Category: আবহাওয়া

  • কোন কারনে যেন সহায়তা বা উদ্ধার কার্যক্রম থেমে না থা‌কে: ‌মেয়র সা‌দিক

    কোন কারনে যেন সহায়তা বা উদ্ধার কার্যক্রম থেমে না থা‌কে: ‌মেয়র সা‌দিক

    নি‌র্দেশনা প্রাপ্তি ও অ‌র্থের জন্য যেন কোন সহায়তা বা উদ্ধার কার্যক্রম আটকে না থা‌কে সেজন্য ব‌রিশাল সি‌টি কর‌পো‌রেশ‌নের কাউ‌ন্সিলরদের নি‌র্দেশ দি‌য়ে‌ছেন ‌মেয়র সের‌নিয়াবাত সা‌দিক আব্দুল্লাহ।

    পাশাপা‌শি মহানগর আওয়ামীলী‌গের এই যুগ্ম সম্পাদক ওয়ার্ড আওয়ামী লী‌গের নেতা কর্মীদের ‌সি‌টি কাউ‌ন্সিলর‌দের সা‌থে সমন্বয় ক‌রে দু‌র্যোগ মোকা‌বিলা কাজ করার আহবান জানান।

    আজ শ‌নিবার (০৯ ন‌ভেম্বর)‌ বেলা ১ টায় ব‌রিশাল ন‌গেরর সদর‌রোডস্থ এ‌্যা‌নেক্স ভব‌নের চতুর্থ তলার সভাক‌ক্ষে দু‌র্যোগ মোকা‌বিলায় প্রস্তু‌তিমূলক সভায় এ কথা বলেন তি‌নি।

    ‌তি‌নি ব‌লেন, চো‌খের সাম‌নে কোন দু‌র্যোগ দেখ‌লে কা‌রো নি‌র্দেশনার অ‌পেক্ষা এবং অ‌র্থের জন্য অ‌পেক্ষা করা যা‌বে না। প‌কেট থে‌কে খরচ ক‌রে কাজ এ‌গি‌য়ে নি‌বেন, পরবর্তী‌তে এগু‌লো দি‌য়ে দেয়া হ‌বে।

    এসময় তি‌নি ব‌লেন, নদী তীরবর্তী স্থা‌নে জনসাধার‌নের আশ্র‌য়ের জন্য বিদ্যালয়গু‌লো খোলা রাখা হ‌য়ে‌ছে। যেখা‌নে বি‌কে‌লের ম‌ধ্যে ঝু‌কিপূর্ণ বা সম্ভাব্য ক্ষ‌তির শঙ্কা র‌য়ে‌ছে এমন এলাকার বা‌সিন্দা‌দের আশ্রয় নেয়ার জন্য বলা হ‌য়ে‌ছে।

    ত‌বে বি‌শেষ ব্যবস্থায় গর্ভবতী নারী, প্র‌তিবন্ধী ও বয়স্ক মানুষ‌দের আশ্রয় কে‌ন্দ্রে আ‌গেভা‌গেই নেয়া হ‌বে। যা‌তে দু‌র্যোগ শুরু হওয়ার সময় তারা কোন বিপা‌কে না প‌রেন।

    এক কথায় দু‌র্যোগ মোকা‌বিলায় আমরা সকল প্রস্তু‌তি হা‌তে নি‌য়ে‌ছি। বি‌শেষ ক‌রে আমা‌দের কর‌পো‌রেশ‌নের স্বাস্থ্য, প‌রিচ্ছন্নতা, বিদ্যুৎ ও পা‌নি শাখার কর্মকর্তা কর্মচারীরা ২৪ ঘন্টা দা‌য়িত্ব পালন কর‌বেন।

    সভায় সি‌টি কর‌পো‌রেশ‌নের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাইল হো‌সেন জানান, ব‌রিশাল সি‌টি কর‌পো‌রেশ‌নের মেয়‌রের নি‌র্দে‌শে গতকাল থে‌কে নগ‌রে দু‌র্যোগ মোকা‌বিলায় সতর্ক ও স‌চেতনতামূলক প্রচারনা চালা‌নো হচ্ছে।

    তি‌নি ব‌লেন, আমরা এরইম‌ধ্যে পর্যাপ্ত শুক‌নো খাবার, পা‌নি বিশুদ্ধ করন খাবার, স্যালাইন সরবরা‌হে রে‌খে‌ছি। বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নি‌শ্চিত কর‌নের ল‌ক্ষে জেনা‌রেটর মোমবা‌তি ও মশা রো‌ধে ক‌য়েলের ব্যবস্থা করা হয়ে‌ছে।পাশাপা‌শি এক‌টি ক‌ন্ট্রোল রুম ও পাচ‌টি মে‌ডি‌কেল টিম গঠন করা হ‌য়ে‌ছে।

    এছাড়া বাদ আসর নগ‌রেরর বি‌ভিন্ন মস‌জি‌দে এবং ম‌ন্দির ও গীর্জায় বি‌শেষ প্রার্থানার আ‌য়োজন করার জন্য মেয়র ব‌লে‌ছেন।

  • বরিশালকে ঘিরে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত

    বরিশালকে ঘিরে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত

    মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর।

    উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

    চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

    এ ছাড়া কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

    আজ দুপুর থেকে দমকা হাওয়া শুরু হতে পারে। অতিক্রমের সময় ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে দমকা হওয়া বইতে পারে। সেইসঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।

    ঘূর্ণিঝড়টি আজ শনিবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫২৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫১০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৫০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।

    অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ১৩০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় শনিবার দুপুর থেকে দমকা/ঝড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি আজ সন্ধ্যানাগাদ পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূল (সুন্দরবনের নিকট দিয়ে) অতিক্রম করতে পারে।

    ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোয় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

  • উপকূলের ৩৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে রাখার নির্দেশ

    উপকূলের ৩৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে রাখার নির্দেশ

    খুলনা প্রতিনিধি//জান্নাতুল ফেরদৌস:

    ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে খুলনা জেলা প্রশাসন ও সিটি করপোরেশন। ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলায় ইতোমধ্যে ৩৪৯টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনগুলো আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য খুলে রাখা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনসহ জনপ্রতিনিধিদের কাছে দুর্যোগকালীন করণীয় সম্পর্কে ইতোমধ্যে বার্তা পৌঁছানো হয়েছে এবং খুলনায় একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষও খোলা হয়েছে যার নম্বর ০৪১-২৮৩০০৫১। এছাড়া খুলনা সিটি করপোশেনের উদ্যোগে নগর ভবনের ২য় তলায় কন্ট্রোল রুম খোলা (কন্ট্রোল রুমের ফোন নম্বর ০৪১-২৮৩২৯৭৭) হয়েছে। দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য নগরীর ৩১টি ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সভায় দুর্যোগকালীন যে কোন প্রয়োজনে কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহবান জানানো হয়েছে। এদিকে গতকাল শুক্রবার বিকালে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা খুলনা সার্কিট হাউস সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে ইতোমধ্যে রাসমেলামুখী সকল নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রেডক্রিসেন্টসহ উদ্ধারকর্মীরা প্রস্তুত আছে। পর্যাপ্ত শুকনো খাবার, অর্থ, ওষুধ এবং পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট মজুদ রাখা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড, সড়ক বিভাগ, মৎস্য বিভাগ, প্রাণিসম্পদ বিভাগ, কৃষি বিভাগসহ সকল বিভাগ তাদের অধিক্ষেত্রে সম্পদ রক্ষার সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে গ্রহণ করেছে এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। খুলনা জেলার কয়রা, পাইকগাছা, দাকোপ ও বটিয়াঘাটায় আক্রান্ত প্রবণ এলাকা। এই সকল এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা জারি ও প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে একই স্থানে খুলনার ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার সুবাস চন্দ্র সাহার সভাপতিত্বে খুলনা বিভাগীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় পর্যায়ে যে নিয়ন্ত্রণ কক্ষটি খোলা হয়েছে তার নম্বর-০৪১-৮১৩৯৪০ এবং ০৪১-৮১৩৯৮১। সভায় জানানো হয়, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় ইতোমধ্যে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। কেসিসির প্রস্তুতি : ঘুর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ খুলনাঞ্চলে আঘাত হানার আশংকা থাকায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সম্ভব সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে দুর্যোগকালীন অথবা দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত জরুরী সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। সভায় কেসিসি’র জরুরী সেবা কাজে নিয়োজিত বিভাগসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল, দুর্যোগ বিষয়ে নগরবাসীকে সচেতন করার জন্য মাইকিং, স্কুল-কলেজের ভবনসমূহ আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা, মেডিকেল টীম গঠন, এ্যাম্বুলেন্স-ফায়ার সার্ভিসসহ জরুরী সেবাকর্মে নিয়োজিত বিভাগগুলিকে প্রস্তুত রাখা, জরুরী ত্রাণ সামগ্রী ও শুকনো খাবার প্রস্তুত রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিটি মেয়র দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশ দেন। কেসিসি’র দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর শেখ মোসারাফ হোসেন, সদস্য মো: গোলাম মওলা শানু, শেখ এমডি মাহফুজুর রহমান লিটন, কাজী তালাত হোসেন কাউট, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) পলাশ কান্তি বালা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো: আব্দুল আজিজ, বাজেট কাম একাউন্টস অফিসার এম এম হাফিজুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) লিয়াকত আলী খান, নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, জাহিদ হোসেন শেখ, চীফ প্লানিং অফিসার আবির উল জব্বার, ভেটেরিনারী সার্জন ডা. মো: রেজাউল করিম, সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মিউল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ হোসেন, শেখ মো: মাসুদ করিম, রাজস্ব কর্মকর্তা মো: অহিদুজ্জামান খান, এস্টেট অফিসার নুরুজ্জামান তালুকদার প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

  • ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’: ভোলায় ১৬০১টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত

    ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’: ভোলায় ১৬০১টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত

    ভোলায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ ধেয়ে আসার কারণে ৬৬৮ সাইক্লোন সেল্টারসহ স্কুল-কলেজ মিলিয়ে ১৬০১টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    শনিবার দুপুর ১২টার মধ্যে সব নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক।

    তিনি জানান, বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষ আসতে শুরু করেছে। ৬৬৮ সাইক্লোন সেল্টারসহ স্কুল-কলেজ মিলিয়ে ১৬০১টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আশ্রয় নেয়াদের জন্য শুকনো খাবার বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    এদিকে রেডক্রিসেন্ট ও সিপিপি কর্মীরা সবাইকে নিরাপদে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে মাইকিং অব্যাহত রেখেছেন। ইসলামী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সব মসজিদের মাইকেও একই প্রচার করা হয়। ১০ নম্বার বিপদ সংকেতের আওতায় রয়েছে ভোলা।

  • ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের কন্ট্রোলরুম

    ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের কন্ট্রোলরুম

    ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় জরুরি বার্তা আদান-প্রদানের জন্য নিয়ন্ত্রণকক্ষ (কন্ট্রোলরুম) খুলেছে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ড। ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে নদী ভাঙন, পাউবোর বাঁধ, নদী তীরের সংরক্ষণ কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ লক্ষে তথ্য সরবরাহের জন্য এই কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। পাশাপাশি আপদকালীন সময়েও যে কোন খবর জানালে ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন সংস্থটির বরিশাল বিভাগীয় কর্মকর্তা জুলফিকার হাওলাদার।

    যে কোন প্রয়োজনে: সহকারি প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল (০১৭৪০-৪৩১৪৩২), সহকারি পরিচালক হাসিবুর রহমান (০১৭৩৬-৯৮৪৯৪৯) এবং সহকারি প্রকৌশলী রিপন সাহা (০১৮৭৮-৮১৮৮৯৬)।

  • ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডব চলবে ২৪ ঘণ্টা!

    ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডব চলবে ২৪ ঘণ্টা!

    অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম ৯ ও কক্সবাজার ৪ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    বাংলাদেশ থেকে মাত্র ২৮০ কি. মি. দূরে অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। আবহাওয়া অফিস বলছে, বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টি মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৮০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছে। আর পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩১৫ কি.মি. দূরে অবস্থান করছে।

    ঘূর্ণিঝড়টি সন্ধ্যায় বাগেরহাটে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়াবিদরা। এসময় বাতাসের গতিবেগ কমপক্ষে ১০০ কিলোমিটার থাকতে পারে। সর্বোচ্চ গতিবেগ ১২০ কিলোমিটার বা তার বেশি থাকতে পারে। সন্ধ্যায় উপকূল অতিক্রম করা শুরু করলে, ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যে এটা উপকূল অতিক্রম করে যাবে।

    এরপর এটি দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে বরিশাল, ঢাকা, কুমিল্লা অঞ্চল দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সুন্দরবন অতিক্রম করার পর ঘূর্ণিঝড়ের বেগ অনেক থাকবে।

    আবহাওয়াবিদ এ কে এম রুহুল কুদ্দুস বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি অতি প্রবল হয়ে প্রবেশ করবে। এ ঘূর্ণিঝড়ের জন্য সুন্দরবন একটা বাধা বলতে পারেন। এটা হয়তো অনেকটাই রক্ষা করবে। যেহেতু এটা প্রবল ঘূর্ণিঝড়, তারপরও ওইরকম ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় এখনও অতি প্রবল অবস্থায় রয়েছে। উপকূলের কাছাকাছি এসে হয়তো সামান্য তীব্রতা কমতে পারে। তবে প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবেই উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে।

    এ আবহাওয়াবিদ জানান, জোয়ার শুরু হবে বিকেল ৩টা দিকে। রাত ৯টা ৬ মিনিটে জোয়ারের বা জলোচ্ছ্বাসের সর্বোচ্চ উচ্চতা ২ দশমিক ৮৫ মিটার হতে পারে পশুর নদীতে। পশুর নদী ছাড়াও খুলনা ও বরিশালে যেসব নদীতে জোয়ার থাকবে সেখানে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫ থেকে ৭ ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    রুহুল কুদ্দুস বলেন, বাংলাদেশে প্রবেশের পর ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাসার্ধ কমপক্ষে ১০০ কিলোমিটার আর ব্যাস ২০০ কিলোমিটার থাকতে পারে।

  • বরিশালের ওপর দিয়ে ১২০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা

    বরিশালের ওপর দিয়ে ১২০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ থেকে মাত্র ২৮০ কি. মি. দূরে অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। শনিবার দুপুরে এ তথ্য জানায় আবহাওয়া অফিস। তারা বলেন, বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টি বুলবুল মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৮০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছে। আর পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩১৫ কি.মি. দূরে অবস্থান করছে।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ সন্ধ্যা নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টি খুলনার উপকূলীয় এলাকা ত্যাগ করবে। এরই মধ্যে দুর্যোগ মোকাবেলায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।

    এদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় শনিবার দুপুর থেকে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

    বুলবুল অতিক্রমকালে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদফতর ইতোমধ্যে মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ০৭ (সাত) নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ (দশ) নম্বর (পুনঃ) ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে।

    উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ০৬ (ছয়) নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ০৯ (নয়) নম্বর মহবিপদ সংকেত (পুনঃ) ০৯ (নয়) নম্বর মহবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ০৯ (নয়) নম্বর মহবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

    ৫-৭ ফুটের অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা

    ঘূর্ণিঝড় ও মুন ফেজের (চাঁদের শুক্লপক্ষ) প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫ থেকে ৭ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

    উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

  • ‘বুলবুল’ মোকাবিলার সমস্ত প্রস্তুতি আমাদের আছে : প্রধানমন্ত্রী

    ‘বুলবুল’ মোকাবিলার সমস্ত প্রস্তুতি আমাদের আছে : প্রধানমন্ত্রী

    প্রবল বেগে ধেয়ে আসতে থাকা ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    শনিবার রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় শ্রমিক লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

    শেখ হাসিনা বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সমস্ত প্রস্তুতি আমাদের নেয়া আছে। যারা নৌপথে যাতায়াত করেন, আজ তাদের অনেক প্রতিনিধি এখানে (সম্মেলনে) উপস্থিত হতে পারেন নাই।

    শনিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে জাতীয় শ্রমিক লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তখন শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা ‘শেখ হাসিনার আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম’ স্লোগান দেন।

    স্লোগানের মাধ্যমে সম্মেলনের প্রধান অতিথি ও সংগঠনের সাংগঠনিক নেত্রী শেখ হাসিনাকে অভিবাদন জানান তারা।
    পরে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শ্রমিক লীগের সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করা হয়।

    জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদের সভাপতিত্বে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি ফজলুল হক মন্টু সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম।

  • ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’: ভোলায় আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছে মানুষ

    ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’: ভোলায় আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছে মানুষ

    ভোলা প্রতিনিধি//মো: নিশাত:

     বঙ্গপোসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ভোলায় সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এতে করে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে দ্বীপ জেলার মানুষ। বিশেষ করে ভোলার বিচ্ছিন্ন চরগুলোর বাসিন্দারা রয়েছে চরম আতঙ্কের মধ্যে।

    এরই মধ্যে আজ (শুক্রবার) রাত জেগে ওই সব চরাঞ্চলের মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রের আনার জন্য প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও সিপিপি সদস্যরা।

    জেলার মনপুরা ও ঢালচরের প্রায় সাত হাজারেরও বেশি মানুষ ইতিমধ্যে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুল ইসলাম।

    তিনি জানান, রেড ক্রিসেন্ট, সিপিপি ও স্টাউটসের মোট ১৩ হাজার সেচ্চাসেবী ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে। বিশেষ করে চরাঞ্চলগুলো এ সেচ্চাসেবকরা কাজ শুরু করে দিয়েছে। মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রের আনার কাজ শুরু করেছে। জেলা জুড়ে প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে।

    তিনি আরও জানান, জেলার ৬৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে। বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলের মানুষকে মূল ভূখন্ডে আনার কাজ চলছে। যাতে করে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে একটিও প্রাণহানি না ঘটে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

    গবাদিপশুর জন্য ৩৯টি মুজিব কেল্লা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মসজিদের মাইকেও প্রচারণার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোনো আশ্রয় কেন্দ্র বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকগণ যদি এগুলো খুলে দিতে দেরি করে অথবা দায়িত্বে অবহেলা করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান জেলা প্রশাসক।

  • পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা ও পিরোজপুরসহ ১৩ জেলায় ছুটি বাতিল

    পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা ও পিরোজপুরসহ ১৩ জেলায় ছুটি বাতিল

    ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় উপকূলীয় ১৩ জেলায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শনি ও রোববারের (৯ ও ১০ নভেম্বর) ছুটি বাতিল করা হয়েছে।শনিবার (৯ নভেম্বর) সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটি। আর রোববার (১০ নভেম্বর) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি ছিল।

    ছুটি বাতিল করে শুক্রবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ১৩ জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    যেসব জেলার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে সেগুলো হলো- সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, পিরোজপুর, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, খুলনা, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম।

    শুক্রবার বিকালে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এনামুর রহমান। এর আগে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর প্রভাব মোকাবেলায় মনিটরিং সেলের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শনিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত যে কোনো সময় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আঘাত হানতে পারে। তাই এর মোকাবেলায় সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে।

    শুক্রবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) বাস্তবায়ন বোর্ডে’র সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলার প্রস্তুতিসহ পরবর্তী প্রয়োজনীয় সকল কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে এসব জেলায় সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটি বাতিলসহ কর্মস্থল ত্যাগ না করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য ডিসিদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ শনিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাতের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসায় মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।