Category: আন্তর্জাতিক

  • ফেসবুকে পরিচয়ে ভারতে বরিশালের তরুণী, অতঃপর …

    ফেসবুকে পরিচয়ে ভারতে বরিশালের তরুণী, অতঃপর …

    ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হওয়া এক ভারতীয় নাগরিকের কবল থেকে ১৫ দিন পর সুকৌশলে পালিয়ে ভারত থেকে অবৈধ পথে বাংলাদেশে আসার সময় উম্মে হাবিবা (২০) নামে এক নারীকে আটক করেছে বিজিবি সদস্যরা। মঙ্গলবার বিকালে বেনাপোলের দৌলতপুর সীমান্ত থেকে তাকে আটক করে বিজিবি।

    খুলনা ২১ বিজিবি বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার জানান, আটক বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ থানার উম্মে হাবিবা (২০) নামে ওই তরুণী তাদের জানিয়েছেন ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে ওই নারী গত ২৪ জুন বাবু নামে এক ভারতীয় নাগরিকের সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশে দালালের মাধ্যমে সীমান্তের অবৈধ পথে ভারতে যায়।

    ভারতে যাওয়ার পর অপরিচিত কয়েকজন ব্যক্তি তাকে একটি প্রাইভেট কারে করে নিয়ে একটি বাড়িতে রাখে। ওই বাড়িতে এক নারীর মাধ্যমে জানতে পারে তাকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। লাইন খারাপের কারণে তাকে পাঠাতে দেরি হচ্ছে। এ খবর শুনে ওই নারী গত ৫ জুলাই ভোরে সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে এসে সীমান্তের একটি বাড়িতে অবস্থান নেয়। পরে মঙ্গলবার অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশকালে বিজিবি টহল দল তাকে আটক করে। আটক নারীকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

    বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি (তদন্ত) সৈয়দ আলমগীর হোসেন জানান, বিজিবি উম্মে হাবিবা নামে এক নারীকে অবৈধ পারাপারের অভিযোগে মামলা দিয়ে থানায় সোপর্দ করেছেন। তাকে যশোর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • ভারতকে বিদায় করে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

    ভারতকে বিদায় করে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

    একেই বলে প্রকৃত সেমিফাইনাল। সত্যিকারের ব্যাট-বলের লড়াই। যার পরতে পরতে জড়িয়ে উত্তেজনা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বলা যাচ্ছিল না, নিউজিল্যান্ড না ভারত- কে জিতবে? ১০৪ বলে ধোনি-জাদেজার ১১৬ রানের জুটিতে নিশ্চিত জয়ের পথে চলে এসেছিল ভারত। কিন্তু ট্রেন্ট বোল্টের বলে হঠাৎ ক্যাচ দিয়ে জাদেজা আউট হয়ে যাওয়ার পর আবারও ম্যাচটা ঝুলে যায় পেন্ডুলামের মতো।

    ভারতের শেষ আশা ছিলেন গ্রেট ফিনিশার মহেন্দ্র সিং ধোনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রানআউটের দুর্ভাগ্যের শিকার হয়ে গেলেন তিনি। মার্টিন গাপটিলের সরাসরি থ্রোতে রানআউটের শিকার হয়ে ফিরে যান মহেন্দ্র সিং ধোনি। শেষ পর্যন্ত টান টান উত্তেজনার এই ম্যাচটিতে ভারতকে ১৮ রানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠলো নিউজিল্যান্ড।

    গ্রেট ফিনিশার বলা হয় মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। বলা হয়, খুব ঠান্ডা মাথার খেলোয়াড় তিনি। কঠিন চাপের মুহূর্ত থেকেও দলকে বের করে আনার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে তার। সেখানে তিনি যোগ্য একজন সঙ্গী হিসেবে পেয়েছিলেন রবীন্দ্র জাদেজাকে। দু’জনের ব্যাটে ১১৬ রানের জুটি নিশ্চিত হারের ম্যাচটিকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছিল ভারত।

    ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে মহাবিপদ থেকে ধীরে ধীরে ভারতকে বের করে নিয়ে আসছেন ধোনি। সঙ্গে তিনি পেয়ে গেলেন রবীন্দ্র জাদেজাকে। ৯২ রানে ৬ উইকেট পড়ার পর এই দুই ব্যাটসম্যানের ওপর ভর করে ভারতকে জয়ের রাস্তায় নিয়ে এসেছেন ধোনি এবং জাদেজা।

    বিস্তারিত আসছে…

  • ভারতে বাস নর্দমায় পড়ে ২৯ জনের মৃত্যু

    ভারতে বাস নর্দমায় পড়ে ২৯ জনের মৃত্যু

    ভারতে একটি বাস নর্দমায় পড়ে যাওয়ার ঘটনায় ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ছয় লেনের যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে। বাসটি সড়ক থেকে ১৫ ফুট নিচে পড়ে গেছে।

    ১৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে নয়ডার সাথে উত্তর প্রদেশের আগরাকে সংযুক্ত করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি লক্ষ্ণৌও থেকে দিল্লির দিকে যাচ্ছিল।

    উত্তর প্রদেশের পুলিশ এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, লক্ষ্ণৌও থেকে দিল্লিগামী স্লীপার কোচের একটি যাত্রীবাহী বাস যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা কবলিত হয়েছে। এটি রাস্তা থেকে ১৫ ফুট নিচে একটি নর্দমায় গিয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত ২০ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখনও উদ্ধারকাজ চলছে।

    প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাসের চালকের ঘুমের কারণে বাসটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায় এবং এটি রাস্তা থেকে নর্দমায় গিয়ে পড়েছে।

    দুর্ঘটনায় আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এই ঘটনায় সমবেদনা প্রকাশ করেছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।

  • শ্রমবাজারের সংকট গভীরে

    শ্রমবাজারের সংকট গভীরে

    ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসা বাংলাদেশের শ্রমবাজারের সংকটের কারণ অনেক গভীরে। সাধারণভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে জনশক্তি প্রেরণ কার্যক্রম চালানোই আজকের পরিস্থিতির কারণ। দেশের প্রায় সব কর্মকা অনলাইনে ডিজিটাল পদ্ধতিতে চললেও সম্পূর্ণ অ্যানালগভাবে চলছে জনশক্তি কার্যক্রম। ফলে সুযোগ নিচ্ছে দালাল ও সুবিধাভোগী চক্র। নিয়ন্ত্রণ থাকছে না অভিবাসন ব্যয়ের। প্রবাসে গিয়ে বাংলাদেশিরা কী পরিস্থিতিতে পড়ছেন তাও থাকছে না পর্যবেক্ষণে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ পরিস্থিতির পরিবর্তনে সমন্বিত অনলাইন সিস্টেম চালু করতে হবে। জানা যায়, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার সৌদি আরবে জনশক্তি প্রেরণের গতি প্রায় থমকে গেছে। সৌদি আরবে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার পরিবর্তে পাকিস্তান থেকে শ্রমিক নেওয়ার কোটা বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া যুদ্ধ বিগ্রহের কারণে সৌদি আরবে এমনিতেই শ্রমিক নেওয়ার পরিমাণ কমেছে। সেখানে বাংলাদেশি নারী কর্মীদের বিষয়ে আগ্রহ দেখানো হচ্ছে। কিন্তু নির্যাতনের অভিযোগও কম নয়। বাংলাদেশের অপর শ্রমবাজার আরব আমিরাতের বাজার দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ। এ ছাড়া সেখানে তেমন কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যাচ্ছে না কাউকেই। আরেক বড় বাজার মালয়েশিয়া সরকার পরিবর্তনের পর বন্ধ করে রেখেছে শ্রমিক নেওয়া। বড় শ্রমবাজারগুলো বন্ধ থাকার পাশাপাশি নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধানের বিষয়েও তেমন কোনো উদ্যোগ কার্যকর হয়নি। শ্রমবাজারের এসব সংকটের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি শ্রমিকদের নির্যাতিত নিপীড়িত হওয়ার সংখ্যা বাড়ছে। বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের কর্মীরা প্রায়শই অবৈধ হয়ে পড়ছেন। ট্যুরিস্ট বা ভিজিট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসায় বাংলাদেশিদের বিদেশে গিয়ে অবস্থানের ঘটনাও বাড়ছে। বাংলাদেশে অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণের কথা বলা হলেও সেটা মুখের কথাতেই সীমাবদ্ধ থাকছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নিয়োগকর্তারা বিনা পয়সায় কর্মী নেওয়ার পর শুনছেন তাদের ৫-৬ লাখ টাকা ব্যয়ের কথা। অবশ্য বিভিন্ন দেশের বাজার বন্ধ হওয়ার পর ভিসা ট্রেডিং রেট এখন লাগাম ছাড়া। সৌদি ভিসাই ৭-৮ লাখ টাকায় বিক্রি করছে বিভিন্ন অসাধু এজেন্সি ও ব্যক্তি পর্যায়ে ভিসা কেনা-বেচা করা প্রবাসীরা।

    বিপুল অবৈধ শ্রমিকে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমবাজার : বাংলাদেশ থেকে ট্যুরিস্ট বা ভিজিট ভিসায় বিভিন্ন দেশে গিয়ে অবস্থান করে কাজ করা শ্রমিকরা যেমন অবৈধ হচ্ছেন, তেমনি বিভিন্ন সময়ে বৈধ উপায়ে যাওয়া শ্রমিকরা হয়ে যাচ্ছেন অবৈধ। বিভিন্ন দেশে নিয়োগ কর্তারা শ্রমিকদের পারমিটের মেয়াদ বৃদ্ধির উদ্যোগ নিচ্ছেন না। আবার অনেক শ্রমিক নিজেরাই বছর শেষে সেসব দেশের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করছে না। আবার অনেকে অধিক আয়ের লোভে নির্ধারিত নিয়োগকর্তার কর্মস্থল ত্যাগ করে অন্যত্র অবৈধভাবে কাজে চলে যাচ্ছেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে বৈধ পাসপোর্টগুলো অবৈধ শ্রমিকদের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। বিপুল সংখ্যক অবৈধ কর্মীর অবস্থানে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের শ্রমবাজার। আর যেসব এজেন্সির পাঠানো শ্রমিকরা বিদেশে এ ধরনের পরিস্থিতিতে পড়ছেন বা পরিস্থিতি তৈরি করছেন তাদেরও নেই কোনো মাথাব্যথা। বাংলাদেশ থেকে এসব বিষয় পর্যবেক্ষণেরও কোনো ব্যবস্থা নেই। পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা নেই শ্রমিকদের বিদেশযাত্রার সময় ব্যয় করা অর্থের বিষয়েও।

    কিছুতেই হচ্ছে না একক কোনো সিস্টেম : জনশক্তি প্রেরণের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রক্রিয়ার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণের একক পদ্ধতি হতে পারে সমন্বিত অনলাইন সিস্টেম। ভারতসহ বিশ্বের অন্যান্য জনশক্তি প্রেরক দেশ এ পদ্ধতির বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশেও কয়েক বছর ধরেই এ বিষয়ে প্রস্তাবনা উত্থাপিত হলেও কোনো মন্ত্রী বা সচিবের আমলে যথাযথ সদিচ্ছা দেখিয়ে এই সিস্টেম বাস্তবায়নে উদ্যোগী হতে দেখা যায়নি। সম্প্রতি একটি কানাডিয়ান কোম্পানির পক্ষ থেকে বিনামূল্যে সফটওয়্যার দিয়ে একটি সিস্টেম বাস্তবায়নের প্রস্তাবনা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।
    সমন্বিত অনলাইন সিস্টেম : ইন্টিগ্রেটেড (সমন্বিত) অনলাইন সিস্টেমে বিদেশ গমনেচ্ছু সবার সাধারণ রেজিস্ট্রেশন থাকতে পারে। যে কেউ যে এজেন্সি থেকেই বিদেশ যেতে চাইবেন তাকেই এই রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমেই যেতে হবে। বিদেশ গমনেচ্ছু তার অভিবাসন ব্যয়ের অর্থ পরিশোধ করবেন তার নিজের ফিঙ্গারপ্রিন্টের বিপরীতে কোনো নির্ধারিত ব্যাংকিং চ্যানেলে। ব্যাংকের বাইরে কোনো দালাল বা এজেন্সির কাছেই কোনো ধরনের লেনদেনের সুযোগ থাকবে না। ব্যাংকে টাকা জমার রসিদ নিয়েই হবে মেডিকেল চেকআপ। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন মেডিকেল চেকআপের রিপোর্টও জমা থাকবে অনলাইনে। মেডিকেল রিপোর্ট ও চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে নিয়োগকর্তা যখন কাউকে বাছাই করবে তখনই ব্যাংক থেকে টাকা চলে যাবে এজেন্সির অ্যাকাউন্টে। আর কেউ নিয়োগ না পেলে সে নিজেই তার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে নিজের টাকা ব্যাংক থেকে তুলে নিতে পারবে।

    ট্রেড বডিতে এরা কারা : জনশক্তি রপ্তানির উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার থাকার কথা জনশক্তি প্রেরক এজেন্সিগুলোর সংগঠন বায়রার। কিন্তু জনশক্তি রপ্তানি পরিস্থিতির মান উন্নয়নে তেমন কোনো কার্যকর ভূমিকাই রাখতে পারছে না সংগঠনটি। বায়রা নেতৃত্বে থাকা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কখনো কোনো ধরনের জনশক্তি রপ্তানি করেছেন কি না তা জানেন না সংগঠনেরই কোনো সদস্য। এর আগে দীর্ঘ সময় নেতৃত্ব দেওয়া আরেক সভাপতি জনশক্তি রপ্তানি করলেও বিদেশে গিয়ে তিনি পড়তেন ভাষা সমস্যায়। ফলে বিদেশে নীতিনির্ধারণী ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তাকে পড়তে হয়েছে নানা বিড়ম্বনায়। নিতে হয়েছে দোভাষী। আর খোলামেলা আলাপ আলোচনা ছাড়া তেমন কার্যকর পদক্ষেপ যথেষ্ট কঠিন। আবার মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তার পদে ক্ষণস্থায়ী বিভিন্ন ব্যক্তির উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে প্রায়শই। কয়েকদিনের জন্য দায়িত্ব পাওয়া সরকারি কর্মকর্তারা নিজের মেয়াদে কোনোভাবেই জনশক্তি রপ্তানির দুর্নীতি বা অনিয়ম দূর করতে সাহসী কোনো পদক্ষেপ নিতে উদ্যোগী হচ্ছেন না।

  • বৃষ্টির আশীর্বাদে ফাইনাল খেলবে ভারত!

    বৃষ্টির আশীর্বাদে ফাইনাল খেলবে ভারত!

    আসরজুড়েই ছিল বৃষ্টির হানা। এই রোদ তো পরক্ষণেই বৃষ্টি। খেলা বন্ধ, আবার শুরু। কখনও কখনও হলো ম্যাচ পরিত্যক্তও। এমনভাবেই বিশ্বকাপ পেরিয়ে এসেছে প্রথম পর্ব। নানা সমীকরণ পার করে সেমিফাইনাল খেলা চার দলও নিশ্চিত হয়েছে এরই মধ্যে।

    চূড়ান্ত হয়েছে সেমিফাইনাল লাইন-আপও। প্রথম সেমিফাইনালে আগামীকাল (মঙ্গলবার) নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ভারত। তবে প্রথম পর্বের ম্যাচগুলোর মতো এখানেও রয়েছে বৃষ্টির আশঙ্কা। সম্ভাবনা রয়েছে বৃষ্টিতে ম্যাচ ভেসে যাওয়ারও।

    সেমিফাইনালে অবশ্য বৃষ্টিতে ম্যাচের দিন খেলা মাঠে না গড়ালেও থাকছে রিজার্ভ ডে। তবে দুঃসংবাদ হলো, ভারত-নিউজিল্যান্ড সেমিফাইনালের রিজার্ভ ডেতেও রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস।

    যদি এমনটাই ঘটে অর্থাৎ দুদিনই বৃষ্টিতে খেলা মাঠে না গড়ায়, তাহলে কপাল পুড়বে কিউইদের। অন্যদিকে প্রথম পর্বে ভালো খেলার সুবাদে ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত।

    আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী সেমিফাইনাল ম্যাচ যদি বৃষ্টিতে ভেসে যায় সেক্ষেত্রে ফাইনালে পৌঁছে যাবে প্রথম পর্বে এগিয়ে থাকা দল।

    গ্রুপ পর্বের ৯ ম্যাচে ৭ জয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে থেকে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ভারত। অন্যদিকে ৯ ম্যাচের পাঁচটিতে জিতে চতুর্থ স্থানে ছিল নিউজিল্যান্ড। পয়েন্ট টেবিলে উপরে থাকায় বৃষ্টিতে ম্যাচ ভেসে গেলে ফাইনাল খেলবে ভারতই।

    দুই দলের মধ্যকার প্রথম পর্বের ম্যাচটিও ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। তবে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও নিউজিল্যান্ড। যেখানে কিউই পেসারদের তোপের মুখে মাত্র ১৭৯ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল ভারত। পরে ৬ উইকেটের জয় পায় নিউজিল্যান্ড।

  • গণতন্ত্রকামীদের ওপর মারমুখী পুলিশ

    গণতন্ত্রকামীদের ওপর মারমুখী পুলিশ

    হংকংয়ে গণতন্ত্রকামীদের সরকার বিরোধী বিক্ষোভে ফের উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। গত ১ জুলাই দেশটির পার্লামেন্ট ভবনে হামলার পর রবিবার (৭ জুলাই) প্রথমবারের মতো হংকংয়ের সড়কে বিক্ষোভ করেছে হাজার হাজার জনগণ। এ দিন চীনা পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় একটি অঞ্চলে বিক্ষোভটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিতর্কিত প্রত্যাবাসন বিল নিয়ে উদ্বেগ জানান উপস্থিত গণতন্ত্রকামীরা। যদিও দিনের শেষ দিকে বিক্ষোভরতদের ওপর পুলিশ সদস্যদের চড়াও হতে দেখা যায়। পুলিশি তৎপরতা মোকাবিলায় বিক্ষোভকারীরা ছাতা ব্যবহার করতে দেখা যায়। এতে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।

    এর আগে গত মাসে হংকংয়ের চীনপন্থি সরকার বিতর্কিত একটি আসামি প্রত্যর্পণ বিল পাসের উদ্যোগ নিলে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নামেন অঞ্চলটির সাধারণ মানুষ। তাদের আশঙ্কা বিলটি পাস হলে হংকংয়ের রাজনীতিতে চীনের হস্তক্ষেপ অনেকাংশে বেড়ে যাবে। পরবর্তীতে ব্যাপক আন্দোলনের মুখে বিলটি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। যদিও আন্দোলনকারীদের দাবি, বিলটি স্থগিত না রেখে পুরোপুরি বাতিল করা হোক। গত ১ জুলাই চীনের কাছে হংকং হস্তান্তর বার্ষিকী উপলক্ষে সকাল থেকেই সড়কে জড়ো হতে শুরু করে হাজার হাজার লোকজন। এক সময় সরকারি দফতরগুলোতে চালানো হয় ভাংচুর। এমনকি ধাতব বস্তু দিয়ে পার্লামেন্ট ভবনেও চালানো হয় হামলা। সরকার বিরোধী এই আন্দোলনের এক পর্যায়ে রাজপথে অবস্থান নেয় হাজারও গণতন্ত্রকামী জনগণ।

    যদিও এই রবিবার কুউলোন শহরের মধ্য দিয়ে আন্দোলনরতরা মিছিল নিয়ে পশ্চিম কুউলোনের রেল স্টেশন পর্যন্ত পৌঁছে যায়। স্টেশনটির মাধ্যমেই দ্রুতগতির রেল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে চীনের মূল অংশের সঙ্গে সংযুক্ত হয় হংকং। মূলত মূল ভূখণ্ডের পর্যটকদের আকৃষ্টের জন্যই এবারের বিক্ষোভে চীনের জাতীয় সঙ্গীত এবং দেশটির ভাষায় লিখিত ব্যানার বহন করে।

    এ দিকে এডিসন এনজে নামে ১৮ বছর বয়সী এক গণতন্ত্রকামী বলেন, ‌‘আমরা মূলত পর্যটক এবং মূল ভূখণ্ডের বাসিন্দাদের হংকংয়ে যা চলছে তা দেখাতে চাই। আশা করি, তারা এই ধারণা চীনে নিয়ে যাবেন।’ অপর দিকে আয়োজকদের দাবি, এবারের বিক্ষোভে প্রায় দুই লাখ ৩০ হাজারের বেশি লোক সমবেত হয়েছেন। যদিও পুলিশের দাবি, গত রবিবার মাত্র ৫৬ হাজার লোক এই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন।

    প্রায় ১৫০ বছর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকদের অধীনে থাকার পর ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই লিজ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় অঞ্চলটি শক্তিশালী চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। তখন ‘এক দেশ দুই পদ্ধতি’ একটা চুক্তি হয়েছিল। মূলত সেই চুক্তির ভিত্তিতে হংকং শাসিত হবে এবং স্বায়ত্তশাসনের গ্যারান্টি থাকবে। সম্প্রতি খসড়া করা প্রত্যর্পণ বিলে সেই স্বায়ত্তশাসন ক্ষুণ্ণ হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিক্ষোভরত লোকজন।

  • রোহিত আরও দুটি সেঞ্চুরি করবে : আশা কোহলির

    রোহিত আরও দুটি সেঞ্চুরি করবে : আশা কোহলির

    চলতি বিশ্বকাপে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপের সবচেয়ে বড় ভরসার নাম রোহিত শর্মা। সেই ভরসার প্রতিদান দিতেই বিশ্বকাপে একের পর এক সব দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে যাচ্ছেন এই ব্যাটসম্যান। আট ম্যাচে ৬৪৭ রান করে টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন তিনি।

    এছাড়াও বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ পাঁচ সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন রোহিত। তার এমন পারফরমেন্সে গর্বিত ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। শেষ তিন ম্যাচে সেঞ্চুরির যে ধারা অব্যাহত রেখেছেন রোহিত, তা আগামী দুই ম্যাচে (সেমিফাইনাল ও ফাইনাল) ধরে রাখার আহবান এই অধিনায়কের। যাতে করে সেই ম্যাচগুলোও জিততে পারে ভারত।

    সেমিফাইনাল ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে কোহলি বলেন, ‘আমি আশা করছি আগামী দুই ম্যাচেও সে যেন সেঞ্চুরি পায়। যাতে করে আমরা সে ম্যাচগুলো জিততে পারি। সত্যিই এটা অসাধারণ একটি অর্জন। বিশ্বকাপ কিংবা কোনো টুর্নামেন্টে আমি কখনোই কাউকে পাঁচ সেঞ্চুরি করতে দেখিনি। সে অসাধারণভাবে খেলে আসছে এবং সব কৃতিত্বই তার প্রাপ্য। আমার কাছে এই মুহূর্তে ওয়ানডে ক্রিকেটে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় সে।’

    ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে একের পর এক রেকর্ড গড়েছেন কোহলি। ব্যতিক্রম নন রোহিতও। তবে খেলার সময় এসব রেকর্ডের কোন কিছুই মাথায় থাকে না। তখন চিন্তাটা থাকে দলের অবস্থা নিয়ে। দল যদি জয় না পায় তাহলে এসব রেকর্ডের কোনো মূল্য নেই। এমনটাই স্বীকার করলেন ভারতের অধিনায়ক কোহলি।

    তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে ব্যক্তিগত রেকর্ডের ব্যাপারটা কেউই মাথায় নিয়ে খেলতে নামে না। সেদিন রোহিতও আমাকে একই কথাটা বলেছিল। সে শুধুই দলের জন্য নিজের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করে এবং এই প্রক্রিয়ায় বিশেষ ব্যাপারটি ঘটে যায়। আমি কখনোই ভাবিনি যতগুলো সেঞ্চুরি আমার আছে তা আমি করতে পারব। কেননা সবসময় আমার চিন্তা ভাবনা চিল শুধুই দলকে নিয়ে।’

    আগামী ৯ জুলাই ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে একে অপরের মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ড ও ভারত। এই ম্যাচের জয়ী দল জায়গা করে নেবে লর্ডসের ঐতিহাসিক ফাইনাল ম্যাচে।

  • তারেককে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে যুক্তরাজ্যের আদালত

    তারেককে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে যুক্তরাজ্যের আদালত

    অনলাইন ডেস্ক :

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে যুক্তরাজ্যের আদালত। এক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য সরকারের কোনো ভূমিকা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারসন ডিকসন।

    সোমবার (৮ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিস) মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি একথা বলেন।

    ‍কূটনৈতিক সাংবাদিকদের সংগঠন ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’-য়ে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারসন ডিকসন।

    ডিক্যাব টক-য়ে যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমানকে দেশটির সরকার ফেরত পাঠাবে কিনা- এমন প্রশ্নের উত্তরে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, তারেক রহমানকে বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে যুক্তরাজ্যের আদালত। এক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য সরকারের কোনো ভূমিকা নেই। এছাড়া যুক্তরাজ্য সরকার কোনো একক ব্যক্তির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করে না।

  • চিলিকে হারিয়ে কোপায় তৃতীয় আর্জেন্টিনা

    চিলিকে হারিয়ে কোপায় তৃতীয় আর্জেন্টিনা

    দক্ষিণ আমেরিকান শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্ট কোপা আমেরিকার গত দুই আসরের ফাইনাল খেলেছিল আর্জেন্টিনা ও চিলি। যেখানে দুবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল চিলি, রানারআপ থেকেই শেষ করতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে।

    সে দুই দলই এবারের কোপায় বাদ পড়ে গিয়েছে সেমিফাইনাল থেকে। ফলে তারা মুখোমুখি হয়েছিল তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। যেখানে চিলির বিপক্ষে আগের দুই ফাইনালের প্রতিশোধ নিয়ে ২-১ গোলের জয়ে তৃতীয় হয়ে কোপা শেষ করেছে আর্জেন্টিনা।

    দলের জয়ে আর্জেন্টিনার পক্ষে গোল দুইটি করেছেন সার্জিও আগুয়েরো ও পাওলো দিবালা। চিলির পক্ষে একটি গোল শোধ করেছেন স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনায় লিওনেল মেসির সতীর্থ আর্তুরো ভিদাল।

    এদিকে শিরোপা জেতার স্বপ্ন শেষ হওয়ার পর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলতে নেমে হতাশার এক অর্জনই হলো আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির। প্রায় ১৪ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো লাল কার্ড দেখতে হয়েছে তাকে। ২০০৫ সালে আর্জেন্টিনার জার্সিতে নিজের অভিষেক ম্যাচেই প্রথম লাল কার্ড দেখেছিলেন মেসি।

    Red

    করিন্থিয়াস এরেনায় ম্যাচের ৩৭ মিনিটের মাথায় পাওলো দিবালার বাড়ানো বল মাঠের মধ্যে রাখতে গিয়ে চিলির ডিফেন্ডার গ্যারি মেডেলের সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধে যায় মেসির। মেডেল বারবার ধাক্কা মারতে থাকলেও মেসি ছিলেন নির্লিপ্ত।

    তবু মেডেলকে ফাউল করতে উৎসাহিত করার অপরাধে এবং মাথা দিয়ে আঘাত করার ইঙ্গিত করায় মেডেলের সঙ্গে মেসিকেও লাল কার্ড দেখান মেসি। ফলে দুই দলই পরিণত হয় দশ জনে।

    এদিকে মেসি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেও প্রথমার্ধে এগিয়ে থাকে আর্জেন্টিনাই। তৃতীয় হওয়ার মিশনে ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিটেই জোড়া গোল করে ফেলে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।

    agu

    ম্যাচের ১২ মিনিটের মাথায় মাঝ মাঠ থেকে মেসির বুদ্ধিদীপ্ত ফ্রি-কিক ধরে প্রায় একার নৈপুণ্যে ম্যাচের প্রথম গোলটি করেন সার্জিও আগুয়েরো। এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠে ফাউল করা হয়েছিল মেসিকে। সেখান থেকে তড়িঘড়ি ফ্রি-কিক নিয়ে তিনি বল বাড়িয়ে দেন আগুয়েরোর উদ্দেশ্যে। যেটি ধরে গোল করতে ভুল করেননি আগুয়েরো।

    লিড দ্বিগুণ করতে খুব বেশি সময় নেননি পাওলো দিবালা। মিনিট দশেক পরে জিওভানি লো সেলসোর কাছ থেকে দারুণ এক পাস পেয়ে যান তিনি। পরে প্রথম ছোঁয়ায় ডিফেন্ডার এবং দ্বিতীয় ছোঁয়ায় পরাস্ত করেন গোলরক্ষককে। এ দুই গোলের লিড নিয়েই প্রথমার্ধ শেষ করেছে আর্জেন্টিনা।

    dybala

    দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে আর নিজেদের খেলার ছন্দটা ধরে রাখতে পারেননি আগুয়েরো-দিবালারা। সুন্দর ফুটবলের চেয়ে শরীরনির্ভর কুৎসিত খেলার প্রদর্শনী চলতে থাকে পুরো দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে। যেখানে ছাড় দেননি কেউ কাউকে। তাই তো মেসি-মেডেলের লাল কার্ড ছাড়াও দুই দল মিলে হলুদ কার্ড দেখেছে আরও ৮টি।

    এরই মাঝে ম্যাচের ৫৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে এক গোল শোধ করে চিলি। বিতর্কিত এক সিদ্ধান্তে পেনাল্টি পায় গত দুই আসরের চ্যাম্পিয়নরা। রিপ্লেতে দেখা যাচ্ছিলো লো সেলসোর করা ফাউলটি হয়েছে ডি-বক্সের বাইরে। তবু চিলির পক্ষে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। সহজ সুযোগ পেয়ে গোল করেন ভিদাল।

    তবে ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনো গোল করতে পারেনি কোনো দল। যার ফলে ২-১ গোলের জয়েই তৃতীয় স্থান পেয়ে যায় আর্জেন্টিনা।

  • অনলাইনে সরাসরি দেখুন ব্রাজিলের শিরোপা জেতার লড়াই

    অনলাইনে সরাসরি দেখুন ব্রাজিলের শিরোপা জেতার লড়াই

    বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের আসর কোপা আমেরিকার ফাইনালে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল এবং পেরু। দুই দলের এই ধ্রুপদী লড়াইটি বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকরা সরাসরি টিভিতে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন না।

    কারণ, বাংলাদেশে প্রচারিত স্পোর্টস চ্যানেলগুলোর কোনোটিতেই দেখা যাচ্ছে না এবারের কোপা আমেরিকার খেলা। লাতিন আমেরিকার জমজমাট এই লড়াইয়ের খেলাগুলো দেখানো হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক স্পোর্টস চ্যানেল বেইন স্পোর্টসে। এছাড়া পিপিটিভি নামক একটি চ্যানেলেও সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে কোপা আমেরিকার ম্যাচ।

    তবে বাংলাদেশের ফুটবল ভক্তরা অনলাইনে বসে সরাসরি ব্রাজিল-পেরুর এ ম্যাচটি দেখতে পারবেন। কারণ, বেইন স্পোর্টসের সার্ভার ব্যবহার করে অনলাইনে সরাসরি ফুটবলের এই দ্বৈরথটি দেখানো হচ্ছে। এছাড়া মোবাইল ব্যবহারকারীরাও অ্যাপস ব্যবহার করে দেখতে পারবেন কোপার ফাইনাল ম্যাচটি। এমনকি রয়েছে অনলাইন লাইভ স্ট্রিমিং।

    tv.bdixsports.com এই লিংকে প্রবেশ করলে পাওয়া যাবে দেশি-বিদেশি চ্যানেলগুলো তালিকা। সেখানে তিন নম্বর সারিতে রয়েছে ফুটবল চ্যানেল। তার শুরুতেই দেখা যাবে বেইন স্পোর্টস।

    এই চ্যানেলের ৩, ৪, ৬ এবং ১০- এই চারটি চ্যানেলেই দেখা যাবে ব্রাজিল-পেরু ম্যাচ। মোট চারটি ভাষা- ইংলিশ, স্প্যানিশ, পর্তুগিজ এবং আরবিতে সম্প্রচার করা হবে এই ম্যাচটি। সার্ভার থেকেই অনলাইনে সরাসরি ম্যাচ সম্প্রচার করবে টিভি চ্যানেলটি।

    navixsport.en.softonic.com এই লিংকটিতে পাওয়া যাবে মোবাইল অ্যাপস। যেটা ডাউনলোড করে মোবাইলেও দেখা যাবে এ ফাইনাল ম্যাচটি।

    bdtv.live এই লিংকে প্রবেশ করলে অনলাইনে সরাসরি কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিল আর পেরুর ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে। এছাড়া totalsportek.com এই লিংকেও লাইভ স্ট্রিমিং দেখা যাবে কোপা আমেরিকা ফাইনালের।