Category: আবহাওয়া

  • বরিশালে শিলা বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

    বরিশালে শিলা বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

    অনলাইন ডেস্ক :: ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী দমকা ও ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

    আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা ও ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, রাজশাহী, পাবনা, ফরিদপুর, মাদারিপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চল সমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

    ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬ টা ৩ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৬টা ১৬ মিনিটে।

  • বরিশালসহ চার বিভাগে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা

    বরিশালসহ চার বিভাগে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা

    লঘুচাপের কারণে ঢাকাসহ দেশের চার বিভাগে হালকা বা গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    শনিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) ও রোববার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল ঢাকা, খুলনা,  ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু জায়গায় এই বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া সংস্থাটি।

    পূর্বাভাসে বলা হয়, সারাদেশে আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলাসহ আকাশ প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

    তবে খুলনা, বরিশাল, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    আগামী তিন দিনে আবহাওয়ার এই অবস্থায় সামান্য পরিবর্তন হতে পারে বলেও পূর্বাভাসে বলা হয়।

    আর শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

    এদিকে, রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে।

    সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

    সকাল ৬টা পর্যন্ত তেতুলিয়া দেশের সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

    আর রংপুরে ১০, ঢাকায় ১৭.৫, ময়মনসিংহে ১৩.৫, চট্টগ্রামে ১৫.৫, সিলেটে ১৩.৫, রাজশাহীতে ১২.৫, খুলনা ১৭ এবং বরিশালে ১৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল সকাল ৬টা পর্যন্ত।

    আবহাওয়াবিদ শাহিনুল ইসলাম জানান, ৮-৯ জানুয়ারি বৃষ্টির সময় শীত একটু অনুভূত হবে বেশি। আর ১১-১২ ফেব্রুয়ারি উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে। তবে ১৫ জানুযারি থেকে তাপমাত্রা বাড়বে।

  • বৃষ্টি শেষ হওয়ার পরপরই শুরু শৈত্যপ্রবাহ

    বৃষ্টি শেষ হওয়ার পরপরই শুরু শৈত্যপ্রবাহ

    দেশের একটি অঞ্চল বাদে শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) সারাদেশেই বৃষ্টি হয়েছে। শনিবারও (৪ ডিসেম্বর) সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে। দিনের বাকি সময়েও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে আগামীকাল রোববার থেকে বৃষ্টি প্রায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আর বৃষ্টি শেষ হওয়ার পরপরই দেশে শুরু হতে পারে শৈত্যপ্রবাহ।

    শনিবার (৪ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদফতর ও আবহাওয়াবিদরা এসব তথ্য জানিয়েছেন। আবহাওয়া অফিসের সকালের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় হালকা ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী তিন দিনে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

    আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ সাংবাদিকদের জানান,‘আজকেই বৃষ্টি অনেকটা কমে যাবে। চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা ও সিলেটের কিছু অঞ্চলে আজ বৃষ্টি হতে পারে। বাদবাকি অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব কম। হলেও সামান্য। কাল থেকে মোটামুটি ড্রাইয়ের (বৃষ্টি না হওয়ার) দিকে চলে যেতে পারে। আমরা আজকেই বলেছি, ১ থেকে ৩ ডিগ্রি রাতের তাপমাত্রা কমে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে থাকবে। এভাবে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হবে দেশে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে আরও দুই থেকে তিন দিন লাগবে। এর মধ্যে দেশের কোনো কোনো জায়গায় শৈত্যপ্রবাহ চলে আসবে। প্রথমে মৃদু আকারে তারপরে ধীরে ধীরে এর মাত্রা আরও বাড়তে পারে। শৈত্যপ্রবাহ আসার পর তাপমাত্রা ওঠা-নামার মধ্যে থাকবে কয়েক দিন।’

    আবহাওয়া অফিস আরও বলছে, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।

    উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

    দেশে আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দিনাজপুরে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২ দশমিক ৫ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • বরিশালে বৃষ্টি, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

    বরিশালে বৃষ্টি, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

    বরিশালে শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) ভোর থেকে শুরু হয়েছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন জীবিকার টানে ঘর থেকে বের হওয়া সাধারণ মানুষ।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার উজিরপুর, বানারীপাড়া, বাবুগঞ্জ, বাকেরগঞ্জ, ও সদর উপজেলার সব স্থানেই বৃষ্টি হচ্ছে। পৌষের মাঝামাঝি সময়ে এমন বৃষ্টি শীতের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

    এমনিতেই ছুটির দিন, এর ওপর বৃষ্টি! যে কারণে শুক্রবার সকালে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষের সংখ্যা ছিল খুবই কম। সকাল সোয়া ৯টার পর্যন্ত জেলা সদরের ব্যস্ত রাস্তায়ও অন্য দিনের থেকে কম ছিল সব ধরনের যানবাহনের সংখ্যা।

    কাকলির মোড় থাকা একাধিক রিকশা ও অটোচালকরা বরিশালটাইমসকে জানান, সকালে অটোরিকশা নিয়ে বেড় হলেও বৃষ্টির কারণে কোনো যাত্রীর দেখা নেই।

    পোর্ট রোড বাজারের সবজি বিক্রেতা বাবুল সিকদার জানান, সপ্তাহের অন্য শুক্রবার এমন সময় ক্রেতাদের ভিড়ে দম ফেলার সময়ও পাই না। কিন্তু বৃষ্টির কারণে আজ সকাল থেকে কোনো ক্রেতার দেখা নেই। এছাড়া বৃষ্টির কারণে শীতও কিছুটা বাড়ছে।

    এবার পৌষের শুরু থেকেই তীব্রভাবে জেঁকে বসেছিল শীত। তবে গত কয়েকদিন সূর্য ওঠায় শীত অনেকটাই কমেছিল। শুক্রবার সকালের হঠাৎ বৃষ্টি এ পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে। ফের বাড়তে শুরু করেছে শীত। যা সামনে আরও বাড়বে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

    আবহওয়া অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, চলতি মাসেই সারাদেশে দু’টি তীব্র শৈত্যপ্রবাহে ও একটি মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ আসবে। ৩ জানুয়ারির পর থেকে দেশের তাপমাত্রা কমতে থাকবে। ৬ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারির মধ্যে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে। মাসের মাঝামাঝিতে জেঁকে বসতে পারে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। মাসের শেষদিকে আবারও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওযার সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় কনকনে শীত অনুভূত হতে পারে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে শীতের প্রভাব বেশি থাকবে।

    তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলতে রাতের তাপমাত্রা ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকবে। ছয় থেকে আট ডিগ্রির মধ্যে হলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এবং আট থেকে ১০ ডিগ্রি হলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়।

  • বরিশালে অসময়ে অঝোর বৃষ্টি আর শীতে জনজীবন বিপন্ন

    বরিশালে অসময়ে অঝোর বৃষ্টি আর শীতে জনজীবন বিপন্ন

    তীব্র শীত আর বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের জনজীবন। শুক্রবার ভোররাতে বৃষ্টি শুরু হয়। কখনও গুড়ি গুড়ি আবার কখনও ভারি বৃষ্টি হয়। আজ ভোররাত থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ২০.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চলতি মৌসুমে বরিশালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় মধ্য ডিসেম্বরে ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    এদিকে অসময়ে অঝোর বৃষ্টি আর শীতে জনজীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির কারনে রাস্তাঘাটের খানাখন্দে পানি জমে গেছে। রাস্তাঘাট অনেকাংশে ফাঁকা। মানুষজনও তেমন একটা বাইরে বের হচ্ছেন না অতি প্রয়োজন ছাড়া।
    বরিশাল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যযেক্ষক মাহফুজুর রহমান  জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘু চাপের কারণে বৃষ্টি হচ্ছে। শনিবার পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। বৃষ্টি কমলে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে আভাস দিয়েছেন তিনি।

  • বঙ্গোপসাগরের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘নাকরি’

    বঙ্গোপসাগরের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘নাকরি’

    দক্ষিণ চীন সাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় নাকরি ভিয়েতনামে আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত দু জনের প্রাণহানি ও চার শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়।

    ভিয়েতনামে আঘাত হানার পর প্রবল এ ঘূর্ণিঝড় দক্ষিণ চীন সাগর থেকে মিয়ানমারের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মিয়ানমার হয়ে এটি বঙ্গোপসাগরে এসে পুনরায় শক্তি সঞ্চয় করে ভয়ানক ঘূর্ণিঝড়ে রুপ নিতে পারে।

    ভিয়েতনামের আবহাওয়া দপ্তর বলছে, ঘূর্ণিঝড় নাকরির তাণ্ডবে কমপক্ষে ৪৫০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে দু জনের প্রাণহানি ও আরও একজন নিখোঁজ রয়েছেন।

    স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তারা বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় নাকরির তাণ্ডবে প্রায় ১ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

    আগামী ২৪ ঘণ্টায় ভিয়েতনামের পূর্ব ও উত্তর ভাগে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে সেখানকার আবহাওয়া দপ্তর।

    দক্ষিণ থাইল্যান্ড অতিক্রম করে মিয়ানমারের দক্ষিণাঞ্চলে এসে পৌঁছবে এ ঝড়। মিয়ানমার পর্যন্ত এসে পৌঁছালেও এ ঝড়ের লণ্ডভণ্ড করার শক্তি আর অবশিষ্ট থাকবে না। তবে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। মিয়ানমারের পর বঙ্গোপসাগরের দিকে ধেয়ে আসবে এ ঘূর্ণিঝড়।

    আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বঙ্গোপসাগর থেকে ফের শক্তি সঞ্চয় করে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রুপ নিতে পারে নাকরি। আর এই ঘূর্ণিঝড় একই ধরনের আগের ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুলে’র চেয়েও বেশি ভয়ঙ্কর রুপ ধারণ করতে পারে।

    তারপরে এই ঘূর্ণিঝড় ঠিক কোনদিকে যাবে, তার নিশ্চয়তা নেই। দুই বাংলাতেও আঁছড়ে পড়তে পারে। আবার তা না হয়ে ‘নাকরি’র মুখোমুখি হতে পারে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশাও।

  • ডিসেম্বরে আসছে বড় ঘূর্ণিঝড়, ভাঙতে পারে ১০৭ বছরের রেকর্ড

    ডিসেম্বরে আসছে বড় ঘূর্ণিঝড়, ভাঙতে পারে ১০৭ বছরের রেকর্ড

    ২০১৫ সালে মোট ১২টি নিম্নচাপ তৈরি হয়, যার মধ্যে মাত্র ৪টি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়। ২০১৮ সালে নিম্নচাপ তৈরি হয় ১৪টি। এর অর্ধেক পরিণত হয় ঘূর্ণিঝড়ে। এদিকে ২০১৯ সালে মোট ৯টি নিম্নচাপ তৈরি হয়। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৭টি পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড়ে।

    এর ফলে নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় পরিণত হওয়ার হারের নিরিখে বিগত বেশ কয়েক বছরকে পিছনে ফেলে দিয়েছে ২০১৯ সাল।

    সাধারণত আরব সাগর থেকে বঙ্গোপসাগরে বেশি নিম্নচাপ তৈরি হয়। কিন্তু এই বছর উল্লেখযোগ্যভাবে সংখ্যাটা আরব সাগরের ক্ষেত্রে বেশি। এই কয়েক দিন আগেই ঘূর্ণিঝড় কিয়ার ও মাহার সৃষ্টি হয় আরব সাগরে। এর আগে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয় ফণী ও পাবুক। আর কয়েক দিন আগেই তাণ্ডব ছড়ায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুল।

    শেষবার আরব সাগরে একই বছরে চারটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছিল ১৯০২ সালে। ২০১৯-এর দেড় মাস বাকি থাকতেই সেই সংখ্যা ছোঁয়া হয়ে গেছে। ডিসেম্বরের আগে আরও ঘূর্ণিঝড় হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এমন শঙ্কা সত্যি হলে ভেঙে যেতে পারে ১০৭ বছরের রেকর্ড।

  • ধেয়ে আসছে বুলবুলের চেয়েও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘নাকরি’

    ধেয়ে আসছে বুলবুলের চেয়েও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘নাকরি’

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::

    এইতো কয়দিন আগেই ঘূর্ণিঝড় বুলবুল সবকিছু তছনছ করে দিয়েছে বাংলাদেশ, ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূল। এখনও সেই আতঙ্কে ভুগছে সাধারণ মানুষ। সেই আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘নাকরি’। দক্ষিণ চীন সাগরে তৈরি ‘নাকরি’ বুলবুলের চেয়েও বেশি শক্তিশালী বলে জানা গেছে।

    এর উৎসস্থল ছিল দক্ষিণ চীন সাগর। মাতমো থেকেই ছিটকে গিয়ে তৈরি হয়েছিল বুলবুল। সেই বুলবুলের দাপটে দুই বাংলায় অনেক বেশি ক্ষতি হয়ে গেছে। সেই ঘা না শুকাতেই নাকরির দাপটে কি হবে তাই ভাবাচ্ছে জনগণকে।

    জানা গেছে, আপাতত ধীরে ধীরে ভিয়েতনামের ভূমি লক্ষ্য করে এগোচ্ছে এই ঝড়। সেখানে বৃষ্টিপাত ঘটিয়ে মিয়ানমারের দক্ষিণ অংশে এসে পৌঁছাবে। তারপরেই প্রায় সমস্ত শক্তি ক্ষয় করে বঙ্গোপসাগরের ওপরে আসবে।

    এরপর এই ঘূর্ণিঝড় ঠিক কোনদিকে যাবে সেটা বোঝা যাচ্ছে না এখনই। বঙ্গোপসাগর থেকে ফের একবার শক্তি সঞ্চয় করতে পারে এই ঘূর্নাবর্ত। তারপরে এই ঘূর্ণাবর্ত ঠিক কোনদিকে যাবে, তার নিশ্চয়তা নেই। দুই বাংলাতেও আঁছড়ে পড়তে পারে। আবার তা না হয়ে ‘নাকরি’র মুখোমুখি হতে পারে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশাও।

  • চলে গেছে বুলবুল, ধ্বংসের ছাপ রেখে গেছে

    চলে গেছে বুলবুল, ধ্বংসের ছাপ রেখে গেছে

    ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার বেলা ১২টায় শুরু হয়ে আধাঘণ্টার ওই তাণ্ডবে হাজারো গাছপালা পড়ে শত শত আধাপাকা ও কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে বিদ্যুৎ লাইন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি আহত হয়েছেন বহুজন। এর মধ্যে গুরতর আহত হয়েছেন পাঁচজন।

    ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর প্রভাবে রবিবার সকাল থেকে বৃষ্টির সাথে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে দমকা হাওয়া বইতে থাকে। বেলা ১০টার দিকে বাতাসের গতি বৃদ্ধি পায়। দুপুর ১২টায় শুরু হয় তান্ডব। আধাঘণ্টার মধ্যে তছনছ হয়ে যায় গোটা স্বরূপকাঠি। প্রচুর গাছপালা উপড়ে, ভেঙে পড়ে। গাছ পড়ে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়। গাছ পড়ে সবগুলো সড়কে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় হরিহরকাঠি গ্রামের চান মিয়ার হাত ও ব্যাসকাঠি গ্রামের কবির শেখের পা ভেঙে যায়। গুরুতর আহত হয় বরছাকাঠি গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে হাসান ও মেয়ে মাহিমা, হরিহরকাঠি গ্রামের শাহরিয়া। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    সোমবার বেলা ১১টায় পর্যন্ত স্বরূপকাঠি-বরিশাল সড়কের স্বরূপকাঠি-বানারীপাড়া অংশে বহু গাছ পড়ে থাকায় ওই অংশে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবু জানান, এ পর্যন্ত কয়েকজনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে তবে কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি। তিনি জানান, তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য ১ লাখ টাকা ও ২৫ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। তার পরেও জরুরি কাজ চালানো হচ্ছে। এর মধ্যে বিভিন্ন টিম ঘূর্ণিঝড়পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাঠে কাজ করছে।

  • ঘূর্ণিঝড় “বুলবুল” মোকাবিলায় জরুরী যোগাযোগের জন্য ওয়ার্ড ভিত্তিক বিসিসি কন্ট্রোল রুম নাম্বার

    ঘূর্ণিঝড় “বুলবুল” মোকাবিলায় জরুরী যোগাযোগের জন্য ওয়ার্ড ভিত্তিক বিসিসি কন্ট্রোল রুম নাম্বার

    ঘূর্ণিঝড় “বুলবুল” মোকাবিলায় জরুরী যোগাযোগের জন্য ওয়ার্ড ভিত্তিক বিসিসি কন্ট্রোল রুম নাম্বার দেওয়া হল:-

    ১. নাজমুস সাকিব  (১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ড) = ০১৭৯৯-২৩৮৪৯৯

    ২. ফাইজুল ইসলাম ( ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড)= ০১৩০০- ২৮৪৪০১

    ৩. সৈয়দ জিসান হোসেন  ( ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড) = ০১৭৫৩-৫২২০০৩

    ৪. মাহমুদুল হক রিয়াদ ( ১০, ১১ ও ১২ নং ওয়ার্ড) =  ০১৭০০-৯৫২৩০৭

    ৫. নুর-ই-এলাহি ( ১৩, ১৪ ও ১৫ নং ওয়ার্ড) = ০১৬২২-২৭৮৬৭৬

    ৬. তাজকিন ওয়ালিফ মেহেদি  ( ১৬,১৭ ও ১৮ নং ওয়ার্ড) = ০১৯৬০-৭২২৯৫৫

    ৭. ইমামুল আহসান সাকিব ( ১৯,২০ ও ২১ নং ওয়ার্ড) = ০১৭২৯-৪৫৩৩৮৫

    ৮. জিয়ায়ুল হক সোহেল ( ২২, ২৩ ও ২৪ নং ওয়ার্ড) = ০১৭৭৬-৫৬০৪১৫

    ৯. সিদ্দিক তামিম ( ২৫, ২৬ ও ২৭ নং ওয়ার্ড) = ০১৭২১-৭৩৯৬১৪

    ১০. বাধন ঘোষ ( ২৮, ২৯ ও ৩০ নং ওয়ার্ড) = ০১৮৫০-০১৯৪০০

    যেকোনো যোগাযোগ:

    ১: মোয়াজ্জেম হোসেন ( প্রশাসনিক কর্মকর্তা) = ০১৭৩৩-৬০৯২১৫

    ২.বেলয়েত হাসান বাবলু ( জনসংযোগ কর্মকর্তা) = ০১৭১৬-৯১৯৬০৬

    ৩. ডা: ফয়সাল ( ডাক্তার) = ০১৭৫২- ৬৬৫৯২৮

    ৪. ডা: রবিউল ইসলাম (পরিচ্ছন্ন প্রধান) = ০১৮১৬-০৯৯৮৬৫