Category: আন্তর্জাতিক

  • চিকিৎসকের হেলায় স্ত্রীর মৃত্যু, ৪৬ লাখ টাকা পেলেন আমিরাত প্রবাসী

    চিকিৎসকের হেলায় স্ত্রীর মৃত্যু, ৪৬ লাখ টাকা পেলেন আমিরাত প্রবাসী

    চিকিৎসকের অবহেলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি হাসপাতালে স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রায় ৪৬ লাখ টাকা (৩৯লাখ রূপি) ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন এক প্রবাসী। হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে মামলা করেছিলেন ভারতীয় ওই প্রবাসী। শারজাহর একটি আদালত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ওই ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, শারজাহভিত্তিক ডা. সানি মেডিক্যাল সেন্টার ও এই হাসপাতালের চিকিৎসক দর্শন প্রভাত রাজারাম পি নারায়নকে এই ক্ষতিপূরণ শিগগিরই ওই প্রবাসীকে বুঝিয়ে দিতে বলেছেন। ৩২ বছর বয়সী ভারতীয় ওই প্রবাসীর নামজোসেফ আব্রাহাম।

    গালফ নিউজ বলছে, ক্ষতিপূরণের অর্থ আব্রাহাম এবং তার দুই সন্তানের মাঝে ভাগ করে দিতে বলেছেন শারজাহর আদালত। আব্রাহাম তার স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় ১০ লাখ দিরহাম ক্ষতিপূরণ চেয়ে আদালতের কাছে মামলা দায়ের করেছিলেন।

    ভারতের কেরালার কোল্লাম জেলার বাসিন্দা ব্লেসি টম শারজাহ ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৫ সালের নভেম্বরে ব্লেসি টম স্তন সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে সানি মেডিক্যাল সেন্টারে ভর্তি হয়েছিলেন।

    ওই সময় কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই হাসপাতালের চিকিৎসক দর্শন প্রভাত রাজারাম পি নারায়ন তাকে (ব্লেসি) অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেক্শন দেন। এই ইনজেকশনের প্রতিক্রিয়ায় দুই সন্তানের মা এই নারী সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন।

    পরে শারজাহর আল কাশিমি হাসপাতালে তাকে দ্রুত ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মারা যান তিনি। হাসপাতালের ডেথ সার্টিফিকেটে বলা হয়, অ্যানাফিল্যাকটিক শকের কারণে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন ব্লেসি।

    তার মৃত্যুর পর চিকিৎসক নারায়ন দ্রুত আরব আমিরাত থেকে পালিয়ে যান। গত ১৭ জুন শারজাহ আদালত ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগের সত্যতা পায়। পরে নিহত ব্লেসির পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন আদালত।

  • স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে কুকুরকে খাওয়ালেন স্ত্রী

    স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে কুকুরকে খাওয়ালেন স্ত্রী

    বছরের পর বছর ধরে স্ত্রীকে নিপীড়ন করে আসছিলেন স্বামী। দীর্ঘদিনের এই নিপীড়ন সহ্য করতে না পেরে স্বামীকে শিরশ্ছেদ করে হত্যা করেছেন স্ত্রী। শুধু তাই নয়, স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে কুকুরকে খাইয়েছেন তিনি।

    রোমহর্ষক এ ঘটনা ঘটে ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলের ওবারিভ গ্রামে। ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেইল বলছে স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে কুপিয়ে শিরশ্ছেদের পর তার পুরুষাঙ্গ কেটে পোষা কুকুরকে খাইয়েছেন মারিয়া নামের এক নারী।

    ৪৮ বছর বয়সী ওই নারী পুলিশকে বলেছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক সহিংসতা সহ্য করে এসেছেন। নির্যাতনের অবসানের জন্য স্বামীকে খুন করেছেন তিনি। নির্যাতন থেকে রক্ষা পাওয়ার একমাত্র উপায় ছিল স্বামীকে হত্যা করা।

    ইউক্রেনের পুলিশ বলছে, মারিয়ার স্বামীর নাম ওলেকসান্দার (৪৯)। গত ২৩ আগস্ট রাতের ডিউটি পালন শেষে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। স্বামী যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন সেই সময় শূন্য হাতে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন মারিয়া। পরে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে স্বামীর শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করেন।

    এ ঘটনার পর রান্নাঘরে থেকে ছুরি এনে ওলেকসান্দার পুরুষাঙ্গ কেটে পোষা কুকুরকে খেতে দেন। তদন্ত কর্মকর্তারা বলেন, পরে ওই নারী তার স্বামীর মরদেহ টুকরো টুকরো করার চেষ্টা করেন; কিন্তু ব্যর্থ হন।

    স্বামীকে হত্যার পর রক্তাক্ত শরীরে বাড়ির বাইরের রাস্তায় বেরিয়ে আসেন মারিয়া। এ সময় নাদেজদা ওপানাসিক নামে এক প্রতিবেশী তাকে রক্তাক্ত দেখতে পান। স্থানীয় গণমাধ্যমকে ওপানাসিক বলেন, ‘মারিয়ার হাত, পা এবং কাপড়ে রক্ত লেগে ছিল। তিনি আমাকে বলেন, আমি সমস্যায় পড়েছি। আমার স্বামীকে খুন করেছি।’

    ওপানাসিক বলেন, ‘আমি মারিয়ার কথা বিশ্বাস করতে পারিনি। আমি মনে করেছিলাম, সম্ভবত স্বামীর সঙ্গে তার ঝগড়া হয়েছে এবং স্বামীকে মারপিট করেছে। মারিয়ার স্বামী ওলেকসান্দার কোনো মেডিকেল সহায়তা দরকার কিনা সেটি দেখার জন্য আমি তাদের বাড়ি যাই।’

    ‘আমি ঘরে ঢুকে তার খণ্ডিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি। বিছানার চাদরে রক্তের দাগ। আমি তার কাছে জানতে চাই, ওলেকসান্দার মাথা কোথায়? মারিয়া জানায়, বস্তার ভেতর।’

    প্রতিবেশী এই নারী বলেন, তিনি ওই সময় অসুস্থবোধ করেন। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে অন্য প্রতিবেশীদের ডেকে এ ঘটনার কথা জানান। পরে অন্য প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেন। ঘটনাস্থল থেকে মারিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে পুলিশের কাছে দেয়া জবানবন্দিতে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে স্বামীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন এই নারী।

    প্রতিবেশীরা বলেছেন, প্রায়ই মারিয়াকে তার স্বামী মারধর করতেন। অনেক সময় স্ত্রীকে হত্যা করার জন্য কুড়াল নিয়ে তাড়া করতেন ওলেকসান্দার।

    ইউক্রেন পুলিশের মুখপাত্র ভাদিম আর্তিখোভিচ বলেন, সন্দেহভাজন নারী ঘটনাস্থলেই তার স্বামীকে হত্যা কথা স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি পুলিশি জিম্মায়। এ ঘটনায় তদন্ত চলমান। দোষী সাব্যস্ত হলে মারিয়াকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

  • প্রেমের অপরাধে মারধরের পর তরুণীকে অর্ধনগ্ন করে গ্রাম ঘোরালেন মোড়ল

    প্রেমের অপরাধে মারধরের পর তরুণীকে অর্ধনগ্ন করে গ্রাম ঘোরালেন মোড়ল

    অন্য সম্প্রদায়ের এক তরুণের সঙ্গে প্রেম করার ‘অপরাধে’ আদিবাসী এক তরুণীকে বেধড়ক মারপিটের পর অর্ধনগ্ন করে গ্রামে ঘুরিয়েছেন স্থানীয় জনগণ। অর্ধনগ্ন করে গ্রামে ঘোরানোর সাজায় সায় ছিল ওই তরুণীর পরিবারেরও। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

    ভারতের মধ্যপ্রদেশের আলিরাজপুর জেলার তেমাচি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। দেশটির একটি দৈনিক বলছে, তেমাচির ভিলালা সম্প্রদায়ের ১৯ বছর বয়সী ওই তরুণীর সঙ্গে ভিল সম্প্রদায়ের এক তরুণের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। দু’জনের এই প্রেমের কথা জানাজানি হয়ে যায় গ্রামবাসীদের মাঝে।

    পরে গ্রামের মোড়লরা সালিশি বৈঠক ডাকেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় ওই তরুণীকে লাঠি দিয়ে মারধর করার। পরে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাকে অর্ধনগ্ন করে পুরো গ্রামে ঘোরানো হয়।

    ভিডিওতে দেখা যায়, মোড়লদের কাছে প্রাণভিক্ষা চাইছেন ওই তরুণী। কিন্তু তার কান্না শুনে কেউই এগিয়ে আসেননি। এমননি তাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারপিট করা হয়।

    মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি। আলিরাজপুর জেলার জোবাট পুলিশের সাব ডিভিশনাল অফিসার আর সি ভাকর বলেছেন, তরুণীকে মারধরের ঘটনার কথা আমাদের কানে এসেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ওই তরুণী কিংবা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছে।

    পুলিশের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, ঘটনা তদন্ত করতে পুলিশ গ্রামে গিয়েছিল। কিন্তু ঘটনার পর থেকে তরুণী ও তার বাবা গ্রাম ছেড়ে চলে গিয়েছেন। যে কারণে ওই তরুণীর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

  • বিড়াল নিয়ে ঝগড়া: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি খুন

    বিড়াল নিয়ে ঝগড়া: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি খুন

    অনলাইন ডেস্ক :

    বিড়াল নিয়ে ঝগড়ায় মালয়েশিয়ায় ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকের ছুরিকাঘাতে এক বাংলাদেশি খুন হয়েছেন। ৪ সেপ্টেম্বর রাতে বিড়ালের পানপাত্রে থাকা পানি ছুড়ে মারাকে কেন্দ্র করে পেটালিং জায়ায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। নিহত বাংলাদেশির নাম মো. আতাস আলী।

    পেটালিং জায়ার পুলিশ প্রধান এসিপি মোহাম্মদ জানি চে দিন জানিয়েছেন, নিহত আতাস আলির ১২টি পোষা বিড়াল ছিল। বুধবার রাতে বিড়ালগুলোকে খাবার দেওয়ার সময় ভুল করে পানপাত্রের পানি এক ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকের গায়ে ছুড়ে মারেন আতাস। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ইন্দোনেশিয়ান ছুরি নিয়ে হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন আতাস।

    পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও জানান, হামলাকারী হারিদিয়ান্তো ও তার মা ওই ভবনেই থাকতেন। ঘটনার পরপর তারা দু’জনই পালিয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহত আতাস আলির বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

  • বন্দুক ধরে রোহিঙ্গাদের বিদেশি পরিচয়পত্র নিতে বাধ্য করছে মিয়ানমার

    বন্দুক ধরে রোহিঙ্গাদের বিদেশি পরিচয়পত্র নিতে বাধ্য করছে মিয়ানমার

    বন্দুকের নলের মুখে রাখাইনের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ‘বিদেশি’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করে এক ধরনের পরিচয়পত্র নিতে বাধ্য করছে মিয়ানমার সরকার। এর মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের সেদেশের নাগরিক হওয়ার সুযোগ কেড়ে নেয়া হচ্ছে বলে মঙ্গলবার অভিযোগ করেছে আন্তর্জাতিক একটি মানবাধিকার সংস্থা।

    মঙ্গলবার মানবাধিকার সংস্থা ফর্টিফাই রাইটসের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের আচরণের জন্য ইতোমধ্যে বৈশ্বিক নিন্দার মুখে পড়েছে মিয়ানমার। ন্যাশনাল ভ্যারিফিকেশন কার্ডস (এনভিসি) নামের পরিচয়পত্র রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক নিতে বাধ্য করার অভিযোগ সম্বলিত ফর্টিফাই রাইটস গ্রুপের এই প্রতিবেদন মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সেই আচরণ নিয়ে আরো উদ্বেগ বাড়াবে।

    ফর্টিফাই রাইটসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাথিউ স্মিথ বলেন, ‘কার্যকরভাবে মৌলিক অধিকার ছিনিয়ে নেয়ার একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে মিয়ানমার সরকার।’

    আন্তর্জাতিক এই মানবাধিকার সংস্থা বলছে, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের এনভিসি নিতে বাধ্য করছে; এই পরিচয়পত্র কার্যকরভাবে তাদের ‘বিদেশি’ হিসেবে শনাক্ত করেছে।

    ফর্টিফাই রাইটস বলছে, ‘মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ রোহিঙ্গাদের নির্যাতন করেছে এবং এনভিসি প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের জন্য রোহিঙ্গাদের অবাধ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।’

    বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমার সরকার অধিকাংশ রোহিঙ্গাকে নাগরিকত্ব দিতে অস্বীকার করে এবং প্রতিবেশি বাংলাদেশ থেকে সেদেশে পালিয়ে যাওয়া অবৈধ অভিবাসী মনে করে রোহিঙ্গাদের। যদিও অনেক রোহিঙ্গা বলেছেন, কয়েক প্রজন্ম ধরে মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলের রাখাইন প্রদেশে বসবাস করে আসছেন তারা।

    দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ওপর বিদ্রোহীদের হামলার পর ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কাঠামোগত অভিযান পরিচালনা করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। রক্তাক্ত এই অভিযানের মুখে সাত লাখ ৩০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসায় আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়ের সমালোচনায় পড়ে মিয়ানমার সরকার।

    তবে বন্দুকের নলের মুখে বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত করে রোহিঙ্গাদের পরিচয়পত্র দেয়ার ব্যাপারে মন্তব্য পাওয়া যায়নি মিয়ানমারের। দেশটির সরকারের মুখপাত্র জ্য হতেইর সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করতে পারেনি রয়টার্স।

    নির্যাতন কিংবা বন্দুকের নলের মুখে রোহিঙ্গাদের এনভিসি নিতে বাধ্য করার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুন তুন নি। তিনি বলেছেন, ‘এটা সত্য নয় এবং এ বিষয়ে আমার আর কিছুই বলার নেই।

    রয়টার্স বলছে, নতুন এই ইস্যু বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলতে পারে। রোহিঙ্গাদের অনেকেই বলেছেন, তারা নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এবং নাগরিকত্ব নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারে ফিরে যাবেন না।

    গত বছর জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের সদস্যরা রাখাইনে তদন্ত চালানোর পর জানায়, ২০১৭ সালে রাখাইনে যে সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে, তাতে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পরিকল্পিত ‘গণহত্যার অভিপ্রায়ের’ আলামত পাওয়া গেছে।

    জাতিসংঘের এই মিশন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লেইংসহ আরো পাঁচ সেনা জেনারেলকে গুরুতর অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় আনার সুপারিশ করেছিল। তবে মিয়ানমার এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। যদিও সেনাপ্রধান মিন অং হ্লেইং গত মাসে বলেছেন, নিরাপত্তাবাহিনীর কিছু সদস্য এই অপরাধে জড়িত থাকতে পারেন।

  • মোদীর শৈশবের চায়ের দোকানকে পর্যটন স্পট হিসেবে ঘোষণা

    মোদীর শৈশবের চায়ের দোকানকে পর্যটন স্পট হিসেবে ঘোষণা

    ছোট সময়েই যেখানে বসে চা বিক্রি করে রোজগার করতে এখনকার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেই স্থান এখন পর্যটন স্পট। আর এই ঘোষণা দিতে যাচ্ছে গুজরাট সরকার।

    গুজরাটের ভাডনগরের সেই চায়ের গুমটিটি এখনও অবিকল অবস্থায় রাখা হয়েছে। সেই দোকানের পাশে নেই আর কোন দোকান। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রকের রাজ্যমন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল ঘুরে আসার পড়ই এই ঘোষণা দেয়া হচ্ছে।

    সিদ্ধান্দ নেয়া হয়েছে দোকানটি যে অবস্থায় আছে হুবহু সেই অবস্থাতেই সেটি কাচের আচ্ছাদন দিয়ে ঘিরে সংরক্ষণ করা হবে।

    নরেন্দ্র মোদীর কঠোর জীবনসংগ্রামের স্মারক হিসেবে এই চায়ের দোকানটি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের সামনে তুলে ধরার জন্য এই সিদ্ধান্ত।

  • শয়তানের সঙ্গে ট্রাম্পের হুবহু মিল!

    শয়তানের সঙ্গে ট্রাম্পের হুবহু মিল!

    সাত বছর বয়সী জর্জি। এক ঝড়-বৃষ্টির দিনে কাগজের নৌকা নিয়ে খেলা করার সময় তার সঙ্গে দেখা হয় ভাঁড়রূপী শয়তানের। ভুলিয়ে নর্দমার কাছে নিয়ে তাকে খেয়ে ফেলে শয়তান। স্টিফেন কিংয়ের ১৯৮৬তে প্রকাশিত উপন্যাস অবলম্বনে ‘ইট’-এর সিকুয়েলটি বানানো হয়েছে।

    বিশ্বজুড়ে পর্দা কাঁপাচ্ছে অ্যান্ডি মুশেত্তির ‘ইট’। ২০১৭ সালে উদ্বোধনী আয়ে ‘কনজ্যুরিং’কে হঠিয়ে শীর্ষস্থান দখল করে নেয় ভয়ংকর শয়তানের সিনেমাটি। গত শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে ছবির দ্বিতীয় পর্ব।

    সিনেমায় দেখা যায়, ভয়ংকর দর্শন আর ঠাণ্ডা মাথার ঘাতক। দিনের বেলায় নর্দমার মধ্যে লুকিয়ে থাকা শয়তান সন্ধ্যা হলেই বের হয়। আর সুযোগ পেলেই ভুলিয়ে-ভালিয়ে ধরে নিয়ে যায় শিশুদের। এক সময় সেই শিশুদেরকে খেয়ে ফেলে।

  • ডিম সংগ্রহে গিয়ে মোরগের ঠোকরে নারীর মৃত্যু

    ডিম সংগ্রহে গিয়ে মোরগের ঠোকরে নারীর মৃত্যু

    অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে বাড়ির পাশে মুরগির পেড়ে রাখা ডিম সংগ্রহ করতে গিয়ে সঙ্গী মোরগের ঠোকরে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

    অস্ট্রেলীয় সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ৭৬ বছর বয়সী ওই নারীর ময়নাতদন্তে দেখা যায়, তার বাম পায়ের নিচের দিকে মুরগির ঠোকরের চিহ্ন রয়েছে। সেখান থেকে রক্তক্ষরণের ফলে এক পর্যায়ে তিনি মারা যান।

    আন্তর্জাতিক জার্নাল ‘ফরেনসিক সায়েন্স, মেডিসিন অ্যান্ড প্যাথোলজি’র আগস্ট সংখ্যায় এ ঘটনার ওপর একটি বিশ্লেষণী লিখেছেন অ্যাডেলেইড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক রজার বিয়ার্ডস।

    সেখানে তিনি জানান, ওই নারীর শরীরে মাত্র দুটি ক্ষতচিহ্ন পাওয়া যায়। এছাড়া আগে থেকে তার উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও শিরা ফোলার সমস্যা ছিল। যারা রক্তনালীর সমস্যায় ভোগেন পাখি বা জীবজন্তু তাদের ক্ষেত্রে যেকোনো মাত্রার বিপদ বয়ে আনতে পারে, ওই নারীর মৃত্যুকে তার একটি সতর্কতা বলে উল্লেখ করেন অধ্যাপক।

    ‘যাদের রক্তনালী বিষয়ক সমস্যা আছে, ছোটখাটো গৃহপালিত প্রাণীও তাদের মৃত্যুর কারণ হতে পারে, এ ঘটনা তারই নমুনা’, জানান রজার বিয়ার্ডস।

  • ভারত-পাকিস্তান সংলাপে আন্তর্জাতিক তৎপরতা

    ভারত-পাকিস্তান সংলাপে আন্তর্জাতিক তৎপরতা

    কাশ্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে দুই পারমাণবিক শক্তিধর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সৃষ্ট উত্তেজনা লাঘবে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে যুক্তরাষ্ট্রসহ শক্তিধর কিছু দেশ। এই দুটি দেশের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য কোনো পথ খুঁজে পেতে চেষ্টা করছে তারা। ভারত ও পাকিস্তান মারাত্মক এক যুদ্ধের পথে চলে যেতে পারে এমন এক ভয়ঙ্কর আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে প্রভাবশালী দেশগুলো জোরালো ওই উদ্যোগ নিয়েছে। চেষ্টা হচ্ছে কোনো চ্যানেল বের করে আলোচনার একটি পন্থা খুঁজে পেতে। তবে ভারতের সঙ্গে এমন আলোচনার আগেই সুনির্দিষ্ট কিছু পূর্বশর্ত দিয়েছে পাকিস্তান। এ খবর দিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমসের পাকিস্তানি সংস্করণ অনলাইন এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

    প্রভাবশালী দেশগুলোর পর্দার আড়ালে ওই প্রচেষ্টা সম্পর্কে জানেন এমন কূটনৈতিক সূত্রগুলো এক্সপ্রেস ট্রিবিউনকে বলেছেন, উত্তেজনা প্রশমনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য শক্তিধর দেশগুলো যোগাযোগ রক্ষা করছে ইসলামাবাদ ও নয়া দিল্লির সঙ্গে। এক্ষেত্রে আগের মতো অবস্থানে নেই পাকিস্তান। তারা ভারতের সঙ্গে এমন আলোচনায় পূর্বশর্ত দিয়েছে।

    এর মধ্যে রয়েছে দখলীকৃত কাশ্মীর থেকে অবিলম্বে কারফিউ প্রত্যাহার করতে হবে এবং সেখানকার রাজনৈতিক সব নেতাকে মুক্তি দিতে হবে।

    সম্প্রতি নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত হয় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের একটি নিবন্ধ। তাতে তিনি ভারতের সঙ্গে আলোচনায় পাকিস্তানের আগ্রহের কথা জানান। তিনি তাতে জানিয়ে দেন, এমন আলোচনার আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কাশ্মীর ইস্যুতে গৃহীত পদক্ষেপ থেকে পিছু হটতে হবে। ইমরান খানের দৃষ্টিতে কাশ্মীরে ভারতের ‘দখলদারিত্ব সম্প্রসারণ অবৈধ’। রোববার এ বিষয়ে পাকিস্তানের মুলতানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি। তিনি বলেছেন, ভারতের সঙ্গে কখনোই দ্বিপক্ষীয় সংলাপ থেকে বিরত ছিল না পাকিস্তান। তবে বর্তমানে যে পরিস্থিতি বিরাজমান তা কোনো রকম সমঝোতার জন্য উপযুক্ত নয়। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রী ইমরানের অবস্থা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, এখন ভারতকে যেকোন আলোচনার আগে অবশ্যই সুনির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে।

    পক্ষান্তরে সূত্র দাবি করছে, পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করার জন্য চ্যানেল খুঁজতে আগ্রহী ভারত। এতদিন শান্তির জন্য আলোচনায় বসার জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এসেছে। সূত্রমতে, আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পাকিস্তানের প্রতি কূটনৈতিক সম্পর্ক অবনমন ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থগিত করার বিষয় পর্যালোচনা করার আহ্বান জানাচ্ছে ভারত। সরকারের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, গত ৫ই আগস্ট কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল করার সিদ্ধান্ত ভারত সরকার নেয়ার পর বর্তমানে যে অবস্থা বিরাজমান তাতে ভারতের সঙ্গে কোনো আলোচনায় যাবে না পাকিস্তান। এমনকি কোনো সিদ্ধান্ত পর্যালোচনাও করবে না। সরকারের ওই কর্মকর্তা বলেন, এক্ষেত্রে নয়া দিল্লি পাকা খেলোয়াড়ের ভূমিকায় বলেই মনে হচ্ছে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে প্রস্তুব একথা আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের বলার মধ্য দিয়ে ভারত চাইছে আমরা এবং বাকি বিশ্ব কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নিই।

    ওই কর্মকর্তা ভারতের এমন উদ্দেশের বিরুদ্ধে বলেন, পাকিস্তান সরকার এখন একটি স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। তা হলো, ৫ই আগস্টের পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে না গেলে বা তার কাছাকাছি অবস্থায় ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে কোনো আলোচনা হতে পারে না। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীরা আলোচনার জন্যই শুধু চাপ দিচ্ছেন এমন না। একই সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে যেন আক্রমণ করে কথা বলা চন্ধ করেন এ জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে আস্থায় নেয়ারও চেষ্টা করছেন তারা। কিন্তু ইমরান খান পিছু হটতে রাজি হন নি। ইসলামাবাদ থেকে আশানুরূপ সাড়া না পেলেও তৎপরতা বন্ধ করেননি আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীরা। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এখনও উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত রাখতে উভয় পক্ষের ওপর চাপ দিচ্ছে তারা। তারা বলছেন, উন্নততর শুবুদ্ধির উদয় হোক। কিন্তু পাকিস্তান দৃশ্যত নিকট ভবিষ্যতে এ ইস্যু থেকে পিছ পা হবে বলে মনে হয় না। কমপক্ষে জাতিসংঘের বার্ষিক সাধারণ অধিবেশন পর্যন্ত তো তারা এ ইস্যুকে জিইয়ে রাখবে। কারণ, ভারতের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে উত্তাপ ছড়াতে চায় পাকিস্তান।

    এক্সপ্রেস ট্রিবিউন লিখেছে, ইসলামাবাদে তেমন সাড়া না পেলেও কাশ্মীরে মানবিক সঙ্কটের রিপোর্টে ভারতের ওপর ক্রমাগত চাপ বৃদ্ধি করছে বিশ্ব। পাকিস্তান সরকারের কর্মকর্তারা বলেন, ভারত সরকার দাবি করছে কাশ্মীরের সার্বিক অবস্থা ভাল। কিন্তু পক্ষান্তরে সেখানে ক্রমবর্ধমান হারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। সর্বশেষ এমন উত্তাপ ছড়িয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বর্ষীয়ান ডেমোক্রেট নেতা বার্নি স্যান্ডার্স। তিনি এবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার দল থেকে প্রার্থী হতে চাইছেন। তিনি কাশ্মীরে ভারতের দখলদারিত্বকে অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছেন। উপরন্তু কাশ্মীর নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ জাতিসংঘের অধীনে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • সিঙ্গাপুরের আকাশে আগুনের রংধনু

    সিঙ্গাপুরের আকাশে আগুনের রংধনু

    সিঙ্গাপুরের আকাশে বহু রঙে রঙ্গিন ফায়ার রেইনবো বা আগুনের রংধনু ১৫ মিনিট ধরে দেখা গেছে। পুরো সিঙ্গাপুর দ্বীপ থেকে সেটি দেখা যায়। মেঘে সূর্যের আলোর মাঝেই দেখা যায় রংধনুটি। আর তা দেখে আনন্দে বিমোহিত হয়েছেন সিঙ্গাপুরবাসী। জনকণ্ঠ

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেঘে বরফের ক্রিস্টালের ভেতর দিয়ে সূর্যের আলো প্রতিসরিত হলে এই ধরনের রংধনু দেখা যায়। তবে অনেকে বলেছেন, সাবানের বুদবুদ, প্রজাপতির ডানা কিংবা জলের ফোঁটার মধ্যে যে ধরনের রংয়ের খেলা দেখা যায়। এটা সে ধরনের বিষয়ও হতে পারে। এই রংধনু দেখে এক দর্শক জানিয়েছেন, বিকেলের দিকে রংধনুর ছবিগুলো তিনি তুলেছেন। ছোট একটি কমলা রঙের বৃত্ত দিয়ে এর শুরু, এরপর এটি বড় হতে শুরু করে আর অন্যান্য রং ও স্পষ্ট হতে থাকে।

    এরপর আস্তে আস্তে সেটি মিলিয়ে যায়। যা দেখে মুগ্ধ সবাই। শুধু দেখাই নয়, বিরলতম এই ঘটনা দেখা মাত্র সবাই ক্যামেরাবন্দী করেও ফেলেন। শুধু তাই নয়, ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সঙ্গে সঙ্গে আপলোড হতে থাকে। মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরালও হয়ে যায়