Category: আন্তর্জাতিক

  • ১৪ দিনের সরকারি সফরে যুক্তরাজ্যে যাচ্ছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক

    ১৪ দিনের সরকারি সফরে যুক্তরাজ্যে যাচ্ছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক

    আজ সরকারি সফরে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন বরিশাল জেলা প্রশাসক এস, এম, অজিয়র রহমান। আগামী ১৭ জুন থেকে ৩০ জুন ১৪ দিনের সফরে তিনি যুক্তরাজ্যের সলেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে “প্রজেক্ট ব্যবস্থাপনা” শীর্ষক একটি শর্ট কোর্সের প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য যুক্তরাজ্যে অবস্থান করবেন।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চলমান “মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ও মাঠ প্রশাসন সক্ষমতা বৃদ্ধিকরন” শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

    ১৪ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে আগামী ০১ জুলাই তিনি বাংলাদেশে ফিরবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

  • প্রবাসীদের ঘামের টাকায় সচল দেশের চাকা

    প্রবাসীদের ঘামের টাকায় সচল দেশের চাকা

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পেছনে তিনটি সেক্টরের বেশি অবদান রয়েছে। এগুলো হলো- গার্মেন্ট, সেবা এবং অভিবাসন খাত। সাধারণভাবে আমরা গার্মেন্টে সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত হিসেবে চিহ্নিত করে থাকি। এ খাতের কাঁচামাল আমদানির খরচ বাদ দিলে দেখা যায়, অভিবাসী কর্মীদের পাঠানো রেমিট্যান্স থেকে নেট বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন গার্মেন্টের চাইতে তিনগুণ বেশি।

    দেশে প্রবাহিত বৈদেশিক সাহায্যের তুলনায় এটি ছয়গুণ এবং ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্টের বারো গুণ বেশি তাই এই কথা বলতে বাধা নেই যে ‘অভিবাসীর ঘামের টাকা সচল রাখছে দেশের চাকা’। বিদেশে কর্মরত শ্রমিকরা প্রতিবছর দেশে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার পাঠায়। প্রতিবছর এ মুদ্রা পাঠানো বৃদ্ধি পাচ্ছে। ‘২০০৫-০৬ অর্থবছরে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং চলতি অর্থবছরে এটি ৯ গুণ বেড়ে ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।’

    দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ১৩ জুন, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপনকালে এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, ‘২০০৫-০৬ অর্থবছরে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং চলতি অর্থবছরে এটি ৯ গুণ বেড়ে ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।’

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১৪ দশমিক ২২৮ বিলিয়ন ডলার; ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে আসে ১৫ দশমিক ৩১৬ বিলিয়ন ডলার; ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আসে ১৪ দশমিক ৯৩১ বিলিয়ন ডলার; ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে ১২ দশমিক ৭৬৯ বিলিয়ন ডলার; ২০১৭-১৮-তে আসে ১৪ দশমিক ৯৮১ বিলিয়ন ডলার এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১০ মাসে প্রবাসীরা দেশে অর্থ পাঠিয়েছে ১৩ দশমিক ৩০৩ বিলিয়ন ডলার।

    কিন্তু দেশে পাঠানো এই অর্থের দ্বিগুণ অর্থ অবৈধ চ্যানেল হুন্ডির মাধ্যমে পাঠানো হয়। ফলে অন্য দেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়ে যায়। হুন্ডির মাধ্যমে প্রবাসী আয় দেশে আসার ক্ষেত্রে ওই দেশে বসে থাকা হুন্ডির এজেন্টরা প্রবাসীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নেয়। আর দেশে অবস্থানরত অপর এজেন্ট প্রবাসীদের পরিজনদের কাছে টাকা দিয়ে দিয়ে।

    এর ফলে প্রবাসীর পরিজনরা দেশে টাকা পেলেও প্রবাসী আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ। এ ছাড়া দেশে টাকা না পাঠিয়ে বিদেশে পাঠানোর ঘটনাও ঘটছে। নতুন অর্থবছরের (২০১৯-২০) বাজেটে প্রবাসীদের জন্য বীমা সুবিধার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা আগের কোনো বাজেটেই ছিল না।

    এর মধ্য দিয়ে রেমিট্যান্স-যোদ্ধাদের দীর্ঘদিনের একটি দাবি পূরণ হচ্ছে। এর আওতায় বীমাকারী মারা গেলে, দুর্ঘটনাজনিত স্থায়ী ও সম্পূর্ণ অক্ষমতা বা পঙ্গুত্ববরণ করলে মূল বীমার শতভাগ পরিশোধ করার বিধান রাখা হয়েছে। অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের ভিত্তিতে দাবি পরিশোধ করা হবে।

    এবারের বাজেটে প্রবাসীদের জন্য দেয়া হয়েছে আরেকটি সুখবর- এটিও এবারই প্রথম। বৈধপথে দেশে টাকা পাঠালে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাবেন তারা। বৃহস্পতিবার বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, প্রবাসী আয় পাঠানোর ক্ষেত্রে বাড়তি ব্যয় কমানো এবং বৈধপথে অর্থ প্রেরণ উৎসাহিত করতে প্রস্তাবিত বাজেটে ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    ফলে বৈধপথে প্রবাসী আয় আসার পরিমাণ বাড়বে এবং হুন্ডি ব্যবসা নিরুৎসাহিত হবে বলে আশা করছি। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বীমা নীতিমালার আওতায় প্রবাসী কর্মীদের জীবন বীমা সুবিধা প্রদান করা হবে। সাধারণত মৃত্যুর ক্ষেত্রে বীমা সুবিধায় প্রিমিয়াম হার ও বীমা অঙ্ক বীমা গ্রহীতাদের বয়সভেদে পার্থক্য হয়ে থাকে।

    তবে প্রবাসী কর্মীদের একটি গ্রুপ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে বীমা প্রকল্পটি বা পলিসি সহজীকরণের লক্ষ্যে বীমা গ্রহীতাদের বয়স নির্বিশেষে অভিন্ন প্রিমিয়াম হার আরোপ করা হবে।

    এদিকে প্রবাসীরা বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠালে একই সঙ্গে দেশ ও প্রবাসীদের পরিজনরা উপকৃত হন। প্রবাসীরা যখন বৈধ পথে দেশে অর্থ পাঠান তখন ব্যাংকগুলো বাংলাদেশি মুদ্রায় ওই অর্থ স্থানান্তর করে দেশে অবস্থানরত পরিজনদের কাছে হস্তান্তর করে। আর ওই বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ অর্থ হিসাবে জমা থাকে।

    কিছু অর্থ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও জমা রাখে। এ অর্থ বৈদেশিক বাণিজ্য ও ঋণ পরিশোধে ব্যবহৃত হয়। বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ আকারে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা থাকলে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সহজ শর্তে বৈদেশিক ঋণ পেতে পারে। আমদানির ক্ষেত্রে এলসি (ঋণপত্র) খুলতে দেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানো রোধ ও প্রশিক্ষিত করে শ্রমিকদের বিদেশে পাঠাতে পারলে প্রবাসী আয় ৩৩ বিলিয়ন ডলারের কোটা থেকে কয়েক বছরের মধ্যে ৪০ বিলিয়নে উত্তীর্ণ হওয়া অসম্ভব নয়।

    গত পাঁচ বছরে কর্ম উদ্দেশ্য নিয়ে বিদেশে যাওয়া অভিবাসীর সংখ্যায় এক ধরনের স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের শ্রমবাজার মূলত সাত থেকে দশটি দেশের মাঝে সীমাবদ্ধ। তার ওপরে আবার একেক বছরে একেকটা দেশে প্রায় ৫০ ভাগের অধিক কর্মী গিয়ে থাকেন। গত সাত বছর ধরে বাংলাদেশ সৌদি আরবে পুরুষ শ্রমিক প্রেরণ করতে পারছিল না। কুয়েতে দীর্ঘদিন ধরে অভিবাসান প্রায় বন্ধ। জি-টু-জির ব্যর্থতার কারণে গত চার বছরে মালয়েশিয়াতেও খুব অল্প সংখ্যক লোকই যেতে পেরেছিল।

    রেমিট্যান্স আহরণের ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, মানি লন্ডারিং-এর ওপর আন্তর্জাতিক নজরদারি ব্যাংকসমূহের উৎসাহে বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রেরণের হার বেড়েছে। তবে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত এই তিনটি দেশ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্সের অনেকটাই এখনও হুন্ডির মাধ্যমে হচ্ছে।

    সিঙ্গাপুর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে আমদানি-রফতানি ব্যবসায় নিয়োজিতরা ‘আন্ডার ইনভয়েসিং’ এবং ‘ওভার ইনভয়েসিং’ করে ট্যাক্স ফাঁকি দেয়ার কাজে হুন্ডির টাকা ব্যবহার করে। স্বর্ণ পাচারকারীরাও হুন্ডি ব্যবহার করে থাকে ফলে এই দেশ গুলো হতে বৈধ পথে রেমিট্যান্স বেশ কম আসছে।

    অভিবাসন বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজে দারিদ্র্য বিমোচনেও ভূমিকা রেখেছে। সমীক্ষা থেকে দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক অভিবাসী পরিবারে মাত্র ১৩ ভাগ দারিদ্র্যসীমার নীচে বাস করেন। অনভিবাসী পরিবারগুলো প্রায় ৪০ ভাগই দারিদ্র্যসীমার নীচে বাস করছেন।

    আন্তর্জাতিক অভিবাসন হয় না এমন এলাকার তুলনায় অভিবাসন হয় এমন এলাকায় মজুরি বেশি, স্থানীয় বাজারের সম্প্রসারণ বেশি, প্রযুক্তি নির্ভর বিশেষায়িত পণ্যর ব্যবহার বেশি, কৃষি আধুনিকীকরণে বিনিয়োগ বেশি। অর্থাৎ অভিবাসীরা স্থানীয় অর্থনীতিতে পরোক্ষভাবে অবদান রাখছেন ‘মাল্টিপ্লায়ার এফেক্ট’ তৈরি করে।

    মালয়েশিয়ার ইসলামিক ইউনিভার্সিটির প্রফেসর এসএম আবাদুল কুদ্দুছ (পিএইচডি) বলছেন, ২০১৪ সালের শুরুতে আমরা দেখেছি অবৈধ সমুদ্র পথে অভিবাসনে প্রলুব্ধ করেছে কিছু মানবপাচারকারী গোষ্ঠী। থাইল্যান্ড এবং মালয়েশিয়ার জঙ্গলে গণকবরে শুয়ে আছেন বহু নাম না জানা অভিবাসী।

    ১০ হাজার টাকায় তাদের মালয়েশিয়া নিয়ে যাওয়া হবে বলে নৌকায় তুলে মাঝ পথে মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। না দিতে পারলে তাদের অনেককেই সমুদ্রে ফেলে দেয়া হয়েছে। অনেক সময় মনে হয়েছে দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি দিতে প্রশাসন দ্বিধাগ্রস্ত ক্রস ফায়ারে পরে গেছেন নীচের দিকের কিছু দালালেরা। যথাযত আইনে মামলা রজু হয়নি। বৈধ অভিবাসনের পথ সচল রাখতে হলে অবৈধ অভিবাসন পরিচালনাকারীদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে।

    মাহাসা ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ডা: আবুল বাসার বলছেন, অভিবাসনকে উন্নয়নের মূলধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রবৃদ্ধি এবং সমতা অর্জনের লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে অভিবাসী পরিবারগুলো কীভাবে সম্পৃক্ত হবে তার দিক নির্দেশনা দেওয়া প্রয়োজন।

    মানবাধিকার কর্মী হারুন আল-রশিদ বলছেন, ২০০০ সালের শুরু থেকে বিভিন্ন সরকার অভিবাসনে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নজর দিয়েছেন। নতুন মন্ত্রণালয় খোলা হয়েছে, নীতি এবং আইন তৈরি হয়েছে, সহজ শর্তে ঋণদানের জন্যে প্রবাসী ব্যাংক খোলা হয়েছে কিন্তু অভিবাসন এমন একটি জটিল বিষয় যে এখানে সুফল ধরে রাখা বেশ কঠিন। বিশ্বায়ন থেকে ছুড়ে দেওয়া বিভিন্ন সমস্যা মোকাবেলায় নিত্যনতুন পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন।

    তিনি মনে করেন, দালালের হয়রানি কমাতে, গ্রহণকারী দেশে সেবা দিতে, ফিরে আসা কর্মীদের পুনর্বাসনে নির্দিষ্ট পলিসি, চাই অর্থ আর রিসোর্স বরাদ্দ করা আর সরকারের দায়বদ্ধতা।

    প্রবাসী শ্রমিকনেতা শাহ আলম হাওলাদার বলছেন, বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ৭-৯ লাখ মানুষ দেশের বাইরে যায়। বিপুলসংখ্যক জনশক্তি বাইরে গেলেও এর প্রায় পুরোটাই অদক্ষ। ফলে তাদের উপার্জনও কম। এক্ষেত্রে সরকার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তাদের বিদেশে পাঠাতে চায়। বর্তমানে সীমিত পরিসরে এ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা চালু থাকলেও দালালের মাধ্যমে বা অবৈধভাবে বিদেশে যান তারা প্রশিক্ষণ ছাড়াই যান।

    শাহ আলম আরোও বলছেন, প্রবাসে বৈধ অবৈধ সবাই রেমিট্যান্স যোদ্ধা। বর্তমানে মালয়েশিয়া যারা বৈধ অবৈধ কর্মরত রয়েছেন। কেউই ভালো নয়। কারণ অবৈধরা মালয়েশিয়া সরকারের চলমান অবৈধ শ্রমিক ধরপাকড় অভিযানের ভয়ে ফেরারি হয়ে দিনাতিপাত করছেন। দুই দেশের কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে তাদের বৈধতা বা অবৈধদের একটি শৃঙ্খলার মধ্যে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

  • সহজেই ফেসবুক থেকে আয়ের সুযোগ

    সহজেই ফেসবুক থেকে আয়ের সুযোগ

    আপনি যদি অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে চান, তা হলে আপনার জন্য রয়েছে সুখবর। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক দিচ্ছে টাকা আয়ের সুযোগ।

    জানা গেছে, ফেসবুক এমন একটি নতুন অ্যাপ উন্মুক্ত করেছে যার সাহায্যে ফেসবুক নিজের ইউজারদের টাকা দেবে। টাকার বদলে ইউজারকে নিজের তথ্য শেয়ার করতে হবে। এই নতুন অ্যাপটির নাম study।

    ফেসবুক জানিয়েছে, এই নতুন স্টাডি অ্যাপ আগের দুটি অ্যাপ থেকে আলাদা আর অ্যাপটি শুধুমাত্র ডাউনলোড করা যাবে গুগল প্লে স্টোর থেকে।

    এই অ্যাপের সাহায্যে ফেসবুক নিজের ইউহজারদের গতিবিধির উপর নজর রাখতে পারবে। এই অ্যাপের সাহায্যে ফেসবুক জানতে পারবে যে, ইউজার আর কোন কোন অ্যাপ ব্যবহার করেছে আর অ্যাপে ইউজার কি কি করেছে। এর সঙ্গে ফেসবুক এটাও জানতে পারবে যে, কোন অ্যাপে ইউজার কত সময় কাটায়।

    তবে ফেসবুকের দাবি, ব্যবহারকারীর মেসেজ, পাসওয়ার্ড জানতে পারবে না এই অ্যাপ। এই অ্যাপ কিছু সময় পর পর জানিয়ে দেবে যে আপনার ডাটা সংগৃহিত করা হচ্ছে।

    স্টাডি’ অ্যাপটি কেবল প্রাপ্তবয়স্করা ফোনে ইনস্টল করতে পারবেন। কেউ ‘স্টাডি’ অ্যাপ থেকে টাকা আয় করতে চাইলে তাঁর পেপ্যাল অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।

    অ্যাপ ইনস্টল করার সময় ব্যবহারকারীর ফোনের পর্দায় ভেসে উঠবে, ঠিক কী ধরনের তথ্য অ্যাপটি সংগ্রহ করবে। এ ছাড়া সংগ্রহ করা তথ্য কী কাজে ব্যবহার করা হবে, সেটিও জানাবে ‘স্টাডি’ অ্যাপ।

    তবে এসব তথ্য জানতে ব্যবহারকারীকে কী পরিমাণ অর্থ দেবে কিংবা কী কাজে সংগ্রহ করা তথ্য ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি ফেসবুক। প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে অ্যাপটি চালু করছে ফেসবুক।

  • সন্তান জন্ম দেওয়ার ৩০ মিনিট পরেই স্নাতক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ!

    সন্তান জন্ম দেওয়ার ৩০ মিনিট পরেই স্নাতক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ!

    ইচ্ছে থাকলে এই দুনিয়ায় অসম্ভব বলে আর কিছুই থাকে না। তেমনই এক অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখালেন ইথিওপিয়ার মেতু অঞ্চলের এক নারী। সন্তান জন্ম দেওয়ার আধ ঘণ্টা পরেই স্নাতক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেন তিনি। পড়াশোনা, আর পরীক্ষার প্রতি এমন অপার আগ্রহ দেখে ওই নারীকে কুর্নিশ জানিয়েছেন নেটদুনিয়ার মানুষজন।

    পশ্চিম ইথিওপিয়ার ২১ বছর বয়সী ওই নারীর নাম আলমাজ় ডেরেসে। রমজানের জন্যই পিছিয়ে গিয়েছিল তার স্নাতক পরীক্ষা। আর সেই পরীক্ষা এমন দিনে এসে দাঁড়াল, সেই দিনই তিনি জন্ম দিতে চলেছেন সন্তানের। কিন্তু তাতে কী?গ্র্যাজুয়েট হওয়ার জন্য আরও এক বছর অপেক্ষা করবেন? সে সব ভেবেই হাসপাতালকেই পরীক্ষাকেন্দ্র বানিয়ে সেখানেই গ্র্যাজুয়েট হওয়ার স্বপ্নতরীতে ভেসে পরীক্ষা দিলেন আলমাজ়।

    তিনি নতুন মা। আবার প্রতি বছরে যে নতুন মুখগুলো গ্র্যাজুয়েট হচ্ছে, সেখানেও তিনি নতুন। সন্তানের জন্মের পর পরীক্ষা দিয়ে আলমাজ় জানান, ‘পড়াশোনা, ক্যারিয়ার আমার জীবনে অন্য অর্থবহন করে। রমজানের জন্য পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়ায় আমি একটু মুষড়ে পড়েছিলাম। কিন্তু তা আমাকে এক ফোঁটাও দোলাতে পারেনি। আর আমার ডেলিভারি খুব ভালো ভাবেই হয়েছিল। তাই ঠিক করে ফেলি, হাসপাতালে বসেই পরীক্ষা দেব।

    আলমাজ়’র এমনতর প্রয়াসে তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ট্যুইটার থেকে ফেসবুকের মানুষজন। কেউ তাকে স্যালুট জানিয়েছেন। কেউ আবার তার কাছে মনোবল বাড়ানোর সহজ টোটকা চেয়ে নিয়েছেন। কেউ কেউ তাকে আর তার সদ্যোজাতকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

  • ‘বাংলাদেশে প্রথম আন্তর্জাতিকমানের স্বাস্থ্যসেবা চালু’

    ‘বাংলাদেশে প্রথম আন্তর্জাতিকমানের স্বাস্থ্যসেবা চালু’

    চট্টগ্রামে ৯০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের উদ্বোধনকালে ‘বাংলাদেশে এই প্রথম আন্তর্জাতিকমানের পরিকল্পিত স্বাস্থ্যসেবা চালু হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের বিশ্ববিখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী প্রসাদ শেঠী।

    শনিবার সকালে নগরের পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালের পাশে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের উদ্বোধনকালে আয়োজিত সুধী সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারতের ব্যাঙ্গালুরুর নারায়ণা ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা ডা. দেবী শেঠী বলেন, এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ফলে দেশের রোগীদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা অনেকাংশে হ্রাস পাবে।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন। তিনি বলেন, এ হাসপাতালে এক ছাদের নিচে সব ধরণের চিকিৎসাসেবা মিলবে। হৃদরোগ বিভাগের চিকিৎসা ভারতের নারায়ণা হেলথ ও ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যৌথ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এ বিভাগের নামকরণ করা হয়েছে ইম্পেরিয়াল-নারায়ণা কার্ডিয়াক বিভাগ।

    সাবেক মন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন তাঁর বক্তব্যে এদেশের জনগণ ও রোগীদের পক্ষ থেকে ডা. দেবী শেঠীকে ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় ধন্যবাদ জানান।

    অনুষ্ঠানের সভাপতি এম এ মালেক বলেন, সাত একর জমির ওপর ৫টি ভবন নিয়ে ৬ লাখ ৬০ হাজার বর্গফুট জায়গায় এ দৃষ্টিনন্দন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা এখানে সর্বোচ্চ সেবা দিতে চাই। শুধু মুনাফা অর্জন নয়, চট্টগ্রাম সহ দেশের স্বাস্থ্যখাতের অভাব ঘুচাতেই এই উদ্যোগ।

    ডা. দেবী শেঠী হাসপাতাল পরিদর্শন করে অবকাঠামো, আধুনিক যন্ত্রপাতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

  • যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের অনুমতি পেলেও প্রাণে বাঁচলেন না বাংলাদেশি আব্দুল্লাহ

    যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের অনুমতি পেলেও প্রাণে বাঁচলেন না বাংলাদেশি আব্দুল্লাহ

    দালালকে ২৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। বিভিন্ন দেশ ঘুরে মেক্সিকো হয়ে দুর্গম পথে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে ৪ মাস ডিটেনশন সেন্টারে কষ্ট করতে হয়েছে। এত সংগ্রাম করার পর স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের অনুমতি মিললেও বাংলাদেশি যুবক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (২৯) স্বপ্নের আমেরিকায় বসতি গড়তে পারলেন না। নিউইয়র্কে মদ্যপ চালকের গাড়ি চাপায় ৯ জুন রবিবার রাত ১১টার দিকে ব্রুকলিনে তার মৃত্যু হয়েছে।

    আব্দুল্লাহর নামাজে জানাযা বুধবার অপরাহ্নে ব্রুকলিনে অনুষ্ঠিত হয়। তাকে দাফন করা হবে নোয়াখালীর গ্রামের বাড়িতে।তার লাশবাহী কফিন ১৪ জুন সন্ধ্যায় জেএফকে ত্যাগ করেছে ঢাকার উদ্দেশ্যে।

    নিউইয়র্কের পুলিশ জানায়, ট্রেজার লগিং (২২) নামের ওই নারী মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এ সময় তার চার বছর বয়সী ছেলে সঙ্গে ছিল। এক পর্যায়ে তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আব্দুল্লাহ’র ই-সাইকেলকে চাপা দেন। ঘটনার পরপরই আব্দুল্লাহকে স্থানীয় ব্রুকডেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় চালক লিগিংসের বিরুদ্ধে হত্যা ও মদ্যপ অবস্থায় শিশুর জীবন বিপন্ন করে গাড়ি চালানোর অভিযোগ দাযের করা হয়েছে।
    ম্যানহাটানের হারলেমে বসবাসকারী আব্দুল্লাহর চাচা বেলাল হোসেন জানান, নোয়াখালির বেগমগঞ্জের সন্তান আব্দুল্লাহ রাজনৈতিক কারণে ২০১৭ সালে মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন। সে সময় টেক্সাসের ডিটেনশন সেন্টারে কাটাতে হয় ৪ মাস। রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেছিলেন আব্দুল্লাহ। ইতিমধ্যেই তা মঞ্জুর হয়েছে। শীঘ্রই গ্রিনকার্ডের আবেদন করার কথা ছিল। কিন্তু সবকিছু তছনছ হয়ে গেছে।

    ব্রুকলিনের ইস্ট নিউইয়র্কে একটি বাসায় চার বাংলাদেশি বন্ধুর সঙ্গে থাকতেন আব্দুল্লাহ। আব্দুল্লাহর রুমমেট আরিফুর রহমান সবুজ ও খোকন উল্ল্যাহ জানান, তারা নিজেদের অবস্থান জানতে অ্যাপস ব্যবহার করেন। রবিবার রাতে ওই অ্যাপে তারা দেখেন, আব্দুল্লাহ একটি স্থানে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অবস্থান করছেন। এতে তারা চিন্তিত হয়ে পড়েন। এরপর তারা তাকে ফোন করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে তারা সেখানে চলে যান। সেখানে পুলিশ তাদের জানায়, আব্দুল্লাহ মারা গেছে।

    আব্দুল্লাহ বন্ধুরা জানান, উবারের ডেলিভারিম্যান হিসেবে কাজ করছিলেন আব্দুল্লাহ। সর্বশেষ খাদ্য ডেলিভারির পরই মদ্যপ ড্রাইভারের নিয়ন্ত্রণহীন গাড়ি তার প্রাণ কেড়ে নিল। তার বন্ধুরা জানান, কষ্টার্জিত অর্থে নিউইয়র্কে একটি ফ্রাইড চিকেন রেস্টুরেন্ট দেয়ার স্বপ্ন ছিল আব্দুল্লাহর। তার চাচা ট্যাক্সি ড্রাইভার বেলাল হোসেন আরও জানান, আব্দুল্লাহ ছিলেন ৫ ভাই-বোনের সর্বকনিষ্ঠ। গোটা পরিবারের দায়িত্ব সে নিয়েছিল।

    ড্রাইভারকে আটক করেছে পুলিশ এবং ৫০ হাজার ডলার বন্ডে জামিন দিয়েছে ব্রুকলীনের ক্রিমিনাল কোর্ট। ঘাতক ড্রাইভারের এটর্নী জামাল জনশন জানিয়েছেন যে, ড্রাইভিংয়ের সময় তার মক্কেল মদ্যপ ছিলেন। গাড়িটি তিনি ক্রয় করেন মাত্র ৩দিন আগে। গাড়ির ইঞ্জিন বেল্ট এবং ব্রেকে সমস্যা ছিল।

  • ‘পশ্চিমবঙ্গে থাকতে হলে বাংলা বলতে হবে’

    ‘পশ্চিমবঙ্গে থাকতে হলে বাংলা বলতে হবে’

    পশ্চিমবঙ্গকে বিজেপির দ্বিতীয় গুজরাট বানানো নিয়ে মুখ খুললেন মমতা ব্যানার্জি। তিনি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গকে তিনি গুজরাট বানাতে দেবেন না। বাঙালিকে বাংলায় ঘরছাড়া হতে দেব না। বিজেপি ক্ষমতা দখল করতে বাঙালি ও সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে ‘গুজরাট মডেল’ অনুসরণ করতে চাইছে। তা কখনো বাংলায় হতে দেয়া হবে না। আর এখানে থাকতে হলে বাংলায় কথা বলতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি ও সাংসদ দিলীপ ঘোষের ‘পশ্চিমবঙ্গে তাদের দল ক্ষমতায় আসলে এই রাজ্যকে দ্বিতীয় গুজরাট বানানো হবে’ মন্তব্যের প্রতিবাদে মমতা ব্যানার্জি এ কথা বলেন। তিনি গতকাল শুক্রবার চব্বিশ পরগনার এক জনসভায় যোগ দিয়ে আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গে থাকতে হলে বাংলায় কথা বলতে হবে। আমরা মেনে নিতে পারি না বাইরে থেকে লোক আসবে আর বাঙালিদের মারধর করবে। উল্লেখ্য, গত বুধবার পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন ‘এটা আমাদের চ্যালেঞ্জ যে আমরা যদি ক্ষমতায় আসি সেক্ষেত্রে বাংলাকেও গুজরাটের মতো সমৃদ্ধশালী রাজ্যে পরিণত করব। পশ্চিমবঙ্গকে জিহাদের স্বর্গরাজ্য অথবা বাংলাদেশ বানানোর চেয়ে গুজরাট বানানো অনেক ভাল। আমরা কিছুতেই এ রাজ্যকে বাংলাদেশে রূপান্তরিত করতে দেবো না। বিজেপি রাজ্যকে দ্বিতীয় গুজরাট বানানোর জন্য কাজ করবে যাতে অসংখ্য বেকার ছেলেমেয়ের কর্মসংস্থান হয়।’

  • বাজারে এলো ‘মোদী’ আম

    বাজারে এলো ‘মোদী’ আম

    গরম আর আম যেন একে অপরের পরিপূকরক। তেমনই মাস খানেক আগে প্রকৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে গরম ছিল ভোটের আবহাওয়াও। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে লোকসভা নির্বাচনে আবার ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। এবার তাকে স্বরণীয় রাখতে ‘মোদী’র নামে নামকরণ করা হয়েছে একটি বিশেষ জাতের আমের।

    মোদী আম’ নামে পরিচিত এ আম এখন ভারতের বাজারে হিট। মোদী আমের কারিগর পদ্মশ্রী উপাধীতে ভূষিত মুসলমান আমচাষী হাজি কালিমুল্লাহ।

    জানা গিয়েছে, লক্ষ্ণৌ-এর প্রত্যন্ত এলাকার আম চাষী কালিমুল্লাহ তাঁর ফলানো আমের নাম রেখেছেন মোদীর নামে। তিনি একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী মোদীর ব্যক্তিত্বে তিনি মুগ্ধ। তাই তাঁর ফলানো আমের নাম তিনি তাঁর নামেই রেখেছেন।

    এখানেই শেষ নয়। স্বাভাবিকভাবেই মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে কেমন হবে ‘মোদী’ আমের স্বাদ। এই প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, স্বাদ এবং ওজন-দুই দিক থেকেই ভারি হবে এই আম।

    প্রসঙ্গত শীঘ্রই ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নামেও আরেকটি আমের নামকরণ করবেন বলে জানিয়েছে কালিমুল্লাহ। ‘মোদী’ ও ‘শাহ’ আম বাজারে কতখানি প্রভাব ফেলে এখন সেটাই দেখার বিষয়।

    তাঁর বাগানে তিনশো ধরনের আম গাছ রয়েছে। আম চাষের জন্য তিনি পদ্মশ্রী পুরস্কারও পেয়েছেন ইতিপূর্বে। গাছের জোড় তৈরি করে মিশ্র জাতের আমের উৎপাদনে পারদর্শী কালিমুল্লাহ এর আগে ‘ঐশ্বর্য রাই’ ও ‘শচিন’ নামের দুটি আম বাজারে ছেড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তাঁর শংকর জাতের আমের নামের সঙ্গে বিশিষ্টজনদের নাম জুড়ে দিয়েছেন তিনি জাত চেনানোর জন্য।

  • রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সিআইসিএ’র সহযোগিতা চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি

    রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সিআইসিএ’র সহযোগিতা চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি

    রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিজ ভূমিতে নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে প্রত্যাবাসনের জন্য সিআইসিএ অংশীদারদের স্বতস্ফূর্ত সমর্থন ও সহযোগিতা চেয়েছেন।

    আজ শনিবার তাজাকিস্তানের রাজধানী দুশানবের নাভরুজ প্রাসাদে কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স ইন এশিয়ার (সিআইসিএ) পঞ্চম সম্মেলনে ভাষণদানকালে রাষ্ট্রপতি এ সহযোগিতা কামনা করেন।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। আমরা এই সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই, এজন্য তাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি করেছি। তবে এতে যদি সমস্যার সমাধান না হয়, তাহলে এই সংকট গোটা অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে।

    রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গা সংকটের ব্যাপারে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে বলেন, ভয়ঙ্কর গণহত্যা ও ব্যাপকভাবে মানবাধিকার লংঘনের শিকার রোহিঙ্গা জনগণের জন্য বাংলাদেশ তার দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছে। জাতিগত নিধন ও সীমাহীন মানবিক বিপর্যয়ের এই ভয়াবহ ঘটনা পাঠ্যবই নজির হিসেবে স্থান পেয়েছে।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা নিজ ভূমি থেকে পালিয়ে প্রতিবেশী দেশে আশ্রয় চাওয়ার পরে মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ সরকার তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়।

    এই অঞ্চলে বিভিন্ন ইস্যুতে একত্রে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমরা সহিংস চরমপন্থী,আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, জোরপূর্বক উদ্বাস্তু অভিবাসীদের সীমান্ত অতিক্রম করার মতো অনেক গুরুতর সমস্যার মোকবেলা করছি। এজন্য এসব ইস্যুও মোকবেলায় সাড়া দিতে সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, অনিয়মিত অভিবাসন, মাদক পাচার, আঞ্চলিক দাবি, জাতিগত সংঘাত, বিচ্ছিন্নতাবাদ, অর্থনৈতিক সমস্যা এবং দৃশ্যমান জলবায়ু পরিবর্তন এশিয়া অঞ্চলের নিরাপত্তা ক্রমাগত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, এশিয়ার শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদারে বহুজাতিক সংস্থা সিআইসিএ গঠিত হয়েছে। এই জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সমন্বিত প্রচেষ্টা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। তিনি এশিয়ার নিরাপত্তা ও সহযোগিতার ইস্যু সমাধানে সিআইসিএ সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

    রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এশিয়ায় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা এগুলো অর্জন করতে পারি।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গৃহীত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে শত্রুতা নয়’ একথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি আশ্বস্ত করেন যে, বাংলাদেশ সিআইসিএ লক্ষ্য ও মূলনীতি সমুন্নত রাখার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, এই নীতি অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন গুরুত্ব দিয়ে সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে। তিনি বলেন, এই ক্ষেত্রে সিআইসিএ আমাদের জন্য অত্যান্ত প্রাসঙ্গিক।

    বাসস

  • ৪,৮০০ অ্যাকাউট মুছে ফেলল ট্যুইটার, নেপথ্যে ইরান সরকার

    ৪,৮০০ অ্যাকাউট মুছে ফেলল ট্যুইটার, নেপথ্যে ইরান সরকার

    নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ ও ভুয়ো খবরের প্রচার রুখতে ৪,৮০০ অ্যাকাউট ডিলিট করল ট্যুইটার। এই সকল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ইরান সরকারের হয়ে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে। মাইক্রোব্লগিং সাইটের তরফে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    গত বছরের অক্টোবর থেকে ট্রান্সপারেন্সি রিপোর্ট প্রকাশ করছে ট্যুইটার। এই পর্যায়ে রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট ভিয়া প্রচার অভিযান রুখতে পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এরই অঙ্গ হিসেবে ইরান পরিচালিত এই সমস্ত অ্যাকাউন্টের বিষয়টি সামনে আসে। এই সমস্ত অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ‘ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছিল’ বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

    তথ্যে প্রকাশ, ১,৬০০ অ্যাকাউন্ট থেকে কূটনৈতিক এবং ভূ-রাজনৈতিকভাবে ইরান লাভবান হবে এমন দৃষ্টিকোণ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ ট্যুইট করা হয়েছিল। এছাড়া ২৪৮টি অ্যাকাউন্ট থেকে ইরান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ এবং ইসরায়েল নিয়ে আলোচনা লক্ষ্য করা গেছে।
    এছাড়াও কাতালান স্বাধীনতার সমর্থকদের খোলা ১৩০টি অ্যাকাউন্ট, রুশ সংস্থা ইন্টারনেট রিসার্চ এজেন্সি বা আইআরএ ব্যবহৃত চারটি ও ভেনিজুয়েলার একটি বাণিজ্যিক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।