Category: আন্তর্জাতিক

  • উইমেন ডেলিভারের তরুণ নেতাদের তালিকায় ছয় বাংলাদেশি

    উইমেন ডেলিভারের তরুণ নেতাদের তালিকায় ছয় বাংলাদেশি

    যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা উইমেন ডেলিভারের ‘তরুণ নেতাদের’ এক তালিকায় স্থান পেয়েছে ছয় বাংলাদেশি। এই ছয় তরুণ হলেন তানজিলা মজুমদার, সোহানুর রহমান, নওশীন চৌধুরী, মোহসীনা আক্তার, নাফিসা তাসনিম ও সাদমান ফয়সাল।

    উইমেন ডেলিভারের জ্যেষ্ঠ যোগাযোগ সহযোগী সুমিত গালহোত্রা প্রথম আলোকে এই ছয় তরুণের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই ছয়জন সংস্থাটির ‘উইমেন ডেলিভার ইয়াং লিডারস’ কর্মসূচিতে বাংলাদেশ থেকে স্থান পেয়েছেন।

    লিঙ্গসমতা, নারী স্বাস্থ্য ও অধিকার নিয়ে কাজ করা বৈশ্বিক সংস্থা উইমেন ডেলিভার। তাঁদের কাজকে সুসংহত করতেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে তরুণ নেতা নির্বাচন করা হয়। গতকাল বুধবার ২০২০ সালের তরুণদের তালিকাটি প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রথম আলোকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, এবারের তালিকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ৫ হাজার ৬০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে ৯৬টি দেশের ৩০০ জনকে নির্বাচন করা হয়েছেন।

    এই তরুণ নেতাদের কাজ ও উদ্যোগ সম্পর্কে বিস্তারিত উইমেন ডেলিভারের ওয়েবসাইটে তুলে দেওয়া হয়েছে। যাঁদের মধ্যে কেউ যুক্ত আছেন শিক্ষা ও মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্যসেবায়, কেউবা সোচ্চার নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে, কেউ যুক্ত আছেন জলবায়ু ও পরিবেশ রক্ষায়, আবার কারও ভাবনা দরিদ্র মানুষের ক্ষমতায়ন নিয়ে।

    বাংলাদেশি ছয়জনের মধ্যে নওশীন চৌধুরী, তানজিলা মজুমদার ও সাদমান ফয়সাল বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের কর্মী। নওশীন সংস্থাটির নির্বাহী ব্যবস্থাপক হিসেবে নগর কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত। দায়িত্ব পালন করছেন জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনালের (জেসিআই) ঢাকা পশ্চিম অংশের সহসভাপতি হিসেবেও। তানজিলা স্বাস্থ্য কর্মসূচির একজন জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁর তরুণ দলকে, যুক্ত আছেন আরও কিছু স্বেচ্ছাসেবী কাজের সঙ্গে। সাদমান সোশ্যাল ইনক্লুসিভ অফিসার হিসেবে লিঙ্গসমতা নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন ছাড়াও ফ্রেশ ট্যাগ নামে অলাভজনক উদ্যোগের প্রতিষ্ঠাতা।

    নাফিসা তাসনিম ঢাকার আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নড়াইল জেলায় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে স্বাস্থ্যসেবা দেন, বিনে পয়সায় সেবা দেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও।

    সোহানুর রহমান জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ইয়ুথ নেটের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। আর মোহসীনা আক্তার কর্মসূচি সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছেন কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ফর পিস নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্বাচিত তরুণদের কাজ ও উদ্যোগকে সম্প্রসারিত করতে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ, তহবিল প্রদানসহ বিভিন্ন সুযোগ করে দেবে সংস্থাটি। সেই সঙ্গে নারী ও তরুণীদের সমতা এবং অধিকারবিষয়ক বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সম্মেলন ‘উইমেন ডেলিভার কনফারেন্স ২০২২’–এ অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন নির্বাচিত তরুণেরা।

  • করোনা সংক্রমণে চীনকে ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশ!

    করোনা সংক্রমণে চীনকে ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশ!

    চীন থেকেই সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। কেড়ে নিয়েছে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয়েছে গত ৮ মার্চ। এরপর দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিলও। গত ২৪ ঘণ্টায় সনাক্ত হয়েছে ২৮৫৬ জন এবং মারা গেছেন ৪৪ জন। আক্রান্তের সংখ্যায় এবার চীনকে ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশ। বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১৮ নম্বরে।

    এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৪ হাজার ৩৭৯ জন। অন্যদিকে চীনে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮৪ হাজার ২২৮ জন। আজ পর্যন্ত বাংলাদেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৩৯ জন। সব মিলে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন মোট ১৭ হাজার ৮৮২ জন। সরকারি ছুটি তুলে নিয়ে অফিস-আদালত আর গণপরিবহন খুলে দেওয়ার পর থেকে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে যাচ্ছে আক্রান্ত আর মৃতের সংখ্যা।

    বিশ্বে করোনা সংক্রমণে শীর্ষে যথারীতি অবস্থান করছে আমেরিকা। দেশটিতে মোট সংক্রমণ ২,২২৭,০২৭ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১১৬,৮৩১ জনের। দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ব্রাজিল। ল্যাটিন আমেরিকার দেশটিতে আক্রান্ত ৮২৯,৯০২ জন এবং মৃত ৪১,৯০১ জন। তিনে থাকা রাশিয়ায় সংক্রমণ ৫২০,১২৯ জন এবং মৃত ৬,৮২৯ জন। বাংলাদেশের শংকা আরও বাড়িয়ে দিয়ে প্রতিবেশী ভারত উঠে এসেছে ৪ নম্বরে। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৩০৯,৬০৩ জন আর মারা গেছে ৮,৮৯০ জন।

  • কলকাতায় ১৩ লাশ সৎকার নিয়ে তুলকালাম

    কলকাতায় ১৩ লাশ সৎকার নিয়ে তুলকালাম

    দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার বোড়াল মহাশ্মশানঘাটে আনা ১৩টি মৃতদেহের সৎকার নিয়ে তুলকালাম ঘটেছে।

    গত বুধবার দুপুরে কলকাতা পৌর করপোরেশনের বিশেষ গাড়িতে করে ১৩টি মৃতদেহ সৎকারের জন্য নেওয়া হয় গড়িয়ার বোড়াল মহাশ্মশানঘাটে। বিশেষ গাড়ি থেকে মৃতদেহগুলো নামানো হয় অমানবিকভাবে, আঁকশি বা বড় আকারের চিমটি দিয়ে।

    স্থানীয় লোকজন এত মৃতদেহ একসঙ্গে মহাশ্মশানঘাটে আনায় সন্দেহ করে। তারা ধারণা করে, হয়তো করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মৃতদেহ আনা হয়েছে। এতে স্থানীয় লোকজন এসব মৃতদেহ ওই শ্মশানে সৎকার করার ব্যাপারে আপত্তি তোলে।

    জানা যায়, একপর্যায়ে শ্মশানঘাটের ডোমেরাও মৃতদেহ সৎকার করতে আপত্তি জানান।

    এলাকাবাসী মৃতদেহগুলো ওই শ্মশানে সৎকার না করার দাবিতে বিক্ষোভ দেখায়। এ সময় ঘটনাস্থলে আসেন স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর। তিনি আপত্তি তোলেন, কেন তাঁকে না জানিয়ে তাঁর এলাকার শ্মশানঘাটে নিয়ে আসা হয়েছে এই মৃতদেহগুলো।

    এর পরিপ্রেক্ষিতে মৃতদেহ ফের ওই গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতার এনআরএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে।

    স্থানীয় কাউন্সিলর চয়ন ভট্টাচার্য বলেন, তাঁর এলাকার শ্মশানঘাটে বেওয়ারিশ লাশ দাহ করার কথা তাঁকে আগে জানানো হয়নি। লাশগুলো শ্মশানে আনার পর তিনি জানতে পারেন, কলকাতা পৌর করপোরেশন তা সৎকার করবে।

    এ ঘটনার কথা গতকাল বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

    পরে কলকাতা পৌর করপোরেশনের মুখ্য প্রশাসক ও পশ্চিমবঙ্গের পৌর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, অজ্ঞাতপরিচয়ের ব্যক্তিদের মৃতদেহ নিয়মমতো ৪৫ দিন মর্গে রাখার পর সৎকারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু গড়িয়া শ্মশানঘাটে যা হলো, তা দুর্ভাগ্যজনক। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    এনআরএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপার জানিয়েছেন, ওই মৃতদেহগুলো করোনা রোগীর নয়। তারা বেওয়ারিশ। বেওয়ারিশ লাশ নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মর্গে রাখার পর তা সৎকার করার জন্য কলকাতা পৌর করপোরেশনের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তারাই বেওয়ারিশ মৃতদেহ সৎকারের ব্যবস্থা করে থাকে। এ ক্ষেত্রেও তা–ই হয়েছে।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের দাবি, মৃতদেহগুলো কোভিড-১৯ রোগীর। তৃণমূল করোনা রোগীর লাশ চুরি করেছে।

    কংগ্রেস সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য ও সিপিএমের বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, মৃত্যু যে কারণেই হোক না কেন, বাংলার মানুষ মৃতদেহ নিয়ে বর্বরতা সহ্য করবে না। মৃতদেহগুলোর সঠিক তথ্য জানানো হোক।

    ঘটনা জানার পর পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বলেন, এটা অমানবিক। অসংবেদনশীল, হৃদয়হীন ঘটনা। সমাজের প্রথা অনুযায়ী শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে মৃতদেহের সৎকার করা উচিত।

  • একদিনে ৬০০ পাইলট ও ৭০০ কেবিন ক্রু ছাঁটাই করলো এমিরেটস

    একদিনে ৬০০ পাইলট ও ৭০০ কেবিন ক্রু ছাঁটাই করলো এমিরেটস

    করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে দুবাই ভিত্তিক সংযুক্ত আরব আমিরাতের এয়ারলাইন এমিরেটস একদিনে ছয়শ’ পাইলটকে চাকরি থেকে ছাঁটাই করেছে।

    ছাঁটাই হওয়া বেশিরভাগ পাইলট এয়ারবাস এ-৩৮০ প্লেনে প্রবেশনারি ফার্স্ট অফিসার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। আশঙ্কা রয়েছে, এ-৩৮০ প্লেনের কার্যক্রম কমাতে চাচ্ছে এমিরেটস।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রায়ত্ত এয়ারলাইন এমিরেটস করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে কর্মীদের ছাঁটাই করছে। এখন পর্যন্ত ৭৯২ পাইলটকে ছাঁটাই করেছে এয়ারলাইনটি।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) একদিনে ছয়শ’ পাইলট ছাড়াও সাতশ’ কেবিন ক্রু সদস্যকে ছাঁটাই করেছে এমিরেটস। এর আগে এক বিবৃতিতে এয়ারলাইনটির এক মুখপাত্র বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে কাজ করেছেন, এমন দারুণ কয়েকজন মানুষকে এ দুঃসময়ে দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিদায় জানাতে বাধ্য হচ্ছি আমরা।’

    তবে চাকরি রক্ষা করতে প্রতিষ্ঠানটি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    এমিরেটসে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ কাজ করেন। বিশাল এ কর্মীসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ ছাঁটাই করার কথা ভাবছে প্রতিষ্ঠানটি।

  • করোনা সংক্রমণের তালিকায় চীনের পরেই বাংলাদেশ

    করোনা সংক্রমণের তালিকায় চীনের পরেই বাংলাদেশ

    করোনাভাইরাস আক্রান্ত দেশের তালিকায় এখন চীনের পরের স্থানটিতে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। করোনার বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে শুরু থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের হালনাগাদ তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান এখন শীর্ষ ১৯-এ। আর এই তালিকায় চীন রয়েছে ১৮ নম্বর স্থানে।
    আজ বুধবার পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৭৪ হাজার ৮৬৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ১২ জনের। অন্যদিকে একধাপ এগিয়ে থাকা চীনে শনাক্ত করা রোগীর সংখ্যা ৮৪ হাজার ১৯৮ জন। আর মারা গেছে ৪ হাজার ৬৩৮ জন।

    ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। প্রকোপ বাড়ার প্রেক্ষাপটে গত ১১ মার্চ বিশ্বব্যাপী একে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

    জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৯ লাখ ৭৯ হাজার ৮৯৩। মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ১২ হাজার ছয়জনের। আক্রান্তের হিসাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিল। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৩। এর মধ্যে ৩৮ হাজার ৪০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

  • করোনা সংক্রমণে উহানকে ছাপিয়ে গেল মুম্বাই

    করোনা সংক্রমণে উহানকে ছাপিয়ে গেল মুম্বাই

    দু’দিন আগেই আক্রান্তের সংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়েছিল মহারাষ্ট্র। মঙ্গলবার করোনার উৎস উহানকে ছাপিয়ে গেল রাজ্যটির রাজধানী মুম্বাই। সেখানে এ পর্যন্ত ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ করোভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার ভারতীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্যমতে, মহারাষ্ট্রে একদিনে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ২৫৯ জন। এর মধ্যে মুম্বাইয়েরই রয়েছেন ৭০০ জন।
    মহারাষ্ট্রে এ পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ২৮৯ জনে করোনায় প্রাণ হারিযেছেন। এর মধ্যে শুধু মুম্বাইতেই মারা গেছেন ১ হাজার ৭৬০ জন।

    মুম্বাইয়ে করোনার সংক্রমণ দ্রুত বাড়ার অন্যতম কারণ ধারাভি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ বিশ্বের সর্ববৃহৎ এ বস্তিতে সামাজিক দূরত্ব না থাকায় হু হু করে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।

    রাজ্যগুলোর মধ্যে মহারাষ্ট্রের পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত তামিলনাড়ু। দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যটিতে এ পর্যন্ত ৩০৭ জন মারা গেছেন, আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪ হাজার ৯১৪ জন। সংক্রমণ বাড়ছে দিল্লিসহ অন্যান্য রাজ্যগুলোতেও।

    জানা যায়, ভারতে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ হতে সময় নিয়েছিল ১১০ দিন। পরবর্তী ১ লাখ সংক্রমিত হয় মাত্র ১৫ দিনে। কিন্তু রোগ ছড়ানোর এখন যা গতি, তাতে এই সংখ্যাটা ২ থেকে ৩ লাখে পৌঁছাতে আর সপ্তাহখানেক লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    সর্বোচ্চ সংক্রমণের রেকর্ডের মধ্যেই সোমবার থেকে করোনা সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় ভারতে শুরু হয়েছে ‘আনলক-১’। বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের কারণে অর্থনৈতিক কার্যক্রম প্রায় পুরোটাই সচল। তবে এর মধ্যেই ভয় জাগাচ্ছে দৈনিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। প্রতিদিন তিন শতাধিকেরও বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে দেশটিতে।

  • জর্জ ফ্লয়েডের শেষকৃত্যে জনতার ঢল

    জর্জ ফ্লয়েডের শেষকৃত্যে জনতার ঢল

    পুলিশের হেফাজতে মৃত্যু হওয়ার দুই সপ্তাহ পর আফ্রিকান-আমেরিকান জর্জ ফ্লয়েডকে সমাহিত করা হয়েছে। এর আগে হিউস্টনের চার্চে তাঁকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন হাজারো মানুষ। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত সবাই বিশ্বের সব বর্ণের মানুষের জন্য সুবিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।

    বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৯ জুন হিউস্টনের ফাউন্টেন অব প্রেজ গির্জায় ফ্লয়েডের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানাতে মরদেহ প্রায় ছয় ঘণ্টা রাখা হয়। প্রথমে মোটরগাড়িতে করে তাঁর মরদেহ হিউস্টন মেমোরিয়াল গার্ডেনসে নিয়ে আসা হয়। এরপর সব আনুষ্ঠানিকতা সেরে ঘোড়ার গাড়িতে করে মরদেহ পিয়ারল্যান্ড সিমেট্রিতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর মায়ের কবরের পাশে তাঁকে সমাহিত হরা হয়।

    হিউস্টনের গির্জায় জর্জ ফ্লয়েডের স্মরণে বক্তব্য দিতে গিয়ে বক্তারা বলেন, ফ্লয়েডের ‘একমাত্র অপরাধ ছিল কৃষ্ণাঙ্গ হয়ে জন্ম নেওয়া’।

    হিউস্টনের ফাউন্টেন অব প্রেজ গির্জায় শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের জন্য ফ্লয়েডের মরদেহের কাসকেট নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: রয়টার্সহিউস্টনের ফাউন্টেন অব প্রেজ গির্জায় শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের জন্য ফ্লয়েডের মরদেহের কাসকেট নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: রয়টার্সমিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে জর্জ ফ্লয়েড নামের এক আফ্রিকান-আমেরিকানকে গত ২৫ মে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে নির্যাতন করেন শ্বেতাঙ্গ পুলিশ অফিসার ডেরেক চাওভিন। এতে সাবেক বাস্কেটবল খেলোয়াড় ফ্লয়েডের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ডেরেক চাওভিনসহ চার পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করে তাঁদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। ফ্লয়েড হত্যার ঘটনায় ২৬ মে থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ গত ১১ দিন ধরে বড় বড় নগরীতে হয়েছে। ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। প্রায় ১২ হাজার লোক এ আন্দোলনে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

    শেষকৃত অনুষ্ঠানে ফ্লয়েডের ভাগনি ব্রুক উইলিয়ামস বলেন, কৃষ্ণাঙ্গদের সমস্যায় ফেলার জন্যই কিছু আইন তৈরি হয়েছে। তিনি সেসব আইন পরিবর্তনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আইনগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যেন আফ্রিকান-আমেরিকানদের কোনো সিস্টেম কাজ না করে। এই আইন পরিবর্তন করতে হবে। আমরা আর কোনো হোইট ক্রাইম দেখতে চাই না।’

    জর্জ ফ্লয়েডকে শেষবিদায় জানাতে জনতার ভিড়। ছবি: রয়টার্সজর্জ ফ্লয়েডকে শেষবিদায় জানাতে জনতার ভিড়। ছবি: রয়টার্সপ্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেন শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ভিডিওর মাধ্যমে শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জর্জ ফ্লয়েডের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলেই প্রকৃত অর্থে আমেরিকা সব বর্ণের মানুষের সমান বিচার নিশ্চিত করার পথে এগিয়ে যাবে।

    ফ্লয়েড সম্পর্কে ‘বাজে’ মন্তব্য করার অভিযোগে গত সপ্তাহের শেষে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা করেছেন জো বাইডেন। তবে ডেমোক্রেটিক পার্টির সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী বাইডেন কৃষ্ণাঙ্গদের শতভাগ সমর্থন পাবেন—এমন এক মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তিনি বলেছিলেন, আফ্রিকান-আমেরিকানরা যদি ট্রাম্পকে ভোট দেন, তবে তাঁরা ‘কৃষ্ণাঙ্গ নন’।

    আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেন শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ভিডিওর মাধ্যমে শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। ছবি: রয়টার্সআগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেন শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ভিডিওর মাধ্যমে শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। ছবি: রয়টার্সহিউস্টনের ফাউন্টেন অব প্রেইস গির্জায় অনুষ্ঠিত ফ্লয়েডের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে তারকা, রাজনীতিকসহ প্রায় ৫০০ অতিথি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য আল গ্রিন বলেন, ‘জর্জ ফ্লয়েডের একমাত্র অপরাধ ছিল, তিনি কৃষ্ণাঙ্গ ছিলেন।’

    নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করা অ্যাকটিভিস্ট আল শার্পটন বলেন, ‘ঈশ্বর তাঁকে (ফ্লয়েড) এমন এক আন্দোলনের কেন্দ্রে রেখেছেন, যা পুরো বিশ্বকে পরিবর্তন করবে।’

    এদিকে মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ ফ্লয়েডের শেষকৃত্য স্মরণে স্থানীয় বাসিন্দাদের ৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড নীরবতা পালন করতে অনুরোধ করেন। মৃত্যুর আগে ৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড ধরে একজন পুলিশ কর্মকর্তা জর্জ ফ্লয়েডকে মাটির সঙ্গে হাঁটু দিয়ে চেপে ধরে রেখেছিলেন।

  • কোভিডে বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ দেশ সুইজারল্যান্ড

    কোভিডে বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ দেশ সুইজারল্যান্ড

    কোভিড-১৯-এর জন্য বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ দেশ সুইজারল্যান্ড। ডিপ নলেজ গ্রুপ নামের একটি সংস্থা প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। হংকংয়ের উদ্যোগে ওষুধ বিশেষজ্ঞের একটি মূলধন সংস্থা এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে ১৩০টি প্যারামিটারের ভিত্তিতে ২০০টি দেশের কোভিড-১৯-এর সুরক্ষা স্তর এবং ঝুঁকির মূল্যায়ন করা হয়েছে।

    দক্ষ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কার্যকর কর্মসূচি, কার্যকর ব্যবস্থা, করোনাভাইরাস পর্যবেক্ষণ, শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসার নিশ্চিতকরণসহ ৭৫২ স্কোর পেয়ে প্রতিবেদনে তালিকার শীর্ষে রয়েছে সুইজারল্যান্ড।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূলত সংক্রমণের বিস্তার ও মৃত্যুর হারের ক্রমাগত হ্রাস, মূল কারণগুলোর গভীরতা অনুধাবন এবং স্বাস্থ্যকর অর্থনীতি বজায় রাখার জন্য ভালো অবস্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ডের র‌্যাঙ্কিং।

    শীর্ষস্থান অর্জনে সুইজারল্যান্ডের অর্থনীতিও একটি বড় কারণ ছিল। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, স্বল্প স্তরের রাষ্ট্রীয় ঋণ এবং ‘ইউরোপের প্রধান অর্থনৈতিক ও আর্থিক কেন্দ্র’ হিসেবে খ্যাতি সুইজারল্যান্ডকে মহামারির আর্থিক প্রভাবগুলোর জন্য উচ্চমার্গের অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা দেয়।

    প্রতিবেদনের আগের সংস্করণে জার্মানি দ্বিতীয় নিরাপদ দেশ হিসেবে স্থান পেয়েছিল এবং ইসরায়েল তৃতীয় ছিল। যুক্তরাজ্য ৬৮তম এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ৫৮তম।

    ধীরে ধীরে লকডাউন সহজ হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সুইস সরকার গত সপ্তাহে ঘোষণা করে, তারা প্রবেশের সীমাবদ্ধতা প্রত্যাহার করবে এবং সীমানা আবার খুলে দেবে। ১৫ জুন থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইইউ ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন (আইসল্যান্ড, লিচেনস্টেইন ও নরওয়ে) এবং যুক্তরাজ্যে থেকে জনসাধারণ সুইজারল্যান্ডে ভ্রমণ করতে পারবেন।

  • করোনা মহামারীতে গভীর সংকটে বিশ্ব অর্থনীতি: বিশ্বব্যাংক

    করোনা মহামারীতে গভীর সংকটে বিশ্ব অর্থনীতি: বিশ্বব্যাংক

    করোনাভাইরাস মহামারীতে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বলে জানিয়ে বিশ্বব্যাংক। বৈশ্বিক অর্থনীতি অত্যন্ত অনিশ্চিত এবং নেতিবাচক ঝুঁকিতে রয়েছে। বর্তমান এ পরিস্থিতি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে গভীর সংকটে রয়েছে।

    বৈশ্বিক অর্থনীতি এ বছর ৫.২ শতাংশ কমে হবে। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ভয়াবহ মন্দা। ১৮৪০ সাল থেকে মাথাপিছু আয়ের ক্ষেত্রে সব সময় ইতিবাচক ছিল, তবে এবার নেতিবাচক অবস্থায়।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ওয়াশিংটন ডিসি থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট সায়লা পাজারবাসিয়োগলু বলেন, কোভিড-১৯ গভীরভাবে বিশ্বকে সংকটে ফেলে দিয়েছে। বিশ্বব্যাপী বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে। আমাদের ব্যবসার প্রথম আদেশ হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক জরুরিভাবে সমাধান করা। এর বাইরে আরও বেশি মানুষ দারিদ্র্য ও বেকারত্বের কবলে পড়বে।

    বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য, পর্যটন, পণ্য রফতানি এবং যেখানে বৈদেশিক অর্থায়নের নির্ভরতা রয়েছে সেখানে মারাত্মকভাবে আঘাত হেনেছে। বিদ্যালয়ের পড়াশোনায় বাধা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় মানুষের টাকা খরচে স্থায়ী প্রভাব পড়েছে।

    বিশ্বব্যাংক বলছে, বৈশ্বিক অর্থনীতি এখন সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দায় পড়েছে। সব অঞ্চলে মাথাপিছু আয় কমার পাশাপাশি বাড়ছে বেকারত্বের হাহাকার। চলতি ২০২০ সালে বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৩ শতাংশ সংকুচিত হবে। তবে পরের বছরেই অর্থাৎ ২০২১ সালেই বৈশ্বিক জিডিপি ঘুরে দাঁড়াবে। তখন জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার হবে ৫.৯ শতাংশ।

    অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও সরবরাহ, বাণিজ্য এবং অর্থনীতির সব খাত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ২০২০ সালে অর্থনৈতিক কাজ ৭ শতাংশ কম হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল অর্থনীতি (ইএমডিই) এবছর ২.৫ শতাংশ কমবে। যা গত ৬০ বছরে হয়নি। মাথাপিছু আয় ৩.৬ শতাংশ কম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা এই বছর লাখ লাখ লোককে চরম দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দেবে।

  • সীমিত মুসল্লি নিয়ে হজের পরিকল্পনা সৌদির

    সীমিত মুসল্লি নিয়ে হজের পরিকল্পনা সৌদির

    সৌদি আরবে বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে। দেশটিতে প্রতিনিয়তই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে এবার সীমিত মুসল্লি নিয়েই হজের পরিকল্পনা করছে সৌদি সরকার। সোমবার (৮ জুন) হজ পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িতে সৌদি সরকারের কয়েকটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ কথা জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

    হজ উপলক্ষে সারাবিশ্ব থেকে ২৫ লাখ মুসলিম সৌদি আরব ভ্রমণ করেন। আগামী জুলাইয়ের শেষের দিকে এবারের হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে গত মার্চে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়ার পর সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে হজ নিয়ে মুসল্লিদের অপেক্ষা করতে বলা হয়েছিল।

    এবারের হজ পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত দুই জন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, শুধুমাত্র প্রতীকী সংখ্যা হিসেবে কিছু মুসল্লি হজের সুযোগ পাবে। এছাড়া বৃদ্ধদের হজ করায় নিষেধাজ্ঞা দেয়া হবে। পাশপাশি স্বাস্থ্যগত বিষয়গুলো বিশেষভাবে খেয়াল রাখা হবে ।

    সূত্র জানায়, প্রতি দেশের হজের কোটার ২০ শতাংশ মুসল্লি আনার পরিকল্পনা করছে সৌদি সরকার। তবে সৌদি সরকারের অনেক কর্মকর্তাই এ বছরের হজ বাতিলের পক্ষ মত দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    হজ এবং উমরাহ থেকে সৌদি সরকার প্রতি বছর ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রাজস্ব আদায় করে থাকে। আর এবারের করোনার ভাইরাসের কারণে তেলের দাম কমে যাওয়ার পাশাপাশি যদি হজ বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সৌদি আরব অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    সূত্র জানায়, প্রতি দেশের হজের কোটার ২০ শতাংশ মুসল্লি আনার পরিকল্পনা করছে সৌদি সরকার। তবে সৌদি সরকারের অনেক কর্মকর্তাই এ বছরের হজ বাতিলের পক্ষ মত দিয়েছেন বলে জানা গেছে।