Category: আন্তর্জাতিক

  • ব্রাজিলের এই দল নেইমার ছাড়াও শিরোপা জিততে পারে

    ব্রাজিলের এই দল নেইমার ছাড়াও শিরোপা জিততে পারে

    কাল (শনিবার) থেকে শুরু হচ্ছে লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে জমজমাট ফুটবল আসর কোপা আমেরিকা। কিন্তু এবারের আসরে দলের প্রাণভোমরা নেইমারকে ছাড়াই নামতে হচ্ছে টুর্নামেন্টের হট ফেবারিট স্বাগতিক ব্রাজিলকে।

    কোপা আমেরিকার জন্য ব্রাজিলের করা ২৩ সদস্যের দলে ছিলেন নেইমার। ধর্ষণ মামলার কারণে টুর্নামেন্টে তার খেলা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। কিন্তু অনুশীলনে পায়ের ইনজুরিতে পরায় আসর থেকে পুরো সময়ের জন্য ছিটকে যান এই ফরোয়ার্ড।

    দলের মূল ভরসাকে হারিয়ে কিছুটা হলেও হতাশ ব্রাজিল সমর্থকরা। তবে নেইমারকে ছাড়াও ব্রাজিল দল অনেক শক্তিশালী, এমনটাই মনে করছেন সেলেকাও তারকা মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরো।

    বলিভিয়ার বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচকে সামনে রেখে ক্যাসেমিরো বলেন, ‘যাই হোক না কেন এই টুর্নামেন্টে ব্রাজিল ফেবারিট এবং অবশ্যই জিতবে। নিঃসন্দেহে নেইমারকে ছাড়াই আমরা এ শিরোপা জিততে পারি। আমরা খুবই শক্তিশালী একটা দল। আমরা জানি এটা একটা কঠিন ম্যাচ হতে চলেছে এবং কিভাবে খেলতে হবে সেটা খুব ভালোমতোই জানি।’

    BRAZIL

    ২০০৭ সাল থেকে এখনো কোপার শিরোপার জিততে পারেনি ব্রাজিল। তবে এবারের দল দেখে তাদের শিরোপা জেতার যোগ্য দাবিদার মনে করছেন ফুটবল বোদ্ধারা। অনেকেই মনে করছেন, নেইমার না থাকায় দল কিছুটা শক্তি হারিয়েছে। কিন্তু এই কথা মানতে নারাজ ব্রাজিলের কোচ তিতে।

    তিতে বলেন, ‘দায়িত্ব থেকে আমরা কখনোই নিজেদের লুকিয়ে রাখতে পারবো না। আমরা শিরোপা জেতার জন্য ধাপে ধাপে এগোতে হবে। নেইমারকে নিয়ে আমরা সংবাদ সম্মেলন এবং অনুশীলনেও কথা বলেছি। পুরো দল খুবই শক্তিশালী। হন্ডুরাসের বিপক্ষে সাত গোল করে আপনারা দেখেছেন পুরো দলকে একসঙ্গে উদযাপন করতে।

  • নিজেকে নির্দোষ দাবি ক্রাইস্টচার্চের হামলাকারীর

    নিজেকে নির্দোষ দাবি ক্রাইস্টচার্চের হামলাকারীর

    নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদের হামলাকারী ব্রেন্টন ট্যারেন্ট। তার বিরুদ্ধে আদালতে ৫১ জনকে হত্যা, ৪০ জনকে হত্যার চেষ্টা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের একটি অভিযোগসহ মোট ৯২টি অভিযোগ আনা হয়েছে।

    কিন্তু সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ট্যারেন্ট। ক্রাইস্টচার্চ কারাগার থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হাইকোর্টে হাজিরা দেন তিনি। চলতি বছরের ১৫ মার্চ জুমার নামাজের সময় মসজিদে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়।

    মসজিদে ঢুকে নামাজরত মুসল্লিদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে থাকেন অস্ট্রেলীয় নাগরিক ব্রেন্টন ট্যারেন্ট। পুরো হামলার ঘটনা তিনি ফেসবুকে লাইভ করেন। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় সে দুটি মসজিদে নারী, পুরুষ ও শিশুদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।

    নিউজিল্যান্ডে এই প্রথম কারো বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হলো। হামলা থেকে বেঁচে যাওয়াদের কয়েকজন এবং নিহতদের স্বজনরা শুনানির সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

    ট্যারেন্টের আইনজীবী যখন নির্দোষ দাবী করে তার মক্কেলের দেয়া বিবৃতি পড়ে শোনান, আদালত কক্ষে তখন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই ডুকরে কেঁদে ওঠেন।

    বিচারক জানিয়েছেন, আগামী বছরের ৪ মে পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম চলবে এবং ১৬ আগস্ট পরবর্তী শুনানির আগ পর্যন্ত কারাগারে ট্যারেন্টের রিমান্ড চলবে।

    এর আগে গত এপ্রিলে যখন ট্যারেন্ট আদালতে হাজিরা দিয়েছিলেন তখন তাকে মানসিক চিকিৎসা নেবার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন আর তার সুস্থতা নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই বলে জানিয়েছেন বিচারক।

    এর মধ্যে গত সপ্তাহে ট্যারেন্টের ছবি প্রকাশের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা ছিল তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। হামলার পরপরই গ্রেফতার হন ট্যারেন্ট। এরপর গত ১৬ মার্চ তাকে প্রথম আদালতে হাজির করা হয়।

  • লড়াকু পুঁজিও পেল না গেইল-রাসেলদের ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    লড়াকু পুঁজিও পেল না গেইল-রাসেলদের ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    এই দলে আছে ক্রিস গেইল, এভিন লুইস, আন্দ্রে রাসেলের মতো বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান। কেউ একজন দাঁড়িয়ে গেলেই তো প্রতিপক্ষের ‘বারোটা বাজা’র জন্য যথেষ্ট। কিন্তু ওয়ানডে ক্রিকেট যে শুধুই মারকাটারি ব্যাটিংয়ের নয়, সেটি আরও একবার টের পেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

    ইংলিশ বোলারদের সামনে ক্যারিবীয় হার্ডহিটাররা কেউই দাঁড়াতে পারলেন না। সাউদাম্পটনে ইনিংসের ৩২ বল বাকি থাকতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ গুটিয়ে গেছে ২১২ রানে।

    টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় ক্যারিবীয়রা। মাত্র ২ রান করে ক্রিস ওকসের বলে বোল্ড হন এভিন লুইস। ক্রিস গেইল আর শাই হোপ সে ধাক্কা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করেছিলেন। দ্বিতীয় উইকেটে তারা যোগ করেন ৫০ রান।

    সেট হওয়ার পর নিজের আসল চেহারাটা গেইল প্রকাশ করতে যাবেন, ঠিক এমন সময়েই লিয়াম প্লাংকেট সাজঘরে পাঠান তাকে। ৪১ বলে ক্যারিবীয় ওপেনার করেন ৩৬ রান। পরের ওভারেই শাই হোপকেও তুলে নেয় ইংল্যান্ড। ৩০ বলে মাত্র ১১ রান করে মার্ক উডের বলে এলবিডব্লিউ হন এই ব্যাটসম্যান।

    ৫৫ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন বিপদে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেখান থেকে চতুর্থ উইকেটে ৮৯ রানের জুটি গড়েন সিমরন হেটমায়ার আর নিকোলাস পুরান। এই উইকেটটা থিতুই হয়ে গিয়েছিল। এমন মুহূর্তে চমক দেখান জো রুট। পার্টটাইমার হয়ে জুটিটা তো ভাঙেনই, টানা দুই ওভারে ২ উইকেট তুলে নিয়ে ক্যারিবীয়দের আবারও বিপদে ফেলে দেন এই অফস্পিনার।

    রুটের নেয়া দুটি উইকেটই ছিল ফিরতি ক্যাচ। ৩৯ রান করে হেটমায়ার যেভাবে আউট হন ঠিক সেভাবেই রুটকে ফিরতি ক্যাচ দেন অধিনায়ক জেসন হোল্ডার (৯)। পরের ব্যাটসম্যানরা আর কেউই বলার মতো কিছু করতে পারেননি।

    আন্দ্রে রাসেল তার বিধ্বংসী রূপ বের করার আগেই হয়েছেন মার্ক উডের শিকার। ১৬ বলে ১ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ২১ রান করে ক্রিস ওকসের হাতে ক্যাচ দেন এই অলরাউন্ডার।

    ইংল্যান্ডের পক্ষে ৩টি করে উইকেট শিকার জোফরা আর্চার আর মার্ক উডের। জো রুট নেন ২টি উইকেট।

  • ভারত ও পাকিস্তানের জন্য দুই রকম উইকেট বানায় আইসিসি

    ভারত ও পাকিস্তানের জন্য দুই রকম উইকেট বানায় আইসিসি

    বিশ্বকাপে যেন একের পর এক বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ছে। মহেন্দ্র সিং ধোনির গ্লাভস, আম্পায়ারিং এবং বেল বিতর্কের পর এখন নতুন আরেক অভিযোগ তুলেছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। পাকিস্তান অধিনায়কের দাবি, বিশ্বকাপে ভারতের ইচ্ছামত পিচ বানানো হচ্ছে।

    বিশ্বকাপে তিন ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের আট নম্বরে আছে পাকিস্তান। বাউন্সি পিচে উপমহাদেশের ব্যাটসম্যানরা যে একটু নড়বড়ে থাকেন, সেটা সবাই জানে। এর ঝাঁঝ পাকিস্তান টের পেয়েছে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই। ওশানে থমাস, জেসন হোল্ডারদের তোপে ৭ উইকেটের লজ্জার হার বরণ করে সরফরাজ আহমেদের দল।

    আজ (বুধবার) অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচ খেলতে নেমেছে পাকিস্তান। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিইও নিউজের সূত্রমতে, অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচের পিচ নিয়ে খুশি নন সরফরাজ। পিচে এতটাই ঘাস যে এখানে কোন সুবিধাই পাবেন না স্পিনাররা। তার মতে, শুধু পাকিস্তানের সঙ্গেই এরকম কঠিন উইকেট বানানো হয়, ভারতের বেলায় হয় না।

    সরফরাজের এক ঘনিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম জিইও নিউজ লিখেছে, ‘অধিনায়ক বিস্মিত হয়ে গেছেন যে কেন শুধু ভারতের ম্যাচেই ব্যাটিং ও স্পিন সহায়ক উইকেট বানানো হয়। এসব উইকেট সবসময় উপমহাদেশের জন্য সুবিধাদায়ক। কিন্তু পাকিস্তানকে টুর্নামেন্টে সবসময় কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয় ঘাসের মতো উইকেটে খেলে।’

    টনটনে অনুষ্ঠিত হওয়া পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে আজ কোনো দলই একাদশে স্পেশালিস্ট স্পিনার নিয়ে নামেনি। দুই দলই চারজন পেসারকে নিয়ে মাঠে নেমেছে। পিচে অনেক ঘাস থাকার কারণে এমন সিদ্ধান্ত বলে জানান পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক।

  • ভারত-নিউজিল্যান্ডের ম্যাচও পরিত্যক্ত

    ভারত-নিউজিল্যান্ডের ম্যাচও পরিত্যক্ত

    বৃষ্টি যেন পিছুই ছাড়ছে না ইংল্যান্ড বিশ্বকাপকে। ম্যাচ পরিত্যক্তের বিশ্বরেকর্ড গড়া হয়ে গেছে আগেই। এবার সেটাকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় বিশ্বকাপের এবারের আসরটি।

    ট্রেন্ট ব্রিজে ভারত আর নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত লড়াইটিও গেল বৃষ্টির পেটে। বল মাঠে গড়ানো তো দূরের কথা, টসই হয়নি এই ম্যাচে।

    খেলা শুরু হওয়ার কথা ছিল স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টা)। কিন্তু বেশ কয়েকবার মাঠ পরিদর্শন করেও ইতিবাচক কিছু জানাতে পারেননি আম্পায়াররা।

    অবশেষে স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা) ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা। ফলে ভারত-নিউজিল্যান্ড দুই দলকে পয়েন্ট ভাগাভাগিই করতে হচ্ছে, ১ পয়েন্ট করে পেয়েছে দুই দল।

    বর্তমানে ৪ ম্যাচে ৩ জয় নিয়ে ৭ পয়েন্ট নিউজিল্যান্ডের। তারা আছে পয়েন্ট তালিকার এক নাম্বারে। ৩ ম্যাচে ভারতের জয় ২টি, তাদের পয়েন্ট এখন ৫।

  • কাতার বিশ্বকাপ : স্টেডিয়াম নির্মাণে ১৪০০ নেপালির মৃত্যু

    কাতার বিশ্বকাপ : স্টেডিয়াম নির্মাণে ১৪০০ নেপালির মৃত্যু

    কাতারে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্য স্টেডিয়াম নির্মাণ করতে গিয়ে অন্তত ১৪০০ নেপালি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। কয়েক বছর ধরে দেশটিতে বেশকিছু স্টেডিয়াম নির্মাণকাজ চলাকালীন তাদের প্রাণহানি ঘটে।

    জার্মানভিত্তিক পাবলিক ব্রডকাস্টার ওয়েস্টডাশ্চার রান্ডফাঙ্ক কোল (ওয়াইডিআর) তাদের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। ওয়েস্টডাশ্চার রান্ডফাঙ্ক কোল তাদের তথ্যচিত্রভিত্তিক ওই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের শিরোনাম দিয়েছে ‘ট্র্যাপড ইন কাতার’ অর্থাৎ কাতারের ফাঁদ।

    ওয়াইডিআ সম্প্রতি এই প্রতিবেদনটি সম্প্রচার করেছে। তাতে দেখানো হয়েছে, কীভাবে নির্মাণাধীন ভবনগুলোর ভেতরেই ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন শ্রমিকরা। তাদের নিরাপত্তার জন্য ন্যূনতম ব্যবস্থাও গ্রহণ করেনি দেশটির কর্তৃপক্ষ।

    stadium-in-qatar

    সৌদির রাষ্ট্রীয় দৈনিক আরব নিউজও এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাদের প্রতিবেদনে নেপালের শ্রম মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নারায়ণ রেগমিকে উদ্ধৃত করে বলা হচ্ছে, ‘এটা একটা সত্য ঘটনা যে, গত কয়েক বছরে কাতারে অনেক নেপালি শ্রমিক তাদের জীবন হারিয়েছে।’

    প্রতিবেদন নেপাল সরকারের দেয়া হিসাবের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনা এবং ঝুঁকিপূর্ণ ও নিম্নমানের জীবনযাপনের কারণে প্রতি বছর দেশটির প্রায় ১১০ জন মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে সেখানে। নিহতদের পরিবারের সদস্যরা ওয়াইডিআরকে বলেছে, তারা কাতার সরকারের কাছ থেকে কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণও পায়নি।

  • তুরস্ক আন্তর্জাতিক ক্বেরাত প্রতিযোগিতায় ক্বারী মানজুরের সাফল্য

    তুরস্ক আন্তর্জাতিক ক্বেরাত প্রতিযোগিতায় ক্বারী মানজুরের সাফল্য

    মাহাদুল ক্বেরাত বাংলাদেশ-এ অধ্যয়নরত বিদেশি ছাত্র ভারতের ক্বারী মানজুর আহমদ তুরস্কের আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় সাফল্য লাভ করেছেন। ভারতের বাছাই পরীক্ষায় প্রথম স্থান লাভ করে তুরস্ক আন্তর্জাতিক ক্বেরাত প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত হন ক্বারী মানজুর আহমদ।

    পবিত্র রমজান মাসে শুরু হওয়া তুরস্কের আন্তর্জাতিক ক্বেরাত প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৮৬টি দেশের প্রতিযোগিরা প্রতিনিধিত্ব করেন। তাদের মধ্যে ভারতের ক্বারী মানজুর আহমদ ৫ম স্থান লাভ করে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখেন।

    বাংলাদেশের প্রধান ক্বারী শায়খ আহমাদ বিন ইউসুফ আল-আযহারী কর্তৃক পরিচালিত দেশের সর্বপ্রথম স্বতন্ত্র ইলমে ক্বেরাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ‘মাহাদুল ক্বেরাত বাংলাদেশ’-এর বিদেশি ছাত্রদের মধ্যে অন্যতম ভারতের হাফেজ ক্বারী মো. মানজুর আহমাদ।

    তুরস্কে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই ক্বারী মানজুর আহমদ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। মাহাদুল ক্বেরাত বাংলাদেশের বিদেশি ছাত্র হাফেজ ক্বারী মানজুরের প্রতি রইলো শুভ কামনা।

    আল্লাহ তাআলা হাফেজ ক্বারী মানজুরকে ইলমে ক্বেরাত ও কুরআনের খাদেম হিসেবে কবুল করুন।

    আমিন।

  • আমি তখন ক্যারিয়ারের তুঙ্গে,অমিতাভ বচ্চন তাঁর জীবনীতে লিখেছেন

    আমি তখন ক্যারিয়ারের তুঙ্গে,অমিতাভ বচ্চন তাঁর জীবনীতে লিখেছেন

    অনলাইন ডেস্কঃ

    আমি তখন ক্যারিয়ারের তুঙ্গে। একদিন প্লেনে করে যাচ্ছিলাম । খুব সাধারণ শার্ট আর প্যান্ট পরিহিত একজন ভদ্রলোক আমার পাশে বসেই যাচ্ছিলেন৷ দেখে উনাকে একজন শিক্ষিত এবং মার্জিত মধ্যবিত্ত মানুষ মনে হয়েছিলো । অন্য সহযাত্রীরা আমায় চিনতে পেরে খুব উৎসাহিত হয়ে অটোগ্রাফ নিচ্ছে। কিন্তু পাশে বসা ভদ্রলোককে লক্ষ্য করলাম উনার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই । উনি একমনে একটা খবরের কাগজ পড়ছিলেন আর মাঝে মাঝে জানালার বাইরে তাকিয়ে কি যেন ভাবছিলেন । চা পরিবেশন করা হলো, ঠোঁটের আগেই থ্যাঙ্কস লেগেই আছে। আমাকে পাত্তাই দিচ্ছে না। আমার উনার প্রতি কৌতুহল বেড়েই চলছিলো । তাই উনার সাথে কথা বলার জন্য উনার দিকে তাকিয়ে হাসলাম । উনিও একটা সৌজন্যমূলক হাসি ফিরিয়ে দিয়ে বললেন ……’হ্যালো’ ……. কিছু সৌজন্যমূলক কথোপকথন শুরু হলো । আমিই নিজে থেকে সিনেমা প্রসঙ্গ উত্থাপন করলাম। জিজ্ঞাসা করলাম :’ আপনি সিনেমা দেখেন ?’ উনি বললেন ‘কখনো-সখনো । শেষ যে সিনেমাটা দেখেছি ….. হ্যাঁ…তাও প্রায় এক বছরের বেশী হয়ে গেছে ।’ বললাম ‘ আমি ঐ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেই আছি ।’ উনি উৎসাহিত হয়ে বললেন ‘ দারুণ ব্যাপার! তা আপনি কি করেন ?’ বললাম, ‘ আমি একজন অভিনেতা ।’ প্রত্যুত্তরে বললেন ‘দারুণ! ‘ ব্যাস! ওই পর্যন্তই ……. প্লেন ল্যান্ড করার পর আমি ভদ্রলোকের দিকে করমর্দনের জন্য হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে বললাম ‘আমার নাম অমিতাভ বচ্চন’। উনি মাথা নত করে আমার হাতটা ঝাঁকিয়ে দিয়ে বললেন,’আপনার সাথে পরিচয় হয়ে দারুণ লাগলো ! আমার নাম জে.আর.ডি. টাটা .. (Jehangir Ratanji Dadabhoy Tata, chairman of TATA Group)… চমকে উঠলাম আমি ! ঐ দিনের ঘটনা থেকে একটা বিষয় শিখলাম “যত বড়ই হই না কেনো, আমার থেকেও বড় কেউ আছে কিন্ত তাঁর দৃষ্টিটা সর্বদাই মাটির দিকে !” শিক্ষনীয়ঃ গাছ যতই বড় হয় ততটাই মাটির দিকে ঝুঁকে যায়।

  • ব্রিটেনের রানি এলিজাবেথ ৫০ বছর ধরে এক ব্যাগ ব্যবহার করছেন!

    ব্রিটেনের রানি এলিজাবেথ ৫০ বছর ধরে এক ব্যাগ ব্যবহার করছেন!

    বিত্ত বৈভবের কোনোই অভাব নেই। অথচ তিনিই কিনা একটি হ্যান্ডব্যাগে অর্ধ শত যুগ পার করে দিয়েছেন। তেমন আহামরি কিছু নয় দেখতে সেটি। কালো রঙের ছোট্ট ব্যাগটি খুবই সাধাসিধে। তিনি ব্রিটেনের রানি। রানি এলিজাবেথ সেটি ব্যবহার করছেন ৫০ বছর ধরে!

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর জানিয়েছে, রানি এলিজাবেথের এই ব্যাগটির নাম ‘লানার’। ব্যাগটি রানির অত্যন্ত পছন্দের। তাই বিশেষ অনুষ্ঠানে কখনোই হাতছাড়া করেন না ব্যাগটি। যে সব বড় বড় অনুষ্ঠানে রানি অংশগ্রহণ করেন, সেখানে তার হাতে থাকে এই কালো রঙের ব্যাগ। এমনকি গত বছর উইন্ডসর ক্যাসেলের ড্রয়িংরুমেও এই ব্যাগকে সঙ্গী করেছিলেন রানি এলিজাবেথ। ১৯৬৮ সাল থেকে এই কালো ব্যাগটি ব্যবহার শুরু করেছিলেন রানি এলিজাবেথ। রাজকীয় কিছু সূত্র জানিয়েছে, ব্যাগটি রানি খুবই পছন্দ করেন। এই ব্যাগ তৈরি করা কোম্পানির প্রশংসাও করছেন অনেকে। কারণ ৫০ বছর ধরে একটি ব্যাগের টিকে থাকাও তো কম কথা নয়!

    রানি এলিজাবেথের এই ব্যাগটি বিশেষভাবে নকশা করা। এই ব্যাগটি নিয়েই ১৯৭০ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ও প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথের সঙ্গে ঐতিহাসিক বৈঠক করেছিলেন তিনি। আবার ২০০০ সালে বিল ও হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়ও এই ব্যাগটিই ছিল রানি এলিজাবেথের সঙ্গী। আবার ২০১৭ সালে রাজকীয় প্যারেডেও এই ব্যাগ নিয়ে গিয়েছিলেন রানি এলিজাবেথ।

  • প্রযুক্তি জায়ান্টের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদে গণমাধ্যমগুলোর প্রতি জন উইথারোর আহ্বান

    প্রযুক্তি জায়ান্টের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদে গণমাধ্যমগুলোর প্রতি জন উইথারোর আহ্বান

    ব্রিটিশ গণমাধ্যম টাইমস সম্পাদক জন উইথারো সকল গণমাধ্যমকে গুগল এবং ফেসবুকের মতো ডিজিটাল জায়ান্টের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করার আহ্বান জানিয়েছেন। সোসাইটি অব এডিটরস এর বার্ষিক সেচওয়েল লেকচারে তিনি এই আহ্বান জানান। এছাড়াও ব্রিটিশ সরকারি গণমাধ্যম বিবিসিও দ্রুত সাবসক্রিপশন সার্ভিসৈ আসতে বাধ্য হবে বলেও পূর্বানুমান করেন তিনি। সোসাইটি অব এডিটরস।

    যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সর্বাধিক সময় ধরে সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা জন উইথারো আরো বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার যদি আরো একবার নির্বঅচিত হয়, তবে হয়তো টেক জায়ান্টদের টেক্কা দেও্যয়া সম্ভব হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রাপ্য ডিজিটাল বিজ্ঞাপনগুলো ফেসবুক এবং গুগল একরকম কেড়ে নিয়েছে। তারা নিজেদের প্লাটফর্ম ব্যবহার করে সস্তায় বিজ্ঞাপন নিচ্ছে। তারা বাজারমূল্য বিবেচনায় না নিয়েই এসব বিজ্ঞাপন গ্রহণ করছে। তারা কোন নীতিমালার আওতায় নেই, তাদের কেউ নজরদারি করেনা, তাদের অবশ্যই বাণিজ্যিক সফলতা রয়েছে। কিন্তু এর মানে এই নয়, তারা ইচ্ছেমতো মূল্য নির্ধারণ করবে।’

    গত সোমবার সন্ধ্যায় মধ্য লন্ডনের স্টেশনারস হলে এই লেকচার অনুষ্ঠিত হয়। এই লেকচারের বিষয় ছিলো, ‘আধুনিক ডিজিটাল যুগে কিভাবে গুনগত সাংবাদিকতার প্রতি বিশ্বাস বাড়িয়ে টিকে থাকা যায়।’ টাইমস সম্পাদক বলেন, ‘গঠনগত সাংবাদিকতা হলো একটি উপায়, যার মাধ্যমে মূলধারার সাংবাদিকতার প্রতি পাঠকদের বিশ্বাস আবারও ফিরিয়ে আনা যায়। এজন্য নিজেদের কাজে নতুন আরো একটি উপাদান যোগ করা বাধ্যতামূলক। আমাদের সংবাদ পরিবেশনের নেতিবাচকতার কারণে মানুষের বিশ্বাস হারিয়েছে। পুরাতন ধারণা বদলাতে হবে। পাঠকদের আরো সম্পৃক্ত করতে হবে। অপরাধের অন্ধকার কাঁদা খুঁড়ে আমাদের সংবাদ বের করে নিয়ে আসতে হবে। অবশ্যই আমাদের তা করতে হবে।

    গঠনমূলক সংবাদ পাঠককে আরো ক্ষমতাবান করবে। আরো পাঠক ক্ষমতা বাড়লে আমরাও ক্ষমতাবান হবো।’
    জন উইথারো মনে করেন, গণমাধ্যমের চরিত্র পালটে গেছে। এই বদল খুব জরুরী ছিলো। নাহয় তথাকথিত ডিচিটাল মিডিয়ার সঙ্গে টিকে থাকা খুব কঠিন। তিনি মনে করেন বিবিসির মতো সরকারি গণমাধ্যমগুলোও তাদের চরিত্র বদলাবে। স্বেচ্ছসেবামূলক সম্প্রচারের বদলে তারাও অর্থের মাধ্যমে সম্প্রচারে যাবে বলে মনে করেন এই অভিজ্ঞ ও প্রবীণ সম্পাদক। তিনি সকল গণমাধ্যমকে টেক জায়ান্টগুলোর সঙ্গে সম্পর্কোচ্ছেদের আহ্বান জানান।