Category: আন্তর্জাতিক

  • সৌদি আরবে কারফিউ তুলে নেওয়া সিদ্ধান্ত আজ

    সৌদি আরবে কারফিউ তুলে নেওয়া সিদ্ধান্ত আজ

    অবশেষে সৌদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সারাদেশ থেকে কারফিউ তুলে নেয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিয়েছে। আজ রোববার (২১ জুন) সকাল থেকে সারাদেশে কারফিউ তুলে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার ঘোষণায় নির্দিষ্টভাবে মক্কা এবং জেদ্দা শহরের কথা উল্লেখ করে সারাদেশে কারফিউটি তুলে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া পুরো দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে শর্ত সাপেক্ষে পরিচালিত হতে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

    এছাড়া করোনা মহামারীর শুরু থেকে বন্ধ থাকা সেলুন এবং বিউটি পার্লারগুলোকে রোববার থেকে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ওমরা হজ্বযাত্রী পরিবহনসহ আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়, এছাড়া দেশটির সকল স্থল ও সমুদ্র বন্দরগুলো বন্ধ থাকবে।

    তবে করোনা মহামারীর কারণে সকলকে বাহিরে চলাচলের সময় সার্বক্ষণিক মুখোশ (মাস্ক) পরা ও সামাজিক দূরত্বের বিধান সব সময় কঠোরভাবে মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং যে কোন স্থানে ৫০ জনেরও বেশি লোকের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন অমান্যকারীর জন্য কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

  • টাকার জন্য অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে বিক্রি করলো মা-বাবা!

    টাকার জন্য অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে বিক্রি করলো মা-বাবা!

    টাকার বিনিময় নিজের ১৭ বছর বয়সী অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীকে মাত্র ৫০ হাজার রুপির বিনিময়ে বিক্রি করে দিলেন তার মা-বাবা। আর এ অভিযোগে ওই মা-বাবা ও কিশোরীর প্রেমিককে আটক করেছে পুলিশ।
    পুলিশ বলছে, ওই কিশোরীর সঙ্গে বিকাশ ভাসাবা নামের এক ব্যক্তির লিভইনের সম্পর্ক ছিল। মেয়েটির মা-বাবা যখন জানতে পারেন তাদের মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা। তখন তারা মেয়েকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান। বিকাশের কাছে ৫০ হাজার রুপিতে মেয়েটিকে বিক্রি করে দেন তারা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, ভারতের গুজরাটের ভদোদরার শিনোর তালুকা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটককৃতদের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।
    নিজেকে বিক্রি করে দেওয়ার কথা জানলেও মেয়েটি সুখেই বসবাস করে আসছিল। কিন্তু গত ১ জুন বিকাশ ওই তরুণীকে বাড়ি ছেড়ে যেতে বলায় থানায় অভিযোগ করে সে।
    পুলিশ জানায়, ওই কিশারীর এক প্রতিবেশী তার বাবাকে বলেন, কম মূল্যে তিনি তার মেয়েকে বিক্রি করেছেন। যেহেতু কিশোরী মেয়ে তাই দাম কমপক্ষে ৫ লাখ হওয়া উচিত ছিল। এরপর থেকে ওই কিশোরীর বাবা বিকাশের কাছে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন। কিন্তু সাধারণ শ্রমিক বিকাশ অতিরিক্ত কোনো অর্থ তাকে দিতে পারেননি।

    ওই কিশোরীর বাবা যখন বিকাশকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতে চাপ দেন, তখন বিরক্ত হয়ে বিকাশ ওই কিশোরীকে তার বাড়ি থেকে চলে যেতে বলেন। পরে কিশোরীর অভিযোগের ভিত্তিতে গুজরাট পুলিশ ওই কিশোরীর মা-বাবা ও তার প্রেমিক বিকাশকে আটক করে।

  • লাদাখ নিয়ে মোদীর সর্বদলীয় বৈঠক : সবার দৃষ্টি বৈঠকে

    লাদাখ নিয়ে মোদীর সর্বদলীয় বৈঠক : সবার দৃষ্টি বৈঠকে

    ভারতের উত্তর সীমান্তে সামরিক তৎপরতা ক্রমশ বাড়ছে। সেই বিষয় নিয়েই সর্বদলীয় বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গলওয়ান উপত্যকায় ঠিক কী ঘটেছিল, এখন কী পরিস্থিতি সীমান্তের, কী করতে চাইছে সরকার— এই সব বিষয়ই দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলগুলির শীর্ষ নেতৃত্বকে আজকের বৈঠকে জানাবেন প্রধানমন্ত্রী, ধারণা রাজনৈতিক শিবিরের। যে সংঘাত শুরু হয়েছে সীমান্তে, তা নিয়ে ঠিক কী অবস্থান নিতে চলেছে ভারত, সেটা অনেকটাই স্পষ্ট হতে পারে এই বৈঠকের পরে। -আনন্দবাজার, টাইমস অব ইন্ডিয়া

    বিকেল ৫টায় শুরু হওয়া সর্বদলীয় বৈঠক ভিডিও কনফারেন্সেই হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়াও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বৈঠকে আছেন সরকারের তরফ থেকে। বিজেপির তরফ থেকে সভাপতি জগৎপ্রকাশ নড্ডা এবং কংগ্রেসের তরফে সভানেত্রী সনিয়া গাঁন্ধী আছেন।

    প্রতিনিধি না পাঠিয়ে সব দলের শীর্ষ পদাধিকারীরাই যেন যোগ দেন বৈঠকে, এমনই অনুরোধ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে। সে অনুরোধে সাড়া দিয়ে তৃণমূলের তরফেও বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন দলের চেয়ারপার্সন তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। এ ছাড়া বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমার, ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেডি সভাপতি নবীন পট্টনায়ক, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা শিবসেনা সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে, এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ার, সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব, বহুজন সমাজ পার্টির সুপ্রিমো মায়াবতী, ডিএমকে প্রধান এম কে স্ট্যালিনেরও এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা। আমন্ত্রণ পেয়েছেন সিপিআই-এর ডি রাজা, সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরিও।

    বিতর্ক তৈরি হয়েছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরীবাল আমন্ত্রণ না পাওয়ায়। আমন্ত্রণ পায়নি লালুপ্রসাদের আরজেডি, আসাদউদ্দিন ওয়াইসির এআইএমআইএম-ও। দেশের সীমান্তে যখন বিপজ্জনক সঙ্ঘাতের পরিস্থিতি, তখন প্রধানমন্ত্রীর সর্বদল বৈঠকে এই দলগুলিকে কেন ডাকা হল না? এখানেও কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে চাওয়া হল? এমন প্রশ্ন তোলা শুরু হয়েছে ওই দলগুলির তরফে। কিন্তু সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, যে মাপকাঠির ভিত্তিতে সর্বদলীয় বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিভিন্ন দলকে, আরজেডি, আপ বা এআইএমআইএম সেই মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ হতে পারছে না।

    কী মাপকাঠি নির্ধারণ করেছে কেন্দ্র? যে সব দল জাতীয় দল হিসেবে স্বীকৃত অথবা লোকসভায় যে সব দলের অন্তত ৫ জন সাংসদ রয়েছেন অথবা যে সব দল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রয়েছে, তাদেরই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে সর্বদল বৈঠকে। উত্তর-পূর্ব ভারতের ক্ষেত্রে অবশ্য সে নিয়মে ব্যতিক্রম রয়েছে। যে হেতু উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি ছোট ছোট এবং সংসদে ওই রাজ্যগুলির অধিকাংশেরই আসনসংখ্যা কম, সে হেতু তাদের জন্য জাতীয় দলের তকমা বা লোকসভায় ৫ আসনের মাপকাঠি রাখা হয়নি। উত্তর-পূর্বের সব গুরুত্বপূর্ণ দলকেই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    সব মিলিয়ে ২০টি দল বৈঠকে যোগ দিতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। লাদাখের পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রী নিজেই ব্যাখ্যা করেন দলগুলির সামনে। সরকার এই পরিস্থিতিতে কী করতে চাইছে, তা-ও জানাতে পারেন তিনি। তার প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতও জানতে চাইতে পারেন। গোটা দেশের নজর আজ এই বৈঠকের দিকে। সীমান্তে গত কয়েক দিন ধরে সামরিক প্রস্তুতি দ্রুত বাড়িয়েছে ভারত। কিন্তু কী পদক্ষেপ করা হতে পারে, তা স্পষ্ট নয়। এ দিনের বৈঠকের পরে সরকারের সিদ্ধান্ত অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে বলে রাজনৈতিক শিবিরের মত।

  • তাঁবু সরানো নিয়েই চীন-ভারত ভয়ঙ্কর এ সংঘর্ষ!

    তাঁবু সরানো নিয়েই চীন-ভারত ভয়ঙ্কর এ সংঘর্ষ!

    লাদাখে এই উত্তেজনার মধ্যেই গত ৬ জুন চীন ও ভারতের লেফটেন্যান পর্যায়ে বৈঠক হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকা থেকে সরে যাবে দুপক্ষই। চীনা সেনা তাদের তাঁবু সরিয়ে নেবে। সেইমতো ওই জায়গা থেকে সরে আসে ভারতীয় জওয়ানরা।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, সোমবার সন্ধেয় ভারতীয় জওয়ানদের একটি ছোট দল গালওয়ান উপত্যকায় দেখতে যায় চীনা সেনা তাদের তাঁবু সরিয়েছে কিনা। দেখা যায় একটি তাঁবু তখনও সেখানে রয়েছে। একটি সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, তাঁবুর কাছাকাছি যেতেই চীনা সেনা কর্ণেল বি এ সন্তোষবাবুর ওপরে হামলা চালায়। শুরু হয়ে যায় দুপক্ষের হাতাহাতি লড়াই। চীনা সেনাদের সঙ্গে ছিল রড ও অন্যান্য অস্ত্র। সংঘর্ষের খবর পেয়েই দুপক্ষের সেনারা ঘটনাস্থলে চলে আসে।

    এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী ২০ ভারতীয় জওয়ান নিহত হয়েছেন। সেনা মঙ্গলবার প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিল, এক কর্ণেল-সহ মোট ৩ জওয়ান শহিদ হয়েছেন। পরে জানানো হয়, আরও ১৭ জন মারাত্মক জখম। অনেকেরই মৃত্যু হয়েছে গালওয়ানের হিমাঙ্কের নীচের তাপমাত্রায়। ৪৩ জন চীনা সেনা নিহত কিংবা আহত হয়েছেন বলে খবর। সংঘর্যের সময়ে অনেকেই নদীতে পড়ে যান। ওই সংঘর্ষের পরই এলাকা থেকে সরে যায় চীনা সেনা।

    এদিকে, এই ঘটনার পরই চিফ অব আর্মি স্টাফ বিপিন রাওয়াত ও তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। কথা হয় পররাষ্ট্র সচিব জয়শঙ্করের সঙ্গেও।

    এক বিবৃতিতে রাজনাথ বলেছেন, গালওয়ান উপত্যকায় এতজন সেনার মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমাদের সেনারা অত্যন্ত সাহসের পরিচয় দিয়েছে। এদের বলিদানের কথা দেশে ভুলবে না। এই সংকটের সময়ে দেশের মানুষ সেনার সঙ্গে রয়েছে।

  • সৈন্য নিহতের ঘটনায় মোদির তীব্র সমালোচনায় কংগ্রেস

    সৈন্য নিহতের ঘটনায় মোদির তীব্র সমালোচনায় কংগ্রেস

    ভারত ও চীনের সৈন্যদের মাঝে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ২০ সেনা নিহতের ঘটনায় ভারতের বিরোধীদলগুলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র সমালোচনা করেছে।

    আজ বুধবার (১৭ জুন) সকালে কংগ্রেস সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী টুইটারের এক পোস্টে বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন চুপ কেন? কেন তিনি লুকিয়ে আছেন? যথেষ্ট হয়েছে! কী ঘটেছে তা আমাদের জানতে হবে। আমাদের সৈন্যদের হত্যা করার স্পর্ধা চীনের হয় কী করে? কোন সাহসে তারা আমাদের জমি নিয়ে নেয়?

    কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম মোদির সমালোচনা করে বলেছেন। গত ৫ থেকে প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে নীরব। বিদেশি সেনা ভূখণ্ড দখল করে বসে রয়েছে। অথচ দেশের প্রধানমন্ত্রী চুপ। অন্য কোনও দেশে এমন হতো বলে ভাবা যায়?

    কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সিং সূর্যেওয়ালা বলেছেন, গালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় সেনাদের শহীদ হওয়ার সংবাদ প্রতিটি দেশবাসীকে কষ্ট দিচ্ছে। কিন্তু এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নীরবতা বরদাস্ত যোগ্য নয়। প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী দেশবাসীর সামনে জবাবদিহি থেকে পালাচ্ছেন।

    এদিকে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নেপাল তার মানচিত্র পরিবর্তন করে ভারতের জায়গা নিজেদের দাবি করছে, চীন ভারতের সীমান্ত দখলে ব্যস্ত, পাকিস্তান ভারতে সন্ত্রাসবাদ ছড়াচ্ছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী কখন তার নীরবতা ভঙ্গ করবেন?

  • ভারতে ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ২ হাজারোধিক

    ভারতে ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ২ হাজারোধিক

    করোনায় আক্রান্তের পাশাপাশি ভারতে মৃত্যুর সংখ্যাও দীর্ঘ হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মারা গেছে দুই হাজারের বেশি মানুষ। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, ভারতে গত মঙ্গলবারের চেয়ে বুধবার মৃতের সংখ্যা একদিনে ২০ শতাংশ বেড়ে ১১ হাজার ৯১৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

    এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ১১ হাজার মানুষ। অর্থাৎ ১০ হাজার ৯১৪ জন। ফলে দেশটিতে মোট আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৮৭২ জন।

    ভারতে মাত্র চারদিন আগেও আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ। করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুতে দেশটির রাজ্যগুলোর শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। রাজ্যটিতে তাদের মৃত্যু তালিকায় নতুন করে আরও ১ হাজার ৩২৮ জনের নাম যুক্ত করেছে। তালিকার বাইরে থাকাদের মধ্যে ৮৬২ জনই ছিল প্রাদেশিক রাজধানী মুম্বাইয়ের।

    মঙ্গলবার দিল্লিতে নতুন করে ৪৩৭ জনের নাম তালিকাভূক্ত হওয়ায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৮৩৭ জন। দিল্লি রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এরমধ্যে থাকা নামগুলোর ৩৪৪ জন আগেই মারা গেছে। তবে ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে নতুন করে করে ৯৩ জন মারা গেছে। সেখানে একদিনে এটিই সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা।

  • হুয়াওয়ের সঙ্গে 5-G নিয়ে কাজ করার অনুমতি যুক্তরাষ্ট্রের

    হুয়াওয়ের সঙ্গে 5-G নিয়ে কাজ করার অনুমতি যুক্তরাষ্ট্রের

    নানা নাটকীয়তার পর এবার চায়না মোবাইল কোম্পানি হুয়াওয়ের সঙ্গে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে 5-G নিয়ে কাজ করার অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

    সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী বৈশ্বিক উদ্ভাবনে অন্য রাষ্ট্রের কাছে নেতৃত্ব ছেড়ে দেবে না যুক্তরাষ্ট্র- এমন মন্তব্যের পর তার মন্ত্রণালণয় থেকে নতুন এক নিয়মে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোকে ফাইভ-জি মান নির্ধারণে হুয়াওয়ের সঙ্গে কাজ করার অনুমতি মিলবে বলে জানানো হয়।

    যুক্তরাষ্ট্র কালো তালিকাভূক্ত করায় হুয়াওয়ে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তেমনি মার্কিন কোম্পানিগুলো প্রতিষ্ঠানটির কাছে প্রযুক্তি বিক্রি করতে না পারায় ক্ষতির মুখে পড়ে। দেশটির নতুন এই সংশোধনীর কারণে সেই জটিলতাও কাটলো।

  • যুদ্ধের ময়দানে কে শক্তিশালী চীন না ভারত ?

    যুদ্ধের ময়দানে কে শক্তিশালী চীন না ভারত ?

    চীন-ভারত সীমান্তের লাদাখে দীর্ঘ দিন ধরে উত্তেজনা চলছে দুই দেশের মধ্যে। সম্প্রতি কয়েক মাস ধরে দুই দেশই অস্ত্র ও সেনা মজুদ করেছে সেখানে। এর মধ্যে সোমবার (১৫ জুন) রাতে সেখানে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ঘটে।

    এতে প্রথমে বলা হয়েছিল ভারতের তিন সেনা নিহত হয়েছে। কিন্তু মঙ্গলবার জানানো হয়েছে ভারতে ২০ সেনা নিহত হয়েছে। অন্যদিকে চীনের ৪০ জনের বেশি সেনা হতাহত হয়েছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।

    সংঘাতে জড়ানোয় উদ্বেগ প্রকাশ করে দুই দেশকেই সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস।

    মঙ্গলবার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস পক্ষে তাঁর মুখপাত্র এরিক কানেকো বলেন, ‘আমরা ভারত ও চীনের মাঝামাঝি সীমান্ত লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে (এলএসি) সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং উভয়পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানাচ্ছি। তবে এটা ইতিবাচক যে, উভয় দেশ উত্তেজনা নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে।’

    তবে এসব আহ্বান উপেক্ষা করে চীন-ভারত যদি বড় কোনো সংঘাতে দিকে অগ্রসর হয় তাহলে তার প্রভাব পড়বে গোটা দুনিয়ায়। দুই দেশই পরমাণু অস্ত্র সমৃদ্ধ। দুই দেশের হাতেই রয়েছে ভয়ঙ্কর নানা মারাণাস্ত্র।

    প্রতিরক্ষা বাজেট: প্রতিরক্ষা খাতে চীনের বাজেট ২৩৭০ কোটি ডলারের এবং ভারতের ৬১০ কোটি ডলারের।

    সক্রিয় সেনাসদস্য: ১৩৮টি দেশের মধ্যে পিআরডাব্লিউ ইনডেক্সে তৃতীয় স্থানে থাকা চীনের মোট ২১ লাখ ২৩ হাজার সেনাসদস্য রয়েছে, ভারতের রয়েছে ১৪ লাখ ৪৪ হাজার সেনাসদস্য। তবে রিজার্ভ সৈন্যের সংখ্যায় এগিয়ে আছে ভারত। চীনের পাঁচ লাখ ১০ হাজার রিজার্ভ সেনা রয়েছে। বিপরীতে ভারতে এই সংখ্যা ২১ লাখ।

    যুদ্ধবিমান: চীনের যুদ্ধবিমানের সংখ্যা ভারতের দ্বিগুণেরও বেশি। চীনের ১২৩২টি আর ভারতের ৫৩৮টি।

    এয়ারক্রাফট: চীনের ৩২১০টি এয়ারক্রাফটের বিপরীতে ভারতের রয়েছে ২১২৩টি এয়ারক্রাফট।

    ট্যাঙ্ক: তবে ট্যাঙ্কের সংখ্যায় চীনের থেকে অনেক এগিয়ে ভারত। চীনের আছে ৩৫০০টি ট্যাঙ্ক আর ভারতের ৪২৯২টি।

    যুদ্ধজাহাজ: এখানেও এগিয়ে চীন। দেশটির ৭৭৭টি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে। আর ভারতের রয়েছে ২৮৫টি যুদ্ধজাহাজ।

    হেলিকপ্টার: চীনের আছে ৯১১টি হেলিকপ্টার আর ভারতের ৭২২টি।

    রকেট প্রজেক্টর: এক্ষেত্রে চীন প্রায় দশগুণ এগিয়ে। চীনের ২৬৫০, ভারতের ২৬৬।

    সাঁজোয়া যান: চীনের সাঁজোয়া যানবাহনের সংখ্যা ৩৩ হাজার, ভারতের ৮ হাজার ৬৮৬।

    স্বয়ংক্রিয় আর্টিলারি: এক্ষেত্রে অবশ্য চীনের ধারেকাছেও নেই ভারত। চীনের আছে ৩৮০০, ভারতের মাত্র ২৩৫।

    ফিল্ড আর্টিলারি: এখানে অবশ্য ভারত কিছুটা এগিয়ে। চীনের ৩৮০০-র বিপরীতে তাদের রয়েছে ৪০৬০টি ফিল্ড আর্টিলারি।

    সাবমেরিন: সাবমেরিনের সংখ্যার দিক থেকেও ভারত অনেক পিছিয়ে। চীনের ৭৪টির বিপরীতে ভারতের আছে ১৬টি সাবমেরিন।

    বিমানবাহী জাহাজ: চীনের ২টি, ভারতের ১টি।

    ফ্রিগেট: চীনের ৫২, ভারতের তার ঠিক চার ভাগের এক ভাগ, অর্থাৎ ১৩টি।

    ডেস্ট্রয়ার: চীনের ৩৬টি, অন্যদিকে ভারতের ১০টি।

    রণতরি: রণতরী চীনের ৫০টি, ভারতের ১৯টি।

    নৌবন্দর এবং টার্মিনাল: চীনের ২২টির বিপরীতে ভারতের রয়েছে মোট ১৩টি বন্দর ও টার্মিনাল।

    উপকূলীয় টহল: চীনের ২২০, ভারতের ১৩৯।

    বিমানবন্দর: চীনের আছে মোট ৫০৭টি বিমানবন্দর আর ভারতের ৩৪৭টি।

    তথ্যসূত্র : গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ডটকম

  • মদ না পেয়ে ২৫০ জন মানুষের ওপর হামলা, বানরের মৃত্যুদণ্ড

    মদ না পেয়ে ২৫০ জন মানুষের ওপর হামলা, বানরের মৃত্যুদণ্ড

    কিছুদিন আগেই জুয়া খেলার অভিযোগে গাধাকে গ্রেফতার করেছিল পাকিস্তানের পুলিশ। সেই খবরে হাসির রোল উঠেছিল স্যোশাল মিডিয়ায়। এবার তেমনি এক হাস্যকর ঘটনার জন্ম দিল ভারত। যেখানে মাতলামির অভিযোগে এক বানরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    সূত্রের খবর, মদ খেতে না পারায় মানুষের ওপর হামলা করার অভিযোগ ছিল কালুয়া নামের ওই বানরের বিরুদ্ধে। ওই বানরটির নিবাস ছিল মির্জাপুর জেলায়। সেখানে প্রায় ২৫০ জন মানুষকে আক্রমণ করেছে সে। যার মধ্যে একজনের মৃত্যুও হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকারই এক তান্ত্রিকের পোষ্য ছিল কালুয়া। সেই তান্ত্রিকই বানরটিকে প্রতিদিন মদ খাওয়াত। কিছুদিনের মধ্যেই মদে আসক্তি তৈরি হয়ে যায় কালুয়ার। এরপর ওই তান্ত্রিকের মৃত্যু হলে কালুয়া মদ না পেয়ে রীতিমতো আক্রমণাত্মক হয়ে পড়ে। গোটা মির্জাপুরের ত্রাস হয়ে ওঠে কালুয়া।
    বন ও চিড়িয়াখানার কর্মীরা এসে দীর্ঘদিনের চেষ্টায় কালুয়াকে ধরতে সমর্থ হয়। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় কানপুর চিড়িয়াখানায়। সেখানকার চিকিৎসক মুহম্মদ নাসিরের কথায়, বেশ কয়েক মাস ধরে আলাদা খাঁচায় কালুয়াকে একলা রাখা হয়েছিল। কিন্তু তার আক্রমণাত্মক মনোভাবে কোনও পরিবর্তন হয়নি বরং দিনদিন তা বাড়তে থাকে। প্রায় তিন বছর তাকে চিড়িয়াখানায় রাখার পরও কোনো পরিবর্তন হয়নি।

    চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, কালুয়াকে এখন ছাড়া হলে আবার সে মানুষের উপর আক্রমণ করবে। তাই তাকে মৃত্যুদণ্ডই দেওয়া হচ্ছে।

    এদিকে, কালুয়াকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়ায় ভারতের একাধিক পশুপ্রেমী সংগঠন প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা বলছে চিড়িয়াখানায় আলাদা একটি খাঁচায় কালুয়াকে রাখা হলে এই সমস্যা মিটে যায়। কিন্তু এভাবে একটি প্রাণীকে হত্যা করার কোনও মানে হয় না। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ অবশ্য সেসব শুনতে নারাজ। তারা ইতিমধ্যে কালুয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।

  • ইরানের সঙ্গে সরাসরি বসতে চাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    ইরানের সঙ্গে সরাসরি বসতে চাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    কারাবন্দিদের মুক্তি নিয়ে ইরানের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে বসতে চাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া ইসলামী প্রজাতন্ত্রটির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের অনির্দিষ্টকালের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞাও চাচ্ছে ওয়াশিংটন।

    মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন খবর দিয়েছে।

    বিভিন্ন ইস্যুতে দুই বৈরী দেশের মধ্যে মতভিন্নতা রয়েছে। এসবের মধ্যে ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে ছয় বিশ্বশক্তির পরমাণু চুক্তি থেকে একতরফাভাবে সরে আসার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    এর পর তেহরানের অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করতে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যাচ্ছেন তিনি। এতে ইরানি অর্থনীতির রাজস্বের মূল উৎস তেল রফতানির সুযোগও সংকীর্ণ হয়ে আসে।

    ইরান পরমাণু অস্ত্র বানাতে চাচ্ছে বলে দাবি করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও বৈরী দেশের এ দাবি অস্বীকার করছে ইসলামী প্রজাতন্ত্রটি।

    এসব কিছুর মধ্যেও একটি চুক্তিতে একমত হয়েছে দুই দেশ। গত ৪ জুন মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক এক কর্মকর্তাকে মুক্তি দিয়েছে ইরান। ২০১৮ সাল থেকে তিনি দেশটির কারাগারে আটক ছিলেন।

    যুক্তরাষ্ট্রও এক ইরানি চিকিৎসককে তার নিজ দেশে ফিরে আসার সুযোগ করে দিয়েছে।

    কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে ইরানবিষয়ক মার্কিন বিশেষ প্রতিনিধি ব্রিয়ান হুক বলেন, আমার প্রত্যাশা, আরও বন্দিবিনিময় হবে এবং আরও বহু ইস্যুতে আলোচনা হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

    কিন্তু পরমাণুচুক্তি থেকে ট্রাম্প সরে যাওয়ার ঘোষণা দেয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে কোনো চুক্তিতে জড়াতে চাচ্ছে না ইরান। বরং তাদের চাওয়া হচ্ছে– ওয়াশিংটন ওই চুক্তিতে আবার ফিরে আসুক।

    হুক বলেন, যাতে আরও দ্রুত অগ্রসর হতে পারে সে জন্য বন্দিবিনিময় নিয়ে একটি বৈঠকে বসতে আমাদের ইচ্ছা রয়েছে। আমরা কনস্যুলার সংলাপও চালিয়ে যেতে চাচ্ছি।

    ‘আমাদের তরফে কূটনৈতিক দরজা প্রশস্তভাবে খোলা। কেবল এ ইস্যুতেই না, দুপক্ষের কূটনৈতিক সম্পর্ককে জটিল করে তোলা সব বিষয় নিয়েই আমরা আলোচনা করতে প্রস্তুত।