ্পাদি পুলিশের কর্মকর্তারা।

    এই মুহূর্তে মেপ্পাদি পুলিশ আবাসনেই পুলিশি ঘেরাটোপে রয়েছেন শাহিবুল। পুলিশের তরফেই তাকে খাওয়া সরবরাহ করা হচ্ছে। মেপ্পাদি থানার সাব-ইন্সপেক্টর এস.জিতেশ জানান, দূতাবাস থেকে নথি এসে পৌঁছলেই শাহিদুলকে যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

  • জন্মহার বাড়াতে দ. কোরিয়ায় অভিনব বিল পাস

    জন্মহার বাড়াতে দ. কোরিয়ায় অভিনব বিল পাস

    জন্মহার বাড়াতে দ. কোরিয়ায় অফিসের কর্মীদের সাপ্তাহিক কর্মঘণ্টা কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সপ্তাহে ৬৮ ঘণ্টার পরিবর্তে এখন থেকে দেশটির কর্মীরা ৫২ ঘণ্টা কাজ করবেন। ফলে এখন থেকে ১৬ ঘণ্টা সময় বেশি ছুটি পাবেন তারা।

    স্বাস্থ্যের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া, অবসাদ কাটানো ও জন্মহার বাড়ানোর জন্য এ নিয়ম জারি করেছে দেশটি। ১ জুলাই থেকে ও নিয়ম চালু হয়েছে। এখন থেকে ৬৮ ঘণ্টার বদলে ৫২ ঘণ্টা কাজ করবেন দেশটির কর্মীরা।

    বিশ্বের কম জন্মহারের দেশগুলোর মধ্য ওপরের দিকে আছে দক্ষিণ কোরিয়া। তাই জন্মহার বাড়াতে কর্মঘণ্টা কমিয়ে দিয়েছে। দেশটির নেতারা বলছেন, কর্মঘণ্টা কমানোর ফলে পরিবারের সঙ্গে বেশি সময় কাটাবেন নারী ও পুরুষেরা। অভিনব এ উদ্যোগের ফলে জন্ম হার বাড়বে বলে মনে করছেন দেশটির নীতি নির্ধারকেরা।

    বিশ্বের অন্যতম কর্মমূখর দেশ দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা দিনের বেশির ভাগ সময় অফিসেই কাটান। তাই দেশটি কর্মঘণ্টা কমানো সংক্রান্ত একটি একটি বিল পাস করেছে। বিলে বলা হয়েছে ৬৮ ঘণ্টার জায়গায় এখন সপ্তাহে ৫২ ঘণ্টা কাজ করতে হবে। জীবনযাপনের মান উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান বাড়ানো এবং জন্মহার বৃদ্ধির লক্ষ্যের অংশ হিসেবে সপ্তাহের কর্মঘণ্টা কমানো হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা এ বিলের বিরোধিতা করেছে। কিন্তু পার্লামেন্ট সদস্যরা তা আমলে না নিয়ে বিলটি পাস হয়।

    ২০১৬ সালে কোরীয়রা গড়ে ২ হাজার ৬৯ ঘণ্টা কাজ করেছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন বলেন, ‘জুলাই থেকে আমরা নতুন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হব। বাবা-এবং মায়ের সন্তানদের আরও সময় দেওয়া প্রয়োজন।’ মুন জে প্রশাসনে কর্মঘণ্টা কমানোর সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানিগুলোকে আরও অধিক কর্মী নিয়োগ দিতে আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ৮০ ভাগ কোম্পানিই বাড়তি কর্মী নিতে চায় না।

    এদিকে এ বছর দেশটিতে বেতন ১৬ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এর আগে প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন বলেছিলেন, ‘অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা থাকা কোনোভাবেই উচিত নয়। সুখী জীবন-যাপনের ক্ষেত্রে টানা কর্মঘণ্টা বড় বাধা। এমন কর্মঘণ্টা কোনো রকম বিশ্রামের সুযোগ দেয় না। এ ছাড়া নির্বাচিত হওয়ার পর দেশটির প্রেসিডেন্ট মুন প্রতি ঘণ্টায় ন্যূনতম মজুরি ৭ ডলার করে বৃদ্ধি করেছেন, যা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ।

    অর্গানাইজেশন অব ইকোনমিক করপোরেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইডিসি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়া ছাড়াও মেক্সিকো এবং কোস্টারিকায় দীর্ঘ কর্মঘণ্টা প্রচলিত আছে। দেশটির পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী চুয়াং হুন দক্ষিণ কোরিয়ার কম জন্মহারের জন্য নারীদের অতিরিক্ত কাজ করাকে দায়ী করেছেন। ওইসিডি এর মতে, ‘কোরিয়াতে প্রতি একজন নারীর সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা ১.২ ভাগ। যা বিশ্বে সর্বনিম্ন।’

  • কানাডায় দাবদাহে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪

    কানাডায় দাবদাহে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪

    কানাডার মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে তীব্র দাবদাহে গত ছয় দিনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪ হয়েছে। এর মধ্যে শুধু মন্ট্রিয়ল শহরেই মারা গেছেন ২৮ জন। এছাড়া মরিসাসে ৭, লাভালায় ১, লানাউইডিতে ১,  লরেন্টাইন্ডসে ১, মানটারেজিতে ৬ ও ইস্ট্রিতে ৯ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
    গত শুক্রবার থেকে দেশটিতে এ অবস্থা শুরু হয়েছে। ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার সঙ্গে উচ্চ আর্দ্রতার কারণে জনগণের নাভিশ্বাস উঠার উপক্রম হয়েছে। বাতাসে অতিরিক্ত জলীয়বাষ্পের কারণে যে তাপমাত্রা আছে তার তুলনায় বেশি তাপমাত্রা অনুভূত হচ্ছে। যেমন বৃহস্পতিবার মন্ট্রিয়লের তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু জলীয়বাষ্পের কারণে তা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো অনুভূত হয়েছে। এ সপ্তাহে প্রতিদিনই কেউ না কেউ মারা গেছে। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের বেশিরভাগের বয়স ৫০ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে।
    গত কয়েক দশকের মধ্যে এটাই কুইবেকে সবচেয়ে তীব্র দাবদাহ বলে জানান স্থানীয় কর্মকর্তার। স্থানীয় প্রশাসন থেকে জনগণকে প্রচুর পানি পান করার এবং অতিরিক্ত রোদে বের না হওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। মন্ট্রিয়লের মেয়র বলেন, “সর্বশক্তি প্রয়োগ করে আমরা পরিস্থিতি মোকাবেলার চেষ্টা করছি। ‘আমার দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে লোকজন ঠিকঠাক আছে কিনা তার খোঁজ নিচ্ছে। আমরা একটি দল হয়ে কাজ করছি।’
    নগরীর সুইমিংপুল ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এলাকা জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। গণস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেন, দাবদাহে মূলত তরুণ, খুব বৃদ্ধ এবং নবজাতক শিশুরা সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে থাকে।
  • লন্ডনের আকাশে উড়বে ‘ট্রাম্প বেলুন’

    লন্ডনের আকাশে উড়বে ‘ট্রাম্প বেলুন’

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী সপ্তাহে তিনদিনের সফরে যুক্তরাজ্য সফরে যাবেন। সেই সফর চলাকালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উপরে আকাশে উড়ানো হবে দৈত্যাকার একটি বেলুন। এই বেলুনটি তৈরি করা হয়েছে ট্রাম্পের চেহারার আদলে।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের বর্তমান চেহারা ঠিক রেখে ‘শিশু ট্রাম্প’ হিসেবে তৈরি বেলুনটি উড়ানোর অনুমতি দিয়েছেন লন্ডনের মেয়র সাদিক খান। ৬ মিটার (১৯ ফুট) উচ্চতার কমলা রঙের বেলুনটিতে সেফটিপিন দিয়ে একটি ডায়াপার পরানো রয়েছে।

    ট্রাম্পের ব্রিটেন সফরের প্রতিবাদে ডাকা বিক্ষোভের অংশ হিসেবে আন্দোলনকারীদের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে এই বিশালাকার বেলুন। বেলুনটি নিয়ে লন্ডনে ব্যাপক কৌতুহল তৈরি হয়েছে।

    এই বেলুন উড়ানোর আবেদনে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ একটি পিটিশন স্বাক্ষর করেন এবং প্রায় ১ হাজার মানুষ ক্রাউডফান্ডিং প্রচারণায় প্রায় ১৬ হাজার পাউন্ড অর্থ দেন।

    শুক্রবার সকালে দুই ঘণ্টার জন্য এই বেলুন উড়ানো হবে। ঠিক সেই সময়টাতেই সেন্ট্রাল লন্ডনে ‘স্টপ ট্রাম্প’ বিক্ষোভ মিছিল হবে।

  • চূড়ান্ত পরিণতির পথে সিরিয়া, ১৫ ঘণ্টায় ৬০০ দফা বিমান হামলা

    চূড়ান্ত পরিণতির পথে সিরিয়া, ১৫ ঘণ্টায় ৬০০ দফা বিমান হামলা

    সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় দেরা প্রদেশে ভয়াবহ বোমা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটির সরকার ও তার মিত্র রাশিয়া। বুধবার বিদ্রোহীদের সাথে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে দেরায় ১৫ ঘণ্টায় ৬০০ বারেরও বেশি বিমান হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে।

    এ ব্যাপারে বৈরুত থেকে আলজাজিরার রিপোর্টার জেইনা খোদর জানান, এ বিমান হামলার ফলে বৃহস্পতিবার সরকারি বাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রণ পুনর্দখলের দিকে আরও এগিয়ে গেছে। বিদ্রোহীদের সাথে শান্তি আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর লড়াই এখন চূড়ান্ত পরিণতির দিকে এগোচ্ছে।

    তিনি আরও জানান, সিরিয়ার সরকারি ও রাশিয়ার বিমানগুলো এখন দেরার বিদ্রোহী ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। মূলত দেরার পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তাফাসকেই লক্ষ্য করে হামলাগুলো চালানো হয়েছে বলে রিপোর্টে জানানো হয়।

    এদিকে ব্রিটেনভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানায়, রাতভর অভিযানে সিরিয়া ও রাশিয়া শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও বেআইনি অস্ত্র ব্যারেল বোমা হামলা চালায়। অভিযানটি বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত চলে।

    অন্যদিকে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিরীয় সরকারের অভিযানের মুখে গত দুই সপ্তাহে ২ লাখ ৭০ হাজার মানুষ দেরা ছেড়ে জর্দান ও ইসরাইল সীমান্তের দিকে পালিয়েছেন। এদের মধ্যে ১ লাখ ৬০ হাজার গোলান মালভূমি ও ইসরাইল সীমান্তের দিকে ছুটে গেছেন।

    দেরাতে সরকারি বাহিনীর অভিযানে দুই শতাধিক বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে।

  • যেভাবে আত্মহত্যার প্রস্তুতি নেয় দিল্লির সেই ১১ জন

    যেভাবে আত্মহত্যার প্রস্তুতি নেয় দিল্লির সেই ১১ জন

    দিল্লির একটি বাড়ি থেকে গত রোববার (১ জুলাই) সকালে একই পরিবারের ১১ জনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। তাদের মধ্যে ৭ জন নারী এবং বাকি চারজন পুরুষ। বাড়িটি থেকে সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ উদ্ধার করে পুলিশ। বাড়ির বাইরে বসানো সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ ও ডায়েরিতে লেখা থেকে তারা গণ-আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।

    এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত শনিবার যখন পুরো ভারতে নিজেদের নৈশভোজ নিয়ে ব্যস্ত ছিল, ঠিক সে সময়ে উত্তর দিল্লির বুরারির চুন্দাওয়াত পরিবার তখন প্রস্তুতি নিচ্ছিল দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা করা গণ-আত্মহত্যার! দড়ি, টুল, নিজেদের শেষ খাবারের অর্ডার দেয়ায় ব্যস্ত ছিল পরিবারের সদস্যরা। ওই বাড়ির বাইরে বসানো সিসিটিভি ফুটেজ এবং ১১ বছর ধরে লেখা ১১টা ডায়েরি থেকেই জানা যায়, এই হত্যা বা আত্মাহত্যার সঙ্গে বাইরের কারও কোনো হাত নেই।

    পরিবারের একজন সদস্যও ভাবতে পারেননি যে, এ ‘ক্রিয়াকর্মের’ ফলে তাদের মৃত্যু হবে বা হতে পারে। তারা হয়তো ভেবেছিলেন এর ফলে আরও বেশি ‘শক্তি’ নিয়ে ফিরে আসবেন। চুন্দাওয়াত পরিবারের বাইরের গেটের সামনে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে এ বিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত তদন্ত কর্মকর্তারা।

    ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, পরিবারের একজন মহিলা, তার কন্যা এবং ওই পরিবারের দুই কিশোর ‘গণ-আত্মহত্যা’র জন্য ব্যবহার করা টুল আর দড়ি নিয়ে বাড়ি ভেতরে আসছেন। পরিবারের সকল সদস্যের রাত একটার কাছাকাছি সময়ে মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

    সিসিটিভি ফুটেজ থেকে আরও জানা যায়, ওই পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত নিমগ্নভাবে ৪৫ বছরের ললিত চান্দওয়াতের নির্দেশ অনুসরণ করে চলেছেন। ৭৭ বছরের নারায়ণী দেবীর ছোটো ছেলে তিনি। ডায়েরির সমস্ত নোটগুলোই ললিতের লেখা। ললিত তার মৃত বাবার থেকে নির্দেশ পেয়েই ডায়েরিতে লিখে রাখতেন এবং সেই নির্দেশ মেনেই কাজ করতেন। ললিত ছাড়াও ওই ডায়েরিটিতে আরও একজনের লেখা পাওয়া গেছে, তিনি হলেন- ললিতের ত্রিশের আশেপাশের বয়সী ভাগ্নি প্রিয়াঙ্কা চুন্দাওয়াত। গত ১৭ জুন যার বাগদান হয়েছিল।

    ডায়েরির নোট থেকে আরও জানা যায়, ওই পরিবারের সদস্যরা মন থেকে বিশ্বাস করতেন যে, ললিতের বাবা এবং নারায়ণী দেবীর স্বামীর ‘আত্মা’ই তাদেরকে বাঁচিয়ে দেবেন। একদম শেষ ডায়েরিতে লেখা শেষ বাক্যটি ছিল- ‘…একটা কাপে জল রেখে দেবে। ওই জলের রঙ যখন বদলাতে থাকবে, তখনই জানবে যে আমি উপস্থিত হবো এবং তোমাদের সবাইকে বাঁচাব’। ওই ‘ক্রিয়াকর্ম’ হয়ে যাওয়ার পর প্রত্যেকের বাঁধন খুলে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু…

    সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজে যা দেখা যায়- রাত ১০টা- বাড়ির এক বয়স্ক গিন্নি কিছু তুলে নিয়ে ভেতরে ঢুকলেন। রাত ১০টা ১৫ মিনিটি- দুই ছেলে ধ্রব ও সোহম তার নিয়ে বাড়িতে ঢুকলেন। রাত ১০টা ৩৯ মিনিট- দোকানে অর্ডার দেয়া ২০টি রুটি বাসায় পৌঁছলো। রাত ১০টা ৫৭ মিনিট- কুকুর নিয়ে হাঁটতে বের হন বাড়ির বড় ছেলে ভুবনেশ এবং রাত ১১টা ৪ মিনিটে তিনি আবার বাড়িতে ফেরত আসেন। সবশেষ ভোর ৫টা ৫৬ মিনিটে বাড়ির সামনে দিয়ে একটি দুধের গাড়ি চলে যায়।

    সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ এবং ডায়েরির নোট হাতে আসায় পুলিশ এক প্রকার নিশ্চিত ওই ঘটনা কোনো খুনের নয়। নেহাতই আধ্যাত্মিক কারণেই তারা আত্মহত্যা করেছেন।

  • এবার ডাস্টবিনে বসে নির্বাচনী প্রচারণা

    এবার ডাস্টবিনে বসে নির্বাচনী প্রচারণা

    পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন ঘিরে দেশজুড়ে চলছে উন্মাদনা। সেই উন্মাদনায় এমন কিছু নেই যা সম্ভাব্য প্রার্থীরা করছেন না। তবে ব্যতিক্রমী নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে রীতিমতো আলোচনায় এসেছেন দেশটির এক রাজনীতিক।

    করাচির এই রাজনীতিক তার নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের আকর্ষণে শুয়ে পড়ছেন পানিতে, জঙ্গলে, খানাখন্দে, রাস্তার ম্যানহোলে ও ডাস্টবিনে।

    তার এমন কার্যক্রম এরই মধ্যে অনলাইনে ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে। শহরের ময়লার ভাগাড়, রাস্তাঘাটে জমে থাকা পানি ও অকার্যকর পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ভোটারদের কাছে তুলে ধরতে অভিনব সব পন্থা বেছে নিয়েছেন করাচির আয়াজ মেমম মোতিওয়ালা।

    আম আদমি পাকিস্তান দলীয় এই প্রার্থী ময়লার স্তূপের ওপর শুয়ে ও ম্যানহোলের ভেতর ঢুকে, রাস্তায় জমাবদ্ধ পানির ওপর বসে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বক্তব্য দিচ্ছেন। পরে এসব দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন তিনি, যা রীতিমতো ভাইরাল।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বলছে, তার উদ্ভট এমন নির্বাচনী প্রচারণার লক্ষ্য হচ্ছে এলাকার মানুষজনের মন গলিয়ে ভোট নিজের থলেতে ভরা এবং একমাত্র তিনিই এলাকার মানুষের ভোগান্তি বুঝতে পারেন, সেটির জানান দেয়া।

    পাকিস্তানের করাচি থেকে এবারের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন আয়াজ মেনন মোতিওয়ালা। ভাইরাল হএয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি শহরের ডাস্টবিনগুলোতে গিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন। সাধারণ মানুষের কাছে ভোট চাইছেন, ডাস্টবিনের ওপর বসে জনসভার ভাষণ দিচ্ছেন।

    আয়াজ মেনন জানান, শহরের বিভিন্ন ডাস্টবিনগুলো নোংরা এবং এগুলো শহরবাসীর জন্য অস্বাস্থ্যকর। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এদিকে নজর দিচ্ছে না। তাই কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি ফেরাতে এ উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

    ২৫ জুলাই পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা যে যার মতো করে প্রচার চালাচ্ছেন। তবে এই প্রার্থীর অদ্ভুত প্রচারণা বাকিদেরকে ছাড়িয়ে গেছে।

  • রুশ দম্পতির ঘর ভেঙে দিলেন মেসি-রোনালদো! অনলাইন ডেস্ক

    রুশ দম্পতির ঘর ভেঙে দিলেন মেসি-রোনালদো! অনলাইন ডেস্ক

    বর্তমান বিশ্বের সেরা দুই ফুটবলারের নাম লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনলদো। কিন্তু এই দুইজনের মধ্যে সেরা কে? এই উত্তরে কেউ বলবেন মেসি, আবার কেউ বলবেন রোনালদো। দু’জনই ৫ বার করে নিজেদের ঝুঁলিতে ফিফা বর্ষসেরা পুরস্কার তুলেছেন। ফলে এখানেও বলা যাচ্ছে না সেরা কে? তবে, রাশিয়া বিশ্বকাপে তাদের নিয়ে বিতর্ক করতে গিয়ে এবার ঘর ভাঙল এক রুশ দম্পতির!

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর, মেসির অন্ধ ভক্ত এক রুশ যুবক তার নিজের স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেছেন। সেই স্ত্রী আবার রোনালদোর অন্ধ ভক্ত। মহা দ্বৈরথে শেষমেশ ঘর ভাঙল দম্পতির! রাশিয়ান সংবাদ মাধ্যম ‘অর্গুমেন্তো ই ফকতি’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফুটবল-পাগল এক দম্পতির সম্পর্কে চিড় ধরে। নেপথ্যে মেসি বনাম রোনালদোর— সেই চির বিতর্কিত রসায়ন।

    রুশ যুবকের নাম আর্সেন। স্ত্রী-র নাম লুডমিলা। আর্জেন্টিনা বনাম নাইজেরিয়া ম্যাচের পরেই প্রবল তর্কাতর্কি শুরু হয় দু’জনের মধ্যে। সেদিন নাইজেরিয়াকে হারিয়ে মেসিরা শেষ ষোলোয় পৌঁছনোর পরেই উদযাপনে মেতে উঠেন আর্সেন। যা ভালো লাগেনি স্ত্রী লুডমিলার। শুরু হয় কথার লড়াই। একজন বলেন মেসি সেরা, আরেকজন বলেন রোনালদো সেরা। কিন্তু স্ত্রীর সঙ্গে পেরে উঠতে না পেরে আর্সেন সিদ্ধান্ত নেন, তার সঙ্গে আর সম্পর্ক রাখবেন না। এরপর আদালতে গিয়ে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করেন তিনি।

    তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে আর্সেন জানিয়েছেন, ‘‘চলতি বিশ্বকাপ শুরুর দিন থেকেই মেসিকে ব্যঙ্গ করছিল আমার স্ত্রী। আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে পেনাল্টি মিস করার পরে আরও বিদ্রুপে ভরিয়ে দিচ্ছিল আমাকে।’’ এরপরে তিনি জানান, ‘‘মেসিকে গালিগালাজ করার পরে নিজেকে সংযত রাখতে পারিনি। রোনালদোকে নিয়ে আমার যা ভাবনা তা ওকে স্পষ্ট করে দিয়ে বাড়ি ছাড়ি চিরতরে।’’

    মজার বিষয় হলো, যে বিশ্বকাপ নিয়ে সম্পর্ক শেষ, সেই বিশ্বকাপের লগ্নেই অবশ্য ভালবাসার গল্পের সূত্রপাত। ২০০২ সালে জাপান-কোরিয়া বিশ্বকাপের সময়েই দেখা হয় আর্সেন-লুডমিলার। তারপর তাদের মধ্যে মন দেওয়া-নেওয়া। পরবর্তীতে সেটা পরিণতি পায় বিবাহে।