Category: আন্তর্জাতিক

  • বিক্ষোভের মুখে জর্ডানের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

    বিক্ষোভের মুখে জর্ডানের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

    বিক্ষোভের মুখে জর্ডানের প্রধানমন্ত্রী সোমবার দেশটির বাদশাহ দ্বিতীয় আব্দুল্লাহর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। স্থানীয় পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে যুক্তরাজ্যের সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান এই খবর জানিয়েছে।

    ২০১১ সালের পর জর্ডানে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হলে পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী হানি মুলকি।

    গত কয়েকদিনে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী প্রধানমন্ত্রীর অফিসের দিকে মিছিল নিয়ে যায় এবং মুল্‌কির পদত্যাগের দাবী জানায়। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি এবং আয়কর বিল সংস্কারকে কেন্দ্র করে এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

    দুই বছর ধরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করার সময় মুল্‌কি ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী জনগণের ঋণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অর্থনীতি সংস্কারের উদ্যোগ নিতে চাইছিলেন।

    গত কয়েক বছরে সিরিয়া ও ইরাকের যুদ্ধের কারণে বেকার সমস্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় জর্ডানের অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ে।

    সরকারের সাথে সংশ্লিষ্ট দুটি ওয়েবসাইট হালা আকবর এবং আল-রাই সোমবার জানিয়েছে মুলকি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো দেয়া হয়নি।

    জর্ডানের বাদশাহ কিং দ্বিতীয় আব্দুল্লাহএই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

  • সিঙ্গাপুরে মোদির নামে অর্কিড

    সিঙ্গাপুরে মোদির নামে অর্কিড

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরকে স্মরণীয় করে রাখতে সিঙ্গাপুর তার নামে একটি অর্কিডের নামকরণ করা হয়েছে। শনিবার সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল অর্কিড গার্ডেন তার নামে একটি অর্কিডের নামকরণ করে।

    হালকা বেগুনি রঙের ক্রান্তীয় উদ্ভিদ। এক-একটি গাছ লম্বা হয় কমপক্ষে ৩৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত। আর সারিতে ফুল ধরে মোটামুটি ১৪ থেকে ২০টি করে। এতদিন শুধুই এর নাম ছিল ‘ডেনড্রোব্রিয়াম’। কিন্তু শনিবার সিঙ্গাপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনের অন্তঃস্থ অর্কিড উদ্যানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনের পর থেকে নতুন নামকরণ হল এই ফুলের।

    দেশটির ন্যাশন্যাল অর্কিড গার্ডেনে এবার থেকে অর্কিডের ওই প্রজাতি পরিচিত হবে ‘ডেনড্রোব্রিয়াম নরেন্দ্র মোদি’ নামে।

    অর্কিড উদ্যান ঘুরে দেখার পর মোদিকে ওই সম্মান জানানো হয়। নিজে হাতে ইংরেজিতে ‘ডেনড্রোব্রিয়াম নরেন্দ্র মোদি’ লেখা বোর্ড গাছের টবের সামনে রাখেন মোদি। তারপর তার নামাঙ্কিত ফুলের সুবাসও গ্রহণ করেন।

    মোদির হাতে তুলে দেওয়া হয় ‘ডেনড্রোব্রিয়াম নরেন্দ্র মোদি’-র ছবিসহ একটি স্মারক। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক টুইট বার্তা এই খবর জানিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সিঙ্গাপুরের ওই অর্কিড উদ্যানই বিশ্বের একমাত্র ক্রান্তীয় উদ্যান যা ইউনেস্কোর পক্ষ থেকে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’-এর স্বীকৃতি লাভ করেছে। আর সেখানেই সম্মানিত করা হয় নরেন্দ্র মোদিকে।

    ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুর। ত্রিদেশীয় এই সফরের অন্তিম পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন সিঙ্গাপুরেই। শনিবার মোদি প্রথমে ঘুরে দেখেন ২৪৪, দক্ষিণ ব্রিজ রোডের শ্রী মারিয়াম্মান মন্দির, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র প্রাচীনতমই নয়, দেশের অন্যতম সেরা পর্যটক আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুও।

    মোদিকে গোটা মন্দির চত্বর ঘুরিয়ে দেখান সিঙ্গাপুরের সংস্কৃতি মন্ত্রী গ্রেস ইয়েন। তারপর তারা যান চুলিয়া মসজিদে। বিভিন্ন ধর্মীয় স্থান ঘুরে দেখার আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব জিম ম্যাটিসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দু’জনের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথাও হয়।

    সফরের একেবারে শেষ ভাগে চাঙ্গি নৌ সেনা ঘাঁটি ঘুরে দেখার কথা আছে মোদির। এখানেই রয়েছে আইএনএস সাতপুরা। তা দেখার পাশাপাশি ভারতীয় নৌ সেনা এবং সিঙ্গাপুরের ‘রয়্যাল’ নৌ-সেনার অফিসার এবং নাবিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎও করার কথা নরেন্দ্র মোদির।

  • স্বেচ্ছায় স্ত্রীকে প্রেমিকের হাতে তুলে দিলেন স্বামী!

    স্বেচ্ছায় স্ত্রীকে প্রেমিকের হাতে তুলে দিলেন স্বামী!

    জাঁকজমকভাবে পারিবারিক পছন্দে বিয়ে করেছিলেন সুজিত এলিয়াস গোলু। কিন্তু কয়েকদিন পরই জানতে পারেন স্ত্রীর আগের সম্পর্কের কথা। বিয়ের আগে অন্য এক ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তার স্ত্রীর। তাকে সুজিতের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল জোর করে। এখনও ভালোবাসার মানুষটিকে ভুলতেই পারেননি তিনি।

    এমন ঘটনা জেনে বেশিরভাগ মানুষেরই যেখানে ক্ষোভে ফেটে পড়ার কথা, তবে সুজিত জন্ম দিলেন নতুন ঘটনার। স্বেচ্ছায় স্ত্রীকে তার প্রেমিকের হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি।

    ভারতের কানপুরের চাকেরি জেলার সনিগ্বোয়ান গ্রামে ঘটেছে এই অদ্ভূত ঘটনা। গত বুধবার সুজিত এলিয়াস গোলু নামের এক ব্যক্তি তার স্ত্রী শান্তির সঙ্গে প্রেমিক রবির বিয়ে দেন।

    সনিগ্বোয়ান বাসিন্দা সুজিত চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ১৯ তারিখে শ্যামনগরের শান্তিকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু দু’সপ্তাহ শ্বশুরবাড়িতে থাকার পরে শান্তি বাপের বাড়ি ফিরে আসে। কিন্তু তার পরে অনেকদিন পর্যন্ত শান্তির কোনও খোঁজ না পাওয়ায় সুজিত স্ত্রীকে বাড়ি না ফেরার কারণ জিজ্ঞেস করেন। স্ত্রী প্রথমে সোজাসুজি কোনও উত্তর দিতে না চাইলেও পরে কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং জানান সুজিতের সঙ্গে বিয়েতে একেবারেই রাজি ছিলেন না তিনি।

    বাড়ির লোকজন জোর করে সুজিতের সঙ্গে তার বিয়ে দিয়েছে। লখনৌ-এর গোসাইনগঞ্জ নিবাসী রবির সঙ্গে অনেকদিন ধরেই প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ শান্তি। কিন্তু জোর করে সুজিতের সঙ্গে বিয়ে হওয়ায় তার কিছুই করার ছিল না।

    সুজিত স্বাভাবিকভাবেই খুব বিচলিত হয়ে পড়েন শান্তির অতীত কাহিনী শুনে। এর পরে তিনি শান্তির প্রেমিক রবির সঙ্গে দেখা করেন এবং রবির মুখ থেকেও একই কথা শুনে সিদ্ধান্ত নেন শেষ পর্যন্ত রবি আর শান্তির বিয়ে দিতে পারলেই তিনি নিজেও সুখে থাকবেন।

    জানা যায়, সম্পূর্ণ ঘটনাটি তিনি চাকেরি থানার পুলিশকে জানান। এর পরে গত বুধবার চাকেরি জেলার সনিগ্বোয়ানের একটি হনুমান মন্দিরে তারা পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। এই বিরল ঘটনার সাক্ষী ছিলেন বহু মানুষ। সবাই সুজিতের সিদ্ধান্তে খুশি হয়ে তাকে আশীর্বাদ করেন।

    চাকেরি থানার পুলিশ জানান, সুজিতের এই সিদ্ধান্ত ভীষণই উদার ও মিষ্টি। মানুষ ওকে মনে রাখবে।

  • চুমু খেয়ে দুইদিনের সন্তানকে ফেলে গেলেন বাবা

    চুমু খেয়ে দুইদিনের সন্তানকে ফেলে গেলেন বাবা

    চতুর্থ সন্তান জন্মের পর চিন্তায় পড়ে যান বাবা-মা। সমাজে তো এবার মুখ দেখানো যাবে না! আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশীরা ছিঃ ছিঃ করবে। তা হলে উপায়?

    উপায় অবশ্য বের করে ফেলেছিলেন স্বামী-স্ত্রী মিলে।পাড়া-প্রতিবেশী, বন্ধুদের পরিহাস থেকে বাঁচতে তাই জন্মানোর পরই নবজাতককে রাতের অন্ধকারে ফেলে রেখে এলেন একটি গির্জার বাইরে। ওই দম্পতি ভেবেছিলেন, যাক রক্ষা পাওয়া গেল। আর কৈফিয়ত দিতে হবে না, পরিহাসের মুখোমুখি হতে হবে না। কিন্তু শেষ রক্ষা হল কোথায়! ‘একজন’ অলক্ষ্যে নজর রাখছিল তাদের ওপর। আর তা হলো গির্জার সিসিটিভি ক্যামেরা। সেই ক্যামেরার ফুটেজই রহস্য উদঘাটন করল।

    ঘটনাটা দক্ষিণ ভারতের কেরালার কোচির। ওয়াড়াক্কানচেরির বাসিন্দা বিট্টু ও তার স্ত্রী প্রতিভা। তাদের তিন সন্তান রয়েছে। ফের গর্ভবতী হন প্রতিভা। ত্রিশূরের একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে।

    গত বুধবারেই ফুটফুটে একটি সন্তানের জন্ম দেন তিনি। পরিবারে নতুন অতিথি আসায় আনন্দের থেকে আশঙ্কাই ঘিরে ধরে বিট্টু ও প্রতিভাকে। বাড়ি ফিরলেই বন্ধু-বান্ধব, প্রতিবেশীদের কাছ থেকে শুনতে হবে নানা রকম কথা। তাই হাসপাতালে বসেই দু’জনে শিশুটিকে কোথাও রেখে আসার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। পুলিশের কাছে অন্তত তেমনটাই দাবি করেছেন বিট্টু।

    লোকলজ্জার হাত থেকে বাঁচতে তাই হাসপাতাল থেকে সকলের নজর এড়িয়েই শুক্রবার রাতে তারা সোজা চলে আসেন এরাপল্লির সেন্ট জর্জ ফোরেন গির্জায়। সে সময় গির্জায় আশপাশটা পুরো নির্জনই ছিল। সুযোগও এসে যায়। শিশুটিকে খুব সন্তর্পণে গির্জার সামনে রেখে দেন তারা। রাখার আগে শিশুটির কপালে ‘স্নেহভরা’ চুম্বনও করেন বিট্টু। তারপর নিঃশব্দে সেখান থেকে সরে পড়েন।

    রাত তখন সাড়ে ৮টা। গির্জার নিরাপত্তারক্ষী হঠাতই শিশুর কান্নার আওয়াজ পেয়ে এগিয়ে আসেন। দেখেই চমকে ওঠেন। একটি সদ্যোজাত শিশুকে যত্ন করে কাপড় দিয়ে জড়িয়ে শোয়ানো রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। শিশুটির মা-বাবার খোঁজ করে পুলিশ। তবে তাদের খোঁজ পেতে অবশ্য বেশি বেগ পেতে হয়নি পুলিশকে।

    গির্জার সিসিটিভি ফুটেজে সংগ্রহ করে সংবাদ মাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে তারা। তারপরই বিট্টু ও প্রতিভার খোঁজ পাওয়া যায় ত্রিশূরের ওয়াড়াক্কানচেরিতে।

    পুলিশ ওই দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। বিট্টু জেরায় পুলিশকে জানিয়েছেন, বারবার গর্ভবতী হওয়ায় এলাকায় প্রতিভাকে অনেকেই উপহাস করতেন। বন্ধু-বান্ধবরাও কটাক্ষ করতে ছাড়ত না। এগুলোর হাত থেকে মুক্তি পেতেই সদ্যোজাত সন্তানকে রেখে আসার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। কিন্তু শুধুই কী লোকলজ্জার কারণ, নাকি এর পেছনে আরও কোনও কারণ আছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

  • সালমানকে মারধর করলেই মিলবে ২ লাখ টাকা!

    সালমানকে মারধর করলেই মিলবে ২ লাখ টাকা!

    বলিউড সুপারস্টার সালমান খানকে মারধর করলে ২ লক্ষ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে ভারতের ‘হিন্দু হি আগে’ নামের একটি হিন্দু সংগঠন। সংগঠনের নেতা গোবিন্দ পরাশর জানিয়েছেন, সালমানকে শারীরিক নিগ্রহের বিনিময়ে ২ লক্ষ টাকা দেবে তাদের সংগঠন। কিন্তু হঠাৎ কী এমন কাজ করলেন সালমান?

    ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, সলমনের উপরে তাদের এমন ক্ষোভের কারণ হলো সালমানের নতুন প্রযোজনা সংস্থার একটি ছবি। সেই ছবির নাম ‘লাভরাত্রি’। আগামী অক্টোবরে (সম্ভবত ৫ অক্টোবর) ওই ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা। শোনা যাচ্ছে, ছবি মুক্তি পাবে নবরাত্রির সময়েই। হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত করছেন সালমান— এমন বিচিত্র অভিযোগেই সালমানকে পেটানোর পরিকল্পনা করেছে ‘হিন্দু হি আগে’। তবে নিজেরা সেই কম্মোটি করার কথা না ভেবে অন্যকে এগিয়ে দিতে চায় তারা।

    এই সংগঠনের নেতা প্রবীণ তোগাড়িয়া। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ছাড়ার পরে এই সংগঠন গড়ে তুলেছেন তিনি। সেই প্রবীণেরই কাছের লোক বলে পরিচিত গোবিন্দ। গোবিন্দ জানিয়ে দিয়েছেন, জনসমক্ষে সালমানকে নিগ্রহ করলেই পুরস্কার দেবেন তাঁরা। পাশাপাশি সেন্সর বোর্ডকে তিনি ছবিটি নিষিদ্ধ করার জন্য অনুরোধ করেছেন।

  • এভারেস্টের সাড়ে আট টন আবর্জনা পরিষ্কার করল চীন!

    এভারেস্টের সাড়ে আট টন আবর্জনা পরিষ্কার করল চীন!

    এভারেস্টের চূড়ায় আরোহনের সময়ে আবর্জনা ফেলে আসেন পর্বতারোহীরা। এসব বর্জ্য পদার্থ পরিষ্কারে হাত দিয়েছে চীন। এভারেস্টের চূড়া থেকে ইতিমধ্যে সাড়ে আট টন আবর্জনা পরিষ্কার করেছে বেজিং।

    জানা গেছে, চীন গত এপ্রিল মাস থেকে এভারেস্টের চূড়ায় জমে থাকা আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ শুরু করেছে৷ আর এই কাজে নিযুক্ত ছিল ৩০ সদস্যের একটি দল৷ এই কাজে নিয়োজিত লোকেরা বলছেন, এভারেস্টের চূড়া থেকে আবর্জনা পরিষ্কার করা ভীষণ কষ্টসাধ্য।

    পরিসংখ্যান বলছে, তিব্বতের দিক থেকে ২০১৭ সালে এভারেস্টে আরোহন করেছিলেন ২০২ জন অভিযাত্রী। নেপালের দিক থেকে এভারেস্টে উঠেছিলেন ৪৪৬ জন। অন্য দিক থেকেও সহস্রাধিক অভিযাত্রী এভারেস্টে উঠেছেন বা ওঠার চেষ্টা করেছেন। তাদের নিত্য ব্যবহার্য জিনিসপত্র ফেলে আসার কারণেই এভারেস্ট চূড়ায় দূষণ ছড়িয়েছে।

    তিব্বতীয় প্রশাসন ২০১৫ সাল থেকে প্রত্যেক অভিযাত্রীকে ৮ কিলোগ্রাম আবর্জনা ফেরত আনার জন্য দুটি ব্যাগ দেয়। ২০১৪ সাল থেকে নেপাল সরকারও এই নীতি গ্রহণ করেছে। এর ফলে, দূষণের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। এদিকে, এভারেস্টের পথে পরিবেশবান্ধব শৌচাগার নির্মানের বিষয়ে ঘোষণা দিয়েছে বেজিং।

  • ভারতে স্ত্রীকে বাজি রেখে জুয়ায় হার, ধর্ষণের শিকার নারী

    ভারতে স্ত্রীকে বাজি রেখে জুয়ায় হার, ধর্ষণের শিকার নারী

    ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের বালেশ্বর জেলার এক বাসিন্দা বন্ধুর সঙ্গে জুয়া খেলতে নেমেছিলেন স্ত্রীকে বাজি রেখে। সেই জুয়া খেলতে গিয়ে হেরেও যান তিনি। আর খেলার শর্ত হিসাবে স্ত্রীকে তুলে দেন জয়ী ব্যক্তির হাতে। পরে জয়ী ব্যক্তি বন্ধুর সামনেই তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন।
    ধর্ষণের শিকার ওই নারী জানান, ‘‘সেদিন রাত ১১টা নাগাদ স্বামী বাড়িতে ফেরে। বলে তার সঙ্গে যেতে হবে। অত রাতে কোথায় যেতে হবে, বাচ্চারা ঘুমোচ্ছে – এসব বলেছিলাম আমি। কিন্তু স্বামী শোনে নি। কোনও জবাব না দিয়ে একরকম জোর করেই নিয়ে যায় গ্রামের বাইরে। সেখানে তার এক বন্ধু আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল।’’
    ওই নারী আরো জানান, সেই ব্যক্তিকে স্বামীর বন্ধু হিসাবে তিনি ভাই বলে সম্বোধন করেন। সেই ব্যক্তি তার হাত ধরে টানছিল। অনেক মিনতি করেছিলেন নির্যাতিতা। শেষে তার স্বামীই ওই ব্যক্তির হাতে জোর করে তুলে দেয়। তারপরে স্বামীর সামনেই তাকে ধর্ষণ করে ওই ব্যক্তি, জানাচ্ছিলেন ওই নির্যাতিতা।
    ঘটনাটি গত সপ্তাহের হলেও সম্প্রতি সামনে এসেছে, যখন স্থানীয় থানা অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে আর জেলার পুলিশ সুপারকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। কিন্তু ততদিনে নির্যাতিতার স্বামী এবং ধর্ষণে অভিযুক্ত- দুজনেই পলাতক।
  • ব্রাজিলের কে কত নম্বর জার্সি পেলেন?

    ব্রাজিলের কে কত নম্বর জার্সি পেলেন?

    ব্রাজিল দলে ডাক পাওয়া বড় ব্যাপার। বিশ্বকাপের দলে জায়গা পাওয়া আর স্বপ্ন ছোঁয়া তো অনেকটা সমর্থক। দলটা ব্রাজিল বলেই তাদের জন্য জার্সি নম্বরটাও গুরুত্বপূর্ণ। ‘দশ নম্বর’ কিংবা ‘নয় নম্বর’ জার্সিটা যে কেউ গায়ে চাপাতে পারেন না। আর তাই ব্রাজিলের নাম্বার টেন, নাইন জার্সিগুলো কারা পরবেন তা ঠিক থাকলেও দেশটির ফুটবল কনফেডারেশন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জার্সি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

    তাতে পেলে, রিভালদো, জিকোদের মতো দশ নাম্বার জার্সি পরে মাঠে নামবেন নেইমার। জেসুস ব্রাজিলের প্রথম একাদশে খেলবেন না ফিরমিনো এটা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। জেসুসের শুরুর একাদশে খেলা অবশ্য মোটামুটি নিশ্চিতই ছিল। এবার তিনি বিশ্বকাপের নাম্বার নাইট হচ্ছেন তা ঠিক হয়ে গেছে। গোলরক্ষক আলিসন এক নম্বর জার্সি পরবেন। আর থিয়াগো সিলভা ফিরে পেয়েছেন তার দুই নম্বর জার্সিটা।

    জার্সি নম্বরের ক্রম অনুযায়ী নাম:

    ১. আলিসন       ২. থিয়াগো সিলভা      ৩. মিরান্দা

    ৪. জেরোমেল      ৫. কাসেমিরো         ৬. ফিলিপে লুইস

    ৭. ডগলাস কস্তা    ৮. রেনাতো আগুস্তো     ৯. গ্যাবিয়েল জেসুস

    ১০. নেইমার      ১১. কৌতিনহো         ১২. মার্সেলো

    ১৩. মারকুইনস    ১৪. দানিলো           ১৫. পাউলিনহো

    ১৬. ক্যাসিও      ১৭. ফার্নান্দিনহো        ১৮. ফ্রেড

    ১৯. উইলিয়াম     ২০. ফিরমিনো          ২১. তাইসন

    ২২. ফাগনার      ২৩. এদেরসন।

  • তারা এক গোল করলে ১০ হাজার শিশু খাবার পাবে

    তারা এক গোল করলে ১০ হাজার শিশু খাবার পাবে

    রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম দুই তারকা মেসি এবং নেইমার। সবার চোখ থাকবে তাদের দিকে। আর শিশুদের জন্য তো দুই তারকা অনুপ্রেরণার নাম, অনুসরণীয় নাম। রাশিয়া বিশ্বকাপের আসরে মেসি-নেইমারকে নিয়ে তাই নতুন একটি উদ্যোগ নিয়েছে মাস্টারকার্ড নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

    এই দুই তারকার একজন একটি করে গোল করলে ১০ হাজার স্কুল পড়ুয়া শিশুকে খাবার দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে মাস্টারকার্ড। দক্ষিণ আমেরিকা এবং ক্যারিবিও অঞ্চলের ক্ষুধা পিড়ীত শিশুদের মধ্যে চালু থাকবে এই কার্যক্রম।

    মাস্টারকার্ড এই দুই তারকার গোল প্রতি এই খাদ্য অনুদান দেবে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিকে (ডব্লিউএফপি)। বিষয়টি মেসি এবং নেইমারের কানে পৌঁছেছে। তারা দু’জনই এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। এছাড়া তাদের করা গোলের বিনিময়ে কিছু ক্ষুধার্ত শিশু খাবার পাবে ব্যাপারটাই তাদেরকে উচ্ছ্বসিত করেছে।

    এ বিষয়ে মেসি বলেন, ‘আমি এই কর্মসূচির অংশ হতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। এটা হাজারো শিশুর জীবনে পরিবর্তন আনতে সাহায্য করবে। আমাদের গোল অনেকের মুখের হাসি হয়ে ফুটবে বলে আশা করছি।’

    ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার এই কর্মসূচির অংশ হতে পেরে খুশি বলে জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে এই অঞ্চলের প্রতিটি শিশুর এক প্লেট খাবার থাকবে এবং অনেক আশা থাকবে। আমরা দক্ষিণ আমেরিকানরা জানি এক সঙ্গে থাকলে অনেক বড় কিছু করতে পারি আমরা। আমরা এক সঙ্গে ক্ষুধার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারি।’

  • গুজরাটের ‘লেডি ডন’ অস্মিতা, নাম শুনলেই কাঁপে এলাকা!

    গুজরাটের ‘লেডি ডন’ অস্মিতা, নাম শুনলেই কাঁপে এলাকা!

    অস্মিতা গোহিল (ডিকো)। ভারতের গুজরাটের সুরাট এলাকার বাসিন্দা এ তরুণী। বয়স বড় জোর উনিশ-কুড়ি হবে। স্বামী বিবেকানন্দ স্কুলের একজন শিক্ষার্থী। এ অস্মিতাই এখন গুজরাটের ‘লেডি ডন’। সুরাটের সবাই তাকে এক নামে চেনেন। অবশ্য শুধু চেনেন বললে ভুল হবে, এলাকা কাঁপে তার নামে।

    ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশের খাতায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার নামে। কয়েকবার গ্রেপ্তারও হয়েছেন অস্মিতা। কিন্তু পরে জামিনে ছাড়া পেয়ে যান।

    তবে সম্প্রতি এই ‘লেডি ডন’ ফের শিরোনামে এসেছেন। ভারতের গুজরাট রাজ্যের সুরাতের একটি পানের দোকানে তলোয়ার নিয়ে ঢুকে ৫০০ টাকা ‘চাঁদা’ চাওয়ার অভিযোগে ফের গ্রেপ্তার হয়েছে অস্মিতা ও তার বন্ধু রাহুল। ভাইরাল হয়েছে গোটা ঘটনার ভিডিও।

    গত মার্চে দোলের দিনও ধারালো অস্ত্র হাতে কয়েকজনের সঙ্গে ঝামেলায় জড়ান অস্মিতা। ভাইরাল হয়েছিল সেই ভিডিওটিও।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয় এই লেডি ডন। ফেসবুকে নিজেকে স্বনির্ভর বলে পরিচয় দিয়েছেন তিনি। তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নিজের প্রচুর ছবিও রয়েছে। এমনকি সেখানে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বা তলোয়ার নিয়েও নিজের ছবি পোস্ট করেছেন অস্মিতা।

    নামিদামি বাইক এবং গাড়ি চালানোর শখ রয়েছে তার। ফেসবুকে আড়াই হাজার বন্ধু ও ১২ হাজার ফলোয়ার রয়েছে ডনের।

    ফেসবুক-বায়োতে অস্মিতার স্বীকারোক্তি, ‘আমি জীবনটা অন্যভাবে বাঁচতে পছন্দ করি, আশায় ভরসা করে নয়, নিজের শর্তে বাঁচি।’