Category: আন্তর্জাতিক

  • প্রিয়া সাহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে

    প্রিয়া সাহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশের নাগরিক প্রিয়া সাহা যে তথ্য দিয়েছেন, তা অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এমন মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। আজ শনিবার সকালে, ধানমন্ডিতে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রিয়া সাহা যে অভিযোগগুলো করেছেন সেগুলো কোথায় ঘটেছে এমন কোন তথ্য নেই আমাদের কাছে। সে কোন উদ্দেশ্য হাসিলের জন্যই এমন কাজ করেছেন বলে আমাদের মনে হয় এবং কি উদ্দেশ্যের কারণে এমনটা করেছেন সেটাও আমাদের জানতে হবে।

    দেশে ফেরার পর প্রিয়া সাহাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও জানান তিনি।

    সম্প্রতি চীন, তুরস্ক, উত্তর কোরিয়া, মিয়ানমারসহ ১৬টি দেশে সাম্প্রদায়িক নিপীড়নের শিকার হওয়া মানুষদের কয়েকজনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল হোয়াইট হাউসে। গত ১৬ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেন তারা। ট্রাম্প যখন একে একে সবার বক্তব্য শুনছিলেন তখন বাংলাদেশি পরিচয় দিয়ে প্রিয়া সাহা জানান, বাংলাদেশে হিন্দু,বৌদ্ধ ও খ্রীস্টানরা নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে। তাদের রক্ষা করতে এবং বাংলাদেশে তারা থাকতে চায় বলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সহযোগিতা চান তিনি।

    এদিকে, প্রিয়া সাহার ওই বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

    এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। এই ঘটনা কেন ঘটলো তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।

  • ব্রিটিশ তেল ট্যাংকার আটক করল ইরান

    ব্রিটিশ তেল ট্যাংকার আটক করল ইরান

    ব্রিটিশ মেরিন ইউনিটের হাতে জিব্রাল্টার প্রণালিতে ইরানি তেল ট্যাংকার আটকের জবাবে এবার হরমুজ প্রণালিতে ২৩ জন নাবিকসহ দেশটির একটি তেল ট্যাংকার আটক করেছে ইরানি রেভ্যুলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

    আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করায় ব্রিটিশ তেল ট্যাংকারটি আটক করা হয় বলে আইআরজিসি’র দাপ্তরিক ওয়েবসাইট সেপাহনিউজ জানিয়েছে।

    ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, দুদশের পাল্টাপাল্টি ড্রোন ভূপাতিত করা এবং জিব্রাল্টায় ইরানি তেল ট্যাংকার আটকে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যেই এ ঘটনা ঘটল।

    আইআরজিসি জানায়, হরমোজগান পোর্টস অ্যান্ড ম্যারিটাইম অর্গানাইজেশনের অনুরোধে ‘আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করায়’ স্টেনা ইম্পেরো ট্যাংকারটি আটক করে রেভ্যুলিউশনারি গার্ড। আইন ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তদন্তের জন্য এটি সংগঠনটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    আলজাজিরা জানায়, ‘ছোট নৌযান এবং হেলিকপ্টার’ ব্যবহার করে শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ট্যাংকারটি আটক করা হয়। ট্যাংকারটির সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন এটির মালিক স্টেনা বাল্ক এবং নর্দান মেরিন ম্যানেজমেন্ট।

    ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, “উপসাগরে এ ধরনের একটি ঘটনার খবর পেয়ে আমরা জরুরি ভিত্তিতে আরও তথ্য চেয়েছি এবং পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছি।”

    এদিকে ঘটনার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনায় নিরাপত্তা বৈঠকে বসেছেন ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেরেমি হান্ট। তিনি ইরান কর্তৃক নৌযান আটকের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

    গত সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের মেরিন ইউনিটের সদস্যদের সহায়তায় জিব্রাল্টার কর্মকর্তারা ইরানি সুপার-ট্যাংকার গ্রেস ১ জব্দ করে। তখন ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে ‘কঠোর’ পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেয় তেহরান।

    এরপর পারস্য উপসাগর থেকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় ব্রিটিশ হেরিটেজ ট্যাংকার আটকের চেষ্টা করেছিল আইআরজিসি। তবে ওই এলাকায় থাকা একটি ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ থেকে সতর্কবার্তা পাঠানো হলে পিছু হটে আইআরজিসি সদস্যরা।।

  • দেশদ্রোহী হিসেবে প্রিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে

    দেশদ্রোহী হিসেবে প্রিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে

    সংখ্যালঘুদের নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার দেয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘প্রিয়া সাহা যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সম্পূর্ণ অসত্য, মিথ্য ও বানোয়াট। এ বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্যে উগ্রবাদীদের উৎসাহিত করে। এ ছাড়া তার এ বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহী। দেশদ্রোহী হিসেবে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

    আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শনিবার দুপুরে আয়োজিত যৌথসভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘প্রিয়া সাহার বক্তব্য প্রসঙ্গে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তার এ কথার সঙ্গে কেউ একমত নন। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কে দিতে তিনি এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। বাংলাদেশের মানুষ সাম্প্রদায়িকতাকে ঘৃণা করে।’

    তিনি বলেন, ‘দেশদ্রোহী হিসেবে প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ প্রসেস শুরু হয়ে গেছে।’

    আরেক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে অনেক মানুষ চলাচল করে। সবাইকে তো চেনা সম্ভব না। কেউ যদি ভিড়ের মধ্যে কোনো নেতার সঙ্গে ছবি তোলে তাহলে কি আওয়ামী লীগ নেতার দোষ? এটা একান্তই তার নিজস্ব বিষয়।’

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, দলের উপদফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

    প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুলাই ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার ২৭ ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে ১৬ দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহাও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান।

    বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতা প্রিয়া সাহা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান নিখোঁজ রয়েছেন। দয়া করে আমাদের লোকজনকে সহায়তা করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই।’

    তিনি আরও বলেন, ‘এখন সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছে। আমরা আমাদের বাড়িঘর খুইয়েছি। তারা আমাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, তারা আমাদের ভূমি দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বিচার পাইনি।’

    প্রিয়া সাহার এ বক্তব্য নিয়ে সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ দেশজুড়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

  • ফেসঅ্যাপ নিয়ে এফবিআই’র তদন্ত চান মার্কিন সিনেটর

    ফেসঅ্যাপ নিয়ে এফবিআই’র তদন্ত চান মার্কিন সিনেটর

    চেহারা পরিবর্তনের আলোচিত অ্যাপ ফেসঅ্যাপ নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই’র তদন্ত চালানো উচিত বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সিনেটর চউক শুমার। এই অ্যাপের মাধ্যমে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

    বিবিসি জানায়, ২০১৭ সালে একটি রুশ কোম্পানির রিলিজ করা ফেসঅ্যাপ সম্প্রতি ভাইরাল হয়ে পড়ে।

    ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রামে এই অ্যাপের মাধ্যমে সবাই বাড়িয়ে নিচ্ছেন নিজের বয়স। দুই এক দশক পর নিজেকে দেখতে কেমন লাগবে, সেটি যাচাই করতে নেটিজেনদের মধ্যে রীতিমতো হুড়োহুড়ি পড়ে গেছে।

    প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, এই অ্যাপ ব্যবহারে ব্যক্তিগত তথ্য বেহাত হয়ে যাচ্ছে। একইভাবে ডেমোক্র্যাট সিনেটর চউক শুমার টুইটারে এক বিবৃতিতে মার্কিন নাগরিকদের ফেসঅ্যাপ নিয়ে সতর্ক করেছেন।

    এই অ্যাপের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য ‘বিদেশি শত্রু দেশের’ কাছে চলে যেতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই-কে দিয়ে এর তদন্ত করার জন্য মার্কিন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

    মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ফোর্বস জানায়, ২০১৭ সালে রিলিজ হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ১০ কোটি মানুষ গুগল প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপ ডাউনলোড করেছে। ১২১টি দেশে আইওএস অ্যাপ স্টোরে এখন শীর্ষে ফেসঅ্যাপ। সব মিলিয়ে ১৫ কোটিরও বেশি মানুষ স্মার্টফোনে এই অ্যাপ ব্যবহার করে নিজের বয়স বাড়িয়ে নিয়েছেন।

    ওয়ারলেস নামক একটি রুশ কোম্পানি এই অ্যাপ রিলিজ করে। সেন্ট পিটার্সবার্গ ভিত্তিক কোম্পানিটি এক বিবৃতিতে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, অ্যাপটি স্থায়ীভাবে কোনো ছবি সংরক্ষণ করে না। এ ছাড়া কোনো তথ্যও তারা সংগ্রহ করে না। শুধু ব্যবহারকারীদের নির্বাচিত ছবিই এডিট করে তারা আপলোড করে থাকে।

    ওয়ারলেস আরও দাবি করে, এই অ্যাপের মূল গবেষণা রাশিয়া থেকে করা হলেও ইউজারদের কোনো তথ্য সেই দেশে পাঠানো হয়নি।

    তবে টেক বিশেষজ্ঞরা এই অ্যাপ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। প্রযুক্তিবিদ জোশুয়া নোজ্জি টুইটারে এই অ্যাপটি সম্পর্কে একটি পোস্ট দিয়েছেন। তিনি বলছেন, ফোনের ফটো গ্যালারিতে অ্যাপটিকে অ্যাকসেস দেওয়ার পর এটি ধীরে ধীরে স্মার্টফোনের সব ছবির তালিকা প্রস্তুত করা শুরু করে।

    প্রযুক্তি বিষয়ক মার্কিন ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেকে গ্যালারিতে বিভিন্ন ব্যাংকিং হিসাবের স্ক্রিনশট রেখে দেন। থাকে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছবি। অ্যাপ দিয়ে এডিট করার সময় এসব ব্যক্তিগত ছবি এবং স্ক্রিনশট সরিয়ে ফেলা উচিত।

  • বাংলাদেশের অবস্থান জানেন না ট্রাম্প!

    বাংলাদেশের অবস্থান জানেন না ট্রাম্প!

    ২০১৭ সালে প্রায় ১১ লাখ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিককে আশ্রয় দিয়ে রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছিল বাংলাদেশ। মিয়ানমারে গণহত্যার খবর যেমন বিশ্ব গণমাধ্যমে ফলাও করে ছাপা হয়েছে তেমনি নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পাশে থাকায় বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসাও করেছে গোটা বিশ্ব।
    কিন্তু কোথায় বাংলাদেশ? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাস্প জানেন না এর অবস্থানের কথা।

    গত বুধবার (১৭ জুলাই) হোয়াইট হাউজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার বিশ্বের ১৯টি দেশের ২৭ জন মানুষের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। এই ২৭ জনের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতা প্রিয়া সাহা ও কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে যাওয়া এক রোহিঙ্গা নাগরিক।

    এই কথোপকথনের একটি ভিডিও এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। সেখানে প্রিয়া সাহাকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অবস্থা সম্পর্কে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে অভিযোগ করতে দেখা গেছে। এমনকি বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের বাঁচাতে তিনি ট্রাম্পকে অনুরোধও করেন।
    শুরুতেই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ দেন প্রিয়া সাহা। ইংরেজিতে তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। সেখানে ৩৭ মিলিয়ন হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশেই বসবাস করতে চাই। এখনও সেখানে ১৮ মিলিয়ন সংখ্যালঘু মানুষ বাস করছেন। আমার অনুরোধ, দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশে বাস করতে চাই। আমি আমার বাড়ি হারিয়েছি, তারা আমার ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে, আমার জমি দখল করে নিয়েছে কিন্তু এখনও এর কোনো বিচার হয়নি।’

    এ পর্যায়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানতে চান, এসব ঘটনা কারা ঘটাচ্ছে?
    জবাবে প্রিয়া সাহা বলেন, ‘ইসলামি মৌলবাদী গোষ্ঠী। তারা সবসময়ই রাজনৈতিক ছত্রছায়া পেয়ে আসছে।’
    এসময় ট্রাম্প তার এক কর্মকর্তার কাছে প্রশ্ন রাখেন, ‘আমরা কী ওই এলাকায় আমাদের হেলিকপ্টার ল্যান্ড করেছি ?’
    এসময় বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবির থেকে সেখানে যাওয়া এক রোহিঙ্গা নাগরিক নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আকুতি জানান। তিনি বলেন, আমরা সবাই নিজ দেশে ফিরে যেতে চাই।’

    এরপর ট্রাম্প জানতে চান, রোহিঙ্গা নাগরিকটি যে দেশের কথা বলছেন সেটা কোথায়?
    তখন হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা তাকে জানান, মিয়ানমারের পাশেই বাংলাদেশ নামে ওই দেশটি অবস্থিত।
    এই ভিডিও প্রকাশের পর থেকে প্রিয়া সাহার বক্তব্য নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে তেমনি সমালোচনার হাত থেকে রেহাই মিলছে না ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও। বাংলাদেশকে বা বাংলাদেশের অবস্থান তিনি জানেন না, এই বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না অন্তত বাংলাদেশি নেটিজেনরা। বিভিন্নভাবে ট্রাম্পকে নিয়ে ট্রল করছেন তারা।
    অন্যদিকে, প্রিয়া সাহার অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে শুরু করেছেন বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রীরাও।
    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহা যে নালিশ করেছে তা চক্রান্তের অংশ ছাড়া আর কিছু নয়।

    গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।
    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নালিশ সংক্রান্ত ভিডিওটি দেখলাম। তিনি যে অভিযোগ করেছেন এ ধরনের ঘটনা বাংলাদেশে ঘটেনি। ওই নারী কখনও এ ব্যাপারে আমাদের কাছে আসেননি। কিংবা পুলিশ প্রশাসনের কাছেও যাননি। আমাদের পুলিশ প্রশাসন অত্যন্ত সজাগ থাকে যাতে কোনো সংখ্যালঘু নির্যাতনের শিকার না হন।

  • জয় শ্রী রাম বলানোর জন্য যুবককে মারধর

    জয় শ্রী রাম বলানোর জন্য যুবককে মারধর

    ভারতের মহারাষ্ট্রের মারাঠওয়াড়া অঞ্চলে মুসলিম যুবককে মারধর করে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে বাধ্য করছিলে কয়েকজন। এ সময় তার কাছে থাকা মোটরসাইকেলের চাবিও কেড়ে নেয় ওই হামলাকারীরা। পরে তার চিত্‍কার শুনে বাইরে বেরিয়ে আসেন স্থানীয় এক হিন্দু দম্পতি। তাণ্ডবের হাত থেকে ওই মুসলিম যুবককে রক্ষা করলেন তারা। তাদের প্রতিবাদেই ওই যুবককে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় হামলাকারীরা।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, মারধরের শিকার ইমরান ইসমাইল পটেল পেশায় একজন রেস্তোঁরা কর্মী। শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ কাজ সেরে নিজের মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথেই আরো কয়েকটি মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন তাকে ধাওয়া করে। পরে তাকে নামিয়ে মারধর করা হয়। ‘জয় শ্রী রাম’ বলতে বাধ্যও করা হয় তাকে। মোটরবাইকের চাবিও কেড়ে নেয় হামলাকারীরা।

    ইমরানের চিত্‍কার শুনে বাইরে বেরিয়ে আসেন স্থানীয় এক হিন্দু দম্পতি। তারাই মারধর করা থেকে আটকান ওই হামলাকারীদের। একজন পাথর তুলে ইমরানের মাথায় মারার চেষ্টা করে, তাতেও বাধা দেন ওই দম্পতি। তাদের চেষ্টাতেই মোটরসাইকেলের চাবি ফির পান ইমরান।

    এদিকে ইমরানের অভিযোগের ভিত্তিতে ১০ জনকে খুঁজছে স্থানীয় পুলিশ।

  • প্রিয়া সাহা, একজন ভারতীয় দালাল!

    প্রিয়া সাহা, একজন ভারতীয় দালাল!

    অনলাইন ডেস্ক :

    ৩৭ মিলিয়ন সংখ্যালঘু গুম হওয়ার অভিযোগ তুলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্পের কাছে নালিশ দিয়েছেন বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহা।

    যে ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তোলপাড় চলছে।

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার এই অভিযোগ যে ডাহা মিথ্যা, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

    কেননা বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বের বহু দেশেই নেই। প্রিয়া সাহা যে অভিযোগ করেছেন, তা একটু বিশ্লেষণ করলেই এটি যে মিথ্যা তার প্রমাণ মেলে।

    তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান নিখোঁজ রয়েছেন। দয়া করে আমাদের লোকজনকে সহায়তা করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই।’

    এরপর তিনি বলেন, ‘এখন সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছে। আমরা আমাদের বাড়িঘর খুইয়েছি। তারা আমাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, তারা আমাদের ভূমি দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বিচার পাইনি।’

    এখানে কথা হচ্ছে, বাংলাদেশে কি আসলেই এতো সংখ্যক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোক স্বাধীনতা পরবর্তী কোনো কালে ছিলো বা আছেন কিনা।
    প্রিয়া সাহা

    উইকিপিডিয়ার সর্বশেষ তথ্য মতে, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটির কিছু উপরে। এরমধ্যে ৯০ ভাগ অর্থাৎ ১৪ কোটি ৪০ লাখের মতো মুসলিম। বাকি ১ কোটি ৬০ লাখের কিছু বেশি সংখ্যক অন্যধর্মের। এর মধ্যে ৮ দশমিক ৫ ভাগ (১ কোটি ৩৬ লাখের মত) হিন্দু, বৌদ্ধ ০ দশমিক ৬ ভাগ (৯ লাখ ৬০ হাজার), খ্রিস্টান ০ দশমিক ৪ ভাগ (৬ লাখ ৪০ হাজার) এবং আদিবাসী রয়েছেন ০ দশমিক ১০ ভাগ ।

    সব মিলিয়ে বাংলাদেশে হিন্দু, বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষের সংখ্যা দাঁড়ায় দেড় কোটির মতো।

    ১৯৭৫ সালে মুসলিম ছিলো ৮৬ ভাগ, হিন্দু ১৩.২ ভাগ, খ্রিস্টান এবং বৌদ্ধ ছিলো ০.৩ ভাগে করে। ১৯৯০ সালে মুসলিম ৮৯ ভাগ, হিন্দু ১০, খ্রিস্টান ০.৪ এবং বৌদ্ধ ০.৫ ভাগ।

    এ হিসেবে বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান নিখোঁজ রয়েছেন প্রিয়া সাহার এমন অভিযোগ ডাহা মিথ্যা ছাড়া আর কী হতে পারে?

    তিনি আরো বলেছেন ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু বর্তমানে বাংলাদেশে রয়েছে, এ সংখ্যাটাও তথ্যভিত্তিক নয়। হ্যা, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর দু-চারটি নিপীড়ণের ঘটনা যে ঘটেনি তা কিন্তু নয়। অবশ্যই ঘটেছে, তবে তার পরিমাণ এবং ভয়াবহতা অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় একেবারেই নগণ্য। বিশেষ করে আমাদের প্রতিবেশি দেশ ভারতে মুসলিম নিধনের তুলনায় তো নগণ্য বটেই।

    প্রিয়া সাহা যদি বিষয়টিকে তথ্যের ভিত্তিতে সাধারণভাবে তুলে ধরতেন তাহলে প্রশ্ন উঠতো না। কিন্তু তিনি যেভাবে বিষয়টিকে উপস্থাপন করেছেন তাতে প্রশ্ন দেখা দেয় আসলে তার এই পদক্ষেপের পেছনে অন্য কোনো রাষ্ট্রের বা সম্প্রদায়ের ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না। যদি থেকে থাকে সেটি কারা?

    একটা কথা এখানে বলে রাখা ভালো- এই ধরণের চতুর মানুষগুলো (প্রিয়া সাহর মত) খুব ভালো করেই জানেন, কোনো বিষয়কে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে উপযুক্ত জায়গায় উপস্থাপন করতে পারলে বিশ্বের অনেক মানুষ আছেন যারা বিচার-বিশ্লেষণ না করেই বিশ্বাস করে নেবেন। এবং তাদের সেই বিশ্বাসের ওপর ভর করে নিজেদের ফায়দা লুটে নেবেন প্রিয়া সাহার মত মানুষেরা।

    এখন কথা হচ্ছে প্রিয়া সাহার এই মিথ্যা অভিযোগের পেছনে কারা থাকতে পারে? বিষয়টি নিয়ে খুব সাধারণ বিশ্লেষণে আসা যাক।

    আমাদের প্রতিবেশী ভারতের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, বেশ কয়েক বছর ধরে সেখানে মুসলিম সম্প্রদায় ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। মোদি সরকার দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসার পর নির্যাতনের পরিমাণ আরো বেড়ে গেছে। নির্যাতন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, প্রকাশ্যে মুসলিমদের দিয়ে ‘জয় শ্রী রাম’ বলানো হচ্ছে। না বললে একরকম ঘোষণা দিয়েই পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। তাদের আচরণ এমন ‘হয় তোমরাও হিন্দু হয়ে যাও অথবা মরো।

    তাদের এই জঘন্য সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষ সবসময়ই সোচ্চার থেকেছে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকলেও বাংলাদেশের জনগণ তাদের এই সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সবসময়ই সোচ্চার এবং সামাজিক মাধ্যমে এর তীব্র প্রতিবাদ অব্যহত রেখেছে। বলতে গেলে ভারতের সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম দেশের তুলনায় বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ অনেক বেশি প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করে। এই বিষয়টি ভারত কোনো সময়ই খুব ভালো চোখে দেখেনি।

    এবার হয়তো তারই প্রতিশোধ বা পাল্টা আক্রমণ হিসেবে বাংলাদেশে দুর্নাম করতে উঠেপড়ে লেগেছে ভারত।

    এক্ষেত্রে কাজে লাগানো হয়েছে প্রিয়া সাহার মত কিছু ব্যক্তিকে। যারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্র বানিয়ে ভারতের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করছে। কেননা বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের তকমা লাগানো ভারতের পেটের মধ্যে বসবাস করে বাংলাদেশ সব দিক দিয়ে এগিয়ে যাবে এটা তারা কখনোই চায় না। তারা সবসময়ই চায় ছোট্ট বাংলাদেশ সবসময় তাদের আজ্ঞাবহ হয়ে থাকবে। অথচ দিনকেদিন উন্নয়নের প্রায় সকল সূচকে ভারতকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তাই বাংলাদেশের শরীরে সাম্প্রদায়িকতার দাগ লাগিয়ে দেওয়ার এই অপচেষ্টা।

    তাছাড়া বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এদেশের সমাজ, সংস্কৃতি, রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, প্রশাসন, বিচার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন সর্বক্ষেত্রেই হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ অন্যান্যরা সংখ্যাগুরু মুসলিম নাগরিকদের মতই সমান সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন। মুসলমানরা কোন বর্ণভেদ প্রথা এবং জাত-পাতে বিশ্বাস করেন না। এদেশে পহেলা বৈশাখে হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে উৎসব পালন ছাড়াও ঈদ ও পূজা-পার্বনে হিন্দু-মুসলিমরা পরস্পরকে শুভেচ্ছা জানান।

    বাংলাদেশের এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মূলে ফাটল ধরাতেই হয়তো উঠেপড়ে লেগেছে তৃতীয় পক্ষটি।

    এদিকে প্রিয়া সাহা যে অন্য কোনো রাষ্ট্র বা সম্প্রদায়ের দালাল তার প্রমাণ মেলে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি রানা দাশগুপ্তর বক্তব্যে।

    তিনি বলেছেন, সংগঠন থেকে তিনজন প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে, যেখানে প্রিয়া সাহার নাম নেই। কিন্তু ওই সম্মেলনে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের একজন জেনারেল সেক্রেটারি পরিচয়েই গিয়েছেন প্রিয়া সাহা।

    মার্কিন গণতন্ত্র, রাজনৈতিক ও মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন ফ্রিডম হাউস ২৭ প্রতিনিধির তালিকা তুলে ধরেছেন। তালিকার ১৮ নম্বরে প্রিয়া বিশ্বাস সাহার নাম রয়েছে।

    রানা দাশগুপ্ত বলেন, তার সংগঠন থেকে তিনজন প্রতিনিধিকে ওয়াশিংটনের ওই সম্মেলনে পাঠানো হয়েছিল। তারা হলেন, পরিষদের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অশোক বড়ুয়া ও নির্মল রোজারিও এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্মল চ্যাটার্জী

    তিনি বলেন, এর বাইরে আমাদের কোনো প্রতিনিধি ছিলেন না। প্রিয়া সাহা আমাদের সংগঠনের ১১ জন সাংগঠনিক সম্পাদকের একজন। তবে তিনি ওই প্রতিনিধি দলে সদস্য ছিলেন না।

    রানা দাশগুপ্ত বলেন, প্রিয়া যে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন, তা তিনি জেনেছেন শুক্রবার গণমাধ্যম থেকে।

    তাহলে তালিকায় যদি প্রিয়া সাহার নামই না থাকে তিনি সেখানে সকলের অগোচরে কিভাবে গেলেন? নিশ্চই শক্তিশালী কোনো তৃতীয় পক্ষের হাত রয়েছে এখানে?বিষয়টি গভীরভাবে ভেবে দেখা প্রয়োজন।

    এদিকে ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে বাংলাদেশ সরকারও। প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

    তিনি বলেন, ভদ্রমহিলার নাম হলো প্রিয়া সাহা। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করে যেভাবে বলেছেন সারা বাংলাদেশ আজ বিস্ময় প্রকাশ করেছে। এ ধরনের ঘটনা আমি তো বটেই…আমি আজকে সাড়ে পাঁচ বছর হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ ধরনের কোনো ঘটনা আমরা কিন্তু জানি না।

    তিনি আরো বলেন, ‘আমার মনে হয় এ ধরনের অসত্য খবর দেয়ার পেছনে নিশ্চয়ই একটা কারণ থাকতে পারে। তার একটা উদ্দেশ্য থাকতে পারে। সেই উদ্দেশ্যটা কী সেটাও দেখার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা তাকে অবশ্যই জিজ্ঞাসা করব- কখন কোথায় কীভাবে হলো এটা? নিশ্চয়ই তিনি একটা উত্তর দেবেন, সেই অনুযায়ী আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।

    এছাড়া প্রিয়া সাহার বক্তব্য আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ উল্লেখ করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে প্রিয়া সাহা যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

    ইতিমধ্যে তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় আনতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। তার এমন মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যোগাযোগ করছে। সমস্ত বক্তব্য তথ্য-প্রমাণ তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কে এই প্রিয়া সাহা?
    বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ -খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির একজন সাংগঠনিক সম্পাদক এ প্রিয়া সাহা। এছাড়াও তিনি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ‘শারি’-এর নির্বাহী পরিচালক হিসেবেও দায়িত্বরত ।

    তার গ্রামের বাড়ী পিরোজপুর জেলার চরবানিরীর মাটিভাঙ্গা নাজিরপুর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন প্রিয়া। রোকেয়া হলে থাকতেন তিনি। প্রিয়া সাহা নামে পরিচিত হলেও তার প্রকৃত নাম প্রিয়া বালা বিশ্বাস।

    সে সময় তিনি ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি ‘মহিলা ঐক্য পরিষদ’এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

    বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য গতবছর তাকে মহিলা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

    বর্তমানে ‘শারি’ এনিজিও সংস্থার মাধ্যমে প্রিয়া নিজ এলাকার দলিত সম্প্রদায়কে নিয়ে কাজ করেন।

    এছাড়া ২০১৯ সালের ১২ জুন তিনি ‘দলিত কণ্ঠ’ নামের একটি মাসিক পত্রিকার ছাড়পত্র নেন। পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে তার নামই রয়েছে। কোটি কোটি টাকা বিদেশী অনুদান লুটপাটের আশাতেই তিনি এই পত্রিকাটিকে ব্যবহার করতে চাচ্ছেন বলে জানিয়েছে কয়েকটি সূত্র।

    ‘দলিত কণ্ঠ’ সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে প্রিয়া সাহা অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ করেছেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বার্থ বিরোধী কোনো সংবাদ তিনি পরিবেশন করবেন না। কিন্তু পত্রিকাটির ডিক্লারেশন পাওয়ার মাত্র ১ মাসের মধ্যেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে রাষ্ট্র বিরোধী বক্তব্য দিয়ে এসেছেন।

    তার স্বামী মলয় সাহা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক। কয়েক বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রিয়া সাহার দুই মেয়ে বসবাস করছেন। কিছুদিন পূর্বে সেখানে যান প্রিয়া সাহা।

    এদিকে প্রিয়া সাহার দুই মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশুনা করার কারণে তাদের গ্রিনকার্ড পাইয়ে দেওয়া ও নিজে ওই দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার আশায় তিনি ট্রাম্পের কাছে এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন বলেও মনে করছেন অনেকে।

  • প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক

    প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক

    অনলাইন ডেস্ক :

    কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করা হয়েছে। ভারতের উত্তরপ্রদেশে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ১০ জন খুন হওয়ার ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে তাকে আটক করা হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক অনলাইন প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।

    গত বুধবার উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রা গ্রামে জমি নিয়ে সংঘর্ষের জেরে গুলিবিদ্ধ হয়ে যে ১০ জন নিহত হন তাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে আজ শুক্রবার সেখানে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু মাঝপথে তাকে আটক করা হয়। উত্তরপ্রদেশে অপরাধ বৃদ্ধি ও আইনের শাসন নেই বলে রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সমালোচনা করেন প্রিয়াঙ্কা।

    সোনভদ্রা যাওয়ার পথে তাকে আটক করা হলে মির্জাপুর নামক এলাকার রাস্তায় বসে পড়েন প্রিয়াঙ্কা। তার সঙ্গে থাকা অন্য কংগ্রেস কর্মীরাও তার পাশেই বসে পড়েন। তাদের ঘিরে থাকেন প্রিয়াঙ্কার নিরাপত্তারক্ষীরা। প্রিয়াঙ্কা সেখান থেকে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে আটক করে সরকারি গাড়িতে তোলা হয়

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এসময় বলেন, ‘যাদেরকে নির্মমভাবে মেরে ফেলা হয়েছে আমি শুধু তাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলাম। আমার ছেলের বয়সী একটি ছেলেকেও গুলি করা হয়েছে এবং সে এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। আমাকে বলুন, কোন আইনে আমাকে এভাবে আটকে দেয়া হল।

    প্রিয়াঙ্কা ওই এলাকায় পৌঁছানোর আগেই জানা যায়, সোনভদ্রায় যেকোনো ধরনের সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন যে, তাকে বলা হয়েছে তিনি গাড়ি করে বারানসি থেকে সোনভদ্রা যেতে পারবেন না। সরকারি গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বলেন, ‘আমি জানি না তারা আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। আমরা যেকোনো জায়গায় যেতে রাজি।’

    শুক্রবার সকালেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা আসন বারানসিতে পৌঁছান প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সেখান থেকে তিনি সোনভদ্রা কাণ্ডে আহতদের দেখতে স্থানীয় হাসপাতালে যান। গত বুধবার উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রায় জমি নিয়ে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ১০ জন নিহত হন। এ ছাড়া আরও ২৪ জন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

  • ক্রিকেট কোনো খেলা নয় : বলছে রাশিয়া

    ক্রিকেট কোনো খেলা নয় : বলছে রাশিয়া

    বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা কোনটি? নিঃসন্দেহে ফুটবল। কিন্তু ফুটবলের পরের জায়গাটি যদি কোনো খেলার থাকে, তবে সেটা ক্রিকেট। বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় জনপ্রিয় খেলা ক্রিকেট।

    ভারতীয় উপমহাদেশে তো এই ক্রিকেটটা রীতিমতো উপাসনার মতো, ভীষণ জনপ্রিয়। এ খেলায় হারজিতের খবরে অনেকের হার্ট অ্যাটাক কিংবা আত্মহত্যায় মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে।

    তবে বিশ্বের দ্বিতীয় জনপ্রিয় এই খেলাকে খেলা মানতেই নারাজ রাশিয়া। আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই দেশটি ক্রিকেটকে খেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। রাশিয়ান ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এক স্মারকলিপিতে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।

    মজার ব্যাপার হলো, রাশিয়া নিবন্ধিত খেলার তালিকায় আছে আইস স্টক, কার্লিং, কর্ফবলের মতো অপরিচিত নামগুলো। কিন্তু নেই ক্রিকেট।

    গত ১৫ জুলাই সোমবার রাশিয়ায় ক্রীড়ামন্ত্রী পাভেল কলোকভ স্বাক্ষরিত এক স্মারকলিপিতে উল্লেখ আছে, ‘ক্রিকেটকে একটি খেলা হিসেবে স্বীকৃতি না দেয়া’র বিষয়টি।

    রাশিয়ান ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ক্রিকেটের সঙ্গে স্বীকৃত খেলার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে থাই বক্সিংকেও। যেটি ‘মুয়াই থাই’ নামে জনপ্রিয়।

  • মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে কি না অক্টোবরে জানাবে আইসিসি

    মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে কি না অক্টোবরে জানাবে আইসিসি

    রোহিঙ্গা ইস্যুতে অফিসিয়ালি তদন্ত শুরুর আগে বাংলাদেশের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করতে চায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশে সফররত আইসিসি প্রতিনিধি দলের প্রধান জেমস স্টুয়ার্ট। তিনি আইসিসির উপ-কৌঁসুলি।

    মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করবেন কি না সে বিষয়ে আইসিসি চলতি বছরের অক্টোবরে সিদ্ধান্ত নেবে বলেও জানান তিনি। আইসিসির এ উপ-কৌঁসুলি বলেন, সমঝোতা স্মারকের বিষয়ে আলোচনা চলছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ইতিবাচক জবাব এসেছে।

    জেমস স্টুয়ার্ট বলেন, ‘আমরা আইসিসিতে তথ্য উপাত্ত জমা দেব। এরপর আইসিসি সিদ্ধান্ত নেবে এ বিষয়ে অফিসিয়ালি তদন্ত করবে কি না। এটা সম্পূর্ণ আইসিসি ও এর বিচারকদের এখতিয়ার।’

    তিনি বলেন, মিয়ানমার আইসিসির সদস্য না হলেও বাংলাদেশ সদস্য। ফলে এ দেশের সীমানায় সংঘটিত যেকোনো অপরাধের তদন্ত আইসিসি করতে পারে।

    ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর রাখাইন থেকে মাত্রাতিরিক্ত বল প্রয়োগের মাধ্যমে লাখ লাখ সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার সময় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতারবিরোধী কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কি না, সে সম্পর্কে তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রতিনিধিরা মঙ্গলবার ঢাকায় আসেন।

    তিনদিনের এ সফরে বাংলাদেশ সফররত আইসিসি প্রতিনিধি দলটি গতকাল বুধবার (১৭ জুলাই) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হকের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    জানা যায়, রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা আর মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তের বিষয়ে বাংলাদেশের কাছ থেকে আইসিসিতে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এসব বৈঠকে। তারা কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী এলাকা পরিদর্শন করে।

    রোহিঙ্গাদের জোর করে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে তাড়িয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ হয়েছে কি না -তা নিয়ে তদন্তের এখতিয়ার এবং এ নিয়ে ব্যবস্থা নিতে ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল প্রাক-বিচারিক আদালতে আবেদন জানান আইসিসির কৌঁসুলি ফেতু বেনসুদা।

    চলতি বছরের মার্চে বাংলাদেশ সফরে এসে আইসিসির তথ্যানুসন্ধানকারী দল গণহত্যা আর মানবতাবিরোধী অপরাধ চালিয়ে রোহিঙ্গাদের যেভাবে রাখাইন থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তা বিশ্বাস করার যৌক্তিক কারণ খুঁজে পেয়েছে। ফেতু বেনসুদা রোহিঙ্গা বিতাড়নের তদন্তে বিচারিক অনুমতি চেয়ে গত ৪ জুলাই প্রাক-বিচারিক আদালতের কাছে অনুরোধ জানান। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এ প্রতিনিধি দলটি ঢাকায় এসেছে।

    এক প্রশ্নের জবাবে জেমস স্টুয়ার্ট বলেন, আইসিসি এখনও মিয়ানমার যায়নি। তবে আমরা রাখাইনে যাওয়ার চেষ্টা করব। বিচারকার্য শুরু হলে মিয়ানমারকে আহ্বান জানাব যাতে বিচারকাজে অংশগ্রহণ করে। এভাবে প্রক্রিয়াটি চলতে থাকবে।

    তিনি বলেন, আমরা কোনো রাজনৈতিক বিতর্ক বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভেতরে প্রবেশ করতে পারি না। আইসিসির ম্যান্ডেট শুধু আইনগত। আমাদের রাজনৈতিক ভূমিকা পালনের কোনো সুযোগ নেই।

    জেমস স্টুয়ার্ট বলেন, আইসিসি স্থায়ী এবং স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। যদি আমরা এ ইস্যুতে তদন্তের অনুমতি পাই, তাহলে আইন অনুযায়ী কাজ করব। স্বাধীনভাবে, পক্ষপাতিত্বহীনভাবে কাজ করাই আমাদের মূলনীতি।