Category: আন্তর্জাতিক

  • চীনের কনে, নেত্রকোনার বর

    চীনের কনে, নেত্রকোনার বর

    ভালোবাসার টানে মানুষ সাত সমুদ্র তের নদী পাড়ি দিতে পারে। তাই সুদূর চীন দেশ থেকে নেত্রকোনা কলমাকান্দায়ও আসতে পারে এমনটাই বলছিলেন বিয়ের দাওয়াতে আসা অতিথিরা।

    কলমাকান্দার গুতুরা বাজারে গতকাল রোববার এক বিবাহোত্তর বৌভাতের আয়োজন করা হয় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম আজাদের বাড়িতে। সম্প্রতি জসিম উদ্দিনের সঙ্গে চীনা নাগরিক ইবনাত মরিয়ম ফাইজার বিয়ে হয় দুবাইতে। ফাইজা চীনের হিলংজিয়া প্রদেশের মুদনঞ্জিয়া শহরের ওয়াং হুয়ানঝং ও পাং ইয়ুলিং দম্পতির সন্তান।

    চাকরিসূত্রে ফাইজা ও জসিমের পরিচয় দুবাইয়ের একটি শপিংমলে। ধীরে ধীরে তাদের পরিচয় রূপ নেয় ভালোবাসার সম্পর্কে। মাঝে তিনবছর চাকরির প্রয়োজনেই দুজন দুই দেশে চলে যান। হৃদয়ের টান তাদেরকে আলাদা করতে পারেনি। একপর্যায়ে আবারও দুজন দুবাইয়ে দেখা করে গাটছাড়া বাঁধেন।

    ফাইজা আগে খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারী থাকলেও বিয়ের পূর্বে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। বর জসিম উদ্দিন জানান, তাকে ভালোবাসার পর ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী বিয়ে করেছি। আমরা সুখে শান্তিতে থাকতে সকলের দোয়া চাই।

  • নিজেরাই মসজিদ ধ্বংস করল শ্রীলঙ্কার মুসলিমরা

    নিজেরাই মসজিদ ধ্বংস করল শ্রীলঙ্কার মুসলিমরা

    নিজেরাই একটি মসজিদ ধ্বংস করলেন শ্রীলঙ্কার মুসলিমরা। দেশটিতে ইস্টার সানডেতে হামলার ঘটনার পর থেকেই সেখানকার মুসলিমদের বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। অমুসলিমরা মুসলিমদের সন্ত্রাসী হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন।

    ইস্টার সানডে উদযাপনের সময় বেশ কয়েকটি গির্জা ও বিলাসবহুল হোটেলে আত্মঘাতী হামলার ঘটনায় প্রায় ২৫০ জন নিহত হয়। ওই হামলার জন্য একটি মুসলিম মৌলবাদী গোষ্ঠীকে দায়ী করা হচ্ছে। এরপর থেকেই বেশ চাপের মুখে রয়েছেন সেখানকার মুসলিমরা।

    পুরো রমজান মাস জুড়ে মুসলিমরা যখন রোজা পালন করেছেন তখন উগ্রবাদীদের কাছ থেকে দূরে থাকার জন্য শ্রীলংকার মুসলিমদের ছোট একটি গ্রুপ একটি ভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। তারা সংঘাত এড়াতে একটি মসজিদ ধ্বংস করেছে।

    মাদাতুগামার প্রধান মসজিদের একজন ট্রাস্টি আকবর খান। সেখানকার মুসলিমরা এটা কেন করল সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।

    আকবর খান বলেন, ইস্টার সানডের হামলার পর পুলিশ কয়েক দফা তল্লাশি চালিয়েছে এই মসজিদে। এতে মানুষ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। মুসলিমদের প্রতি অন্য সম্প্রদায়গুলোর অবিশ্বাস বেড়ে গেছে।

    যে মসজিদটি ধ্বংস করা হয়েছে সেটিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ন্যাশনাল তাওহীদ জামাতের (এনটিজে) সদস্যরা বেশি যাতায়াত করতো বলে মনে করা হয়। পরে ওই মসজিদটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

    মাদাতুগামার ওই মসজিদটি ঐতিহাসিক, ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক কোন কারণেই খুব বেশি উল্লেখযোগ্য নয়। আকবর খান বলেন, আমাদের শহরে অন্য যে মসজিদ আছে সেটি মুসলিম পরিবারগুলোর জন্য যথেষ্ট। কয়েক বছর আগে অন্য একটি গোষ্ঠী প্রশ্নবিদ্ধ মসজিদটি নির্মাণ করে।

    পরে মে মাসে পুরনো মসজিদের সদস্যরা একটি সভায় মিলিত হয়ে সর্বসম্মত হয়ে বিতর্কিত মসজিদটি ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে স্থানীয়রা সেটি ধ্বংস করে। তিনি বলেন, মিনার, নামাজ কক্ষ ধ্বংস করে ভবনটি পুরনো মালিকের হাতে দিয়ে দেয়া হয়েছে।

    শ্রীলংকায় ৭০ ভাগ মানুষ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। আর মুসলিম আছে দশ ভাগের মতো। মসজিদ ধ্বংস করে ফেলার সিদ্ধান্ত সবাই ভালোভাবে নেয়নি। শ্রীলংকায় মুসলিমদের সর্বোচ্চ তাত্ত্বিক কর্তৃপক্ষ অল সিলন জামিয়াতুল উলামা বলছে, প্রার্থনার জায়গার ক্ষতি করা উচিত নয়।

    এক বিবৃতিতে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মসজিদ আল্লাহর ঘর। এর ধ্বংস বা ক্ষতি করা ইসলামী চেতনার পরিপন্থী। শ্রীলংকা সরকার বলছে, দেশটিতে প্রায় ২ হাজার ৫৯৬টি রেজিস্টার্ড মসজিদ আছে।

    শ্রীলংকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আ রামিজ বলেন, মসজিদ ধ্বংসের পন্থা বেছে নিলে এমন শত শত মসজিদ ধ্বংস করতে হবে।

    তার ধারণা, দশ থেকে পনের শতাংশ মসজিদ উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো চালায়। কারণ গত দু’দশকে বেশ কিছু গোষ্ঠী ওয়াহাবী মতাদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছে।

    তিনি বলেন, অনেকদিন ধরেই শ্রীলংকার মুসলিমরা উগ্রবাদীদের সহ্য করে আসছিল। কিন্তু তারা চুপ থাকায় উগ্রবাদীরা শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।

    দেশটির মুসলিমরা সবদিক থেকেই বেশ চাপের মধ্যে আছে। ওই ঘটনার পর বহু জায়গায় মুসলিমদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে।

    ড. রামিজ বলেন, তিনি নিজেও হেনস্থার শিকার হয়েছেন। অপরদিকে, রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই একজন বৌদ্ধ ভিক্ষু সরকার থেকে মুসলিম মন্ত্রীদের সরিয়ে নেয়ার দাবিতে অনশনের ডাক দিয়েছেন।

    তবে মসজিদ ধ্বংসের পর মাদাতুগামায় কিছু পরিবর্তন দেখা গেছে। সেখানকার মুসলিমদের এখন কম ক্ষোভের শিকার হতে হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সিংহলি ও তামিলরা মুসলিমদের প্রতিবেশী হিসেবে সম্পৃক্ত করছে ফলে উত্তেজনাও কমছে।

  • ‘আহত বাঘ কিন্তু বেশি ভয়ঙ্কর’, বললেন মমতা

    ‘আহত বাঘ কিন্তু বেশি ভয়ঙ্কর’, বললেন মমতা

    আমার সরকার ভাঙার চক্রান্ত করা হচ্ছে’’, বিজেপির দিকে ইঙ্গিত করেই গুরুতর অভিযোগ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে মমতার তাৎপর্যপূর্ণ হুঁশিয়ারি, ‘‘আহত বাঘ কিন্তু বেশি ভয়ঙ্কর’’। সোমবার (১০ জুন) প্রশাসনিক বৈঠক শেষে সাংবাদ সম্মেলনে মমতা বলেন, ‘‘আমার সরকার ভাঙার চক্রান্ত করে যদি বিজেপির লোকেরা মনে করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ বন্ধ করবেন, তাহলে মনে রাখবেন, আহত বাঘ কিন্তু বেশি ভয়ঙ্কর…।’’ পাশাপাশি সাম্প্রতিক গোলযোগেরও পেছনে ‘চক্রান্ত’ রয়েছে বলেও দাবি তৃণমূল সুপ্রিমোর।

    বাংলায় লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির অভূতপূর্ব সাফল্যের পরই মুকুল রায়, কৈলাশ বিজয়বর্গীয়ের হাত ধরে তৃণমূলে ‘ভাঙন’ ধরেছে। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের একঝাঁক কাউন্সিলর ‘নজিরবিহীন’ভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। সেইসঙ্গে মুকুল রায়দের হুমকি, ‘‘এরপর (তৃণমূল) বিধায়কদের লাইন পড়ে যাবে (বিজেপিতে)।’’ অর্জুন সিং-এর পর বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলামও পদ্ম শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। এছাড়া, সৌমিত্র খান, অনুপম হাজরাদের মতো সাংসদরা তো আগেই পদ্ম পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে কৈলাশ বিজয়বর্গীয়দের হুমকি, এ সরকার আর বেশি দিন নেই। ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনই এখন কার্যত পাখির চোখ বিজেপি নেতৃত্বের। এই নির্বাচনে মমতা সরকারকে সরাতে মরিয়া গেরুয়াবাহিনী। এই পরিস্থিতিতে মমতার মুখে এদিনের হুঁশিয়ারি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    বিজেপিকে নিশানা করে মমতা আরও বলেন, ‘‘ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে ভুয়ো খবর রটানো হচ্ছে। অনেক খেলা হয়েছে। এখন অ্যাডভাইজরি পাঠানো হচ্ছে। গণতন্ত্র বিক্রি হয় না। কোনওরকম ষড়যন্ত্রের কাছে মাথা নত করবে না বাংলা। সবাইকে বলছি, শান্তি বজায় রাখুন।’’ লোকসভা ভোটের ফলের প্রসঙ্গ টেনে মমতা ফের বলেন, ‘‘সিপিএমের সব ভোট কী করে বিজেপিতে গেল? এটা হয় কখনও? সবটাই গেমপ্ল্যান হচ্ছে। যত দিন যাবে বিজেপির মুখোশ খুলে যাবে।’’

    এদিন ২০০৯ সালের পরিস্থিতির তুলনা টেনে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ‘‘২০০৯ সালের পরিস্থিতি আর এখনকার পরিস্থিতি আলাদা। ২০০৯ সালে ২৬টি আসন পেয়েও আমরা কিছু করিনি।’’ উল্লেখ্য, সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের ঢেউয়েই বাংলায় ৩৪ বছরের বাম দুর্গকে টলিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ সালে বিধানসভা ভোটের আগে ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় তৃণমূলের উত্থান ঘটেছিল। সেই পরিস্থিতির সঙ্গেই এবার উনিশের নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির উত্থান ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের তুলনা টানছেন অনেকে। আর তাই মমতার এদিনের এমন মন্তব্যও রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে।

  • পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট জারদারি গ্রেফতার

    পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট জারদারি গ্রেফতার

    ভুয়া ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের মামলায় পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও পাকিস্তান পিপলস পার্টির সহ সভাপতি আসিফ আলি জারদারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সোমবার তার নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করে দেশটির দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি দল।

    এনডিটিভির খবর, সোমবার পাকিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিবিলিটি ব্যুরো। এই মামলায় আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন আসিফ আলি জারদারি এবং তার বোন ফারিয়াল তালপুর। সেই আবেদন খারিজ করে দেয় ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। এরপর পাকিস্তান পিপলস পার্টির সহসভাপতির এফ-৮ সেক্টরে বাড়িতে যায় দুর্নীতি দমন শাখার একটি দল।

    যদিও তার বোন ফারিয়ান তালপুরকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই।

  • কানাডায় আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা ২৯ আগস্ট

    কানাডায় আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা ২৯ আগস্ট

    হেফজ বিভাগে মোট ৪টি স্তরে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আর তাহলো-
    >> ৫ পারা হেফজ কুরআন প্রতিযোগিতা।
    >> ১০ পারা হেফজ কুরআন প্রতিযোগিতা।
    >> ২০ পারা ৫ হেফজ কুরআন প্রতিযোগিতা। এবং
    >> পুরো ৩০ পারা হেফজ কুরআন প্রতিযোগিতা।

    কানাডার টরোন্টো শহরের আবু হুরায়রা সেন্টারে (The Abu Huraira Center) আগামী ২৯ আগস্ট শুরু হয়ে ৩১ আগস্ট চলবে এ প্রতিযোগিতা।

    গতবছর (২০১৮) ডিসেম্বর মাসে এ প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৬ জন প্রতিযোগি অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণদের মাঝে ৯০ হাজার ডলার পুরস্কার হিসেবে বিতরণ করা।

    কানাডায় কুরআনের এ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। প্রতিযোগিতার ফলে ইসলাম ও কুরআনের দিকে আগ্রহী হবে মানুষ। সঠিক পথ লাভ করবে। কুরআনের সূরধারা মানুষকে ইসলামের আলোকিত জীবনে দিকে নিয়ে আসবে।

  • মেড ইন চায়না নয় মেড ইন বাংলাদেশের যুগ

    মেড ইন চায়না নয় মেড ইন বাংলাদেশের যুগ

    যখন চীনা ব্যবসায়ী লিও ঝুয়াং লিফেং ২২ বছর আগে প্রথম বাংলাদেশে এসেছিলেন তখন এই দেশের চিত্র ছিল ভিন্ন। এই ২২ বছরে অনেক কিছুই বদলে গেছে। সে সময় বিমানবন্দরের সেবাও খুব বেশি উন্নত ছিল না। এমনকি লাইটও ঠিকমতো কাজ করছিল না।

    লিও ঝুয়াং লিফেংয়ের বয়স এখন ৫১ বছর। তিনি ১৯৯৭ সালে গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি দেয়ার জন্য ঢাকায় আসেন। সে সময় শ্রম খরচ কম ও পর্যাপ্ত শ্রমিকের সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসায় শুরু করেন তিনি।

    ঝুয়াং বলেন, সে সময় ঢাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অভাব ছিল। এমনকি ইন্সট্যান্ট নুডলস কেনাটাও এতো সহজ ছিল না। বর্তমানে তার এলডিসি গ্রুপে কাজ করেন প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে আমূল পরিবর্তন এসেছে।

    ঝুয়াংয়ের কারখানাটি এত বড় যে তা দেখতে একটি গ্রামের মতো লাগে। সেখানে স্টাফ ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য বিনা পয়সায় সেবা দিতে মেডিকেল সেন্টার রয়েছে। এমনকি শিশুদের জন্য ডে কেয়ার সেন্টারেরও ব্যবস্থা রয়েছে।

    বাংলাদেশের অনেক স্থানেই এখন এমন ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে চীন এবং অন্য দেশের বিনিয়োগকারীরা এখানে আসা অব্যাহত রেখেছেন। এসব বিনিয়োগ এখন এই দেশকে উৎপাদনের ‘পাওয়ার হাউজে’ পরিণত করেছে।

    এখানে ৩৫ লাখ শ্রমিক স্থানীয় ও ইউনিকলো, এইচঅ্যান্ডএমের মতো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের পোশাক তৈরি করছে। মাইকেল কোরসের মতো বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের পোশাকও এখন বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে। চীনে মজুরি বেড়ে যাওয়ায় অনেক পোশাক প্রস্তুতকারকই আগামীতে ‘মেড ইন চায়নার পরিবর্তে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগ ব্যবহার করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    ঝুয়াং এখন বাংলাদেশে চাইনিজ এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট। তিনি যখন প্রথম বাংলাদেশে পা রাখেন তখন মাত্র ২০ থেকে ৩০টি চীনা কোম্পানি এদেশে কাজ করতো। তা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪শ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করা বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অপেক্ষাকৃত তরুণ দেশ। কিন্তু তারা দ্রুত উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    চীনা ঋণ বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে। প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশের গড় প্রবৃদ্ধির হার শতকরা ৬ ভাগ। কিন্তু চলতি বছর তা ৮ দশমিক ১৩ ভাগ অর্জিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদি তা অর্জিত হয় তবে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে বর্ধিষ্ণু অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ হবে অন্যতম।

    সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্রুত এবং স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের সক্ষমতা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের। এতে অনেকেরই চোখ কপালে উঠেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ বলেছেন, অর্থনীতি শক্তিশালী থাকার কারণে এই ঋণ মোকাবিলা করতে সক্ষম বাংলাদেশ। তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ এখন অন্য কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হতে চায় না।

    হং কং এবং চীনের অনেক উদ্যোক্তার মতো এদেশে কারখানা গড়ে তুলেছেন চীনা ব্যবসায়ী ফেলিক্স চ্যাং ইয়োই-চোং। শ্রম খরচ বেড়ে যাওয়ায় ১০ বছর আগে নিজের দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে আসেন তিনি। তার মতো আরো অনেকে একই কাজ করছেন। তিনি বলেন, আমাকে এশিয়ার যে কোনো স্থানে কারখানা সরিয়ে নিতে হয়েছিল। এটা শুধু বেতনের কারণে নয়, আমাদের দেশে শ্রমিকদের যে সামাজিক কল্যাণমূলক সুবিধা দেয়ার কথা তার মূল্যও অনেক বেড়ে যাচ্ছিল।

    অনেকেই চীনে তাদের ব্যবসা গুটিয়ে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করেছেন। এটা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য যথেষ্ট ইতিবাচক। এক দশক আগে চীনের শেনঝেন, গুয়াংঝৌউ এবং কুনমিংয়ের মতো শহরে কারখানা ছিল ফেলিক্স চ্যাং ইয়োই চোংয়ের। তিনি গুয়াংঝৌউয়ের কারখানা বন্ধ করে দিয়েছেন। এছাড়া অন্য কারখানাগুলোও সীমিত করা হয়েছে। বর্তমানে তার কোম্পানিতে যে পরিমাণ পরচুলা উৎপাদন হয় তার শতকরা ৯৩ ভাগই হয় বাংলাদেশে।

  • পটুয়াখালীর সন্তান জাহিদের বিশ্ব জয়ের গল্প

    পটুয়াখালীর সন্তান জাহিদের বিশ্ব জয়ের গল্প

    নিউজ ডেস্ক :: পটুয়াখালীর ছেলে প্রযুক্তি প্রকৌশলী জাহিদ সবুর। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে জয় করলেন বিশ্বকে। তিনি হলেন গুগলের প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার। গত ২ মে তিনি পদোন্নতি পান।

    ২০০৭ সালে গুগলের ব্যাক অ্যান্ড সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পে ভারতের বেঙ্গালুরু অফিসে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন জাহিদ। ছয় মাস পর গুগলের ক্যালিফোর্নিয়ার অফিসে যোগদান করেন তিনি।

    বিশ্বে গুগলের লক্ষাধিক কর্মীর মধ্যে ২৫০ জন প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার কর্মরত রয়েছেন। যাদের মধ্যে জাহিদ সবুর একজন।

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে মেধা আর পরিশ্রমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে সেরাদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন জাহিদ সবুর। যোগ্যতার মানদণ্ডে বাঙালিরাও যে পিছিয়ে নেই তারই প্রমাণ গুগলের প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার (ডিরেক্টর) পদে সদ্য পদোন্নতি পাওয়া এই বাংলাদেশি।

    জাহিদ সবুরের পিতা পটুয়াখালীর বাসিন্দা ড. মো. শাহজাহান সৌদি আরবে কিং ফয়সাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন। সেই সূত্রে জাহিদের শৈশব কেটেছে সৌদি আরব। মা লুৎফুন্নেসা বেগম দেশ ছাড়ার আগে পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ পদে কর্মরত ছিলেন। সৌদি আরব থেকে সাত বছর বয়সে দেশে ফিরে ঢাকায় অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করেন জাহিদ।

    ছোটবেলা থেকে শুধু পড়ালেখার মধ্যেই নিজেকে আটকে রাখেননি জাহিদ সবুর। স্কুলের বিজ্ঞান মেলায় অংশ নেওয়া, ব্যাডমিন্টন খেলা, বোনের সংগ্রহের বাংলা বই পড়া আর বন্ধুদের সঙ্গেও দারুণ সময় কাটিয়ে উপভোগ করেছেন শিক্ষাজীবনকে।

    মাধ্যমিকের সাদামাটা রেজাল্টের পরও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আগে উদ্যোক্তাও হতে চেয়েছিলেন জাহিদ সবুর। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে নিরলস পরিশ্রম করে গেছেন।

    আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) থেকে সর্বোচ্চ সিজিপিএ নিয়ে স্নাতক পাস করেন জাহিদ। পেয়েছেন প্রায় সব একাডেমিক সম্মাননা। জাহিদ সবুর দ্বিতীয় সেমিস্টার থেকেই ফুল স্কলারশিপে পড়ে ধারাবাহিকভাবে নিজের মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে এসেই কম্পিউটারের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ আর সিস্টেম ডিজাইন এসবের হাতেখড়ি। কোনো কিছু সৃষ্টির যে অপার আনন্দ, তা পুরোপুরিই উপভোগ করেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন এবং পুরস্কারও জিতেছেন।

    পড়াশোনা শেষ করে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন করতে জিআরইও দিয়েছিলেন তিনি। আমেরিকার সেরা ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টিতে আবেদন করে চারটিতে ডাক পান ফুল ফান্ডিংসহ স্কলারশিপের জন্য। কিন্তু সে মুহূর্তে গুগলে কাজ করার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি বলে ঢুকে পড়েন কর্মক্ষেত্রে। গুগলে কাজ শুরু করেন তৃতীয় গ্রেডে। অথচ এখন অষ্টম গ্রেডে জায়গা করে নিয়েছেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি ভারতে কাজ করেছেন গুগলের ব্যাক অ্যান্ডের একটি প্রতিষ্ঠানে সিস্টেম ডেভেলপার হিসেবে। এর ছয় মাস পর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগলের সদর দপ্তরে। এখন কাজ করছেন গুগলের জুরিখ দপ্তরে।

    জাহিদ সবুরের সাফল্য থেকে বর্তমান তরুণরা শিক্ষা নিতে পারে, সাফল্যের জন্য সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধার দরকার নেই বরং অধ্যবসায় আর পরিশ্রমই পারে লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে। প্রযুক্তি খাতে জাহিদ সবুরের এই সাফল্য লক্ষ তরুণকে আগামীর পথ দেখাবে। দেশ যাবে এগিয়ে।

  • নয় বছরের ছোট সালমান খানের মা!

    নয় বছরের ছোট সালমান খানের মা!

    অনলাইন ডেস্ক :: কী অবাক কাণ্ড। ছেলের চেয়ে নয় বছরের ছোট মা! এও আবার হয় নাকি। মায়ের আগে কী করে সন্তানের জন্ম হয়! শিরোনাম শুনে যারা এমনটা ভেবে চোখ কপালে তুলে ভিড়মি খাচ্ছেন তাদের জন্য বলা সিনেমায় সবই হয়।

    হয়েছেও। বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের মা হিসেবে পাওয়া গেল তার চেয়ে ৯ বছরের ছোট অভিনেত্রীকে।

    ওই অভিনেত্রীর নাম সোনালি কুলকার্নি। তার বয়স ৪৪। তিনিই রুপালি পর্দায় ৫৩ বছরের অভিনেতা সালমান খানের মা হয়েছেন। ব্যাপারটা বেশ উপভোগ করছেন বলিউডপ্রেমীরা।

    সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত আলি আব্বাস জাফর পরিচালিত ‘ভারত’ ছবিতেই এমনটা হয়েছে। এ ছবিতে সালমানের মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সোনালি। দর্শকরা প্রতিক্রিয়ায় অবশ্য অভিনেত্রীর বেশ প্রশংসাই করছেন। সালমানের মা হিসেবে তাকে বেশ মানিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তারা।

    তবে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে এটাই প্রথমবার নয়। ২০০০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মিশন কাশ্মীর’ ছবিতে হৃত্বিক রোশনের মায়ের ভূমিকায়ও দেখা গিয়েছিল সোনালিকে। ফলে নায়কদের অনস্ক্রিন মা হওয়া এক রকম অভ্যাস হয়ে গেছে নায়কদের সমবয়সী এই অভিনেত্রীর।

    এ প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সোনালি বলেন, “প্রথম যখন ‘ভারত’ ছবিতে সালমানের মা হওয়ার প্রস্তাব পেয়েছিলাম ভেবেছিলাম এই চরিত্রের মান রাখতে পারব তো? কিন্তু আলির সঙ্গে দেখা হওয়ার পর সব সংশয় কেটে যায়। যেহেতু সালমানের তরুণ এবং বৃদ্ধ বয়স দেখানো হয়েছে পর্দায়, তাই আলি চেয়েছিল একজন অভিনেত্রীই হিরোর সব বয়সেরই মায়ের চরিত্র করবেন।

    আমি সালমানের সঙ্গে আগে কখনও কাজ করিনি। কেমন লুকস হবে, সেটা নিয়েও টেনশন ছিল। কিন্তু এত ভালো টিমওয়ার্ক, এত ভালো রিসার্চ- দর্শকের প্রশংসা শুনেই বুঝতে পারছি কাজটা ভালো হয়েছে।’

    এদিকে মুক্তির চতুর্থ দিনই ‘ভারত’ ছুঁয়ে ফেলেছে ১০০ কোটির বেঞ্চমার্ক। ড্রামা, অ্যাকশন, ইমোশন, কমেডি- প্রায় সব কিছুই এ ছবির কোনো না কোনো অংশে ধরতে চেষ্টা করেছেন সালমান।

  • জেলখানায় পবিত্র কোরআন মুখস্থ করলেই কারামুক্তি

    জেলখানায় পবিত্র কোরআন মুখস্থ করলেই কারামুক্তি

    অনলাইন ডেস্ক : যেসব বন্দিরা জেলখানায় পবিত্র কোরআন মুখস্থ করবে, তাদেরকে জেল থেকে মুক্তি দেয়া হবে। আলজেরিয়ার কারা অধিদফতর এই ঘোষনা দিয়েছে। খবর আল আরবিয়া। এদিকে ‘কারা বন্দিদের ধর্মীয় নির্দেশনা’ শীর্ষক সেমিনারে দেশটির কারা অধিদপ্তরের প্রধান মুখতার ফালিউন এ ঘোষণা দেন।

    এ ব্যাপারে মুখতার ফালিউন বলেন, ‘কোরআন হেফজের প্রতি উৎসাহিত করতে আমাদের এই উদ্যোগ। যে সব বন্দি পবিত্র কোরআন হেফজ করবে, তাদেরকে জেল থেকে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া শেষে মুক্তি দেয়া হবে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘যারা কারাগারে পবিত্র কোরআন হেফজ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করবে এবং নিজেদের সংশোধন করবে তারা এ সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া যে সব বন্দি মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে এবং যারা নির্দিষ্ট দক্ষতার মাধ্যমে নিজেদেরকে গড়ে তুলবে- তারাও বিশেষ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।’

    এদিকে আলজেরিয়ার কারা অধিদফতর ইতোমধ্যে কারাবন্দীদের ধর্মীয় প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য ৪২২ জন ধর্ম প্রশিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে। তাদের কাছে ধর্মীয় নানা বিধানসহ কোরআন শেখার সুযোগ পাচ্ছেন কারাবন্দিরা।

  • এবার গুগল নিজেই হুয়াওয়ের নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিতে অনুরোধ করেছে।

    এবার গুগল নিজেই হুয়াওয়ের নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিতে অনুরোধ করেছে।

    অনলাইন ডেস্কঃ

    এবার গুগল নিজেই হুয়াওয়ের নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিতে অনুরোধ করেছে। মার্কিন প্রশাসন দেশটিতে হুয়াওয়েকে যে কালো তালিকাভুক্ত করে তাদের ব্যবসাকে অনেকটা গুটিয়ে নিতে বাধ্য করেছে সেটাও খুব সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি বলে মনে করছে সার্চ জায়ান্ট গুগল। বিষয়গুলো নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেছে গুগল। মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি প্রশাসনকে অনুরোধ করেছে, হুয়াওয়েকে যেন নিষিদ্ধ করা না হয়। যদি তাই হয় তবে গুগলের প্রযুক্তি ব্যবসাতেও তার বড় ধরনের আঁচ লাগতে পারে। এমনকি সেটিই জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকী হতে পারে। শুক্রবার এআরএস টেকনিকা নামের মাধ্যম এমন খবর দিয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদ সস্থা আইএএনএস। গুগল মার্কিন সরকারকে এটা বোঝাতে চায় যে, যদি হুয়াওয়েকে নিষিদ্ধ করা হয় তবে তারা যে অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করবে তাতে করে বরং মার্কিন একটি কোম্পানির অপারেটিং সিস্টেমের একচেটিয়াত্বের ইতি ঘটতে পারে। যা মার্কিন প্রসাশনের জন্যও খুব একটা ভালো হবে না বলে বলছে গুগল। খবরে বলা হচ্ছে, গুগল চাইছে হুয়াওয়ে যেন তাদের অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েডের ওপরেই নির্ভরশীল থাকে। সেটাই মার্কিন প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো হবে। যেহেতু এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি স্মার্টফোন তৈরির দেশ হিসেবে পরিচিত চীন, তাই তারা তাদের ব্র্যান্ডগুলোতে আন্তর্জাতিক এবং চীনা অ্যাপ ব্যবহারের সংস্করণ রাখে। যেটাতে এক সংস্করণে শুধু আন্তর্জাতিক অ্যাপ, অন্যটায় বেইজিং কেন্দ্রিক অ্যাপ থাকে। সার্চ জায়ান্টটি যুক্তরাষ্ট্র প্রসাশনকে বলেছে, অ্যান্ড্রয়েড এমন কিছু লেবেলে ডিভাইসের জন্য সিকিউরিটি আপডেট দেয় সেখানে যদি এমন অবস্থা চলতে থাকে তবে ব্যবসায়ীক চুক্তি ভেঙে যাবে। ফলে অনেক ডিভাইস সেই আপডেট থেকে বঞ্চিত হবে। এর আগে গত ১৫ মে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্ত করার আদেশ দেয়। পরে গুগলের সঙ্গে ব্যবসায়ীক চুক্তি বাতিল হয়ে যায়। ফলে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারের উপর কিছুটা কড়াকড়ি আসে। সেই সময়ের মধ্যেই অবশ্য হুয়াওয়ে নিজেদের নতুন অপারেটিং সিস্টেম আনার ঘোষণা দেয়।