Category: আন্তর্জাতিক

  • বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক ভার্চুয়াল সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক ভার্চুয়াল সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতির ওপর করোনাভাইরাসের প্রভাব মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার বিষয়ক এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট বর্জ ব্র্যান্ডের স্বাগত ভাষণের মধ্য দিয়ে সম্মেলন শুরু হবে।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানিয়েছেন সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ডা. পুনম খেত্রপাল সিং COVID-19 পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ ব্রিফিং দেবেন।

    এছাড়া বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক প্রধান আরনাউড বার্নার্ট তাদের সংস্থার স্বাস্থ্যসেবা শাখার দিক থেকে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরবেন।

    পরে সঞ্চালক অংশগ্রহণকারীদের মতামত দেয়ার আহ্বান জানাবেন। এতে অংশ নেবেন রিজিয়নাল অ্যাকশন গ্রুপ ফর সাউথ এশিয়ার সদস্যরা।

    এরপর বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের পক্ষ থেকে সারসংক্ষেপ ও পরবর্তী পদক্ষেপ তুলে ধরার মাধ্যমে সম্মেলনের সমাপ্তি হবে।

  • দেশে করোনায় আক্রান্তে এগিয়ে ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা, সর্বনিম্নে শিশু-বৃদ্ধ

    দেশে করোনায় আক্রান্তে এগিয়ে ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা, সর্বনিম্নে শিশু-বৃদ্ধ

    প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে সারাবিশ্ব এখন মূলত লকডাউন; আরো স্পষ্ট করে বললে বাধ্যতামূলকভাবে ঘরবন্দী। টানা প্রায় চারমাস ধরে এই ভাইরাস সারাবিশ্বকে তটস্থ রাখলেও এখনো এর প্রতিষেধক বা ওষুধ আবিষ্কার করতে পারেনি কোনো দেশই। আর এই পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাস মহামারীতে বাংলাদেশে প্রতিদিনই আরো জটিল হচ্ছে।

    সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইডিসিআর) দেয়া তথ্য অনুযায়ী বুধবার পর্যন্ত সারাদেশে সর্বমোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা তিন হাজার ৭৭২ জন। এদিকে দেশে সম্প্রতি করোনা আক্রান্ত রোগীর বিভিন্ন পরিসংখ্যান তালিকা আকারে প্রকাশ করেছে আইইডিসিআর।

    সেখানে দেখা যাচ্ছে- সারাদেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে নারীর তুলনায় পুরুষ রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। আর এ রোগে সবথেকে বেশি আক্রান্ত হয়েছে যুবক বা যুবতীরা অর্থাৎ ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী রোগীর সংখ্যাই বেশি। আইইডিসিআরের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে করোনা আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৬৮ শতাংশই পুরুষ। আর আক্রান্ত নারী রোগী মাত্র ৩২ শতাংশ।

    এদিকে বয়সের ভিত্তিতে করা তালিকায় দেখা যায়- দেশে ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীরাই সর্বোচ্চ সংখ্যায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের প্রায় ২৪ শতাংশই এই বয়সী মানুষ। এরপর কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্তের সংখ্যায় রয়েছে মধ্যবয়স্করা। ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী মধ্যবয়স্ক মানুষের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার হার ২২ শতাংশ।

    এরপর ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ শতাংশ, ৫১ থেকে ৬০ বছরের রোগীর হার ১৫ শতাংশ। তবে বয়স্ক আর শিশুদের মধ্যে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক কম। ৬০ উর্ধ্ব করোনা আক্রান্ত রোগীর হার ১০ শতাংশ ও ১১ থেকে ২০ বছরের কিশোর-কিশোরীদের আক্রান্তের হার মাত্র আট শতাংশ।

    এদিকে পরিসংখ্যান বলছে, করোনাভাইরাস নামে এই প্রাণঘাতী রোগটি শিশুদের উপর এখনো চড়াও হতে পারেনি। ১০ বছরের নিচে আক্রান্ত শিশু রোগীর সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে। বাংলাদেশে শিশু আক্রান্তের হার মাত্র তিন শতাংশ। তবে ৬০ উর্ধ্বদের মধ্যে এই রোগে মৃত্যুর হার বেশি দেখা যাচ্ছে।

    বাংলাদেশে গত ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম এক ব্যক্তি মারা যায়। ওই ব্যক্তির বয়স ছিল ৭০ বছর। এরপর থেকে ৬০ উর্ধ্ব বয়স্কদের মৃত্যুর বিষয়টি বেশি জানা যায়। এছাড়াও যাদের কিডনি, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসহ, হৃদ রোগের জটিলতা রয়েছে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর হার তাদের বেশি রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। বর্তমানে দেশে লোকাল ট্রান্সমিশন হওয়ায় বিদেশফেরত ছাড়াও এখন প্রায় সকল স্তরের মানুষের মাঝে করোনায় সংক্রমণ হচ্ছে।

  • করোনার উৎপত্তির তথ্য জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    করোনার উৎপত্তির তথ্য জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    চীনের শিল্পসমৃদ্ধ নগরী উহান থেকে যখন করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে, তখনই এর উৎপত্তি স্থল নিয়ে গোটা বিশ্বে নানা বিতর্ক ওঠে।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ পশ্চিমা দেশগুলোর সরকার ও গণমাধ্যমগুলো দাবি করে- প্রথম ধরা পড়া চীনের উহান থেকেই ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস।

    কেউ দাবি করে- চীনের ল্যাব থেকে ছড়িয়েছে; আবার চীন দাবি করছে- মার্কিন সেনারা করোনাভাইরাস ছড়িয়েছেন। খবর ইয়াহু নিউজের।

    অবশেষে এসব বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) মঙ্গলবার নিশ্চিত করেছে, আসলে প্রাণঘাতী এই করোনাভাইরাস কোত্থেকে ছড়িয়েছে।

    জাতিসংঘের এই বিশেষ সংস্থা জানিয়েছে, তাদের হাতে আসা সব প্রমাণাদি বিশ্লেষণ করে তারা জানতে পেরেছে, জৈব গবেষণাগায় নয়, বাদুড় থেকেই এর উৎপত্তি হয়েছে।

    সংস্থাটির এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।

    তিনি বলেন, চীনের মধ্যাঞ্চলের হুবেইপ্রদেশে দেশটির সরকারি গবেষণাগার থেকে এই ভাইরাসের উৎপত্তি কিনা তা খতিয়ে দেখছে তার প্রশাসন। তবে অনেকে তার এমন দাবিকে চীনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিসেবে অভিহিত করেছেন।

    তার এই বক্তব্যের এক সপ্তাহ পর মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখপাত্র ফেডেলা শায়েব সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি বলেন, প্রাপ্ত সব প্রমাণাদি অনুযায়ী ভাইরাসটি প্রাণী থেকেই মানুষে ছড়িয়েছে।

    এটি কোনো গবেষণাগারে তৈরি কিংবা সেখান থেকে ছড়িয়ে দেয়া হয়নি। সম্ভবত এই ভাইরাস বাদুড় থেকেই বিস্তার লাভ করেছে।

    তবে প্রাণী থেকে কীভাবে এই প্রাণঘাতী ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়িয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

  • যুক্তরাষ্ট্রের রাস্তায় করোনা সচেতনতা আনতে বিলবোর্ডে মহানবী (সাঃ) এর বাণী

    যুক্তরাষ্ট্রের রাস্তায় করোনা সচেতনতা আনতে বিলবোর্ডে মহানবী (সাঃ) এর বাণী

    এখনো পর্যন্ত কার্যকরী কোন চিকিৎসা না থাকায়, বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাব ঠেকানোর একমাত্রই কোয়ারেন্টাইন (জনবিচ্ছিন্ন) হয়ে ঘরে বন্দি হয়ে থাকা, এমনটাই পরামর্শ দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিশেষেজ্ঞরা। করোনার দাপটে তটস্থ যখন গোটা পৃথিবী, তখন এর দৈরাত্ম্য কমাতে এর কোনো বিকল্প নেই । কিন্তু মহামারিতে এই কোয়ারেন্টাইনের ধারণা সর্বপ্রথম যিনি দিয়েছিলেন তিনি হলেন মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)।

    কয়েকদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে অবস্থিত রাইস ইউনিভার্সিটির গবেষক এবং আন্তর্জাতিক বক্তা ড. ক্রেইগ কন্সিডাইন তার লেখায় এমনটি উল্লেখ করেছেন।

     

     

    এবার শিকাগোর ওহারে বিমানবন্দরের সন্নিকটে এক বিলবোর্ডে করোনা ভাইরাস নিয়ে সচেনতা আনতে ইসলাম ধর্মের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর বাণী শোভা পাচ্ছে । বিলবোর্ডে বিশ্বনবীর বাণী ব্যবহার করে প্রচারণা অনেকের নজর কেড়েছে। এমন কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

     

    বিলবোর্ডে হাদীসের বরাত দিয়ে লেখা হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ’সংক্রামক রোগের সময় তোমরা বারবার হাত ধোও, সংক্রামিত এলাকায় প্রবেশ করো না এবং সংক্রামিত এলাকা থেকে বাইরে যেও না।’

     

    বিলবোর্ডটির উদ্যোক্তা গেইনপিস নামক একটি সংগঠন। গেইনপিস যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় ভিত্তিক একটি অলাভজনক ইসলামী সংস্থা। ২০০৮ সালে সংস্থাটি যাত্রা শুরু করে।

     

    গেইনপিসের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ জনগণের মধ্যে সঠিক ইসলামী জ্ঞাণ বিতরণ করা। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ইসলাম ফোবিয়া বা ইসলাম ভীতি দূর করা। যেন তারা সঠিক ইসলামী মূল্যবোধ সম্পর্কে জানতে পারে।

     

    এই লক্ষ্যে গেইনপিস দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। ২০১৯ সালে তারা শিকাগোসহ যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি বড় শহরে ইসলাম প্রচারে এমন বিলবোর্ড স্থাপন করেছিল। তাদের একটি হট লাইন নাম্বার আছে। এই নাম্বারে ফোন করে যে কেউ বিনা খরচে ইসলামের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে পারে। এছাড়া কেউ যদি ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তবে নব মুসলিমদের যাবতীয় দায়িত্ব গেইনপিস থেকে নেওয়া হয়।

     

    বর্তমানে সংগঠনটির পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন ডাক্তার সাবিল আহমেদ। গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইসলাম একটি সুন্দর ও বাস্তবসম্মত জীবন ব্যবস্থা। তবে বর্তমানে কিছু বিপথগামী লোকের দ্বারা ইসলামের ভুল বাণী ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে এই ভুল বার্তায় পশ্চিমা বিশ্বে ইসলাম ফোবিয়া বাড়ছে। আমাদের কাজ গণমাধ্যমের নানা উপকরণ ব্যবহার করে সঠিক ইসলামের বাণী সবার মাঝে পৌঁছে দেওয়া।

  • বাজারে মোটেও স্বস্তি নেই

    বাজারে মোটেও স্বস্তি নেই

    বাজারে মোটেও স্বস্তি নেই। পবিত্র রমজান মাস শুরুর আগে কেনাকাটা করতে গিয়ে ক্রেতারা দেখছেন, ডাল, পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। অন্যান্য পণ্যের দামও আগে থেকেই বাড়তি।

    বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের এক প্রতিবেদন বলছে, বাজারে অন্তত চারটি পণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এ ছাড়া সব অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দামই বাড়তি। যদিও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব পণ্যের আমদানি মূল্য খুব একটা বাড়েনি। স্থানীয় উৎপাদনও স্বাভাবিক। তা সত্ত্বেও দেশে দাম বাড়ছে বেশি হারে।

    ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদনে পণ্যের উৎপাদন, সর্বশেষ তিন মাসের আমদানি ও আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য বিশ্লেষণ করা হয়। এতে বলা হয়, দাম বাড়ার বড় কারণ সরবরাহ ব্যবস্থার সমস্যা। কৃষকের কাছ থেকে পণ্য ভোক্তার কাছে স্বাভাবিক সময়ের মতো পৌঁছাতে পারছে না। আবার বন্দরেও পণ্য ওঠানো-নামানো বিঘ্নিত হচ্ছে। সংস্থাটি তাদের এ প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দিয়েছে।

    জানতে চাইলে ট্যারিফ কমিশনের সদস্য মোস্তফা আবিদ খান প্রথম আলোকে বলেন, পণ্যের মজুতে কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা হলো বাজারব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করছে না। সাধারণ ছুটির মধ্যেও যাতে পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক থাকে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

    ট্যারিফ কমিশন যে চার পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কথা বলছে, তা হলো মসুর ডাল, পেঁয়াজ, রসুন ও আদা। কমিশনের গত শনিবারের প্রতিবেদনে বলা হয়, এক মাসে মোটা দানার মসুর ডালের দাম ১৯, মাঝারি দানা ১৩ ও সরু দানার দাম ২৮ শতাংশ বেড়েছে। ছোলার দাম বেড়েছে প্রায় ১১ শতাংশ। দেশি পেঁয়াজের দাম ২৯ শতাংশ, দেশি রসুন ৬৪ শতাংশ ও আদার দাম ৮৯ থেকে ৯৬ শতাংশ বেড়েছে।

    বাজারে চালের দাম ব্যাপক চড়া। ভোজ্যতেল ও চিনির দামও বেশি। শুকনা মরিচের কেজি ২২০ টাকায় নেমেছিল। সেটা আবার বেড়ে ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা হয়েছে। দাম কম কেবল সবজি, ডিম ও ব্রয়লার মুরগির। অবশ্য গরুর মাংসের কেজি ৬০০ টাকা। দেশি মুরগির কেজিও ৫৮০ টাকা।

    ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেসব পণ্যের দাম বেশি বেড়েছে, সেগুলোর আমদানিও বেশি হয়েছে। যেমন গত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মসুর ডাল আমদানি হয়েছে ৫৭ হাজার টন। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ২৪ হাজার টন বেশি। ছোলা আমদানি হয়েছে ৫২ হাজার টন, বাড়তি ৮ হাজার টন।

    তিন মাসে মসুর ডালের গড় আমদানি মূল্য টনপ্রতি ১০ শতাংশ বেড়ে ৫৪৬ ডলার হয়েছে। অথচ দেশে বেড়েছে অনেক বেশি হারে।

    জানতে চাইলে চট্টগ্রামের বড় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বিএসএম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল বশর চৌধুরী বলেন, আমদানি বেশ ভালো। কিন্তু অন্যান্য সময়ের চেয়ে চাহিদা কয়েক গুণ বেশি। অন্যান্য দেশেও চাহিদা বেড়েছে। এ কারণে বৈশ্বিক বাজার দর সর্বশেষ অনেক বাড়তি।

    তিন মাসে রসুন আমদানি প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। আগের বছরের ১৩ হাজার টনের জায়গায় এবার আমদানি হয়েছে ২২ হাজার টন। তিন মাসে গড় আমদানি মূল্য টনপ্রতি মাত্র ৩৯ ডলার বেড়ে ১ হাজার ২৪০ ডলার হয়েছে। আদার দাম বাড়েনি। টনপ্রতি গড় আমদানি মূল্য পড়ছে ৮৫৯ ডলার। আমদানি বেড়ে ২৬ হাজার টন থেকে ৩০ হাজার টন হয়েছে। কিন্তু দেশে এসব পণ্যের দাম অনেক বেড়ে গেছে।

    দেশে পেঁয়াজের আমদানি নেই। এখন ভরা মৌসুম। তারপরও এক মাস আগে যে পেঁয়াজের কেজি ৪০ টাকা ছিল, তা এখন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা।

    পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, স্থানীয় পাইকারি বাজার বন্ধ। ঢাকায় পণ্য আসছে কম। এ কারণে সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে।

    এ বিষয়টি উঠে এসেছে ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদনেও। সেখানে লকডাউনের মধ্যেও সীমিত আকারে পাইকারি বাজার চালু রাখা, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের ট্রাকগুলোর মাধ্যমে পণ্য পরিবহন করা, বন্দরে জরুরি পণ্য দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা করা, আমদানি ছাড়পত্র দেওয়া সংস্থাগুলোর কার্যক্রম চালু রাখা, তদারকি জোরদার করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    কমিশনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ যেসব দেশ থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় ও খাদ্যপণ্য আমদানি করে, সেসব দেশের করোনা পরিস্থিতি এখনো ভয়াবহ রূপ নেয়নি। তাই তারা রপ্তানি চালু রেখেছে।

    দেশের বাজার চড়া থাকায় তার মূল ভুক্তভোগী হচ্ছে সীমিত আয়ের মানুষ। চাল, ডাল, তেল, চিনি, পেঁয়াজ ও রসুন ছাড়া কোনো সংসারই চলে না। এসব পণ্যের দামই বাড়তি। আগামী সপ্তাহে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। এখন ক্রেতারা রোজার কেনাকাটা করছেন।

    জানতে চাইলে ঢাকার কাজীপাড়ার বাসিন্দা শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য নেই। মানুষের আয় কম। এই সময়ে বাজার এত চড়া হলে বাঁচা কঠিন হয়ে যায়। তিনি বলেন, সবাই সরকারের সহায়তা পায় না। আবার হাতও পাততে পারে না।

  • গত দুই দিনে চীনে করোনায় কেউ মারা যায়নি

    গত দুই দিনে চীনে করোনায় কেউ মারা যায়নি

    গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম করোনার প্রকোপ দেখা দেয়। এরপর থেকেই উহানে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকে। কয়েক মাসেই করোনা মহামারি পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

    চীনে করোনায় আক্রান্ত ও মারা যাওয়াদের মধ্যে বেশিরভাগই উহানের নাগরিক। তবে গত কয়েক মাসের প্রচেষ্টায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি চীনের। তারা এই বিপর্যয় অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছে।

    অন্যান্য দেশে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকলেও চীনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমতে শুরু করায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। এরই মধ্যে উহান থেকে লকডাউন তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে উহানে আটকা পড়া হাজার হাজার মানুষ বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে।

    এদিকে, সবচেয়ে বড় সুখবর হচ্ছে গত দুদিনে চীনের কোথাও করোনায় আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। নতুন করে করোনায় আক্রান্তের ঘটনা ঘটলেও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

    চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশন জানিয়েছে, রোববার নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়নি। আগের দিনও করোনায় নতুন করে কারো মৃত্যু হয়নি।

    তবে রোববার নতুন করে ১২ জন প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে আটজনই বহিরাগত। গত কয়েক সপ্তাহে স্থানীয়দের তুলনায বহিরাগতদের আক্রান্তের হার বেশি।

  • শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা কমাতে ব্যায়াম

    শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা কমাতে ব্যায়াম

    করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এতে জ্বর, শুকনা কাশি, মৃদু থেকে তীব্র শ্বাসকষ্ট হতে পারে। মৃদু সংক্রমণে যেসব রোগী বাসায় বা আইসোলেশনে থাকবেন, তাঁদের নানা রকমের অ্যারোবিক ও ব্রিদিং এক্সারসাইজের (শ্বাস–প্রশ্বাসের ব্যায়াম) মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ফুসফুসকে কর্মক্ষম রাখতে পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    মৃদু সংক্রমণে ব্যায়াম

     

     

    শ্লেষ্মা নিঃসরণে সমস্যা থাকলে এয়ারওয়ে ক্লিয়ারেন্স টেকনিক ও ব্রিদিং এক্সারসাইজ করা যেতে পারে। ব্যায়ামের সময় মুখে মাস্ক পরতে হবে। এ ব্যায়ামে উপুড় হয়ে শুয়ে নাক দিয়ে শ্বাস নিয়ে মুখ দিয়ে বাতাস ছাড়তে হবে। এ ক্ষেত্রে ৪ সেকেন্ড ধরে বাতাস নিতে হবে, শ্বাস ধরে রাখতে হবে ৭ সেকেন্ড এবং বাতাস ছাড়তে হবে ৮ সেকেন্ড ধরে। এ ব্যায়ামে ফুসফুস ও শ্বাসনালিতে বাতাস চলার পথ পরিষ্কার হয়। এ ছাড়া মোবিলাইজেশন, রেসপিরেটরি এক্সারসাইজ, থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ (যেমন পুশআপ) ও রিহ্যাবিলিটেশন কৌশল (যেমন বসা থেকে দাঁড়ানো, হাঁটা, কাঁধ ও পায়ের ব্যায়াম, ঘরেই সাইক্লিং ইত্যাদি) অনুসরণ করা যেতে পারে।

     

    মাঝারি ধরনের শ্বাসতন্ত্রের জটিলতায় ব্যায়াম

     

    বিছানায় দুই পা সোজা রেখে চিত হয়ে আধশোয়া অবস্থায় থাকতে হবে। এরপর শ্বাস–প্রশ্বাসের ব্যায়ামের কৌশলগুলো অনুসরণ করতে হবে। এ ছাড়া কনট্রোলড ব্রিদিং এক্সারসাইজসহ অন্য ব্যায়ামগুলোও করা যাবে। এই পজিশনে খুব সহজে বাতাস ফুসফুসের ভেতর প্রবেশ করতে পারে। এতে রোগীরা সহজেই কাশির মাধ্যমে কফ বের করে দিতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই কাশির শিষ্টাচার মেনে চলতে হবে।

     

    প্রতীকী ছবি।

    প্রতীকী ছবি।

    মডারেট গ্রেড অ্যারোবিক এক্সারসাইজ (ওয়ার্মআপ, হাঁটাহাঁটি, স্কিপিং, জগিং ইত্যাদি) প্রতিদিন ৪০ মিনিট করা হলে শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে। এ ছাড়া মাংসপেশির শক্তি বৃদ্ধি পায়, ফুসফুস ও হৃদ্‌যন্ত্র সুস্থ ও সচল থাকে।

     

    যেকোনো রোগী বিশেষ করে শ্বাসতন্ত্রের জটিলতায় হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন, এমন ব্যক্তিদের জন্য বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি অ্যাসোসিয়েশন (www.bpa-bd.org) বিনা মূল্যে টেলিমেডিসিন কার্যক্রম চালু করেছে। যে কেউ ঘরে বসেই (https://www.facebook.com/ 936284569817648/posts/2742051972574223/) এই সেবা নিতে পারবেন।

  • করোনাভাইরাস রোগ (কোভিড-১৯) নিজেকে এবং পরিবারকে ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত রাখতে যা জানা দরকার

    করোনাভাইরাস রোগ (কোভিড-১৯) নিজেকে এবং পরিবারকে ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত রাখতে যা জানা দরকার

    সকলে করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯ (কোভিড-২০১৯) নিয়ে কথা বলছে এবং সবখানেই এই ভাইরাসের বিষয়ে এবং এর থেকে কিভাবে নিজেকে রক্ষা করা যায় সেবিষয়ে অনেক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। সঠিক তথ্যই আপনাকে এবং আপনার নিকটজনকে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করতে সাহায্য করবে। দুঃখজনক হলেও সত্যি, এ বিষয়ে প্রাপ্ত অনেক তথ্যই সঠিক নয়। যে কোন স্বাস্থ্য বিবর্যয়ের সময় ভুল তথ্যপ্রবাহ মানুষকে অধিক মাত্রায় অরক্ষিত ও নাজুক করে তোলে। এর ফলে রোগ ও এর বিস্তারের বিষয়ে অহেতুক ভীতি ও সামাজিক লাঞ্চনা বেড়ে যায়।

    আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য বস্তুনিষ্ঠ উৎস যেমন ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে সংগ্রহ করুন। সঠিক তথ্য সরবরাহের লক্ষ্যে ইউনিসেফ বিশ্বের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সাথে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। সর্বশেষ বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের উপর ভিত্তি করেই এসব তথ্য দেয়া হচ্ছে। এই ভাইরাসের বিষয়ে কোন নতুন তথ্য, অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রতি নির্দেশ এবং গণমাধ্যমের জন্য অন্যান্য তথ্য যখনই আমাদের হাতে আসবে সাথে সাথেই তা জানিয়ে দেয়া হবে।

    কোভিড-১৯ সম্পর্কে ভুল তথ্যপ্রবাহ রুখতে আপনারা আমাদেরকে সহায়তা করুন। আপনার পরিবার, বন্ধু ও সহকর্মীদের সাথে তথ্যগুলো শেয়ার করুন যাতে তারা কোভিড-১৯ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান লাভ করে এবং নিজের ও অন্যদের সুরক্ষা করতে পারে।

  • রমজানে এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যেসব নিয়ম মেনে চলতে হবে

    রমজানে এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যেসব নিয়ম মেনে চলতে হবে

    সামনেই আসছে রমজান মাস। আর করোনাকালে এই পবিত্র মাসকে ঘিরে কিছু নির্দেশনা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনা মোকাবেলায় এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি দেশ নির্দেশনা জারি করেছে। করোনার ঝুঁকি এড়াতে রমজানকে ঘিরে করণীয় কিছু নিয়ম কানুনের জারি করেছে ডাব্লিউ এইচ ও।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে ধর্মীয় ও সামাজিক জমায়েত বাতিল করার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত। ডাব্লিউএইচওর মতে, জনসমাগমকে সীমাবদ্ধ, সংশোধন, স্থগিতকরণ, বাতিল করা বা এগিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিদ্ধান্ত ঝুঁকি মূল্যায়ন করার পরিস্থিতির উপর বিবেচনা করে নেওয়া উচিত। এ সিদ্ধান্তগুলো করোনা পরবর্তী পরিস্থিতি কি হবে সে হিসেবে নেওয়া উচিত। যদিও ধর্মীয় ও সামাজিক সমাবেশ বাতিল করা হয় সেক্ষেত্রে বিকল্প ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে।

    রমজানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ:

    >মসজিদে নামাজ আদায় করার সময় কমপক্ষে ১ মিটার বা ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

    >কোলাকুলি করা, গায়ের উপর হাত দিয়ে ডাকা, শরীরের উপর হাত রাখা এসব অভ্যাস ত্যাগ করুন।

    > রমজানে দোকানে বা বাজারে একসাথে অনেক মানুষ জমায়েত বন্ধ করুন।

    > অসুস্থ মানুষ এবং করোনার সামান্যতম লক্ষণ আছে তাদের বাসায় থাকতে বলুন সেই সাথে সরকারী নির্দেশনা মেনে চলুন।

    >প্রবীণ এবং অসুস্থদের সমাবেশে অংশ নিতে নিষেধ করুন।

    রমজানে যেকোন প্রকার সমাবেশের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ:

    >বাইরের যেকোন সমাবেশ পরিত্যাগ করতে হবে এবং একান্ত প্রয়োজন হলে বাড়ির ভিতর খোলামেলা জায়গায় ব্যবস্থা করতে হবে।

    >সমাবেশের সময়সীমা যতটা সম্ভব কম করুন।

    >বড় বড় সমাবেশে যোগ দেওয়ার চেয়ে কম অংশগ্রহণকারীদের সাথে ছোট সমাবেশের আয়োজন করুন।

    >দাঁড়িয়ে থাকার সময় , নামাজ পড়ার সময়, ওযু করার সময় এবং জুতা সংরক্ষণের স্থানেও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন।

    > মসজিদে প্রবেশ এবং বের হওয়ার মুহূর্তে সব সময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

    > সমাবেশের মধ্যে যদি কোন অসুস্থ ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা যায় তবে তার ঠিকানায় যোগাযোগ করতে হবে।

    > মসজিদের প্রবেশ দ্বারে এবং ভিতরে হ্যান্ড ওয়াশ ও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানির ব্যবস্থা থাকতে হবে। সেই সাথে অ্যালকোহল সমৃদ্ধ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

    > পর্যাপ্ত পরিমাণে টিস্যু থাকতে হবে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

    > মসজিদে কার্পেটের উপরে ব্যবহারে জন্য ব্যক্তিগত জায়নামাজ ব্যবহারের বিষয়ে সবাইকে উৎসাহিত করতে হবে।

    > কভিড-১৯ সম্পর্কে জনসচেতনমূলক বার্তাগুলোকে ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লেতে দেখাতে হবে।

    > জীবাণুনাশক এবং ডিটারজেন্ট ব্যবহার করে নামাজের আগে পরে মসজিদ পরিষ্কার রাখতে হবে।

    > মসজিদের প্রাঙ্গন, ওযু খানা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সেই সাথে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

    > কিছুক্ষণ পর পর দরজা,লাইটের সুইচ, সিড়ির রেলিং পরিষ্কার করতে হবে।

  • বাংলাদেশে থার্ড পার্টি ফ্যাক্ট-চেকিং শুরু করল ফেসবুক

    বাংলাদেশে থার্ড পার্টি ফ্যাক্ট-চেকিং শুরু করল ফেসবুক

    ফেসবুকে ভুয়া তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে থার্ড পার্টি ফ্যাক্ট-চেকিং কর্মসূচি চালু করার ঘোষণা দিয়েছে। পয়েন্টার ইনস্টিটিউটের নিরপেক্ষ অঙ্গসংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাক্ট চেকিং নেটওয়ার্ক (আইএফসিএন) অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান বিওওএম (বুম)-এর সঙ্গে অংশীদার হয়ে ফেসবুক ফ্যাক্ট-চেকিং করবে। আজ রোববার ফেসবুকের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

     

    ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজ থেকে বুম বাংলাদেশের ফেসবুক কমিউনিটিতে বিদ্যমান ছবি ও ভিডিওসহ ফেসবুক স্টোরিগুলোর যথার্থতা পর্যালোচনা করবে এবং সঠিক কিনা তার রেটিং দেবে।

     

     

    যখন থার্ড পার্টি ফ্যাক্ট-চেকাররা কোনো পোস্টকে অসত্য বা ভুয়া হিসেবে রেটিং দেবে তখন সেটি নিউজ ফিডে কম বা একেবারে নিচের দিকে প্রদর্শিত হবে। এতে পোস্টটির ছড়িয়ে পড়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।

     

    ফেসবুক বুমের সঙ্গে ভারত এবং মিয়ানমারের মতো অন্যান্য দেশেও কাজ করছে।

     

    ফেসবুকের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের নিউজ পার্টনারশিপ পরিচালক অঞ্জলি কাপুর বলেন, ‘ফেসবুক ব্যবহারকারীরা সঠিক তথ্য পেতে চায়। সে জন্য আমরা বাংলাদেশে বুমের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমাদের থার্ড পার্টি ফ্যাক্ট চেকিং প্রোগ্রাম শুরু করছি। এর সাহায্যে আমরা আরও সচেতন জনগোষ্ঠী তৈরি করতে এবং স্থানীয়ভাবে আরও সম্প্রসারণ করতে পারব।’

     

    থার্ড পার্টি ফ্যাক্ট-চেকাররা যখন কোনো পোস্ট নিয়ে লেখেন, ফেসবুকের নিউজ ফিডে সে পোস্টের ঠিক নিচে রিলেটেড আর্টিকেলস অংশে সেটি দেখায়। ফেসবুকের বিদ্যমান পেজগুলোর অ্যাডমিন বা কোনো সদস্যও যদি কোনো অসত্য তথ্য পোস্ট করার চেষ্টা করেন তাদের কাছে নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে। এর ফলে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা কী ধরনের পোস্ট পড়বেন, কোন তথ্যটি বিশ্বাস করবেন আর কী শেয়ার করবেন তা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

     

    ফেসবুকের ফ্যাক্ট চেকিং কর্মসূচি ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয়। বর্তমানে ৫০ টির বেশি ভাষায় ফ্যাক্ট চেক করা হচ্ছে।