Category: ক্যাম্পাস

  • বিমানবন্দরের সামনে মোমবাতি জ্বালিয়ে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    জাবালে নূর বাসের চাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে মোমবাতি জ্বালিয়ে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা।

    মঙ্গলবার রাতে বিমানবন্দরের সামনের সড়কের বিপরীত পাশের ফুটপাতে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বিভিন্ন কলেজের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

    এর আগে, জাবালে নূর বাসের চাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর মৃত্যুর বিচার দাবিতে মঙ্গলবারও রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে উত্তরা ও সাইন্সল্যাবে বাস ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিমানবন্দর সড়কে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি নিরাপদ সড়কের দাবি জানায়।

  • ৯ টাকায় ১ জিবি চাই না, নিরাপদ সড়ক চাই’

    ৯ টাকায় ১ জিবি চাই না, নিরাপদ সড়ক চাই’

    বিমানবন্দর সড়কের বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল পুরো দেশ। বাদ পড়েনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকও। এইরমধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটিতে ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবাদের আগুন ও বিভিন্ন প্রতিবাদী ছবি। দেখা যাচ্ছে, বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন দাবি সম্বলিত ব্যানার এবং ফেস্টুন। যার একটিতে লেখা আছে, আমরা ৯ টাকায় ১ জিবি চাই না, “নিরাপদ সড়ক চাই।”

    এর আগে, রবিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার বিমানবন্দর সড়কের হোটেল র‌্যাডিসনের সামনে জাবালে নূর পরিবহনের দু’টি বাসের প্রতিযোগিতায় নির্মমভাবে প্রাণ হারান কলেজের দুই শিক্ষার্থী। আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। হতাহতের শিকার প্রত্যেকেই শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী। এরপরই কলেজের শিক্ষার্থীরা র‌্যাডিসন হোটেলের সামনের রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। আর ধীরে ধীরে সেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে পুরো রাজধানীতে।

    অন্যদিকে, ‘বিক্ষোভ’ দেখা গেছে ফেসবুকেও। সেখানে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন রকমের মন্তব্য করছেন, প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। পাশাপাশি, বিভিন্ন দাবি সম্বলিত ব্যানার এবং ফেস্টুন দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি এমনই একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটিতে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে ফেস্টুন হাতে একটি ছেলেকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। আর এতে লেখা আছে- আমরা ৯ টাকায় ১ জিবি চাই না, “নিরাপদ সড়ক চাই”।

  • মিরপুরে শিক্ষার্থীদের উপর লাঠিচার্জে এক ছাত্র ঢামেকে

    মিরপুরে শিক্ষার্থীদের উপর লাঠিচার্জে এক ছাত্র ঢামেকে

    মিরপুর ১০ নম্বরে পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত আহাদ আলসান (১৯) নামে এক শিক্ষার্থীকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে মিরপুরের শহিদ পুলিশ স্মৃতি কলেজের এইচএসসি ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাসা মিরপুর ১ নম্বর সেকশনের প্রিয়াঙ্কা হাউজিংয়ের ৫ নম্বর রোডে।

    আহাদের বাবা নুরে আলম জানান, সে সকালে কলেজে যায়। সেখানে কলেজর গেইট বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, সে বাসার উদ্দেশ্যে আসার পথে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় আন্দোলনরত ছাত্রদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জের সময় তার মাথায় ও পিঠে লাঠির আঘাত পড়ে। পরে তার সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে তাকে বিকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিউরোসার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

    ঐ বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উসমান বলেন, তার মাথার সামনে দিকে আঘাত রয়েছে, সেখানে কিছু অংশ ভেঙে দেবে গেছে। তবে ভিতরে রক্তক্ষরণ হয়নি।

  • প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পেলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী

    প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পেলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী

    বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) প্রবর্তিত ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক-২০১৭’ পেয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ মেধাবী শিক্ষার্থী। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    প্রধানমন্ত্রী স্বর্নপদক প্রাপ্ত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থীরা হলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীন অর্থনীতি বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীেেসামা রানী সরকার (প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৯৬), ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীন ম্যানেজমেন্ট স্ট্যাডিজ বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তন্বী দেবনাথ (প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৯৪) এবং কলা ও মানবিক অনুষদের অধীন ইংরেজি বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুরাইয়া আক্তার সুমনা (প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৬৩)।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীর পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জন করায় এই ৩ শিক্ষার্থী ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক-২০১৭’ এর জন্য মনোনীত হয়। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী।

    অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি, ইউজিসি চেয়ারম্যান, শিক্ষা সচিব, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এস এম ইমামুল হকসহ  অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    পদক প্রদান অনুষ্ঠানটি প্রজেক্টরের মাধ্যমে সরাসরি উপভোগ করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, নবীন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ কৃতি শিক্ষার্থীর ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক-২০১৭’ অর্জন অত্যন্ত গৌরব ও আনন্দের। এই অর্জন শুধুমাত্র বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের নয়, সমগ্র বরিশালবাসীর। এই অর্জনকে ভবিষ্যতের প্রেরণা হিসেবে নিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণায় অচিরেই একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

    এর আগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শিক্ষার্থী হিসেবে গনিত বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী ফৌজিয়া শারমিন নিরা ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ২০১৫-২০১৬’ গ্রহণ করেন।

  • তিন শিক্ষার্থীর সাফল্যের গল্প

    তিন শিক্ষার্থীর সাফল্যের গল্প

    এ বছর বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় কলাপাড়া উপজেলায় ৬টি কলেজের মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪ জন। এদের মধ্যে ৩ জনই কুয়াকাটা খানাবাদ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী। নিরলস প্রচেষ্টা ও অধ্যয়নের কাছেই ধরা দিয়েছে তাদের এ সাফল্য। সংগ্রামী ওই শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন তাদের জীবনের লক্ষ্য ও ইচ্ছের কথা।

    মো. শাহজালাল এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রথম হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন মেধাবী ছাত্র হিসেবে। বাবা দুলাল আকন পেশায় একজন জেলে। মা সুফিয় বেগম একজন গৃহিনী।

    লেখাপড়ার প্রতি অদম্য আগ্রহ ও ভালো ফলাফল দেখে তারা উৎসাহ দিয়ে আসছেন সন্তানকে। দুই ছেলে ও এক মেয়ের লেখাপাড়ার খরচ বহন করা অনেকটা অসম্ভব হয়ে পড়ে তাদের কাছে। এসময় মেধাবী ছাত্র শাহজালালকে সহায়তায় এগিয়ে আসেন তার স্কুল ও কলেজের শিক্ষকরা।

    এছাড়া আর্থিক সহায়তা হিসেবে ডাচ বাংলার বৃত্তি তার লেখাপড়ার পেছনে শক্তি জুগিয়েছে। মহিপুর কো-অপারেটিভ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকেও ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ব্যবসা শিক্ষা শাখায় তিনি জিপিএ-৫ পেয়েছেন। জীবনের লক্ষ্য হিসেবে ‘চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট’ হবার স্বপ্ন দেখছেন।

    এইচএসসি পরীক্ষায় এমন সাফল্যে তার অনুভূতি জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, রেজাল্ট পেয়ে আমি আনন্দে কেঁদে দিয়েছি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের প্রতি। বিশেষ করে কলেজের ইংরেজি স্যার আমাকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন।

    লাকী দেওয়ান আরেক জন সফল সংগ্রামী শিক্ষার্থী। বাবা রফিকুল ইসলাম একজন কৃষক। মা বিউটি বেগম গৃহিনী। ২০১৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় খেপুপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জিপিএ ৪.৯৫ পেয়েছেন। স্বামী সহিদ দেওয়ানের সংসারে এসেও কমে যায়নি তার লেখাপড়ার প্রতি বিন্দুমাত্র আন্তরিকতা। স্বামী, সন্তান ও সংসারের ঝামেলা মিটিয়ে তিনি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

    এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক শাখায় জিপিএ ৫ পেয়ে তিনি প্রমাণ করলেন, ‘ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়।’ ভবিষ্যৎ ইচ্ছের কথা জানতে চাইলে বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেট’ হওয়ার স্বপ্ন আছে। সেই লক্ষে পৌঁছাতে চেষ্টা চালিয়ে যাব।

    কুয়াকাটা খানাবাদ ডিগ্রি কলেজের এ বছরের অন্যতম তারকা শিক্ষার্থী নাসিবা জান্নাত সিবা। বাবা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ওই প্রতিষ্ঠানের ভূগোল বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক। মা সুমাইয়া নাসরিন মিনু একজন গৃহিনী। খেপুপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১৬ সালের এসএসসিতে মানবিক শাখায় ৪.৮৮ পেয়েছেন। ২০১৮ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে তিনি কৃতি শিক্ষার্থীর তালিকাভুক্ত হন। ভবিষ্যতে তিনি ‘জজ’ হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

  • উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল-বিফল

    উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল-বিফল

    পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ নিয়ে দেড় দশক ধরে চলছে সামন্তবাদী একঘেয়েমি, উৎকণ্ঠার রাজত্ব। পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনে দেশের ১৭ কোটি মানুষকে দিতে হচ্ছে ধৈর্যের পরীক্ষা। সকাল ১০টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন আর দেশের মানুষ তা জানতে পারে বেলা দুটোর পর। কেননা, শিক্ষামন্ত্রী মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন আর সেখানে তিনি জাতির সামনে কৈফিয়ত দেবেন। কী কৈফিয়ত তিনি এবার দিয়েছেন? এবার নাকি ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে’ উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়েছে। আর তাই পাসের হার এবং জিপিএ-৫ দুটোই কমেছে। মন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতেই হবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে, সম্ভবত পৃথিবীর ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকারী মন্ত্রী এত দিনে ‘বিজ্ঞানসম্মত উত্তরপত্র পরীক্ষণের সূত্র’ আবিষ্কার করেছেন। আর তাতে জাতি নিশ্চয় ধন্য হয়েছে। কী সে পদ্ধতি? কেউ তা জানে না।

    তাঁর আমলে শিক্ষার নামে দেশে পরীক্ষার মচ্ছব চলছে। বোল ফোটার আগেই পড়ুয়াকে বসতে হচ্ছে পরীক্ষায়। পরীক্ষা নামক দানবের খপ্পরে পড়ে লেখাপড়া লাটে উঠেছে, পড়ুয়ার নতুন নামকরণ হয়েছে পরীক্ষার্থী। দেশের সচেতন মানুষের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার কোনো মূল্য নেই; পরীক্ষার মোচ্ছব চলছেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষাকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে আর লেখাপড়া জায়গা খুঁজে নিয়েছে কোচিং সেন্টারে।

    বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় দুটো লুটপাটের জায়গা এখন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য। দুটোতেই লুটেরাদের একাধিপত্য। সেটা সম্ভব করে দিয়েছে এই রাষ্ট্র। তারই সূত্র ধরে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন দুর্বৃত্তদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। আপন ঘরে অনিরাপদ এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়ারাই।

    এবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে দেশের মানুষের উৎকণ্ঠার সীমা ছিল না। মাধ্যমিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রহসনের মধ্য দিয়ে। প্রায় সব পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল। তাই দুশ্চিন্তা ছিল সবার। কিন্তু বাহবা সরকার পেতেই পারে। উচ্চমাধ্যমিকে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এবার অন্তত ছিল না। নির্বিঘ্নে পরীক্ষা নেওয়া গেছে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ সুফল দিয়েছে। পরীক্ষার ফলে তার প্রভাব পড়েছে। কিন্তু মন্ত্রী সেটা উল্লেখ করেননি। তিনি এর মধ্যে ‘বিজ্ঞান’ আবিষ্কার করেছেন। আমরা জানি, যে বিজ্ঞানের কথা মন্ত্রী বলেছেন, সেটা আমলাদের বানানো বার্তা। সেখানে কোনো অভিনবত্ব নেই। শুধু সরকারের একটা সিদ্ধান্ত আছে, পরীক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরে সহানুভূতিসূচক ২/১ নম্বর দিয়ে পাস বা পরবর্তী গ্রেড পাইয়ে না দেওয়া। ফলে কেউ ৩২ পেলেও সহানুভূতির এক নম্বর না পেয়ে ফেল করেছে; আবার ৭৯ পেয়েও মাত্র এক নম্বরের জন্য ৮০ নম্বর না পেয়ে জিপিএ-৫ থেকে বঞ্চিত থেকেছে। এভাবে প্রান্তক নম্বর সংশোধনের বহু পুরোনো নীতির অবসান ঘটেছে। সেটাও গত এক বছর কার্যকর হয়েছে। সুতরাং এ বছর তার নতুন কোনো তাৎপর্য নেই। কিন্তু মন্ত্রী সেটাই বললেন, মুখস্থবিদ্যার মতো।

    আমরা যদি গত তিন বছরের সংখ্যাচিত্র পর্যালোচনা করি, তাহলে ভিন্ন চিত্র দেখতে পাব। যেমন ২০১৬ সালে গড় পাসের হার ৭৪ দশমিক ৭০ শতাংশ, ২০১৭ সালে ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং এ বছর ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। অর্থাৎ আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের গড় পাসের হার গত বছরের চেয়ে ২ দশমিক ২৯ শতাংশ কম। অন্যদিকে, ২০১৬ সালে জিপিএ-৫ পাওয়া মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৮ হাজার ২৭৬, ২০১৭ সালে ৩৭ হাজার ৯৬৯ এবং এ বছর ২৯ হাজার ২৬২। দেখা যাচ্ছে, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমেই কমে যাচ্ছে এবং গত তিন বছরে তা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

    এর পেছনে কী কী কারণ ক্রিয়াশীল ছিল? প্রথমত, প্রশ্ন ফাঁস না হওয়া এবং দ্বিতীয়ত প্রাপ্ত প্রান্তক নম্বর সংশোধন না করা (অর্থাৎ ৭৯ নম্বর পেলে তা ৮০ না করা)। কিন্তু আরও নানা কারণ যুক্ত বলেই মনে হয়। যেমন যখন-তখন সিলেবাস সংশোধন, প্রশ্নের মান পুনর্বণ্টন, মূল বই পড়তে শিক্ষার্থীদের অনীহা, নোট-গাইডের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরতা, উত্তরপত্র মূল্যায়নে কড়াকড়ি আরোপ ইত্যাদি। এর মধ্যে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রসঙ্গ কেন? কী সেই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি? একই উত্তরপত্র ফটোকপি করে ২০ থেকে ২৫ জন প্রধান পরীক্ষককে দিয়ে প্রথমে মূল্যায়ন করা; তারপর তা পর্যালোচনা করে একটি সমন্বিত নমুনা উত্তরমালা তৈরি করে নির্দেশনা প্রস্তুত করা? এটি শিক্ষা বোর্ডে বহু পুরোনো এক পদ্ধতি। সুতরাং উত্তরপত্র মূল্যায়নে শিক্ষামন্ত্রীর কথিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে অভিনবত্বের কিছুই নেই।

    এবারের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় কয়েকটি বিষয় মানুষের নজর কেড়েছে। তার মধ্যে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার কমে গড়ের কাছাকাছি (৬৬.৫১%) আসা। এই বোর্ডে পাসের উচ্চ হার দেশের গড় পাসের হারের চেয়ে সামঞ্জস্যহীনভাবে উঁচু (২০১৫ সালে ৭৭.৫৪%, ২০১৬ সালে ৭৫.৪০%, ২০১৭ সালে ৭১.৩০%) ছিল বলে গত কয়েক বছর সমালোচিত হয়ে আসছিল। এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণে দেখা গেল, আগের সেই অবিশ্বাস্য উচ্চ পাসের হার কমে গেছে। এদিকে সিলেট বোর্ডেও একই ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘকাল যাবৎ এই দুই বোর্ডের পাসের হার নিয়ে সমালোচনা ছিল।

    এবার ইংরেজির পাশাপাশি আইসিটি বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এবারের উচ্চমাধ্যমিকে ফল খারাপের অন্যতম কারণ হিসেবে ইংরেজির পাশাপাশি আইসিটি প্রশ্নপত্র কঠিন হয়েছে—এ কথা যেমন উঠেছে, পাশাপাশি আইসিটি শিক্ষকের অভাবের প্রসঙ্গটিও সামনে চলে এসেছে। সরকারি কলেজগুলোয় আইসিটি পাঠ চলছে গোঁজামিল দিয়ে। সেখানে আইসিটি শিক্ষক নিয়োগের কার্যকর উদ্যোগ নেই। আবার আইসিটি শিক্ষকের যে যোগ্যতা ধরা হয়েছে, তাতে এ বিষয়ে ডিগ্রিধারীরা শিক্ষকতা পেশায় আসতেও আগ্রহী নন। কেননা, সরকারি কলেজে বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার চেয়ে অন্যত্র তাঁরা বেশি সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন। সরকারি কলেজেই যদি আইসিটির উপযুক্ত শিক্ষক না পাওয়া যায়, বেসরকারি কলেজে তা পাওয়ার আশা করা বাতুলতা মাত্র।

    দেশে স্কুল-কলেজগুলোয় লেখাপড়া লাটে উঠেছে। দুপুর ১২টার পর অনেক কলেজেই ছাত্রছাত্রীর দেখা মেলে না। তারা কোচিং সেন্টারে ছোটে। আর উঠে গেছে ব্যবহারিক ক্লাস। কয়টি কলেজে এখন বিজ্ঞান বিষয়গুলোর ব্যবহারিক ক্লাস হয়? পাবলিক পরীক্ষায় টাকা দিয়ে ব্যবহারিকে ফুল মার্ক পাওয়ার পাকা বন্দোবস্ত এখন সারা দেশে। নৈতিকতার চরম অবক্ষয়ই এর প্রধান কারণ। সময় এসেছে এসব অনাসৃষ্টি থেকে জাতিকে উদ্ধারে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার।

    এবার দেশের ৫৫টি কলেজ থেকে একজনও পাস করেনি। প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, এই কলেজগুলো স্থাপিত হয়েছে কীভাবে? সেগুলো কি বোর্ডের অনুমোদন পেয়েছে? গত দুই দশকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন একটি লাভজনক ব্যবসায়ে পরিণত হয়েছে। আর সে ব্যবসার পেছনে যাঁরা সক্রিয়, তাঁদের থাকে রাজনৈতিক ক্ষমতা। সাধারণভাবে ক্ষমতাসীন দলের লোকেরাই এসব প্রতিষ্ঠান স্থাপনের আসল হোতা এবং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করেই তার স্বীকৃতি আদায় করা হয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘শর্ত শিথিল’ করে এসব প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দিতে লোকগুলোকে বাধ্য করে। শিক্ষাক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এসবের একটা বিহিত হওয়া দরকার।

    আমিরুল আলম খান: যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান

  • বরিশাল বিএম কলেজছাত্র নিখোঁজ

    বরিশাল বিএম কলেজছাত্র নিখোঁজ

    অনলাইন ডেস্ক// বরিশাল সরকারি বিএম কলেজ থেকে এবারের এইচএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী কাজী অনর্ঘ আহমেদ ১৮ জুলাই বিকেলে নগরীর সদর গার্লস স্কুলের সামনে আইকন কোচিং সেন্টারের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। এরপর থেকে সে আর বাসায় ফেরেনি।
    স্বজনেরা সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজির পরও তার কোন সন্ধ্যান না পেয়ে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। যার নম্বর ৭০৯, তারিখ ১৯-০৭-২০১৮।

    কোন সহৃদয় ব্যক্তি কাজী অনর্ঘ’র সন্ধ্যান পেলে তার বাবা কাজী মহিউদ্দিন আহমেদের সাথে (মোবাইল নম্বর ০১৭১৮৫১০৫৭৯) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ রইলো। অর্ঘদের বাসার ঠিকানা: ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ ৩য় তলা, বৈদ্যপাড়া, বরিশাল।

  • যৌন হয়রানির অভিযোগে এক শিক্ষক বরখাস্ত, প্রক্টরকে অব্যহতি

    যৌন হয়রানির অভিযোগে এক শিক্ষক বরখাস্ত, প্রক্টরকে অব্যহতি

    ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে একই বিভাগের তিন শিক্ষককে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠায় রুহুল আমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এছাড়াও দায়িত্বে অবহেলার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জাহিদুল কবীরকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। আর এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়।
    জানা যায়, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুহুল আমিন গত চার বছর ধরে নানাভাবে উত্যক্ত করে আসছিল বলে গত মঙ্গলবার অভিযোগে জানিয়েছেন একই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও দুই শিক্ষিকা।
    অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, রুহুল আমিন মঙ্গলবার একাডেমিক কমিটির সভা শেষ হওয়ার পর বিভাগীয় প্রধানকে চোখ টিপ দিলে তিনি তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করেন এবং এর আগেও তাকে বিভিন্ন সময় এসএমএস, মেসেঞ্জারে অশ্লিল ছবিসহ নানাভাবে হয়রানি করা হয়। এছাড়াও একই বিভাগের আরো দুই শিক্ষিকাকেও উত্যক্ত করে আসছিল। এ ব্যপারে তারা সাবেক ভিসি মোহিত উল আলমের কাছেও মৌখিক অভিযোগ করেন বলে উল্লেখ করা হয় ওই অভিযোগ পত্রে।
    অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার ভিসি স্বাক্ষরিত এক নোটিশে অভিযুক্ত শিক্ষক রুহুল আমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই সাথে দায়িত্বে অবহেলার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জাহিদুল কবীরকে অব্যহতি প্রদান করা হয়। আর এ ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আজিজুল হককে প্রধান করে ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. একেএম জাকির হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাহবুবা কানিছ কেয়াকে সদস্য করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।
    এ বিষয়ে অভিযুক্ত রুহুল আমিনের জবাব, একাডেমিক সভায় ভাল রেজাল্টধারী শিক্ষার্থীদের মাস্টার্সে ফেল করিয়ে তাদের শিক্ষাজীবন ধবংস করতে চেয়েছিল বিভাগীয় প্রধানসহ কতিপয় শিক্ষক-শিক্ষিকা। আমি এর প্রতিবাদ করায় আমার বিরুদ্ধে এরকম জঘন্য মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন তারা।
    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জাহিদুল কবীর জানান, আমাকে কি কারণে অব্যহতি দিয়েছে আমি জানিনা। তবে আমি ঘটনা শুনার পরপরই শিক্ষিকার বাসায় গিয়ে খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করেছি।
    এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নারী শিক্ষকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমি অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছি এবং এ বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার ব্যপারে প্রক্টর জাহিদুল কবীরের বিরুদ্ধে কয়েকজন শিক্ষক অভিযোগ করায় তাকেও অব্যহতি দিয়েছি। তদন্ত কমিটি রিপোর্ট প্রকাশ করার পরে আমরা সিন্ডিকেটে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।

  • বরিশালে র‌্যাব ৮ এর  উদ্যোগে স্কুল, কলেজে বিশেষ মাদক বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা

    বরিশালে র‌্যাব ৮ এর উদ্যোগে স্কুল, কলেজে বিশেষ মাদক বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা

    জাকারিয়া আলম দিপুঃ আগামী ১৬ জুলাই রোজ শোমবার সকাল ১০৩০ ঘটিকায় ‘‘বরিশাল সরকারি কলেজ’’ প্রাঙ্গণে র‌্যাব-৮, বরিশাল এর আয়োজনে মাদক বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে।

    প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, বিপিএম, পিপিএম এবং অনুষ্ঠানে  সভাপতি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন র‌্যাব-৮ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি আতিকা ইসলাম।

    মাদক বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বরিশালের স্বনামধন্য  ০৮টি স্কুল ও কলেজ অংশগ্রহন করবেন।

    ক। বরিশাল সরকারি কলেজ
    খ। বরিশাল সরকারি বিএম কলেজ
    গ। বরিশাল সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ
    ঘ। বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ
    ঙ। বরিশাল সরকারি আলেকান্দা কলেজ
    চ। বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ
    ছ। বরিশাল অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়
    জ। বরিশাল ইসলামিয়া কলেজ

    উল্লেখ্য, উক্ত অনুষ্ঠানে বরিশালের সকল স্কুল,কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র- ছাত্রী,  ইলেকট্রনিক/প্রিন্ট মিডিয়া সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

  • ঢাবি ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের ঘোরাফেরায় নিষেধাজ্ঞা

    ঢাবি ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের ঘোরাফেরায় নিষেধাজ্ঞা

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত। বহিরাগতরা বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ/প্রক্টরের পূর্বানুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসে অবস্থান, ঘোরাফেরা এবং কোনো ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।
    গত ৫ জুলাই রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলসমূহের প্রভোস্ট কমিটির মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত হয়। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলসমূহে সাম্প্রতিককালে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষাপট বিবেচনা ও সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কমিটির এক সভা গত ৫ জুলাই ২০১৮ বৃহস্পতিবার রাতে অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্তসমূহ হলো ছাত্রত্ব নেই এমন অছাত্রকে কর্তৃপক্ষ হলে অবস্থান করতে দেবেন না এবং অনতিবিলম্বে অছাত্রদের (যদি থাকে) হল ছাড়ার নির্দেশ সম্বলিত নোটিশ প্রদান করবেন। এতদিবষয়ে প্রয়োজনে হল কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেবেন। হল প্রশাসনের পূর্বানুমতি ব্যতীত কোনো অভিভাবক ও অতিথিও হলে অবস্থান করতে পারবেন না।
    বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা ও নিরাপত্তা সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সকল মহলের সদয় সহযোগিতা কামনা করা হয়। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিবেন বলে বলা হয়।