Category: আন্তর্জাতিক

  • তিনি অনিন্দ্য সুন্দরী, তাই জরিমানা

    তিনি অনিন্দ্য সুন্দরী, তাই জরিমানা

    রোজ কত কী ঘটে যাহা তাহা! ঠিক যেন সিনেমার মতো। রীতিমতো তাজ্জব করার মতো কাণ্ড ঘটল পশ্চিম উরুগুয়ের পায়সান্ডু শহরতলিতে। গাড়ি চালিয়ে আসছিলেন এক মহিলা। তাকে আটকালেন পুরুষ এক ট্রাফিক সার্জেন্ট। কারণ, তিনি অতীব সুন্দরী। আর তার এই সৌন্দর্য্যের জন্য তাকে জরিমানাও করলেন ওই ট্রাফিক সার্জেন্ট।

    সুন্দরী ওই মহিলাকে দেখা মাত্রই ক্লিন বোল্ড হয়ে যান ওই ট্রাফিক সার্জেন্ট। ওই জরিমানার কাগজের উল্টো পিঠে ‘আই লাভ ইউ’ লিখে বসলেন তিনি। আর এই সব করার কারণ একটাই। যেভাবেই হোক সুন্দরী ওই মহিলার মনে একটু জায়গা খোঁজার। কিন্তু কখনও ঘূণাক্ষরেও টের পাননি যে , সেই জরিমানার টিকিটই একদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চূড়ান্ত ভাইরাল হয়ে যাবে। নেটপাড়ার মানুষজন মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ট্রাফিক সার্জেন্টের এহেন কার্যকলাপে। কেউ বলছেন, উনি যা করেছেন ঠিকই করেছেন। কেউ আবার মুখ বেঁকিয়েছেন।

    ক্ষমতার অপব্যবহার বলে ফুঁসে উঠেছেন কেউ কেউ ট্যুইটারে। ওই ট্রাফিক সার্জেন্টকে কাঠগড়ায় তুলে বলছেন, এই ভাবে নারীকে যদি কোনও ট্রাফিক এজেন্ট হেনস্থা করে তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? কেউ আবার পছন্দসই নারীকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়ার এমনতর কায়দা দেখে ট্রাফিক পুলিশের পিঠ চাপড়ে দিয়েছেন।

    তবে সেই টিকিট বেশি ভাইরাল হতেই বিপদে পড়লেন সার্জেন্ট। সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার পর ওই ট্রাফিক সার্জেন্টকে বদলি করার চিন্তভাবনা করছে পায়সান্ডুর প্রশাসন।

  • রেস্টুরেন্টে কাজ করেন মার্কিন সংসদ সদস্য

    রেস্টুরেন্টে কাজ করেন মার্কিন সংসদ সদস্য

    আগেও রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন জীবিকা অর্জনের জন্য। কিন্তু মার্কিন কংগ্রেসম্যান নির্বাচত হওয়ার পরও সেই কাজই করছেন তিনি। মার্কিন কংগ্রেসের এ নারী সদস্যের নাম আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও কোর্তেজ।

    বিশ্বের একটি উন্নত দেশের পার্লামেন্টের সদস্য হয়েও তিনি রেস্টুরেন্টের টেবিল পরিষ্কার করা থেকে থালা-বাসন ধোয়া, পানীয় তৈরি, পিজা ডেলিভারি দেয়া-সহ যাবতীয় কাজ করেন।

    ২৯ বছর বয়সী আলেক্সান্দ্রিয়া বলেন, ‘আমি জানুয়ারিতে কংগ্রেসে যোগ দেয়ার পর ওয়াশিংটন ডিসিতে চলে যাই। কিন্তু এখন আবার নিউইয়র্কে এসে কাজে যোগ দিয়েছি। এখানে আমাকে প্রতি ঘণ্টা কাজের জন্য মাত্র ২ ডলার দেয়া হয়।

    আমি চাই আমার মতো নিম্ন আয়ের মানুষ কতটা কষ্ট করে জীবন-যাপন করে তার প্রতি সবার মনোযোগ আকর্ষণ হোক।’

    প্রসঙ্গত, আলেক্সান্দ্রিয়া মার্কিন কংগ্রেসের সবচেয়ে কম বয়সী প্রতিনিধি। গেল নভেম্বরে তিনি আমেরিকার ১২৯তম কংগ্রেসের নির্বাচিত সদস্য হন।

    উল্লেখ্য, গেল নভেম্বরে মার্কিন গণমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে টাকার অভাবে বাসা ভাড়া নিতে পারছেন না জানিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন ওকাসিও। সংসদের বেতন না পাওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটন ডিসিতে একটা অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নেয়ার মতো সামর্থ ছিলো না তার।

    ১৯৮৯ সালের ১৩ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করা এ মার্কিন নারী আমেরিকার বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন।

    আলেক্সান্দ্রিয়ার বাবা ২০০৮ সালে ৪৮ বছর বয়সে ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তখন তিনি পরিবারের জন্য বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে বুয়ার কাজ করেন। এক সময় তাকে প্রায়ই দিনে ১৮ ঘণ্টা করে কাজ করতে হতো।

  • বিয়েতে ১৫ হাজার এতিম শিশুকে দাওয়াত দিয়ে খাওয়ালেন ওজিল

    বিয়েতে ১৫ হাজার এতিম শিশুকে দাওয়াত দিয়ে খাওয়ালেন ওজিল

    জার্মানির ফুটবলার মেসুত ওজিল গত শুক্রবার বিয়ে করেছেন। পাত্রী দীর্ঘদিনের বান্ধবী এমিনে গুলস। বসফরাস প্রনালীর পাশে একটি লাক্সারিয়াস হোটেল হয় বিয়ের মূল আয়োজন। বিয়েতে সাক্ষী হন স্বয়ং টার্কিশ প্রেসিডেন্ট এরদোগান এবং ফার্স্ট লেডি এমিনি

    তুরস্কের ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সাবার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,বিয়ের কোটি কোটি টাকার গিফট তিনি অসহায়দের সহায়তার চন্য দান করেছেন । বিয়ে উপলক্ষ্যে সবচেয়ে বড় আয়োজনটি করেছেন তুরস্কের দুটি সরনার্থী শিবিরে। যেখানে ১৫ হাজার সিরিয় শিশুকে রাতের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এর আগে ফুটবল থেকে পাওয়া অনেক আন্তর্জাতিক পুরস্কারও এতিম শিশুদের সহায়তায় উৎসর্গ করেছেন।

    গুলস ২০১৪ সালে মিস তুর্কি নির্বাচিত হয়ে ছিলেন। এই বিয়েটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে অতিথি হিসেবে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগানকে দাওয়াত করায়।

    ওজিল জার্মানির পক্ষ হয়ে খেললেও জাতিতে তিনি তুর্কি। তার হবুস্ত্রী পেশায় মডেল ও অভিনেত্রী গুলসে অবশ্য সুইডেনের নাগরিক। ২০১৪ সালে ‘মিস তুর্কি’ নির্বাচিত হন তিনি। একই বছর ‘মিস ওয়ার্ল্ড-২০১৪’এ অংশ নেন এ তরুণী। ওজিলের সাথে তার সম্পর্ক দীর্ঘদিনেরও। ২০১৭ সাল থেকে লন্ডনে একসাথে বসবাস করছেন তারা।

    তুরস্কে ওজিলের মতোই ব্যাপক জনপ্রিয় গুলসে। তাদের বিয়ে নিয়ে দেশটিতে চলছে ব্যাপক উন্মাদনা। উৎসবের আমেজ পড়ে গেছে। দুজনের সাথে আবার এরদোগানের মধুর সম্পর্ক।

    গেল সপ্তাহে সাক্ষাৎ করে তুর্কি প্রেসিডেন্টের হাতে বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র তুলে দেন ওজিল ও গুলসে। তাদের আশীর্বাদ করেন এরদোগান। আলোচিত বিয়েতে উপস্থিত হন তিনি। গেল বছর বর্ণবৈষম্য ও অসম্মানের অভিযোগ এনে জার্মানি জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ওজিল। এর নেপথ্যেও ছিলেন এরদোগান।

    রাশিয়া বিশ্বকাপের আগে তুরস্ক প্রেসিডেন্টের সাথে সাক্ষাৎ করেন ওজিল। পরে এর একটি ভিডিও ক্লিপ নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন তিনি। তাতে দেখা যায়, এরদোগানকে আর্সেনালের জার্সি উপহার দিচ্ছেন আর্সেনাল মিডফিল্ডার।

    বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারেননি জার্মানরা। ডানপন্থী রাজনীতির কারণে এরদোগানের ভাবমূর্তি নিয়ে পশ্চিমাবিশ্বে প্রশ্ন আছে। এমন একজনের সাথে ছবি তোলায় জার্মানদের মূল্যবোধ নষ্টের অভিযোগ তোলা হয় ওজিলের বিরুদ্ধে। তবু তাকে বিশ্বকাপের দলে রাখেন কোচ জোয়াকিম লো।

    বিপত্তিটি বাধে প্রথম রাউন্ড থেকে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা বিদায় নিলে। ব্যর্থতার দায় এসে পড়ে ওজিলের কাঁধে। ফলে উগ্র সমর্থকদের কাছ থেকে ঘৃণিত বার্তা হতে শুরু করে মৃত্যু হুমকিও পান তিনি। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে জাতীয় দল থেকে অবসর নেন ২৯ বছরের মিডফিল্ডার।

  • পরিত্যক্ত ম্যাচের রেকর্ড গড়লো ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ

    পরিত্যক্ত ম্যাচের রেকর্ড গড়লো ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ

    বিশ্বকাপের এবারের আসরে বৃষ্টি যেন পিছুই ছাড়ছে না। গত দুদিনে আকাশের এই দুরবস্থার কারণেই হয়নি কোনো ম্যাচের ফলাফল। বৃষ্টি যেন এবারের বিশ্বকাপে সব মাত্রাকেই ছাড়িয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছে তিনটি ম্যাচ, যা কিনা একটি রেকর্ড।

    বৃষ্টির কারণে এর আগে কোনো বিশ্বকাপে এতগুলো ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়নি। এর আগে ১৯৯২ ও ২০০৩ আসরে বৃষ্টিতে সমান দুটি করে ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছিল।

    ১৯৯২ সালের আসরে ভারত-শ্রীলঙ্কার ম্যাচটি প্রথম পরিত্যক্ত হয়। বৃষ্টি শেষ হওয়ার পর সেবার হেলিকপ্টার আনা হয় মাঠ শুকানোর জন্য। কিন্তু কোনো মতেই আর খেলা মাঠে গড়ানো যায়নি।

    দ্বিতীয় পরিত্যক্ত ম্যাচটি হলো ইংল্যান্ড-পাকিস্তানের। প্রথম ইনিংসের খেলা ঠিক মতো শেষ হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ ওভার হওয়ার পরই নামে বৃষ্টি। ফলে বাকি খেলা আর মাঠে গড়ায়নি। বিশ্বকাপের এবারের আসরটিও সেবারের মতো রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    ২০০৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলাটি প্রথম পরিত্যক্ত হয়। প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাট করতে পারলেও বাংলাদেশ ব্যাটিং করার আট ওভারের পর নামে বৃষ্টি।

    ওই বিশ্বকাপে পরিত্যক্ত হওয়া পরের ম্যাচটি হলো পাকিস্তান-জিম্বাবুয়ের। সেদিন ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে থেকেই বৃষ্টি নামতে থাকে। পরে কার্টেল ওভারে খেলা ৩৮ ওভারে নেমে এলেও প্রথম ইনিংসের ১৪তম ওভারে বৃষ্টি নামার পর আর খেলা শুরু করা যায়নি।

    আর এবারের বিশ্বকাপে পরিত্যক্ত হওয়া ম্যাচ গুলো হলো- পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ-দক্ষিণ আফ্রিকা এবং বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা।

    এছাড়া বিশ্বকাপের অন্যান্য আসরে পরিত্যক্ত হওয়া ম্যাচগুলো হলো-

    ১৯৯৬ : কেনিয়া-জিম্বাবুয়ে

    ১৯৯৯ : নিউজিল্যান্ড-জিম্বাবুয়ে

    ২০১১ : অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা

    ২০১৫ : বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া

  • আগামী বছরই বাজারে আসছে কৃত্তিম কিডনী: আবিস্কারক বাংলাদেশে জন্ম নেয়া শুভ রয়!

    আগামী বছরই বাজারে আসছে কৃত্তিম কিডনী: আবিস্কারক বাংলাদেশে জন্ম নেয়া শুভ রয়!

    কৃত্রিম কিডনি তৈরি করে ফেলেছেন বাঙালি বিজ্ঞানী শুভ রায়। খুব শিগগিরই বাজারে আসছে এই কৃত্রিম কিডনি। কম খরচে কিডনির সমস্যার চটজলদি সমাধান। শুভ রয়ের দাবি কিডনী প্রতিস্থাপনে বর্তমানে যে খরচ হয়, তার থেকে অনেক কমেই মানুষ অচল কিডনী জনিত সমস্যাগুলো থেকে সহজে মুক্তি পাবে।
    যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্ণিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষকের জন্ম ১৯৬৯ সালের নভেম্বরে, ঢাকায়। যদিও পড়াশোনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রেই।
    ক্যালিফোর্ণিয়িা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিখ্যাত ওই প্রকল্পের নাম কিডনী প্রজেক্ট। সেখানে অবশ্য বাঙালি শুভ রয়ের সঙ্গে এই আবিস্কারে হাত লাগিয়েছেন নেফ্রোলজিষ্ট উইলিয়াম এইচ ফিসেল। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বহু কিডনী বিকল রোগীর শরীরে স্থাপন করা হয়েছে কৃত্তিম এই কিডনী।
    যার আকার হাতের মুঠোর সমান। খরচ তুলনায় অনেকটাই কম। ২ কিডনি বিকল হলে রক্ত শোধনে ঘাটতি দেখা দেয়। শরীরে বিষাক্ত বর্জ্য জমে রক্ত দূষিত হয়।
    বর্তমানে এই সমস্যা সমাধানের জন্য ডায়ালিসিস প্রক্রিয়ার সাহায্যে কৃত্রিম উপায়ে রক্ত শোধন করা হয়।এজন্য রোগীকে একাধিক দিন হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। শুধু তাই নয়, ডায়ালিসিস চলাকালীন বা পরে অধিকাংশ রোগী ডায়াবেটিস ও হাইপার টেনশনে ভোগেন। যা সমস্যা আরও জটিল করে তোলে।বিকল কিডনির বদলে রোগীর দেহে সুস্থ কিডনি প্রতিস্থাপনও হয়ে থাকে। তবে তা সহজলভ্য নয় এবং খরচ সাপেক্ষ। এই সব সমস্যার সমাধানে এই দশকের মধ্যেই বাজারে আসছে কৃত্রিম কিডনি। যা স্বাভাবিক কিডনির সব কাজ করতে সক্ষম।
    যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক এবং এই যন্ত্রের সহ-আবিষ্কারক শুভ রায় জানিয়েছেন, চলতি দশকের শেষ অথবা নয়া দশকের গোড়ায় বাজারে পাওয়া যাবে এটি। আমেরিকায় তৈরি এই যন্ত্র আপাতত সেদেশের কয়েক হাজার রোগীর দেহে পরীক্ষামূলকভাবে বসানো হয়েছে।
    শারীরিক সুরক্ষা ও সর্বাঙ্গীন সাফল্যের পরীক্ষায় পাস করলে তা বাজারে ছাড়ার অনুমতি দেবে মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রক এফডিএ।
    কীভাবে কাজ করে এটি? শুভ রায় জানিয়েছেন,যন্ত্রটি সহজের পেটের ভিতরে স্থাপন করা যায়। স্বাভাবিক কিডনির মতো রক্ত শোধন করা ছাড়াও হরমোন উত্পাদন ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।
    সাধারণ হিমোডায়ালিসিস প্রক্রিয়ার মতো রক্ত থেকে বিষাক্ত বর্জ্য বাদ দেওয়া ছাড়াও জীবন্ত কিডনি কোষ দিয়ে তৈরি বায়ো রিঅ্যাক্টর এবং সূক্ষ্ণ পর্দার মাধ্যমে রক্ত শোধনের কাজ নিখুঁতভাবে করতে পারে কৃত্রিম কিডনি।
    ডায়ালিসিস ছাড়াও ৬০ হাজারের বেশি মানুষ কিডনিতে পাথর এবং মূত্রাশয়ের চিকিত্সা করিয়েছেন। কৃত্রিম কিডনির সঠিক খরচের হিসাব এখনই না বললেও শুভ রায়ের দাবি, ডায়ালিসিস ও কিডনি প্রতিস্থাপনের চেয়ে অনেক কম খরচে বসানো যাবে কৃত্রিম কিডনি।
  • ইসলাম গ্রহণ করলেন ঘানার এমপি

    ইসলাম গ্রহণ করলেন ঘানার এমপি

    ইসলামধর্ম গ্রহণ করেছেন পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানার সংসদ সদস্য (এমপি) কেনেডি আগায়াপং। ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার পর নাম পরিবর্তন করে ‘শেইখ উসমান’ রেখেছেন তিনি।

     

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য মতে, আগায়াপং কিছুদিন পাকিস্তানে ছিলেন। সেখানে থেকেই মুসলিম বন্ধুদের সঙ্গে বসবাস করে সম্পূর্ণরূপে বিশ্বাস করেছেন, ইসলামধর্ম প্রকৃতপক্ষে শান্তির ধর্ম।

    আগায়াপং সংবাদমাধ্যমকে জানান, ২০১২ সালে তাকে গ্রেপ্তারের পর যখন কিছু মুসলিম যুবক দোয়া-প্রার্থনার মাধ্যমে তার মুক্তি কামনায় বিভিন্ন রকমের চেষ্টা করেছিলেন। তখনই মুসলমানদের প্রতি তার গভীর প্রেম বিকাশ পেয়েছিল। আর তখন তিনি ইসলামের প্রতি আরো গভীরভাবে আকৃষ্ট হন।

    এদিকে ২০১২ সালের ঘানা স্ট্যাটিকালিকাল সার্ভিসের আদমশুমারি অনুযায়ী ঘানাতে মুসলমানদের সংখ্যা ৪৫ শতাংশ। এসব মুসলিম স্থানীয় আকন জাতি ছাড়াও অন্য জাতি থেকে ইসলামে দীক্ষিত হয়েছেন।

    মুসলমানরা উত্তর ঘানাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ। কারণ ঘানায় ইসলামের আগমন হয় দশম শতাব্দীতে আর ১৫ তম শতাব্দীতে। খ্রিস্টধর্ম ঘানায় প্রবেশের অনেক আগেই দেশটিতে ইসলামের আলো ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু অন্যান্য আফ্রিকান দেশগুলোর মতো এখানে দেশ বিভাজনকারী জাতিগত সংঘাত তেমন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠেনি।

  • টানা ৬ ঘণ্টা ‘পাবজি’ খেলা কেড়ে নিল কিশোরের প্রাণ!

    টানা ৬ ঘণ্টা ‘পাবজি’ খেলা কেড়ে নিল কিশোরের প্রাণ!

    টানা ৬ ঘণ্টা ‘পাবজি’ খেলার পর ভারতের রাজস্থানের নাসিরবাদ শহরের ১৬ বছরের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

    ছেলেটির নাম ফারকান কুরেশি। মধ্যপ্রদেশে এক আত্মীয়ের বাড়িতে দাওয়াত খেতে গিয়ে এমন কাণ্ড ঘটিয়ে বসে দ্বাদশ শ্রেণীর এই শিক্ষার্থী।

    পুলিশ জানিয়েছে, খেলার মাঝে উত্তেজনা ধরে রাখতে পারেনি ফারকান। আর তার উত্তেজনা এমন চরম সীমায় পৌঁছে যায়, হার্ট অ্যাটাক হয়ে মৃত্যু হয় ফারকানের। হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ডাক্তার।

    ফারকানের চিকিৎসা করছিলেন কার্ডিওলজিস্ট অশোক জৈন। তিনি বলেন, তাকে যখন আমাদের কাছে নিয়ে আসা হয়েছিল, তখন ওর পাল্স কাজ করছিল না। গেম খেলার সময়ে অনেক ক্ষেত্রেই উত্তেজনা চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছে গেলে এরকম কাণ্ড ঘটে থাকে।
    বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় অনলাইন গেম প্লেয়ার আননোন’স ব্যাটলগ্রাউন্ডস (পাবজি)।

    এদিকে কয়েকদিন আগে গেমটি নিষিদ্ধ করেছে নেপাল। গেমটির সহিংস বিষয়বস্তু শিক্ষার্থীদের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে—এমন আশঙ্কা থেকেই মূলত গেমটিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে নেপালে।

  • বলিউড ও দক্ষিণী চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা গিরিশ কারনাড আর নেই

    বলিউড ও দক্ষিণী চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা গিরিশ কারনাড আর নেই

    বলিউড ও ভারতের দক্ষিণী চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা, নাট্যকার গিরিশ কারনাড (৮১) আর নেই। সোমবার ব্যাঙ্গালুরুতে নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়।

    কানাড়া ভাষায় অসংখ্য নাটক লিখেছেন তিনি। তাকে কানাড়া সাহিত্যের জনপ্রিয় নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার মৃত্যুতে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামী গভীর শোক প্রকাশ করে বলেছেন, ভারত তার একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বকে হারাল।

    শিল্পে অবদান রাখায় ১৯৭৪ মালে পদ্মশ্রী ও ১৯৯২ সালে পদ্মভূষণ পদকে ভূষিত হন গিরিশ কারনাড। সাহিত্য ও থিয়েটারের অবদান রাখায় তিনি ১৯৯৯ মালে ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।

  • প্লাস্টিক দূষণে হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য

    প্লাস্টিক দূষণে হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য

    পৃথিবীতে প্রতি মুহূর্তে কোনো না কোনো স্থানে ফেলে দেওয়া চিপসের প্যাকেট, কিংবা প্লাস্টিকের বোতল তার গন্তব্য হিসেবে খুঁজে নিচ্ছে সমুদ্রকে। তিলে তিলে নিঃশেষ করে দিচ্ছে সেই এলাকার জীবন আর প্রকৃতিকে। ভয়ানকভাবে ক্ষতির শিকার হচ্ছে সমুদ্রের তলদেশে থাকা জীবেরা। ২০১৫ সাল নাগাদ, পৃথিবীতে ৬.৩ বিলিয়ন প্লাস্টিক পণ্য তৈরি করা হয়েছে। ভয়ংকর হলেও সত্য যে, এর মাত্র ৯ শতাংশকে পুনরায় ব্যবহার করা হয়েছে, ১২ শতাংশ পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়েছে আর বাকি ৭৯ শতাংশই পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশে জমা আছে।

    জমা আছে বললে অনেকটাই ভুল হবে, ক্রমান্বয়ে এই প্লাস্টিক মানুষসহ সারা পৃথিবীর সব ধরনের প্রাণীর জন্য হয়ে উঠছে ক্ষতির কারণ। পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রান্তে পুঞ্জীভূত প্লাস্টিকের একটা বড় অংশ দিনশেষে জমা হচ্ছে সমুদ্রে। অপচনশীল প্লাস্টিক বছরের পর বছর সমুদ্রে ভাসতে থাকে। সামুদ্রিক প্রাণীর একটি বড় অংশ সাধারণত খাদ্যের জন্য সমুদ্রে ভাসমান ক্ষুদ্র প্রাণিকণা (জুপ্ল্যাঙ্কটন) এবং উদ্ভিদকণার (ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন) উপর নির্ভরশীল।

    তবে শুধু সমুদ্র নয়, যেকোনো জলাশয়ের জন্য এই ক্ষুদ্র প্রাণীদের ভূমিকা অপরিসীম। সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্যশৃংখলে প্রাথমিক খাদ্য উৎপাদক আর অক্সিজেন সরবরাহকারী হিসেবে এই প্ল্যাঙ্কটনদের ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিশ্ব জুড়ে ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের একটা বড় অংশ যখন সমুদ্রে ভেসে বেড়াচ্ছে, তখন তা বেশ ভয়ংকরভাবেই প্ল্যাঙ্কটন উৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করছে।

    সমুদ্রের নীল জলরাশির উপর কালো ছায়ার মতো বিশাল ক্ষেত্রফলজুড়ে প্লাস্টিক ছড়িয়ে আছে। এই বিপর্যয় যে কতটা ভয়াবহ হয় উঠছে, তা উপকূলীয় এলাকায় বেশ ভালোভাবে লক্ষ্য করা যায়। আর বিশাল এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই প্লাস্টিকের ফলে সামুদ্রিক প্রাণীদের খাদ্য সরবরাহের প্রথম ধাপটিই শিকার হয়েছে বাধার। তবে সমুদ্রে জমে থাকা প্লাস্টিকের ফলে সৃষ্ট সমস্যার তালিকা এখানেই শেষ হচ্ছে না।

    প্লাস্টিক সাধারণ যেকোনো দ্রব্যের মতো পচনশীল নয় কেন?
    সাধারণ যেকোনো দ্রব্য পরিবেশে রেখে দিলেই কিছুদিনের মধ্যে এর পচন শুরু হয়ে যায়। আর এই পচনের পেছনে দায়ী সাধারণত কিছু অণুজীব। পরিবেশে যতই কঠিন পদার্থ থাকুক না কেন, অণুজীবের হাত থেকে রেহাই নেই। বিবর্তনের ধারাবাহিকতায় প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবধরনের পদার্থকেই ভেঙে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করতে পারে অণুজীব। কিন্তু কৃত্রিমভাবে নির্মিত প্লাস্টিক অণুজীবের আওতার বাইরে।

    তাই সমুদ্রে জমা হওয়া প্লাস্টিক বছরের পর অবিকৃত অবস্থায় থেকে যায়। অণুজীব এদের ভেঙে সরল উপাদানে পরিণত করতে না পারায়, বিশ্বজুড়ে প্লাস্টিক উৎপাদন বাড়ার সাথে সাথে সমুদ্রে এদের পরিমাণ বেড়ে চলছে। তবে তাপ, চাপ সহ অন্যান্য পরিবেশগত কারণে বড় আকারের প্লাস্টিক ক্রমান্বয়ে পরিণত হচ্ছে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণিকায়, বৈজ্ঞানিক পরিমণ্ডলে যাদের নাম দেওয়া হয়েছে ‘Microplastic’। সাধারণ প্লাস্টিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি ক্ষতিকর এই মাইক্রোপ্লাস্টিক কণিকা।

    আকারে পাঁচ মিলিমিটার কিংবা তারও ছোট এই প্লাস্টিককণা সমুদ্রের নীল জলে উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। খালি চোখে এত ছোট প্লাস্টিক-কণিকা চোখে পড়ে না বলে গভীর সমুদ্রের পানি আমাদের বেশ পরিষ্কার মনে হয়, কিন্তু ব্যাপারটি মোটেই সেরকম নয়। ফ্রান্স আর অস্ট্রেলিয়ার উপকূল থেকে তিমিদের পরিপাকতন্ত্র থেকে প্রায় আটশত কেজির মতো প্লাস্টিক পাওয়া গেছে। প্ল্যাঙ্কটন সাইজের এই প্লাস্টিককণাকে সামুদ্রিক মাছেরা যে খাদ্য মনে করে ভুল করছে, সে ব্যাপারটি ইতোমধ্যে পরিষ্কার হয়ে গেছে গবেষকদের কাছে।

    খাদ্যের সাথে যদি এই মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা সামুদ্রিক প্রাণীর অভ্যন্তরে প্রবেশ করে, তাহলে তা এর পরিপাক ও প্রজননের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। ফলে প্রাণীটি ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় বিলুপ্তির দিকে। তবে শুধু গভীর সমুদ্রে বসবাসরত প্রাণীই নয় কাছিম, সিল কিংবা সামুদ্রিক পাখির মতো প্রাণীরাও আছে মারাত্মক ঝুঁকিতে। প্লাস্টিকের সাথে খাদ্যকে গুলিয়ে ফেলার প্রমাণ এদের মাঝেও। সামুদ্রিক কাছিমদের বেশিরভাগই প্লাস্টিক ব্যাগ এবং জেলিফিশের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না বলে গবেষকেরা প্রমাণ পেয়েছেন। ফলে প্লাস্টিককে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করার ফলে অবধারিতভাবেই সামুদ্রিক কাছিমের একটি বড় অংশ সরাসরিভাবে পলিথিন দূষণের শিকার।

    সামুদ্রিক পাখিও পলিথিন দূষণের শিকার
    সাম্প্রতিক এক গবেষণা অনুযায়ী, সামুদ্রিক পাখিদের প্রায় নব্বই শতাংশ সরাসরি প্লাস্টিক দূষণের শিকার। ষাটের দশক থেকেই সামুদ্রিক এবং উপকূলীয় পাখিদের উপর প্লাস্টিকের প্রভাব নিয়ে জরিপ চালানো হয়। ষাটের দশকে পরিমাণ ছিলো পাঁচ শতাংশেরও কম পাখির পাকস্থলীতে পাওয়া যেত প্লাস্টিক। আশি আর নব্বইয়ের দশকে শিল্প কারখানায় প্লাস্টিক উৎপাদন সহজলভ্য হওয়ার পাশাপাশি কপাল পুড়েছে পাখিদেরও। কিছু গবেষণা বলছে, পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি সামুদ্রিক পাখির পাকস্থলীতেই পাওয়া যায় প্লাস্টিক।

    পৃথিবীজুড়ে প্রতি ১১ বছরে প্লাস্টিক উৎপাদনের পরিমাণ দ্বিগুণ হচ্ছে। আর ক্রমবর্ধমান প্লাস্টিক ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট বর্জ্যের সবচেয়ে মারাত্মক শিকার এই পাখিরা। কারণ ১৯৬২ সালে বিভিন্ন প্রজাতির পাখিসহ ১৮৬ প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণীর উপর গবেষণা করে, তাদের পাকস্থলীতে বর্জ্যের পরিমাণ নিয়ে একটি তালিকা তৈরি করেছিলেন। নিয়মিত বিরতিতে বিভিন্ন সময় সেই গবেষণা পুনরাবৃত্তি করে দেখা গেছে অন্যান্য যেকোনো প্রাণীর তুলনায় পাখির পাকস্থলীতে বর্জ্যের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর তুলনায় পাখির আকার ছোট হওয়ায় গবেষণায় এমন ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে কিনা, এমনটাও প্রশ্ন থেকে যেতে পারে! পাশাপাশি পাখির পাকস্থলীতে মাত্রাতিরিক্ত প্লাস্টিককণিকার উপস্থিতির সম্ভাব্য কারণ হিসেবে পাখির বৈচিত্র্যময় খাদ্যাভ্যাস এবং কৌতূহলী আচরণের পাশাপাশি সমুদ্রে ভাসমান প্লাস্টিক বর্জ্যও যে দায়ী- সে ব্যাপারে পরিবেশবিদদের সন্দেহ নেই। তবে এর মধ্যে অ্যালবাট্রোসের মতো বড় সামুদ্রিক পাখিদের অবস্থা সবচেয়ে ভয়ংকর। সমুদ্র উপকূলে এই পাখিদের সংখ্যা ক্রমেই কমছে এবং পাখিদের শবদেহ বিশ্লেষণ করে পাওয়া তথ্য থেকে এটি পরিষ্কার যে, এই পাখিদের একটি বড় অংশ প্লাস্টিক দূষণের শিকার।

    তবে তিমি, হাঙর, কডফিশ কিংবা ম্যাকারেলের মতো বড় সামুদ্রিক প্রাণীদেরও রেহাই নেই। বড় ধরনের প্লাস্টিকের পাশাপাশি মাইক্রোপ্লাস্টিকের ভাণ্ডারে পরিণত হচ্ছে এই মাছেদের পরিপাকতন্ত্র।

    দুর্যোগের ঘনঘটা
    পৃথিবীজুড়ে প্লাস্টিক সহজলভ্য হয়ে যাওয়ার পর থেকেই প্লাস্টিক বর্জ্যে পরিত্যাগ নিয়ে বরাবরই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। কোমল পানীয় থেকে শুরু করে জীবন রক্ষাকারী ওষুধের বোতল তৈরি হচ্ছে প্লাস্টিক দিয়ে। শুধু ২০১৬ সালেই ১১০ বিলিয়ন প্লাস্টিক বোতল বানিয়েছে পৃথিবীর অন্যতম প্রধান কোমল পানীয় নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোকা-কোলা। আর এই বোতলের বেশিরভাগই উন্মুক্তভাবে পরিবেশে পরিত্যাগ করেছেন ভোক্তারা। তাই অনেক পরিবেশবিদের দাবি, এখনই যদি প্লাস্টিক বোতলের বিকল্প না চিন্তা করা যায় তবে মানবজাতির সামনে অপেক্ষা করছে ভয়াবহ এক দুর্যোগ।

    যৎসামান্য বায়োপ্লাস্টিক
    বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা করে আসছেন, কীভাবে পরিবেশে প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাবকে কমিয়ে আনা যায়। আর প্লাস্টিকের বিকল্প নিয়েও গবেষণাগারে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ চলছে। আবিষ্কৃত হয়েছে পরিবেশে পচনশীল বায়োপ্লাস্টিকও। কিন্তু সেই প্লাস্টিক উৎপাদনের খরচ অনেক বেশি হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে এই প্লাস্টিক ব্যবহার করা হচ্ছে না।

    ফলে পরিবেশের উপরও প্লাস্টিকজনিত বর্জ্যের চাপ কমছে না। তাই আগামী প্রজন্মের জন্য প্রকৃতিকে বাসযোগ্য করে যেতে হলে অবিলম্বে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে হবে, সমুদ্র কিংবা যেকোনো জলাশয় থেকে প্লাস্টিক অপসারণের ব্যবস্থা করতে হবে, বায়োপ্লাস্টিক উৎপাদনের খরচ কমিয়ে আনার চেষ্টা করতে হবে। অন্যথায় মানবজাতির জন্য অপেক্ষা করছে বিশাল এক দুর্যোগ।

  • টয়লেট ভেবে বিমানের দরজা খুলে ফেলল পাকিস্তানী নারী

    টয়লেট ভেবে বিমানের দরজা খুলে ফেলল পাকিস্তানী নারী

    বিমানবন্দরে অপেক্ষমান বিমানের ইমার্জেন্সি দরজা খুলে বিপত্তি ঘটালেন এক নারী যাত্রী। তার এ ভুলের কারণে ওই ফ্লাইট বাতিল করা হয়। সাত ঘণ্টা বিলম্বে প্রায় ৪০ জন যাত্রীকে পরবর্তী বিমানে করে তাদের গন্তব্যে পাঠানো হয়।

    শুক্রবার ম্যানচেস্টার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা পাকিস্তান এয়ারলাইন্সের (পিআইএ) ইসলামাবাদমুখী পিকে ৭০২ বিমানে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই নারী স্বীকার করেন, টয়লেট ভেবে তিনি এমার্জেন্সি দরজা ভুলে ফেলেছিলেন।

    এ ঘটনায় প্রায় ৪০ জন যাত্রী এবং তাদের মালপত্র বিমান থেকে সরিয়ে ফেলা হয় এবং বঞ্চিত বিমানযাত্রীদের জন্য পরিবহন ও হোটেলের ব্যবস্থা করা হয়। পরবর্তীতে তাদের পরবর্তী বিমানে ইসলামাবাদ পাঠানো হয়।

    পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের মুখপাত্রের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিমান উড্ডয়নের ঠিক কিছুক্ষণ পূর্বে এ ঘটনাটি ঘটে। পরে বিমান থেকে যাত্রী ও তাদের মালামাল সরিয়ে নেয়া এবং যাত্রীদের হোটেলে রাখার ব্যবস্থা করা হয়। প্রায় সাত বিলম্বে একটি বিমানযোগে যাত্রীদের ইসলামাবাদে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

    ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন পিআইএ প্রধান এয়ার মার্শাল আরশাদ মালিক। তদন্তের সময় ওই নারী যাত্রী স্বীকার করেন, তিনি টয়লেট ভেবে ইমার্জেন্সি দরজা খুলে ফেলেন।