Category: আবহাওয়া

  • আগামী ১ জুন থেকে বৃষ্টির সম্ভবনা

    আগামী ১ জুন থেকে বৃষ্টির সম্ভবনা

    আগামী দু’দিনের মধ্যে বৃষ্টির সুসংবাদ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাসের বরাত দিয়ে আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, আগামী মাসের ১ তারিখ থেকে বৃষ্টি বাড়বে। ১ থেকে ৫ জুন পর্যন্ত সারাদেশে বৃষ্টি বেশি থাকবে।

    বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সাত জেলায় ৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় পরবর্তীতে ৪৮ ঘণ্টা বা দুদিনের পূর্বাভাসে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, এই সময়ের শেষের দিকে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি বৃদ্ধি পেতে পারে। তার পরবর্তী পাঁচদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, ‘উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। অর্থাৎ বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে।

    আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, যশোর এবং কুষ্টিয়া অঞ্চলসহ ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায়; রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ী আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    তাপপ্রবাহের বিষয়ে বলা হয়, ঢাকা, টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, রাঙ্গামাটি, মাঈজদী কোর্ট, রাজশাহী, পাবনা ও দিনাজপুর অঞ্চলসহ খুলনা এবং বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

  • শক্তিশালী বজ্রবৃষ্টি স্পার্ক বা ফুলকি ধেয়ে আসছে বাংলাদেশের দিকে

    শক্তিশালী বজ্রবৃষ্টি স্পার্ক বা ফুলকি ধেয়ে আসছে বাংলাদেশের দিকে

    স্টাফ রিপোর্টার//শাওন অরন্য:

    শক্তিশালী বজ্রবৃষ্টি ‘স্পার্ক’ বা ফুলকি ধেয়ে আসছে বলে জানিয়েঠে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    ফেসবুকে দেওয়া তথ্যে তারা এ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাব্য সময় জানায় বৃহস্পতিবার থেকে আগামী ১০ জুন পর্যন্ত।

    সম্প্রতি বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ফণি। এবার ভিন্নরকম খবর দিলো আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়ার পূর্বাভাষ অনুযায়ী, এবার বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে প্রচণ্ড শক্তিশালী বজ্রবৃষ্টি ফুলকি।

    শুক্রবার থেকে বজ্রবৃষ্টির বেগ বাড়বে। আবহাওয়া অফিস বলছে, ‘ফুলকি’ চলতি বছরের ৭ম বৃষ্টি বলয় এবং তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বৃষ্টি বলয়’।

    বলা হচ্ছে, কমবেশি বৃষ্টি হলেও একটানা দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা কম। যেহেতু এটি পূর্ণাঙ্গ বৃষ্টি বলয় তাই দেশের ৬৪ জেলায় কমবেশি বৃষ্টি থাকবে’। জানা গেছে, বৃষ্টি বলয় ফুলকি চলাকালে তাপপ্রবাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং তবে দেশের বিভিন্ন জেলায় কালবৈশাখী হানা দিবে।

    ফুলকির কারণে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হতে পারে সিলেট, ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ‘এই বৃষ্টি বলয়ের সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে ‘লাল বজ্রপাত’। যা সাধারণ বজ্রপাত অপেক্ষা অনেক শক্তিশালী। যা দেখা দিতে পারে খুলনা, যশোর, নাটোর, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা এবং আশেপাশের জেলাগুলোতে।

  • ধেয়ে আসছে শক্তিশালী বজ্রবৃষ্টি ‘ফুলকি’!

    ধেয়ে আসছে শক্তিশালী বজ্রবৃষ্টি ‘ফুলকি’!

    শক্তিশালী বজ্রবৃষ্টি ‘স্পার্ক’ বা ফুলকি ধেয়ে আসছে বলে জানিয়েঠে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ফেসবুকে দেওয়া তথ্যে তারা এ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাব্য সময় জানায় বৃহস্পতিবার থেকে আগামী ১০ জুন পর্যন্ত। সম্প্রতি বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ফণি। এবার ভিন্নরকম খবর দিলো আবহাওয়া অফিস।

    আবহাওয়ার পূর্বাভাষ অনুযায়ী, এবার বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে প্রচণ্ড শক্তিশালী বজ্রবৃষ্টি ফুলকি। শুক্রবার থেকে বজ্রবৃষ্টির বেগ বাড়বে। আবহাওয়া অফিস বলছে, ‘ফুলকি’ চলতি বছরের ৭ম বৃষ্টি বলয় এবং তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বৃষ্টি বলয়’।

    বলা হচ্ছে, কমবেশি বৃষ্টি হলেও একটানা দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা কম। যেহেতু এটি পূর্ণাঙ্গ বৃষ্টি বলয় তাই দেশের ৬৪ জেলায় কমবেশি বৃষ্টি থাকবে’।

    জানা গেছে, বৃষ্টি বলয় ফুলকি চলাকালে তাপপ্রবাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং তবে দেশের বিভিন্ন জেলায় কালবৈশাখী হানা দিবে। ফুলকির কারণে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হতে পারে সিলেট, ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ‘এই বৃষ্টি বলয়ের সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে ‘লাল বজ্রপাত’। যা সাধারণ বজ্রপাত অপেক্ষা অনেক শক্তিশালী। যা দেখা দিতে পারে খুলনা, যশোর, নাটোর, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা এবং আশেপাশের জেলাগুলোতে।’

  • তিন দিনের মধ্যে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা

    তিন দিনের মধ্যে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা

    বেশ কিছুদিন ধরে দেশব্যাপি ব্যাপক তাপদাহ অব্যাহত রয়েছে। তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকলেও আগামী তিনদিনের মধ্যে বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে। বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা, মাদারীপুর, রাঙামাটি, চাঁদপুর, নোয়াখালী, রাজশাহী এবং পাবনা অঞ্চলসহ খুলনা এবং বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে আগামী তিনদিনের মধ্যে বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।এদিকে, আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানান, মার্চ এপ্রিল ও মে এই সময়টা পশ্চিমা লঘুচাপ থাকে এবং সাধারণত ১ জুন থেকে শুরু হয় মৌসুমি চাপ। এই দুই প্রভাবে বৃষ্টির প্রবনতা বৃদ্ধি পায়। সেই ক্ষেত্রে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই সারাদেশে বৃষ্টি হতে পারে। এতে তাপপ্রবাহ কমবে।বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; খুলনা, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের দুএক জায়গায় অস্থায়ী দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যশোর ও খুলনায় ৩৮.০ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়। রাজধানীতে ছিল ৩৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • বরিশালের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত, নদী বন্দরে ২ নম্বর সতর্কতা

    বরিশালের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত, নদী বন্দরে ২ নম্বর সতর্কতা

    অনলাইন ডেস্ক :: সারাদেশের কিছু কিছু জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে সারাদেশের দিন রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সঙ্কেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

    মঙ্গলবার (২১ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মাদারীপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, নোয়াখালী, রাঙ্গামাটি, বরিশাল এবং পটুয়াখালী অঞ্চলসহ খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু এলাকায় প্রশমিত হতে পারে। তবে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    এ দিকে আবহাওয়া অফিস, রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের নদীবন্দর সমূহকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সঙ্কেত দেখাতে বলেছে। আবহাওয়া অফিস জানায়, রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সঙ্কেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    এছাড়া দেশের অন্যত্র পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সাথে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদী বন্দরসমূহকে ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সঙ্কেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও রাঙ্গামাটি অঞ্চলসহ রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

    মঙ্গলবার সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ৩৭ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ৫টা ১৩ মিনিটে।

    গতকাল দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোর ও মংলায় ৩৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী ৩ দিনে বৃষ্টিপাতের কার্যাশক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।

  • বরিশালে আবার বাড়বে তাপমাত্রা!

    বরিশালে আবার বাড়বে তাপমাত্রা!

    বরিশালসহ দেশের কিছু কিছু এলাকায় আজও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে। তবে এর পর তিন দিন তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
    আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন জানান, বরিশালসহ দেশের কিছু কিছু এলাকায় আজও সামান্য বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    দেশের কয়েকটি এলাকায় বিরাজমান তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে বলে জানান তিনি।
    আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    খুলনা, যশোর ও মংলা অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে বিরাজমান মৃদু তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
    গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে খুলনায় ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল রংপুরে ২০ দশমিক শূন্য ডিগ্রী সেলসিয়াস।
    আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আদ্রতা ছিল ৮২ শতাংশ। ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ৩৪ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ১৬ মিনিটে।
    পরবর্তী তিন দিনে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।
    আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল অতিক্রম করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

    আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘন্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৫৬ মিলিমিটার।

    এদিকে আজ বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাংগাইল, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘন্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

  • সম্মিলিতভাবে ফণীর পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ

    সম্মিলিতভাবে ফণীর পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ

    লন্ডনে সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘূর্ণিঝড় ফণী পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম সম্মিলিতভাবে গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার (৬ মে) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের প্রেক্ষিতে সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী গৃহীত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের পর্যালোচনা করা হয়। এই বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব/সিনিয়র সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ দিক নির্দেশনায় ও সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঘূর্ণিঝড় ফণী সফলভাবে মোকাবেলা করায় সকলকে ধন্যবাদ জানান।

    বৈঠকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলায় তার মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরেন। তিনি জানান, এরূপ দুর্যোগ মোকাবেলা করার জন্য সারাদেশে আরও ৭ হাজার আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা প্রয়োজন।

    বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব সভায় অবহিত করেন, যে সকল জেলায় ঘূর্ণিঝড় ফণী আঘাত করেনি সে সকল জেলার কর্মকর্তা/কর্মচারীগণকে আক্রান্ত জেলায় নিযুক্ত করে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাসমূহের বিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের লাইন জরুরিভাবে মেরামত করা হয়েছে। বর্তমানে সকল জেলায় বিদ্যুৎ সচল রয়েছে।

    পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় উপকূলীয় অঞ্চলে ৪ হাজার ৬৬৫ কিলোমিটার বাঁধের মধ্যে ‘ঘূর্ণিঝড় ফণী’ জনিত কারণে ২৪৩টি স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ২টি বাঁধে বড় ধরনের ক্ষতি সাধিত হয়। অবশিষ্ট ২৪১টি বাঁধ মেরামত/রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে। মুখ্য সচিব দ্রুততার সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামতের নির্দেশ দেন।

    কৃষি সচিব সভায় জানান, সাম্প্রদিক ঘূর্ণিঝড়ে উপকূলীয় জেলাসমূহে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে। কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য সম্ভাব্য কার্যক্রম প্রণয়নে কৃষি বিভাগ কাজ করছে।

    মঙ্গলবার (৭ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঘূণিঝড় ফণী পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম সম্পর্কে পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা এতে উপস্থিত থাকবেন। সভায় ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের বড় দুর্যোগ মোকাবেলায় মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করা হবে।

  • সিডর কেড়ে নিল বড় ছেলে, মা ও ছোট ছেলেকে ফণী

    সিডর কেড়ে নিল বড় ছেলে, মা ও ছোট ছেলেকে ফণী

    বড় ছেলেকে কেড়ে নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় সিডর। আর এবার নিজের মা ও ছোট ছেলেকে নিয়ে গেল ফনী। ফণীর আঘাতে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের দরিদ্র জেলে ইব্রাহিমের ছেলে ও মা ঘরের নীচে চাপা পড়ে নিহত হয়েছেন।

    এর আগে ২০০৭ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় সিডর যখন উপকূলে আঘাত হানে তখন মাছ ধরার ট্রলারে ছিলেন ইব্রাহীম। পরে ঝড়ে উল্টে যায় তার ট্রলার। সাগরে ভাসতে থাকেন তিনি। এদিকে আশ্রয় প্রকল্পে যাওয়ার সময় জলোচ্ছ্বাসের কারেণ স্ত্রী জেসমিনের কোল থেকে ছিটকে পড়ে চিরতরে হারিয়ে যায় তাদের একমাত্র ছেলে।

    সর্বশেষ গত শুক্রবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে প্রলয়ংকরী আরেক ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতে ঘরের নীচে চাপা পড়ে নিহত হন তার মা নূরজাহান বেগম এবং ছোট ছেলে জাহিদুল।

    এই ঘটনার পর  ইব্রাহীমের বড়িতে যান বরগুনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেন। এই সময় তিনি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৪০ হাজার টাকা তুলে দেন ইব্রাহীমের হাতে। এ সময় তিনি বলেন, ইব্রাহীম অনেক কষ্ট করে জীবন নির্বাহ করছে।

    ইব্রাহীম যাতে সরকারি ও বেসরকারিভাবে আরো সহযোগিতা পান সেই বিষয়ে সচেষ্ট থাকবেন বলেও জানান তিনি।

  • ফণীর তাণ্ডব, গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় ভুগছেন উপকূলবাসী

    ফণীর তাণ্ডব, গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় ভুগছেন উপকূলবাসী

    ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাব কেটে গেছে। কিন্তু এখনও আতঙ্ক কাটেনি উপকূলবাসীর। ফণীর প্রভাবে উপকূলের সহস্রাধিক এলাকার বেড়িবাঁধ এখন হুমকির মুখে। উপকূলীয় এলাকার মানুষ জোয়ারের তোড়ে বেড়িবাঁধ ভেঙে গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় ভুগছেন।

    ফণী শনিবার সকাল ৯টায় খুলনা অঞ্চল অতিক্রম করলেও দমকা বাতাস আর বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। তীব্রভাবে আঘাত না করলেও ফণীর তাণ্ডবে দাকোপ ও কয়রা উপজেলার অনেক বেড়িবাঁধে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী বালির বস্তা দিয়ে বেড়িবাঁধের ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছেন।

    খুলনা জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ফণীর তাণ্ডবে খুলনা জেলায় ৪ সহস্রাধিক ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া দুটি গ্রাম প্লাবিত এবং ১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ফণীর প্রভাবে খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় সব নদ-নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ থেকে ৪ ফুট উচ্চতা জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। জোয়ারের পানির তোড়ে দাকোপ ও কয়রা উপজেলার বেশ কয়েকটি স্থানের বেঁড়িবাধে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে দাকোপ উপজেলার পশুর নদীর পাশের বানিশান্তা বাজার সংলগ্ন বেড়িবাঁধ এবং কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ নদ ও শাকবাড়ীয়া নদী সংলগ্ন ২ নম্বর কয়রা, গোবরা, ঘাটাখালি, হরিণঘাটা, খালেরগড়া এবং আংটিহারা গ্রামের পানি উন্নয়ন বোর্ডের (ওয়াপদা) বাঁধ।

    khulna-Fani2

    দাকোপ উপজেলার বানিশান্তা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য হালিমা হাওলাদার জানান, বর্তমানে অমাবশ্যার (গোন) সময় চলছে। এতে পশুর নদীর জোয়ারের পানি ৩-৪ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ফণীর তাণ্ডব আর পশুর নদীর জোয়ারের পানির কারণে বানিশান্তা বাজারের উত্তর পাশে ২০০ হাত বেড়িবাঁধ চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। যেকোনো সময় এ বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাঁধ ভেঙে গেলে ২০০ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়বে। তিনি বলেন, স্থানীয় মানুষ বালির বস্তা দিয়ে বাঁধ রক্ষার চেষ্ট করছেন। তিনি বলেন, বাঁধ ভাঙনের আশঙ্কায় অনেকে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।

    এ দিকে ফণীর তাণ্ডব ও জোয়ারের পানির তোড়ে কপোতাক্ষ নদ ও শাকবাড়ীয়া নদীর পাশের ৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধে ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে। এরমধ্যে তিন কিলোমিটার এলাকা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।

    স্থানীয়রা জানান, বেড়িবাঁধ ভেঙে গেলে কপোতাক্ষ পাড়ের ২ নম্বর কয়রা, গোবরা, ঘাটাখালি, হরিণঘাটা, খালেরগড়া এবং শাকবাড়ীয়া নদী পাড়ের আংটিহারা গ্রামের অন্তত ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়বে।

    স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ঘূর্ণিঝড় ফণীতে কয়রা উপজেলায় ২ হাজার পরিবার ও প্রায় ৭০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    অপরদিকে খুলনা জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ঘূর্ণিঝড় ফণীর তাণ্ডবে জেলায় ৪ হাজার ৬৪০টি ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরমধ্যে ৯৯০টি বাড়ি সম্পূর্ণ ও ৩ হাজার ৬৫০টি ঘর-বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া দুটি গ্রাম প্লাবিত ও এক কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ে টিনের চালা ভেঙে একজন আহত হয়েছেন। তবে গবাদি পশুর কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে এখনও ফসল ও মৎস্য সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

    khulna-Fani2

    জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা আজিজুল হক জোয়ার্দার বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণীতে যে ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হয়েছিল তা হয়নি। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্র থেকে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    খুলনা আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ বলেন, শনিবার সকাল ৯টায় ঘূর্ণিঝড় ফণী খুলনা অঞ্চল অতিক্রম করেছে। গত শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত খুলনায় ২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আরও দুদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে তিনি জানান।

    খুলনার জেলা প্রশাসক মো. হেলাল হোসেন বলেন, ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ সংস্কারের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া বেড়িবাঁধগুলো স্থায়ীভাবে মেরামত করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

    তিনি জানান, আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ায় গতকাল শনিবার দুপুরের মধ্যেই অধিকাংশ মানুষ সাইক্লোন শেল্টার ছেড়ে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছে।

  • ফণীর বিপদ কেটে গেছে : দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী

    ফণীর বিপদ কেটে গেছে : দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী

    ঘূর্ণিঝড় ফণী’র বিপদ কেটে গেছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

    শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঘূর্ণিঝড় ফণী সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

    তিনি বলেন, আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেছেন। ফণীর বিপদ কেটে গেছে। তেমন কোনও ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আমাদের কোনও সমস্যা হবে না।

    ঘূর্ণিঝড়ে চারজন নিহত হয়েছে জানিয়ে এবং প্রাণহানির এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আশ্রয়কেন্দ্রে না যাওয়ার কারণেই তাদের প্রাণহানি ঘটেছে। ভবিষ্যতে যেন আর কেউ আশ্রয়কেন্দ্রের বাইরে না থাকে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আশ্রয়, খাদ্য, চিকিৎসা, নগদ টাকা কোনও কিছুরই অভাব ছিল না। নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারের জন্য ইতোমধ্যে ২০ হাজার টাকা পাঠানো হয়েছে।

    ক্ষয়-ক্ষতির সম্পূর্ণ তথ্য পেতে ২৪ ঘণ্টা সময় লাগবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার সরকার সামর্থবান এবং ধনী সরকার। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আমাদের কোনও সমস্যা হবে না। বিদেশিদের কাছেও হাত পাততে হবে না।

    আবহাওয়া অধিদফততরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের বিপদ কেটে গেছে। ঘূর্ণিঝড়টি এখন স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। সেজন্য ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা লোকজন বিকাল ৪টা থেকে বাড়ি ফিরে যেতে পারবেন। তাদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

    তিনি জানান, ১৯টি জেলার ৪ হাজার ৭১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৬ লাখ ৪০ হাজার মানুষকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। ফসল এবং গবাদি পশুর তেমন কোনও ক্ষতি হয়নি। বরগুনায় ২ জন, ভোলায় একজন ও নোয়াখালীতে একজন মারা গেছেন। এদের মধ্যে দুইজন ঘর চাপা পড়ে এবং দুইজন গাছ চাপা পড়ে মারা গেছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে না যাওয়ার কারণেই এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

    প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছিলেন সেভাবেই আমরা কাজ করেছি। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রম চালানোর জন্য নৌ এবং বিমানবাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যেখানে যেভাবে কাজ করা প্রয়োজন তারা সেভাবেই কাজ করবেন।

    সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামসুদ্দিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।