Category: আন্তর্জাতিক

  • বাংলাদেশের হিন্দু মহাজোট নেতারা এবার ভারতের বিজেপির শরণাপন্ন

    বাংলাদেশের হিন্দু মহাজোট নেতারা এবার ভারতের বিজেপির শরণাপন্ন

    বাংলাদেশে নাকি ব্যাপক হারে হিন্দু নির্যাতন বেড়েছে, দখল করে নেয়া হচ্ছে তাদের ঘরবাড়ি ও মন্দির। তাই এই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার দাবিতে দিন কয়েক আগে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি নেতাদের কাছে ধর্ণা দিয়েছেন বাংলাদেশের হিন্দু মহাজোট দলের নেতারা। সোমবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ভারতের ‘যুগশঙ্খ’পত্রিকাটি। সূত্র: যুগশঙ্খ

    এই ধর্মভিত্তিক দলটির নেতাদের আরো দাবি, গত মাসে প্রিয়া সাহা নামের এক নারী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতনের যে অভিযোগ তুলেছিলেন, তা নাকি পুরোপুরি সত্যি।

    সোমবার এক প্রতিবেদনে ‘যুগশঙ্খ’ জানায়, গত ১৪-১৭ আগস্ট কলকাতা, আগরতলা ও দিল্লিতে বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটের নেতাদের তিনটি প্রতিনিধি দল ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি এবং চরমপন্থি হিন্দু দল আরএসএস, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও হিন্দু জাগরণ মঞ্চের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে দেখা করে তাদের ওপর তথাকথিত নির্যাতনের ফিরিস্তি তুলে ধরেন।

    গোপন সূত্রের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানায়, বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটের দুই নেতা মিলন ভট্টাচার্য ও গঙ্গেশচন্দ্র দাস দিল্লিতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক সম্পাদক প্রশান্ত হরতালকার এবং আরএসএসর নিখিল নামতকারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

    কলকাতায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ দিলীপ ঘোষ, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাহুল সিনহা, সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়সহ একাধিক নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন হিন্দু মহাজোটের মানিক দে, মিঠু রঞ্জন দে, গোপাল পাল, দীপক কর, সুজন সরকার, পলাশচন্দ্র সরকার রবীন ঘোষ ও লাকি বাছাড়রা।

    এছাড়া আগরতলায় বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বিজন সানা ও সাংসদ প্রতিভা ভৌমিকসহ একাধিক নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছেন মহাজোটের নেতা রিপন দে।

    এই বৈঠকের কথা স্বীকারও করেছেন বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ প্রামাণিক। গত রোববার তিনি ‘যুগশঙ্খ’ পত্রিকাার প্রতিনিধিকে বলেন, ‘আমাদের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন নিয়ে ভারতের বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন এবং বিজেপি নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছেন। আমরা তাদের বলেছি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনে প্রিয়া সাহা যা বলেছেন, তা নতুন কিছু নয়। বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন ভয়াবহভাবে বেড়ে গেছে। এই দেশকে হিন্দুশূন্য করার চক্রান্ত চলছে।’

    তার আরো অভিযোগ, আগামীতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো মৌলবাদী হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে ভবিষ্যতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই আগেভাগেই তিনি ভারতের হিন্দু নেতাদের সাহায্য চাইলেন।

    তার ভাষায়, ‘কিন্তু আমরা হিন্দু বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে চাই না। আমরা এখানে পূর্ণ নিরাপত্তা নিয়ে থাকতে চাই।’

    তাহলে তার এই যুক্তি এবং হিন্দু মহাজোটের কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে, ভারতের হিন্দু নেতারাই কেবল বাংলাদেশে বসবাসরত হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। যে কারণে ভারতের কাছে মহাজোটের নেতাদের এই দেন দরবার।

    প্রসঙ্গত গত মাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশে তথাকথিত হিন্দু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে সাহায্য চান প্রিয়া সাহা নামের এক হিন্দু নারী। এ ঘটনায় গোটা বাংলাদেশ জুড়ে তীব্র নিন্দা ও সমালোচনার মুখে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার ঘোষণা দেয় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ নামের সংগঠনটি।

  • জাকির নায়েক সীমা অতিক্রম করছেন : মাহাথির মোহাম্মদ

    জাকির নায়েক সীমা অতিক্রম করছেন : মাহাথির মোহাম্মদ

    ভারতের বিতর্কিত প্রচারক জাকির নায়েক বর্ণবাদী রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে সীমা অতিক্রম করে ফেলছেন বলে মন্তব্য করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ। এমনকি মালয়েশিয়ায় রাজনৈতিক বক্তৃতা দেয়া থেকে বিতর্কিত এই প্রচারকের বিরত থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

    ভারত থেকে পালিয়ে মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নেয়া জাকির নায়েকের প্রতি অতীতে বেশ কয়েকবার নিজের সমর্থন জানালেও রোববার তার উল্টো বলেছেন মাহাথির মোহাম্মদ। এক সংবাদ সম্মেলনে মালয়েশিয়ার এই প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সাম্প্রতিক বর্ণবাদী মন্তব্যের মাধ্যমে জাকির নায়েক অনেক দূরে চলে গেছেন।

    মাহাথির মোহাম্মদ বলেন, ‘আমি জানি না, কে তাকে মালয়েশিয়ায় স্থায়ী বসবাসের মর্যাদা দিয়েছেন। তবে রাজনীতি থেকে তার দূরে থাকা উচিত। তিনি প্রচার করতে পারেন, তিনি ইসলামের প্রচার করতে পারেন এবং আমরা তাকে থামাতে যাচ্ছি না। কিন্তু তাকে অবশ্যই রাজনীতি নিয়ে কথা বলা বন্ধ করতে হবে। চীনা এবং ভারতীয়দের নিজ দেশে ফিরে যেতে বলাটা রাজনৈতিক। তিনি বর্ণবাদী মানসিকতা উসকে দিচ্ছেন…পুলিশ তদন্ত করছে।’

    কুয়ালালামপুর কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় আমাদের আইনের শাসন আছে এবং আমরা এটার চর্চা করবো।’

    গত সপ্তাহে এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করতে গিয়ে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত ভারতীয় হিন্দুদের দেশের প্রতি আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন মুম্বাইয়ে বেড়ে ওঠা জাকির নায়েক। এছাড়া মালয়েশিয়ায় বসবাসরত চীনাদেরও নিজ দেশে ফেরত যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। তার এই বিতর্কিত মন্তেব্যর পরও গত বুধবার মাহাথির মোহাম্মদ বলেন, মালয়েশিয়ায় অবস্থান করতে পারবেন বিতর্কিত এই প্রচারক।

    তিনি বলেছিলেন, জাকির নায়েককে ফেরত পাঠানো হবে না। কারণ ভারতে তার জীবন ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। সেখানে তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উসকানি দেয়ার অভিযোগে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তাকে ফেরত পাঠানো হলে খুন করা হবে, যে কারণে তিনি মালয়েশিয়ায়। তবে কোনো দেশ যদি তাকে নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে তাহলে আমরা স্বাগত জানাবো।

  • প্রাচীন ভারতীয় শাস্ত্রই বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের ভিত্তি দাবি মন্ত্রীর

    প্রাচীন ভারতীয় শাস্ত্রই বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের ভিত্তি দাবি মন্ত্রীর

    প্রাচীন ভারতের বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের সত্যতা সম্পর্কে তারাই প্রশ্ন করেন, যারা ওই বিষয়গুলো সম্পর্কে অজ্ঞ। শনিবার এমন মন্তব্য করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল।

    দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে ভারতের এই মন্ত্রী বলেন, ঋষি কণাদ পরমাণু বোমার তত্ত্ব প্রবর্তন করেছিলেন, এই কথা শুনে কারও কারও পেটে ব্যথা হতে শুরু হয়। তারা আমাকে এই নিয়ে প্রশ্ন করেন, কারণ প্রাচীন ভারতের জ্ঞানের পরিধি সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা নেই।

    গবেষণার পথে না এগোনোর ভুল করার জন্যই প্রাচীন ভারতের জ্ঞান সম্পর্কে কেউ কেউ সন্দিহান বলে মনে করেন পোখরিয়াল।

    তিনি বলেন, আমাদের একমাত্র ভুল হল, কোনো দিন ওই সমস্ত তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করিনি। আমেরিকার বিজ্ঞানীদের কাছে প্রশ্ন করুন, তাদের আবিষ্কারের তত্ত্ব কোথায় থেকে পেয়েছিলেন? তারা স্বীকার করবেন, ভারতীয় শাস্ত্রে সেসব খুঁজে পেয়েছেন।

    ভারতীয় একটি গণমাধ্যম বলছে, প্রাচীন ভারতের ইঞ্জিনিয়ারিং উৎকর্ষের প্রমাণ রামেশ্বরমের রামসেতু বলেও দাবি করেছেন পোখরিয়াল। শুধু তাই নয়, তার মতে, বিশ্বের একমাত্র বিজ্ঞানসম্মত ভাষা হল সংস্কৃত।

    গত সরকারে থাকাকালীন দেশটির সংসদে রমেশ পোখরিয়ালের একটি বক্তব্য নিয়ে চরম শোরগোল শুরু হয়। সংসদে পোখরিয়াল মন্তব্য করেছিলেন, জ্যোতির্বিদ্যা বিজ্ঞানের চেয়ে এগিয়ে। তার এই দাবি নিয়ে সেসময় রীতিমতো হাসির রোল পড়ে যায়।

    সংসদে আলোচনায় তৎকালীন সাংসদ নিশাঙ্ক বলেছিলেন, ‘জ্যোতিষচর্চার কাছে বিজ্ঞান কিছুই নয়, তুচ্ছ ব্যাপার! জ্যোতিষচর্চাই হল সবচেয়ে বড় বিজ্ঞান। বিজ্ঞানের থেকেও এটা বড় বিষয়। আমাদের সত্যিই বিষয়টি নিয়ে প্রচার করা উচিত।’

    তিনি আরও বলেছিলেন, ‘আমরা আজকাল পরমাণু বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করি। কিন্তু লক্ষ বছর আগেই কণাদ পরমাণু পরীক্ষা করেছিলেন। অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জ্ঞানও অনেক দিন আগে থেকে রয়েছে আমাদের।’

  • শিক্ষিকার ব্লাউজ ছিঁড়ে পুলিশের তাণ্ডব!

    শিক্ষিকার ব্লাউজ ছিঁড়ে পুলিশের তাণ্ডব!

    সম কাজে সম বেতন এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পার্শ্বশিক্ষকদের সহকারী শিক্ষকের মর্যাদার দাবিতে পশ্চিমবঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষকদের বেধড়ক লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। শিক্ষকদের অভিযোগ, গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় অনশনমঞ্চের আলো নিভিয়ে শিক্ষিকাদের পোশাক ছিঁড়ে তাণ্ডব চালিয়েছে পুলিশ।

    স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের শ্লীলতাহানি করা হয়েছে৷ শিক্ষকার ব্লাউজ ছেঁড়া হয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে তাণ্ডবের অভিযোগ তুলে আগামীকাল সোমবার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন শিক্ষকরা।

    আন্দোলনরত শিক্ষকদের অভিযোগ, নারী পুলিশ না আনিয়ে শিক্ষিকাদের ওপর তাণ্ডব চালানো হয়েছে। নির্বিচারে লাঠিচার্জ করা হয়েছে৷ পুলিশি তাণ্ডবের প্রতিবাদে কল্যাণী স্টেশন লাগোয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবরোধ করে রেখেছেন ক্ষুব্ধ শিক্ষকরা।

    পুলিশের দাবি, অনুমতি না নিয়ে অনশন করার অভিযোগে তাদের এলাকা ফাঁকা করতে নির্দেশ দেয়া হয়৷ এই নিয়ে পুলিশ ও শিক্ষকদের মধ্যে শুরু হয় তুমুল বাগবিতণ্ডা। শিক্ষকরা অভিযোগ করছেন, নির্বিচারে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়।

    পার্শ্বশিক্ষক ঐক্য মঞ্চের যুগ্ম আহ্বায়ক ভগীরথ ঘোষ অভিযোগ করেন, ‘শতাধিক শিক্ষককে মারধর করা হয়েছে। এটা কোনও গণতান্ত্রিক সরকারের কাজ হতে পারে না। কলকাতা থেকে মার খেয়ে কল্যাণীতে এসেছিলাম। এখানেও মেরে তাড়িয়ে দেয়া হল।’

    পার্শ্বশিক্ষকদের দাবি, প্রাথমিক স্কুলে তাদের ১০ হাজার টাকা এবং উচ্চ প্রাথমিকে ১৩ হাজার টাকা বেতন দেয়া হয়। ২০০৪ ও ২০০৭ সালে নিয়োগ পাওয়া পার্শ্বশিক্ষকদের যোগ্যতা পূর্ণ সময়ের শিক্ষকদের চেয়ে কম নয়। তারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। এখন উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক হওয়ার ন্যূনতম যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ।

    কিন্তু এই পার্শ্বশিক্ষকেরা যখন উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ পেয়েছিলেন তখন তাদের ন্যূনতম যোগ্যতা ছিল স্নাতক। ফলে অনেক পার্শ্ব শিক্ষক শিক্ষাগত যোগ্যতার নিরিখে পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়ে এগিয়ে। তাদের আক্ষেপ: তৃণমূল নেতৃত্ব এক সময়ে পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের মর্যাদা দেয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হয়নি।

    ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী-শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, ‘পুলিশের এই বর্বরতা এবং তাণ্ডবমূলক আচরণের ধিক্কার জানাই। এভাবে কোনোদিন আন্দোলন দমন করা যায় না। দোষী পুলিশ কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে শাস্তি দিতে হবে।’’

    মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলা সম্পাদক অনিমেষ হালদার বলেন, ‘রাতের অন্ধকারে শিক্ষকদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এভাবে পুলিশি বর্বরতার তীব্র নিন্দা জানাই। পার্শ্বশিক্ষকদের সম্মানজনক ভাতা ও মর্যাদার ব্যাপারে পূর্বতন সরকারের মতো বর্তমান সরকারও চরম বঞ্চিত করছে।’

  • ভারতের হাতে তুলে দেয়া হবে না জাকির নায়েককে : মাহাথির

    ভারতের হাতে তুলে দেয়া হবে না জাকির নায়েককে : মাহাথির

    বহুল আলোচিত ধর্মপ্রচারক জাকির নায়েককে ভারতের হাতে তুলে দেয়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে মালয়েশিয়া। তার জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকায় ভারতে তাকে পাঠানো হবে না। তবে অন্য কোনো দেশে তাকে নিতে চাইলে স্বাগত জানানো হবে বলে জানিয়ে দিলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির বিন মোহম্মদ।

    এদিকে জাকির নায়েককে ভারতের হাতে তুলে দেয়ার পক্ষে কথা বলেছিলেন সেদেশের মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী এম কুলাসেগারান। তিনি মন্ত্রিসভার কাছে ওই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। জাকির নায়েককে মালয়েশিয়ায় থাকতে দেয়া উচিত নয় বলে মন্তব্যও করেছিলেন।

    সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে ভারতের মুসলিমদের সঙ্গে মালয়েশিয়ার হিন্দুদের তুলনা টানেন তিনি। জাকির নায়েক বলেন, ‘ভারতের মুসলিমদের থেকে মালয়েশিয়ার হিন্দুরা এখানে দ্বিগুণ সুযোগ-সুবিধা পান। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির বিন মোহম্মদের থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি বেশি অনুগত এখানকার হিন্দুরা।’
    তার এই মন্তব্যের পর সবর হন সেদেশের মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করেন। তাদের মধ্যে বিভেদ ছড়াচ্ছেন জাকির নায়েক।

    উল্লেখ্য ভারতে আর্থিক কেলেঙ্কারি ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে মদত দেয়ার অভিযোগ রয়েছে জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে। তবে জাকির নায়েক এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

  • ভারতের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে বিশ্বকে ভাবতে বললেন ইমরান খান

    ভারতের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে বিশ্বকে ভাবতে বললেন ইমরান খান

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ভারতের পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডারের নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বকে গুরুত্বের সঙ্গে চিন্তা ভাবনা করার আহ্বান জানিয়েছেন। ভারত পরমাণু যুদ্ধের নীতি পরিবর্তন করতে পারে বলে প্রকাশিত খবরকে কেন্দ্র করে এ বক্তব্য দিয়েছেন ইমরান খান।

    রোববার এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, মোদি সরকারের নিয়ন্ত্রনাধীন ভারতের পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডারের নিরাপত্তার বিষয়ে বিশ্বকে গুরুত্বের সঙ্গে চিন্তা-ভাবনা করা উচিত।তিনি আরও বলেন, এর প্রভাব কেবল উপমহাদেশেই পড়বে না বরং গোটা বিশ্বে পড়বে।

    গত ৫ আগস্ট ভারত নিয়ন্ত্রণাধীন কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়া এবং কাশ্মীরকে দুই ভাগে বিভক্ত করাকে কেন্দ্র করে পাক-ভারত উত্তেজনার পারদ আরও কয়েক ধাপ বেড়েছে। ভারতের এ পদক্ষেপে কঠোর নিন্দা জানিয়েছে পাকিস্তান। পার্সট্যুডে।

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেকে ফেডারেলিজমের একজন উৎসাহদাতা হিসেবে চিত্রিত করতে পছন্দ করেন; যিনি কিনা রাজ্যগুলোকে আরও স্বাধীনতা দেয়ায় বিশ্বাস করেন।কিন্তু জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল ও রাজ্যকে ভেঙে দু’ভাগ করা এবং যোগাযোগব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে ফেলায় অনেকেই মনে করছেন এর ফলে ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় বড় ধরনের দুর্বলতা তৈরি হয়েছে।জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ এখন সরাসরি দিল্লীর শাসনে থাকবে। এগুলো অন্য রাজ্যের তুলনায় কমই স্বায়ত্তশাসনের অধিকার পাবে।

    লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিকসের অধ্যাপক সুমান্ত্রা বোস মোদির এই উদ্যোগকে বলছেন, দিল্লীর গৌরবময় মিউনিসিপালিটি। আর্টিক্যাল ৩৭০ ছিল একটি সাংবিধানিক গ্যারান্টি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এটা আসলে প্রতীকী। কারণ প্রেসিডেন্সিয়াল ডিক্রির মাধ্যমে স্বায়ত্তশাসনের অনেক কিছু আগেই কেড়ে নেয়া হয়েছে।

    যেটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা হলো অনেকেই বলে থাকেন যে এটা একটা চেতনা যা ভারতীয় সংবিধানে যে মূল ধারা থেকে আলাদা যারা আছে বলে মনে করেন তাদের জন্য একটু জায়গা করে দেয়। ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো সত্যিকার অর্থে অনেক কষ্টে অর্জিত।

    তবে যুক্তরাষ্ট্র বা কানাডার মতো উন্নত দেশে যত সহজে ক্ষমতার ভাগাভাগিকে সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বৈচিত্র্যের মাধ্যমে করা হয়েছে ভারতের মতো একটি গরীব দেশে সেটা তত সহজ নয়। দিল্লী ভিত্তিক থিংক ট্যাংক সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চের প্রধান নির্বাহী ইয়ামিনি আইয়ার বলছেন, সংবিধান একক ও যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে একটি ভারসাম্য নিশ্চিত করেছে।

    যদিও বিশ্লেষকরা অনেকেই ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর বস্তুনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে থাকেন। সাংবিধানিক পদ্ধতি যেখানে কাজ করে না সেখানে ক্ষমতাসীন সরকারের রাজনৈতিক নিয়োগপ্রাপ্তরা রাজ্য গভর্নর হিসেবে কাজ করেন।

    এ ধরনের সরাসরি শাসন ১৯৫১ সাল থেকে ৯৭ সাল পর্যন্ত ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে অন্তত ৮৮ বার হয়েছে।অনেকে মনে করেন, কেন্দ্রের শাসনে থাকা অবস্থায় স্থানীয় জনগণ ও রাজনীতিকদের সাথে আলোচনা ছাড়াই যেভাবে ভারত শাসিত কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করা হয়েছে সেটি ভারতের ফেডারেল রেকর্ডে আরেকটি দাগ।

    ডিমিস্টিফাইং কাশ্মীর গ্রন্থের লেখক নভনিতা চাদা বেহেরা বলছেন, এ পদক্ষেপের বড় তাৎপর্য হলো আমরা একক রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে যাচ্ছি এবং গণতান্ত্রিক নীতির বিলুপ্তি, যা ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে দুর্বল করছে।

    তিনি বলেন, বড় উদ্বেগের বিষয় হলো এটি হতে পারে অন্য রাজ্যের ক্ষেত্রেও। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারকে বাতিল করে দিতে পারে। রাজ্যকে ভাগ করতে পারে ও মর্যাদাহানি ঘটাতে পারে। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো সিভিল সোসাইটি, মিডিয়া ও আঞ্চলিক দলগুলোর চুপ থাকার মাধ্যমে প্রতিবাদকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয়া।

    সরকারের পদক্ষেপে যাদের সমর্থন রয়েছে তারা বলছেন কাশ্মীর একটি বিশেষ ঘটনা এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী ও স্বশস্ত্র একটি অঞ্চল- যেটি ভারতের পারমাণবিক প্রতিপক্ষ পাকিস্তানের কাছেই, সেজন্য আর কিছু করার ছিল না।নরেন্দ্র মোদির হিন্দু জাতীয়তাবাদী ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) অনেক বছর ধরেই ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের দাবী করে আসছে, তাদের কাছে এই অনুচ্ছেদ দেশটির একমাত্র মুসলিম অধ্যুষিত রাজ্যকে খুশি করার একটি উদাহরণ।

    যদিও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ইতিহাসও ভারতের আছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, আর কোথায় এমন উদাহরণ আছে আছে যে, যিনি স্বাধীনতার জন্য ২৫ বছর গেরিলা যুদ্ধ করে পরে সেই রাজ্যের নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন?

    ১৯৮৬ সালে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মিজোরামের ক্ষেত্রে তাই হয়েছিল। বিদ্রোহী নেতা লালদেংগা কেন্দ্র সরকারের সাথে শাস্তিচুক্তি করে রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। অন্তর্ভুক্তি আর ক্ষমতা ভাগ করাই ভারতীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে, দেশকে আরও শক্তিশালী করেছে।

    ভারতের সুপ্রিম কোর্টেরও এ বিষয়ে পরিষ্কার বক্তব্য আছে। ড. বেহেরা বলছেন, এখন এটা চমৎকার দেখার বিষয় হবে যে কাশ্মীরের বিষয়ে আইনি যে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে আদালতে সেটা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট কি করে। তিনি বলেন, এটা সর্বোচ্চ আদালতের স্বাধীনতার জন্যও একটি টেস্ট কেস।

  • মঙ্গল গ্রহে শহর তৈরিতে খরচ হবে ১০০ বিলিয়ান মার্কিন ডলার

    মঙ্গল গ্রহে শহর তৈরিতে খরচ হবে ১০০ বিলিয়ান মার্কিন ডলার

    এখনো মঙ্গল গ্রহের মাটিতে মানুষের পা পড়েনি। ইতোমধ্যেই প্রতিবেশী গ্রহে বসতি স্থাপন করার গবেষণা শুরু হয়েছে পৃথিবীতে।

    এই কাজে যে কোম্পানিগুলো সবচেয়ে এগিয়ে আছে তার মধ্যে অন্যতম স্পেস এক্স। সেই কোম্পানির প্রধান ও টেসলার মালিক ইলন মাস্ক জানালেন, মঙ্গল গ্রহে বসতি স্থাপনে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ১০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হবে।

    টুইটারে এক প্রশ্নের উত্তরে মঙ্গল গ্রহে শহর তৈরির এই হিসাব দিয়েছেন ইলন মাস্ক। এই হিসাব অনুযায়ী মঙ্গল গ্রহে একটি শহর তৈরি করতে মার্কিন সুরক্ষা বাজেটের ১০ শতাংশ খরচ হবে।

    ইলন মাস্কের হিসাব অনুযায়ী মঙ্গল গ্রহে এক টন জিনিস পাঠাতে এক লাখ মার্কিন ডলার খরচ হবে। ওই গ্রহে এই ধরনের একটি শহর তৈরি করতে পৃথিবী থেকে কয়েক লাখ টন জিনিস পাঠাতে হবে। এর ফলে খরচ ১০০ বিলিয়ান মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

    কয়েক দিন আগেই মাস্ক জানিয়েছিলেন, মানব সভ্যতা টিকে থাকতে নতুন গ্রহ প্রয়োজন। ভবিষ্যতে তার মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার সম্ভাবনা ৭০ শতাংশ। সেখানে পৌঁছানোর পরে ফিরে আসার সম্ভাবনা কম থাকলেও যাওয়ার পরিকল্পনা থেকে পিছিয়ে আসতে চান না স্পেস এক্স প্রধান।

  • আরও চার বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

    আরও চার বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

    চলতি বছর পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) পর্যন্ত মোট ৬৯ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬১ জন পুরুষ ও ৮ জন নারী। মক্কায় ৬২ জন, মদিনায় ৬ জন এবং ১ জন জেদ্দায় মারা যান।

    সর্বশেষ মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) চারজনের মৃত্যু হয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মক্কা থেকে প্রকাশিত হজ ম্যানেজমেন্ট সেন্টার সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া শালবন গ্রামের মোহাম্মদ লুৎফর রহমান (৬৬) মারা যান। তার পাসপোর্ট নম্বর বি এক্স ০৬২০৫৬১। তিনি গত ২৫ জুলাই বিজি (৩২৫৭) যোগে সৌদি আরব যান।

    একই দিনে মারা গেছেন হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানা বানিয়াচং উত্তর-পশ্চিম গ্রামের শেখ তায়েব আলী (৭৯)। তার পাসপোর্ট নম্বর বিটি ০৪৭৪০৭৫। তিনি গত ৩ আগস্ট বিজি ৩০৭৯ ফ্লাইটে সৌদি আরব যান।

    এছাড়া যশোর জেলার শার্শা থানার গ্রামের গ্রামের মোহাম্মদ সফেদ আলী (৮২) এবং দিনাজপুর সদরের মুদিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ রুস্তম আলী (৬৮) মারা যান।

    তাদের পাসপোর্ট নম্বর যথাক্রমে বি আর ০৫৪৩৭৯০ এবং বি এক্স ০৭৮৮১১৫। গত ৪ আগস্ট বিজি ৩১৮১ ফ্লাইটে সৌদি আরব যান যশোরের মোহাম্মদ সফেদ আলী এবং গত ২৫ জুলাই বিজি ৩১৫৫ ফ্লাইটে সৌদি আরব যান দিনাজপুরের মোহাম্মদ রুস্তম আলী।

    চলতি বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট হজযাত্রীর সংখ্যা ১ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু হবে ১৭ আগস্ট, যা চলবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

  • কাশ্মীর সংকট নিয়ে যা বললো বিএনপি

    কাশ্মীর সংকট নিয়ে যা বললো বিএনপি

    ভারতের কাশ্মীর রাজ্যের বর্তমান যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন পরিস্থিতি উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সঙ্গে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছে বিএনপি।

    মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) রাতে বিএনপির পক্ষ থেকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর পাঠানো এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই উপমহাদেশের অভিন্ন ইতিহাসের কারণে বাংলাদেশের জনগণ বরাবরই এই অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তার প্রত্যাশী। গণমাধ্যম সূত্রে অবহিত হয়ে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারতের কাশ্মীর রাজ্যের বর্তমান যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন পরিস্থিতি উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সঙ্গে নিবিড়ভাবে বিএনপি পর্যবেক্ষণ করছে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কাশ্মীরের রাজনৈতিক নেতৃত্ব, গণমাধ্যম তথা সাধারণ জনগণের মাঝে নিরাপত্তা ও শান্তির দ্রুত প্রত্যাবর্তন বিএনপি কামনা করে। ইতিমধ্যেই জাতিসংঘ সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের যে আহ্বান জানিয়েছে, তা সময়োচিত আহ্বান হিসেবে বিএনপিকে আশ্বস্ত করেছে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান তৈরি করার যে প্রস্তাব জাতিসংঘ মহাসচিব দিয়েছেন, তাও বাস্তবসম্মত বলে মনে করে বিএনপি।

    ‘বিএনপি বিশ্বাস করে, যেকোনো সমস্যা সংশ্লিষ্ট পক্ষরাই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পারেন। ভারতের বর্তমান নির্বাচিত সরকার তার সংবিধানের অন্তর্নিহিত চেতনা অনুযায়ী সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করেই চলমান সমস্যার সমাধান করবেন বলে বিএনপি বিশ্বাস করে। কাশ্মীর সমস্যা সমাধান এ অঞ্চলের শান্তি, সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও নিরাপত্তা অব্যাহত রাখার প্রক্রিয়া তরান্বিত করবে’ বলেও বিএনপি গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করেছে ওই বিবৃতিতে।

  • যুদ্ধ করতে চাইলে ভারতকে উচিত শিক্ষা দেব: ইমরান খান

    যুদ্ধ করতে চাইলে ভারতকে উচিত শিক্ষা দেব: ইমরান খান

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

    যুদ্ধ করতে চাইলে ভারতকে উচিত শিক্ষা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

    তিনি বলেন, পাকিস্তান যুদ্ধ চায় না। তবে যদি ভারত যুদ্ধ চাপাতে চাইলে তাদের উচিত জবাব দেওয়া হবে।

    বৃহস্পতিবার (০৮ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমন মন্তব্য করেন তিনি। আলাপচারিতায় চলমান কাশ্মীর সংকট নিয়ে আলোচনা করেন।

    ইমরান বলেন, পাকিস্তান সব সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কাশ্মীরে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আলোচনা করতে চান। তবে মোদির হিটলারি মানসিকতার জন্য সেই আলোচনা আলোর মুখ দেখে না।

    সম্প্রতি ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপ করে জম্মু-কাশ্মীরের সর্বশেষ স্বাধীনতাটুকও কেড়ে নেয় মোদির বিজেপি সরকার। এরপর থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থেকে।

    এদিকে কাশ্মীরে গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। তাদের যোগাযোগ ও চলাচল নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় সেখানে যেন একটি কারফিউ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

    গত মঙ্গলবার সংসদে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদ করে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সমাপ্ত করার একটি প্রস্তাব পাস করেছে বিজেপি সরকার। ওই রাজ্যকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল : জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখে বিভক্ত করার একটি বিলও পাস করানো হয়েছে।