Category: আন্তর্জাতিক

  • বিয়ে করলেই মিলছে সরকারি প্রণোদনা, তবুও আগ্রহ কম তরুণদের

    বিয়ে করলেই মিলছে সরকারি প্রণোদনা, তবুও আগ্রহ কম তরুণদের

    জনসংখ্যা বাড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে চীন সরকার। জন্মহার বাড়াতে দিচ্ছে নগদ অর্থ, বাড়তি ছুটিসহ নানা প্রণোদনা। তবুও বিয়ের ব্যাপারে আগ্রহ বাড়ছে না দেশটির তরুণদের। যা দেখা গেছে দেশটির বিবাহ নিবন্ধনের ক্ষেত্রে। শুক্রবার প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে এমন চিত্র।

    চীনের সিভিল অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল তথ্য অনুসারে, চলতি বছর প্রথম নয় মাসে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে বিয়ের নিবন্ধন। এ সময়ে দেশব্যাপী ৪৭ লাখ ৪৭ হাজার দম্পতি বিয়ে নিবন্ধন করেছেন। যা বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় ৯ লাখ ৪৩ হাজার কম।

    পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালের প্রথম নয় মাসে ৫৬ লাখ ৯০ হাজার বিয়ে নিবন্ধন রেকর্ড করা হয়েছিল, যা ২০২২ সালের চেয়ে বেশি। তবে এরপর দেশজুড়ে বাড়তে থাকা অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির কারণে অনেক তরুণ বিয়ের ব্যাপারে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন।

    এই অবস্থায় তরুণদের বিয়ের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে ও ক্রমহ্রাসমান জনসংখ্যা বাড়াতে বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন করে সরকার। ঘোষণা দেওয়া হয় ২৫ বছরের আগে বিয়ে করলেই চীনা তরুণীরা পাবেন নগদ অর্থ পুরস্কার ও বিভিন্ন প্রণোদনা।

    এছাড়াও বিয়ে সহজ করতে চীন সম্প্রতি একটি খসড়া আইন সংশোধন করে। যার ফলে অতীতের চেয়ে বিয়ে নিবন্ধন করা অনেক সহজ ও বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

    যার প্রভাবও লক্ষ্য করা গেছে বিচ্ছেদ নিবন্ধনের হিসেবে। ২০২৪ সালের প্রথম তিন প্রান্তিকে ১৯ লাখ ৬৭ হাজার বিচ্ছেদ নিবন্ধিত হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৬ হাজার কম।

    এর আগে চলতি বছর চীন জাতীয় স্তরে টানা দুই বছরের মতো জন্মহারে হ্রাস রেকর্ড করেছে। এই চিত্র উঠে আসার পরই মূলত সরকার নানা প্রকল্প এবং উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণদের বিয়ে ও সন্তান ধারণের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে উৎসাহিত করার ওপর জোর দেয়। দেওয়া হয় সরকারি নান রকম সুবিধা।

    অবশ্য এতকিছুর পরও বিয়ের ব্যাপারে আগ্রহ হারাচ্ছে দেশটির তরুণ-তরুণীরা। যা নিয়ে সরকারের আলোচনা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়াতেও। যা নিয়ে চিন্তিত চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং। এ নিয়ে প্রেসিডেন্ট শি বলেন, এ ক্ষেত্রে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। সেই সঙ্গে পরিবার গঠনের বিষয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নতুন প্রবণতা গড়ে তুলতে হবে।

  • সমুদ্রে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া

    সমুদ্রে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া

    দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাপ্রধান বলেছেন, উত্তর কোরিয়া উত্তর-পূর্ব দিকের সমুদ্রে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। উত্তর কোরিয়ার ব্যালেস্টিক মিসাইল হলো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র; যা উচ্চকোণ থেকে ছোড়া যায়।

    একদিন আগেই দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক গোয়েন্দারা সেই দেশের সংসদ সদস্যদের জানিয়েছিলেন, উত্তর কোরিয়া তাদের সপ্তম পরমাণু পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত গিয়ে আঘাত হানতে পারে, এমন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রও তারা এবার পরীক্ষা করতে চলেছে।

    জাপানের কোস্টগার্ড জানিয়েছে, মিসাইলটি তাদের ওকুশিরি দ্বীপ থেকে তিনশ কিলোমিটার দূরে গিয়ে পড়েছে।

    জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল নাকাতানি জানিয়েছেন, অন্তত একটি আইসিবিএম পর্যায়ের ব্যালেস্টিক মিসাইল পিয়ংইয়ং থেকে উত্তরপূর্ব দিকে ছোড়া হয়েছে। এটা এক হাজার কিলোমিটার দূরত্ব পার করেছে। মিসাইলের সবচেয়ে বেশি উচ্চতা ছিল সাত হাজার ফিট।

    নাকাতানি বলেন, উত্তর কোরিয়া এখনো পর্যন্ত যত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে, তার মধ্যে এই মিসাইলটি সবচেয়ে বেশি সময় ধরে গেছে। তাই বর্তমানে চালু ক্ষেপণাস্ত্রগুলো থেকে এটি আলাদা।

    উত্তর কোরিয়ার অস্ত্রপরীক্ষা

    ২০২২ সাল থেকে পিয়ংইয়ং তাদের অস্ত্রপরীক্ষার গতি অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০২৩ সালে উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে পরমাণু অস্ত্রের বিষয়টি ঢোকানো হয়, পরে তাদের পার্লামেন্ট তা অনুমোদন করে।

    উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছিলেন, পরমাণু অস্ত্রের আধুনিকীকরণ খুবই জরুরি। দেশের কৌশলগত প্রতিরোধ ব্যবস্থার জন্যই তা দরকার। গত মাসে কিম দুইটি ভিন্ন ধরনের মিসাইল পরীক্ষার বিষয়টি খতিয়ে দেখেন বলে উত্তর কোরিয়া জানিয়েছে। তার মধ্যে একটিতে বিশাল বড় প্রচলিত অস্ত্র নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। অন্যটি হলো ক্রুজ মিসাইল। ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, এই ক্ষেপণাস্ত্র পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম।

    বৃহস্পতিবারই মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেছিলেন, ইউক্রেনের কাছে কুরস্ক অঞ্চলে উত্তর কোরিয়ার সেনা রাশিয়ার সেনার পোশাকে রাশিয়ার অস্ত্র নিয়ে এগোচ্ছে।

    দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী কিম ইয়ং-হাইয়ুনকে সঙ্গে নিয়ে অস্টিন বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়ার এই সেনাকে যুদ্ধে নামাবে রাশিয়া। বলা হচ্ছে, ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনে সাহায্য করতে উত্তর কোরিয়া তাদের ১২ হাজার সেনা পাঠিয়েছে।

  • লেবাননে সংঘর্ষে ইসরাইলের ৪ সেনা নিহত, আহত ১৪

    লেবাননে সংঘর্ষে ইসরাইলের ৪ সেনা নিহত, আহত ১৪

    দক্ষিণ লেবাননের একটি গ্রামে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘর্ষে আরও চারজন ইসরাইলি সেনা নিহত এবং ১৪ সেনা আহত হয়েছেন।

    শনিবার সন্ধ্যায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানায় ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

    সর্বশেষ এ সংঘর্ষের ঘটনাটি আইডিএফের চলমান স্থল অভিযান ও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সীমান্ত সংঘাত গুরুতর এক নতুন ধাপে পরিণত হয়েছে।

    নিহত সৈন্যদের নাম প্রকাশ করেছে আইডিএফ। তারা হলেন- ক্যাপ্টেন (রিজার্ভ) রাব্বি আব্রাহাম যোশেফ গোল্ডবার্গ (৪৩), মাস্টার সার্জেন্ট (রিজার্ভ) গিলাদ এলমালিয়াচ (৩০), ক্যাপ্টেন (রিজার্ভ) অমিত চাইউট (২৯) এবং মেজর (রিজার্ভ) এলিয়াভ আব্রাম আবিতবোল (৩৬)।

    তারা সবাই আলন ব্রিগেডের ৮২০৭তম ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন।

    শনিবারের ওই সংঘর্ষে তিনজন হিজবুল্লাহ যোদ্ধাও নিহত হন।

    এদিকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল থেকে হিজবুল্লাহ বাহিনীকে পিছু হটাতে ইসরাইলি বিমানবাহিনী হিজবুল্লাহর বেশ কিছু অস্ত্র মজুদ ও তৈরির স্থাপনা ধ্বংস করেছে। এছাড়াও বৈরুতে হিজবুল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রাগার লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

    ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, প্রতিদিন হিজবুল্লাহর ক্রমবর্ধমান হামলার কারণে লেবানন সীমান্তবর্তী ইসরাইলি অঞ্চল থেকে ৬০,০০০ এরও বেশি বাসিন্দাকে নিরাপত্তার জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

    সম্প্রতি এই সংঘর্ষে ইসরাইলি বাহিনী এবং হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। আইডিএফের হিসাব মতে, লেবাননে চলমান সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ২০০০-এর বেশি হিজবুল্লাহ সদস্য নিহত হয়েছে। অন্যদিকে আইডিএফের ৫৫ জন সৈন্য ও রিজার্ভ সদস্য মারা গেছেন।

    এদিকে ইসরাইলি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হিজবুল্লাহর রকেট এবং ড্রোন হামলার কারণে ইতোমধ্যে উত্তর ইসরাইলের অনেক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রচুর পরিমাণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

    চলমান পরিস্থিতিতে ইসরাইল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যা গোটা অঞ্চলে আরও অস্থিরতার সৃষ্টি করতে পারে।

  • খামেনি গুরুতর অসুস্থ, উত্তরসূরি হবেন কে?

    খামেনি গুরুতর অসুস্থ, উত্তরসূরি হবেন কে?

    ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি (৮৫) গুরুতর অসুস্থ। তার দ্বিতীয় ছেলে মোজতাবা খামেনিকে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।

    রোববার এ তথ্য জানিয়েছে ইসরাইলি গণমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের শনিবারের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানানো হয়, খামেনির অসুস্থতায় তার উত্তরসূরি নিয়ে ‘নীরব প্রতিযোগিতা’ শুরু হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, খামেনি মারা গেলে পরবর্তী নেতা কে হবেন, সে বিষয়ে ইরানের বিপ্লবী রক্ষী বাহিনীরও মত নেওয়া হবে।

    গত মে মাসে ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি প্রাণ হারানোর পর খামেনির উত্তরসূরি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

    প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা রুহুল্লাহ খোমেনির প্রয়াণের পর ১৯৮৯ সাল থেকে এই পদে আছেন আয়াতুল্লাহ খামেনি।

    ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে শনিবার দেশটিতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এ ঘটনার পরই খামেনির অসুস্থতার খবর এলো।

    শনিবার সকালে বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায় ইসরাইলি যুদ্ধবিমান।

    ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা ইসরাইলের সঙ্গে অস্থিরতা বাড়াতে চান না।

    প্রতিবেদন মতে, ইরানে হামলা চালানোর পাশাপাশি ইসরাইল ইরাক ও সিরিয়ার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর ওপরও হামলা চালিয়েছে।

  • ইসরাইলের বিরুদ্ধে ‘নিশ্চিতভাবে’ প্রতিশোধ নেওয়া হবে: ইরান

    ইসরাইলের বিরুদ্ধে ‘নিশ্চিতভাবে’ প্রতিশোধ নেওয়া হবে: ইরান

    ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মাদ বাগের গালিবাফ বলেছেন, ১ অক্টোবরের ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সাথে তুলনা করলে ইসরাইলের হামলা ব্যর্থ হয়েছে। একইসঙ্গে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, হামলার পরিসর যাই হোক না কেনো, তেহরান ‘নিশ্চিতভাবে’ প্রতিশোধ নেবে।

    রোববার (২৭ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা।

    তেহরানে এক টেলিভিশন ভাষণে গালিবাফ বলেন, ‘গাজা ও লেবাননে অরক্ষিত শিশু ও নারীদের গণহত্যা ছাড়া ইহুদিবাদী শাসনের কোনো অর্জন নেই। আজ আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইসরাইলের কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা নেই’।

    ইরানের পার্লামেন্টে যোগ দেওয়ার আগে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসির) বিমান বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন গালিবাফ। তিনি বলেছেন, জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুসারে আক্রান্ত হলে প্রতিটি দেশের নিজেকে আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। তেহরান তাই ইসরাইলকে জবাব দেবে।

    ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান, তার বৈধ আত্মরক্ষার অন্তর্নিহিত অধিকার এবং জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদের কাঠামোতে, নিজেকে আত্মরক্ষা করার অধিকার বলে মনে করে। (ইসরাইলের) এই লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত’।

    গালিবাফ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরাইলের ‘সব যুদ্ধাপরাধের প্রধান অংশীদার’ বলে অভিহিত করেছেন। তার ভাষ্য, ওয়াশিংটনকে অবশ্যই ইসরাইলের বেসামরিক হত্যা বন্ধ করতে গাজা ও লেবাননে একটি টেকসই যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।

    ইরানের ওপর ইসরাইলের হামলাকে জোরালো সমর্থন দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা মিত্ররা। কিন্তু এই হামলাকে ‘আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেছে পাকিস্তান, বাহরাইন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, আফগানিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশ।

    পার্লামেন্টের স্পিকার ইরানে ইসরাইলি হামলার নিন্দা করার জন্য আঞ্চলিক প্রতিবেশীদের ধন্যবাদ জানিয়েছে।

    শুক্রবার ভোররাতে ইরানে একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালায় ইসরাইল। এ হামলায় এখন পর্যন্ত ৪ সেনা সদস্য নিহতের খবর জানিয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।

  • যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের কাছে গুলির ঘটনায় নিহত ৫

    যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের কাছে গুলির ঘটনায় নিহত ৫

    যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের সিয়াটল শহরের কাছে এক বাড়িতে গুলির ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় ১৫ বছরের এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।

    সোমবার (২১ অক্টোবর) কিং কাউন্টির শেরিফ দপ্তর এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গুলির এ ঘটনায় তিন শিশু ও দুজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ নিহত হয়েছেন। ওই বাড়িতে বসবাস করা এক কিশোরীও আহত হয়েছে।

    শেরিফ দপ্তরের মুখপাত্র মাইক মেলিস ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের জানান, শেরিফের ডেপুটিরা কোনো বাধা ছাড়াই সন্দেহভাজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

  • ফুটবল ম্যাচের জয় উদযাপনে এলোপাথাড়ি গুলি, নিহত ৩

    ফুটবল ম্যাচের জয় উদযাপনে এলোপাথাড়ি গুলি, নিহত ৩

    যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপিতে একটি স্কুলের ফুটবল ম্যাচের জয় উপলক্ষ্যে আয়োজিত পার্টিতে এলোপাথাড়ি গুলি করা ঘটনা ঘটে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন তিন জন। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন আরও আট জন।

    সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মিসিসিপির হোমস কাউন্টির একটি স্কুল ফুটবল ম্যাচে জয় পায়। যার উদযাপনে স্থানীয় মাঠে জড়ো হন ২০০ থেকে ৩০০ জন। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ওই ভিড়ের মধ্যেই গুলি চলে। গুলির শব্দ হতেই হুলস্থুলু শুরু হয়। দৌড়ে পালাতে শরু করে জনতা। পরে দেখা যায় বেশ কয়েক জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। যাদের মধ্যে তিন জনের মৃত্যু হয়। আরও আটজন গুরুতর আহত হন।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে এক জনের বয়স ১৯ বছর এবং এক জনের বয়স ২৫ বছর। আহতদের কপ্টারে চাপিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এপি দাবি করছে, গুলি চালিয়েছেন অন্তত দু’জন। কাউন্টির একটি মাঠে শামিল হয়েছিলেন প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ জন। মিসিসিপির লেক্সিংটন থেকে তিন কিলোমিটার দূরে ছিল মাঠটি।

    কাউন্টির শেরিফ উইলি মার্চ জানিয়েছেন, ওই উদযাপনে কয়েক জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। তারপরেই গুলির শব্দ শোনা যায়। ঠিক কেন গুলি চালানো হয়েছিল, তার কারণ এখনও জানা যায়নি।

    মার্চের কথায়, মাঠে হঠাৎই ঝামেলা শুরু হয়। এর পরপরই গুলি চলে। লোকজন দৌড়ে পালাতে শুরু করেন।

    আয়োজকদের একজন জো জনসন জানান, পার্টি শেষ হওয়ার মাত্র ৩০ মিনিট আগে গুলি শুরু হয়। তিনি বলেন, গুলির শব্দ অনেকটা মেশিনগানের মতো শোনাচ্ছিল। জনসন আরও জানান, সেদিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলেও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে অভিযুক্তরা কীভাবে প্রবেশ করে তা নিয়ে তদন্ত চলছে ।

    এ ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে চলমান বন্দুক সহিংসতার ধারাবাহিকতার একটি অংশ। যুক্তরাষ্ট্রে এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় সপ্তাহে হোমকামিং পার্টিতে গুলির ঘটনা ঘটলো। কয়েকদিন আগেই টেনেসির ন্যাশভিলে একটি হোমকামিং অনুষ্ঠানের পর বন্দুক হামলায় একজন নিহত এবং নয়জন আহত হয়েছিলেন। চলতি বছর এ পর্যন্ত দেশটিতে ৪২২টিরও বেশি গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

  • বিমানে বোমা হামলার হুমকির পর এবার দিল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

    বিমানে বোমা হামলার হুমকির পর এবার দিল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

    ভারতের রাজধানী দিল্লির রোহিণীতে সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ) স্কুলের পাশে ভয়াবহ এক বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে স্কুলের দেয়াল, কাছেই পার্ক করে রাখা গাড়ি ও একটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

    রোববার (২০ অক্টোবর) সকাল ৭টা ৪৭ মিনিটে প্রশান্ত বিহারে সিআরপিএফ স্কুলের কাছে এই বিস্ফোরণ ঘটে। খবর পেয়ে ফরেনসিক দল এবং দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেলের অফিসাররা ঘটনাস্থলে যান। তবে এখনও বিস্ফোরণের কারণ চিহ্নিত করতে পারেননি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দার রেকর্ড করা একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে- বিস্ফোরণস্থলের কাছাকাছি স্থান থেকে ধোঁয়া উড়ছে।

    প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, আমি বাড়িতে ছিলাম। তখন একটি বিকট শব্দ শুনি, পরে ধোঁয়ার উড়তে দেখেছি এবং ভিডিও রেকর্ড করেছি, এর বেশি কিছু জানি না। পরে পুলিশের একটি দল এবং একটি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

    সিনিয়র পুলিশ অফিসার অমিত গোয়েল ঘটনার পর জানান, ঠিক কী কারণে বিস্ফোরণ ঘটল, তা তদন্ত করতে বিশেষজ্ঞদের ডাকা হয়েছে। পরবর্তী এক আপডেটে পুলিশ বলেছে, তারা এখনো সন্দেহজনক কিছু পায়নি। তবে তদন্তের অংশ হিসেবে ভূগর্ভস্থ স্যুয়ারেজ লাইন পরীক্ষা করা হচ্ছে।

    এক বিবৃতিতে পুলিশ জানিয়েছে, রোববার সকাল একটি পিসিআর কল আসে, কলকারী জানান- সিআরপিএফ স্কুল সেক্টর ১৪ রোহিণীর কাছে প্রচণ্ড শব্দে একটি বিস্ফোরণ ঘটেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখে স্কুলের দেয়াল, পার্শ্ববর্তী একটি দোকান এবং পার্ক করে রাখা গাড়ির কাচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    পুলিশের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ক্রাইম টিম, এফএসএল টিম এবং বোমা নিষ্ক্রিয়কারী স্কোয়াডকে ঘটনাস্থলে ডাকা হয়েছে। পাশাপাশি ক্রাইম স্পটটি ঘিরে রাখা হয়েছে। এছাড়া ফায়ার ব্রিগেডের দলও ঘটনাস্থলে রয়েছে। বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

    বিস্ফোরণের বিষয়টি ইতোমধ্যে দেশটির ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডকে জানানো হয়েছে। তাদের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে পারে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। পুলিশের এক সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি বলছে, বিস্ফোরণের পিছনে একটি অপরিশোধিত বোমা থাকতে পারে। তবে আসল কারণ জানতে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির একটি দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে।

    প্রসঙ্গত, গত এক সপ্তাহ ধরেই অর্ধশতাধিক আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ফ্লাইটে বোমা হামলার হুমকি পেয়েছে ভারতের ইয়ারলাইনগুলো। যদিও সেসব কলের পর বিমানে অনুসন্ধান করে সন্দেহজনক কিছু মেলেনি। এসব কলের কারণে ফ্লাইট বিলম্বিত হওয়ার পাশাপাশি আকাশপথের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে দেশটির বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু বলেছেন, প্রাথমিক তদন্তে কোনো ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

  • হামাসের নতুন প্রধান খালেদ মেশাল

    হামাসের নতুন প্রধান খালেদ মেশাল

    ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় নিহত হয়েছেন। সিনওয়ার ২০১৭ সাল থেকে গাজায় এই সংগঠনটির পলিটিক্যাল প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের তথ্য মতে, গত ৭ অক্টোবরের হামলার মাস্টারমাইন্ড তথা মূল পরিকল্পনাকারী তিনিই ছিলেন।

    বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) লেবাননের এলবিসিআই নিউজ ওয়েবসাইট সূত্রের বরাত দিয়ে তাস নিউজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    সিনওয়ারের উত্তরসূরী হিসেবে খালেদ মেশালকে মনোনীত করেছে হামাস।

    সূত্রের বরাত দিয়ে লেবাননের এলবিসিআই নিউজ ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, হামাসের নতুন প্রধান হচ্ছেন খালেদ মেশাল।

    সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, খালেদ মেশাল হামাসের ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি এখন ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তির বিষয়ে আলোচনায় জড়িত মূল দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

    সূত্রগুলো বলছে, ইয়াহিয়া সিনওয়ারের নিহতের বিষয়টি ইতোমধ্যে হামাসের নেতৃত্ব তুরস্ক, কাতার এবং মিশরের কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, সিনওয়ারের মৃত্যুর পর বন্দি বিনিময় এবং যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে আলোচনা ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠবে।

    তবে ইয়াহিয়া সিনওয়ার হামলায় নিহত হয়েছেন বলে ইসরাইল যে দাবি করেছে- তা নিয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি হামাস।

  • ট্রাম্পের প্রচারে ৭৫ মিলিয়ন ডলার দিলেন ইলন মাস্ক

    ট্রাম্পের প্রচারে ৭৫ মিলিয়ন ডলার দিলেন ইলন মাস্ক

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফের হোয়াইট হাউসে ফিরিয়ে আনতে উঠেপড়ে লেগেছেন স্পেসএক্স মালিক বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। এরইমধ্যে ট্রাম্পের জন্য গঠিত একটি নির্বাচনি প্রচার ক্যাম্পে ৭৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছেন তিনি।

    মঙ্গলবার ফেডারেল ডিসক্লোজারে মাস্কের এই ব্যয়ের কথা প্রকাশিত হয়েছে। এই ব্যয়ের মধ্যে দিয়ে ইলন মাস্ক রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পের একজন বড় তহবিল দাতা হিসেবে উঠে এসেছেন। খবর এএফপির।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আগামী ৫ নভেম্বর। রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্রেট প্রার্থী কমলা হ্যারিসের এই নির্বাচনি লড়াই এরইমধ্যে জমে উঠেছে। তবে তাতে ট্রাম্পের পক্ষ নিয়ে মার্কিন নির্বাচনে বিশাল প্রভাব বিস্তার করছেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক।

    মাস্ক গত জুলাইয়ে ট্রাম্পকে সমর্থনের কথা জানান এবং নিজেই একটি প্রচারশিবির গড়ে তোলেন। গ্রুপটি আমেরিকা পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি বা পিএসি নামে পরিচিত। জানা গেছে, মাস্ক এরইমধ্যে ওই প্রচার শিবিরের তহবিলে ৭৫ মিলিয়ন ডলার দিয়েছেন।

    মাস্কের দেওয়া এই বিপুল অর্থ মূলত সুইংস্টেট খ্যাত পেনসিলভানিয়া, মিশিগান, নর্থ ক্যারোলিনা, উইসকনসিন, জর্জিয়া, নেভাদা এবং অ্যারিজোনার মতো দৌদুল্যমান রাজ্যগুলোতে ভোটার ভোটারদের সংগঠিত এবং তাদের ট্রাম্পের পক্ষে টানার প্রচারে বিনিয়োগ করা হয়েছে।

    মাস্ক নিজেও এরইমধ্যে ট্রাম্পের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারে নেমেছেন। তিনি অক্টোবরের প্রথম দিকে পেনসিলভানিয়ার বাটলারে একটি নির্বাচনি মঞ্চে ট্রাম্পের জন্য ভোট চান মাস্ক। এ সময় ট্রাম্পের স্লোগান ‘মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ লেখা ক্যাপ জনতাকে দেখান মাস্ক।

    ক্যাপের দিকে ইঙ্গিত করে মাস্ক বলেছিলেন, আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, আমি শুধু মাগা (মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন) নই, আমি একজন অন্ধভক্ত মাগা।

    বাটলারের সমাবেশে বক্তৃতায় মাস্ক বলেন, ডেমোক্র্যাটরা আপনার বাক স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চায়, তারা আপনার অস্ত্র বহনের অধিকার কেড়ে নিতে চায়, তারা কার্যকরভাবে আপনার ভোটের অধিকার কেড়ে নিতে চায়।