Category: ক্যাম্পাস

  • ৩৭ শিক্ষার্থীর জামিনে ‘ঈদের খুশি’ পরিবারে

    ৩৭ শিক্ষার্থীর জামিনে ‘ঈদের খুশি’ পরিবারে

    সাউথ-ইস্ট ইউনিভার্সিটির বিবিএ’র ছাত্র ইকতিদার হোসাইন অয়নের বাবা এবাদত হোসেন তালুকদারের চোখে আনন্দাশ্রু। আদালত এলাকা থেকেই ছেলের জামিন পাওয়ায় খুশির খবর মোবাইল ফোনে জানাচ্ছিলেন স্বজনদের। এরপরই ছেলেকে মুক্ত করতে ছুটে গেলেন কেরাণীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে। শুধু অনয় নন, রোববার ঢাকার তিনটি আদালতে ৩৭ শিক্ষার্থী জামিন পেয়েছেন।

    নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা ও ভাংচুরের অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। এখন নতুন মামলায় গ্রেফতার না দেখালে জামিনপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মুক্তিতে কোনো বাধা নেই। আর এক দিনে ৩৭ শিক্ষার্থীর জামিনে তাদের পরিবার ও স্বজনের মধ্যে ‘ঈদের খুশি’ ছড়িয়ে পড়ে।

    ঢাকার থানা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে- আন্দোলনের সময় সংঘাত, ভাঙচুর, উসকানি ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ এ পর্যন্ত ৫১টি মামলায় ৯৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে ৫২ জন শিক্ষার্থী।

    পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের ডিসি আনিসুর রহমান  বলেন, বুধবার ৩৭ শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে জামিন আবেদন করা হয়। তারা সবাই জামিনও পেয়েছেন।

    কেরাণীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুব আলম  বলেন, শিক্ষার্থীদের জামিন সংক্রান্ত কাগজপত্র পাওয়ার পরপরই তাকে মুক্তি দেওয়া হবে।

    বাড্ডার থানার মামলায় গ্রেফতার মেহেদী হাসানের জামিনের সংবাদ শুনে তার বাবা এম এ মাসুদ খান আদালতের বারান্দায় কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, ‘আজ আমার আনন্দের দিন। ছেলে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে পরিবারের সবাই ভেঙে পড়ছিল। ঈদের আগে ছেলে জামিন পাওয়ায় আমরা খুশি।’

    জাহিদুল হক নামে এক শিক্ষার্থীর জামিন পাওয়ার পর তাদের বোন জাফরিন হকের খুশি ছিল দেখার মতো। জাফরিন চিৎকার বলে বলছিলেন- ‘ভাইয়ার জামিন হয়েছে। ভাইয়াকে এখন মুক্ত করতে পারব।’ এরপরই আদালত এলাকায় আনন্দে কেঁদে ফেলেন জাফরিন। শিক্ষার্থীদের জামিন শুনানির দিন ধার্য থাকায় গতকাল সকাল থেকে আদালত চত্বরে হাজির হন তাদের স্বজন ও সহপাঠীরা। একে একে তারা জামিন লাভের পর সহপাঠীরা সেখানে উল্লাস প্রকাশ করেন। অনেকে ‘ভি’ চিহ্ন দেখান।

    ধানমন্ডির মামলায় গ্রেফতার হন দুই ভাই মাহমুদুর রহমান ও মাহবুবুর রহমান। মাহমুদ পড়েন ইউল্যাবে। আর মাহবুব বিএফ শাহীন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছেন। বো সাড়ে ১১টার দিকে জামিন হওয়ার খবর শুনেই তাদের স্বজনরা বলেন, ‘দুই ভাইয়ের জামিন হয়েছে। এতে তারা আমরা খুশি। এক সঙ্গে ঈদ করা যাবে। ‘

    ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম সাইফুজ্জামান হিরো এবং ঢাকা মহানগর হাকিম এ কে এম মঈনউদ্দিন সিদ্দিকী ৩৭ শিক্ষার্থীর জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন। আসামিপক্ষের অন্যতম আইনজীবী আখতার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ঈদ ও পরীক্ষা- এই দুই দিক বিবেচনা করে বিচারকরা আসামিদের জামিন দিয়েছেন।

    জামিন পাওয়া ৩৭ জনের মধ্যে ২২ জন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আফতাব নগরের ইষ্ট ওয়েষ্ট, বসুন্ধরা এলাকার নর্থ সাউথ, তেজগাও এলাকার সাউথ ইষ্ট ও মহাখালীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। জামিন পেয়েছেন ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয় ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আলাদা তিন মামলায় ৯ শিক্ষার্থীরও। ঢাকা মহানগর হাকিম সারাফুজ্জামান আনছারীর আদালতে ৫ হাজার টাকায় মুচলেকায় জামিন হয় নয়জনের। এরা হলেন-সোহাদ খান, মাসরিকুল ইসলাম, তমাল সামাদ, মাহমুদুর রহমান, ওমর সিয়াম, মাহাবুবুর রহমান, ইকবাল হোসেন, নাইমুর রহমান ও মিনহাজুল ইসলাম।

    গত ৪ আগস্ট বিকেলে ঝিগাতলা ও ধানমন্ডিতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের কর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও অফিস ভাংচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। একই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর শাহবাগ, উত্তরা (পশ্চিম), নিউমার্কেট ও কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা পৃথক মামলায় আরও সাত জনের জামিন হয়েছে।

    বাড্ডা থানার মামলায় জামিন পাওয়া ১৪ ছাত্র হলেন- রিসালাতুল ফেরদৌস, রেদোয়ান আহমেদ, রাশেদুল ইসলাম, বায়েজিদ, মুশফিকুর রহমান, ইফতেখার আহম্মেদ, রেজা রিফাত আখলাক, এ এইচ এম খালিদ রেজা, তারিকুল ইসলাম, নূর মোহাম্মদ, সীমান্ত সরকার, ইকতিদার হোসেন, জাহিদুল হক ও হাসান।

    অন্যদিকে ভাটারা থানার মামলায় জামিন পাওয়া আট ছাত্র হলেন- আজিজুল করিম, মাসাদ মরতুজা বিন আহাদ, ফয়েজ আহম্মেদ আদনান, সাবের আহম্মেদ, মেহেদী হাসান, শিহাব শাহরিয়ার, সাখাওয়াত হোসেন ও আমিনুল এহসান।

    রোববার সকালে আদালতের কাছে শিক্ষার্থীদের পক্ষে আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। অ্যাডভোকেট কবীর হোসেন, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ূয়া, আক্তার হোসেন জুয়েল, মিজানুর রহমান, আদনান রোজীসহ কয়েকজন আইনজীবী এ আবেদন করেন।

    শুনানিতে ছাত্রদের আইনজীবীরা আদালতের কাছে যুক্তি তুলে ধরে বলেন, এসব ছাত্রের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। মামলার এজাহারেও অনেকের নাম নেই। সন্দেহজনকভাবে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

    রাজধানীর কুর্মিটোলায় বাসচাপায় শহিদ রমিজউদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নামে রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। গত ৫ আগষ্ট শিক্ষার্থীরা সড়ক ছেড়ে ঘরে ফিরে গেলেও বেসরকারি কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের চেষ্টা করে। পরদিন পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় ইস্ট ওয়েস্ট, নর্থ সাউথ, সাউথ ইস্ট ও ব্র্যাকের শিক্ষার্থীরা।

  • ২৫ শিক্ষার্থীর জামিন, স্বজনদের চোখে আনন্দাশ্রু

    ২৫ শিক্ষার্থীর জামিন, স্বজনদের চোখে আনন্দাশ্রু

    জাফরিন হক চিৎকার দিয়ে ‘আব্বু, ভাইয়া (জাহিদুল হক) জামিন হয়ে গেছে’ বলেই আদালতের বারান্দায় আনন্দে কেঁদে ফেলেন। জাহিদুল হক সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন চলার সময় ৬ আগস্ট বাড্ডার ভাঙচুরের মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এখন তিনি কারাগারে আছেন। জাহিদুল হকের মতো আরও ২৪ শিক্ষার্থীকে আজ রোববার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত (সিএমএম) জামিন দিয়েছেন।

    নিরাপদ সড়ক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পুলিশের কাজে বাধা এবং গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে করা মামলায় এসব শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার হন।

    ঢাকার থানা ও আদালত সূত্র বলছে, আন্দোলনের সময় সংঘাত, ভাঙচুর, উসকানি ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ এ পর্যন্ত ৫১টি মামলায় ৯৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এঁদের মধ্যে ৫২ জন শিক্ষার্থী। আজ ঢাকার আদালতে জামিন চেয়ে ২৫ শিক্ষার্থীর পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের আইনজীবীরা জামিনের পক্ষে শুনানি করেন।

    শুনানিতে ছাত্রদের আইনজীবীরা আদালতের কাছে যুক্তি তুলে ধরে বলেন, এসব ছাত্রের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। মামলার এজাহারেও তাঁদের নাম নেই। সন্দেহজনকভাবে তাঁদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার সবাই ছাত্র।

    আদালত শুনানি নিয়ে ২৫ শিক্ষার্থীর জামিন মঞ্জুর করেন।

    বাড্ডা থানার মামলায় গ্রেপ্তার ১৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে আজ জামিন পেয়েছেন ১০ জন। আর ভাটারা থানার মামলায় গ্রেপ্তার আট শিক্ষার্থীর মধ্যে জামিন পেয়েছেন ছয়জন। অন্যদিকে, ধানমন্ডি থানার পৃথক তিন মামলায় গ্রেপ্তার নয় শিক্ষার্থীকে জামিন দিয়েছেন আদালত। ধানমন্ডি এলাকায় ভাঙচুর ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। আদালত সূত্র বলছে, গ্রেপ্তার বাকি শিক্ষার্থীদের কারও কারও জামিন শুনানি আগামীকাল হতে পারে।

    কয়েক ছাত্রের স্বজনেরা  জানান, জামিন হওয়ায় এখন তাঁরা কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে যাচ্ছেন। আদালত সূত্র বলছে, আদালত থেকে ছাত্রদের জামিনের কাগজ কারাগারে পাঠানো হবে।

    গত ২৯ জুলাই রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী বাসচাপায় নিহত হন। এরপর ঘাতক বাসচালকের শাস্তি এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা।

    স্বজনদের চোখে আনন্দাশ্রু
    জামিনের আবেদন করেছেন—এমন শিক্ষার্থীদের বাবা-মা, ভাই-বোন আজ সকাল থেকে আদালতে ভিড় করতে থাকেন। ধানমন্ডির মামলায় গ্রেপ্তার দুই ভাই মাহমুদুর রহমান ও মাহবুবুর রহমান। মাহমুদ পড়েন ইউল্যাবে। আর মাহবুব বিএফ শাহীন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে এখন আইইএলটিএস করছেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জামিন হওয়ার খবর শুনেই তাঁদের মা বলে ওঠেন, ‘আমার ছেলেদের জামিন হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।’

    বাড্ডার মামলায় গ্রেপ্তার মেহেদী হাসানের জামিনের সংবাদ শুনে তাঁর বাবা এম এ মাসুদ খান আদালতের বারান্দায় কান্নায় ভেঙে পড়েন।  তিনি বলেন, ‘আজ আমার আনন্দের দিন। ছেলে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে কত যে যন্ত্রণায় ছিলাম, সে কথা কাউকে বোঝাতে পারব না।’ ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের ছাত্র রেদোয়ান আহমেদের বাবা অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ ছেলের জামিন হওয়ায় বেজায় খুশি। তিনিও  বলেন, ছেলের জামিন হওয়ায় খুব ভালো লাগছে।

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নূর মোহাম্মাদের বোন মাবিয়া বললেন, ‘ভাইয়ার জামিন হওয়ায় আমার অনেক ভালো লাগছে। আমরা একসঙ্গে ঈদ করতে পারব’।

    সেদিন স্বজনদের চোখে ছিল উৎকণ্ঠা, ভয়
    বাড্ডার আফতাবনগর এলাকার ভাঙচুরের মামলায় ১৪ ছাত্রকে এবং বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ভাঙচুরের মামলায় ৮ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ৭ আগস্ট ২২ শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এজলাসে স্বজনদের দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন ছাত্ররা। দুই দিনের রিমান্ড শেষে যখন ছাত্রদের প্রিজন ভ্যানে করে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন তা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনেরা।

    জাহিদুল হক ও নূর মোহাম্মাদের আইনজীবী আখতার হোসেন বলেন, ছাত্রদের জামিন করাতে পেরে তিনি নিজেও খুব আনন্দিত।

    যাঁরা আজ জামিন পেলেন
    বাড্ডার মামলায় জামিন পাওয়া ১০ শিক্ষার্থী হলেন রেদোয়ান আহমেদ, রাশেদুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, ইফতেখার আহম্মেদ, রেজা রিফাত আখলাক, এ এইচ এম খালিদ রেজা, তারিকুল ইসলাম, নূর মোহাম্মাদ, জাহিদুল হক ও হাসান। আর ভাটারা থানার মামলায় জামিন পেয়েছেন আজিজুল করিম, মাসাদ মরতুজা বিন আহাদ, ফয়েজ আহম্মেদ আদনান, মেহেদী হাসান, শিহাব শাহরিয়ার ও সাখাওয়াত হোসেন। ধানমন্ডির মামলায় জামিন পাওয়া নয় শিক্ষার্থী হলেন সোহাদ খান, মাসরিকুল আলম, তমাল সামাদ, ওমর সিয়াম, মাহমুদুর রহমান, মাহবুবুর রহমান, ইকবাল হাসান, মিনহাজ রহমান ও নাইমুর রহমান।

  • শিক্ষার্থীদের আইডিকার্ডে থাকবে ইউনিক নম্বর

    শিক্ষার্থীদের আইডিকার্ডে থাকবে ইউনিক নম্বর

    মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের (৬ষ্ঠ থেকে ১০ শ্রেণি পর্যন্ত) প্রোফাইল বা ডাটাবেইজ প্রণয়ন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাশপাশি এ পর্যায়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে ইউনিক আইডেন্টিটি নম্বরসহ আইডিকার্ড দেয়া হবে। ‘ইস্টাবলিশমেন্ট অব ইন্ট্রিগ্রটেড এডুকেশনার ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ প্রকল্পের আওতায় এসব করা হবে।

    এ প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা। বাস্তবায়নের মেয়াদকাল ২০১৭ সালের জুলাই হতে ২০২০ সাল পর্যন্ত। মঙ্গলবার শেরে বাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে একনেকে পাঠানো প্রস্তাবনায় বলা হয়, শিক্ষাতথ্য ব্যবস্থাপনার বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেখা যায় যে, সব শিক্ষা বোর্ড, ব্যানবেইস, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর, মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতর, কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরসহ সব সংস্থা ও দফতর স্ব স্ব উদ্যোগে শিক্ষা তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে একক সমন্বিত ব্যবস্থাপনা না থাকায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের তথ্য পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণে সময় ও অর্থের অপচয় হচ্ছে। পাশাপাশি এনআইডি, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, প্রাথমিক শিক্ষাতথ্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ইত্যাদি তথ্য যাচাইয়ের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এছাড়া ম্যানুয়েল পদ্ধতিতে আবেদন গ্রহণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সেবা প্রদানে দীর্ঘসূত্রিতার সৃষ্টি হচ্ছে।

    তাছাড়া সব মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় অনুষ্ঠিত পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনা সেকেলে। বর্তামান অবস্থায় ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন। বর্তমানে প্রচলিত হার্ডওয়্যার দিয়ে ওইসব সফটওয়্যার পরিচালনা করার ক্ষেত্রে নানারকম কারিগরি সমস্যার সৃ্ষ্টি হচ্ছে।

    এসব সমস্যা সমাধানে ‘ইস্টাবলিশমেন্ট অব ইন্ট্রিগ্রেটেড এডুকেশনার ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে বোর্ডগুলোর জন্য সমন্বিত সফটওয়্যার প্রণয়ন করে ফলাফল প্রকাশ এবং এ সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ বোর্ডগুলোর অধীনেই সহজে করা যাবে। এর বাইরে এ প্রকল্পের আওতায় শিক্ষা-সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের কাজ অটোমেশন করা জন্য আরও বেশ কিছু সফটওয়্যার তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে হার্ডওয়্যার অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। এছাড়া মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের (৬ষ্ঠ থেকে ১০ শ্রেণি পর্যন্ত) প্রোফাইল বা ডাটাবেইজ প্রণয়ন করার উদ্যোগ নেয়া হবে। পাশপাশি এ পর্যায়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে ইউনিক আইডেন্টিটি নম্বরসহ আইডি কার্ড দেয়া হবে।

  • জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ইমিকে ছেড়ে দিয়েছে ডিবি

    জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ইমিকে ছেড়ে দিয়েছে ডিবি

    জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী তাসনিম অাফরোজ ইমিকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

    এ বিষয়ে ঢাবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, ওকে (ইমি) জিঙ্গাসাবাদ শেষে হল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখনও হলে এসে পৌঁছেনি তবে পৌঁছে যাবে। ওর অনেক ইনভলমেন্ট আছে, তবে সামনে ঈদসহ সবকিছু বিবেচনায় তাকে একটি সুযোগ দেয়া হয়েছে।

    এর আগে সন্ধ্যায় ঢাবির শামসুন্নাহার হলের সামনে থেকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নেয়া হয় তাসনিম অাফরোজ ইমিকে। তিনি ঢাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী।

    ইমি কোটা সংস্কার আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি সাংস্কৃতিক সংগঠন স্লোগান-৭১ এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

  • ঢাবি ছাত্রীকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

    ঢাবি ছাত্রীকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হলের সামনে থেকে হলের একজন আবাসিক ছাত্রীকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি নামে ওই ছাত্রীকে মঙ্গলবার সন্ধা সাড়ে সাতটার দিকে তুলে নেওয়া হয়। তবে কি কারণে তুলে নেওয়া হয়েছে তা জানা যায়নি।
    এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী  বলেন, তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়নি, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে। কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে তিনি তা বলেননি।
    এ বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সুপ্রিয়া সাহা বলেন, শুনেছি একজন ছাত্রীকে তুলে নেওয়া হয়েছে। তাকে অবহিত করে তুলে নেওয়া হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাকে অবহিত করা হয়নি। তবে তিনি বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরকে জানিয়েছেন।
    জানা গেছে, তাসনিম আফরোজ ইমি কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তবে তার কোনো পদবী ছিল না। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৩-১৪ সেশনের শিক্ষার্থী। ইমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন স্লোগান ৭১-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রক্তদাতাদের সংগঠন বাঁধনের সাবেক কার্যকরী পরিষদের সদস্য ছিলেন।
  • স্কুলবিহীন গ্রামে আলো ছড়াচ্ছে বঙ্গবন্ধু পরিবারের নামে পাঁচ প্রতিষ্ঠান

    স্কুলবিহীন গ্রামে আলো ছড়াচ্ছে বঙ্গবন্ধু পরিবারের নামে পাঁচ প্রতিষ্ঠান

    সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব প্রথম দেশে অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা চালু করেন। বহু প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করা হয়। পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর তার নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়। ইতিহাসের এমন নিন্দনীয় ঘটনার যাতে আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে এজন্য বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারবর্গের নামে স্কুলবিহীন গ্রামে পাঁচটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করে এলাকায় সাড়া জাগিয়েছেন এক ব্যক্তি।
    তিনি হলেন- গোপালপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সভায় এ পাঁচটি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে অনুমোদন দেয়া হয়। ট্রাস্টের চেয়ারপার্সন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘরে এ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।
    এ পাঁচটি বিদ্যালয় হলো- সোনামুই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরমোহাইল বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা প্রাথমিক বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর দেশরত্ন শেখ হাসিনা প্রাথমিক বিদ্যালয়, চাতুটিয়া শেখ রেহানা প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং আজগড়া শেখ রাসেল প্রাথমিক বিদ্যালয়।
    এ সব গ্রামে কোন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল না। এলাকার বিত্তহীন, দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া পরিবারের শিশুরা দীর্ঘ দিন ধরে শিক্ষা বঞ্চিত হচ্ছিলো। এমতাবস্থায় উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার নিজ উদ্যোগে এবং বিভিন্ন দানশীল ব্যক্তির অনুদানে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে এ পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। স্কুলের জমি কেনা, আসবাব পত্র ক্রয় এবং শিক্ষা সরঞ্জামের ব্যবস্থা করেন তিনি। পরবর্তীতে প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেখানে ভবন নির্মাণ করে দেয়। এ পাঁচ বিদ্যালয়ে ঝরে পড়াসহ প্রায় দুই হাজার দরিদ্র শিশু এখন অবৈতনিকভাবে শিক্ষা গ্রহণ করছে।
    উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার জানান, বঙ্গবন্ধু পরিবারকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য শিক্ষা বঞ্চিত এলাকায় এসব স্কুল করা হয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের যে অপরিসীম অবদান সেটি চিন্তা করেই নামকরণ করা হয়।
  • ভর্তি পরীক্ষায় এমসিকিউ পদ্ধতিতে ফিরল রাবি

    ভর্তি পরীক্ষায় এমসিকিউ পদ্ধতিতে ফিরল রাবি

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আবারো এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

    আগামী ৩ সেপ্টেম্বর আবেদন শুরু হয়ে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সেশনে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    অধ্যাপক আনন্দ কুমার বলেন, এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। ইউনিট থাকবে ৫টি এবং পূর্বে ইউনিট প্রতি ১৬ হাজার শিক্ষার্থীর কথা বলা হলেও সর্বোচ্চ ৩২ হাজার শিক্ষার্থী একটি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় বসতে পারবেন।

    এদিকে ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা এবং পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২২ ও ২৩ অক্টোবর।

    প্রশ্নের মান বণ্টনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগে যেভাবে প্রশ্ন করা হতো সেভাবেই থাকবে।

    এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুস সোবহান। তবে সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এমসিকিউ পদ্ধতির বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়।

    এদিকে আসন সংখ্যা বাড়বে জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক শাখার উপ রেজিস্ট্রার এএইচএম আসলাম হোসেন জানান, দুইটি বিভাগে আসন সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। সেখানে ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স ও ব্যাংকিং ইন্স্যুরেন্স বিভাগে ১০টি করে আসন বেড়েছে এবং ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন বিভাগে ৫০টি আসন রয়েছে। এই হিসাবে মোট আসন বাড়বে ৭০টি।

    তিনি আরও জানান, এ বছর এমসিকিউ এর পাশাপাশি দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে আগামী বছর থেকে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ থাকবে না এবং লিখিত পরীক্ষা নেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • বরিশালে লাইসেন্স না পেয়ে মামলা দিয়েই গাড়ি ছেড়েছেন ববির শিক্ষার্থীরা

    বরিশালে লাইসেন্স না পেয়ে মামলা দিয়েই গাড়ি ছেড়েছেন ববির শিক্ষার্থীরা

    গাড়ির বৈধ কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখিয়েই পার পেয়েছেন বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে চলাচলরত যানবাহনের চালকরা।

    আর যাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিলোনা, তাদের দাড়িয়ে থেকে মামলার বোঝা নিয়ে যেতে হয়েছে গন্তব্যে।

    বৃহষ্পতিবার (০২ আগষ্ট) বেলা ১১ টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত টানা ২ ঘন্টায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সামনে শতাধিক গাড়ির কাগজপত্র ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করেন শিক্ষার্থীরা।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, বেলা ১১ টার দিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের পাশে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন তারা। এসময় যান চলাচল স্বাভাবিক রেখে জনসচেতনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সড়কে চলাচলরত প্রত্যেকটি গাড়ির চালককে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও কাগজপত্র প্রদর্শনের অনুরোধ জানানো হয়।

    যারা ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখাতে পেরেছেন তাদের গাড়ি ছেড়ে দেয়া হয়েছে আর যারা পারেননি তাদের গাড়ি আটকে রেখে ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শফিক জানান, আমরা নিরাপদ সড়কের দাবীতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালন করেছি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও আমাদের সহায়তা করেছে। ইচ্ছে করলে যে কোন কাজ করা সম্ভব তা দেখতেই গাড়ির চালকদের বৈধ লাইসেন্স দেখতে চাওয়া হয়। যেখানে বেশে কিছু গাড়ির চালকের লাইসেন্স না পেয়ে ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে মামলা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

    যাদের মধ্যে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের গাড়িও ছিলোও বলে জানান তিনি।

  • শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনার আহ্বান :জেলা প্রশাসক

    শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনার আহ্বান :জেলা প্রশাসক

    ঢাকায় বাস চাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় দেশব্যাপী চলছে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য বরিশালে শিক্ষক ও অভিভাবকদের নিয়ে সভা করেছেন জেলা প্রশাসক।

    বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) বিকেল ৫টায় বরিশাল জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম,বরিশাল সেরকারী মডেল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মেজর সিরাজুল ইসলাম উকিল, বিএম কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সফিকুর রহমান সিকদার, সরকারি মহিলা কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর আ. মোতালেব হাওলাদার, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবা হোসেনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বলেন, এই ধরনের দুর্ঘটনা যাতে পুনরায় না ঘটে সেইজন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা বৃদ্ধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে রোড সাইন, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির ফিটনেস নিশ্চিত করাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    এই অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

  • কাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে

    কাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে

    সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। কিছুক্ষণের মধ্যে এ বিষয়ে আদেশ জারি করা হবে।

    শিক্ষামন্ত্রী শোকার্ত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শোক সংবরণ করে শান্ত থাকতে এবং ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান।
    এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় শিক্ষামন্ত্রী মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর নিহত ও কয়েকজন শিক্ষার্থীর আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় সহপাঠীর মৃত্যুতে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ আমরা শিক্ষা পরিবারের সবাই শোকার্ত।’
    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ওই দুর্ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা এবং সড়ক পরিবহনকে সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। সে অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং দোষীদের গ্রেপ্তার করেছে। দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়ে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ অব্যাহত আছে।

    সভায় মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষক, অভিভাবক ও অন্যদের শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে শিক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য ভূমিকা রাখতে বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।