Category: আন্তর্জাতিক

  • আইফোন বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নিকাণ্ড

    আইফোন বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নিকাণ্ড

    হাতে মোবাইল নিয়ে নিজের ঘরের বিছানায় বসে কাজ করছিল ১১ বছরের এক কিশোরী। আচমকা সে দেখে, হাতের ফোনটি থেকে আগুনের ফুলকি বের হচ্ছে। তৎক্ষনাৎ ফোনটি বিছানায় ছুড়ে ফেলে দেয়। মোবাইলের মাধ্যমে বিছানায় থাকা কম্বলে আগুন লাগে।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি বাড়িতে ঘটেছে এই ঘটনা। ঘটনার শিকার ওই কিশোরী বলে, ‘আমি বিছানায় বসে ফোনটি ব্যবহার করছিলাম। ঠিক তখনই আমার ফোনে আগুনের ফুলকি চোখে পড়ে। আমি তৎক্ষণাৎ ফোনটি কম্বলের উপর ছুড়ে ফেলে দিই। তারপর সেটি জ্বলতে শুরু করে।’

    নাম প্রকাশে ওই কিশোরীর মা মারিয়া আদাতা অ্যাপলের সাপোর্ট সেন্টারে ফোন করে অভিযোগ জানালে পুড়ে যাওয়া ফোনটির ছবি তুলে স্থানীয় খুচরা ব্যবসায়ীর কাছে সেটি জমা দিতে বলা হয়। আইফোন কর্তৃপক্ষ বলছে, ‘আনঅথরাইজ (অনুমোদনহীন) চার্জিং কেবল এবং চার্জার ব্যবহারের কারণে আগুন লাগতে পারে।’

    কিশোরীর মা আরও অভিযোগ তুলে বলেন, ‘আমার মেয়ের বড় তো যেকোনো ধরনের বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারত। যদি তার হাতে থাকা অবস্থায় ফোনটিতে আগুন লাগতো তাহলে তো ওর শরীর পুড়ে যেতে পারত। আমি ভাগ্যবান যে আমার মেয়ে এখনও সুস্থ আছে।’

    মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের তৈরি ‘সর্বাধুনিক’ আইফোনে আগুন লাগার অভিযোগ এটাই প্রথম নয়। গত বছরের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের এক বাসিন্দার পিছনের পকেটে থাকা আইফোন বিষ্ফোরিত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ফোনটি মাত্র তিন সপ্তাহ ব্যবহার করেছিলেন তিনি।

  • গভীর সমুদ্রে ডুবুরির কাছে মাছের সাহায্য আবেদন

    গভীর সমুদ্রে ডুবুরির কাছে মাছের সাহায্য আবেদন

    সাগরের প্রাণী মানটা রে। এরা ব্যাটোডিয়া উপবর্গের বড় পাখনাবিশিষ্ট ‘রে’ মাছের একটি প্রজাতি। গত বৃহস্পতিবার এই মাছের মানুষের কাছে সাহায্য চাওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইনে। তাতে দেখা যায়, একটি স্ত্রী মানটা রে এক ডুবুরির কাছে বারবার ঘেঁষছে। আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে নয়, বরং খুব শান্ত ও বিপদাপন্ন আকুতিতে।

    বিপদাপন্ন মাছটির আহ্বানে সাড়া দিয়ে ডুবুরি জেক উইলটন কাছে গিয়ে দেখতে পান, মাছটির ডান চোখে একটি বড়শি আঁটা। তিন মিটার প্রশস্ত প্রকাণ্ড মাছটির কাছে গিয়ে সাহায্য করতে একটু ভেবে নেন ডুবুরি। এটির চোখ থেকে শক্ত করে আঁটা বড়শিটি খুলতে কয়েকবার ভাসা-ডোবা করতে হয় তাঁকে। তিনি প্রতিবারই ডুব দিয়ে অবাক হন, মাছটি একই জায়গায় স্থির থেকে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছে।

    পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার কোরাল বে শহরের বিশ্ব ঐতিহ্য-ঘোষিত স্থান নিঙ্গালু রিফের কাছেই ঘটনাটি সম্প্রতি ঘটেছে। পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করেছেন মনটি হিল নামের আরেক ডুবুরি। নিঙ্গালু রিফ এলাকাটি মানটা রে মাছেদের বিশ্রামের জায়গা বলে পরিচিত। মানটা রে মাছেরা সেখানে আসে ছোট ছোট মাছেদের কাছে গা পরিষ্কার করে নিতে। এই মাছেরা বেশ বুদ্ধিমান হয় এবং প্রজাতির অন্য মাছকে আলাদা করে চিনতে পারে। তাদের পাখা ২০ ফুট পর্যন্ত ছড়াতে পারে। মানুষের জন্য তারা ক্ষতিকর নয়।

    জেক উইলটনের কাছে সাহায্য চাওয়া রে মাছটির গায়ে মেছতার মতো দাগ ছিল। এ কারণে তিনি আদর করে এর নাম দিয়েছেন ‘ফ্রেকলস’ (মেছতা)। তিনি বলেন, মাছটি সুস্থ আছে। হয়তো সাগরে পরেরবার দেখা হলে তাঁকে চিনতে পারবে সে।

  • বাংলাদেশ সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার তিন চুক্তি সই

    বাংলাদেশ সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার তিন চুক্তি সই

    বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ব্যবসা বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ, কূটনীতি ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঢাকা ও সিউলের মধ্যে আজ তিনটি চুক্তি সই হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রোববার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী লী নাক ইয়োনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠক শেষে ইনিস্ট্রুমেন্টগুলো স্বাক্ষর হয়। দুই প্রধানমন্ত্রী ইনিস্ট্রুমেন্ট স্বাক্ষর অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করেন।

    ইনিস্ট্রুমেন্টগুলো হচ্ছে- (এক) কোরিয়ার পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল ডিপ্লোম্যাটিক একাডেমী এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফরেন সার্ভিস একাডেমীর মধ্যে সহযোগিতা বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর। (দুই) বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ কোরিয়া মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষে কোরীয় ট্রেড ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন এজেন্সি এবং বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভলোপসেন্ট অথরিটির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর। (তিন) বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির সংক্রান্ত বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়।

    দক্ষিণ কোরিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লী তায়েহো এবং বাংলাদেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমীর প্রিন্সিপাল সৈয়দ মাসুদ মাহমুদ খন্দকার প্রথম এমওইউতে স্ব স্ব পক্ষে স্বাক্ষর করেন। কোরিয়ার বাণিজ্য বিনিয়োগ প্রমোশন এজেন্সির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়ং ওহ এবং বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট অথরিটির নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল হক দ্বিতীয় এমওইউতে স্ব স্ব পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

    দক্ষিণ কোরিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লী তায়েহো এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল স্ব স্ব পক্ষে তৃতীয় এমওইউতে স্বাক্ষর করেন।

  • বাংলা ভাষায় ‘আচরণবিধি’ প্রকাশ আল কায়েদার, টার্গেট পশ্চিমবঙ্গ

    বাংলা ভাষায় ‘আচরণবিধি’ প্রকাশ আল কায়েদার, টার্গেট পশ্চিমবঙ্গ

    জঙ্গি গোষ্ঠী আল কায়েদা ভারতে তাদের বিস্তৃতি ঘটাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। বাংলাসহ একাধিক ভাষায় আচরণবিধি প্রকাশ করেছ জঙ্গি সংগঠনটি। একটি অডিও বার্তায় সংগঠনটির সদস্যদের কার্যকলাপের পন্থা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে আল কায়েদা।

    জানা গেছে, কেবল অডিও বার্তাই নয়, আল কায়েদার অন্যতম শীর্ষ নেতা আনওয়ার আল আওলাকির বিভিন্ন ভাষণ সঙ্কলিত করে বাংলায় ‘দ্য বুক অব জেহাদ’ নামে একটি বই প্রকাশ করা হয়েছে। আওলাকির ভাষণের বাংলা অনুবাদ করে সিডিও তৈরি করেছে আল কায়েদা।

    সম্প্রতি ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়কে গোয়েন্দারা একটি রিপোর্ট পাঠিয়েছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতে আল কায়েদার সংগঠন বিস্তারে মূল লক্ষ্য দুটি এলাকা। প্রথমত কাশ্মীর এবং দ্বিতীয়ত পশ্চিমবঙ্গসহ বাংলাভাষী অধ্যুষিত এলাকা।

    একটি সূত্র বলছে, ভারতে আল কায়েদার সংগঠন বিস্তারের পরিকল্পনার বিষয়ে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ভারতকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে সতর্ক করেছে।

    এদিকে, আল কায়েদার নতুন আচরণবিধিতে, কীভাবে ফোন এবং ইন্টারনেটের নজরদারি এড়ানো সম্ভব বা কীভাবে নিজের মোবাইল ফোনে কোনও নির্দিষ্ট ফাইল গোপনে রাখা সম্ভব হবে তা বলা হয়েছে।

    গোয়েন্দা সূত্র বলছে, ইসলামিক স্টেটকে টেক্কা দিতে নেটদুনিয়ায় বিপুল প্রচার অভিযান শুরু করেছে আল কায়েদা। সংগঠনটি বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জেহাদের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে।

    ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, চিহ্নিত করে সেই সাইটগুলো বন্ধ করা হলে ফের অন্য নামে জেহাদি ওয়েবসাইট খুলছে আল কায়েদা। এর মধ্যে এক ডজনের বেশি ওয়েবসাইট রয়েছে বাংলায়। ওয়েবসাইটগুলোতে আল কায়েদার মতাদর্শ থেকে শুরু করে সংগঠনের শীর্ষ জেহাদি নেতাদের আরবি বক্তব্যকে বাংলায় অনুবাদ করে প্রচার করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে শেকড় আরও দৃঢ় করতে উঠে পরে লেগেছে আল কায়েদা।

  • অ্যাপের মাধ্যমে ভিক্ষা নিচ্ছেন চীনের ভিক্ষুকরা!

    অ্যাপের মাধ্যমে ভিক্ষা নিচ্ছেন চীনের ভিক্ষুকরা!

    অনলাইন ডেস্ক :

    চীনের ভিক্ষুকরা নগদ টাকায় ভিক্ষা নিচ্ছেন না। প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে তারা অ্যাপের মাধ্যমে ভিক্ষা গ্রহণ করছেন তারা।

    সম্প্রতি প্রকাশিত কয়েকটি ছবিতে দেখা গিয়েছে, চীনের প্রত্যেক ভিখারির গলায় ঝোলানো রয়েছে নির্দিষ্ট কিউআর কোডযুক্ত ব্যাজ। সেই কোড স্ক্যান করে নিজের ইচ্ছামতো অর্থ ওই ভিখারির ই-ওয়ালেটে ট্রান্সফার করছেন দাতারা
    চীনা ভিক্ষুকরা ব্যবহার করছেন আলিবাবা সংস্থার তৈরি আলি পে অ্যাপটি। অনেকে আবার ব্যবহার করছেন উইচ্যাট ওয়ালেট। সবক্ষেত্রেই ব্যবহারের নিয়ম একই। কিউআর কোড স্ক্যান করে ই-ওয়ালেটে জমা করতে হবে নির্দিষ্ট অর্থ।

  • ডিম বাঁচাতে ট্রাক্টরের সামনে দাঁড়ালো ছোট্ট পাখি!

    ডিম বাঁচাতে ট্রাক্টরের সামনে দাঁড়ালো ছোট্ট পাখি!

    মা তার সন্তানকে বাঁচাতে অনেক কিছুই করে। অনেকে জীবন দিয়ে তার সন্তানকে বাঁচায়। শুধু মানুষই না পশু-পাখি, জন্তু-জানোয়ার সবাই সন্তানের জন্য ত্যাগ শিকার করে। তারই উদাহরণ দেখা গেল চীনের উলানকাব শহরে।

    চীনের টেলিভিশন চ্যানেল সিজিটিএন সম্প্রতি একটি মর্মস্পর্শী ভিডিও সম্প্রচার করেছে। ভিডিওতে দেখা গেছে ছোট্ট একটি পাখি তার ডিমের দিকে এগিয়ে যাওয়া ট্রাক্টরকে থামাতে ডানা ঝাপটাচ্ছে। পরে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

    এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা গেছে, চীনের উলানকাব শহরের এক ব্যক্তি তার জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করতে যান। ওই মাঠে একটি পাখি ডিম পাড়ে। ট্রাক্টরটি যখন এগিয়ে যাচ্ছিল, তখন ডিম বাঁচাতে একটি ধূসর রঙের ছোট পাখি ট্রাক্টরের সামনে গিয়ে ডানা ঝাপটাতে থাকে।

    তৎক্ষণাৎ চালক ট্রাক্টরটি থামিয়ে ফেলেন। পরে সামনে গিয়ে পাখির ডিম দেখতে পান। তিনি বিষয়টি বুঝতে পারেন, মা পাখিটি তার ডিম রক্ষা করার জন্য তার ট্রাক্টরের সামনে ডানা ঝাপটাচ্ছিল।

    ট্রাক্টেরর চালক বিষয়টি হৃদয় দিয়ে অনুভব করেন। তিনি তখন ট্রাক্টর বন্ধ করে পাখির জন্য একটি পানির বোতল রেখে দেন।

    চালকটি পুরো বিষয়টি ভিডিও করে রাখেন। পরে তিনি স্যোসাল মিডিয়ায় আপলোড করেন। সঙ্গে সঙ্গে টুইটারে ৩০ হাজারের বেশি ভিউ হয়। এছাড়া চীনের স্যোসাল মিডিয়ায় ব্যাপক ছড়িয়ে পড়ে।

  • বিজেপিতে যোগ দিয়ে রাজনীতির খাতায় নাম লিখছেন ধোনি!

    বিজেপিতে যোগ দিয়ে রাজনীতির খাতায় নাম লিখছেন ধোনি!

    প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৮ রানের পরাজয়ে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে শিরোপার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে ভারতের। আর সেই সাথে ভারতীয় ক্রিকেটে মহেন্দ্র সিং ধোনি অধ্যায়েরও শেষ দেখছেন অনেকেই। বিশ্বকাপের আগে ধোনি নিজেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, এই বিশ্বকাপ খেলেই ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ইতি টানছেন ক্যাপ্টেন কুল নামে খ্যাত এই ক্রিকেটার।

    সেমিফাইনালে পরাজয়ের পরপরই গণমাধ্যমে গুঞ্জন শুরু হয়, যেকোনো সময়ই হয়তো আসতে পারে ধোনির অবসরের ঘোষণা। ক্রিকেট ছেড়ে দিলে কী করবেন টি-২০ এবং ওয়ানডে বিশ্বকাপ জেতা একমাত্র অধিনায়ক?

    বিশ্বকাপের আগে ভারতের সাবেক অধিনায়ক একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন। ভিডিওতে ধোনি বলেছিলেন, আপনাদের সবার সঙ্গে একটা গোপন কথা শেয়ার করতে চাই। ছোটবেলা থেকেই আমি সব সময় চেয়েছিলাম একজন শিল্পী হতে। অনেক ক্রিকেট খেলেছি। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যা চেয়েছিলাম সেটাই করার সময় হয়ে গিয়েছে। কয়েকটা ছবিও এঁকেছি।

    তবে এবার জানা যাচ্ছে একেবারেই ভিন্ন এক তথ্য। অবসরের পর নাকি ভারতের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দিয়ে রাজনীতির খাতায় নাম লিখিয়ে নতুন ইনিংস শুরু করতে যাচ্ছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি!

    ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিস হিন্দিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বিজেপি নেতা এবং সাবেক কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ মন্ত্রী সঞ্জয় পাসওয়ান বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি জানান, ধোনির বিজেপিতে যোগদানের বিষয়টি আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। ক্রিকেট থেকে অবসরের পরেই একটা সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

    সঞ্জয় পাসওয়ান বলেন, ধোনি আমার বন্ধু। সে বিশ্ববিখ্যাত একজন খেলোয়াড় এবং তাকে বিজেপিতে নেয়ার বিশয়ে পার্টির ভেতর আলোচনা চলছে।

    এর আগে ২০১৮ সালের ৫ আগস্ট ধোনির সঙ্গে নয়াদিল্লিতে দেখা করেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। সে সময় দলের ‘সম্পর্কের জন্য সমর্থন’ প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে তার সঙ্গে নিজে গিয়ে কথা বলেন বিজেপি সভাপতি। তখন তার হাতে বিজেপির প্রচারপত্র তুলে দেন তিনি।

  • উত্তাল সাগরে যেভাবে বেঁচে ফিরলেন ভারতীয় জেলে

    উত্তাল সাগরে যেভাবে বেঁচে ফিরলেন ভারতীয় জেলে

    উত্তাল সাগরে ঢেউয়ের সঙ্গে টানা চার দিন লড়াই করে বেঁচে ছিলেন ভারতীয় জেলে রবীন্দ্রনাথ দাস। ট্রলার ডুবে যাওয়ার পর বাঁশসহ ট্রলারের ভাসমান সরঞ্জাম ধরে ভেসে ছিলেন। তাঁর চোখের সামনে একে একে পানিতে তলিয়ে গেছেন ট্রলারের ১৪ জেলে। ভাসতে থাকা এই জেলেকে গত বুধবার উদ্ধার করেছিলেন বাংলাদেশি মালিকানাধীন কেএসআরএম গ্রুপের জাহাজ এমভি জাওয়াদের নাবিকেরা।

    জাহাজটি বন্দরের বহির্নোঙরে ফিরে আসার পর গতকাল শুক্রবার উদ্ধার হওয়া জেলেকে পতেঙ্গায় আনা হয়। পতেঙ্গায় বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি জেটিতে উদ্ধার করা জেলেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি করা হয়। সেখানে তিনি বর্ণনা দেন কীভাবে সাগরে লবণাক্ত পানি ও উত্তাল ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে ছিলেন।

    রবীন্দ্রনাথ দাস সাংবাদিকদের জানান, গভীর সাগরের ভারতীয় অংশে মাছ ধরতে গিয়ে খারাপ আবহাওয়ার কবলে পড়ে তাঁদের ট্রলারটি। শনিবার সকালে উত্তাল ঢেউয়ের মুখে পড়ে হঠাৎ ট্রলারটি উল্টে ডুবে যায়।

    রবীন্দ্রনাথ দাস আরও জানান, ডুবে যাওয়ার পর ট্রলারের ১৫ জনের সবাই বাঁশ ও ভাসমান সরঞ্জাম ধরে আড়াই দিনের মতো ভেসে ছিলেন। এরপর ঢেউয়ের কারণে সবাই আলাদা হয়ে যান। তিনি বাঁশ ধরে ভেসে ছিলেন। শেষ পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথ দাসকে উদ্ধার করার জন্য এমভি জাওয়াদের নাবিক, কেএসআরএম গ্রুপ, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। তাঁর বাড়ি ভারতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায়। এমভি জাওয়াদের ক্যাপ্টেন এস এম নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, ভারত থেকে ক্লিংকার নিয়ে তাঁরা চট্টগ্রাম বন্দরে ফিরছিলেন। বুধবার সকালে বন্দর সীমানার বাইরে কুতুবদিয়ায় একজনকে ভাসতে দেখেন তাঁরা। নিশ্চিত হওয়ার পর কেএসআরএম গ্রুপের কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন তাঁরা। এ সময় কোস্টগার্ড ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীকেও জানানো হয়। অনুমতি আদায় করার পর তাঁরা জাহাজ ঘুরিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন।

    কেএসআরএম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেরুল করিম বলেন, উদ্ধার জেলেকে কোস্টগার্ড কার্যালয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হবে। পরে দেশে ফেরার বিষয়ে প্রক্রিয়া শুরু হবে

  • মমতাকে কংগ্রেসের সভাপতি করার বিজেপির প্রস্তাব

    মমতাকে কংগ্রেসের সভাপতি করার বিজেপির প্রস্তাব

    কংগ্রেসের দায়িত্ব নিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের গণতন্ত্র বাঁচাতে এমন প্রস্তাব দিলেন বিজেপির রাজ্যসভার এমপি সুব্রহ্মণ্যম স্বামী।

    তার দাবি, বিজেপির একচেটিয়া রাজত্ব চললে বিপন্ন হবে দেশের গণতন্ত্র। ইউনাইটেড কংগ্রেসের সভানেত্রী হোন মমতা।

    ইউনাইটেড কংগ্রেস বলতে তিনি এনসিপি, কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসকে বুঝিয়েছেন।

    শুক্রবার টুইটারে সুব্রহ্মণ্যম স্বামী লেখেন, ‘গোয়া ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি দেখার পর আমার মনে হচ্ছে, দেশে একটাই দল বিজেপি থাকলে বিপন্ন হবে দেশের গণতন্ত্র।’

    তাহলে কী উপায়? এই প্রশ্ন রেখে তিনি আবার এর একটি সমাধানও দিলেন। স্বামী টুইটারে লিখেন, ‘ইতালিয়ান ও পরিবারের লোকেরা বিদায় নিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইউনাইটেড কংগ্রেসের সভানেত্রী করা হোক। কংগ্রেসের সঙ্গে মিশে যাওয়া উচিত এনসিপিরও।’

    ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সুব্রহ্মণ্যম স্বামী কংগ্রেসের অবস্থা বোঝাতে চেয়েছেন। গোয়ায় কংগ্রেসের ১৫ বিধায়কের মধ্যে ১০ জন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।

    অন্যদিকে, কর্নাটকে প্রথমে ১২ বিধায়ক ইস্তফা দিয়েছিলেন কর্নাটক বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে। যাদের অধিকাংশই ছিলেন কংগ্রেসের। এর পরবর্তী পর্যায়ে একাধিক কংগ্রেস বিধায়ক সেই পথ ধরেন। কার্যত সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছে কর্নাটকের কংগ্রেস জেডিইউ জোট সরকার। অন্যদিকে লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের ফল যেমন খারাপ, এনসিপির ফলও খারাপ। সেই তুলনায় ভালো ফল করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি বিরোধী রাজনীতিকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তাই কংগ্রেসের সঙ্গে এনসিপি এবং তৃণমূলের মিশে যাওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

  • শ্রমিককে হত্যার নির্দেশ, ফ্রান্সে সৌদি রাজকন্যার বিচার শুরু

    শ্রমিককে হত্যার নির্দেশ, ফ্রান্সে সৌদি রাজকন্যার বিচার শুরু

    শ্রমিককে হত্যার নির্দেশ দেয়ার অভিযোগে সৌদি রাজকন্যা যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বোন হাসা বিনতে সালমানকে (৪৩) ফ্রান্সের একটি আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে।
    হাসার বিরুদ্ধে অস্ত্র দিয়ে সহিংসতা এবং অপহরণে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। মিশরীয় বংশোদ্ভূত এক কর্মী ২০১৬ সালে রাজকন্যা ও তার দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করেন।

    বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ফ্রান্সের আদালত তাদের বিচার শুরুর নির্দেশ দিলেও সেখানে হাজির ছিলেন না রাজকন্যা। তবে দেহরক্ষী রনি সাইদি আদালতে হাজির ছিলেন।জানা গেছে, ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে প্যারিসে তার বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টের সংস্কার কাজের জন্য একজন শ্রমিক নিয়োগ করেন হাসা। ওই শ্রমিক মোবাইলে তার ছবি তুলেছেন এবং সেগুলো বিক্রির চেষ্টার মতলব এটেছিলেন।

    ছবিটি গণমাধ্যমের কাছে বিক্রি করতে চাওয়ার অভিযোগ এনে ওই শ্রমিককে হত্যার নির্দেশ দেন বলে হাসার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে।

    ওই কর্মী জানিয়েছেন, হাসা বিনতে সালমানের নির্দেশে তার দেহরক্ষী তাকে মারধর করেন এবং অপহরণের চেষ্টা চালান। ওই কর্মী আরও বলেন, তাকে নির্মমভাবে বেঁধে রাখা হয়েছিল এবং রাজকুমারীর পায়ের পাতায় চুম্বন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।

    ওই কর্মীর বরাত দিয়ে ফ্রান্সের লা পয়েন্ট নামের এক ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজকুমারী চিৎকার দিয়ে বলেছিলেন, ওকে মেরে ফেলো। এটা একটা কুকুর। ওর বাঁচার কোনো অধিকার নেই।

    অবশ্য সৌদি বাদশাহ’র মেয়ে তার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    ওই ঘটনায় দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সহিংসতা, চুরি এবং কারও ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধরে রাখার অভিযোগের তদন্ত চালানো হয়। রাজকন্যা হাসা বিনতে সালমানকেও তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই ফ্রান্স ছেড়ে চলে যান তিনি।

    পরে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন এক বিচারক। ধারণা করা হয়, ওই গ্রেফতারি পরোয়ানার কারণে তখন থেকে সৌদি আরবে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন তিনি।

    রাজকন্যার আইনজীবী এমানুয়েল মোয়েন জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে নিজের বাড়ি থেকে স্কাইপের মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন হাসা বিনতে সালমান।