Category: আন্তর্জাতিক

  • এক বছরে সাড়ে তিন গুণ সম্পদ বেড়েছে ট্রাম্প মেয়ে-জামাতার!

    এক বছরে সাড়ে তিন গুণ সম্পদ বেড়েছে ট্রাম্প মেয়ে-জামাতার!

    এক বছরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভানকা ও জামাতা জ্যারেড কুশনারের সম্পদ সাড়ে তিন গুণ বেড়েছে। সম্প্রতি তাদের সম্পদের নতুন এক বিবরণে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর সিএনএন’র।

    খবরে বলা হয় ২০১৭ সালে কুশনারের মোট সম্পত্তি ছিল ১৭৪ মিলিয়ন ডলার। তা বেড়ে এই বছর হয়েছে ৭১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে। বছর ঘুরতে না ঘুরতে সম্পদের দীর্ঘ তালিকায় ২০১৭ সালে ইভানকার ট্রাম্পের ৫৫ মিলিয়ন ডলার এক লাফে দাঁড়িয়েছে ৭৫ মিলিয়ন ডলারে। রিপোর্টে বলা হচ্ছে রিয়েল স্টেট, ফ্যাশন এবং বিনোয়োগ প্রতিষ্ঠান বাদেও ইভানকারের আয়ের উৎস অনেক।

    তবে  ইভানকা ও জামাতা জ্যারোড কুশনারের সম্পদের সঠিক অংকটা কোথাও সুনির্দিষ্ট করে দেয়া নাই। অনেক জায়গায় আছে ১ লাখ ডলার থেকে ১০ লাখ ডলারের মধ্যে। এই সম্পদের দীর্ঘ হিসেব ৫ কোটি ডলার পর্যন্ত।

  • শরীরের খিদে মেটাতে সন্তানকেও ব্যবহার করল এক নৃশংস মা!

    শরীরের খিদে মেটাতে সন্তানকেও ব্যবহার করল এক নৃশংস মা!

    দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ৷ নিজের স্তন্যপান করিয়ে স্নেহছায়ায় বড় করে তোলা৷ নিজের সন্তানের কাছে মা সবসময় মমতাময়ী৷ সেই মা এতো নোংরা হতে পারে? নিজের মা এতো নৃশংস হতে পারে? মা এতো কুৎসিত হতে পারে? কখনও সম্ভব? ‘কুসন্তান যদি বা হয়, কুমাতা নয়’৷ সন্তান খারাপ হয়, মা কখনও খারাপ হয় না৷ সমাজ তাই জেনে এসেছে, জানিয়ে এসেছে৷ কিন্তু নানা বিকৃত ঘটনা জন্ম দেয়ার ধারাবাহিকতায় এবারও সেই ঘটনাস্থল ভারত।

    দেশটির পুরুলিয়ার এক মায়ের নৃশংসতা, বর্বরতা সেই সব প্রবাদকে এক নিমেষে মুছে দিয়েছে৷ এক নৃশংস নোংরা মায়ের তার সাড়ে তিন বছরের বাচ্চার প্রতি লোম খাড়া করে দেবার ঘটনা নাড়া দিয়েছে গোটা বাংলাকে৷ লজ্জায়, ঘৃণায় মুখ ঢেকেছে গোটা সমাজ৷ গত মঙ্গলবার, পুরুলিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি হয় সাড়ে তিন বছরের এক কন্যা সন্তান৷

    শিশুটি হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে পুরুলিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে তারই নিজের মা৷ চিকিৎসা করতে গিয়ে শিশুটিকে দেখে স্তম্ভিত হয়ে যান হাসপাতালের ডাক্তাররা৷ সরকারী হাসপাতাল, তাই দিনরাত আহত-মৃত শরীর নিয়ে থেকেও এই ফুলের মতো শিশুটিকে দেখে হতবাক হয়ে যান চিকিৎসকরা৷ সাড়ে তিন বছরের গোটা শরীরে কালসিটে৷ বুকে মোচড়ানোর দাগ৷ কামড়ানোর দাগ৷ গোটা শরীরে নখের আঁচড়৷ কান দিয়ে রক্ত পরছে৷ রক্তের ফোঁটা নেমে আসছে শিশুটির যৌনাঙ্গ দিয়ে৷ একনজরেই অভিজ্ঞ ডাক্তাররা বুঝে যান দুধের শিশুটিকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে৷ সম্ভবতঃ ধর্ষণও৷

    সঙ্গেই সঙ্গেই পুলিশকে খবর দেন হাসপাতালের ডাক্তাররা৷ পুলিশের কাছে শিশুকন্যার উপর শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ করেন তারা মৌখিক ভাবে৷ যদিও শিশুটির মা কিছু বলতে রাজী হননি গত ৩ দিন ধরে৷ পুলিশে কোন অভিযোগ করতেও রাজী হননি তিনি৷ ডাক্তারদের কাছ থেকে রিপোর্ট পেয়ে আসরে নামেন সংবাদকর্মীরা৷ সংবাদকর্মীরা রিপোর্ট দেন চাইল্ড লাইন ও জুভেনাইল বোর্ডকে৷ তারপর সাংবাদিকরাই জেরা করেন অত্যাচারিত শিশুটির মা’কে৷ তখনই জানা যায়, এক মায়ের চরম নোংরামির ঘটনা৷

    ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়ার মফঃস্বল থানা এলাকার নদিয়াড়া গ্রামে৷ স্বামী পরিত্যক্ত ওই শিশুটির মা, সনাতন ঠাকুর নামে একজনের বাড়িতে পরিচালিকার কাজ করে৷ সেখানেই সে তার শিশুসন্তানকে নিয়ে থাকে গত ৪ মাস ধরে৷ ৬৫ বছরের বৃদ্ধ সনাতন ঠাকুর বিপত্নীক। তার ছেলে ও বৌমা থাকে দূরে। লোকটি আগে হোমগার্ডে চাকরি করত এখন সে এলাকায় কীর্তন করে বেড়ায়। এরপরই ওই মহিলা জানায় সেই চরম সত্য৷ লোকটির সঙ্গে তার শারীরিক সম্পর্ক চলতে থাকে৷ শুধু তাই নয়, গত একমাস ধরে লোকটির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের সময় বাচ্চাটিকে উলঙ্গ করে তাদের পাশে শোয়ানো হতো।

    যৌনতার সময় শিশুটিকেও ব্যবহার করতো দুই প্রাপ্তবয়স্ক নারী পুরুষ৷ অনেক সময় মা ইচ্ছে করেই শিশুটিকে রেখে বাইরে চলে যেত দরজা বন্ধ করে। ছোট্ট শিশুটিকে যৌন নির্যাতন করত অভিযুক্ত সনাতন ঠাকুর৷ নৃশংস মা সব জেনে বুঝেও চুপ করে থাকতো৷ মঙ্গলবার শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় বলেই স্বীকার করে নেয় শিশুটির মা৷ তারপরেই শিশুটির শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে যায়৷ তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসতে বাধ্য হয় মা৷

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মা জানায়, শিশুটির গোপনাঙ্গে কাঠি ঢুকিয়ে দিয়ে অত্যাচার করত সনাতন ঠাকুর৷ সাংবাদিকরা ও জুভেনাইল বোর্ডের প্রতিনিধিরা এবং চাইল্ড লাইনের প্রতিনিধিরা অভিযুক্তের বাড়িতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে নদীয়াড়া গ্রামে যায়। সেখানে গিয়ে দেখা যায় অভিযুক্তের বাড়ির দেওয়াল ভগবানের ছবির পাশাপাশি নগ্ন মহিলাদের ছবিতে ভর্তি। গ্রামের লোক জানায় লোকটি ভালো না, বাচ্চাটির মাও ভালো নয়।

    ঘটনায় যথারীতি নীরব দর্শক এর রোলে পুলিশ৷ তাদের বক্তব্য, অভিযোগ জমা না পড়লে কিছুই করা সম্ভব নয় তাদের পক্ষে। ডাক্তাররা সবটাই জানতে পারেন মায়ের প্রতি শিশুটির আচরণ দেখে৷ হাসপাতালেও ছোট্ট শিশুটির মা নিজের মেয়েকে কোলে নিতে যায়। দেখা যায়, মা কে দেখলেই বাচ্চাটি আঁতকে উঠছে, কাঁদছে, শিউরে উঠছে। মায়ের কোলে না গিয়ে শিশুটির আঁতকে ওঠা দেখে চিকিৎসকদেরই প্রথমে সন্দেহ হয় বাচ্চার যৌন নির্যাতনে মা এর হাত রয়েছে। এক মায়ের এই অবিশ্বাস্য নৃশংসতায় নির্বাক সংবাদমাধ্যম কর্মীরাও৷ বিস্ময়ে হতবাক চিকিৎসকরা৷ এক শিশুর প্রতি চরম নোংরামি দেখে ক্ষুব্ধ চাইল্ড লাইনের সদস্যরা৷ আঁতকে উঠেছেন জুভেনাইল বোর্ডের কর্তারাও৷

    শুধু নিশ্চুপ পুলিশ৷ কেউ অভিযোগ করে নি যে৷ অভিযোগ না করলে পুলিশ কি করবে? রাজ্যের পুলিশ কি এতটাই নিরক্ষর? এই শব্দগুলো নিশ্চয় পুলিশ কর্তারা পড়েছেন৷ ‘Suo motu’ meaning “on its own motion”৷ অভিযোগ না হলেও পুলিশ যে কোন ক্ষেত্রে নিজে থেকে FIR করে কেস চালু করতে পারে৷

    আসলে রাজনীতির চাপে, পুলিশ কর্তাদের এখন আর কোন সামাজিক বিষয়ই নাড়া দেয় না৷ পুরুলিয়ার শিশু নির্যাতনের ঘটনা তার জ্বলন্ত উদাহরণ৷ শিশুটির মা শেষ পর্যন্ত থানায় অভিযোগ করতে রাজী হয়েছে৷ অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবী উঠছে পুরুলিয়া জেলা জুড়ে৷ সেই সঙ্গে শিশুর মাকেও চরম শাস্তির দাবী উঠেছে৷

    প্রশ্ন উঠছে এক মাকে নিয়ে৷ নিজের সন্তানের প্রতি এতটা নিষ্ঠুর কোন মা হতে পারে? শরীরের চাহিদা এত বেশি? যা নিজের বাচ্চার প্রতি ভালোবাসাও নষ্ট করে দেয়? এ কেমন মা? নিজের পেটের সাড়ে তিন বছরের ফুলের মতো শিশুকে এক ৬৫ বছরের বুড়োর শয্যাসঙ্গিনী হতেও বাধা দেয় না? নিজের সন্তানকে এক বিকৃতকামী বুড়োর কাছে যৌন নির্যাতন হওয়া কোন মা দেখতে পারে? অবিশ্বাস্য এই প্রশ্নের উত্তর নেই কারোর কাছে৷ লজ্জায় মুখ ঢেকেছে ভারতের সমাজ৷ ওই ছোট্ট শিশুটিকে নয়, নষ্ট সমাজকেই যেন ফের ধর্ষণ করেছে এই সমাজেরই কিছু বিকৃতকামী মানুষরূপী পশু৷ আর সব দেখেও চুপ এই নষ্ট সমাজেরই শিরদাঁড়াহীন মানুষরা৷

  • কিম নয়, ক্ষতি হবে ট্রাম্পের!

    কিম নয়, ক্ষতি হবে ট্রাম্পের!

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন আগামীকাল মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরে আলোচনায় বসছেন। এরইমধ্যে দুই নেতাই সিঙ্গাপুর পৌঁছেছেন। ট্রাম্প জি-৭ সম্মেলন শেষে কানাডায় ঘোষণা দিয়েছেন কিমকে তিনি একবারই সুযোগ দেবেন। এ বৈঠক ব্যর্থ হলে কিমের ক্ষতি হবে। তবে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, বৈঠক ব্যর্থ হলে ক্ষতি হবে ট্রাম্পেরই।

    দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের নেতৃত্বের সঙ্গে এরই মধ্যে দুবার করে বৈঠক করেছেন কিম জং উন। এ ছাড়া রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ উত্তর কোরিয়া ঘুরে গেছেন এবং উনকে রাশিয়া সফরের দাওয়াত দিয়ে দেশে ফিরেছেন। তিন সীমানা প্রতিবেশীর সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ায় সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীরা এরই মধ্যে সীমান্ত অঞ্চলে জমি কেনায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

    ব্যস্ততা শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যেই নয়, সরকারি পর্যায়েও শুরু হয়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার কায়েসংয়ে ও পরদিন শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে আলোচনায় বসেন দুই দেশের সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা।

    ট্রাম্প বলেছেন, তিনি উত্তর কোরিয়ার ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ সৃষ্টি করার কথা আর বলতে চান না। কোরিয়া ন্যাশনাল ডিপ্লোমেটিক একাডেমির অধ্যাপক কিম হাইয়ুন উওক বলেন, ‘ট্রাম্পের (সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টির) অভিযানের সমাপ্তি ঘটেছে। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কূটনীতির দ্বার উন্মুক্ত করার কারণে সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টির অভিযানে এরই মধ্যে ভাটা পড়েছে।’

    ট্রাম্প চাইলেও আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারবেন না বলে মনে করেন সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা জোসেফ ইউন।  তিনি বলেন, যখন প্রতিপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালাবেন, তখন তাদের ওপর সর্বোচ্চ চাপ বজায় রাখা বাস্তবে অসম্ভব। আপনারা একই সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সর্বোচ্চ চাপ বজায় রাখতে পারবেন, আমার তেমনটা মনে হয় না।

    দক্ষিণ কোরিয়া উত্তরের সঙ্গে পুনর্মিলন চায় বহুদিন থেকেই। দক্ষিণের প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন সেই প্রত্যাশাকেই যতটা সম্ভব এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। চীন কোরিয়া যুদ্ধের সময় থেকেই উত্তরের পক্ষে। আর রাশিয়াও এরই মধ্যে আভাস দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বদলে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে রাশিয়া তাতে যোগ দেবে না।

    উত্তর কোরিয়ার সীমান্তবর্তী দানদং শহরের হ্যাট বিক্রেতা ইয়াং জানান, এ শহরে জমির দাম সম্প্রতি বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশায় বিনিয়োগকারীরা যেভাবে বাণিজ্য বাড়ার সম্ভাবনার কথা ভাবছে, সেই ভাবনার প্রভাবেই এখানকার জমির দাম বাড়ছে।

  • ট্রাম্প-কিম বৈঠকে খরচ ১২৬ কোটি টাকা

    ট্রাম্প-কিম বৈঠকে খরচ ১২৬ কোটি টাকা

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ঐতিহাসিক বৈঠকে খরচ হবে প্রায় ২০ মিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় ১২৬ কোটি ৩৮ লাখ ৬০ হাজার ২৯২ টাকা।

    রবিবার সিঙ্গাপুরের এফওয়ান পিট বিল্ডিংয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়া সেন্টার পরিদর্শনের সময়
    দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। খবর স্টার টিভি ও স্ট্রেইট টাইমসের।

    তিনি বলেন, একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ সফল করতে সিঙ্গাপুর এই অর্থ ব্যয় করছে, যা ‘আমাদের সুগভীর আগ্রহের’ জায়গা। তবে মোট অর্থের অর্ধেকটা নিরাপত্তা খাতে ব্যয় হবে বলেও তিনি সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গত, আগামীকাল মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের সেন্টোসা দ্বীপের কাপেল্লা হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে ট্রাম্প ও কিমের মধ্যকার সেই ঐতিহাসিক বৈঠক। কয়েক মাস ধরে দু’জনের মধ্যে উত্তেজনাকর বাক্য বিনিময়ের পর এই বৈঠকে কি ফলাফল আসে সেদিকে তাকিয়ে বিশ্ববাসী।

  • সিঙ্গাপুরের রাস্তায় একসঙ্গে ঘুরছেন ট্রাম্প-কিম

    সিঙ্গাপুরের রাস্তায় একসঙ্গে ঘুরছেন ট্রাম্প-কিম

    ট্রাম্প-কিম বৈঠক ঘিরে উত্তেজনায় একদিকে ফুটছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল। পাশাপাশি, সেই উত্তেজনার ছোঁয়া লেগেছে সিঙ্গাপুরের নাগরিকদের মধ্যেও। শহরের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতে দেখা যাচ্ছে ট্রাম্প ও কিমকে। অবাক হবেন না, সত্যিকারের নয়, সবই ‘লুক এলাইক’।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট যখন এক মঞ্চে আসবে তখন যে ইতিহাস তৈরি হবে, সে কথা নিশ্চিত ভাবে জানেন সিঙ্গাপুরের নাগরিকরাও। সেই ধারণা থেকেই ‘নকল ট্রাম্প’ সেজে নেমে পড়েছেন হাওয়ার্ড এক্স নামের এক ব্যক্তি। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছেন ড্যানিস এল্যান। ইনি সেজেছেন ‘নকল কিম’। দু’জনেই হংকংয়ের বাসিন্দা। আর এই নকল ট্রাম্প ও কিমকে দেখতেই শহরের রাস্তায় ভিড় জমাচ্ছেন সিঙ্গাপুরের সাধারণ মানুষ। কেবল দেখাই নয়, সুযোগ রয়েছে ছবি তোলারও। যার জন্য মাত্র দিতে হবে ১১ ডলার।

    এদিকে, ঐতিহাসিক বৈঠকের দু’দিন আগেই সিঙ্গাপুরে পৌঁছে গেলেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম। স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে এয়ার চায়নার ফ্লাইট সিএ-৬১ করে সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরে অবতরণ করেন উত্তর কোরিয়ার একনায়ক।

    কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সেখানে থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় সিঙ্গাপুরের বিলাসবহুল সেন্ট রেজিস হোটেলে। সেখানেই নিজের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে থাকবেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর চলতি বছরেই প্রথম বিদেশ সফর করেন উত্তর কোরিয়ার সর্বাধিনায়ক কিম জং উন। নিজের গাড়ি, জাহাজ, হেলিকপ্টার, ট্রেন ছাড়া কোনও কিছুতেই তিনি চড়েন না। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের বৈঠক হচ্ছে উত্তর কোরিয়া থেকে প্রায় চার হাজার কিলোমিটার দূরে সিঙ্গাপুরে। এই পথ কেবলমাত্র বিমানেই যাওয়া সম্ভব। কিন্তু সে ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় ছিল উত্তর কোরিয়া। তবে দূরত্ব মিটিয়ে কাছাকাছি আসতে ইচ্ছুক যুযুধান দু’পক্ষ, অর্থাৎ ট্রাম্প ও কিম।

  • ভারতেই আত্মগোপনে ‘লাদেন

    ভারতেই আত্মগোপনে ‘লাদেন

    ভারতের আসামের বিস্তীর্ণ এলাকায় গত দু’বছর ধরে ত্রাস সৃষ্টি করেছে লাদেন। ২০১৬ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত তার হামলায় শিকার হয়েছে অন্তত ৩৭ জন। তবে এই লাদেন কিন্তু আল কায়দা প্রধান ওসামা বিন লাদেন নয়। গোয়ালপাড়ার ফরেস্ট ডিভিশনের একটি দাঁতালের নাম লাদেন। তারই অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকার বাসিন্দারা।

    এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, লাদেন জুন মাসের এক তারিখ শেষ হামলাটি করে পাটপাড়া পাহাড়তোলি গ্রামে। সেখানে মনোজ হাজং নামে এক ব্যক্তি তুলে আছাড় দিয়ে মেরে ফেলে লাদেন। তার পরেই আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়।

    এ ব্যাপারে ওই এলাকার এক বন কর্মকর্তা জানান, ২০১৬ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৩৭ জনকে লাদেন মেরে ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মেঘালয়ের গারো পাহাড় থেকে নেমে এসে গোয়ালপাড়া ফরেস্ট ডিভিশনের মধ্যে কোনো এক জায়গায় আত্মগোপন করে রয়েছে লাদেন।

    গোয়ালপাড়ার ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার এ গোস্বামী জানান, লাদেন বেশির ভাগ হামলা বিকেল বেলা কিংবা রাতের বেলাই করে থাকে। তিনি আরও জানান, ওই এলাকায় এমনিতেই অনেক হাতির দল রয়েছে। তবে সমস্যা অন্য জায়গাতে। এলাকার গ্রামবাসীরা চায় হাতির দলগুলোকে অাসমের দিতে পাঠিয়ে দিতে। তাই জন্য ড্রাম বাজিয়ে, চিৎকার দিয়ে হাতির দলগুলোকে তাড়িয়ে অাসমের দিকে পাঠানোর চেষ্টা করেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু এতেই হিতে বিপরীত হয়ে যায়। মাঝে মধ্যে এতে অতিষ্ঠ হয়ে হাতিও পালটা হামলা করে থাকে।

    ইতিমধ্যে লাদেনের গতিবিধি উপর নজর রাখার চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। সাধারণত কোনো হামলার ১০-১৫ দিন পর কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না লাদেনের। এ গোস্বামী জানান, হামলাগুলো সাধারণত মাসের শেষের দিকেই হয়ে থাকে।

  • থানায় ঢুকে পুলিশকে চড় বিধায়কের

    থানায় ঢুকে পুলিশকে চড় বিধায়কের

    থানায় ঢুকে পুলিশ কনস্টেবলকে কষিয়ে চড় মারলেন বিজেপির বিধায়ক।

    ভারতের মধ্যপ্রদেশের এ ঘটনার ছবি সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে যাওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত বিধায়ক চম্পালাল দেবদাস বেপাত্তা।

    শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটলেও, তা প্রথমদিকে চেপে যাওয়ার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ। কিন্তু সে প্রচেষ্টা সফল হয়নি।

    জানা গেছে, নাবালিকা ধর্ষণে গ্রেফতার হওয়া তিন জনকে ছাড়ানোর জন্য উদয়নগর থানায় এসেছিলেন চম্পালালের ভাতিজা। কিন্তু পুলিশ তাদের ছাড়তে রাজি না হওয়ায়, শুরু হয়ে যায় তর্কাতর্কি। ভাতিজার ফোন পেয়ে থানায় ছুটে আসেন চম্পালাল। আর এর পরেই শুরু হয় তাণ্ডব। ভাতিজার সুরে সুর না মোলানোয় সন্তোষ নামের পুলিশ কনস্টেবলকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, কনস্টেবলকে থানার মধ্যেই তিন-তিনবার চড় মারেন চম্পালাল।

  • জি-৭ সম্মেলনের প্রথম দিনই ট্রাম্প যা করলেন

    জি-৭ সম্মেলনের প্রথম দিনই ট্রাম্প যা করলেন

    কানাডায় শুক্রবার ছিল জি-৭ সম্মেলনের প্রথম দিন। দেরি করে এসে আগেই সম্মেলন স্থল ত্যাগ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  প্রথম দিনই ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন বিশ্ব নেতাদের। সম্মেলনে চুক্তি করতে ব্যর্থ হলে আমেরিকা আরও ভালো পদক্ষেপ নেবে বলে ঘোষণা করেছেন।  তিনি বিশ্ব নেতাদের কঠোর সমালোচনাও করেছেন।

    কানাডা, মেক্সিকো, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা শুল্ক নিয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে আজ।  সেখানেই ট্রাম্প শুল্ক হার আরও বাড়ানোর কথাও বলেছেন!

            সম্মেলনের আয়োজক কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোরও কঠোর সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প

    শনিবার সম্মেলনের দ্বিতীয় ও শেষ দিন। ট্রাম্পের এসবের হুমকির পর তা ঠিকঠাক মতো শেষ হবে কী না তাই নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। ক্রিমিয়াকে দখল করে নেয়ার পর এ সংস্থা থেকে রাশিয়াকে বাদ দেয়া হয়।  শুক্রবার ট্রাম্প রাশিয়াকে ফের অন্তর্ভূক্ত করে নিতে বলেছেন।  তবে জার্মানির চ্যাঞ্চেলর জানিয়ে দিয়েছেন, জি৭ এর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যরা এ দাবিকে সমর্থন করেন না। সূত্র: এনবিসি

  • ইরানের পাশে রাশিয়া-চীন

    ইরানের পাশে রাশিয়া-চীন

    পরমাণু ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহলে উত্তেজনা ছড়িয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। আর এরইমধ্যে তেহরানের পাশে দাঁড়িয়েছে রাশিয়া ও চীন। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতার প্রতি পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেছেন। শুক্রবার বেইজিংয়ে দুই নেতার বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতিতে এ সমর্থন ঘোষণা করা হয়।

    এ ব্যাপারে বিবৃতিতে বলা হয়, পরমাণু সমঝোতা বহাল রাখতে বেইজিং ও মস্কো তাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে। এ সময় চীন ও রাশিয়ার মধ্যে সহযোগিতা শক্তিশালী করারও আশা ব্যক্ত করা হয়েছে। সেইসঙ্গে সিরিয়ার অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে দেশটির পুনর্গঠনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

    যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, কোরীয় উপদ্বীপের উত্তেজনা প্রশমনে দুই কোরিয়ার মধ্যে যে শান্তি প্রক্রিয়া চলছে সে ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট।

    অন্যদিকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, সারাবিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় চীন ও রাশিয়া যৌথভাবে সহযোগিতা করে যাবে।

    সূত্র: পার্সটুডে

  • হঠাৎ রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন যুবরাজ সালমান

    হঠাৎ রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন যুবরাজ সালমান

    সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান হঠাৎ করেই রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন। আগামী সপ্তাহেই তার এ সফর অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন। যুবরাজ সালমানকে নিয়ে নানা ধরণের গুজবের পর কোনও পরাশক্তির দেশে এটাই তার প্রথম সফর হতে যাচ্ছে।

    ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পসকভ শুক্রবার জানিয়েছেন, রাশিয়ায় সৌদি যুবরাজ আসবেন বলে আমরা প্রত্যাশা করছি। নিজ ফুটবল দলের সমর্থনে মোহাম্মদ বিন সালমান রাশিয়ার বিশ্বকাপের উদ্বোধনীতে উপস্থিত থাকবেন। প্রথম কোনো আরব দল হিসেবে সৌদি ফুটবল দল ১৪ জুন রাশিয়ার বিরুদ্ধে খেলবে।

    বিশ্বকাপ উপলক্ষে উপস্থিতির কথা বললেও সৌদি যুবরাজের এ সফর আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিকভাবে বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, রিয়াদের রাজপ্রাসাদের বাইরে গত ২১ এপ্রিল গোলাগুলির ঘটনায় মোহাম্মদ বিন সালমান গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন বলে খবর রটেছিল। ওই ঘটনার পর তাকে বহুদিন প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছিল, সৌদি যুবরাজ আহত হয়ে বাংকারে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তার শারীরিক অবস্থা নিয়েও শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা।
    এর পর যুবরাজ মোহাম্মদকে নিয়ে প্রকাশিত খবর উড়িয়ে দিয়ে ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে দেশটি। এতে তাকে বিভিন্ন বৈঠকে আলোচনা করতেও দেখা গেছে।