Category: আন্তর্জাতিক

  • লিবিয়ায় বাংলাদেশি হত্যা, দেশে মামলা করল সিআইডি

    লিবিয়ায় বাংলাদেশি হত্যা, দেশে মামলা করল সিআইডি

    লিবিয়ায় মানবপাচার ও ২৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় ৩৮ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

    মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে রাজধানীর পল্টন থানায় মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে এবং হত্যার অভিযোগে মামলাটি (নং-০১) দায়ের করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, রাত ১০টার দিকে সিআইডির উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাশেদ ফজল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আসামি হিসেবে ৩৮ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৩০/৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

  • ১০০ বছরের বেশি সময় পর ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়ের কবলে ভারত

    ১০০ বছরের বেশি সময় পর ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়ের কবলে ভারত

    আম্পানের ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি সামাল দিতে না দিতেই ভারতের দিকে চোখ রাঙাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ৷
    এবারের ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ ভারতে পশ্চিমভাগে করোনায় বিপর্যস্ত মহারাষ্ট্রের দিকে।
    ইতিমধ্যে এটি সুপার সাইক্লোনে রূপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর।
    আবহাওয়া দফতরের বরাতে ভারতের সংবাদমাধ্যম ওয়ানইন্ডিয়া জানিয়েছে, আগামীকাল (বুধবার) ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ মহারাষ্ট্র উপকূলে আছড়ে পড়বে৷ এ সময় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১১৫ কিলোমিটার। সঙ্গে প্রবল বৃষ্টিও ঝরবে৷ ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ১২৫ কিমি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে৷
    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১০০ বছরের বেশি সময় পর ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের বাণিজ্যিক নগরী মুম্বাইয়ের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে কোনো সাইক্লোন।
    শুধু সাইক্লোনই নয়, এটি আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে ‘প্রবল সুপার সাইক্লোনে’ পরিণত হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর।
    এমন পূর্বাভাস মাথায় রেখেই সব ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করেছে মহারাষ্ট্র সরকার ৷
    সংবাদমাধ্যম ওয়ান ইন্ডিয়া জানিয়েছে, আরব সাগরে অবস্থিত লাক্ষাদ্বীপের কাছে তৈরি গভীর নিম্নচাপ এখন ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে বুধবার সন্ধ্যার দিকে মহারাষ্ট্রের মুম্বাই, দামান ও হরিহরেশ্বর উপকূলের মধ্য দিয়ে স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে৷
    ঘূর্ণিঝড়টির কারণে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোঙ্কন, গোয়া, মহারাষ্ট্রের কিছু অংশ ও গুজরাটে ভারী বর্ষণ হবে৷ মুম্বাইয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকা থানে, পালঘর, রত্নগিরি, সিন্ধুদুর্গ জেলা ও কোঙ্কনের আশেপাশের এলাকায় ঝড়টি ব্যাপক তাণ্ডব চালাবে।
    নিসর্গের ধ্বংসযজ্ঞ থেকে রক্ষা পেতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে ভারত সরকার।
    মহারাষ্ট্রে, কেরালা, কর্নাটক, গোয়া, গুজরাত, লাক্ষাদ্বীপের মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে৷ ইতোমধ্যেই রাজ্যের থানে, রায়গড়, রত্নগিরি এবং সিন্ধুদুর্গ এলাকায় উচ্চ সতর্কতা (হাই অ্যালার্ট) জারি করা হয়েছে।
    উপকূলীয় অধিবাসীদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
    এ বিষয়ে এনডিআরএফ ও ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷
    বৈঠকের পর পরই মুম্বাইসহ মহারাষ্ট্রের ছয়টি জেলায় ৯টি টিম পাঠিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী৷ মুম্বাইয়ে ৩ টি ও পালঘরে ২টি ও থানে, রায়গড়, রত্নগিরি ও সিন্ধুদুর্গে ১টি করে টিম পাঠানো হয়েছে। মহারাষ্ট্র ও গুজরাতে যথাক্রমে ১০ ও ১১টি টিম পাঠানো হয়েছে৷
    ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, গুজরাটের ভালসাড় এবং নবসারি জেলার ৪৭টি গ্রামের ২০,০০০ মানুষকে সরানো হয়েছে।
    সংবাদসংস্থা পিটিআইকে ভালসাড় জেলা প্রশাসক আর আর রাভাল জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ৩৫টি গ্রামের ১০,০০০ মানুষকে সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। নবসারি জেলায় ১২টি গ্রামের ১০,২০০ লোককে সরানো শুরু হয়েছে।
    মঙ্গলবার বিকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করেন, ভারতের পশ্চিম উপকূলে ধেয়ে আসা সাইক্লোনের পরিস্থিতির খোঁজ খবর নিলাম। সবার মঙ্গল কামনা করি। আমি সবাইকে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
    প্রসঙ্গত, দু সপ্তাহের কম সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয় সুপার সাইক্লোনে সাইক্লোনের কবলে পড়তে যাচ্ছে ভারত। গত মাসে বঙ্গপোসাগরে তৈরি হওয়া ঘুর্ণিঝড় আম্পান পশ্চিমবঙ্গ ও উড়িষ্যা উপকূলে তাণ্ডব চালালে প্রায় ১০০ জনের প্রাণহানি ঘটে। এতে পশ্চিমবঙ্গের ১ লাখ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানানা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ঘূর্ণিঝড় নিসর্গের ছোবলে কেমন ক্ষতিতে পড়ে মুম্বাই সে আশঙ্কায় ভুগছে ভারতবাসী।

  • বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৬৪ লাখ ছাড়িয়েছে

    বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৬৪ লাখ ছাড়িয়েছে

    সারা বিশ্বে করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত ৬৪ লাখ ৫ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। এছাড়া, মারা গেছে তিন লাখ ৭৮ হাজার ১৮৩ জন। তবে এরইমধ্যে অনেক দেশে স্বাভাবিক জীবন শুরু হয়েছে। করোনাভাইরাসের মহামারি ছড়িয়ে পড়ার পর বহু দেশে লকডাউন দেয়া হয় এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নিয়ম মানতে গিয়ে স্বাভাবিক জীবন বিপর্যন্ত হয়ে পড়ে। খবর পার্সটুডের।

    করোনাভরাইরাসের মহামারিতে এ পর্যন্ত সারা বিশ্বে মারা গেছে তিন লাখ ৭৫ হাজার ৬৮৩ জন। এর মধ্যে শুধু আমেরিকাতেই মারা গেছে এক লাখ ছয় হাজার ৯৯০ জন। মৃত্যুর সংখ্যার দিক দিয়ে ব্রিটেন রয়েছে আমেরিকার পরেই। সেখানে মারা গেছে ৩৯ হাজার ৪৬ জন। আমেরিকার জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে। এখানো বিশ্বের বহু দেশে নতুন সংক্রমণের ঘটনা ঘটছে। জার্মানিতে আজ (মঙ্গলবার) ২১৩ জন নতুন রোগী শণাক্ত করা হয়েছে। দেশটিতে এ পর্যন্ত মারা গেছে আট হাজার ৫২২ জন।
    জাপানে নতুন ৩০ জন করোনা রোগী শণাক্ত করা হয়েছে। গত তিন সপ্তাহের মধ্যে এই প্রথম জাপানে একদিনে ৩০ জন রোগী শণাক্ত করা হলো। এদিকে, নিউজিল্যান্ড সরকার আগামী সপ্তাহে দেশে সব ধরনের করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। তবে দেশের সীমান্ত বন্ধ থাকবে। রাশিয়াতে এ পর্যন্ত মারা গেছে পাঁচ হাজার ৩৭ জন এবং আক্রান্ত হয়েছে চার লাখ ২৩ হাজার ৭৪১ জন।

  • নিউ ইয়র্কে কারফিউ ভেঙে বিক্ষোভ, আটক দুই শতাধিক

    নিউ ইয়র্কে কারফিউ ভেঙে বিক্ষোভ, আটক দুই শতাধিক

    করোনাভাইরাসের ধকল এখনো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যেই গোটা আমেরিকা যেন হয়ে উঠেছে রণক্ষেত্র। মিনেসোটার মিনিয়াপোলিসে পুলিশ সদস্যের হাতে জর্জ ফ্লয়েড নামে এক কৃষ্ণাঙ্গের হত্যার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। প্রতিবাদকারীরা প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবে রাস্তায় জড়ো হলেও, পরে তা উত্তাল হয়ে ওঠে। একসময় ছড়িয়ে পড়ে গোটা দেশে। বিভিন্ন স্টেটে কারফিউ দিয়েও তা ঠেকানো যাচ্ছে না।

    নিউইয়র্কে গত কয়েকদিন দফায় দফায় সহিংসতা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের প্রেক্ষিতে সোমবার দিবাগত রাত থেকে কারফিউ জারি করা হয়। কিন্তু এরপরও নজিরবিহীন লুটতরাজ ও অগ্নিসংযোগ দমানো যায়নি।

    নিউইয়র্কে ১ জুন রাতে কারফিউ ভঙ্গ করেই ম্যানহাটনে অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ হয়েছে। রেডিও স্টেশন টেন টেন উইন্সের খবরে বলা হয়েছে, জর্জ ফ্লয়েডের বিচারের দাবিতে সোমবার রাতেও বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় ছিল। এ সময় পুলিশের সাথে বাকবিতণ্ডা, সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ এবং গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে।

    নিউইয়র্কে পর পর চারদিন সহিংসতার পর পঞ্চম রাতে কারফিউ জারি করেন গভর্নর এন্ড্রু কুওমো এবং সিটি মেয়র বিল ডি ব্লাজিও। রাত ১১টা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত কারফিউ দেয়া হলেও, ম্যানহাটনসহ কয়েকটি এলাকায় বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নেমে পড়ে।

    এ সময় ম্যানহাটনের হেরাল্ড স্কয়ারে মেসিস স্টোর ও আশপাশে কয়েকটি দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে। ম্যানহাটনে ৬০ স্ট্রিট থেকে ডাউন টাউনের দিকে অর্ধশতাধিক দোকানে ভাঙচুর ও লুটতরাজ চলেছে। বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে পুলিশকে মেসিস থেকে কয়েকজনকে আটক করে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দুই শতাধিক মানুষকে গ্রেপ্তার করার কথা জানা গেছে। পরের দিকে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

    এর আগের দিন ৩১ মে রাতেও নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন স্টেটে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে। আন্দোলনের সুযোগে নগর কেন্দ্র থেকে শুরু করে আবাসিক এলাকায় পর্যন্ত হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ওই রাতে কেবল নিউইয়র্কে চার শতাধিক মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এক ডজনের বেশি দোকানপাটে ভাঙচুর ও লুটপাট হয়েছে।

    গভর্নর এন্ড্রু কুমো জানিয়েছেন, রাতে চার থেকে দ্বিগুণ করে শহরে আট হাজার পুলিশের টহল নিশ্চিত করা হয়েছে। অনেক বাংলাদেশি পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, তাদের ডিউটি আট ঘন্টার জায়গায় ১২ ঘন্টার শিফট করে করা হয়েছে। এই খবরটি নিশ্চিত করে নিউইয়র্ক পোস্ট বলেছে, এনওয়াইপিডির পক্ষ থেকে নির্দেশনায় যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি হিসেবে পাঁচটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টার শিফট করা হয়েছে।

    এদিকে নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডি ব্লাজিও রাতভর শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বেড়িয়েছেন। তিনি মধ্য রাতে একটি টুইটে লিখেছেন, এইমাত্র বার্কলে সেন্টার থেকে এলাম। সেখানকার পরিস্থিতি বেশ শান্ত। এখন মিডটাউনে যাচ্ছি। বিক্ষোভকারীরা অনেক বেশি শান্ত আজ। পুলিশও তাদের কথা বলার অধিকারের প্রতি সম্মান দেখাচ্ছে। কিন্তু কিছু লোকের আজও বিশৃঙ্খলা পাকানো, চুরি, ধ্বংসযজ্ঞ চালানো ছাড়া কোন কাজ নেই। আমরা এটা হতে দেবো না। এরপর তিনি ব্রঙ্কসে যান। সেখানকার ফোর্ডহাম রোডে সমস্যা হচ্ছে উল্লেখ করে, অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানোর কথা বলেন।

    এদিকে নিউইয়র্কে পঞ্চম দিনের মতো প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। এসব সমাবেশে যুব তরুণ, কৃষ্ণাঙ্গসহ সব বর্ণের লোকজনের অংশগ্রহণ দেখা যায়। বিপুলসংখ্যক শ্বেতাঙ্গকেও শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিতে দেখা যায়। আমেরিকায় সামাজিক অসাম্য, বর্ণে বর্ণে অসাম্যের, অর্থনৈতিক অসাম্যের বিরুদ্ধে স্লোগান আর বক্তৃতা হয়েছে দিনভর।
    শান্তিপূর্ণ কোনো সমাবেশেই পুলিশ বাধা দেয়নি। বরং বিভিন্ন স্থানে পুলিশ হাঁটু গেড়ে বসে আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশের প্রতি সংহতি জানিয়েছে। নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সংগঠকেরা আন্দোলনকে শান্তিপূর্ণ রাখার চেষ্টা করলেও স্থানে স্থানে তা নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। সুযোগ বুঝে অপরাধী চক্র সক্রিয় হয়ে পড়েছে। এরাই লুটপাটে যোগ দিচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। বন্ধ দোকান ভেঙে নিউইয়র্কসহ গোটা দেশে লুটপাট ও সহিংসতার ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।

    জানা গেছে, নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কোনো প্রতিষ্ঠান তেমন ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েনি। তবে সোমবার রাতে জ্যামাইকার ১৬৪ স্ট্রিটের একটি বাসার সামনে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ময়লার বিনে আগুণ ধরিয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশিরা একে অপরকে সাবধানে ও নিরাপদে থাকার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে সমর্থণ থাকলেও, এমন সহিংসতায় অনেকে সমালোচনামুখর হয়েছেন।
    এদিকে মিনেসোটায় বাংলাদেশি রুহেল ইসলামের মালিকানাধীন গান্ধী মহল রেস্টুরেন্ট পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। যা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে উঠে এসেছে। অন্যদিকে পেন্সিলভেনিয়ার ফিলাডেলফিয়া শহরে বাংলাদেশিরা ব্যাপক লুটপাট ও ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। এই শহরে কয়েক শ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর করে লুটপাট চালানো হয়েছে। তার মধ্যে অন্তত ৩৫টি বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।

    শহরটির আপার ডারবি টাউনশিপের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিলম্যান শেখ সিদ্দিক জানিয়েছেন, এলাকায় অনেক চেইন স্টোরসহ বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর ও লুট করা হয়েছে। তারা ঐসব এলাকা পরিদর্শন করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্ষতিপূরণ আদায়ের কৌশল নিয়ে কাজ করছি আমরা। সেই সাথে অনির্দিষ্টকালের জন্যে শহরে কারফিউ জারি থাকবে।

    এদিকে বিক্ষোভ থামাতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশজুড়ে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়ে কঠোরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

  • ভারতের ৬০ বর্গকিমি এলাকা ‘দখল’ করেছে চীন

    ভারতের ৬০ বর্গকিমি এলাকা ‘দখল’ করেছে চীন

    ভারতীয় বাহিনীকে টহল দিতে দেখা যেত এমন ৬০ বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকা চীন দখল করেছে বলে জানা গেছে। এই জায়গাগুলো পাংগোং লেক এবং গালওয়ান নদী এলাকায় সমানভাব্য বিন্যস্ত। গত মাসে ওই জায়গাগুলো দখল করে চীন।

    সরকারি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর বিভিন্ন জায়গায় ভারতীয় বাহিনীকে টহল দিতে এখন বাধা দিচ্ছে চীনা সেনারা। অথচ এই সব এলাকায় নিজেদের দাবি প্রতিষ্ঠার জন্য বহু দশক ধরে সেখানে টহল দিয়ে আসছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এ সব জায়গার মধ্যে রয়েছে পিপি-১৪, ১৬, ১৮ ও ১৯।

    সংবাদপত্র চীনের অনুপ্রবেশকে ১৯৯৯ সালের পাকিস্তানের কারগিল অনুপ্রবেশের পুনরাবৃত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছে, কিন্তু এবার ঘটনা ঘটেছে চীনের দ্বারা, এবং ঘটনাস্থল হলো পূর্ব লাদাখ। গালওয়ান নদী এবং পাংগোং লেক এলাকাতে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধির প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে পিপলস লিবারেশান আর্মির সেনারা। ওখানে সীমানার তিন কিলোমিটার ভিতরে তারা শক্তি বৃদ্ধি করছে, যেখানে ভারতীয় সেনারা বহু দশক ধরে টহল দিয়ে আসছে এবং ওই এলাকাকে নিজেদের হিসেবে দাবি করে আসছে।

    কারগিল অনুপ্রবেশের মাধ্যমে পাকিস্তানী সেনারা যেভাবে শ্রীনগর-জোজিলা-লেহ হাইওয়ের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছিল এবং লাদাখকে উত্তর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়ার হুমকি দিয়েছিল, তেমনিভাবে গালওয়ান নদী উপত্যকায় চীনা অনুপ্রবেশের কারণে কৌশলগত দারবুক-শায়ক-দৌলত বেগ ওলদি হাইওয়ের উপর পিএলএ সেনাদের নজরদারি জোরালো হয়েছে এবং কারাকোরাম গিরিপথের কাছে বিচ্ছিন্ন ‘সাব সেক্টর নর্থের’ সাথে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একমাত্র যোগাযোগের পথটি বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘পিএলএ এই সড়কটি স্থায়ীভাবে দখল করতে চায়। চীনের শীর্ষ কর্মকর্তারা যদিও ঘোষণা দিয়েছেন যে, আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে, এরপরও পিএলএ’র অনুপ্রবেশকারীরা বাঙ্কার তৈরি করছে এবং তাদের প্রকৌশলীরা তাদের অগ্রগামী সেনাদের সাতে চীনের সড়ক অবকাঠামোর সংযোগ তৈরি করছে।’

    ফলে, পিএলএ’র বিভিন্ন পয়েটে অনুপ্রবেশের কারণে তাদের জবাব দেয়ার জন্য সেনা সঙ্কটে পড়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী। নর্দার্ন সেনাবাহিনী যতক্ষণে সংরক্ষিত সেনাদের ওই এলাকায় নিয়ে গেছে, ততক্ষণে নতুন অধিকৃত অবস্থানে নিজেদের অবস্থান সংহত করে ফেলেছে পিএলএ।

    নয়াদিল্লীর সেনা সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, লাদাখের শীর্ষ জেনারেলরা এই সময় ঘুমিয়ে ছিল যেন। লেহের সেনা কমাণ্ডার এবং উধামপুরের নর্দার্ন সেনা কমাণ্ডারকে বদলে দেয়ার বিষয়টি নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।

  • ২৬ বাংলাদেশি হত্যার বিচার হবে: লিবিয়া

    ২৬ বাংলাদেশি হত্যার বিচার হবে: লিবিয়া

    লিবিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় মিজদাহ শহরে ২৬ বাংলাদেশির ঘৃণ্য হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কঠোর নিন্দা জানিয়েছে লিবিয়ার সরকার। সোমবার (১ জুন) লিবিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক শোক বার্তায় এ নিন্দা জানানো হয়।

    এ হত্যাকাণ্ডকে কাপুরুষোচিত কাজ উল্লেখ করে হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনারও অঙ্গীকার করা হয়েছে এ শোক বার্তায়। এতে নিহতদের পরিবার ও বাংলাদেশ সরকারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।

    এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচারের বিষয়ে লিবিয়ার সরকার গৃহীত পদক্ষেপসমূহ নিহতদের পরিবার ও বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হবে বলে শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত ৯টার দিকে লিবিয়ার মিজদা শহরে ২৬ বাংলাদেশিসহ মোট ৩০ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যার শিকার বাকিরা আফ্রিকান। প্রাণে বেঁচে যাওয়া এক বাংলাদেশির সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগে সক্ষম হয় লিবিয়ায় বাংলাদেশি দূতাবাস।

    বাংলাদেশি দূতাবাসের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তিনি কোনো প্রকারে প্রাণে বেঁচে বর্তমানে একজন লিবিয়ানের আশ্রয়ে আত্মগোপন করে আছেন। তিনি দূতাবাসকে জানান, ১৫ দিন আগে বেনগাজী থেকে মরুভূমি পাড়ি দিয়ে কাজের সন্ধানে মানবপাচারকারীরা তাদের লিবিয়ার ত্রিপোলি শহরে নিয়ে আসার পথে তিনিসহ মোট ৩৮ জন বাংলাদেশি মিজদাহ শহরে দুষ্কৃতিকারীদের হাতে জিম্মি হন।

    জিম্মি অবস্থায় তাদের অত্যাচার, নির্যাতন করার এক পর্যায়ে অপহৃত আফ্রিকানরা মূল অপহরণকারী লিবিয়ান ব্যক্তিকে হত্যা করে এবং এর জেরে অন্যান্য দুষ্কৃতিকারীরা আকস্মিকভাবে অপহৃতদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে। এতে আনুমানিক ২৬ জন বাংলাদেশি নিহত হন। অবশিষ্ট বাংলাদেশিরা হাতে-পায়ে, বুকে-পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

  • সুখবর : ক্ষতি করার শক্তি হারাচ্ছে করোনাভাইরাস

    সুখবর : ক্ষতি করার শক্তি হারাচ্ছে করোনাভাইরাস

    নতুন করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) দিনে দিনে শারীরিক ক্ষতি করার শক্তি হারাচ্ছে বলে দাবি করেছেন ইতালির শীর্ষস্থানীয় এক চিকিৎসক। খবর রয়টার্সের।

    মিলান শহরের সান রাফায়েল হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসক আলবার্তো জাংরিলো বলছেন, ‘বাস্তবতা হল ইতালিতে ভাইরাসটি ক্লিনিক্যালি আর নেই। এক অথবা দুই মাস আগে যে অবস্থা ছিল গত দশদিনে তা পরিমাণগত বিবেচনায় ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পর্যায়ে চলে এসেছে।’

    রয়টার্স জানিয়েছে, জাংরিলো ইতালির আরএআই টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে রবিবার এসব কথা বলেন।

    ইতালিতে মে মাসের শুরুতেও ভয়াবহ অবস্থা ছিল। কিন্তু শেষ দিকে পরিস্থিতি বেশ নিয়ন্ত্রণে সেখানে।

    প্রক্রিয়াধীন থাকা ‘বৈজ্ঞানিক প্রমাণের’ কথা উল্লেখ করে জাংরিলো বলছেন, ‘ভাইরাসটি ইতালি থেকে চলে গেছে। যারা ইতালিয়ানদের দোটানায় ফেলছেন তাদের আমি এটি না করতে আহ্বান জানাতে চাই।’

    ইতালির আরও একজন ডাক্তার ভাইরাসটির দুর্বল হওয়ার কথা জানিয়েছেন।

    এএনএসএ নিউজ এজেন্সিকে মাত্তিও বাসেটি নামের ওই চিকিৎসক বলেন, ‘দুই মাস আগে ভাইরাসের যে শক্তি ছিল এখন আর সেটি নেই।’

    তার দাবি, কভিড-১৯ এখন পরিষ্কারভাবে ভিন্ন রোগ!

    জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইতালিতে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৯৭ জন আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি ৩৩ হাজার ৪১৫ জন মারা গেছেন।

    গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়া কভিড-১৯ রোগে গোটা পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত ৬১ লাখ ৬৫ হাজার ১৮১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৩ লাখ ৭১ হাজার ৯৯৫ জন। সুস্থ হয়েছেন ২৬ লাখ ৩৭ হাজার ৪৯৬ জন।

  • করোনা : মৃত্যু ৩ লাখ ৭৪ হাজার ছুঁইছুঁই

    করোনা : মৃত্যু ৩ লাখ ৭৪ হাজার ছুঁইছুঁই

    বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩ লাখ ৭৪ হাজার ছুঁইছুঁই করছে। আন্তর্জাতিক জরিপকারী সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটার এ তথ্য জানিয়েছে।

    সংস্থাটির তথ্যানুযায়ী, বিশ্বজুড়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৮৯৯ জন। আক্রান্ত হয়েছেন ৬২ লাখ ৬৩ হাজার ৯১১ জন। এছাড়া সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৮ লাখ ৪৬ হাজার ৭১৩ জন।

    চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসটিতে এ পর্যন্ত বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে।

    আক্রান্ত ও মৃত্যু উভয় সংখ্যার দিক থেকেই বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৮ লাখ ৩৭ হাজার ১৭০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ১৯৫ জনের।

    মৃতের হিসাবে তালিকার দ্বিতীয়তে এবং ইউরোপের শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটিতে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৩৮ হাজার ৪৮৯ জনের। আর আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৭৪ হাজার ৭৬২ জন।

    তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইতালি। দেশটিতে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৪১৫ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৯৭ জন।

    এছাড়া ফ্রান্সে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২৮ হাজার ৮০২ জনে দাঁড়িয়েছে। আর মোট আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ৮৮ হাজার ৮৮২ জন। ব্রাজিলে করোনায় ২৯ হাজার ৩৪১ জনের মৃত্যু ও ৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

    ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছে ৮৩ হাজার ১৭ জন। এর মধ্যে ৪ হাজার ৬৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

  • বাংলাদেশকে ৭৩২ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে আইএমএফ

    বাংলাদেশকে ৭৩২ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে আইএমএফ

    করোনাভাইরাস মহামারী মোকাবেলায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য আর্থিক সহায়তা দিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) নির্বাহী পরিষদ মোট ৭৩ কোটি ২০ লাখ ডলার জরুরি সহায়তা অনুমোদন দিয়েছে।

    জরুরি আমদানি-রফতানির ভারসাম্য এবং অর্থবছরের ঘাটতি মেটাতে আইএমএফ র‌্যাপিড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি এবং র‌্যাপিড ফিন্যান্সিং ইনস্ট্রুমেন্ট (আরএফআই) এর অধীনে বাংলাদেশকে এই জরুরি সহায়তা অনুমোদন করেছে। খবর বাসসের।

    আইএমএফের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, র‌্যাপিড ক্রেডিড ফ্যাসিলিটি’র (আরসিএফ) অধীনে স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) হিসোবে ১৭৭.৭৭ মিলিয়ন (প্রায় ২৪৪ মিলিয়ন অথবা কোটার ১৬.৬৭ শতাংশ) এবং আরএফআই অধীনে পারচেস অব এসডিআর হিসাবে ৩৫৫.৫৩ মিলিয়ন ( যা প্রায় ৪৮৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অথবা কোটার ৩৩.৩৩ শতাংশ) অনুমোদিত হয়েছে।

    এতে বলা হয়, কোভিড ১৯ মহামারির কারণে সৃষ্ট সংকট মোকাবেলায় এই অর্থ স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও সামষ্ট্রিক অর্থনীতি স্থিতিশীলতা, জরুরি ব্যালেন্স -অব পেমেন্টের চাহিদা এবং অর্থবছরের ঘাটতি মেটাতে সহায়ক হবে।

    মহামারীর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় এবং সামষ্টিক অর্থনীতির সম্ভাবনা ধরে রাখতে আইএমএফ কতৃপক্ষ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

    স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারকে দ্রুত খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম জোরদার করতে হবে, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে নগদ সহায়তা, রফতানিমুখী শিল্পের শ্রমিকদের বেতন ভাতা পরিশোধ এবং ব্যবসায়ী ও কৃষকদের চলতি মূলধন সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

    আইএমএফ ঘনিষ্ঠভাবে বাংলাদেশ পরিস্থিতির প্রতি নজর রাখছে। প্রয়োজনে আরো পরামর্শ ও সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। জরুরি অর্থায়ন যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে।

  • পরিচয় মিলেছে লিবিয়ায় নিহত বাংলাদেশিদের ২৪ জনের

    পরিচয় মিলেছে লিবিয়ায় নিহত বাংলাদেশিদের ২৪ জনের

    লিবিয়ায় এক মানবপাচারকারীর পরিবারের সদস্যদের গুলিতে নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের পরিচয় মিলেছে। এতে খুন হয়েছেন ২৬ বাংলাদেশিসহ ৩০ জন। বাকি ১১ জন বাংলাদেশি গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে গেছেন। এ ছাড়া একজন বাংলাদেশি পালিয়ে বাঁচতে সক্ষম হয়েছেন।

    নিখোঁজ বা মৃত ২৪ জন হলেন-

    গোপালগঞ্জের সুজন ও কামরুল, মাদারীপুরের জাকির হোসেন, সৈয়দুল, জুয়েল ও ফিরুজ, রাজৈরের বিদ্যানন্দীর জুয়েল ও মানিক, টেকেরহাটের আসাদুল, আয়নাল মোল্লা (মৃত) ও মনির, ইশবপুরের সজীব ও শাহীন, দুধখালীর শামীম, ঢাকার আরফান (মৃত), টাঙ্গাইলের মহেশপুরের বিনোদপুরের নারায়ণপুরের লাল চান্দ, কিশোরগঞ্জের ভৈরবের রাজন, শাকিল, সাকিব ও সোহাগ, রসুলপুরের আকাশ ও মো. আলী, হোসেনপুরের রহিম (মৃত) এবং যশোরের রাকিবুল।

    আহত ১১ জন হলেন-

    মাদারীপুর সদরের তীর বাগদি গ্রামের ফিরোজ বেপারী (হাঁটুতে গুলিবিদ্ধ), ফরিদপুরের ভাঙ্গার দুলকান্দি গ্রামের মো. সাজিদ (পেটে গুলিবিদ্ধ), কিশোরগঞ্জের ভৈরবের শম্ভপুর গ্রামের মো. জানু মিয়া (পেটে গুলিবিদ্ধ), ভৈরবের জগন্নাথপুর গ্রামের মো. সজল মিয়া (দুই হাতে মারাত্মকভাবে জখম ও মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন), গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের বামনডাঙ্গা বাড়ির ওমর শেখ (হাতে মারাত্মকভাবে জখম ও আঙ্গুলে কামড়ের দাগ, দুই পায়ে গুলিবিদ্ধ), টাঙ্গাইলের মহেশপুরের বিনোদপুরের নারায়ণপুরের মো. তরিকুল ইসলাম (২২), চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার বেলগাছির খেজুরতলার মো. বকুল হোসাইন (৩০), মাদারীপুরের রাজৈরের কদমবাড়ির মো. আলী (২২), কিশোরগঞ্জের ভৈরবের সখিপুরের মওটুলীর সোহাগ আহমেদ (২০), মাদারীপুরের রাজৈরের ইশবপুরের মো. সম্রাট খালাসী (২৯) এবং চুয়াডাঙ্গার বাপ্পী (মস্তিষ্কে গুলিবিদ্ধ, গুরুতর অবস্থা)। এরা সবাই ত্রিপোলি মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিৎসাধীন।

    বৃহস্পতিবার (২৮ মে) লিবিয়ায় ৩০ জন অভিবাসীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ জনই বাংলাদেশি বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স। অন্য চারজন আফ্রিকান অভিবাসী।

    বৃহস্পতিবার লিবিয়ার সংবাদমাধ্যমে এ খবর জানিয়ে বলা হয়, সাহারা মরুভূমি অঞ্চলের মিজদা শহরের এ ঘটনায় আরও ১১ জন আহত হয়েছেন।