Category: আন্তর্জাতিক

  • ‘রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে যুক্তরাষ্ট্র চাপ অব্যাহত থাকবে’

    ‘রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে যুক্তরাষ্ট্র চাপ অব্যাহত থাকবে’

    কুড়িগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে যুক্তরাষ্ট্র চাপ অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার।

    আজ শনিবার সকালে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। উপজেলার অষ্টমীর চরে অবস্থিত নটারকান্দি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন তিনি।

    মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের সম্মানের সাথে ও নিরাপদে নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের অন্যান্য রাষ্ট্র মিলে যা যা করা দরকার তার সবই করা হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের সাহায্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের পাশে আছে, সবসময় থাকবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ উদারতার সহিত রোহিঙ্গাদের যেভাবে আশ্রয় দিয়েছে সেটা প্রশংসার দাবিদার।’

  • যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাশ্মীরকে ভারতে স্থায়ী করা হবে : মোদী

    যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাশ্মীরকে ভারতে স্থায়ী করা হবে : মোদী

    নতুন ভারত’- এ দুর্নীতি, স্বজনপোষণ, জনগণের অর্থ লুঠ, সন্ত্রাসবাদকে কড়া হাতে দমন করা হচ্ছে, অস্থায়ী অংশকে (জম্মু-কাশ্মীর) স্থায়ী অংশে পরিণত করা হচ্ছে। প্যারিসে ‘ইউনেস্কো’-র সদর দফতরে এক সমাবেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘ভারত এগোচ্ছে মোদীর জন্য নয়… এটা হয়েছে ভারতের জনগণের দেয়া সম্মতির স্টাম্পের ফলে, যা তারা ভোটের মাধ্যমে দিয়েছেন।’

    মোদী বলেন, তার নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে ৭৫ দিন আগে। এর মধ্যেই আপনারা দেখেছেন অনেক সাহসী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সংসদে রেকর্ড পরিমাণ কাজ হয়েছে। ১০০ দিনের মাইলফলক আসতে এখনো বাকি রয়েছে। খেয়াল করুন, ৫০-৭৫ দিন সাধারণত লেগে যায় পরিকল্পনা করতে এবং পারস্পরিক সম্বোধন ও অভিনন্দনমূল‌ক বার্তা বিনিময়ে। কিন্তু আপনারা দেখেছেন এই ক’দিনেই সরকারের সদিচ্ছা… এবং এই ভারত কাজ বোঝে।’

    মোদীর কথায় এদিন উঠে এসেছে দেশটির সংবিধিনের ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু ও কাশ্মীরে ‘স্পেশাল স্ট্যাটাস’ তুলে দেওয়ার প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, ‘কোনো অস্থায়ী কিছুর স্থান নেই ভারতে। ৭০ বছর লেগে গেল ‘অস্থায়ী’কে সরাতে। আমরা এগিয়ে চলেছি এবং আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণ করব যত তাড়াতাড়ি সম্ভব।’

    সোমবার পর্যন্ত তিন দেশের সফরের অংশ হিসেবে ফ্রান্সে গিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে যাবেন। মোদী যখন বিদেশ সফরে এমন কথা বলে বেড়াচ্ছেন, তখন দেশটির অর্থনীতিবিদরা রেকর্ড আর্থিক সঙ্কট নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বিগত ৭০ বছরের মধ্যে ভারতের অর্থনৈতিক অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থায় পৌঁছে মোদীর এই শাসনামলেই।

  • কাশ্মীরের বিমানবন্দর থেকেই ফিরলো রাহুল

    কাশ্মীরের বিমানবন্দর থেকেই ফিরলো রাহুল

    কংগ্রেস নেতা ও দলটির সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীকে কাশ্মীরের শ্রীনগর বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। শনিবার রাহুল ১১ জন বিরোধী নেতাকে নিয়ে অবরুদ্ধ কাশ্মীরের পরিস্থিতি পরিদর্শনে গেলে তাকে ফেরত পাঠানো হয়।
    ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, দেশটির প্রধান বিরোধী দলের অন্যতম এই নেতাকে সদলবলে কাশ্মীর থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। উপত্যকায় উত্তেজনা ছড়াবে এমন দাবি করে বিমানবন্দর থেকেই রাহুলসহ অন্য নেতাদের ফিরিয়ে দেয়া হবে বলে এর আগেই হুঁশিয়ার করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার।
    রাহুল শনিবার বিকেলে কাশ্মীরের শ্রীনগর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে দিল্লি বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। তার সফরসঙ্গী ছিলেন কংগ্রেসের অন্যতম নেতা গুলাম নবী আজাদ এবং আনন্দ শর্মা। এছাড়াও সিপিআই-এম এর সীতারাম ইয়েচুরী, সিপিআই এর ডি রাজা, ডিএমকে-র তিরুচি শিবা, আরজেডি-র মনোজ ঝাঁ, এবং তৃণমূল কংগ্রেসের দীনেশ ত্রিবেদী
    কেন্দ্রীয় সরকারের এমন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাহুল তার দল নিয়ে জম্মু ও কাশ্মীর রওনা দেয়ার ঘোষণা দেন। পরে শনিবার দুপুরের পর কাশ্মীরের শ্রীনগর বিমানবন্দরে পৌঁছলে দলসহ রাহুল গান্ধীকে কোথাও যেতে না দিয়ে বিমানবন্দর থেকেই ফেরত পাঠানো হয়।
    রাহুল যখন কাশ্মীর সফরে যাওয়ার ঘোষণা দেন তখন থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল তাকে সেখানে যেতে অনুমতি দেবে না মোদি নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। কেননা কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা বাতিলের পর কোনো রাজনৈতিক নেতা অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে সফরে যেতে পারেনি।
    শুক্রবার রাতেই বিরোধ দলীয় নেতাদের উপত্যকায় সফরে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। সরকার দাবি করে, এ সফরের কারণে কাশ্মীরের শান্তি বিঘ্নিতসহ উপত্যকার একাধিক জায়গায় ১৪৪ ধারা ব্যাহত হতে পারে। তাই সফর বাতিল করার অনুরোধ করা হয়েছিল।
    কিন্তু কেন্দ্রের আপত্তি আমলে নেয়নি রাহুলের নেতৃত্বাধীন ১১ বিরোধী নেতা। তখনই আশঙ্কা করা হচ্ছিল সরকার এ সফর ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপও নিতে পারে। সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর থেকেই কাশ্মীরকে প্রায় এক ঘরে আর অবরুদ্ধ করে রেখেছে মোদি সরকার।
  • শুক্রবার গণবিক্ষোভের ডাক দিলেন কাশ্মীর নেতারা

    শুক্রবার গণবিক্ষোভের ডাক দিলেন কাশ্মীর নেতারা

    শুক্রবার নামাজের পর গণবিক্ষোভে যোগ দিতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কাশ্মীরের নেতারা। ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু-কাশ্মীরকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার পর এই প্রথম আনুষ্ঠানিক বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে তারা।

    রয়টার্স জানিয়েছে, যৌথ প্রতিরোধের নেতৃত্ব নামক একটি গ্রুপ কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার দিয়েছে। সেখানে লেখা, ‘তরুণ থেকে বৃদ্ধ, নারী থেকে পুরুষ- সবাই জুমার নামাজের পর গণবিক্ষোভে যোগ দেবেন।’

    কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের প্রথম যুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালে শ্রীনগরে জাতিসংঘের মিলিটারি অবজারভার গ্রুপ অফিস প্রতিষ্ঠা করা হয়। আন্দোলনকারীরা শুক্রবার ওই অফিসের দিকে যাত্রা করবেন।

    গত ৫ আগস্ট অঞ্চলটির বিশেষ সুবিধা বাতিল করে জম্মু-কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত রাজ্য ঘোষণা করে বিজেপি সরকার। এর আগের দিন থেকে অঞ্চলটিতে ইতিহাসের কঠোরতম নিরাপত্তা পরিস্থিতি জারি করা হয়। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত ৩৫ হাজার সেনাসদস্য। তখন থেকে অঞ্চলটিতে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

    তিন দশক ধরে এই কাশ্মীরে চলছে বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা, যাতে নিহত হয়েছে হাজার হাজার মানুষ।

  • ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাতে আগ্রহী বিল গেটস

    ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাতে আগ্রহী বিল গেটস

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ পোষণ করেছেন মাইক্রোসফটের মালিক বিল গেটস। খাইবার পাখতুনখাওয়া অঞ্চলে পোলিও নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ নেয়ায় ইমরান খানকে ধন্যবাদ জানিয়ে পাঠানো এক চিঠিতে এ আগ্রহের কথা নিজেই জানিয়েছেন বিশ্বসেরা ধনকুবের গেটস। এদিকে, গতকাল বুধবার ইমরান খান পাকিস্তানে পোলিওর সা¤প্রতিক বৃদ্ধি নিয়ে ‘গুরুতর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছেন এবং কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারী কর্মকর্তাদের সচেতনতা বাড়াতে এবং টিকাদান অভিযান পরিচালনার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন যাতে এই রোগের প্রতিরোধ করা যায়।

    পোলিও নিয়ন্ত্রণে পাকিস্তান সরকারের নেয়া উদ্যোগের ভ‚য়সী প্রশংসা করে বিল গেটস বলেন, পোলিও দূর করতে হলে আগে পিতা-মাতার মন থেকে সবধরণের সংশয় দূর করতে হবে। পোলিও নিয়ন্ত্রণে পাকিস্তান সরকারের নেয়া আইপিআই প্রোগ্রামকে আরও কার্যকরী করার আহ্বান জানান তিনি। স্বাস্থ্যখাতে পাকিস্তান সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে আগামী সেপ্টেম্বেরে জাতিসংঘ অধিবেশনের সময় ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেন বিল গেটস।

    বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থার (ডাব্লিউএইচও) মতে, বিশ্বে পোলিও রোগের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি আফগানিস্তান, নাইজেরিয়া ও পাকিস্তানে। পোলিও নিয়ন্ত্রণে ডাব্লিউএইচও এবং বিল গেটস পাকিস্তানকে আর্থিক সহায়তা করে আসছেন। সূত্র : জিও নিউজ ও ডন।

  • কাশ্মীর সংকটের নেপথ্যে রয়েছে ব্রিটিশদের রেখে যাওয়া ক্ষত: ইরান

    কাশ্মীর সংকটের নেপথ্যে রয়েছে ব্রিটিশদের রেখে যাওয়া ক্ষত: ইরান

    ভারত শাসিত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরের বিষয়ে ‘স্বচ্ছ নীতি’ মেনে চলতে দেশটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা সাইয়্যেদ আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।

    প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ও মন্ত্রিসভার সঙ্গে বুধবার এক বৈঠকে কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি এ আহ্বান জানান।

    আলি খামেনি বলেন, ‘আমরা ভারত সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলি। কিন্তু কাশ্মীরিদের প্রতি ভারতীয় সরকার স্বচ্ছ নীতি মেনে চলবে সেটা আশা করি, যাতে ওই অঞ্চলের মুসলিম জনগণ চাপে না পড়ে।’

    প্রেস টিভি তাদের অনলাইন প্রতিবেদনে জানায়, কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি এবং এনিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বন্দ্বের জন্য ব্রিটেনের ‘বিদ্বেষপরায়ণ পদক্ষেপকে’ দায়ী করেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।

    তিনি বলেন, ‘কাশ্মীরের দীর্ঘমেয়াদি এই সংকটের নেপথ্যে রয়েছে এই অঞ্চলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্রিটিশদের রেখে যাওয়া ক্ষত।’

    প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ ও ৩৫এ প্রত্যাহার করে কাশ্মীরের সাংবিধানিক স্বায়ত্তশাসন ও বিশেষ সুবিধা কেড়ে নেয় বিজেপি সরকার। একই সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরের রাজ্যের মর্যাদা কেড়ে নিয়ে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ নামে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়।

    এ ঘটনাকে ঘিরে গত ৪ আগস্ট থেকে নজিরবিহীন কারফিউতে অবরুদ্ধ জম্মু-কাশ্মীর। সেখানকার প্রায় সবক’টি রাজনৈতিক দলের নেতারা হয় গৃহবন্দি নয়তো কারাগারে। ফোন, ইন্টারনেট এবং সংবাদপত্র পরিষেবা বন্ধ থাকায় কাশ্মীর কার্যত বাকি বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

  • মিয়ানমারে ফিরতে রাজি নয় রোহিঙ্গারা

    মিয়ানমারে ফিরতে রাজি নয় রোহিঙ্গারা

    মিয়ানমার সরকারের প্রতি অবিশ্বাস ও অনাস্থা রোহিঙ্গাদের মাঝে গভীরভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।তাই দীর্ঘ আলোচনা, আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের পরও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত তারা নিজ দেশে ফিরতে রাজি হয়নি বলে জানিয়েছেন শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম।

    বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    মিয়ানমারের নাগরিকত্ব ও সেখানে তাদের সার্বিক নিরাপত্তাসহ চার দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে যাবেন না বলেও জানিয়েছেন রোহিঙ্গারা।

    রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার সীমান্তে নিয়ে যাওয়ার জন্যে বাস প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। তাদের নিরাপত্তার জন্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সক্রিয় রয়েছেন।

    কিন্তু, রোহিঙ্গাদের মধ্যে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি।

    মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, সাক্ষাৎকারে যারা স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরে যেতে রাজি হবেন শুধু তাদেরকেই ফেরত পাঠানো হবে।

    তবে রোহিঙ্গারা জানিয়েছেন, শুধুমাত্র তাদের দাবিগুলো পূরণ হলেই তারা মিয়ানমারে ফিরে যাবেন। তাছাড়া নয়।

    উল্লেখ্য যে আজ ২২ আগস্ট থেকে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিলো।

    এর আগে কক্সবাজার শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম জানিয়েছিলেন, প্রত্যাবাসন কার্যক্রমের জন্য আমাদের সকল ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা আশাবাদী ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসন হবে। পাশাপাশি সকাল থেকে ইউএনএইচসিআর-এর লোকজন তালিকাভুক্ত রোহিঙ্গাদের সাক্ষাতকার নিচ্ছে এবং এসব লোকজনকে সংশ্লিষ্টরা নানাভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।

    বাংলাদেশে বর্তমানে ১১ লাখের অধিক রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়ে আছেন। তাদের বেশিরভাগই মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর বর্বর অভিযান থেকে জীবন বাঁচাতে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন।

    রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর চুক্তি সই করে। পরে দুই দেশ ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ‘ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ নামে চুক্তি করে।‘ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ অনুযায়ী, প্রত্যাবাসন শুরুর দুই বছরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিলো।

    রোহিঙ্গাদের প্রথম দলের ফেরার কথা ছিলো গত বছরের ১৫ নভেম্বর। কিন্তু রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ না থাকায় রোহিঙ্গারা ফিরতে রাজি না হওয়ায় এ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

    এদিকে, মঙ্গলবার হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) মিয়ানমার ও বাংলাদেশকে নিরাপদে, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ব্যবস্থা স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • গির্জার টাকা চুরি করে যাজকের বিলাসী জীবন

    গির্জার টাকা চুরি করে যাজকের বিলাসী জীবন

    যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি গির্জা থেকে ৯৮ হাজার ডলার (৮৩ লাখ টাকা প্রায়) চুরির দায়ে এক যাজককে গ্রেপ্তার করেছে সে দেশের পুলিশ। ওই যাজকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে কয়েক বছর ধরে তিনি গির্জার অর্থ নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরিয়েছেন।

    নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই যাজকের নাম জোসেফ ম্যাকলুন। তিনি পেনসিলভানিয়ার চেস্টার কাউন্টির সেইন্ট জোসেফ গির্জায় কাজ করতেন। ৫৬ বছর বয়সী ম্যাকলুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি গির্জার অর্থ চুরি করে ব্যক্তিগত ভোগবিলাসে ব্যয় করেছেন। এই কাজের জন্য তিনি ২০১১ সালে একটি গোপন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলেন।

    ম্যাকলুনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয় ২০১৮ সালের আগস্টে। গির্জার পক্ষের আইনজীবী চার্লস গাজা বলেন, ছয় বছর ধরে গির্জার অর্থ সরিয়ে আসছেন ম্যাকলুন। বিয়ে কিংবা শেষকৃত্যের জন্য যেসব দানের অর্থ গির্জায় আসত, তা জোসেফ নিজের গোপন অ্যাকাউন্টে জামা করতেন, অথবা নিজের ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ করতেন। ওই অর্থ নিজের ব্যক্তিগত বাড়িতে কিংবা অন্য জায়গা থেকে ব্যয় করতেন।

    চার্লস বলেন, ‘ফাদার ম্যাকলুন একধরনের নেতৃত্বে ছিলেন। যাজক পদমর্যাদার কারণে সবাই তাঁকে সহজে বিশ্বাস করেছেন এবং তাঁদের দান ফাদারের হাতে তুলে দিয়েছেন। তবে তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য সবার বিশ্বাস ভেঙেছেন।’

    ম্যাকলুনের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিসপের অফিস থেকে বুধবার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যে ধরনের অভিযোগ উঠেছে তা খুব গুরুতর ও বিব্রতকর। ম্যাকলুনকে বর্তমানে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

    তবে মেলিসা ম্যাকক্যাফের্টি নামের এক আইনজীবী বলছেন, ওই যাজক যেটা করেছেন তা মূলত গির্জা কর্তৃপক্ষ ও তাঁর মধ্যকার ব্যাপার। সম্ভবত এখানে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কারার কিছু নেই।

  • কাশ্মীর ইস্যু ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়: বাংলাদেশ

    কাশ্মীর ইস্যু ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়: বাংলাদেশ

    ভারত সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মাধ্যমে কাশ্মীরের ওপর থেকে বিশেষ মর্যাদা তুলে নেওয়ার পর প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে সেখানে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। কাশ্মীরের এই ইস্যুটিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মনে করছে বাংলাদেশ।

    বুধবার (২১ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিঃপ্রচার বিভাগের সহকারী সচিব মো. মাসুদ পারভেজ স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ মনে করে, ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশ নীতিগতভাবে সবসময়ই আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী। একইসঙ্গে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা এই অঞ্চলের সব দেশের জন্য অগ্রাধিকার।

    সম্প্রতি ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, জম্মু-কাশ্মিরের উন্নয়নের জন্যই ৩৭০ ধারা বিলোপ করা হয়েছে।

    ৩৭০ ধারা হলো ভারতীয় সংবিধানের একটি অস্থায়ী বিধান (‘টেম্পোরারি প্রভিশন’)। এই ধারার আওতায় জম্মু-কাশ্মিরকে বিশেষ মর্যাদা ও বিশেষ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয়েছিল। ৩৭০ ধারা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল ১৯৪৯ সালের ১৭ অক্টোবর। এই ধারার আওতায় জম্মু-কাশ্মিরকে ভারতীয় সংবিধানের আওতামুক্ত রাখা হয় (অনুচ্ছেদ ১ ব্যতিরেকে) এবং ওই রাজ্যকে নিজস্ব সংবিধানের খসড়া তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়। ৩৭০ ধারা অনুযায়ী প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র, অর্থ এবং যোগাযোগ ছাড়া অন্য কোনও বিষয়ে জম্মু কাশ্মিরে হস্তক্ষেপের অধিকার ছিল না কেন্দ্রীয় সরকারের। এমনকি, কোনও আইন প্রণয়নের অধিকার ছিল না কেন্দ্র বা সংসদেরও। আইন প্রণয়ন করতে হলে জম্মু-কাশ্মির রাজ্যের সম্মতি নিতে হতো। গত ৫ আগস্ট সেই ৩৭০ নম্বর ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    উল্লেখ্য, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ঢাকা সফরকালে এই বিবৃতি প্রকাশ করলো বাংলাদেশ। সোমবার (১৯ আগস্ট) তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসেন তিনি।

  • কাশ্মীরে গণহত্যা চলছে: আজাদ কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট

    কাশ্মীরে গণহত্যা চলছে: আজাদ কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট

    পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট সরদার মাসুদ খান মঙ্গলবার বলেছেন, ভারত অধিকৃত কাশ্মীরে গণহত্যার শুরু হয়েছে। কাশ্মীর ইস্যুটি কূটনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলারও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। খবর দুনিয়া নিউজের।

    ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে মাসুদ খান বলেন, মোদি সরকার বিশ্বকে বিভ্রান্ত করছে। অধিকৃত কাশ্মীরে অস্থায়ী ডিটেনশন সেন্টার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে সেখানে গণহত্যা শুরু হয়েছে।আজাদ কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো দ্বিচারিতা করছে; যেখানে ভারত যুদ্ধাপরাধ করছে। যদি কাশ্মীর ইস্যুতে কোনও যুদ্ধ শুরু হয় তাহলে সেটি পরমাণু যুদ্ধে রূপ নেবে এবং এতে ২৫০ কোটি মানুষের ওপর প্রভাব পড়বে।পরমাণু অস্ত্রসমৃদ্ধ এই প্রতিবেশি দুই দেশের মধ্যে পুরো মাত্রায় যুদ্ধ শুরু হতে পারে বলেও সতর্ক করে দিয়েছেন আজাদ কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ঝুঁকির বিষয় হচ্ছে যদি একটি সীমিতাকারের যুদ্ধ শুরু হয়, তা সীমিত থাকবে না।কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠককে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন সরদার মাসুদ। তিনি বলেন, ভারতের একক সিদ্ধান্ত এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাবে কাশ্মীর।এদিকে বিতর্কিত অঞ্চল ভারত নিজের সঙ্গে যুক্ত করতে পারে না বলেও মন্তব্য করেছেন আজাদ কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট। কাশ্মীরের জনগণের আত্ম-নিয়ন্ত্রণের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার মাধ্যমেই দ্বন্দ্ব নিরসন সম্ভব। এসময় অধিকৃত কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সরদার মাসুদ বলেন, অধিকৃত কাশ্মীরে গণহত্যা চালাচ্ছে ভারত।উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট নরেন্দ্র মোদির সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে। একই সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরকে ভেঙে কেন্দ্রশাসিত দুটি অঞ্চল গঠন করা হয়। ভারতের এ পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দিল্লির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক কমিয়ে দেয় পাকিস্তান।