Category: আন্তর্জাতিক

  • জম্মু-কাশ্মীরে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি গ্রহণযোগ্য নয় : বাসদ

    জম্মু-কাশ্মীরে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি গ্রহণযোগ্য নয় : বাসদ

     

    ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু-কাশ্মীরকে খণ্ডিত করা এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি গণতন্ত্রকামী জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান।

    বুধবার (৭ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ঐতিহাসিক সম্মতির মাধ্যমে স্বীকৃত সাংবিধানিকভাবে গৃহীত কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ও বিশেষত্ব ভারতের স্বাধীনতার পর থেকে চলে আসছিল। সেক্যুলার ঘোষিত ভারতকে হিন্দুত্ববাদী শৃঙ্খলে শক্ত-পোক্ত করে বাঁধার অংশ হিসেবে গেরুয়াধারী বিজেপি সরকার বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে ৩৭০ ধারা ও ৩৫(ক) বাতিলের মধ্য দিয়ে পরিকল্পিতভাবে উসকানিমূলক পদক্ষেপ নিয়ে রাজ্য মর্যাদার স্থান থেকেও জম্মু-কাশ্মীরকে নিচে নামিয়ে আনল।

    তিনি আরও বলেন, ‘২০১৮ সালে জম্মু-কাশ্মীর অ্যাসেম্বলি বাতিল করার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতির আদেশে এই পরিবর্তনের ক্ষেত্র তৈরি করা হয়। ভারতের হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকারের এই পদক্ষেপ শুধু ভারতবর্ষেই নয়, উপমহাদেশ জুড়ে সাম্প্রদায়িকতার অশান্তির ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করে তুলতে পারে। জম্মু-কাশ্মীরকে খণ্ডিত করা এবং ১৪৪ ধারা জারি ও কারফিউ জারি করা, সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রীসহ রাজনীতিকদের গৃহবন্দি করে যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো সেনা উপস্থিতির ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি ভারতের সেক্যুলার গণতন্ত্রকামী জনগণের কাছেও গ্রহণযোগ্য নয়।’

    বিবৃতিতে বলা হয়, কাশ্মীরের সংখ্যাগুরু মুসলিম জনগোষ্ঠীকে সংখ্যালঘুতে পরিণত করা ও সম্পত্তির ব্যাপক হস্তান্তরের ভবিষ্যত নীল নকশা নিয়ে অগ্রসর হলে তা সংশয়, সংঘাত ও উগ্রবাদী তৎপরতাকে ক্রমাগত বাড়িয়ে তুলবে। এমনকি সন্ত্রাসবাদী নানা অপশক্তির নাক গলানোরও সুযোগ করে দিতে পারে। কাশ্মীরের বিশেষত্ব বাতিল করে এক অভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংহতি বিধানের যুক্তি হাজির করা হলেও লুকানো উদ্দেশ্য অধীনস্ত করা। এর মধ্য দিয়ে দমন-পীড়ন অসমতা নতুন মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে এবং বহু রাজ্যে নতুন বিতর্কের জন্ম দেবে।

    আসাম পরিস্থিতি নিয়েও বাংলাদেশের জনগণের উদ্বেগের কারণ রয়েছে বলে জানান বাসদ সাধারণ সম্পাদক। তিনি ভারতের সকল গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল জনগণের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি রেখে বাংলাদেশের জনগণকে সেক্যুলার গণতান্ত্রিক শক্তি-নির্ভর সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

  • ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করছে পাকিস্তান

    ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করছে পাকিস্তান

    অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের জেরে পারমাণবিক অস্ত্রধারী প্রতিবেশী দুই চিরবৈরী প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান-ভারতের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়েছে। সোমবার ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের প্রস্তাব পাস হওয়ার পর থেকে দুই দেশের মাঝে উত্তেজনা শুরু হয়।

    ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের দুদিন পর পাকিস্তানে জাতীয় সুরক্ষা কমিটির (এনএসসি) এক বৈঠকে বুধবার ইসলামাবাদে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে ভারতে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে ইসলামাবাদে ফেরত নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে ওই বৈঠকে।

    ইসলামাবাদে বুধবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সভাপতিত্বে জাতীয় সুরক্ষা কমিটির (এনএসসি) ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভারতের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাতিল ও কূটনৈতিক সম্পর্ক হ্রাসের সিদ্ধান্ত হয়।

    বৈঠকের পর পাক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাতীয় সুরক্ষা কমিটির বৈঠকে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া কূটনৈতিক সম্পর্কও কমিয়ে আনার লক্ষ্যে ভারত থেকে ইসলামাবাদের রাষ্ট্রদূত ফেরত এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়।

    প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দেশটির সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে ও কাশ্মীর ইস্যুতে নজরদারি অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

    দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি বলেন, আমাদের রাষ্ট্রদূত আর নয়াদিল্লিতে অবস্থান করবেন না এবং তাদের রাষ্ট্রদূতকে ইসলামাবাদ থেকে ফেরত পাঠানো হবে। বৈঠকে ভারত অধিকৃত কাশ্মীরের মর্যাদা বাতিল ও ভারতের একতরফা এবং বেআইনি পদক্ষেপ ও সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পাকিস্তান-ভারত দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ের পর্যালোচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনএসসি। একই সঙ্গে ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস জম্মু-কাশ্মীরিদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে পালন করা হবে।

    বৈঠকে ভারতীয় নির্মম বর্ণবাদী শাসন, নীলনকশা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা প্রকাশ করতে সম্ভাব্য সব ধরনের কূটনৈতিক চ্যানেলকে সক্রিয় করার নির্দেশ দিয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল ও বেসামরিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

  • ফিলিপাইনে ৬২২ মৃত্যু, ডেঙ্গুকে জাতীয় মহামারি ঘোষণা

    ফিলিপাইনে ৬২২ মৃত্যু, ডেঙ্গুকে জাতীয় মহামারি ঘোষণা

    ডেঙ্গুতে অন্তত ৬২২ জনের মৃত্যু এবং দেড় লক্ষাধিক মানুষ আক্রান্ত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ডেঙ্গুকে জাতীয় মহামারি ঘোষণা করেছে ফিলিপাইন। এডিস মশা থেকে সংক্রমিত রোগটিতে চলতি বছর রেকর্ড পরিমাণ মানুষ আক্রান্ত হওয়ার পর ডেঙ্গুকে জাতীয় মহামারি ঘোষণা করলো দেশটি।

    বিবিসির এক প্রতিবেদনে ফিলিপাইনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের শুরু থেকে গত ২০ জুলাই পর্যন্ত মহামারি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে কমপক্ষে ১ লাখ ৪৬ হাজার মানুষ, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯৮ শতাংশ (প্রায় দ্বিগুণ) বেশি।

    কর্মকর্তারা বলছেন, গোটা দেশে ডেঙ্গুর পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ মনোযোগ প্রয়োজন বলে ডেঙ্গুকে জাতীয় মহামারি ঘোষণা করা হয়েছে। তারা বলছেন, বেশকিছু এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে জরুরিসেবা প্রয়োজন। প্রসঙ্গত, ডেঙ্গু হলো এডিস মশাবাহিত একটি ফ্লু; তবে মাঝে মাঝে এটি প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে।

    সাম্প্রতিক দশকগুলোতে গোটা বিশ্বে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। এমন তথ্য জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। গত মাসে ফিলিপাইন সরকার ডেঙ্গু মোকাবিলায় জাতীয় ডেঙ্গু সতর্কতা জারি করে। কিন্তু তাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পেরে জাতীয় মহামারি ঘোষণা করা হলো।

    ফিলিপাইনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ফ্রান্সিসকো ডুক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে জাতীয় ডেঙ্গু মহামারি ঘোষণা করা হয়েছে। কারণ এর মাধ্যমে ওইসব এলাকা চিহ্নিত করে বিশেষ জরুরিসেবা দিতে হবে এবং মহামারি ডেঙ্গু মোকাবিলায় জরুরি তহবিল গঠন করবে স্থানীয় সরকার।’

    ফিলিপাইনে মহামারি ডেঙ্গুর কবলে সবচেয়ে বেশি ভুগছে দেশটির ওয়েস্টার্ন ভিসিয়াস অঞ্চল। সেখানে এখন পর্যন্ত ২৩ হাজার মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে। এ ছাড়া তালিকায় থাকা অন্য অঞ্চলগুলো হলো কালাবারজোন, জামবোয়াঙ্গা পেনিনসুলা এবং নর্দার্ন মিনাদানো। তিন সপ্তাহ ধরে দেশটির সাতটি অঞ্চল মহামারি পর্যায়ের ওপর দিয়ে যাচ্ছে।

  • কাশ্মীর নিয়ে আলোচনায় বৈঠক ডেকেছে ওআইসি

    কাশ্মীর নিয়ে আলোচনায় বৈঠক ডেকেছে ওআইসি

    ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে মঙ্গলবার এক বৈঠক ডেকেছে অরগ্যানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি)। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দফতর মঙ্গলবার জানিয়েছে, জেদ্দায় ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

    সোমবার ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) কাশ্মীরের ওপর থেকে বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয়ার ঘোষণা দেয়। ফলে বিজেপি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এই সিদ্ধান্তে বদলে গেছে জম্মু ও কাশ্মীরের মর্যাদা।

    প্রায় সাত দশক ধরে কাশ্মীরের জনগণ এর আওতায় ছিল। জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ এবং ৩৫-এ অনুচ্ছেদ বাতিল করা হয়েছে। প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাবলে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা হারাতে হলো জম্মু ও কাশ্মীরকে।

    এক টুইট বার্তায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশী
    কাশ্মীর ইস্যুতে আজকের বৈঠকে পাকিস্তানকে তুলে ধরবেন।

    জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ভারত যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাকে নিন্দনীয় এবং অবৈধ বলে উল্লেখ করে মোহাম্মদ ফয়সাল জানিয়েছেন, নিয়ন্ত্রণ রেখার বিষয়ে আজ জেদ্দায় ওআইসির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে গত রোববার ওআইসির তরফ থেকে জম্মু-কাশ্মীরে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

    সোমবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয় যে, জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা-সংক্রান্ত সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলে ভারতের ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, কাশ্মীর আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবেই পরিচিত।

    ভারত সরকারের এমন এক তরফা পদক্ষেপ এই বিতর্কিত অবস্থানকে পরিবর্তন করতে পারবে না বলেও উল্লেখ করা হয়। ভারতের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ন্ত্রণ রেখার জনগণ এবং পাকিস্তান কখনও মেনে নেবে বলেও ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই বিতর্কিত অঞ্চলের অংশ হিসেবে ভারতের অবৈধ পদক্ষেপ রুখতে সব ধরনের বিকল্প উস্থাপন করবে পাকিস্তান। কাশ্মীর উপত্যকা নিয়ে আলোচনা করতে পাকিস্তানের বিভিন্ন ধর্মীয় নেতা এবং রাজনৈতিক সংগঠনগুলো ওআইসিকে আহ্বান জানিয়েছে।

    ভারত বিশ্বের শান্তি নিয়ে ধ্বংসাত্মক খেলায় মেতে উঠেছে বলেও উল্লেখ করা হয়। এসব সংগঠন এবং নেতৃত্বের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে, দক্ষিণ এশিয়ার দেড় বিলিয়নেরও বেশি মানুষ ওই অঞ্চলে ভারতের আগ্রাসনের কারণে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে।

  • না ফেরার দেশে সুষমা স্বরাজ

    না ফেরার দেশে সুষমা স্বরাজ

    ভার‌তের সা‌বেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ মারা গে‌ছেন। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৯টার দি‌কে রাজধানী নয়া‌দি‌ল্লির অল ইন্ডিয়া ইন‌স্টি‌টিউট অব মে‌ডিক্যাল সা‌য়েন্স হাসপাতা‌লে শেষনিশ্বাস ত্যাগ ক‌রেন তি‌নি।

    হাসপাতা‌লের চি‌কিৎসক‌দের বরাত দি‌য়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এন‌ডি‌টি‌ভি এ তথ্য নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছে। এন‌ডি‌টি‌ভি বল‌ছে, সোমবার সন্ধ্যার দি‌কে অসুস্থ বোধ ক‌রেন সা‌বেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী। প‌রে প‌রিবা‌রের সদস্যরা তাকে হাসপাতা‌লে নি‌য়ে যান। সেখা‌নে চি‌কিৎসাধীন অবস্থায় হৃদয‌ন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হ‌য়ে মারা ৬৭ বছর বয়সী এই প্রবীণ রাজনী‌তিক।

    southeast

    এদি‌কে তার মৃত্যু‌তে গভীর শোক প্রকাশ ক‌রে‌ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মো‌দি, রাষ্ট্রপ‌তি রামনাথ কো‌বিন্দসহ দেশ‌টির বি‌ভিন্ন দ‌লের নেতারা। তার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরপরই বি‌জেপি নেতা ‌নিতীন গদকরী, রাজনাথ সিং, স্মৃ‌তি ইরা‌নিসহ আরো অ‌নে‌কেই অল ইন্ডিয়া ইনস্টি‌টিউট অব মে‌ডি‌কেল সা‌য়েন্স হাসপাতা‌লে ছু‌টে গে‌ছেন।

    এ‌দি‌কে, মৃত্যুর এক‌দিন আগে সোমবার ভার‌তের রাজ্যসভায় কাশ্মী‌রের বি‌শেষ মর্যাদা সংক্রান্ত সং‌বিধা‌নের অনু‌চ্ছেদ ৩৭০ বা‌তিল হয়ে যাওয়ার পরপরই টুইটা‌রে দেয়া এক টুইটে প্রধানমন্ত্রী ন‌রেন্দ্র মো‌দির ভূয়সী প্রশংসা ক‌রে‌ছি‌লেন সা‌বেক এই বি‌জে‌পি দলীয় মন্ত্রীর। টুই‌টারে সুষমা স্বরাজ ব‌লেন, ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী। আপনা‌কে অ‌নেক অ‌নেক ধন্যবাদ। আমার জীবদ্দশায় আজ‌কের দিন‌টি দেখার অ‌পেক্ষায় ‌ছিলাম।

  • হজ পালনে গিয়ে মক্কায় বরিশালের মজিবুরের মৃত্যু

    হজ পালনে গিয়ে মক্কায় বরিশালের মজিবুরের মৃত্যু

    অনলাইন ডেস্ক :

    সৌদি আরবের পবিত্র মক্কায় হজ পালন করতে গিয়ে আরো এক বাংলাদেশি মারা গেছেন।

    নিহত হজযাত্রী হলেন- বরিশাল জেলার উজিরপুরের বাসিন্দা মজিবুর রহমান খান (৬৩)।

    আজ শনিবার এই বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মক্কার বাংলাদেশ হজ কার্যালয়।

    এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে হজ পালন করতে গিয়ে ২৯ বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাঁদের মধ্যে ২৬ জন পুরুষ ও তিনজন নারী।

    এদিকে আজ সকাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ৩২১টি ফ্লাইটে মোট এক লাখ ১২ হাজার ৬০৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।

  • সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহা ১১ আগস্ট

    সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহা ১১ আগস্ট

    সৌদি আরবে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সে হিসাবে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রথম দিন উদযাপিত হবে আগামী ১১ আগস্ট।

    পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় হজ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১০ আগস্ট। বৃহস্পতিবার সৌদি সুপ্রিম কোর্ট এ ঘোষণা দেয়।

    সাধারণত সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পরই বাংলাদেশে ঈদ ও কোরবানি উৎসব পালন করা হয় থাকে। সে হিসাবে বাংলাদেশে ১২ আগস্ট ঈদুল আজহা হতে পারে।

    সর্বোপরি ঈদুল আজহা তথা কোরবানির ঈদ চাঁদ দেখার ওপরই নির্ভরশীল। বাংলাদেশে ২ আগস্ট চাঁদের সন্ধান করা হবে।

    এদিকে গত বুধবার বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি ১২ আগস্ট পবিত্র ঈদুল আজহা তথা কোরবানির ঈদ পালিত হতে পারে বলে জানিয়েছে।

  • একসঙ্গে মা হলেন একই হাসপাতালের ২০ নার্স

    একসঙ্গে মা হলেন একই হাসপাতালের ২০ নার্স

    অনলাইন ডেস্ক :

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক শিশু হাসপাতালে ২০ জন নার্স মা হয়েছেন। মা হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন আরও ১৬ জন। ইতোমধ্যে শিশু কোলে এসব নার্সদের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়।

    চলতি বছরের জুনে ফেসবুকে পেজে একটি ছবি প্রকাশ করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ছবিটিতে কোনো কোনো নার্সকে বাচ্চা কোলে দেখা যাচ্ছে, আবার কারো শরীরে দেখা যাচ্ছে মাতৃত্বের লক্ষণ। এখনও পর্যন্ত ২০টি শিশু জন্মগ্রহণ করেছে, যার মধ্যে দুইজন মেয়ে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বাকি ১৬ শিশু জন্ম নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। নার্সদের এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে খুব বেশি সময় লাগেনি।

    প্রভাবশালী মার্কিন গণমাধ্যমপ্রতিষ্ঠান এবিসির ‘গুড মর্নিং আমেরিকা’ অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই হাসপাতালের একজন নার্স অ্যালিসন রনকো রসিকতা করে বলেছেন, এখানকার রোগীরা মজা করে বলে থাকেন, যখন আপনার মা হতে ইচ্ছা করবে, শুধু তখনই এই হাসপাতালের পানি পান করবেন। রনকো ৭ জানুয়ারি একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।

    হাসপাতালটির নাম চিল্ড্রেন মেরস ক্যানসাস সিটি। সার্চ জায়ান্ট গুগলের মতে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের সেরা শিশু হাসপাতাল। গত বছর হাসপাতালটির ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের ৩৬ জন নার্স একসঙ্গে গর্ভবর্তী হন। ওই বছর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ‍নিজ থেকেই বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানায়।

    হাসপাতালটির ওই নার্সরা বলেছেন, তারা সবাই একে অপরের সাহায্য করেন এবং একে অপরের বাচ্চাদের দেখাশোনা করেন।

  • ঘুমন্ত শিশুটিকে কোলে করে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর শিরশ্ছেদ (ভিডিও)

    ঘুমন্ত শিশুটিকে কোলে করে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর শিরশ্ছেদ (ভিডিও)

    অনলাইন ডেস্ক :

    রেল স্টেশনে মায়ের পাশে গভীর ঘুমে মগ্ন ছিল তিন বছরের মেয়ে শিশুটি। এ সময় এক যুবক এসে শিশুটিকে মায়ের পাশ থেকে তুলে নিজের কোলে নেয়। তখনও ওই যুবকের কোলে গভীর ঘুমে শিশুটি। কিন্তু এই গভীর ঘুম থেকে এক নির্মম পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে চিরঘুমে যেতে হবে, তা হয়তো শিশুটি টেরও পায়নি।

    ওই যুবকের সঙ্গে আরো দুই সঙ্গী ছিল। শিশুটিকে ঘুমন্ত অবস্থায় তুলে নিয়ে যাওয়ার পর গণধর্ষণ করে ওই তিন যুবক। নির্মমতার শেষ এখানেই নয়, গণধর্ষণের পর তিন বছরের এই শিশুর শরীর থেকে মাথা আলাদা করে তারা।

    এই নির্মম ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ভারতের ঝাড়খণ্ড প্রদেশে। ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঘুমন্ত শিশুকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর শিরশ্ছেদের ঘটনায় রাজ্যে ব্যাপক তোলপার শুরু হয়।

    এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ঝাড়খণ্ড পুলিশ। সন্দেহভাজন এই তিন ধর্ষকের একজন হলেন রিঙ্কু সাহা; যিনি ২০১৫ সালে একটি শিশুকে অপহরণের পর হত্যা চেষ্টার দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে ছিলেন। সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।

    গ্রেফতার রিঙ্কু এবং তার বন্ধু কৈলাস পুলিশকে বলেছেন, তারা শিশুটিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর সারাদিন গণধর্ষণ করেছেন। অনবরত কান্না করায় শিশুটিকে গলা টিপে হত্যা করেন তারা।

    মঙ্গলবার জামশেদপুর রেলস্টেশন থেকে চার কিলোমিটার দূরে একটি ময়লার ভাগাড়ের কাছে প্ল্যাস্টিকের ব্যাগের মধ্যে শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়। কিন্তু শরীরের সঙ্গে ছিল না মাথা। শিশুটির মাথা এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

    গত শুক্রবার জামশেদপুরের টাটানগর রেলস্টেশনে মায়ের পাশে ঘুমাচ্ছিল শিশুটি। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিল সে। রেলস্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হাফ প্যান্ট ও টি-শার্ট পরিহিত এক যুবক রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মের পাশে ঘুমিয়ে থাকা শিশুটিকে কোলে তুলে নিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। এই যুবক রিঙ্কু সাহা ছিলেন বলে ধারণা পুলিশের।

    এর কয়েক ঘণ্টা পর শিশুটির মা থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। সেখানে তিনি সন্দেহভাজন হিসেবে তার জীবনসঙ্গীর কথা পুলিশকে জানান। পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ায় তার স্বামীর বাসা। কিছুদিন আগে তাকে তালাক দিয়ে জামশেদপুরে আসেন এই নারী।

    এই রেলওয়ে স্টেশন থেকে মনু মন্ডল নামের এক ব্যক্তিকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে স্টেশন থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যার সঙ্গে মনুও জড়িত।

    প্রধান সন্দেহভাজনকে ধরতে সিসিটিভি ফুটেজের সহায়তা নিয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী। রিঙ্কু সাহা সাংবাদিকদের বলেন,আমি শুধুমাত্র শিশুটিকে তুলে নিয়ে গিয়েছি। এটা আমার ভুল হয়েছে। আমি পড়ে গিয়েছিলাম এবং ভয় পেয়েছিলাম।

    রিঙ্কু সাহার মা একজন পুলিশ সদস্য। এর আগেও একই ধরনের অপরাধের দায়ে কারাদণ্ড ভোগ করেছেন তিনি। তিন সন্তানের বাবা এই সাহা এর আগে অনেক শিশুকে অপহরণ এবং যৌন নিপীড়ন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    জামশেদপুর টাটানগর রেলস্টেশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এহতেশাম ওয়াকুয়ারিব বলেন, শিশুটির মাথা খুঁজে বের করার জন্য স্নাইফার ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করা হচ্ছে। শিশুটির মরদেহের ক্ষত দেখে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে।

    সূত্র : এনডিটিভি।

     

  • ২৩ বছর জেলখেটে মুক্তি পেলো নির্দোষ ৪ কাশ্মীরি মুসলিম

    ২৩ বছর জেলখেটে মুক্তি পেলো নির্দোষ ৪ কাশ্মীরি মুসলিম

    বোমা বিস্ফোরণ ঘটনায় ১৯৯৬ সালের গ্রেফতার হওয়া ৪ কাশ্মীরিসহ পাঁচ মুসলিম বেকসুর খালাস পেলেন। বিনা অপরাধে তাদের জীবন থেকে চলে গেলো ২৩টি বছর। নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় ভারতের রাজস্থানের উচ্চ আদালত তাদের মুক্তি দেয়।

    ঘটনার বিবরণে জানা যায়, জয়পুর-আগ্রা হাইওয়েতে এবং দিল্লিতে পৃথক দুটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ১৯৯৬ সালে কাশ্মীরের আব্দুল গনি, আলি ভাট, লতিফ আহমেদ ও নিগার বাগসহ আগ্রার একজনকে গ্রেফতার করে। বিনা অপরাধে তারা জেল খাটেন দীর্ঘ ২৩ বছর।

    ২৩ বছরের কারাজীবনে তাদের জীবনের অনেক হিসেব-নিকেষই পাল্টে গেছে। যৌবনকাল হারিয়ে তারা এখন বার্ধক্যে। শরীরে বেঁধেছে নানান রোগ। এ ঘটনায় আরো অনেক মুসলিমই সন্দেহজনকভাবে গ্রেফতার হন। বিস্ফোরণ ঘটনার মূল আসামি আব্দুল হামিদের ফাঁসির রায়ের সঙ্গে যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত হন পাপ্পু ওরফে সালিম। যা আদালত বহাল রেখেছে।

    রাজস্থানের হাইকোর্টে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়া সেই পাঁচ সদস্য জেল থেকে বেরিয়ে নিজ নিজ বাড়ি ফিরে যান। তাদের মধ্যে আব্দুল গনি ও আলি তুলে ধরেন তাদের কষ্টের কথা।

    আব্দুল গনি বলেন, ‘দ্বীন প্রচারের ‘আল্লাহওয়ালা’ নামের একটি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। যারা শুধু ধর্ম প্রচারে কাজ করতো। দিল্লি একটি মসজিদে তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলাম। সেখান থেকে বিশাখাপত্তম। বিশাখাপত্তম ৪০ দিন দ্বীনের প্রচার কাজে সময় দিয়ে দিল্লি ফেরার পথে ট্রেন থেকে আমাদের আটক করা হয়। কাশ্মীরে বাড়ি ও মুসলিম পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই তারা আমাদের গ্রেফতার করে।’

    আব্দুল গনি আরো জানান, ‘গ্রেফতারের পরদিন আহমেদাবাদের পুলিশ স্টেশনে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তারা বুঝতে পারে যে, আমরা নির্দোষ। তরুণ এক পুলিশ অফিসার আমাদের ছেড়ে দেয়ার কথা বলে। কিন্তু পুলিশ স্টেশনের ডেপুটি পুলিশ সুপার আমাদের আরো একদিন রেখে দিতে বলেন। সেই একদিন শেষ হতে হারিয়ে গেছে আব্দুল গণিদের জীবনের ২৩টি বছর।

    আলি জানায়, ‘সে সময় দিল্লিতেও একটি বিস্ফোরণ ঘটে। সে ঘটনায় একজন কাশ্মীরিকে খুঁজছিল পুলিশ। গ্রেফতার হওয়ার পর পুলিশের কাছে আমরা বার বার বলেছিল যে, আমরা নির্দোষ। কিন্তু পুলিশ আমাদের সে কথায় কান দেয়নি।

    আলি আরও বলেন, আমার মনে বার বার প্রশ্ন এসেছিল, শুধুই কি কাশ্মীরি হওয়ার কারণেই এ গ্রেফতার ও অত্যাচার। আমাদের কথার কেউ গুরুত্ব দেয় না। ভারতের বিভিন্ন কারাগারে স্থানান্তর করতে লাগলো আমাদের। বেঁচে থাকার সব ইচ্ছেই ছেড়ে দিয়েছিলাম।

    সে আরও জানায়, ২৩ বছর আগে যখন গ্রেফতার হই, তখন আমি ১৯ বছরের যুবক। এতো বছর পর আমার গোটা পৃথিবীটাই বদলে গেছে। আমার বেঁচে থাকাই এখন নিরর্থক। জীবনের মূল্যবান সময় ও বাবা-মা কাউকেই পেলাম না।