Category: আন্তর্জাতিক

  • ভোট পরবর্তী সহিংসতায় ফের উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ, নিহত ২

    ভোট পরবর্তী সহিংসতায় ফের উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ, নিহত ২

    ভোট পরবর্তী সহিংসতায় ফের উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার জগদ্দল থানার অন্তর্গত ভাটপাড়ায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ছয়জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।

    বৃহস্পতিবার সকাল দশটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    হঠাৎ করেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাটপাড়া। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে একে অপরকে লক্ষ্য করে শুরু হয় বোমা ও গুলি বর্ষণ। এরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ বাহিনী। পুলিশকে লক্ষ্য করে শুরু হয় বোমা বর্ষণ। এরপর পুলিশও পাল্টা গুলি ও টিয়ার গ্যাসের সেল ছুঁড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই গোটা এলাকা রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। রাস্তাঘাট, দোকান-বাজার মানুষ শূন্য হয়ে পড়ে।

    এরই মাঝে পড়ে মৃত্যু হয় রামবাবু শাহু নামে এক যুবকের। তার মাথায় গুলি লাগে বলে জানা গেছে। আহতদের ব্যারাকপুর বিএনবোস মহুকুমা হাসপাতাল এবং কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    পরে বিকালে অ্যাপোলো হাসপাতালে ধরমবীর সাউ নামে আরও এক আহত ব্যক্তির মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে সন্তোষ সাউ নামে আরও এক ব্যক্তি।

    পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে বিকালে ভাটপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে বিক্ষোভ দেখান এলাকার নারীরা।

    একসময় উত্তেজিত হয়ে পুলিশের গাড়িও ভাঙচুড় করে বলে অভিযোগ।

    পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে এদিন দুপুরেই ভাটপাড়া পুলিশ আউটপোস্টকে পূর্ণাঙ্গ থানায় উদ্বোধন করার কথা ছিল রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্র’এর। কিন্তু সহিংসতার কারণে বাতিল করতে হয় সেই অনুষ্ঠান। মাঝ পথ থেকেই কলকাতায় ফিরে যেতে হয় ডিজিপি-কে। যদিও পরে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বিকালে ভাটপাড়ায় যান তিনি।

    এদিকে ভাটপাড়ার পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে নবান্নে মুখ্যসচিব মলয় কুমার দে’এর নেতৃত্বে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক বসে।

    বৈঠক শেষে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দোপাধ্যায় বলেন, ‘কিছু অপরাধী ও সমাজবিরোধী মানুষ ওই সমস্ত অঞ্চলে সক্রিয় হয়েছেন। বহিরাগত উপাদানকে স্থানীয় উপাদানের সাথে সংযুক্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এর ফলে স্বাভাবিক জনজীবন ও আইন-শৃঙ্খলা ব্যহত হচ্ছে। সমস্ত বিষয়টি রাজ্য সরকার কঠোর দৃষ্টিতে দেখছে।

    এরপর বিকালেই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ভাটপাড়া থানায় আসেন ডিজিপি বীরেন্দ্র। সেখানে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনার তন্ময় রায় চৌধুরী, আইজি দক্ষিণ বঙ্গ সঞ্জয় সিং সহ পুলিশের অন্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন।

    ঘটনার পরই ওই ভাটপাড়া জুড়ে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে, পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে নামানো হয়েছে পুলিশ বাহিনী, র‌্যাফ (র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স) বাহিনীকেও। সেইসাথে দুর্বৃত্তদের ধরতে চলে অভিযান। এসময় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় তাজা বোমা ও একটি রিভলবার।

    ঘটনার পরই কঠোর বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। পুলিশকে রং না দেখে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিন দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে শান্তি ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    এদিকে দুই ব্যক্তির মৃত্যুর পরই তাদেরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনীতি। তৃণমূলের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক দাবি করেছেন ‘বিজেপি পরিকল্পনা করে এই জায়গায় সহিংসতা তৈরি করেছে। নতুন ও পুরোনো বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষেই তাদের দুইজন কর্মী নিহত হয়েছেন।

    যদিও বিজেপির দাবি নিহত দুইজন তাদের সক্রিয় কর্মী। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় এ সহিংসতায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করে বলেন, লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই মমতা ব্যনার্জি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন। রাজ্য জুড়েই অশান্তি তৈরি হয়েছে।

    দলের তরফে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এ ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠানো হবে বলেও জানান বিজয়বর্গীয়।

  • সাংবাদিককে গায়ে আগুন দিয়ে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যা

    সাংবাদিককে গায়ে আগুন দিয়ে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যা

    ভারতের মধ্যপ্রদেশে দেশটির স্থানীয় এক সাংবাদিককে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। প্রদেশের সরকারি এক কর্মকর্তার বাড়িতে তার শরীরে আগুন দেয়া হয় বলে নিহত সাংবাদিকের স্বজনরা দাবি করেছেন। বুধবার সকালের দিকে মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলায় এ ঘটনা ঘটেছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজ বলছে, মধ্যপ্রদেশের কৃষি অধিদফতরের এক কর্মকর্তার বাড়ির সামনে থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় সাংবাদিক চক্রেশ জৈনকে উদ্ধার করেন তার পরিবারের স্বজনরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

    প্রদেশের কৃষি কর্মকর্তা আমান চৌধুরীর বাড়ির সামনে থেকে ওই সাংবাদিককে উদ্ধার করা হয়। সাগর জেলা পুলিশ বলছে, ২০১৮ সালে আমান চৌধুরী সাংবাদিক চক্রেশ জৈনের বিরুদ্ধে তফসিলি জাতি ও উপজাতি নির্যাতন (প্রতিরোধ) আইনে একটি মামলা করেছিলেন। এই মামলা নিয়ে দু’পক্ষের বিবাদ চলছিল।

    চক্রেশ জৈনের পরিবারের দাবি, কয়েকদিন পর মামলার শুনানির দিন নির্ধারিত ছিল। তার আগে এ বিষয়ে আলোচনার জন্য বুধবার সকালে চক্রেশ কৃষি দফতরের ওই কর্মকর্তার বাড়িতে যান। ওই সাংবাদিকের ভাই রাজকুমার জৈনের অভিযোগ, চক্রেশ যে ওই কর্মকর্তার বাড়ি গিয়েছিলেন, সেটা পরিবারের সব সদস্যই জানতেন। দীর্ঘক্ষণ তিনি না ফেরায় আমান চৌধুরীর বাড়ি গিয়ে চক্রেশকে প্রায় সম্পূর্ণ দগ্ধ অবস্থায় দেখতে পান।

    রাজকুমার বলেন, ওই কর্মকর্তাই আমার ভাইকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে; যাতে সত্য উন্মোচন না হয়। পুলিশ বলছে, যখন চক্রেশ জৈনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়; তখন তার শরীরের ৯০ শতাংশই পুড়ে গিয়েছিল। এ ঘটনায় অভিযুক্ত কৃষি কর্মকর্তারও শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। তিনিও হাসপাতালে চিকিত্সাধীন।

    তার বিরুদ্ধে চক্রেশ জৈনের পরিবারের আনা অভিযোগ উড়িয়ে আমান চৌধুরী জানান, বুধবার সকাল ৮টার দিকে চক্রেশ তার বাড়িতে আসেন। কথাবার্তা চলাকালীন হঠাৎ চক্রেশ নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। পুলিশ বলছে, নিহত সাংবাদিকের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আমান চৌধুরী ও আরও একজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৭৪ নম্বর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।

  • কম খরচে বিমান ভ্রমণ, যেতে হবে দাঁড়িয়ে?

    কম খরচে বিমান ভ্রমণ, যেতে হবে দাঁড়িয়ে?

    কম খরচে বিমান ভ্রমণে এবার আমাদের দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই আকাশপথে যেতে হবে! বিমানেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়েই থাকতে হবে? ভাড়া অনেক কম দিতে হচ্ছে বলে!

    সেই সম্ভাবনা জোরালো হয়ে উঠেছে সম্প্রতি জার্মানির হামবুর্গে আয়োজিত একটি এক্সপোর দৌলতে। বিমানের অন্দরসজ্জা বানায় যারা সেই সংস্থাগুলো তাদের নতুন উদ্ভাবন নিয়ে হাজির হয়েছিল হামবুর্গের সেই এক্সপোয়। সেখানেই একটি সংস্থা দেখিয়েছে বিমানে দাঁড়িয়ে যাওয়ার সিট। যার নাম- ‘স্কাইরাইডার ৩.০’।

    সংস্থাগুলির দাবি, এটাই বিমানের নতুন ধরনের সিটের তৃতীয় ও সর্বাধুনিক সংস্করণ। যারা ‘আল্ট্রা বেসিক ইকনমি’ বা খুব সস্তায় উড়তে চান, গায়ে লাগে না এমন ভাড়া দিতে চান, বিমানে তাদের জন্য এবার চালু হতে পারে এই নতুন ধরনের সিট।

    যদিও সেই সিট নিয়ে ইতিমধ্যেই একের পর এক সমালোচনা ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনেকেরই অভিযোগ, ওই ধরনের সিটে বিমানে যাত্রীদের জন্য কম জায়গা ছাড়তে হবে বলে আরও বেশি যাত্রী নিতে পারবে উড়ান সংস্থাগুলো। কেউ কেউ বলছেন, ‘‘এ বার জন্তু-জানোয়ারের মতো বিমানে যেতে হবে, সস্তায় আকাশে উড়তে চাইলে।’’

    সেই সব অভিযোগ অবশ্য উড়িয়ে দিয়েছেন এই ধরনের সিট বানায়, এমন একটি সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাডভাইসার গ্যায়তানো পেরুগিনি। তার কথায়, ‘‘আমরা হাজার হাজার যাত্রীকে কেবিনে পুরতে চাই না। বিমানে আমরা বিভিন্ন ধরনের ক্লাসের ব্যবস্থা রাখতে চাই। ভাড়া অনুযায়ী। যা এখনকার বিমানগুলোতে সম্ভব নয়। একই কেবিনে থাকবেন সব যাত্রী। যারা স্ট্যান্ডার্ড ইকনমি বা প্রিমিয়াম ইকনমি ক্লাসে উড়বেন, তারাও যেমন থাকবেন সেই কেবিনে, তেমনই থাকবেন বিজনেস বা আল্ট্রা-বেসিক ইকনমি ক্লাসে যাওয়া যাত্রীরা। এটাই স্কাইরাইডার সিটের বিশেষত্ব।’’ সূত্র: আনন্দবাজার।

  • তুরস্কে ব্যর্থ অভ্যুত্থান: জড়িত ২৪ সেনা কর্মকর্তার আমৃত্যু কারাদণ্ড

    তুরস্কে ব্যর্থ অভ্যুত্থান: জড়িত ২৪ সেনা কর্মকর্তার আমৃত্যু কারাদণ্ড

    তুরস্কে ২০১৬ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থান চেষ্টার সঙ্গে জড়িতদের মামলার রায় দিয়েছে দেশটির একটি বিশেষ আদালত। এতে সামরিক বাহিনীর ২৪ জন জেনারেলকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হয়েছে। তাদের শাস্তির মেয়াদ আমৃত্যু কারাদণ্ড। অর্থাৎ তাদের মৃত্যু পর্যন্ত জেলেই কাটাতে হবে।

    তবে তাদের মধ্যে আবার ১৭ জনকে বিভিন্ন অভিযোগে ১৪১ বার করে এই শাস্তি দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ ১৪১টি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তাদের প্রত্যেকের জন্য। এই শাস্তিতে কোন জামিন বা প্যারোলে মুক্তির বিধান নেই। তুরস্ক ২০০২ সালে মৃত্যুদণ্ড বাতিল করে সর্বোচ্চ শাস্তির মেয়াদ আমৃত্যু কারাদণ্ডের বিধান করে।

    এদিন রায়ে মোট ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদের শাস্তি ঘোষণা করা হয়। রাজধানী আঙ্কারার সিনকান কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতের বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন বৃহস্পতিবার। এদের মধ্যে কয়েক জন পলাতক আছেন।

    অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, সশস্ত্র বাহিনীকে বিপথগামী করা, প্রেসিডেন্টকে হত্যাচেষ্টা ও ২৪৯ জনকে হত্যার অভিযোগে এই রায় দেয়া হয়েছে। ২০১৭ সালে এই মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।

    ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই রাতে তুরস্কে অভ্যুত্থান করে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা চালায় সামরিক বাহিনীর একটি গ্রুপ। এই গ্রুপটির আদর্শিক নেতা যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকা তুর্কি নেতা ফেতুল্লাহ গুলেন। অভ্যুত্থান প্রক্রিয়া শুরু হলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দেয়া টিভিতে প্রচারিত প্রেসিডেন্ট এরদোগানের একটি বক্তব্যের পর রাস্তায় নেমে এসে জনতা এই সেনাদের প্রতিহত করে অভ্যুত্থান ব্যর্থ করে দেয়।

    রায়ে আজীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন তুর্কি বিমান বাহিনীর তৎকালীন কমান্ডার আকিন ওজতুর্ক। সরাসরি ঘটনাস্থলে তিনিই নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অভ্যুত্থান চেষ্টার। এছাড়া প্রেসিডেন্ট এরদোগানের তৎকালীন সামরিক উপদেষ্টাও আছেন শাস্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে। গুলেনের পর এই দুজনকেই সে দিনের অভ্যুত্থান চেষ্টার নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    সেনাপ্রধানকে বন্দী করে তারা সেনা সদর দফতরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিলেন। বিমান থেকে পার্লামেন্ট ভবনসহ কিছু জায়গায় বোমাও ফেলেছিল তারা; কিন্তু সাধারণ জনতা ও পুলিশের কিছু সদস্য তাদের প্রতিহত করে। রাস্তায় নেমে আসা সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্ক ও সাজোঁয়া যান ব্যর্থ হয় নিরস্ত্র জনতার স্রোতের মুখে।

    লেফট্যানেন্ট কর্নেলসহ সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ ২৬জন কর্মকর্তা আজীবন কারাদণ্ডের শাস্তি পেয়েছেন। এছাড়া ওই ঘটনার কিছুদিন আগে অবসরে যাওয়া ৪ জন মেজর জেনারেলও একবার করে আজীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন।

  • ইসরায়েলকে মানচিত্র থেকে গায়েব করে দিলো নিউজিল্যান্ড!

    ইসরায়েলকে মানচিত্র থেকে গায়েব করে দিলো নিউজিল্যান্ড!

    নিউ জিল্যান্ডের সরকারি ওয়েবসাইট ‘ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ড’ মধ্যপ্রাচ্যের একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছিলো সম্প্রতি। যাতে ইসরায়েল রাষ্ট্রের কোনো অস্তিত্ব ছিলো না। কিন্তু ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের মানচিত্র ছিলো। যা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

    ইসরায়েলি গণমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল সমালোচনার মুখে এরইমধ্যে মুছে ফেলা হয়েছে ওয়েব পেজটি। ইসরায়েল না থাকলেও ‌ওই মানচিত্রে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ছিল।

    ইমিগ্রেশন নিউ জিল্যান্ড হলো নিউ জিল্যান্ডের বাণিজ্য, উদ্ভাবন ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি সংস্থা। সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ আরোপ, ট্রাভেল ভিসা ইস্যু করা ও নিউ জিল্যান্ডে অভিবাসন সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনার কাজগুলো করে থাকে এটি। সংস্থাটির নিউ জিল্যান্ড ইমিগ্রেশন নামে একটি ওয়েবসাইট রয়েছে।

    জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি ইমিগ্রেশন নিউ জিল্যান্ডে একটি ফ্যাক্ট শিট প্রকাশিত হয়। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের একটি মানচিত্রও প্রকাশ হয়, যেখানে ইসরায়েল অস্তিত্বহীন। ফ্যাক্ট শিটে নিউ জিল্যান্ডে থাকা ফিলিস্তিনি অভিবাসীদের তথ্য দেওয়া হয়। পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী উল্লেখ করা হয় সেখানে। ওই ওয়েব পেজটিতে হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজায় ইসরায়েল আরোপিত অবরোধ ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গও টানা হলেও এর বিস্তারিত ছিল না। ফ্যাক্ট শিটে আরও বলা হয়, দ্বিতীয় ইন্তিফাদার সময় ফিলিস্তিনিদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন চালিয়েছে ইসরায়েল।

    মানচিত্রটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে নিউ জিল্যান্ডের ইসরায়েল ইন্সটিটিউটের পরিচালক অ্যাশলে চার্চ তার বিবৃতিতে বলেন, ‘খুব সম্প্রতি পুরোপুরি আধুনিক ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনের সঙ্গে মিলিয়ে দিয়ে সুস্পষ্টভাবে ভুল করা হয়েছে। এটি অবিশ্বাস্যরকমের আক্রমণাত্মক ঘটনা। এটি নিউ জিল্যান্ড ইমিগ্রেশনে স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসকে বাদ দিয়ে যুক্তরাজ্যের মানচিত্র প্রদর্শন এবং ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জকে সম্পূর্ণরূপে ইংল্যান্ড হিসেবে উল্লেখ করার শামিল।’

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমাদের অভিবাসন মন্ত্রীর উচিত অবিলম্বে আক্রমণাত্মক ওই ছবির জন্য ক্ষমা চাওয়া এবং এর মধ্য দিয়ে যে সরকারের নীতিমালা প্রভাবিত হচ্ছে না তা নিশ্চিত করা। ওয়েবসাইটটি মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে না, এমনটা নিশ্চিত করে ইমিগ্রেশন নিউ জিল্যান্ডকে বিবৃতি দিতে হবে। এ ঘটনায় কে বা কারা দায়ী তা খুঁজে বের করতে তদন্ত করতে হবে এবং এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

    উল্লেখ্য, ওই ওয়েব পেজটি এরইমধ্যে মুছে ফেলা হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এর স্ক্রিন শট ছড়িয়ে পড়েছে।

  • প্রত্যেক উপজেলা থেকে বছরে এক হাজার কর্মী বিদেশে পাঠানো হবে

    প্রত্যেক উপজেলা থেকে বছরে এক হাজার কর্মী বিদেশে পাঠানো হবে

    অভিবাসনে পিছিয়ে পড়া জেলাসমূহকে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় উৎসাহিত করতে প্রত্যক উপজেলা থেকে বছরে গড়ে এক হাজার কর্মী বিদেশে পাঠানোর কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমেদ।

    আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এতথ্য জানান।

    সরকারি দলের আনোয়ারুল আবেদীনের প্রশ্নের জবাবে জানান, বাংলাদেশ থেকে এ পর্যন্ত ১৭৩টি দেশে কর্মী প্রেরণ করা হচ্ছে। উপজেলা ভিত্তিক বিদেশে গমন করা বা ফেরত কর্মীদের সঠিক সংখা নির্ধারণ করতে ভবিষ্যতে পৃথক ডাটাবেজ প্রণয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, বিদেশে কর্মী গমনের ক্ষেত্রে দেশের সকল অঞ্চল থেকে বিদেশে যাবার সুযোগ সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। তবে পিছিয়েপড়া জেলাসমূহের ক্ষেত্রে নতুন কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    আওয়ামী লীগের মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের প্রশ্নের জবাবে বলেন, অধিকহারে দক্ষ কর্মী বিদেশে প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়াধীন বিএমইটির কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সংখ্যা ৩৮ থেকে ৭০টিতে উন্নীত করা হয়েছে। এসব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ৫৫টি কর্মসংস্থান উপযোগি স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি কোর্সে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

    সরকারি দলের নূর মোহাম্মদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ জানান, বাংলাদেশের জন্য অন্যতম প্রধান শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মালয়েশিয়ায় ব্যাপকহারে কর্মী প্রেরণের জন্য সরকারের প্রচেষ্ট অব্যাহত আছে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছেন। বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণের বিষয়ে দ্বি-পাক্ষিক জয়েন্ট ওয়ার্কি গ্রুপে ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে। সরকারের নানামুখী কুটনৈতিক তৎপরতায় বিশ্বে বিভিন্ন দেশের শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে।

    আওয়ামী লীগের সৈয়দা রুবিনা আক্তারের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিরীহ মানুষজনকে দালালদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। এজন্য কিছু কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এগুলোর মধ্যে দালালদের দৌরাত্ম কমাতে জেলা পর্যায়ে শাখা অফিস খুলতে রিক্রুটিং এজেন্টদের নির্দেশনা প্রদান, নিরীহ মানুষদের প্রতারণার হাত থেকে বাঁচাতে প্রত্যেক জেলা ও উপজেলায় নিরাপদ অভিবাসন সংক্রান্ত সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে। যেসব বাংলাদেশি প্রতারিত হয়ে বিদেশ থেকে ফিরে আসেন সেসব বাংলাদেশিদের নিকট থেকে বিমান বন্দরে সংশ্লিষ্ট প্রতারকদের তথ্য সংগ্রহ করে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • বিস্ময়ের জন্ম দিল এই রান-আউট

    বিস্ময়ের জন্ম দিল এই রান-আউট

    অজিদের দেওয়া বিশাল টার্গেট তাড়ায় নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তামিম ইকবালের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান-আউট হয়ে যান ২ বাউন্ডারিতে ১০ রান করা সৌম্য সরকার। স্ট্রাইক প্রান্তে থাকা তামিমের আহ্বানে সাড়া দেন সৌম্য। কিন্তু তিনি মাঝপথে যেতেই তামিম মানা করেন। এই সুযোগ মিড অন থেকে দেখে শুনে সরাসরি থ্রোতে নন স্ট্রাইক এন্ডের স্টাম্প উপড়ে দেন অ্যরন ফিঞ্চ। সৌম্য বাঁচার কোনো চেষ্টা করেননি বলেই হয়তো তামিম হতবাক হয়ে তাকিয়েছিলেন। অবশ্য সৌম্যর বাঁচার উপায়ও ছিল না। তামিমের সঙ্গী হয়েছেন সাকিব আল হাসান। ৬.৩ ওভারে বাংলাদেশ ১ উইকেটে ৩৬।

    এর আগে ট্রেন্ট ব্রিজে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ৩৮১ রানের পাহাড় গড়ে অস্ট্রেলিয়া। দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ এবং ডেভিড ওয়ার্নার। ব্যক্তিগত ১০ রানে সাব্বিরের হাতে ক্যাচ দিয়েও ওয়ার্নার বেঁচে যান। ফলে ওপেনিং জুটি লম্বা হতে থাকে। ৪৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ফিঞ্চ এবং ৫৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন ওয়ার্নার। শেষ পর্যন্ত ফিঞ্চকে (৫৩) রুবেল হোসেনের তালুবন্দি করে ১২১ রানের এই জুটি ভাঙেন পার্টটাইম বোলার সৌম্য সরকার। জীবন পেয়ে সেটাকে তিন অংকে নিয়ে যান ওয়ার্নার। ক্যারিয়ারের ১৬তম এবং চলতি বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিতে ভয়ংকর এই হার্ডহিটার খেলেন ১১০ বল; হাঁকিয়েছেন ৭ চার এবং ২ ছক্কা।

    এর পরে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন ওয়ার্নার। মাত্র ২৯ বলে পরবর্তী ফিফটি করে নিজের ইনিংসকে দেড়শ ছাড়িয়ে নেন। অ্যারন ফিঞ্চের পর দেড়শ ছাড়ানো রান কর ডেভিড ওয়ার্নারকেও ফেরত পাঠিয়েছেন সৌম্য। ১৪৭ বলে ১৪ চার ৫ ছক্কায় ১৬৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলা ওয়ার্নার সৌম্যর বলে ক্যাচ তুলে দেন রুবেল হোসেনের হাতে। স্লগ ওভারে বেদম প্রহার শুরু করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল আর উসমান খাজা। ইতিমধ্যেই খাজা হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেছেন। ভয়ংকর ম্যাক্সওয়েল তখন ৯ বলে ২ চার ৩ ছক্কায় ৩২ করে ফেলেছেন। তখন আবারও মঞ্চে আবির্ভাব সৌম্য-রুবেল জুটির।

    সৌম্যর করা ৪৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে রান নেওয়া নিয়ে ভুল বোঝাবুঝিতে রুবেলের সরাসরি থ্রোতে রান-আউট হয়ে যান ম্যাক্সওয়েল। ৭২ বলে ৮৯ করা উসমান খাজাকে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করে নিজের তৃতীয় শিকার ধরেন সৌম্য। ৪৮তম ওভারে এসে স্টিভেন স্মিথকে (১) এলবিডাব্লিউ করেন মুস্তাফিজ। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি স্মিথ। ৪৯তম ওভার শেষে শুরু হয় বৃষ্টি।বৃষ্টি থামার পর পুনরায় খেলা শুরু হলে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে অজিরা সংগ্রহ করে ৩৮১ রান। ৮ ওভারে ৫৮ রানে ৩ উইকেট নেন সৌম্য। মুস্তাফিজের ১ উইকেট ছাড়া আর কোনে স্পেশালিস্ট বোলার সাফল্য পাননি।

  • বাংলাদেশের জয়ের জন্য চাই ৩৮২ রান

    বাংলাদেশের জয়ের জন্য চাই ৩৮২ রান

    ম্যাচের তখন মাত্র এক ওভার বাকি। এমন সময় ঝমঝমিয়ে নামে বৃষ্টি। সেই বৃষ্টি অবশ্য থাকেনি বেশিক্ষণ। মিনিট কয়েক পরই আবারও মাঠে নামে অস্ট্রেলিয়া। ফলে পুরো ৫০ ওভারই ব্যাট করতে পেরেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ৫ উইকেটে তারা তুলেছে ৩৮১ রান। অর্থাৎ জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ৩৮২ রান।

    টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বেশ সতর্কতার সঙ্গে শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। দুই ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ আর ডেভিড ওয়ার্নার বাংলাদেশি বোলারদের দেখেশুনে খেলছিলেন। সেঞ্চুরি জুটিও গড়েন তারা।

    কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। ফ্রন্টলাইন বোলাররা অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংকে বিপদে ফেলতে পারছিলেন না। অবস্থা বেগতিক দেখে ২১তম ওভারে পার্টটাইমার সৌম্য সরকারের হাতে বল তুলে দেন মাশরাফি বিন মর্তুজা।

    অধিনায়কের এমন বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত কাজে লেগে যায় সঙ্গে সঙ্গে। নিজের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে এসে অ্যারন ফিঞ্চকে শর্ট থার্ড ম্যানে রুবেল হোসেনের ক্যাচ বানান সৌম্য। ফিঞ্চ ৫১ বলে করেন ৫৩ রান। ১২১ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙায় স্বস্তি ফিরে বাংলাদেশ শিবিরে।

    তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সে স্বস্তিকে আবারও অস্বস্তিতে রূপ দেন ওয়ার্নার আর উসমান খাজা। এর মধ্যে ওয়ার্নার এবারের বিশ্বকাপে তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরিও তুলে নেন। সেটা দেড়শোতে নিয়েও থামেননি।

    SOMYA

    ১৯২ রানের বিশাল এই জুটিটি শেষপর্যন্ত ভাঙেন ওই সৌম্য সরকারই। যেন ফিঞ্চের আউটের পুণরাবৃত্তি। শর্ট থার্ড ম্যানে রুবেলই নিয়েছেন ক্যাচ। ১৪৭ বলে ১৪ বাউন্ডারি আর ৫ ছক্কায় ওয়ার্নারের উইলো থেকে আসে ১৬৬ রান।

    এরপর উইকেটে এসে ছোটখাটো এক ঝড় তুলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৪৭তম ওভারে এসে আবারও চমক দেখান সৌম্য। ১০ বলে ২ চার আর ৩ ছক্কায় ৩২ রান করা ম্যাক্সওয়েল শর্ট ফাইন লেগে বল ঠেলে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। রুবেল হোসেন সরাসরি থ্রোতে স্ট্যাম্প ভেঙে দেন।

    ওই ওভারেরই পঞ্চম বলে উসমান খাজাকে মুশফিকুর রহীমের ক্যাচ বানান সৌম্য। ৭২ বলে ১০ বাউন্ডারিতে ৮৯ রানে সাজঘরের পথ ধরেন খাজা, সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে।

    পরের ওভারের প্রথম বলে স্টিভেন স্মিথকে মাত্র ১ রানেই এলবিডব্লিউ করেন মোস্তাফিজুর রহমান। শেষদিকে মার্কাস স্টয়নিসের ১৭ আর অ্যালেক্স কারের ১১ রানে ৩৮১তে থামে অস্ট্রেলিয়া।

    বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল পার্টটাইমার সৌম্য সরকারই। ৮ ওভারে ৫৮ রান খরচায় তিনি নেন ৩টি উইকেট।

  • প্রেমের টানে জার্মানি নারী বাংলাদেশে

    প্রেমের টানে জার্মানি নারী বাংলাদেশে

    : প্রেমের টানে সুদূর জার্মান থেকে খুলনায় এসেছেন এ্যাসটিট ক্রিস্টিয়াল কাসুমী সিউ (৪৩)। এসেই মুসলমান হয়ে বিয়ে করলেন মহানগরীর খানজাহান আলী থানাধীন যোগিপোল ৭নং ওয়ার্ডের ইব্রাহিম মোড়লের ছেলে এমডি আসাদ মোড়লকে (৪০)। বাংলাদেশে আসার আগে তিনি তার স্বামীকে ডির্ভোস দিয়ে এসেছেন।

    আজ মঙ্গলবার আসাদ জানান, দুই বছর আগে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে জার্মানীর ক্রিস্টিয়ালের সাথে বন্ধুত্ব হয়। এক পর্যায় দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ক্রিস্টিয়াল সম্পর্কটাকে বাস্তবে রূপ দিতে জার্মানী স্বামীকে ডির্ভোস দিয়ে গত ১০ জুন ঢাকায় আসে। ১১জুন খুলনায় এসে একটি হোটেলে ওঠে। সেখানে দুজনের মধ্যে প্রথম বারের মতো সরাসরি সাক্ষাত হয়। ১২জুন ক্রিস্টিয়াল খুলনা নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে এবং ১৩ জুন তাদের দু’জনের কোর্ডের মাধ্যমে বিয়ে হয় । ক্রিস্টিয়ালকে বিয়ে করতে পেরে আমি খুবই খুশী।

    ক্রিস্টিয়াল বলেন, আসাদের সাথে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক বাস্তবায়নে আমি বাংলাদেশে এসে সরাসরি তাকে দেখে বুঝে ইসলাম ধর্মগ্রহন করে বিবাহ করেছি। এখন আমি অনেক সুখী।

    আসাদের বাবা ইব্রাহিম মোড়ল বলেন, ছেলে যাকে খুশি তাকে বিয়ে করবে এতে আমাদের আপত্তি নেই। তবে কখনও ভাবিনি সে অন্য দেশের কাউকে বিয়ে করবে।

  • নেপালি ক্লাবের জালে আবাহনীর গোলবন্যা

    নেপালি ক্লাবের জালে আবাহনীর গোলবন্যা

    নেপালের চ্যাম্পিয়ন মানাং মার্সিয়াংদি ক্লাবকে কাঠমান্ডুতেই হারিয়েছিল আবাহনী। হিমালয়ের দেশটির ক্লাবকে ঢাকায় হারিয়ে এএফসি কাপে পরের রাউন্ডে ওঠার লক্ষ্য ছিল ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়নদের। ঘরের মাঠে সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে আকাশী-হলুদ জার্সিধারীদের।

    নেপালের মাটিতে তাদের ক্লাবকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল আবাহনী। এবার ঘরে মাঠে নেপালি ক্লাবটির জালে রীতিমত গোল উৎসব করেছে আবাহনী লিমিটেড। মানাং মার্সিয়াংদি ক্লাবকে তারা হারিয়েছে ৫-০ গোলের ব্যবধানে। এটি এএফসি কাপে আবাহনীর সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়।

    বুধবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে নেপালের ক্লাবটিকে কেনো পাত্তাই দেয়নি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ৬ বারের চ্যাম্পিয়নরা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ধারাবাহিকভাবে গোল আদায় করেছেন জীবন-সোহেল রানারা। এ জয়ে ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে ‘ই’ গ্রুপের শীর্ষে উঠলো আবাহনী।

    আবাহনী প্রধমার্ধে দুটি এবং দ্বিতীয়ার্ধে করেছেন ৩টি গোল। ১১ মিনিটে নাবিব নেওয়াজ জীবন এবং প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে হাইতির বেলফোর্ট গোল করলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আবাহনী। দ্বিতীয়ার্ধের তিন গোলের একটি করেন জুয়েল রানা, একটি সানডে এবং শেষ গোলটি করেন মামুনুল ইসলাম।

    ৬৩ মিনিটে ম্যাচের সেরা পারফরমার সোহেল রানার ক্রসে ব্যবধান ৩-০ করেন জুয়েল রানা। ৭৬ মিনিটে গোলের হালি পূরণ করেন সানডে। শেষ বাঁশির কয়েক সেকেন্ড আগে আবাহনীর পঞ্চম গোলটি করেছেন মামুনুল।