Category: আন্তর্জাতিক

  • ইতিহাস গড়ে শচীনকে পেছনে ফেললেন বিরাট কোহলি

    ইতিহাস গড়ে শচীনকে পেছনে ফেললেন বিরাট কোহলি

    পাকিস্তানের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামার আগে ওয়ানডে ক্রিকেটে ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলির রান ছিল ১০ হাজার ৯৪৩। এদিন, ৭৭ রান করার মধ্য দিয়ে ১১ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করেছেন সময়ের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যান। একই সঙ্গে শচীন টেন্ডুলকারকে টপকে দ্রুততম ১১ হাজার রানের মালিক এখন টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়কের।

    ১১ হাজার রান করতে শচীন টেন্ডুলকারের যেখানে লেগেছিল ২৭৬ ইনিংস, সেখানে বিরাট কোহলি নিয়েছেন ২২২ ইনিংস। শচীনের পরের তিনজন হলেন রিকি পন্টিং (২৮৬), সৌরভ গাঙ্গুলি (২৮৮) ও জ্যাক ক্যালিস (২৯৩)।

  • সবচেয়ে ছোট দেশ, জনসংখ্যা মাত্র ৫৬

    সবচেয়ে ছোট দেশ, জনসংখ্যা মাত্র ৫৬

    চারটি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ছোট্ট একটি দেশ। নাম পিটকার্ন আইল্যান্ডস। এর চারটি দ্বীপের নাম হলো- পিটকার্ন, হেন্ডারসন, ডুসি এবং ওয়েনো। একমাত্র পিটকার্নেই মানুষের বসবাস। বাকি তিনটি দ্বীপ সমুদ্রের মাঝে ফাঁকাই পড়ে রয়েছে।

    এখানকার জনসংখ্যাও হাতেগোনা, মাত্র ৫৬ জন। জনসংখ্যার বিচারে এটাই বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দেশ। পিটকার্নের সবচেয়ে কাছে রয়েছে নিউজিল্যান্ড। তাই পিটকার্নে যাবতীয় চিঠিপত্র পৌঁছায় নিউজিল্যান্ড হয়েই।

    ১৭৯০ সালে পিটকার্নে জনবসতি গড়ে ওঠে। ১৭৮৯ সালে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর একদল সেনা বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। ব্রিটিশ নৌবাহিনীর তাহিতিগামী জাহাজের ক্যাপ্টেনকে জাহাজ থেকে ছোট নৌকায় জোর করে চড়িয়ে দিয়ে জাহাজের দখল নেয় তারা। পরে তাহিতি পৌঁছায় ওই বিদ্রোহী নৌসেনারা।

    কিন্তু সেখানেও তাদের বেশি দিন থাকা হয়নি। ব্রিটিশ প্রশাসনের শাস্তির হাত থেকে বাঁচতে তাহিতি ছেড়ে তারা সবাই পিটকার্ন চলে যান। সে সময় ওই বিদ্রোহী ব্রিটিশ নৌসেনাদের সঙ্গে তাহিতির কিছু মানুষও পিটকার্নে চলে যান। আশ্রয় নেন ছোট্ট এই দ্বীপে। আর তখন থেকেই এখানে জনবসতি গড়ে ওঠে। সে সময়ের ওই বিদ্রোহী ব্রিটিশ নৌসেনা আর তাদের সঙ্গী তাহিতির বাসিন্দাদের বংশধররাই বর্তমানে পিটকার্নের নাগরিক।

    এখন যে কয়জন মানুষ পিটকার্নে রয়েছেন, তারা মূলত চারটি পরিবারের সদস্য। পাহাড়, জঙ্গল আর সমুদ্রে ঘেরা অপূর্ব প্রাকৃতিক শোভা নিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে মাঝে ভেসে রয়েছে এই দেশ। ২০১০ সালে পিটকার্নের জনসংখ্যা ছিল ৪৫। ২০১৩ সালে জনগণনা করে দেখা যায় তা সামান্য বেড়ে হয়েছে ৫৬। জাতিসংঘ পিটকার্ন আইল্যান্ডসকে স্বশাসিত রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয়নি। তাই এই দেশের প্রশাসনিক দায়িত্ব রয়েছে ব্রিটেনের উপর।

  • বিহারে তীব্র দাবদাহে ৪০ জনের মৃত্যু

    বিহারে তীব্র দাবদাহে ৪০ জনের মৃত্যু

    ভারতের বিহারে তীব্র দাবদাহে ৪০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। শনিবারই বিহারের আওরঙ্গবাদ, গয়া ও নাওয়াডা জেলায় অধিকাংশ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র আওরঙ্গবাদেই ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    চলতি মাসে বিহারের মুজাফফরপুর জেলায় ইনসেফালিটিস সিন্ড্রমের প্রাদুর্ভাবে ৭৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যেই তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

    আওরঙ্গবাদের সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ড. সুরেন্দ্র প্রসাদ সিং জানিয়েছেন, তীব্র দাবদাহে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

    জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বহু মানুষ। এএনআইকে ড. সুরেন্দ্র প্রসাদ সিং বলেন, যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের বেশিরভাগই তীব্র জ্বরে ভুগছিলেন।

    তীব্র দাবদাহে গয়ায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. হর্ষ বর্ধন গয়া এতজনের মৃত্যুর ঘটনাকে দুর্ভাগ্যজনক বলে উল্লেখ করেছেন।

    তিনি বলেন, এটা সত্যিই খুব দুর্ভাগ্যজনক যে তীব্র গরমে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তিনি এই গরমে লোকজনকে বাড়ির মধ্যেই থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে গরম কমলে ঘর থেকে বের হওয়া যাবে। তিনি বলেন, তীব্র গরম আমাদের মস্তিষ্কে নানা ধরনের প্রভাব ফেলে এবং বিভিন্ন ধরনের রোগের সূত্রপাত ঘটায়।

    চলতি বছর ভারতকে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা সহ্য করতে হচ্ছে। আগের সব বছরের তুলনায় অনেক বেশি গরম পড়েছে এবার। দেশটির চার শহরে তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে। দিল্লি, রাজস্থানের চুরু ও বানদা এবং উত্তর প্রদেশের আল্লাহাবাদে ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার চেয়েও বেশি গরম পড়েছে।

  • জাতীয় পতাকাকে স্যালুট দিয়ে চমকে দিলেন জিৎ

    জাতীয় পতাকাকে স্যালুট দিয়ে চমকে দিলেন জিৎ

    কলকাতার সুপারস্টার জিৎ মদনানী। প্রিয় জিৎ নামেই তিনি পরিচিত তার ভক্তদের কাছে। ২০০২ সালে হরনাথ চক্রবর্তীর পরিচালিত ‘সাথী’ ছবি দিয়ে কলকাতার সিনেমায় অভিষিক্ত হন। এরপর থেকেই তিনি মাতিয়ে চলেছেন সিনেমার ইন্ডাস্ট্রি।

    নামের আগে যোগ করেছেন ব্যবসা সফল ও সুপারহিট নায়কের তকমা। সর্বশেষ এ নায়কের ‘শুরু থেকে শেষ’ নামের একটি ছবি মুক্তি পেয়েছে গেল ঈদে। কোয়েল মল্লিকের সঙ্গে জুটি বেঁধে এই ছবি দিয়ে দর্শক মাতিয়েছেন তিনি।

    এবার জিৎ ঘোষণা দিলেন নতুন ছবির। নাম ‘প্যান্থার’। নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জিৎ ফিল্ম ওয়ার্ক থেকে এটি নির্মিত হবে। এটি হবে নায়কের ক্যারিয়ারের ৫০ তম সিনেমা।

    ছবিটি পরিচালনা করবেন অংশুমান প্রত্যুষ। গতকাল শুক্রবার, ১৪ জুন এই ছবির ফার্স্ট লুক প্রকাশ্যে এসেছে। সেটি এরইমধ্যে নায়কের ভক্তদের মধ্যে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। পোস্টারে দেখা যাচ্ছে ভারতের জাতীয় পতাকাকে স্যালুট করছেন জিৎ।

    পোস্টার শেয়ার করে জিৎ লিখেছেন, ‘১৪ জুন আমার জন্য সব সময়ই স্পেশ্যাল। এই স্পেশ্যাল দিনে এটা তোমাদের জন্য।’ কেন স্পেশ্যাল ১৪ জুন? না, সে সম্বন্ধে অবশ্য নায়ক কিছু লেখেননি নায়ক।

    জানা গেছে, চলতি বছরের ১৫ আগস্টে ভারতের স্বাধীনতা দিবসে মুক্তি পাবে ছবিটি। এখানে দেশপ্রেমের গল্প ফুটে উঠবে। জিৎকে দেখা যেতে পারে একজন কর্তব্যপরায়ণ ও সাহসী সৈনিকের চরিত্রে।

    এ ছবিতে জিতের নায়িকা শ্রদ্ধা দাস। সুদীপ মুখোপাধ্যায়, কাঞ্চন মল্লিককে দেখা যাবে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে।

    ‘প্যান্থার’ ছবির ট্যাগলাইনে বলা হয়েছে ‘হিন্দুস্তান মেরি জান’। ধারণা করা হচ্ছে, ছবিটি হিন্দি ভাষাতেও ডাবিং করে সারা ভারতজুড়ে মুক্তি দেয়া হবে।

  • সেই কিশোর মুর্তাজার মৃত্যুদণ্ড বাতিল করছে সৌদি!

    সেই কিশোর মুর্তাজার মৃত্যুদণ্ড বাতিল করছে সৌদি!

    ১০ বছর বয়সে সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়ার অভিযোগে ১৩ বছর বয়সে আটক মুর্তাজা কুরেইরিসকে দেয়া মৃত্যুদণ্ড বাতিল করছে সৌদি আরব। সেইসঙ্গে মুর্তাজাকে ২০২২ সালে মুক্তি দেয়া হতে পারে বলে শনিবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন দেশটির এক কর্মকর্তা।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সৌদি কর্মকর্তা জানান, মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে না মুর্তজাকে। তবে এনিয়ে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি দেয়া হয়নি।

    সিএনএনের পতিবেদনে বলা হয়, ২০১১ সালে ইসলামি গণজাগরণের উত্তাল সময়ে সৌদি রাজতন্ত্রের নিপীড়ন-নির্যাতনের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্র দাবিতে সেসময় দেশজুড়ে যে গণবিক্ষোভের সূচনা হয়েছিল, তার অংশ হিসেবেই মুর্তাজা কুরেইরিস তার বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে সাইকেল রাইডে নেমেছিল। এই অল্পবয়সী বালকদের জড়ো হওয়ার বিষয়টি সেসময় ‘পর্যবেক্ষণ’ করে সৌদি সরকার। ওই বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার কারণে তিন বছর পর মুর্তাজাকে ১৩ বছর বয়সে গ্রেফতার করে রাজতন্ত্রের বাহিনী।

    পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ বাহরাইনে চলে যাওয়ার সময় সীমান্তে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সৌদি আরবের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী ‘রাজনৈতিক বন্দী’ হিসেবে মুর্তাজাকে নিয়ে যাওয়া হয় কারাগারে।

    মুর্তজার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রে বলা হয়, মুর্তাজার ভাই আলী কুরেইরিস মোটরসাইকেলেযোগে পূর্বাঞ্চলীয় শহর আওয়ামিয়াতে গিয়ে থানায় পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করেন, সেসময় তার সঙ্গে ছিল মুর্তাজাও। মুর্তাজার ভাইকে পরে নির্মমভাবে হত্যা করে সৌদি নিরাপত্তা বাহিনী।

    চলতি বছরের এপ্রিলে সৌদি আরব প্রায় ৩৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, মৃত্যুদণ্ড যাদের কার্যকর হয়েছে, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই শিয়া সম্প্রদায়ের। সৌদি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে শিয়া মুসলমানদের ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

  • আজ বিশ্ব বাবা দিবস

    আজ বিশ্ব বাবা দিবস

    বাবা দিবস কেমন করে এলো? বাবা দিবস তো আমরা পালন করি। কিন্তু এই দিবসটির পেছনের গল্প কি জানি? তথ্যটি খুব একটা আনন্দের না। বরং এর পেছনে আছে সংগ্রামের একটা গল্প। একশ বছরের বেশি সময় ধরে বিশ্বে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসার গল্পটা বেদনারই বলা যায়।

    মা দিবস প্রথম পালিত হয়েছিল ১৮৬০ সালে। সেই তুলনায় বাবা দিবসের বয়স কমই বলা যায়। আমেরিকাতে মা দিবসকে জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে পালন করা শুরু হয় সেই ১৯১৪ সাল থেকে। মা দিবস যতটা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পেরেছে বাবা দিবসের এক্ষেত্রে একটু সময়ই লেগেছে বলা চলে।

    ১৯০৮ সাল। পশ্চিম ভারজিনিয়ার এক গীর্জায় একটি স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছে। এর আগের বছরই একটি কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে নিহত হয়েছিল ৩৬২ জন কয়লা শ্রমিক। তাদেরকে সম্মান জানাতে সন্তানরা মিলে এই প্রার্থনা সভার আয়োজন করে। এটি ছিল বাবাকে সম্মান জানাতে ইতিহাসের প্রথম আয়োজন। ইতিহাস এমনটাই বলছে। যদিও বাবা দিবসের সঙ্গে এর তেমন কোন সম্পর্কে নেই।

    তবে ঠিক এর পরের বছর ১৯০৯ সালে সনোরা স্মার্ট ডড নামের এক নারী বাবা দিবসের স্বীকৃতির জন্য সোচ্চার হয়ে ওঠেন। ডড তার বাবাকে অসম্ভব ভালো বাসতেন। মা ছিলনা তাদের। তাদের সাত ভাইবোনকে বড় করে তুলেছিলেন তাদের সিঙ্গেল বাবা। বাবার এই ত্যাগ দেখে ডডের মনে হলো মা দিবসের এত আয়োজন হলে বাবা দিবস কেন বাদ থাকবে। বাবাকে সম্মান জানানোর জন্যও একটা দিন থাকা দরকার।

    অনেক চেষ্টা চরিত্র করে দীর্ঘ এক বছরের সাধনায় স্থানীয় কমিউনিটি গুলোতে বাবা দিবস পালন করতে পারেন ডড। ১৯১০ সালের ১৯ জুন বিশ্বে প্রথম বারের মতো পালিত হয় বাবা দিবস।

    শুরুটা ওয়াশিংটনে হলেও ধীরে ধীরে এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। আস্তে আস্তে মা দিবসের পাশাপাশি বাবা দিবসের প্রতিও সচেতন হতে থাকেন সন্তানরা। দীর্ঘ ছয় দশক পর মিলে বাবা দিবসের স্বীকৃতি। ১৯৭২ সালে তখনকার আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নিক্সন একটি আইনে স্বাক্ষর করে বাবা দিবসকে জাতীয় মর্যাদা দেন।

    তবে এর মাঝে বেশ কিছু আন্দোলনও হয়ে গেছে মা দিবস এবং বাবা দিবস একসাথে করে প্যারেন্ট ডে পালনের জন্য। তবে বেশিরভাগ মানুষ আলাদা আলাদা দিন পালনেই রত থাকলো। অবশ্য কেউ কেউ এটিকে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার ধান্ধা বলতেও কার্পণ্য করেনি।

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটি ভিন্ন ভিন্ন দিনে পালন করা হয়। বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাবা দিবস হচ্ছে জুন মাসের তৃতীয় রবিবার। দক্ষিণ আমেরিকায় এটি পালিত হয় ১৯ এ মার্চ। অস্ট্রেলিয়া ও ফিজিতে পালন করা হয় সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম রবিবার।

  • হাই ভোল্টেজ ম্যাচে রোহিতের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি

    হাই ভোল্টেজ ম্যাচে রোহিতের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি

    পাকিস্তানের বোলাররা খুবই প্রিয় ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মার কাছে। পাকিস্তানের বোলারদের পেলে খুবই স্বাচ্ছন্দ্যে খেলতে থাকেন তিনি। এবারও তার ব্যাত্যয় ঘটলো না। বিশ্বকাপের মত হাইভোল্টেজ ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে বসলেন ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মা।

    ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে লোকেশ রাহুলকে নিয়ে ১৩৬ রানের দুর্দান্ত এক জুটি গড়ে তোলেন রোহিত শর্মা। ৭৮ বলে ৫৭ রান করে লোকেশ রাহুল আউট হয়ে গেলেও ঠিকই ক্যারিয়ারের ২৪তম সেঞ্চুরিটি তুলে নেন ওয়ানডে ক্রিকেটের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রানের মালিক।

    পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সেঞ্চুরির মাইলফলকে পৌঁছাতে মাত্র ৮৫ বল খেলেন রোহিত শর্মা। ৯টি বাউন্ডারি এবং ৩টি ছক্কার মার মারেন তিনি। পাকিস্তানের কোনো বোলারকেই তোয়াক্কা করলেন না। মোহাম্মদ আমির শুরুর দিকে কিছুটা সমীহ আদায় করলেও শেষ পর্যন্ত আর পারেননি।

    এর আগে ২০১৭ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ পর্বের ম্যাচেও পাকিস্তানের বিপক্ষে ৯১ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছিলেন রোহিত। গত বছর এশিয়া কাপেও প্রথম ম্যাচে ৫১ রানের পর দ্বিতীয় ম্যাচে রোহিত অপরাজিত ছিলেন ১১১ রানে।

  • বাবা দিবসে গুগলের ডুডল

    বাবা দিবসে গুগলের ডুডল

    বিশেষ দিন কিংবা বিশেষ মুহূর্তে ডুডলের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় সার্চইঞ্জিন গুগল। বিশ্ব বাবা দিবসের শুভেচ্ছা জানাতেও বরাবরের মতো শৈল্পিক ডুডল করেছে এই প্রযুক্তি জায়ান্ট।

    রোববার (১৬ জুন) বিশ্ব বাবা দিবস। এ উপলক্ষে গুগলের ওয়েবসাইটে করা ডুডলের তিনটি আলাদা স্লাইডে দেখা যায়, একটি বাবা হাঁস তার ছয়টি বাচ্চা হাঁসকে নিয়ে খেলছে। এ সময় বাচ্চা হাঁসগুলোকে পানিতে সাঁতার কেটে ও বাবা হাঁসের গায়ে উঠে খেলতে দেখা যায়। এর মাধ্যমে একজন বাবা যে তার সন্তানদের ভালোবাসে, তাদের সঙ্গে খেলার ছলে সময় কাটায়, আগলে রাখে এবং বাবার সঙ্গে সন্তানদের সম্পর্ক- তাই বোঝানো হয়েছে।

    সাধারণত কোনো বিশেষ দিন, বিশেষ ঘটনা, অর্জন বা বিখ্যাত কোনো ব্যক্তির জন্ম বা মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণ করতে নিজেদের হোম পেজে লোগো পরিবর্তন করে গুগল। শিল্পসম্মত সংশ্লিষ্ট বিষয়ের আরেকটি লোগো বসানো হয় সেখানে। এটিই হলো ডুডল।

    জুন মাসের তৃতীয় রোববার বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, ফ্রান্স, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের ৮৭টি দেশে বাবা দিবস পালন করা হয়। মূলত বাবাদের প্রতি সম্মান জানাতেই এ বিশেষ দিবস পালন করা হয়ে থাকে।

  • জিততে হলে ইতিহাস গড়তে হবে পাকিস্তানকে

    জিততে হলে ইতিহাস গড়তে হবে পাকিস্তানকে

    বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। শঙ্কা বাড়ছিল ম্যাচ ঠিকমত শেষ হবে তো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি থামলো এবং ভারত পুরো ৫০ ওভার ব্যাটও করলো। তাতেই পাকিস্তানের সামনে ৩৩৭ রানের পাহাড় সমান লক্ষ্য দাঁড় করিয়ে দিলো ভারত।

    এই লক্ষ্য পার হতে হলে রীতিমত ইতিহাস গড়তে হবে পাকিস্তানকে। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৩২৭ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড রয়েছে। এবার পাকিস্তানকে জিততে হলে এই রেকর্ডই ভাঙতে হবে। পারবেন কি না পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানরা, সেটা সময়ই বলে দেবে।

    বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় ম্যাচ। অন্তত কাগজে-কলমে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দীর লড়াইয়ের আগের সেই জৌলুশ হয়ত নেই তবে এখনো সমর্থকদের কাছে সবচেয়ে আলোচিত ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচে। তবে প্রথম ইনিংসের শেষে মনে হচ্ছে ম্যাচটা হয়ত হয়ে যাবে একপেশে। আগের ছয়বারের মতো এবারও হয়ত বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে আরাধ্য সেই জয় পাবে কি না যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

    ম্যাচের ৪৬.৪ ওভারের সময়ই নামে এবারের বিশ্বকাপে বহুল আলোচিত বৃষ্টি। মুষলধারে বৃষ্টির কারণে শেষ পর্যন্ত থমকে দাঁড়ায় ভারত-পাকিস্তান মহারণ। তবে কিছুক্ষণ বৃষ্টির পর ম্যাচ আবারও মাঠে গড়ায় এবং শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৩৬ রান করে ভারত।

    বৃষ্টি এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বেশ কয়েকটি ম্যাচ ভেসে গেছে বৃষ্টিতে। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বৃষ্টি বাগড়া দিতে পারে, অনেক আগে থেকেই পূর্বাভাস জানা যাচ্ছিল। অবশেষে সেই বৃষ্টি এলো, একেবারে মোক্ষম সময়ে। এক দলের ইনিংস প্রায় শেষ হওয়ার মূহূর্তে। যদিও বৃষ্টি বাধা উপেক্ষা করেই ভারতের ইনিংস পুরো শেষ করা হয়েছে।

    ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে টস জিতে ভারতকেই প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানায় পাকিস্তান। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে কিছুটা সাবধানি ব্যাটিং করতে থাকে ভারতের দুই ওপেনার। এরপর ধীরে ধীরে হাত খুলতে থাকে তাদের। এক সময় এসে রান তোলার গতি প্রায় ৬ রানেরেটে গিয়ে পৌঁছায় ভারতের।

    শুরুতে মোহাম্মদ আমিরের প্রথম ওভারটা বেশ ভালোভাবেই পর্যবেক্ষণ করলো দুই ভারতীয় ওপেনার লোকেশ রাহুল এবং রোহিত শর্মা। যে কারণে প্রথম ওভারেই মেডেন নিয়ে নিলেন আমির।

    তবে পর্যবেক্ষণের পর তারা বুঝলো, এই বোলারকে একটু রয়ে-সয়েই খেলতে হবে। বাকিদের কোনো সুযোগ দেয়া যাবে না। এই পণ করেই সম্ভবত পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাট করতে নেমেছিলেন রোহিত আর লোকেশ।

    সে কারণেই হয়তো শুরু থেকে পাকিস্তানের বাকি বোলারদের কোনো পাত্তাই দেননি ভারতের দুই ওপেনার। তাদের দু’জনের ব্যাটে পাকিস্তানের বিপক্ষে দারুণ সূচনা করে ভারত।

    শিখর ধাওয়ান না থাকার কারণে রোহিত শর্মার সঙ্গে ভারতীয় ইনিংসের সূচনা করেন লোকেশ রাহুল। এই দুই ওপেনারই বলতে গেলে পাকিস্তানি বোলারদের নাকানি-চুবানি খাইয়ে ছেড়েছেন। ২৩.৫ ওভার টিকেছিল ওপেনিং জুটি। তাতেই স্কোরবোর্ডে রান উঠে গেছে ১৩৬।

    অবশেষে ভারতীয় ওপেনিং জুটিতে ভাঙন ধরান পাকিস্তানি পেসার ওয়াহাব রিয়াজ। ২৪তম ওভারের শেষ বলে ফ্রন্ট ফুটে এসে কাভারে খেলতে যান লোকেশ রাহুল। কিন্তু যেভাবে চেয়েছিলেন সেভাবে ব্যাটে-বলে হয়নি। কাভার অঞ্চলে দাঁড়ানো বাবর আজমের হাতে সহজ ক্যাচে পরিণত হন ৭৮ বলে ৫৭ রান করা রাহুল। ৩টি বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় এই রান করেন লোকেশ রাহুল।

    এরপর পাকিস্তানি বোলারদের সাফল্যের খাতায় আর কোনো কিছুই যোগ হচ্ছিল না ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তায়। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ১৩৬ রানের জুটি গড়ার পর বিরাট কোহলির সঙ্গেও ৯৮ রানের বিশাল জুটি গড়ে ফেলেন রোহিত শর্মা।

    অবশেষে উইকেটের সঙ্গে সুপার গ্লু লাগিয়ে বসে যাওয়া রোহিত শর্মাকে ফেরান পাকিস্তানি পেসার হাসান আলি। ৩৯ তম ওভারে হাসান আলির বলটি শর্ট ফাইন লেগে স্কুপ করতে গিয়েই সোজা ওয়াহাব রিয়াজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেলেন রোহিত।

    ততক্ষণে স্কোরবোর্ডে তার নামের পাশে খেলা হয়ে গেছে ১১৩ বলে ১৪০ রান। ১৪টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৩টি ছক্কায় সাজানো এই ইনিংস। ২৩৪ রানের মাথায় পড়লো দ্বিতীয় উইকেট।

    রোহিত আউট হয়ে যাওয়ার পর হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়ে জুটি গড়েন বিরাট কোহলি। দু’জনের ব্যাটে গড়ে ওঠে ৫১ রানের জুটি। এ সময় মোহাম্মদ আমিরের তোপের মুখে টিকতে পারলেন না হার্দিক। ১৯ বলে ২৬ রান করে তিনি ক্যাচ দেন বাবর আজমের হাতে। মহেন্দ্র সিং ধোনি মাঠে নেমেই ফিরে গেলেন মাত্র ১ রান করে।

    বৃষ্টির পর খেলা শুরু হলে বিরাট কোহলি বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। মোহাম্মদ আমিরের বলেই উইকেটের পেছনে তিনি ক্যাচ দেন সরফরাজের হাতে। ওই সময় ৬৫ বলে ৭৭ রান নিয়ে ব্যাট করছিলেন তিনি। শেষ দিকে বিজয় শঙ্কর ১৫ এবং ৯ রানে অপরাজিত ছিলেন কেদার যাদব।

    পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ আমির ৪৭ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। হাসান আলি এবং ওয়াহাব রিয়াজ নেন ১টি করে উইকেট।

  • পৃথিবীর সবচেয়ে নীরব স্থান!

    পৃথিবীর সবচেয়ে নীরব স্থান!

    আচ্ছা যদি আমি আপনাকে বলি যে কোনও শান্ত জায়গা থেকে কোনও নিরপেক্ষ স্থান আছে?

    মিনেসোটা-এর অরফিল্ড ল্যাবরেটরি, পৃথিবীর সবচেয়ে শান্ত স্থান যা একটি অ্যানিকোচিক চেম্বার রয়েছে।

    বস্তুত, এটি এত শান্ত যে কেউ 45 মিনিটেরও বেশি সময় থাকতে পারে না কোন শব্দ ছাড়া।

    চেম্বারের ভিতরে

    রুম এর অভ্যন্তর তাই নীরব যে তার ব্যাকগ্রাউন্ড শব্দ একটি নেতিবাচক decibel আউটপুট -৯.৫ ডিবি এর কাছে।

    দৃষ্টিকোণ থেকে এটির জন্য, শহরের মতো নগরায়িত এলাকার সাধারণ ব্যাকগ্রাউন্ড শব্দটি 60 – 70 ডিবিএ থেকে পরিবর্তিত হয়, তবে গ্রামীণ গ্রামাঞ্চলের এলাকায় ডিসিবল আউটপুট সাধারণত ২9 ডিবিএ।

    ল্যাবের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভেন অরফিল্ড বলেছেন:

    “আমরা অন্ধকারে চেম্বারে বসতে চ্যালেঞ্জ করি – একজন ব্যক্তি 45 মিনিটের জন্য সেখানে থাকতো।

    যখন এটি শান্ত, কান এর মাপ সই করা হবে। যত চুপচাপ রুম, তত আপনি আরো জিনিস শুনতে পাবেন।

    আপনি আপনার হৃদয় ধাক্কা শুনতে পারবেন; কখনও কখনও আপনি আপনার ফুসফুস শুনতে পারেন, আপনার পেট জোরে জোরে শুনতে পারবেন।

    প্রতিধ্বনি বিহীন ঘরে আপনি নিজেই শব্দ হয়ে যাবেন ।

    তাই স্বাভাবিক ব্যক্তির জন্য এই রুমে যাচ্ছি, পুরো অভিজ্ঞতা খুব অদ্ভুত।