Category: আবহাওয়া

  • মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ১ ডিগ্রি

    মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ১ ডিগ্রি

    দেশের কিছু অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ কথা বলা হয়েছে।

    এতে বলা হয়, গোপালগঞ্জ, কুমিল্লা, তেঁতুলিয়া, রাজারহাট ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

    আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৭ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে টেকনাফে ২৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    সারাদেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যস্থানে হালকা থেকে মাঝারী ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

    সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় আবহাওয়া পরিস্থিতির সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

  • বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    মধ্য বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সমুদ্রবন্দরে স্থানীয় তিন নম্বর সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

    আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপটি উত্তর /উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। অপরদিকে সৃষ্ট দক্ষিণপশ্চিম মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশ থেকে বিদায় নিয়েছে।

    আজ রোববার সকাল ৯ টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় , ঢাকা,ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর বিভাগের দু’একটি জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    এছাড়া সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় সারাদেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে।

    ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫ টা ১৯ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যেদয় ভোর ৬ টা ৫ মিনিটে।

  • দেশের নদীবন্দরে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত

    দেশের নদীবন্দরে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত

    ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় দেশের ছয়টি অঞ্চলের নদীবন্দরে দুই নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি এবং বাকি অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

    বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে এ সতর্কতা জারি করা হয়।

    দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস বলেছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে দুই নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    দেশের অন্য অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

    আজ সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণ-পূর্ব বা পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

    ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

  • দুর্গাপূজায় বাগড়া দিতে পারে বৃষ্টি

    দুর্গাপূজায় বাগড়া দিতে পারে বৃষ্টি

    হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা আগামী বৃহস্পতিবার ষষ্ঠী তিথিতে শুরু হয়ে যাবে। পরদিন শুক্রবার থেকে দলে দলে মানুষ প্রতিমা দর্শনে করবেন। সোমবার দশমীতে বিসর্জন হবে এবারের পূজা। তবে দুর্গাপূজাতে বাগড়া দিতে পারে বৃষ্টি।

    রবিবার সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী দুই দিনের মধ্যে মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। সোমবার আবহাওয়াবিদ মো. আফতাব উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, লঘুচাপটি এখনো সৃষ্টি হয়নি তবে দ্রুতই সৃষ্টি হবে।

    তিনি বলেন, এবার দুর্গাপূজার সময় বৃষ্টি আছে। বৃষ্টি একটু বেশি থাকবে ২২ ও ২৩ অক্টোবর। তারপরেও ২৪, ২৫, ২৬, ২৭ অক্টোবর বৃষ্টি একেবারে উঠে যাবে না। ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত কমবেশি বৃষ্টি থাকবেই।

  • দুয়ারে কড়া নাড়ছে শীত

    দুয়ারে কড়া নাড়ছে শীত

     

    #বদলে গেছে প্রকৃতি! গ্রামীণ এমনকি যান্ত্রিক শহরে শেষ রাতে কুয়াশায় ঢাকা পড়ছে।

    ভোরের শ্যামল বাংলা এখন কুয়াশার চাদরে মোড়া। সকাল-সন্ধ্যায় ঘাসের সবুজ গালিচায় বিন্দু বিন্দু শিশির পরতে শুরু করেছে।

    এতেই অনুভূতি হচ্ছে দুয়ারে হাতল নাড়ছে শীত ষড়ঋতুর দেশে শীত আসে উৎসবের আমেজ নিয়ে। সকালের সোনা রাঙা রোদ টিকড়ে পরে শ্যামল বাংলার মেঠোপথে। সারাদিন গরমের অনুভুতি হলেও বিকেলে পুনরায় শীত নেমে আসে।

    শীতে প্রকৃতি থেকে প্রচুর সুবিধা নেয় মানুষ। ভোরে ঘাস ও গাছের পাতায় দেখা মেলে টলমলে শিশির। গভীর রাতে টিনের চালে বাজে টপটপ শিশিরের শব্দ। হিমেল হাওয়ার সাথে বাগানে ও বাড়ির উঠোনে গাঁদা ফুল গাছও যেন সজীব ও সতেজ হয়ে উঠতে শুরু করেছে।

    শিশির স্নিগ্ধতায় কলাপাতার রঙও হয়ে উঠেছে উজ্জ্বল। এসবই শীতের চিত্র।শীতে শিশির বিন্দু লেগে থাকে ধান গাছের পাতায়। সারাবছর ফুলহীন ছাতিম গাছেও এসেছে ফুল।

    এ ফুলের মৌ মৌ গন্ধে মিশে আছে শীতের আমেজ। ফুলের মোহনীয় রূপ পাওয়া যায় শীতে। তাই বাহারি ফুলের দোলায় শীতে আমাদের চারপাশে নান্দনিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় বহুগুণ।

    বাজারে অল্প স্বল্প করে উঠতে শুরু করেছে শীতের সবজি। বাজারে ঢুকলেই চোখে পরছে হরেক রকম শীতের সবজি। ইতোমধ্যে শীতকালীন সবজির মধ্যে বাজারে উঠেছে বেগুন, ফুলকপি, পাতাকপি, মুলা, শিম ও লাউ। শীতকে ঘিরে লেপ-তোষকের দোকানগুলোতেও ধরে আস্তে ভিড় বাড়ছে। নতুন নতুন অর্ডার নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।সব মিলিয়ে শীত অাসছে
    দুয়ারে কড়া নাড়ছে শীত ….।।
    ই – মেইল ঃ belalahmamed 5500@ gmail. com
    বেলাল অাহমেদ শান্ত……
    লেখক, যুগ্ম সম্পাদক
    ৭১’ মুখপত্র দৈনিক বিপ্লবী বাংলাদেশ।।

  • বরিশালের বিভিন্ন নদীর পানি বিপদসীমার উপরে, দুর্ভোগ

    বরিশালের বিভিন্ন নদীর পানি বিপদসীমার উপরে, দুর্ভোগ

    উত্তরাঞ্চলের বন্যার পানির চাপ এবং অমাবশ্যার জো’র জোয়ারের প্রভাবে বরিশালের কীর্তনখোলা সহ বিভাগের বিভিন্ন নদীর পানি বিপদসীমার অতিক্রম করেছে। এ কারণে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, দোকানপাঠ, ফসলি জমিসহ বিস্তির্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বরিশাল নগরীর অনেক এলাকাও পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও হাটু পানি আবার কোমড় সমান পানির কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন ওইসব এলাকার বাসিন্দারা।

    বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টার পর থেকে কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রমকরে ধীরে ধীরে খাল ও ড্রেন হয়ে নগরীর বিভিন্ন প্রবেশ করে। এতে নগরীর সদর রোড সহ বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘর বাড়ি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়েন সব শ্রেণি পেশার মানুষ। সব চেয়ে সমস্যায় পড়েন নিম্ন আয়ের মানুষ। বিভিন্ন স্থানে রান্না করার চুলা ডুবে যাওয়ায় অনেক পরিবারে রান্নাও বন্ধ হয়ে গেছে। আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে গেছে।

    নগরবাসী জানান, গত তিন চার দিন ধরে বিকেলে জোয়ারের পানি শহরে প্রবেশ করছে। তবে দুই দিন ধরে পানির উঠছে বেশী।
    বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ফসলি জমি, পুকুর তলিয়ে লাখ লাখ টাকার মাছ ও ফসলের ক্ষতি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে বাঁধ ও রাস্তাঘাট ভেঙ্গে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। নিচু এলাকার হাট-বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তা-ঘাট, বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধির ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশংকা করছে এলাকাবাসী।

    মেঘনা তীরবর্তী উলানিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লিটন জানান, পানিবন্দি মানুষদের বিভিন্ন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যর পক্ষ থেকে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    পানির তীব্র স্রোতে বরিশাল সদরের লামচরি, বাবুগঞ্জের আগরপুর, রহমতপুর, মেহেন্দিগঞ্জ সদর, শ্রীপুর, চরগোপালপুর, উলানিয়া সহ বিভিন্ন উপজেলায় নদী ভাঙন তীব্র হয়েছে।

    বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার, হিজলার ধর্মগঞ্জ নদীর পানি ১৮ সেন্টিমিটার, মির্জাগঞ্জের পায়রা নদীর পানি ৬৪ সেন্টিমিটার, আমতলীর বুড়িশ্বর নদীর পানি ৩৭ সেন্টিমিটার, পাথরঘাটার বিষখালী নদীর পানি ৫০ সেন্টিমিটার, বরগুনার বিষখালী নদীর পানি ৫৭ সেন্টিমিটার এবং ভোলার তেতুলিয়া নদীর পানি ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

    বরিশালসহ বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় গত কয়েকদিন ধরে লাগামহীন বৃষ্টি হয়েছে। এতে মানুষের জীবন যাত্রা ব্যহত হচ্ছে।

  • ঝালকাঠিতে প্রবল বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

    ঝালকাঠিতে প্রবল বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

    ঝালকাঠির বিষখালী-সুগন্ধা ও গাবখান নদীর জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে তিন-চার ফুট বৃদ্ধি ও বিরামহীন প্রবল বর্ষণের কারণে গত তিন দিন যাবৎ নিম্নাঞ্চলের হাজার হাজার বাড়ী-ঘর প্লাবিত হয়েছে।

    শত শত পুকুর ও জলাশয়ের মাছ ভেসে গেছে, পানের বরজ, কৃষির ব্যপক ক্ষতিসহ আমনের বীজতলা তিন-চার ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে, গ্রামের সংযোগ সড়ক পানির স্রোতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ভেঙ্গে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। আমুয়া হাসপাতাল সংলগ্ন সানু সিকদারের বাড়ীর সামনে থেকে রাস্তাটি ভেঙ্গে যাওয়ায় হাসপাতালের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

    ঝালকাঠি শহরের নিম্নাঞ্চল, নলছিটি ও রাজাপুর বিভিন্ন গ্রাম পানিতে প্লাবিত। বিশেষ করে ভেরি বাঁধ না এবং বিষখালী নদীর তীরবর্তী হওয়ায় কাঠালিয়া উপজেলা পরিষদের মৎস্য, পরিসংখ্যান, যুবউন্নয়ন, সমবায়, আনসার বিডিপি, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ও ডরমেটির ভবনগুলোর অফিসকক্ষে পানি ঢুকে পরেছে। উপজেলা পরিষদের ভবনের সামনের রাস্তা, সাব রেজিস্ট্রি অফিস ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের রাস্তার উপরে দেড় থেকে দুই ফুট পানিতে প্লাবিত হয়েছে। নিম্নাঞ্চলের অধিকাংশ বাড়ী ঘরের আঙ্গিনা ও রান্নার চুলায় পানি ঢুকে পরায় শত শত পরিবার রান্না করতে পারছেন না। গবাদি পশুর ঘর ও গোখাবার পানিতে ডুবেযাওয়ায় অনেকেই পার্শ্ববর্তী উচু জায়গায় গবাদি পশু সরিয়ে নিয়েছেন। তবে গোখাদ্যের অভাব রয়েছে প্রকট। পানি বৃদ্ধির কারনে পোল্ট্রি খামারিরা মারাত্মক দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

    পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন বিপদ সীমার ৩৫ সেন্টি মিটার উপর দিয়ে এ সব নদী গুলোর পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

  • উপকূলে স্বাভাবিকের চেয়ে ১-২ ফুট অধিক জোয়ারের শঙ্কা

    উপকূলে স্বাভাবিকের চেয়ে ১-২ ফুট অধিক জোয়ারের শঙ্কা

    সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং এর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরের নিম্নাঞ্চলে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১-২ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জোয়ারের পানি প্লাবিত হতে পারে।

    শুক্রবার (২১ আগস্ট) আবহাওয়া অধিদফতর এ তথ্য জানিয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে এ ধরনের জোয়ারের পূর্বাভাস দিয়ে আসছে আবহাওয়া অফিস।

    আজকের পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, ভারতের বিহার-গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি বর্তমানে ভারতের মধ্যপ্রদেশের মধ্যভাগ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় রয়েছে এবং বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

    চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

    উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতেও বলেছে আবহাওয়া অফিস।

  • বরিশাল নগর জুড়ে হাঁটু পানি, জনদুর্ভোগ চরমে

    বরিশাল নগর জুড়ে হাঁটু পানি, জনদুর্ভোগ চরমে


    রেজুয়ানুর রহমান সফেনঃ- 

    বরিশাল নগরীর বিভিন্ন অলিতে গলিতে বাসা-বাড়িতে থৈ থৈ পানি। গত কয়েকেদিন ধরে বৃষ্টিতে বরিশালের কিছু স্থান জুড়ে হাঁটু পানি কোথাও কোমর সমান পানি উঠে গেছে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। একই সাথে যানবাহন সংকটে পড়েছেন নগরবাসী। অপরদিকে টানা বর্ষণে বৃষ্টির পানিতে বরিশাল কীর্তনখোলা নদীর পানি বেড়েছে।
    নগরীর ও সদর উপজেলার সড়কগুলো কিছুদিন আগে জোড়াতালি দিয়ে ঠিক করলেও আবারও আগের চিত্রই দেখা যাচ্ছে। ফলে সড়কগুলোর করুণ অবস্থার কারণে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধাররণ জনগণকে। কিছু জায়গায় জলাবদ্ধতা কমলেও কিছু কিছু জায়গায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। ফলে জীবনযাত্রা ব্যহত হচ্ছে। বৃষ্টির পানির সাথে নোংরা পানি এখন একাকার। ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা এবং নোংরা পানি এখন রাস্তার উপর।
    এদিকে বুধবার রাতে টানা বৃষ্টির ফলে ভেসে যায় পুরো নগরী। বৃষ্টির পানিতে নগরীর গুরুত্বপুর্ণ সড়ক বটতলা টু চৌমাথা, কাকুলির মোর, লঞ্চ ঘাট এলাকা, বেপটিস্ট মিশন,শেরে বাংলা সড়ক, বান্দ রোড, কেটিছি রোড, রাজা বাহাদুর সড়ক, গোরস্থান রোড, বগুড়া রোড,রুপাতলি এলাকা, কালিজিরা এলাকা, লাহার হাট এলাকা, চরআইচা /কর্নকাঠী সহ পুরো সদর উপজেলা, কাউনিয়া এলাকা সহ প্রায় বরিশালের সবকটি রাস্তায় পানিতে তলিয়ে গেছে।
    অপরদিকে বরিশালের ঐতিহ্যবাহী কীর্তনখোলা নদীর পানি ব্যাপক হারে বেড়েছে। বালু শ্রমিকরা বালু তোলা বন্ধ রেখেছেন।
    নদীর পাশে এলাকাবাসি চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। বেড়েছে সাপের আনাগোনা। ইতিমধ্যে ৬ জন কে সাপে কামড়েছে।
    নগরীর বটতলা এলাকার গৃহবধু মাজেদা বেগম বাংলার মুখকে জানান, অল্প বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পনি জমে। এমনকি ঘরেও পানি ওঠে।
    রুপাতলি হাউজিং এলাকার বাসিন্দা মোঃ সাইমুন বলেন, রুপাতলি একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকাটি অবহেলিত।অল্প বৃষ্টিতে সড়ক ব্যবহারের অনুপযোগি হয়ে পড়ে। বিশেষ করে রোগীদের সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।রউফুন আব্দুল্লাহ্ ওহি জানান,,, আব্দুল হামিদ মিয়া সড়কে প্রবেশ মুখে বৃষ্টি হলে পানি জমে যায়। অনেক সময় লাগে সরতে। রাস্তাটি অনেক নিচু । তাই বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায়। বাচ্চাদের নিয়ে চরম ভোগান্তিতে আছি। রান্নাবান্না বন্ধ। বাইরে যেতে হলে হাটুর উপরের সমান পানি পেড়িয়ে যেতে হবে।

  • পায়রাসহ সাত নদীবন্দরে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি, ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা

    পায়রাসহ সাত নদীবন্দরে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি, ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা

    স্টাফ রিপোর্টার // সাইফুল ইসলাম :
    বরিশাল ও পটুয়াখালিসহ সারাদেশে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। পাশাপাশি সাতটি অঞ্চলের নদী বন্দরকে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত আর বাকি অঞ্চলগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

    এতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।