Category: আবহাওয়া

  • টানা বৃষ্টিতে ঝালকাঠি-পিরোজপুরে বেড়েছে নদ-নদীর পানি

    টানা বৃষ্টিতে ঝালকাঠি-পিরোজপুরে বেড়েছে নদ-নদীর পানি

    অনলাইন ডেস্ক :

    কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ঝালকাঠি ও পিরোজপুরে নদ-নদীর পানি বেড়েছে। জোয়ারের পানিতে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

    রোববার (৭ জুলাই) ঝালকাঠির সুগন্ধা, বিশখালী, হলতাসহ বিভিন্ন নদ-নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের পানি ৫-৬ ফুট বেড়েছে। প্লাবিত হয়েছে নদী-পাড়ের ২৫টি গ্রাম । ভাটার সময় পানি নেমে গেলেও তলিয়ে থাকছে ফসলের ক্ষেত। এতে নলছিটি, রাজাপুর ও কাঠালিয়া উপজেলায় পানের বরজসহ বিভিন্ন ফসলের বীজতলা নষ্ট হয়েছে।

    পিরোজপুরে কঁচা, বলেশ্বর, সন্ধ্যা ও কালিগঙ্গাসহ নদ-নদী ও খালের পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে ফসলের ক্ষেত। প্রচণ্ড ঢেউ থাকায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন নদী পাড়ের মানুষ।

  • সাউদার্ন ক্যালফর্নিয়ায় দুই দশকের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত

    সাউদার্ন ক্যালফর্নিয়ায় দুই দশকের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত

    দ্বিতীয় বারের মতো দুই দশকের সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প আঘাত হানলো আমেরিকার সাউদার্ন ক্যালফর্নিয়ায়। শনিবার রিক্টার স্কেলে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ওই ভূমিকম্পে স্থানীয় কিছু ভবনে, গ্যাস লাইনের ক্ষয়ক্ষতি ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও হলেও হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি। খবর বিবিসি’র।

    বিবিসি’র ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল লস এঞ্জেলসের প্রায় ২৪০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত রিজক্রেস্ট শহরের কাছে এবং ভূপৃষ্ঠের প্রায় এক কিলোমিটার গভীরে। এর আগে, বৃহস্পতিবার একই স্থান থেকে আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ওই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল একই স্থানে ভূপৃষ্ঠের ১১ কিলোমিটার নীচে ছিল।

    ভূকম্পবীদ লুসি জোনস বলেন, ‘এটি আগের ভূমিকম্পের একটি ধারা এবং এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।’

    তিনি আরও জানান, একটি ভূমিকম্প আঘাত হানার পরের সপ্তাহে একই রকম কিংবা আগেরটির থেকেও বেশি শক্তির ভূমিকম্প আঘাত হানার সম্ভাবনা থাকে। এই সম্ভাবনার হার শতকরা ১০ শতাংশ হলেও থেকেই যায়।

    শনিবারে আঘাত হানা শক্তিশালী এই ভূমিকম্পটি দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় গত ২০ বছরে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। এটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, পার্শ্ববর্তী শহর লস ভেগাসেও এটি অনুভূত হয়।

  • সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত : অব্যাহত থাকবে বৃষ্টিপাত

    সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত : অব্যাহত থাকবে বৃষ্টিপাত

    অনলাইন ডেস্ক :

    পুলিশ বলছে, বেশ সাজিয়ে–গুছিয়েই বরগুনার রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। হত্যায় যুক্ত ছিলেন অন্তত ২০ জন। নিহত নয়নের গড়ে তোলা ফেসবুক গ্রুপ ‘বন্ড ০০৭ ’–এ বার্তা পেয়ে তাঁদের বেশির ভাগ হত্যায় ঘটনাস্থলে এসেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন।

    এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১১ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন, ৬ জন এরই মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এর মধ্যে গতকাল জবানবন্দি দিয়েছেন সাগর ও নাজমুল ইসলাম। এর আগে চন্দন, মো. হাসান, অলিউল্লাহ ও তানভীর হাসান জবানবন্দি দিয়েছেন। এই চারজনের মধ্যে প্রথম তিনজন এজাহারভুক্ত আসামি।

    পুলিশের তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, যে ছয়জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন, তাঁরা রিফাত শরীফকে কোপানোর সময় সেখানে উপস্থিত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। ফেসবুকের মেসেঞ্জার গ্রুপ ‘বন্ড ০০৭ ’–এ বার্তা পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে হাজির হয়েছিলেন। হত্যা পরিকল্পনা সম্পর্কে গ্রুপে আগাম কোনো আলোচনা হয়নি। তাই তাঁরা জানতেন না। এই হামলার নেতৃত্বে ছিলেন সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড, রিফাত ফরাজী এবং রিফাতের ছোট ভাই রিশান ফরাজী। তাঁদের মধ্যে রিশান এখনো গ্রেপ্তার হননি।

    এক কর্মকর্তা জানান, অলিউল্লাহ, তানভীরসহ অন্যরা জবানবন্দিতে বলেছেন, এই হামলায় ০০৭ গ্রুপের অন্তত ২০ জন ছোট দলে ভাগ হয়ে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন। হামলার সময় পথচারী বা রিফাত শরীফের দলের কেউ যেন এগিয়ে আসতে না পারে, তা সামলানোর দায়িত্ব ছিল একটি দলের। আরেকটি দল নয়ন বন্ড, রিফাত-রিশান ফরাজীসহ অন্য হামলাকারীদের মোটরবাইকগুলো পাহারা দিচ্ছিল, যাতে হামলার পরে সবাই বিনা বাধায় পালাতে পারেন।

    কেবল সম্পর্ক নিয়ে বিরোধের জেরে এত সাজানো–গোছানো হামলা হয়েছে বলে মনে করেন না স্থানীয় লোকজন। স্থানীয় সূত্রগুলো বলেছে, কয়েক মাস আগেও নয়নের দলের সঙ্গেই দেখা গেছে নিহত রিফাত শরীফকে। তবে সম্প্রতি নয়নের বিরোধী পক্ষের সঙ্গে ওঠাবসা করতে দেখা যায় রিফাতকে।

    মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান বলেন, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে চার আসামি হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।

  • ​বন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে

    ​বন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে

    মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর কম সক্রিয় থাকায় সমুদ্র বন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে। বুধবার আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

    তিনি জানান, মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে তা মাঝারি অবস্থায় বিরাজমান থাকায় আগামী ৪৮ ঘণ্টা বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে যাবে। তবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরণের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়াও সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

    পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, উত্তর উড়িষ্যা ও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ছত্রিশগড় এবং তৎসংলগ্ন ঝাড়খন্ড ও উড়িষ্যায় অবস্থান করছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষ ভারতের উত্তর প্রদেশ, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাংশ হয়ে উত্তরপূর্ব আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর অপর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে তা মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

  • বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ভারী বর্ষণের আভাস

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ভারী বর্ষণের আভাস

    উত্তর বঙ্গোপসাগর ও দেশের তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় লঘুচাপ সৃষ্টির প্রভাবে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হয়েছে। যার ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে ঝড়ো হাওয়া।

    তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যেতে পারে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    এদিকে আবহাওয়া অফিস সারা দেশে মাঝারি থেকে অতিভারী বর্ষণের আভাস দিয়েছে। এবং পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও বিশেষ করে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    সেইসঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও হতে পারে মাঝারি থেকে অতিভারী বর্ষণ। এ ছাড়া দক্ষিণাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস এবং দেশের অন্যত্র তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রাও প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়েছে, মৌসুমি লঘুচাপটি উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ উত্তর প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশ হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের দক্ষিণাংশে এবং দেশের অন্যত্রও মোটামুটি সক্রিয়। এটি উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

  • চার সমুদ্র বন্দরকে ৩ সতর্ক সংকেত

    চার সমুদ্র বন্দরকে ৩ সতর্ক সংকেত

    উত্তর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে চার সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

    আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, ‘উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এতে এসব এলাকায় গভীর সঞ্চালণশীল মেঘমালার সৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ’

    এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমূদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    এ জন্য উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

    এদিকে আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারিপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চল সমূহের উপর দিয়ে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘন্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

  • বরিশালে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা

    বরিশালে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা

    উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটা আরও ঘণীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম ও বরিশালের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আগামী তিনদিন বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

    রোববার (৩০ জুন) সকাল ৯টা পরবর্তী পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর।

    এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, ‘লঘুচাপ সৃষ্টি হয়ে গেছে।

    আজ সকালে আমরা সেটা ঘোষণাও দিয়েছি। লঘুচাপের প্রভাবে বৃষ্টি হবে চট্টগ্রাম ও বরিশালে। আর লঘুচাপের অবস্থান ভেদে দেশের অন্যান্য স্থানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে।’

    ঢাকায় রোববার সকালে থেমে থেমে একাধিকবার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবার রোদও উঠেছে। আকাশ মেঘলা রয়েছে।

    এ বিষয়ে শাহিনুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকায় লঘুচাপের কারণে কোনো বৃষ্টিপাত হচ্ছে না। ঢাকাতে বৃষ্টিপাত বন্ধ হয়ে গেছে। বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত নেই। আকাশ মেঘলা থাকতে পারে।’

    মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

    সারাদেশের বৃষ্টিপাতের বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায়; ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। রাতের তাপমাত্রা দেশের পূর্বাঞ্চলে সামান্য কমতে পারে এবং অন্য জায়গায় তা সামান্য বাড়তে পারে বলেও পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

  • গরমে পুড়ছে ইউরোপ, তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙতে পারে ফ্রান্স

    গরমে পুড়ছে ইউরোপ, তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙতে পারে ফ্রান্স

    তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ইউরোপের জনজীবন। জার্মানি, ফ্রান্স, পোল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্রের মতো দেশগুলোতে তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে। চলতি জুনে তাপমাত্রা আগের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

    আবদাওয়াবিদরা বলছেন, শুক্রবার তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙতে পারে ফ্রান্স। এর আগে ২০০৩ সালেও ভয়াবহ দাবদাহের অভিজ্ঞতা হয়েছে ফ্রান্সের। তখন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৪ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সে সময় ১৫ হাজার মানুষের মৃত্যুর জন্য তীব্র গরমকেই দায়ী করা হয়েছিল। তবে শুক্রবারের তাপমাত্রা আগের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এদিকে, তীব্র গরমের কারণে দক্ষিণাঞ্চলের চার রাজ্যে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে ফ্রান্সের জাতীয় আবহাওয়া দফতর। বর্তমানে ইউরোপের প্রায় সব দেশেই কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। লাল সতর্কতার পরে এটাই সর্বোচ্চ সতর্কতা। একই সঙ্গে কিভাবে এই তীব্র গরমেও ঠাণ্ডা থাকা যাবে সে বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছে দেশগুলোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    এদিকে, কাতালোনিয়াতে গত ২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলে সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। স্পেনের দমকল কর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    প্রচণ্ড গরমের কারণে বিভিন্ন এলাকায় দাবানলের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ফ্রান্সের কর্মকর্তারা। গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। তবে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে সবচেয়ে গরম পড়বে বলে আগেই সতর্ক করা হয়েছে।

    প্যারিস, লিওনসহ বেশ কিছু শহরের রাস্তায় ট্রাফিক ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তীব্র দাবদাহের মধ্যে বায়ুদূষণের প্রভাব কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তর আফ্রিকা থেকে তীব্র গরম বাতাস ইউরোপের দিকে আসছে। সে কারণেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।

    ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলীয় গার্ড, ভাউক্লুস, হেরাল্ট এবং বুচেস-দু-রোনে এলাকায় শুক্রবারের তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। ফ্রান্সের বিভিন্ন স্থানে অস্বাভাবিক গরমের কারণে বিভিন্ন স্কুলের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা পিছিয়ে দেয়া হয়েছে এবং অনেক স্কুলই বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

  • বরিশালে ক্ষনিকের বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, শিক্ষক পরিক্ষার্থীদের দূর্ভোগ

    বরিশালে ক্ষনিকের বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, শিক্ষক পরিক্ষার্থীদের দূর্ভোগ

    বরিশালে মাসব্যপি ভ্যাপসা গরমের পর ক্ষনিকের জন্য বৃষ্টির দেখা আসায় স্বস্তি পেয়েছে নগরবাসী। অপরদিকে রাস্তায় জলাবদ্ধতার কারনে কয়েকশত শিক্ষক পরিক্ষার্থীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

    আজ শুক্রবার সকাল থেকে বরিশালে প্রচন্ড ভ্যাপসা গরমে মানুষ যখন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে ঠিক তখনই সকাল ১১টা ১০ মিনিটের দিকে মুসলধারে বৃষ্টি না হলেও মাঝারি ধরনের বৃষ্টি পড়তে শুরু করে।

    হঠাৎ করে বৃষ্টির দেখা মেলায় দিন মজুর ও পথচারীদের কিছুটা কাজে-কর্মে বিঘ্ন ঘটলেও তারপরে দেখা গেছে তাদের মাঝে কিছুটা স্বস্তির পরশ পড়েছে।

    এসময় কয়েকজন ভ্যান চালক ও রিকসাচালকরা বলেন- এতদিন যে গরমে কষ্ট করেছি আজকের সামান্যতম বৃষ্টি হয়েছে তাতে মনে হয় কয়েক বছরের শান্তি মনের ভিতর বাসা বেধেছে।

    অপরদিকে মাত্র ৪৫ মিনিটের বৃষ্টিতে বরিশাল সাংবাদিক মইনুল হোসেন ও সরকারী মহিলা কলেজের সড়কটিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে যায়।

    এদিকে সরকারী মহিলা কলেজে শিক্ষক নিয়োগ পরিক্ষা দিতে আসা কয়েকশত শিক্ষার্থী পরিক্ষা শেষে একদিক মাথার উপর বৃষ্টি অপরদিকে সড়কে জলাবদ্বতা পেড়িয়ে তাদের ফিরতে দেখা যায়।

    বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা পরিক্ষা দিতে আসা এবং ফিরে যাবার সময়ে শিক্ষার্থীরা এসময় মন্তব্য করে বলেন- একদিকে প্রেসক্লাব অপরদিকে সরকারী মহিলা কলেজ থাকার পরও তাদের রাস্তার এই করুন দশা এর আমাদের উপজেলার গ্রামের রাস্তা অনেক ভাল সেখানে বৃষ্টির পানি জমে থাকে না।

    এবিষয়ে এলাকাবাসী বলেন- সামান্য বৃষ্টি হলে আমাদের কথা বলে আর কি লাভ হবে আপনাদের প্রেস ক্লাব অন্যদিকে একটি সরকারী মহিলা কলেজ থাকা সত্বেও কোন আমলেই কেহ এই সড়কটির দিকে সুনজর দেইনি।

    অনেক অভিযোগ দিয়েছি কোন প্রতিকার পাই নাই তাই এখন আর বলি না। বলে লাভ কি?

    আজকের বৃষ্টির বিষয়ে বরিশাল আবহাওয়া অফিসে যোগাযোগ করা হলে অবজারভার রুবেল বলেন- সকাল ১১,১০ মিনিট থেকে বেলা ১২ টা পর্যন্ত ২৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ডপাত করা হয়েছে।

    আষাড় মাস হলেও সেই মাসের কোন প্রমান তারা পাচ্ছেন না। এখন মৌসুমী বায়ূ সক্রিয় থাকার কারনে মাঝে মধ্যে বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে আগামী দু একদিনের মধ্যে।

  • সুসংবাদ দিলো আবহাওয়া অধিদপ্তর, বরিশালে বৃষ্টির সম্ভাবনা

    সুসংবাদ দিলো আবহাওয়া অধিদপ্তর, বরিশালে বৃষ্টির সম্ভাবনা

    বর্ষা মৌসুম চললেও ঢাকাসহ দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে বয়ে যাচ্ছে তাপদাহ। বৈশাখ জ্যৈষ্ঠের মতোই কড়া সূর্যের তেজে ভ্যাপসা গরমে-ঘামে মানুষ হাঁপাচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও লোডশেডিংয়ের দুঃখ-কষ্ট অবর্ণনীয়। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই। এমন সময় বৃষ্টিপাত হওয়ার সুসংবাদ দিলো আবহাওয়াবিদরা।

    তারা বলছেন, আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলে হালকা বৃষ্টিপাত হতে পারে। শুক্রবার থেকে তা আরও বেড়ে যেতে পারে।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরও বলছে, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। আগামী ৩ দিনের মধ্যে বৃষ্টিপাতের পরিমাণও বাড়তে পারে।

    এদিকে আজ বুধবার সকালে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দামকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।