Category: আবহাওয়া

  • বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা আরও কমবে

    বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা আরও কমবে

    নীলফামারী, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, পাবনা, মৌলভীবাজার জেলাসমূহে এবং সীতাকুণ্ড উপজেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এটি অব্যাহত ও বিস্তার লাভ করতে পারে।

    এ ছাড়া সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    রোববার সকাল থেকে পরবর্তী তিন দিনে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। খবর বাসসের।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

    পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বাড়তি অংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর বাড়তি অংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে বিস্তৃত রয়েছে।

    তেঁতুলিয়ায় রোববার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তাপমাত্রা কম থাকায় সেখানে তীব্র শীত পড়েছে।

    ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩, ময়মনসিংহে ১১ দশমিক ৩, চট্টগ্রামে ১৫, সিলেটে ১০ দশমিক ২, রাজশাহী ১০ দশমিক ১, রংপুরে ১০ দশমিক ২, খুলনায় ১২ এবং বরিশালে ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

  • কমবে শীত, তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস

    কমবে শীত, তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস

    মাঘের শেষে এসে সারা দেশে বইছে শৈত্যপ্রবাহ। চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও রেকর্ড করা হয়েছে গতকাল সোমবার। এমন অবস্থায় জবুথবু দেশের মানুষ।

    সেই শৈত্যপ্রবাহ কেটে গিয়ে শীত আজ থেকেই কমতে শুরু করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা প্রায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।

    অবশ্য শীত কমলেও তিন বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। ফলে মেঘ থাকায় সেসব এলাকায়ও শীত কম পড়বে।

    অধিদপ্তর বলছে, বৃষ্টি চলে গেলে নিশ্চিত করা যাবে, এ বছর শীত বিদায় নিচ্ছে না আরও কিছুদিন থাকবে।

    দেশের সবচেয়ে বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে হিমালয়ের পাদদেশ এলাকা উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। জেলার তেঁতুলিয়ায় গতকালও ছিল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    তেঁতুলিয়াতেই মঙ্গলবার সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রা প্রতিদিনই একটু একটু করে বাড়বে।

    আবহাওয়াবিদ আব্দুল হামিদ বলেন, ‘ঢাকায় আজ ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বেড়ে গেছে। শুধু ঢাকাই নয়, সারা দেশেই তাপমাত্রা আজ থেকে বাড়বে। আগামীকালও তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে, এভাবে আগামী কয়েক দিন সারা দেশেই বাড়বে।’

    তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টি হবে বলে জানান তিনি।

    এই আবহাওয়াবিদ বলেন, ‘শীত এবারের মতো বিদায় নেবে কি না সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না। কারণ সামনে একটি বৃষ্টির ইভেন্ট আছে। বৃষ্টির ওপরে নির্ভর করে শীত থাকছে না চলে যাচ্ছে।’

    তিনি বলেন, ‘আগামীকাল সিলেট, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় হালকা বা গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এই বৃষ্টির দু-এক দিন পরই দেশব্যাপী মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৃষ্টি হওয়া-না হওয়ার বিষয়টিও নির্ভর করছে আগামীকালের বৃষ্টির ওপর।’

    তিনি জানান, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকায় ঘন কুয়াশা থাকতে পারে, অন্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। অবশ্য এ সময় দেশের বেশির ভাগ জেলায় দেখা মিলবে সূর্যের।

  • বরিশালে বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা

    বরিশালে বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা

    মৌসুমি বায়ু ও সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির কারণে আগামী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকাসহ দেশের প্রায় সবখানেই কমবেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী দুইদিন বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। আজ রোববার (১৩ জুন) রাতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর এসব তথ্য জানিয়েছে। পাশাপাশি একাধিক অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নং সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী দুইদিন বৃষ্টিপাত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। তবে আগামী ৫ দিনের আবহাওয়ার পরিস্থিতি সামান্য পরিবর্তন হতে পারে বলে উল্লেখ করেছে আবহাওয়া অফিস।

    আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ আরও জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় সিলেটে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ঢাকা বিভাগের নিকলিতে ৪৩ মি.মি.। এছাড়া গড়ে প্রায় সবখানেই বৃষ্টি হয়েছে।

    নদীবন্দরে সতর্কতা সংকেত

    আজ রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদী বন্দরসমূহের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চল সমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর (পুনঃ) সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

  • ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াসে’ দখিনের ৯ জেলার ২৭ উপজেলা

    ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াসে’ দখিনের ৯ জেলার ২৭ উপজেলা

    ঘূর্ণিঝড়‘ইয়াস’ বুধবার (২৬ মে) সকাল থেকে ভারতের উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে। এর প্রভাব থেকে বাংলাদেশ এখন সম্পূর্ণ মুক্ত। তবে ‘ইয়াস’র প্রভাবে অতি জোয়ার বা জলোচ্ছ্বাসে উপকূলীয় ৯ জেলার ২৭ উপজেলার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    বুধবার (২৬ মে) দুপুরে সচিবালয়ে সার্বিক ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান এ কথা জানান। ভোলার লালমোহন উপজেলায় গাছ চাপা পড়ে একজন মারা গেছেন বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

     

    তিনি জানান, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে- শ্যামনগর, আশাশুনি, কয়রা, দাকোপ, পাইকগাছা, শরণখোলা, মোংলা, মোরেলগঞ্জ, মঠবাড়িয়া, বরগুনা সদর, পাথরঘাটা, আমতলী,

    পটুয়াখালী সদর, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী, দশমিনা, মির্জাগঞ্জ, কলাপাড়া, চরফ্যাশন, মনপুরা, তজুমদ্দিন, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, ভোলা সদর, হাতিয়া, রামগতি ও কমলনগর।

  • তাপদাহ থেকে এখনই নিস্তার মিলবে না, থাকবে সপ্তাহের বেশি

    তাপদাহ থেকে এখনই নিস্তার মিলবে না, থাকবে সপ্তাহের বেশি

    ফল পাকা জ্যৈষ্ঠের শুরুতেই তাতিয়ে উঠছে প্রকৃতি। অসহনীয় উষ্ণতা ছড়াচ্ছে। অস্বস্তিকর তাপপ্রবাহ, ভ্যাপসা গরম আর কিয়দংশে ঝড়বৃষ্টি কবলিত এখন দেশ। ৫ বিভাগে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনার মধ্যে ১০টি অঞ্চল ও দুটি বিভাগের উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তাপপ্রবাহ।

    রবিবার থেকে ব্যারোমিটারের পারদ ফের ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ সতর্কবার্তা বলছে, তাপদাহ থেকে এখনই নিস্তার মিলবে না। আরও অন্তত ৭-৯ দিন ক্রমাগত তাপমাত্রা বাড়তে পারে।

    সোমবার সকাল থেকেও বয়ে যাচ্ছে গরম হাওয়া। হাঁসফাঁস করছে প্রাণীকুল। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অথচ রবিবার ছিল ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

     

    আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস বলেন, ২৬ মে পর্যন্ত দেশে তাপপ্রবাহ থাকবে। মাঝে সামান্য বৃষ্টি হতে পারে। এদিকে আজ দুপুরে ঢাকা বিভাগের মধ্যে ফরিদপুরে সর্বোচ্চ ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি, মাদারীপুরে ৩৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি ও গোপালগঞ্জে ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল রাজশাহী (সর্বোচ্চ ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস), খুলনা (সর্বোচ্চ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ও বরিশালে (সর্বোচ্চ ৩৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস)।

    আবহাওয়াবিদ মো. আবদুর রহমান খান বলেন, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত আছে। এ কারণে ঢাকা, টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাঙামাটি, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, রাজশাহী, পাবনা অঞ্চল এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে ইতিবাচক দিক হচ্ছে, বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কম, ৫৮ শতাংশ। এ কারণে ঘাম দিচ্ছে না। আগামী এক সপ্তাহে এই পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।বরং তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

    পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কুমিল্লা অঞ্চলসহ সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু–এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যান্য স্থানের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

     

    আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলছেন, এপ্রিল-মে-জুন মাস বাংলাদেশের উষ্ণতম সময়। বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে তাপমাত্রা বেশি থাকে। কখনো তাপপ্রবাহ চলে। এই সময়ে তুলনামূলক বৃষ্টিপাতও কম হয়ে থাকে। এই বাস্তবতার কারণেই এপ্রিল মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে ৭৯ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছিল।

    চলতি বছরের শুরু থেকেই বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের চেয়ে কম হচ্ছে। এপ্রিলেও সারাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৭৯ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতর থেকে প্রকাশিত তথ্যে বিষয়টি উঠে এসেছে। বৃষ্টি কম হওয়ার কারণ হিসেবে সেখানে বলা হয়েছে, পশ্চিমা ও পূবালী লঘুচাপের প্রভাব কম থাকায় স্বাভাবিক অপেক্ষা কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। পশ্চিমা লঘুচাপের সঙ্গে পূবালী বায়ু প্রবাহের সংযোগ এবং বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে জলীয়বাষ্পের যোগান বৃদ্ধি পাওয়ায় ৪, ১৬, ২১ ও ৩০ এপ্রিল দমকা বা ঝড়ো হাওয়া এবং বিজলী চমকানোসহ সিলেট, চট্টগ্রাম, ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রপাত হয় বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    তাদের তথ্যমতে, এপ্রিলে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ রেকর্ড হয়েছে ২১ এপ্রিল। এ দিন ঢাকায় সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ৮৩ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় তাপীয় লঘুচাপ অবস্থান করায় ২০ ও ২৫ এপ্রিল রাজশাহী, যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহসহ ১ থেকে ৪, ১০ থেকে ১৬, ১৯ থেকে ২১ এবং ২৩ থেকে ৩০ এপ্রিল খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ঢাকা, রংপুর, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগের অনেক স্থানে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ (৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বয়ে যায়।

     

    এ সময় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস যশোরে (২৫ এপ্রিল) রেকর্ড করা হয়। এ মাসে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন – দুই শ্রেণির তাপমাত্রাই স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ছিল। এপ্রিলের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে যথাক্রমে ১ দশমিক ৭ এবং দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।

    এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, গত কয়েক বছরের মধ্যে এ বছর বৃষ্টিপাত একটু কম। মার্চ, এপ্রিল, মে মাসে পশ্চিমা ও পূবালী লঘুচাপের প্রভাব কম থাকায় স্বাভাবিক অপেক্ষা কম বৃষ্টিপাত হয়েছে।

  • আবারো তাপপ্রবাহ, তাপমাত্রা বাড়ার আভাস

    আবারো তাপপ্রবাহ, তাপমাত্রা বাড়ার আভাস

    টানা কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হলেও ফের শুরু হয়েছে তাপপ্রবাহ। ফলে আগামী কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন স্থানের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়বে।

    আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক রোববার (১৬ মে) জানান, বর্তমানে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ বিস্তৃত রয়েছে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত।

    এ অবস্থায় সোমবার (১৭ মে) ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু’একজায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    এদিকে ঢাকা, টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাঙামাটি, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, রাজশাহী ও পাবনা অঞ্চলসহ খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। এসময় ঢাকায় দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে বাতাসের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১৫ কিমি, যা অস্থায়ীভাবে দমকায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমিতে উঠে যেতে পারে।

    অন্যদিকে ঢাকা, পাবনা, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, মাদারীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলের উপর ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিমি বেগে পশ্চিম-উত্তর ও পশ্চিম দিক থেকে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরকে দুই নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যত্র একই দিক থেকে ৪৫ থেকে ৬০ কিমি বেড়ে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরকে এক নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    মঙ্গলবার পর্যন্ত আবহাওয়ার তেমন পরিবর্তন নেই। তবে বর্ধিত পাঁচদিনে তাপমাত্রা বাড়ার আভাস রয়েছে।

    রোববার দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে নেত্রকোণায় ৫০ মিলিমিটার। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাঙামাটিতে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যথাক্রমে ৪৪ মিলিমিটার ও ৩৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • বরিশালে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত!

    বরিশালে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত!

    বরিশালে আজ মঙ্গলবার (১১ মে) সারাদিন ছিল বৃষ্টির আনাগোনা, সঙ্গে ছিল দমকা বাতাসও। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হয়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় সকালেও মুসলধারে বৃষ্টি হয়েছে।

    এখনও আকাশ মেঘলা। যেকোনও সময় আবার শুরু হতে পারে বৃষ্টি। সেইসঙ্গে কোনও কোনও এলাকায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার। আবহাওয়া অধিদফতর এসব তথ্য জানিয়েছে।

    অধিদফতর জানায়, আজ উত্তরাঞ্চলের তুলনায় দেশের মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি। এদিকে বৃষ্টির সঙ্গে দমকা হওয়া থাকায় নদী বন্দরগুলোতে দেওয়া হয়েছে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত। এছাড়া চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বাদে অন্য বিভাগে মাজারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

    আবহাওয়াবিদ ওমন ফারুক বলেন, ‘আজ সারাদিন থেমে থেমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। এটি সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে। গত দুই দিন উত্তরাঞ্চলে যে পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে, সেই তুলনায় আজ মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টি বেশি হচ্ছে।

    আমরা খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের নদী বন্দরগুলোতে ২ নম্বর এবং অন্য এলাকাগুলোয় ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছি।’

    আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, লঘুচাপের বধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং এর কিছু অংশ বাংলাদেশ এলাকায় অবস্থান করছে।

    এর প্রভাবে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

    এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদী বন্দরগুলোর জন্য পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

    এসব এলাকার নদী বন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া অন্য এলাকার নদী বন্দরগুলোক ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে ময়মনসিংহে ৭৫ মিলিমিটার। এছাড়া দিনাজপুরে ৬৬, বদলগাছিতে ৬৩, বগুড়ায় ৩৯, ডিমলায় ৩৭, নিকলিতে ৩৫, নেত্রকোনায় ৩৪, টাঙ্গাইলে ৩১, সৈয়দপুরে ৩০, ঢাকায় ২৪, কক্সবাজারে ১৯, রাজারহাটে ১৮, শ্রীমঙ্গলে ৮, রংপুরে ৬, সন্দ্বীপে ৫, মাইজদীকোটে ৪, রাজশাহী ও কুতুবদিয়ায় ৩; খেপুপাড়া, টেকনাফ, সিলেটে, ও ফরিদপুরে ১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া পটুয়াখালী, ঈশ্বরদী, গোপালগঞ্জে সামান্য বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

  • তীব্র গরমে সুস্থ থাকার কী উপায়

    তীব্র গরমে সুস্থ থাকার কী উপায়

    গরমে পুড়ছে গোটা দেশ। রাজশাহী, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আর রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অবশিষ্টাংশসহ ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, রংপুর, সিলেট ও বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

    আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এই তীব্র তাপমাত্রা চলতি সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত চলবে। কিন্তু এই প্রচণ্ড গরমে দেখা যায় শিশু ও বৃদ্ধসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন। সতর্ক না হলে সাধারণ পানিশূন্যতা, বদহজম থেকে হিটস্ট্রোকের মতো সমস্যায়ও পড়তে পারেন যে কেউ।

    মানবশরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকে, কিন্তু তার জন্য সুদিং বা শীতল তাপমাত্রা হচ্ছে ২০ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।

    আর বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে মানবশরীরের সহ্যসীমার মধ্যে থাকে। কিন্তু তাপমাত্রা এবং বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ এর চেয়ে বেশি হলে মানবশরীর সহ্য করতে পারে না। তখন বিভিন্নরকম অস্বস্তি ও সমস্যা দেখা যায়।

    এমনকি তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে মানুষের হিটস্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

    কিন্তু তীব্র গরমে সুস্থ থাকার কী উপায়?

    পানি এবং পানিজাতীয় খাবার খেতে হবে শরীরের পানিশূন্যতা ঠেকাতে এ সময় প্রচুর পানি এবং পানিজাতীয় খাবার খেতে হবে।

    পানি, স্যালাইন, ফলের রস, সরবত, ডাব এ ধরণের পানীয় শরীরে আর্দ্রতা যোগায়।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পানিশূন্যতার বিষয়টিকে খুবই গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ পানিশূন্যতার ফলে স্ট্রোক পর্যন্ত হতে পারে।

    পানি ও পানি-জাতীয় খাবারের পাশাপাশি পানি রয়েছে এমন প্রচুর সবজি ও ফল খাওয়া উচিত।

    তরমুজ, আনারস, জাম্বুরা, আপেল এমন ফল শরীরের গরমের ভাব কমাতে সাহায্য করে।

    এ ছাড়া প্রচুর সবজি খেলে পরিপাকক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। তাতে শরীরের অস্বস্তি কমে।

    সূর্যের আলো থেকে দূরে থাকতে হবে-

    দিনের যে সময়ে তাপমাত্রা বেশি থাকে সে সময় সরাসরি রোদে না যাওয়া বা অতিরিক্ত পরিশ্রম না করা।

    বাংলাদেশে সাধারণত সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সূর্যের আলো সবচেয়ে প্রখর থাকে।

    সূর্যের আলোতে যেতে হলে ছাতা, টুপি, পায়ে জুতা-স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।

    চোখ নিরাপদ রাখতে সানগ্লাস ব্যবহার করুন। কোথাও যাওয়ার আগে সাথে পানি অবশ্যই নেবেন।

    ভাজাপোড়া এবং জাঙ্ক ফুড বাদ-

    তীব্র গরমে ভাজাপোড়া মুখরোচক খাবার, কিংবা জাঙ্ক ফুড শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

    বার্গার, পটেটো চিপস বা পিৎজার মতো খাবারে প্রচুর ক্যালরি, সোডিয়াম ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। ফলে একদিকে যেমন গরম বেশি লাগে, তেমনি মুখে অরুচি এবং বদহজমের আশঙ্কা তৈরি হয়। ফলে এ ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

    একই সাথে ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

    ঢিলেঢালা ও সুতি কাপড়-

    বিশেষজ্ঞরা গরমে হালকা, ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের সুতি কাপড় পরার পরামর্শ দেন।

    এ ধরণের কাপড়ে তাপ শোষণ হয় দ্রুত এবং বাতাস আসা-যাওয়া করতে পারে, ফলে গরম কম লাগে।

    ঘর ঠাণ্ডা রাখা-

    ঘর যাতে ঠাণ্ডা থাকে এবং ঘরে যাতে বাতাস প্রবেশ করতে পারে, সে ব্যবস্থা করতে হবে। ঘরের মধ্যে গাছ থাকলে তা তাপ শুষে নেয়। পাকা মেঝে হলে বারবার ঘর মুছে দিলে ঘর ঠাণ্ডা থাকে।

    যেসব অসুস্থতা হতে পারে-

    প্রচণ্ড গরমে সাধারণত অতিরিক্ত ঘামের কারণে পানিশূন্য হয়ে পড়ে মানুষের শরীর।

    পানিশূন্যতার কারণে দ্রুত দুর্বল হয়ে যায় মানুষের শরীর। এ ছাড়া বদহজম ও পেট খারাপ এবং পানি-বাহিত বিভিন্ন ধরণের রোগ বালাই হতে পারে এ সময়।

    রোটাভাইরাসসহ বিভিন্ন ভাইরাসজনিত পাতলা পায়খানা হতে পারে। মাথা ঘোরা এবং বমিভাব, কারো ক্ষেত্রে বমিও হতে পারে। এধরণের অসুস্থতা সাধারণত একটু সতর্ক হলে এড়িয়ে চলা সম্ভব।

    কিন্তু অতিরিক্ত গরমে যদি কারো শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, দুর্বলতা, মাথা ঝিমঝিম-ভাব হয় কিংবা মাথা ঘুরে পড়ে যায়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

  • দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ বইছে

    দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ বইছে

    দেশে সোমবার (১৯ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে তীব্র তাপপ্রবাহ। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়। আজ বুধবার (২১ এপ্রিল) তৃতীয় দিনেও তা অব্যাহত আছে।

    বুধবার (২১ এপ্রিল) সকাল ৯টা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

    তাপপ্রবাহের বিষয়ে বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের উপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তার মধ্যে গতকাল রাজশাহীতে ৪০ দশমিক ৩ ডিগ্রি, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়ার কুমারখালী ও পাবনার ঈশ্বরদীতে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস করে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।

    বগুড়া, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, খুলনা, মংলা, সাতক্ষীরা, যশোর ও রাঙ্গামাটি অঞ্চলসহ ঢাকা এবং বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

    এদিকে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে বলেও জানিনা আবহাওয়া অফিস।

  • রোববার থেকে সারাদেশে শীতের প্রকোপ

    রোববার থেকে সারাদেশে শীতের প্রকোপ

    সারাদেশে রবিবার থেকে শীতের প্রকোপ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কমতে পারে তাপমাত্রা।

    এছাড়া সারাদেশে আজ বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    এদিকে, বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে সিলেট ও টেকনাফে ২৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

    আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বাড়তি অংশ পশ্চিমবঙ্গ ও এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।