Category: আন্তর্জাতিক

  • স্যালুট কানাডিয়ান হিরো, স্যালুট অফিসার

    স্যালুট কানাডিয়ান হিরো, স্যালুট অফিসার

    সাবধান! আমার কাছে বন্দুক আছে। আমি গুলি করবো?’- ঘাতকের এই সতর্কবাণীও দমাতে পারেনি টরন্টোর পুলিশ অফিসারটিকে। ব্যস্ততম সড়কে ভ্যান আক্রমণ করে ১০ জন নিরীহ মানুষ হত্যার সন্দেহভাজনকে একাই তাড়া করেছিলেন টরন্টোর এই পুলিশ অফিসার। সন্দেহভাজন ঘাতক পিস্তলের মতো কিছু একটা তাক করে ধরে পুলিশ অফিসারের দিকে। কিন্তু অফিসার নির্বিকার। তিনি এগিয়ে যেতে থাকেন সন্দেহভাজন ঘাতকের দিকে। এবার চিৎকার করে সে বলে ওঠে, আমাকে মেরে ফেলো, আমার মাথায় গুলি করো। ‘কিন্তু অফিসার নির্বিকার। তার লক্ষ্য সন্দেহভাজন এই ঘাতককে গ্রেফতার করা। কিছুক্ষণের মধ্যেই শিকারকে আয়ত্তে নিয়ে আসেন তিনি। গ্রেফতার হয় টরন্টোর ইতিহাসে বিভৎস ঘটনার হোতা। জীবিত এবং অক্ষত।

    কিন্তু কে এই পুলিশ কর্মকর্তা? কানাডার প্রতিটি মানুষ এই বীর পুলিশ অফিসারের প্রশংসা করে ‘হিরো’ হিসেবে অভিহিত করছেন। কিন্তু অফিসারটি কে, কি তার নাম- কেউ জানে না। পুলিশ বিভাগও তার নাম কিংবা ছবি প্রকাশ করেনি, টেলিভিশনে তার বীরত্বের কাহিনী আছে, কিন্তু বরের নাম কিংবা ছবি নেই।

    কেন নেই? এতো উচ্ছ্বাস, এতো প্রশংসার একটি মাত্র বাক্যে জবাব দিয়েছেন অফিসার। আমি জানি, আমি কেবল আমার দায়িত্ব পালন করেছি।

    স্যালুট কানাডিয়ান হিরো, স্যালুট অফিসার।

    সূত্র: নতুন দেশ ডট কম

  • ভয়ঙ্কর জঙ্গিদের ‘শিকার’ করেন এই নারী!

    ভয়ঙ্কর জঙ্গিদের ‘শিকার’ করেন এই নারী!

    উত্তর নাইজেরিয়ার বোকো হারামের জঙ্গিরা এক নারীর ভয়ে থরথর করে কাঁপে৷ কারণ, এই নারী বেছে বেছে জঙ্গিদের শিকার করেন৷ সুঠাম চেহারার আয়েশার বন্দুকের নলে অনেক জঙ্গির ভবলীলা সাঙ্গ হয়েছে৷ সংবাদ সংস্থা আল জাজিরার বিশেষ অনুসন্ধানে ধরা পড়েছে জঙ্গি শিকারি আয়েশার জীবন৷

    নাইজেরিয়ার সামবাইসা অরণ্য৷ এই এলাকা হাতের তালুর মতোই চেনেন আয়েশা বাকারি গোম্বি৷ সশস্ত্র এই নারী তার বাকি সঙ্গিদের নিয়ে জঙ্গলে-জঙ্গলে, দুর্গম এলাকায় জঙ্গি শিকারে মেতে আছেন৷ তার ভয়ে ভীত বোকো হারাম৷ যাদের হামলায় বারে বারে রক্তাক্ত হচ্ছে নাইজেরিয়া দেশটি৷

    বোকো হারাম জঙ্গি সংগঠনটি ২০০২ সাল থেকে তাণ্ডব শুরু করেছে৷ সামবাইসা অরণ্যেই তাদের প্রধান ঘাঁটি৷ সেখান থেকেই লাগাতার উত্তর নাইজেরিয়ার একাধিক স্থানে হামলা চালায় জঙ্গিরা৷ আর সেই হামলার জবাব দিতে জঙ্গলে ঢুকে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে আয়েশা ও তার দলের সদস্যরা৷ জঙ্গি হামলায় ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে ওই এলাকায়৷

    আয়েশা এক বিশেষ অভিযানের সদস্যা৷ তার দলটি বোকো হারামের বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে৷ বিশেষ করে জঙ্গিদের হাতে অপহৃত শিশু কন্যাদের রক্ষায়৷ পাশাপাশি যেকোন রকম নাশকতার বিরুদ্ধে সরাসরি সংঘর্ষে নেমে পড়েছেন আয়েশা৷ উত্তর নাইজেরিয়ার এক প্রত্যন্ত গ্রামে সংসার আয়েশার৷ স্বামী আছেন৷ তিনিও জঙ্গি বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত৷ আয়েশার জীবন আর পাঁচজন নাইজেরীয় নারীর মতোই৷ গ্রামে ও পরিবারে তিনি বেশ শান্ত স্বভাবের একজন গৃহবধূ আয়েশার লড়াইয়ের খবর প্রকাশ হতেই চমকে গিয়েছে ব্শ্বি৷ তার জীবনযাত্রায় উদ্বুদ্ধ হয়েছেন অনেকে৷ যেভাবে বোকো হারামের মতো জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে বন্দুক হাতে লড়াই করছেন এই নারী, তাকে সালাম করছে বিশ্ব৷

    সামবাইসা অরণ্যের গভীর থেকে গভীরে ছুটে যায় জঙ্গি শিকারী আয়েশার বাইক৷ তবে তিনি সবসময় বাইক চালান না৷ পিছনে বসে থাকেন৷ আর তার বন্দুক থাকে শিকারের লক্ষ্যে৷ গরম, ঠাণ্ডা, প্রবল বৃষ্টি কোন সময়েই দায়িত্ব থেকে সরে আসেন না আয়েশা ও তার সঙ্গীরা৷ এই সংগঠনের কথা ছড়িয়ে পড়ছে দ্রুত৷ প্রবল শক্তিশালী ও অত্যাধুনিক অস্ত্রে বলীয়ান বোকো হারাম জঙ্গিদের বিরুদ্ধে নাইজেরিয়া ও প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো একযোগে সেনা অভিযান চালাচ্ছে৷ তারই মাঝে নিজের চেষ্টায় আয়েশা লড়াই করছেন৷ জঙ্গি হত্যা অভিযানে তার ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ৷ আয়েশা চান জঙ্গি মুক্ত হোক পৃথিবী৷

    কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

  • মেয়ে উপস্থাপক মা সভাপতি

    মেয়ে উপস্থাপক মা সভাপতি

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের নেতৃত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে এটি ছিল এক বিরল দৃষ্টান্ত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একই অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের অংশ হিসেবে ভুটানে অনুষ্ঠিত অটিজম ও নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার (এনডিডি) সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের এক আলোচনা সভায় বুধবার এই ঘটনা ঘটে। অটিজম ও নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার সংক্রান্ত তিনদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন উপলক্ষে এই আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে রাজকীয় ব্যাংকুয়েট হলে তিনদিনব্যাপী এই সম্মেলন বুধবার শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গেস্ট অব অনার হিসেবে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। বুধবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এই আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা এবং অটিজম ও নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার বিষয়ক বাংলাদেশ জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের ডব্লিউএইচও’র চ্যাম্পিয়ন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। ডব্লিউএইচও’র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিষয়ক আঞ্চলিক অফিসের আঞ্চলিক পরিচালক ড. পুনম খেত্রপাল সিং আলোচনা অনুষ্ঠানে সহসভাপতি ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভি অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।

    সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাসাও শেরিং তোবগায়ে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা বিশ্বে অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। ভূটানের প্রধানমন্ত্রী অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের ভূমিকারও প্রশংসা করেন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে অটিজম বিষয়ে ডব্লিউএইচও’র চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান।

    বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ভুটানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এবং সূচনা ফাউন্ডেশন, অ্যাবিলিটি ভুটান সোসাইটি (এবিএস) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব আঞ্চলিক অফিসের টেকনিকেল সহায়তায় তিনদিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে উদ্বোধনী ও সমাপনি অনুষ্ঠানসহ কয়েকটি টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে সরকারি নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক, বিশেষজ্ঞ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা কর্মীরা আলোচনায় অংশ নেবেন।

    সূত্র: বাসস।

  • সিরিয়াকে এস-৩০০ না দেয়ার কোনো কারণ নেই

    সিরিয়াকে এস-৩০০ না দেয়ার কোনো কারণ নেই

    রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, সিরিয়ার ওপর সাম্প্রতিক হামলার পর দেশটিকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৩০০ না দেয়ার আর কোনো কারণ নেই।

    তিনি বলেন, এস-৩০০ না দেয়ার বিষয়ে মস্কোর জন্য সব ধরনের নৈতিক বাধ্যবাধকতা দূর করে দিয়েছে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা।

    ল্যাভরভ বলেন, এক দশক আগে আমাদের বন্ধুদের অনুরোধের কারণে আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে, সিরিয়ার সরকারকে এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেব না এবং আমরা তাদের যুক্তিকে মেনে নিয়েছিলাম এই ভেবে যে, এ ধরনের ব্যবস্থা পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে যদিও এস-৩০০ সম্পূর্ণভাবে প্রতিরক্ষামূলক। আমরা তাদের কথায় কান দিয়েছিলাম কিন্তু হামলার পর আর সেই বাধ্যবাধকতা নেই।

    গত ১৪ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়ার ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নির্দেশ দেন। শনিবার সিরিয়ার স্থানীয় সময় ভোর ৪টায় আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের সামরিক বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।

    হামলার পর রাশিয়া বলছে, তারা সিরিয়াকে এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেয়ার কথা বিবেচনা করতে পারে যাতে এ ধরনের আগ্রাসনের মুখে সিরিয়া নিজেকে রক্ষা করতে পারে। রুশ এই ঘোষণার পর ইহুদিবাদী ইসরাইলের ভেতরে আতংক দেখা দিয়েছে; ইহুদিবাদী সেনারা প্রায়ই সিরিয়ার ভেতরে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে থাকে। সিরিয়ার হাতে এস-৩০০ গেলে ইসরায়েলের সামনে সে সুযোগ আর থাকবে না।

  • বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা শিবিরে আগুন লাগানোর অভিযোগ

    বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা শিবিরে আগুন লাগানোর অভিযোগ

    ভারতের রাজধানী দিল্লির একটি রোহিঙ্গা শিবিরে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠেছে বিজেপি’র এক যুব নেতার বিরুদ্ধে। ট্যুইট করে নিজেই আগুন লাগানোর দায় স্বীকার করেছেন মণীশ চান্ডেলা নামে দেশটির ক্ষমতাসীন দলের যুব সংগঠনের ওই প্রভাবশালী নেতা।

    গত ১৪ ও ১৫ এপ্রিলের মধ্যবর্তী কোন একটি সময়ে দক্ষিণ দিল্লির কালিন্দি কুঞ্জ এলাকায় রোহিঙ্গা শিবিরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ওই শিবিরটিতে প্রায় ২৩০ জন রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু বসবাস করতেন বলে জানা যায়। তারা কেউ হতাহত না হলেও ওই আগুনে ৫০ টি ঝুপড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অনেকেরই জাতিসংঘের পক্ষে দেওয়া বিশেষ শরণার্থী কার্ড হারিয়ে যায়। ওই ঘটনার পর ১৫ তারিখ ভোরে একটি ট্যুইটে আগুন লাগানোর কথা স্বীকার করে বিজেপির ওই যুব সংগঠনের নেতা। তিনি জানান ‘হ্যাঁ, আমরাই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ঘর পুড়িয়েছি। ‘আমাদের হিরোরা দারুন ভাল কাজ করেছে’।

    এরপর গত ১৬ এপ্রিল ফের ট্যুইটে আগুন লাগানোর বিষয়টি স্বীকার করেন। ‘হ্যাসট্যাগ রোহিঙ্গা কুইট ইন্ডিয়া’ দিয়ে তিনি লেখেন ‘হ্যা আমরাই এই কাজ করেছি এবং ভবিষ্যতেও করবো।’

    বিষয়টি সামনে আসতেই সোরগোল পড়ে যায়। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানায় ‘অল ইন্ডিয়া মুসলিম মজলিস-ই-মুশাবরাত’ (এআইএমএমএম) সহ কয়েকটি সংগঠন।

    এআইএমএমএম-এর পক্ষ থেকে দিল্লির পুলিশ কমিশনার অমুল্য পট্টনায়েক’কে চিঠি লিখে চান্ডেলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন। অন্যদিকে ওই বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে গতকাল দিল্লির থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট প্রশান্ত ভুষণ। চান্ডেলার ট্যুইটের একটি স্ক্রিনশটও অভিযোগ পত্রের সাথে সংযুক্ত করে দেওয়া হয়। পুলিশি নিষ্ক্রীয়তার অভিযোগ তুলে প্রশান্ত ট্যুইট করে জানান ‘দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে আটক করার ব্যাপারে কোন উদ্যোগই নেওয়া হল না এবং বিজেপির পক্ষ থেকেও চান্ডেলাকে বহিষ্কারের ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া হল না’।

    যদিও বিতর্ক ওঠার পরই নিজের ট্যুইটটি মুছে ফেলেন মণীশ চান্ডেলা। ইতিমধ্যেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার চিন্ময় বিশওয়াল জানান, ‘তদন্তের সবদিক খোলা রয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির ট্যুইটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি আরও বেশ কিছু জিনিস পরীক্ষা করে দেখছি’।

    উল্লেখ্য, গত বছরের আগষ্টে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে নতুন করে সহিংসতা তৈরি হওয়ায় প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে। ভারতেও আশ্রয় নিয়েছে কয়েক হাজার। সবমিলিয়ে প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা অবস্থান করছে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে। কিন্তু দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার এই রোহিঙ্গাদের দেশে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কেন্দ্রের বক্তব্য ‘রোহিঙ্গা দেশের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় হুমকি, তাই তাদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে’।

  • যুক্তরাষ্ট্রের টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় শেখ হাসিনা

    যুক্তরাষ্ট্রের টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় শেখ হাসিনা

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী ‘টাইম’ ২০১৮ সালে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার টাইমের প্রকাশিত এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে, উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনও এ তালিকায় রয়েছেন।

     

    এছাড়াও সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি, বলিউডের অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-আবাদি, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন জায়গা পেয়েছেন টাইমের একশ প্রভাবশালীর তালিকায়।

     

    চলতি বছর নিয়ে টাইম ১৫ বারের মতো বিশ্বের একশ প্রভাবশালীর তালিকা তৈরি করেছে। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কার্যকলাপ, উদ্ভাবন ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘টাইম’ প্রত্যেক বছর একশ জনকে সবচেয়ে প্রভাবশালী হিসেবে বেছে নেয়।

    এ তালিকার ব্যাপারে টাইমের সম্পাদক বলেছেন, ‘এই একশজন বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী নারী এবং পুরুষ। তবে তারা সবেচেয়ে ক্ষমতাবান নন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ক্ষমতা হচ্ছে সুনির্দিষ্ট কিন্তু প্রভাব অত্যন্ত সুক্ষ্ম।’

     

    টাইমের তালিকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রোফাইল লিখেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি।

    মীনাক্ষী লিখেছেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল ১৯৯০ সালে; যখন তিনি বাংলাদেশে সামরিক শাসন অবসানের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। আমাদের সর্বশেষ দেখা হয় ২০০৮ সালে; যখন দেশটিতে তিনি আবারো সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে কাজ করছিলেন। একই বছরে তিনি নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

     

    হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এই পরিচালক বলেন, তার বাবা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেন; উত্তরাধিকারী হিসেবে শেখ হাসিনা লড়াই করতে কখনো ভয় পাননি। গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নৃশংস হত্যাযজ্ঞে যখন লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করে; তখন তিনি এই রোহিঙ্গা ঢলকে মানবিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেন।

    মীনাক্ষী গাঙ্গুলি লিখেছেন, অতীতে কখনোই রোহিঙ্গাদের ব্যাপক স্রোত বাংলাদেশে ঢুকতে দেয়া হয়নি। কিন্তু তিনি জাতিগত নিধনের শিকার রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে মুখ ফিরিয়ে নেননি। এজন্য শেখ হাসিনা প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য।

  • কাটাতারের বেড়া ভেদ করে নিজ দেশে ফেরা

    কাটাতারের বেড়া ভেদ করে নিজ দেশে ফেরা

    শেখ সুমন:

    প্রিজন ভ্যানে চেপে আসতে হয়েছিল সরকারি হোমে। তাই প্রিজন ভ্যান দেখলেই দু’চোখ জলে ভিজে যেত বছর সাতের মেয়েটির। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকাল আটটা নাগাদ হোমের সামনে প্রিজন ভ্যানটি এসে দাঁড়াতেই সবার আগে দৌড়ে উঠেছিল সে। নিজে বসেই পাশের আসনটিতে হাত রেখেছিল ১১ বছরের দিদির জন্য।

    শুধু নিজের দিদিই নয়, আরও ছয় দিদিকে দ্রুত ভ্যানে ওঠানোর জন্য তৎপর হয়েছিল একরত্তি মেয়েটি। মালদহ জেলা প্রশাসন ও চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির তৎপরতায় জেলার সরকারি হোমে থাকা আট কিশোরী ও যুবতীকে এ দিন পাঠানো হল বাংলাদেশে। ইংরেজবাজারের মহদিপুর সীমান্ত দিয়ে ওই মেয়েদের এ দিন ঘরে ফেরানো হয়। ঘরে ফেরার আনন্দ থাকলেও বছরের পর বছর হোমের স্মৃতি মনে করে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অনেকেই। মালদহের সরকারি হোমে প্রায় ৭৬ জন মহিলা আবাসিক রয়েছেন। তারমধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি। এ দিন আটজন বাংলাদেশিকে ঘরে ফেরানো হল।

    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন যাদের বাড়ি ফেরানো হল তাদের পরিবারের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। বাড়ির লোকেরাও তাদের ফেরত নিতে রাজি হয়েছেন। তারপরেই দু’দেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সেই মেয়েদের বাংলাদেশে নিজের বাড়িতে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, বছর সাতের ওই মেয়েটি তিন বছর আগে বাবা-মা এবং দিদির সঙ্গে এ পারে এসেছিল। দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলিতে তারা ধরা পড়ে যায় বিএসএফের হাতে। বাবা-মাকে পাঠানো হয় জেলে। আর ওই দুই নাবালিকার ঠাঁই হয় মালদহের মকদমপুরের ওই সরকারি হোমে।

    বছর পাঁচেক আগে বাংলাদেশ থেকে পাচার করা হয়েছিল সপ্তম শ্রেণির পড়ুয়া এক মেয়েকে। আগাম বুঝতে পেরে বালুরঘাট পুলিশের শরণাপন্ন হয়েছিল সে। তারপর থেকে তারও ঠিকানা হয় মালদহের হোম। কেউ আবার এসেছিল কাজের সন্ধানে। বাংলাদেশের দৌলতপুরের এক বাসিন্দা বলেন, ‘‘আমি তিন বছরের মেয়েকে বাড়িতে রেখে কাজের সন্ধানে ভারতে ঢুকে পড়েছিলাম। ছ’বছর পর বাড়ি ফিরছি। মেয়ে আমাদের চিন্তে পারবে কিনা সেটাই শুধু ভাবছি।

    ’’ বুধবার রাতে হোমের তরফে ওই কিশোরী-যুবতীদের বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ঘরে ফিরতে পারার আনন্দ মুহূর্তেও চোখ ভিজে যাচ্ছিল অনেকেরই। তাদের কথায়, ‘‘পাঁচ বছর হোমের চার দেওয়ালের মধ্যে থেকে শুধুই বাড়ির কথা ভেবেছি। বাড়ি যে ফিরতে পারব তা কখনও ভাবতেই পারেনি। এখন ঘরে ফেরার সময় এতদিনের সঙ্গীদের ছেড়ে যেতেও খারাপ লাগছে।” চাইল্ড ওয়েল ফেয়ার কমিটির চেয়ারম্যান চৈতালী ঘোষ সরকার বলেন, “বাংলাদেশের বর্ডার গার্ডের হাতে আমরা মেয়েদের তুলে দিয়েছি। তারাই ওঁদের পরিবারের হাতে তুলে দেবে।’

  • সাদ্দাম হোসাইনের কবরে নেই তার লাশ!

    সাদ্দাম হোসাইনের কবরে নেই তার লাশ!

    বা:মু:অ:প্র: শেখ সুমন :

    সাদ্দাম হোসাইনকে দাফন হয়েছিল তার নিজ গ্রাম অাল-আওজাহ’তে। বিমান হামলা চালিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল তার সেই কবরস্থান। ইট-পাথরে বেষ্টিত কবরস্থানটি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়া হয়েছিল। সাদ্দাম হোসাইনের শেষ স্মৃতি চিহ্নটুকুও এখন আর অবশিষ্ট নেই। দুই যুগ ধরে শক্ত হাতে যে মানুষটি ইরাক শাসন করেছেন, সেই সাদ্দাম হোসাইনকে ২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাতের অন্ধকারে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়। ইরাকে দশকের পর দশক ধরে যার নাম শুনলেই মানুষ ভীত ছিল, আজ তার শেষ চিহ্নটুকু ঘিরে দানা বাঁধছে রহস্য এবং সন্দেহ।

    অাল-আওজাহ গ্রামে কি তাকে সত্য কী তাকে দাফন করা হয়েছিল, কবরে কী সত্য তার মরদেহ রাখা হয়েছিল? যদি সত্যিই তাকে দাফন করা হয়ে থাকে তাহলে তার মরদেহ কবর হতে গেলো কোথায়? ইরাকের আলবু নাসের উপজাতি গোষ্ঠীর নেতা শেখ মানাফ আলী আল-নিদা। সাদ্দাম হোসাইনও এই উপজাতি গোষ্ঠীর। সাদ্দাম হোসাইনের পরিবারের পক্ষে মরদেহ সেই সময় গ্রহণ করে একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করেছিলেন নিদা। কোনো ধরনের বিলম্ব ছাড়াই সেইদিন ইরাকের এই প্রেসিডেন্টের মরদেহ তাৎক্ষণিক কবর দেয়া হয়। সূর্য ওঠার আগেই ভোর রাতে সাদ্দাম হোসাইনকে দাফন করা হয় অাল-আওজাহ গ্রামের কবরস্থানে।

    হাশেদ আল-শাবি জোটের আধা-সামরিক বাহিনী সাদ্দাম হোসাইনের কবরস্থানের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত। এই বাহিনী বলছে, কবরস্থানের ওপর জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের সদস্যরা স্নাইপার রেখেছিল। পরে ইরাকি বিমান বাহিনীর হামলায় কবরস্থান ধ্বংস হয়ে যায়। বিমান হামলার ঘটনা নিজ চোখে দেখেননি শেখ নিদা। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, সাদ্দাম হোসাইনের কবরস্থান বোমায় উড়িয়ে দেয়া হয়েছে। আধা-সামরিক বাহিনী হাশেদ আল-শাবির নিরাপত্তা প্রধান জাফর আল-ঘারাওয়ি জোর দিয়ে বলেন, ‘সাদ্দামের মরদেহ এখনো সেখানে রয়েছে।’ তবে হাশেদ আল শাবি জোটের এক যোদ্ধা গুঞ্জন ছড়িয়েছেন যে, সাদ্দাম হোসাইনের নির্বাসিত মেয়ে হালা ব্যক্তিগত বিমানে করে দেশে ফিরে তার বাবার মরদেহ জর্ডানে নিয়ে গেছেন।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দেশটির একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মরদেহ তুলে জর্ডানে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে বলেন, ‘এটি অসম্ভব। মরদেহ সম্ভবত গোপন কোনো স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তবে কেউ জানে না কারা এ কাজ করেছে অথবা কোথায় নেয়া হয়েছে।’ তবে যদি তাই হয়, তাহেলে সাদ্দামের পরিবারের সদস্যরা সেই গোপনস্থানের ওপর নিবিড় নজরদারি করবে। তবে বাগদাদের অন্যান্য বাসিন্দাদের মতো আবু সামেরের বিশ্বাস, ইরাকের এই লৌহমানব এখনো বেঁচে আছেন। তিনি বলেন, ‘সাদ্দাম মারা যায়নি। যাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে সে সাদ্দামের মতো দেখতে অন্য কেউ।’

    সূত্র : এএফপি

  • লন্ডনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে বসবেন নরেন্দ্র মোদি

    লন্ডনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে বসবেন নরেন্দ্র মোদি

    যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি। গত ১৬ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই সম্মেলন চলবে আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত।

    ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ওই সম্মেলনের ফাঁকে দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একটি বৈঠকের জন্য তৎপরতা শুরু করেছে দুই দেশ। শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে শীর্ষ বৈঠক হয়েছে প্রায় এক বছর আগে। এর মধ্যে কোনো তৃতীয় দেশেও তাদের সাক্ষাৎ হয়নি।

    খবরে আরও বলা হয়েছে, লন্ডনে বৈঠকে আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করবেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। ওই বৈঠকে তিস্তা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব হবে না মোদির পক্ষ থেকে। তবে তিস্তা ছাড়া অনেকগুলো দিক রয়েছে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে। এগুলোর পাশাপাশি নতুন কোনো ক্ষেত্রে সমন্বয় বাড়ানো যায় কি না তা নিয়ে কথা বলবেন শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি। এ ছাড়া আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনা হবে।

    কমনওয়েলথ সম্মেলন শেষে আগামী ২৩ এপ্রিল দেশে ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

  • বিধবা হয়ে কপালে টিপ পরায় পেনশন পেলেন না বৃদ্ধা

    বিধবা হয়ে কপালে টিপ পরায় পেনশন পেলেন না বৃদ্ধা

    ৭৭ বছরের এক বৃদ্ধাকে পেনশন দেননি সরকারি কর্মকর্তারা। বিধবা হয়েও কপালে টিপ পরায় তার সঙ্গে এ ব্যবহার করা হয়।

    ভারতের চেন্নাইয়ের ওই নারী নিজের ছেলে ও পুত্রবধূর সঙ্গে মৃত স্বামীর পেনশন তুলতে যান। কিন্তু সরকারি কর্মকর্তারা তাকে অপমান করে পেনশন দিতে অস্বীকার করেন। এমনকি এ কথাও বলেন, বিধবা হয়ে তিনি কী করে মাথায় টিপ পরলেন?

    ওই নারীর স্বামী পোর্ট ট্রাস্টের ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল দফতরে কাজ করতেন। গত মার্চে ৮২ বছর বয়সে তিনি মারা যান। সরকারি আইন অনুযায়ী স্বামীর পেনশনের ৭০ শতাংশ টাকা পাবেন বিধবা।

    স্বামীর মৃত্যুর পর পোর্ট ট্রাস্টের ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল দফতর বিধবাকে দ্রুত পেনশনসংক্রান্ত সব কাজ সম্পন্ন করতে চাপ দেয়।

    তখন বৃদ্ধা তার ছেলে ও পুত্রবধূকে নিয়ে দফতরে যান। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর কর্মকর্তারা তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং পেনশন দিতে অস্বীকার করেন।

    এ বিষয়ে বৃদ্ধার পুত্রবধূ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যখন সংশ্লিষ্ট দফতরে যাই, তখন পেনশন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘুমাচ্ছিলেন। এর পর আমরা যখন ওই কর্মকর্তাকে পেনশনের ফর্ম এবং অন্য দরকারি তথ্য দিই, তখন তিনি আমার শাশুড়ির চার মাস আগে তোলা একটি ফটো প্রথমে মনোযোগ দিয়ে দেখেন। ফটো দেখে তিনি বলেন, বিধবা মহিলা টিপ কী করে পরতে পারেন? এর পর ওই কর্মকর্তা পেনশন দিতে অস্বীকার করেন।’
    পেনশন বিভাগের কর্মকর্তার কাছে এভাবে অপদস্থ হওয়ার পর ওই নারী বাড়ি ফিরে যান। পরের দিন নতুন ছবি তুলে তিনি ওই কর্মকর্তাকে দেন।