Category: আন্তর্জাতিক

  • চুমু খেতে বাধ্য করে কাঠগড়ায় সৌদি রাজকন্যা

    চুমু খেতে বাধ্য করে কাঠগড়ায় সৌদি রাজকন্যা

    প্যারিসে এক সৌদি রাজকন্যা ও তার দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে এক ব্যক্তিকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রাজকন্যা তার দেহরক্ষীকে আদেশ দিয়েছিলেন এক ব্যক্তিকে প্রহার করতে; এমন অভিযোগ আনা হয়েছে রাজকন্যা ও তার দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে।

    যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বোন রাজকন্যা হাসা বিনতে সালমানের বিরুদ্ধে অস্ত্রসহ সহিংসতায় সহায়তা ও অপহরণে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০১৬ সালের এ ঘটনায় রাজকন্যার দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে এক ব্যক্তিকে জোরপূর্বক রাজকন্যার পায়ে চুমু খেতে বাধ্য করার অভিযোগও রয়েছে।

    তবে রাজকন্যা হাসা এবং তার দেহরক্ষী দু’জনই অন্যায় আচরণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এদিকে রাজকন্যা হাসার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। তবে মঙ্গলবার বিচার চলার সময় অভিযুক্ত রাজকন্যা বা অভিযোগকারী, কেউই আদালতে ছিলেন না। তবে রাজকন্যার দেহরক্ষী রানি সাইদি এবং তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    রাজকন্যাকে আইনি সহায়তা প্রদানকারী দলের বক্তব্য অনুযায়ী, রাজকন্যার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।

    কী অভিযোগ আনা হয়েছে?

    মিসরীয় কর্মী আশরাফ ইদ পুলিশকে বলেন, ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে প্যারিসের অ্যাভিনিউ ফশে সৌদি রাজার অ্যাপার্টমেন্টে কাজ করার সময় বাথরুমের ছবি নিতে যান, যেন পরবর্তীতে সব জিনিস সঠিক জায়গা মতো রাখতে পারেন।

    ফরাসী সংবাদপত্রের তথ্য অনুযায়ী, সেসময় রাজকন্যা সন্দেহ করেন যে ইদ আয়না ব্যবহার করে অনুমতি না নিয়ে রাজকন্যার ছবি তুলছিলেন এবং সন্দেহে নিরাপত্তা রক্ষীদের ডাকেন। ফরাসী এক সূত্র থেকে জানা যায়, মিসরীয় ব্যক্তি অভিযোগ করেন যে রাজকন্যা বলেন, এই কুকুরকে হত্যা করতে হবে, তার বেঁচে থাকার অধিকার নেই। তারপর তুমি বুঝতে পারবে কীভাবে রাজকন্যার সাথে, রাজপরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলতে হয়।

    ফরাসী পুলিশকে ইদ বলেন যে, রাজকন্যার দেহরক্ষী তাকে প্রহার করে এবং রাজকন্যার পায়ে চুমু খেতে বাধ্য করে। আদালতে দেহরক্ষী বলেন, আমি যখন শুনতে পাই যে রাজকন্যা সাহায্যের জন্য চিৎকার করছেন, তখন দৌড়ে গিয়ে দেখি যে তারা দু’জন হাত দিয়ে ফোন ধরে রেখেছে।

    আমি জোর করে তাকে (মি. ইদ) সরিয়ে নেই এবং এরপর তার কী অবস্থা হয় জানি না, এএফপিকে এক সাক্ষাৎকারে জানান তিনি।

    ওই ঘটনার বেশ কয়েক ঘন্টা পর ইদকে ছাড়া হয়, যদিও তার ফোনটি ফেরত দেয়া হয়নি তাকে। পরবর্তীতে ফোনটি নষ্ট করে ফেলা হয়।

    রাজকন্যা হাসা কেন প্যারিসে নেই?

    রাজকন্যার দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সহিংসতা, চুরি এবং ব্যক্তির ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে আটকে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে ওই ঘটনার কয়েকদিন পরই রাজকন্যা হাসা ফ্রান্স ত্যাগ করেন।

    রাজকন্যার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ভিত্তিতে একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন একজন বিচারক, যেটির মাধ্যমে সৌদি আরবের বাইরে গেলেই গ্রেফতার করা হতে পারে তাকে। যুক্তরাজ্যের ডেইলি টেলিগ্রাফ বলছে, রাজকন্যার সহযোগীরা এটিকে গৃহবন্দী থাকার সাথেই তুলনা করছেন।

    রাজকন্যার আইনজীবী ময়নে বলেছেন যে, রাজকন্যা স্কাইপে ভিডিও কলের মাধ্যমে তার বাড়ি থেকেই আদালতে হাজিরা দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন।

  • গানে নারীদের অপমান করায় হানি সিং গ্রেফতার

    গানে নারীদের অপমান করায় হানি সিং গ্রেফতার

    গানের সংলাপে নারীদের অপমান ও অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করায় ভারতের পাঞ্জাবের জনপ্রিয় ব়্যাপার হানি সিংকে গ্রেফতার করা হয়ছে। একই অভিযোগ আনা হয়েছে সংগীত প্রযোজক ভূষণ কুমারের বিরুদ্ধেও।

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ‘মাখনা’ গানের জন্য ভ্ক্তদের রোষানোলে পড়েছেন হানি সিং। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ‘ম্যায় হুঁ ওম্যানাইজার’, ‘সিলিকন ওয়ালি লড়কিয়োঁকো ম্যায় পটাতা হুঁ’র মতো বেশ কয়েকটি লাইন রয়েছে এই গানে, যা অত্যন্ত আপত্তিকর। আর সেই কারণেই পাঞ্জাবের নারী কমিশনের তরফে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়।

    হানি সিংয়ের গাওয়া ‘মাখনা’ গানটি গত বছর ২১ ডিসেম্বর টি-সিরিজের ইউটিউব চ্যানেল এসেছে। এরপর গানটি দেখা হয়েছে ২১ কোটি ৬ লাখ ৮২ হাজার ৬৪১ বার। পাঞ্জাব নারী কমিশন অভিযোগ জানিয়েছে, হানি সিং তার এই গানে নারীদের নিয়ে অশ্লীল রসিকতা করেছেন, যা খুবই অপমানজনক। হানি সিংসহ এই গানের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের সবার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দাবি জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

    পাঞ্জাবের নারী কমিশনের চেয়ারপারসন মণীষা গুলাটি সংবাদমাধ্যকে জানান, পাঞ্জাব পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল, ইন্সপেক্টর জেনারেল ও অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারির কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে। হানি সিং তার গানে এমন কিছু কথা ও শব্দ ব্যবহার করেছেন, যা নারীদের জন্য অত্যন্ত অপমানজনক।

    গানের এমন কথার জন্য টি-সিরিজের ভূষণ কুমার, গায়ক হানি সিং ও গায়িকা নেহা কক্করের বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্তের দাবিও জানান মণীষা গুলাটি। সেই সঙ্গে তিনি সেন্সর বোর্ডেও অভিযোগ জানান। পাঞ্জাবে গানটির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির দাবি তুলে রাজ্য সরকারের দ্বারস্থ হয়েছেন মণীষা। মোহালির মাতাউর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।

    মোহালির সিনিয়র এসপি হরচরণ সিং ভুল্লার বলেন, ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯৪ এবং ৫০৯ নম্বর ধারায় হানি সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

    গানের কথা নিয়ে বিতর্কে জড়ানোর ঘটনা হানি সিংয়ের প্রথম নয়। এর আগে ২০১৩ সালেও একবার গানের কথা নিয়ে বিতর্কে জড়ান তিনি। ওই গানটিতে হানি সিং লিখেছিলেন, ‘ম্যায় হুঁ বলৎকারি’। এছাড়া ‘লাক ২৮’, ‘ব্লু আইজ’, ‘কিকলিকালেরেদ্রি’ ও ‘ব্লাউন রং’ গান নিয়েও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় এই ব়্যাপার।

  • ঢাকায় আসছেন জিৎ-কোয়েল

    ঢাকায় আসছেন জিৎ-কোয়েল

    ঈদে শাকিবের ‘পাসওয়ার্ড’ ছবির পাশাপাশি সাফটা চুক্তির মাধ্যমে দেশে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল কলকাতার ছবি ‘শুরু থেকে শেষ’। এই ছবিতে দীর্ঘ দুই বছর পর জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন জিৎ ও কোয়েল মল্লিক। ঈদে মুক্তি পায়নি ছবিটি। তবে শিগগিরই মুক্তি পাবে। এ মাসেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সিনেমা হলে দেখা যাবে জিৎ-কোয়েলকে।

    বাংলাদেশের সেন্সর বোর্ডে জমা পড়া ছবিটি আজ বুধবার সেন্সর বোর্ডে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সেন্সর বোর্ডের সদস্য প্রযোজক নেতা খোরশেদ আলম খসরু।

    জিৎ-কোয়েলের ‘শুরু থেকে শেষ’ ছবিটি ১৯ জুলাই সারাদেশে মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন ছবির আমদানিকারী প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়ার কর্ণধার সেলিম খান।

    তিনি বলেন, ‘ছবিটির সেন্সরের অপেক্ষায় আছি আমরা। ছবির মুক্তির তারিখও নির্ধারণ করেছি। সবকিছু ঠিক থাকলে ১৯ জুলাই সারাদেশে মুক্তি পাবে ছবিটি।

    এ ছবির মাধ্যমে দুই বছর পর জুটি হয়েছেন জিৎ-কোয়েল। এর আগে এই জুটিকে ২০১৭ সালে পর্দায় একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল রাজা চন্দের ‘বেশ করেছি, প্রেম করেছি’ ছবিতে। দীর্ঘ বিরতির পর প্রিয় জুটিকে এক সিনেমায় দেখতে আগ্রহের শেষ নেই ভক্তদের।

    ছবিটি পরিচালনা করেছেন রাজ চক্রবর্তী। ছবিতে জিৎকে দেখা যাবে মাহিদের চরিত্রে আর কোয়েল হয়েছেন তার পূজারিণী। অর্থাৎ মুসলিম ও হিন্দু; দুই ধর্মের মানুষের প্রেম ও সেই প্রেম নিয়ে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের গল্প নিয়েই নির্মিত ‘শুরু থেকে শেষ’। যেখানে দেখা যাবে, ধর্মের সংঘাতে রক্তাক্ত জিৎ-কোয়েলের প্রেম।

    ছবিটি প্রযোজনা করছে জিৎয়ের প্রযোজনা সংস্থা জিৎ ফিল্ম ওয়ার্কস। ছবিতে কোয়েল ছাড়াও দেখা যাবে ঋতাভরী চক্রবর্তীকে।

  • নরসিংদীতে নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা

    নরসিংদীতে নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা

    নরসিংদীর পলাশ উপজেলার জিনারদী ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টার পরিদর্শন করেছেন নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা।

    বুধবার দুপুরে জিনারদী ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টার পরিদর্শন করেন তিনি। সেখানে ৪৫ মিনিট অবস্থান শেষে বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওয়না হন ডাচ রানি।

    এদিকে ডাচ রানির পলাশে আগমন উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করে জেলা প্রশাসন। রানির সফরকে কেন্দ্র করে পুরো পলাশে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

    Queen2

    ডাচ রানির জিনারদী ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টার পরিদর্শন কালে আরও উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকির হাসান, পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা ইয়াসমিন প্রমুখ।

    বাংলাদেশে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শন এবং অর্থনৈতিক খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে চারদিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছেন নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা।

  • অবশেষে সৌদির কনসার্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন নিকি মিনাজ

    অবশেষে সৌদির কনসার্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন নিকি মিনাজ

    ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার মুখে অবশেষে সৌদি আরবে কনসার্টে অংশ নিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন মার্কিন র‍্যাপ তারকা নিকি মিনাজ। খবর বিবিসির।

    ওই কনসার্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়ার কারণ হিসেবে নিকি মিনাজ বলেন, তিনি নারীদের অধিকার, সমকামী অধিকার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সমর্থন প্রদর্শন করতে চান।

    বার্তা সংস্থা এএফপি’কে পাঠানো এক বিবৃতিতে নিকি মিনাজ বলেন, আমি সিধান্ত নিয়েছি জেদ্দায় ওয়ার্ল্ড ফেস্টে আমার নির্ধারিত কনসার্টে অংশ নিচ্ছি না।

    আগামী ১৮ জুলাই জেদ্দায় এ কনসার্টের আয়োজন করা হচ্ছে বলে খবরে বলা হয়। ওই কনসার্টে নিকি মিনাজ পারফর্ম করবেন এমন ঘোষণার পর সৌদিসহ বিশ্বব্যাপী ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়।

    অনেকেই প্রশ্ন তুলেন নিকি মিনাজের পোশাক এবং খোলামেলা গানের বক্তব্য রক্ষণশীল রাজতন্ত্রের দেশটির সঙ্গে ঠিক খাপ খায় না।

    কেউ বলেছেন, মহানবী হজরত মোহাম্মাদ (স.)’র জন্মভূমিতে নিকি মিনাজের মতো শিল্পীর আগমন ও কনসার্ট কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। হজের মৌসুমে সৌদি আরবে এমন কনসার্টের বিষয়ে দেশটির অনেক নাগরিকই অসন্তুষ্ট।

    অবশেষে সৌদির কনসার্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন নিকি মিনাজ

    টুইটারে একটি ভিডিওতে মাথায় হিজাব পড়া একজন নারী প্রশ্ন তুলেন, কেন এই সংগীতশিল্পীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ, যখন সৌদি নারীদের বোরকা পড়া বাধ্যতামূলক।

    ওই নারী বলেন, ‘তিনি তার নিতম্বর ঝাঁকিয়ে গান গাইবেন আর গার সব গানই যেখানে যৌনতা ঘিরে, আর এরপর আপনি আমাকে বোরকা পড়তে বলবেন, সেটা কিভাবে হয়?’

    দেশটির বিনোদন বিভাগের প্রধান, তুর্কি আল-শেখ জানুয়ারিতে একটি টুইট করে তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের কথা জানিয়েছেন।

    সেখানে তিনি বলেন, ‘আল্লাহ চাইলে, পরবর্তী ধাপের বিনোদনের মূল লক্ষ্য হবে নানা উৎসব, সার্কাস, মোবাইল থিম পার্ক, তরুণ-তরুণীদের বিনোদনের জন্য নানা কর্মসূচী নেয়া আর দেশীয় বিনোদন কোম্পানিগুলোকে সহায়তা করা।’

  • মঞ্জুর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাত

    মঞ্জুর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাত

    বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বুধবার সকালে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়ায় এক শুভেচ্ছা সফরে আসেন। এ সফরকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপির সঙ্গে তার বাসভবনে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।

    এ সাক্ষাতকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে বৈশ্বিক উষ্ণায়নজনিত জলবায়ূ পরিবর্তনের প্রভাবে ভান্ডারিয়াসহ উপকূলীয় অঞ্চলে বন্যা, লবণাক্ততা, ঘূর্ণীঝড়, জলোচ্ছ্বাস বেড়ে যাওয়া এবং ভান্ডারিয়া উপজেলায় জলবায়ূ পরিবর্তনে অভিঘাত মোকাবেলায় গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।

    পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী ও উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্প (সিইআইপি) পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান ভান্ডারিয়া উপজেলাসহ উপকূল অঞ্চলে বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন প্রকল্প বিষয়ে রাষ্ট্রদূতকে ধারণা দেন।

    প্রকল্প পরিচালক পাওয়ার পয়েন্টে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলায় বাঁধ নির্মাণে গৃহীত ও বাস্তবায়নাধীন ব্যাপক প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন।

    এছাড়া ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজমুল আলম জলবায়ূ পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও পরিবেশ সংরক্ষণে ভান্ডারিয়া উপজেলায় গৃহীত ও চলমান প্রকল্প সম্পর্কে বর্ণনা দেন। ভান্ডারিয়ায় বাস্তবায়নাধীন জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড, দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প, উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় সাড়ে ৫০০ কোটি টাকা ব্যায়ে বাস্তবায়নাধীন বাঁধ নির্মাণ, ভান্ডারিয়া পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন পল্লী অঞ্চলে সুপেয় পানি সরবরাহ ট্রিটমেন্ট, ভান্ডারিয়া থানা ইকোপার্ক, হরিণপালা ইকোপার্ক, চরখালীতে বনবিভাগের বনায়ন কর্মসূচি ইত্যাদি সম্পর্কে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে বিশেষ ধারণা দেওয়া হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার মো. হায়াতুল ইসলাম খান, ভান্ডারিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম, উপজেলা জাতীয় পার্টি-জেপির আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম জোমাদ্দার মনি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফায়জুর রশীদ খসরু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মশিউর রহমান রহমান মৃধা, জেপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও পৌর কাউন্সিলর গোলাম সরওয়ার জোমাদ্দার, জেপির উপজেলা সদস্য সচিব সিদ্দিকুর রহমান টুলু, গৌরীপুর ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান চৌধুরী, ভিটাবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান খান এনামুল কবির পান্না, ইকড়ি ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির, পৌর সহায়ক কমিটির সদস্য ইউসুফ আলী আকন, পৌর মহিলা কাউন্সিলর ফাতেমা ইয়াসমিন, মঞ্জু রানী ও বেবী আক্তার, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এহসাম হাওলাদার, ছাত্র সমাজের উপজেলা আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম শিমুল আকন প্রমূখ।

  • এবার আর মাহেন্দ্রক্ষণ এলো না ধোনির ব্যাটে

    এবার আর মাহেন্দ্রক্ষণ এলো না ধোনির ব্যাটে

    ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল, মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। নুয়ান কুলসেকারার লেন্থ বল লং অন দিয়ে সজোরে হাঁকালেন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি, বল আছড়ে পড়লো গ্যালারিতে। তার সে ছক্কায় সৃষ্টি এক মাহেন্দ্রক্ষণ, যার জন্য ভারতবাসী অপেক্ষা করছিল ২৮ বছর ধরে।

    ১৯৮৩ সালে কপিল দেবের হাত ধরে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপ জেতার পর যে অপেক্ষা শুরু হয়েছিল ভারতের, সেটির সমাপ্তি ঘটেছিল ধোনির ব্যাট থেকে সৃষ্ট সেই মাহেন্দ্রক্ষণে। ভারতকে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতিয়ে নায়ক বনেছিলেন ধোনি।

    ঠিক একই পরিস্থিতি না হলেও, ৮ বছর পর ২০১৯ সালের বিশ্বকাপেও ধোনির সামনে সুযোগ ছিলো ভারতের নায়ক হওয়ার। কিন্তু তিনি এবার আর পারলেন না সেটি করতে, ব্যর্থ হয়েছেন দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিতে। সেবারের সাফল্যের নায়ক এবার হয়ে থাকলেন ট্র্যাজেডির নায়ক।

    আট বছর আগের বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটিতে সবাইকে অবাক করে দিয়ে পাঁচ নম্বরে নেমে পড়েছিলেন ধোনি। দলীয় ১১৪ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট পতনের পর, সবাই অপেক্ষা করছিল দুর্দান্ত ফর্মে থাকা যুবরাজ সিংয়ের মাঠে নামার। কিন্তু তখন অনেকটা নিজের একার সিদ্ধান্তে ব্যাটকে বগলদাবা করে ওয়াংখেড়ের ড্রেসিংরুম থেকে বেরিয়ে আসেন ধোনি।

    পরে প্রমাণ করেন নিজের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতাও। চতুর্থ উইকেটে গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে গড়েন ১১৩ রানের জুটি। পরে গম্ভীর ৯৭ রান করে আউট হয়ে গেলেও, ধোনি শেষপর্যন্ত মাত্র ৭৯ বলে ৯১ রানে অপরাজিত থেকেই নিজ দেশকে জিতিয়ে দেন দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা।

    সেবার ফাইনাল ম্যাচে হলেও, এবার ধোনির সামনে নায়ক হওয়ার সুযোগ ছিলো সেমিফাইনাল ম্যাচটিতে। পুরো বিশ্বকাপজুড়ে মন্থর ব্যাটিংয়ের জন্য সমালোচিত ধোনি, এ ম্যাচটিতে ঝেরে ফেলতে পারতেন সকল নিন্দা ও কটু কথা।

    কিন্তু কিসের কি! এবার যেন সে ইচ্ছাই ছিলো না তার। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে যেখানে ইনফর্ম যুবরাজকে রেখে নেমে পড়েছিলেন তিনি, সেখানে এবার একের পর এক উইকেট পড়ার পরেও দেখা মিলছিল না ধোনির। অবশেষে মাত্র ৭১ রানের মাথায় ৫ উইকেট পতনের পর নামেন তিনি, খানিক পরেই ৯২ রানের মাথায় ষষ্ঠ উইকেট হারায় ভারত।

    এরপর সপ্তম উইকেটে রবিন্দ্র জাদেজাকে নিয়ে গড়েন ১১৬ রানের জুটি। ডুবতে থাকা দলকে আশার আলো দেখিয়ে জাদেজা খেলেন ৫৯ বলে ৭৭ রানের জুটি। যতক্ষণ জাদেজা উইকেটে ছিলেন, ততক্ষণ খুব একটা হাত খুলে মারেননি ধোনি।

    পরে দলীয় ২০৮ রানের মাথায় জাদেজা আউট হওয়ার পরেও কাজের কাজটি করতে পারেননি তিনি। তবে ৪৯তম ওভারের প্রথম বলে লকি ফার্গুসনকে পয়েন্ট অঞ্চল দিয়ে ছক্কা মেরে ২০১১ সালে ৪৩তম ওভারে থিসারা পেরেরাকে একইভাবে ছক্কা হাঁকানোর স্মৃতি ফিরিয়ে আনেন ধোনি।

    কিন্তু সেবারের মতো আর হাসিমুখে সাজঘরে ফিরতে পারেননি তিনি। একই ওভারের তৃতীয় বলে দ্রুত একটি ডাবল নিতে রানআউটে কাটা পড়েন ধোনি, একইসঙ্গে শেষ হয়ে যায় ভারতের সেমিফাইনাল জেতার সকল সম্ভাবনা। আউট হওয়ার আগে নিজের ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নিয়েছেন ধোনি কিন্তু পারেননি নিজের ব্যাটে আরও একবার মাহেন্দ্রক্ষণ সৃষ্টি করতে।

  • আট নম্বরে নেমে জাদেজার রেকর্ড

    আট নম্বরে নেমে জাদেজার রেকর্ড

    একের পর এক উত্তেজনার পরশ ছড়িয়েছে বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনাল। একবার মনে হয়েছে নিউজিল্যান্ড জিতবে, তো পরক্ষণে আবার মনে হয়েছে ভারত জিতবে। তাই ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে দুর্দান্ত এক ম্যাচের সাক্ষী হয়েছে ক্রিকেট বিশ্ব।

    টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে ২৩৯ রানের সংগ্রহ গড়ে নিউজিল্যান্ড। সহজ এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পরে ভারত। মাত্র পাঁচ রানের মধ্যে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারায় তারা।

    পরে ৯২ রানে ৬ উইকেট হারালে জাগে হারের শঙ্কা। তবে এই খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তোলেন রবিন্দ্র জাদেজা ও মহেন্দ্র সিং ধোনি। ডুবতে থাকা দলকে আশার আলো দেখিয়ে দুজন মিলে গড়েন ১১৬ রানের জুটি।

    এরই মাঝে অনন্য এক রেকর্ড গড়েন জাদেজা। বিশ্বকাপ ইতিহাসের নকআউট পর্বে আট নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি এখন তার দখলে, ছাড়িয়ে গেছেন ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে করা উইন্ডিজ অধিনায়ক জেসন হোল্ডারের রেকর্ডটি।

    ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচটিতে আট নম্বরে নেমে ৪২ রান করেছিলেন এই ক্যারিবিয়ান। এবার সে রেকর্ড ভেঙে ৫৯ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলেছেন জাদেজা।

    এ তালিকায় যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে আছেন সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার ডারমট রিভ ও বাংলাদেশি ক্রিকেটার নাসির হোসেন। ১৯৯৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আট নম্বরে নেমে ৩৫ রান করেন রিভ এবং ২০১৫ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে আট নম্বরে নেমে ৩৫ রানই করেন নাসির।

  • ‘অ্যানাবেল কামস হোম’ দেখতে গিয়ে সিনেমা হলেই একজনের মৃত্যু

    ‘অ্যানাবেল কামস হোম’ দেখতে গিয়ে সিনেমা হলেই একজনের মৃত্যু

    সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অ্যানাবেল কামস হোম’ দেখতে গিয়ে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। ঘটনাটি ঘটেছে থাইল্যান্ডে। সিনেমা হলে ছবি দেখতে দেখতেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। জানা গেছে, বার্নার্ড চ্যানিং নামে বছর ৭৭ বছরের ওই ব্যক্তি ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন থাইল্যান্ডে। হঠাৎই তার খেয়াল হয় ‘অ্যানাবেল কামস হোম’ দেখবেন। তখন হয়ত তিনি ভাবতেও পারেননি এটাই তার দেখা শেষ ছবি হবে।
    সিনেমা হলে ওই ব্যক্তির পাশে বসা ছবিটি দেখছিলেন এমন একজন মহিলার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি জানতেও পারেননি তার পাশের সিটের ভদ্রলোক প্রাণ হারিয়েছেন। ছবির শেষে যখন হলের আলো জ্বলে ওঠে তখন তিনিই প্রথম বিষয়টি লক্ষ্য করেন। এরপর তিনি জরুরী বিভাগে খবর দিলে তারা ওই ব্যক্তির দেহ ঢেকে দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দেন। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে জানা যায় ছবি দেখতে দেখতেই মৃত্যু হয়েছে ওই ব্যক্তির।

    অপর একজন প্রত্যক্ষদর্শী বক্তব্য, “হলের প্রবেশদ্বারের কাছে কিছু লোক কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। তারা ওই একই হলে ছিলেন যেখানে ওই ব্যক্তি মারা যান। ওরা হতচকিত হয়ে গেছেন এইরকম একটা ঘটনায়। কিছু লোক ওই ব্যক্তির কাছেই বসেছিলেন। কী হচ্ছে তা দেখার জন্য কাউকে অনুমতি দেননি হলের কর্মচারীরা। আমাদের ছবিও তুলতে দেওয়া হয়নি।”
    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে ‘দ্য কনজিউরিং ২’ দেখতে গিয়ে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের একটি সিনেমা হলে মৃত্যু হয়েছিল ৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির। পরে জানা যায় হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে তিনি মারা যান। প্রসঙ্গত, ‘অ্যানাবেল কামস হোম’ দ্য কনজিউরিং ইউনিভার্সের ষষ্ঠ ছবি। ২০১৭ সালে ‘অ্যানাবেল: ক্রিয়েশন’র পর অ্যানাবেল সিরিজের এটি তৃতীয় ছবি।

  • জাতিসংঘের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেনাপ্রধানের বৈঠক

    জাতিসংঘের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেনাপ্রধানের বৈঠক

    জাতিসংঘের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্র সফররত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

    গত ৮ ও ৯ জুলাই এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    জাতিসংঘ সদর দফতরের স্থায়ী মিশনে পৌঁছালে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন সেনাপ্রধানকে স্বাগত জানান। পরে তিনি সেনাপ্রধানকে বাংলাদেশ মিশনের কর্মপরিধি সম্পর্কে অবহিত এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন।

    এরপর সেনাপ্রধান সেক্রেটারি জেনারেলের সামরিক উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল কর্লোস উমবার্তো লতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সামরিক উপদেষ্টা বিভিন্ন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের পেশাদারিত্ব ও মানবিক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    এছাড়া তিনি বিশ্ব শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের স্বতঃস্ফূর্ত সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    সেনাপ্রধান বাংলাদেশ থেকে একজন ফোর্স কমান্ডার নিয়োগের ব্যাপারে প্রস্তাবনা দেন। সামরিক উপদেষ্টা শিগগিরই বাংলাদেশ থেকে একজন ফোর্স কমান্ডার নিয়োগের ব্যাপারে আশ্বাস দেন।

    সেনাপ্রধান বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল, স্পেশাল ফোর্স এবং র‌্যাপিডলি ডেপ্লয়েবল ব্যাটালিয়ন মোতায়েনেরও প্রস্তাবনা দেন।

    এ সময় সামরিক উপদেষ্টা সেনাপ্রধানকে জাতিসংঘ সদর দফতরে একজন কর্নেল পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স জেনারেশন প্রধান হিসেবে নিয়োগপত্র হস্তান্তর করেন।

    বাংলাদেশের ৩১ বছর শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণে এই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলাদেশকে নির্বাচন করা হলো।

    পাশাপাশি সামরিক উপদেষ্টা রোহিঙ্গা নাগরিকদের সহায়তায় বাংলাদেশ সরকারের প্রশাংসা করেন।

    army

    এরপর সেনাপ্রধান অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ডিপার্টমেন্ট অব অপারেশনাল সাপোর্ট মিস লিসা এম বাটেনহেইমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

    সাক্ষাৎকালে তিনি জাতিসংঘ সদর দফতরের কাছে বাংলাদেশ সরকারের প্রাপ্ত ৬০ মিলিয়ন ডলার (আনুমানিক ৫০০ কোটি টাকা) পরিশোধের অনুরোধ জানান।

    সেনাপ্রধানের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল তৎক্ষণাৎ আড়াইশ কোটি টাকা পরিশোধের অঙ্গীকার এবং অবশিষ্ট অর্থ স্বল্প সময়ের মধ্যে পরিশোধের আশ্বাস দেন। পরে সেনাপ্রধান আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল, পিস অপারেশনস মিস্টার জন পিয়েরে ল্যাক্রয়ের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

    উল্লেখ্য, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দ্বিতীয় বৃহত্তম সৈন্য প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সেনাপ্রধানের এ পরিদর্শন জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যায়।