Category: প্রচ্ছদ

  • টিকা নিলেও সচেতন থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    টিকা নিলেও সচেতন থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার এবং কিছুক্ষণ বাদে বাদে হাত পরিস্কার করা অব্যাহত রাখার জন্য দেশবাসীর প্রতি আবারো আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    তিনি বলেছেন, ভ্যকসিন নিলেও এই স্বাস্থ্যবিধি সবাইকে মেনে চলতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাস্কটা ব্যবহার করতে হবে। মাস্ক পরা, হাত ধোয়া অব্যাহত রাখতে হবে। মানে টিকা যারা নিয়েছে তাদেরও। এটা মনে করলে হবে না যে, আমি টিকা নিয়েছি তাই একদম নিরাপদ। সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার সকালে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে সভাপতিত্বকালে সভার প্রারম্ভিক আলোচনায় এসব বলেন।

    তিনি গণভবন থেকে এবং মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি বৈঠকে অংশ নেন।

    প্রধানমন্ত্রী টিকা প্রদানকে আরো সহজ করতে গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘এখন আমার মনে হয় একটু ওপেন করে দিয়ে তাড়াতাড়ি যত দেওয়া যেতে পারে। কারণ একবার দিয়ে আবার নেক্সট ডোজের জন্য তৈরি হতে হবে।’ তিনি টিকা গ্রহণকারীদের পরিচয়পত্র প্রদানের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, একটা আইডি কার্ডের মতো থাকতে হবে কারা করোনাভ্যাকসিনটা নিল। এটা দেখিতে দ্বিতীয় ডোজটা নিতে হবে এবং সেই আইডেনটিটিটা তাদের কাছে থেকে যাবে, তাহলে কেউ বিদেশে গেলে তারা যে করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছে তার প্রমাণটা থাকবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, টিকা নেয়ার বিষয়ে গ্রামাঞ্চলে মানুষের মাঝে এখনও একটু দ্বিধা থাকলেও সেটা চলে যাবে ইনশাল্লাহ।

    তিনি বলেন, করোনা টিকার সেকেন্ড ডোজের জন্য ৮ থেকে ১২ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। লন্ডনে সেভাবেই করা হচ্ছে এ জন্য ১৫ দিনের মধ্যে সেকেন্ড ডোজের টিকা যে নিতে হবে তা নয়, অন্তত তিন মাস পর্যন্ত এ কার্যকারিতা থাকে, সেকেন্ড ডোজ নেয়া যায়।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চাচ্ছি দ্রুতই সেকেন্ড ডোজটা দিয়ে দেওয়ার। আমি বলেছি একমাস বা দুইমাসের মধ্যে সেকেন্ড ডোজ দিয়ে এগুলো শেষ করার। কারণ ভ্যাকসিনের যেন ডেট পেরিয়ে না যায় সেটাও দেখতে হবে।

    তিনি বলেন, আমাদের বিভিন্ন বাহিনী এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য টিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের নিয়ে এসে তাদের দ্রুত (টিকা) দিয়ে দিতে হবে এবং এটা একটু বলে দিতে হবে (সংশ্লিষ্ট কতৃর্পক্ষকে)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারাদেশের যত পরিচ্ছন্নতা কর্মী রয়েছেন তাদের সবাইকে এই টিকা দিতে হবে।

    তিনি বলেন, যারা ফ্রন্ট লাইনার তাদের আগে দিতে হবে। এর মধ্যে চিকিৎসক বা চিকিৎসার সঙ্গে সম্পৃক্ত যারা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনী এবং যারা এই কোডিড মোকাবেলায় সক্রিয় ছিল তাদের আগে দিচ্ছি।

    প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, তার দলের নেতা-কর্মীরা এবং ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের ভলান্টিয়াররা জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে যথেষ্ট সক্রিয় ছিল, যথেষ্ট কাজ করেছে। আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী আক্রান্তও হয়েছে এবং মারা গেছে তারাই সব থেকে বেশি। কাজেই তারা রেজিস্ট্রেশন করলে টিকা নিতে পারবে। এখন আরেকটু ওপেন করে দেওয়ার নির্দেশনাও আমি দিয়েছি।

  • বরিশালে বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মেয়র সাদিক

    বরিশালে বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মেয়র সাদিক

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর, সুন্দরবন রেজিমেন্ট এর আয়োজনে বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    ডেঙ্গু ও কোভিড ১৯ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরন, রক্তদান কর্মসূচি সহ বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

    কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, ব্রজমোহন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মুস্তাফা কামাল, বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আতিকুল্লাহ মুনিম, সাজ্জাদ সেরনিয়াবাত সহ আরও সন্মানিয় ব্যাক্তিবর্গ।

  • বরিশালে করোনা টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্ধোধন করলেন মেয়র সাদিক

    বরিশালে করোনা টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্ধোধন করলেন মেয়র সাদিক

    সারাদেশের ন্যায় বরিশালেও টিকা দেয়ার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে আজ সকাল ১০ টায় বরিশালে করোনা ভ্যাকসিন গ্রহনের প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। বরিশাল শের-ই- বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন।

    করোনা ভ্যাকসিন গ্রহনের বরিশালের মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ বাকির হোসেন সর্ব প্রথম নিজ শরীরে ভ্যাকসিন পুশ করান।

     

    ফ্রন্ট লাইনার হিসেবে যারা করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেন তারা হলেন, শেবাচিম কলেজ’র অধ্যক্ষ ডাঃ মনিরুজ্জামান শাহীন, সিভিল সার্জন ডাঃ মনোয়ার হোসেন, শেবাচিম’র উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ জসিম উদ্দীন (৫৮), স্বাস্থ্যবিভাগের সহকারী পরিচালক সন্ধা রানী (৫৬) সেবা তত্তাবধায়ক (নার্স) সেলিনা আক্তার (৫৭), সিনিয়র নার্স সাইফুল ইসলাম (৩০) সহ সেবিকা ও সাধারন জনগন।

     

    ভ্যাক্সিন গ্রহনের পর অনুভূতি জানতে চাইলে শেবাচিমের পরিচালক ডাঃ বাকির হোসেন জানান, করোনাকালীন সময়ে প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশে সারা বাংলাদেশের ন্যায় বরিশাল শেবাচিমের ডাক্তার, নার্স নিজ জীবনের ঝুকি নিয়ে করোনা আক্রান্ত

     

    রোগীদের প্রায় ১ বছর ধরে সেবা করে যাচ্ছে। তাই প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা ভ্যাক্সিন দেশে আমদানি করার পরে চিকিৎসক ও সেবিকাদের অগ্রাধিকার দেওয়ায় তাকে ধন্যবাদ জানান। শেবাচিমের সকল চিকিৎসক ও নার্স সহ- সাধারন মানুষকে উৎসাহ প্রদান করতে তিনি প্রথমে নিজ শরীরে এই ভ্যাক্সিন পুশ করিয়েছেন। ভ্যক্সিন নেওয়ার পরে তার কোন

     

    পার্শ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়নি।

    ভ্যাক্সিন কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবিত সাদিক আব্দুল্লাহ বিভাগীয় শহর বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে করোনা ভ্যাক্সিন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাঠানোর জন্য প্রধান মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। ভ্যাক্সিন নিতে আগ্রহীদের মেয়র বিসিসির অতিসত্তর নিবন্ধন করতে সকলকে অনুরোধ জানিয়েছেন।

     

     

    শেবাচিমের সেবা তত্তাবধায়ক (নার্স) সেলিনা আক্তার (৫৭) ভ্যাক্সিন নেয়ার পরে বলেন, ভ্যাক্সিন নেয়ার পরে তার কোন তাৎক্ষনিক পার্সপতিক্রিয়া দেখা দেয়নি। তিনি জানান করোনাকালীন সময়ে জীবন ঝুকিনিয়ে শেবাচিমের ১ হাজার নার্স রোগীদের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। অনেকে আক্রান্ত হলেও চিকিৎসা নিয়ে তারা স্বুস্থ্য হয়েছেন ১ জন নার্সও মারা যায়নি। তিনি সকল নার্সদের উদ্বুদ্ধ করতে নিজ শরীরে ভ্যাক্সিন প্রয়োগ করেন।

     

    আজ শেবাচিম হাসপাতাল, সদর হাসপাতাল, পুলিশ লাইন্সে ফ্রন্টলাইনার হিসেবে প্রথম ধাপে বরিশালের ৮ টি পয়েন্টে নিবন্ধিত ৪২৭ জনের শরীরে করোনা ভ্যাক্সিন প্রয়োগ করা হবে বলে জানান বিসিসির প্রধান স্বাস্থ কর্মকর্তা ডাঃ মতিয়ার রহমান। যার মধ্যে শেবাচিমে ১৮১ জন, সদরে ১২১ জন, পুলিশ ১২৫ জন।

  • বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ৩ জনের

    বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ৩ জনের

    বরিশালের গৌরনদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছে। শনিবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের ইল্লা ও ভূরঘাটার মাঝামাঝি স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চরতোলা এলাকার আকতার হোসেন(৩০) ও বরিশাল সদর উপজেলার উত্তর জাগুয়া এলাকার মোঃ রাসেল(২২) দুইজন ট্রাকচালক এবং পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মোঃ সোহান নামে (২২) একজন চালকের সহযোগী রয়েছেন।

     

    গৌরনদী হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূইয়া জানান, একটি ট্রাক বিকল হয়ে যাওয়ায় সেটিকে অন্য একটি ট্রাকের সাথে বাঁশ দিয়ে বেধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো।

    পথিমধ্যে বাঁশটিতে ত্রুটি দেখা দিলে ইল্লা ও ভূরঘাটার মাঝামাঝি স্থানে বসে সেটি ঠিক করছিলো নিহতরা।

    ওইসময় একটি কাভার্ড ভ্যান পেছন থেকে দুটি ট্রাককে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

  • বরিশালে অভিযোগ বক্স, মেয়র সাদিকের মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত 

    বরিশালে অভিযোগ বক্স, মেয়র সাদিকের মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত 

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এর নির্দেশে বরিশালে স্থাপিত হলো অভিযোগ বক্স। এখানে নিজেদের অভিযোগ জমা দিতে পারবে সকলে। প্রতিবার এটি নিজ হাতে খুলবেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। এতে করে সাধারণ মানুষের দূর্দশা ও দূর্নীতি কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মন্তব্য সুশীল সমাজের।

  • বরিশাল প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির পক্ষ থেকে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে ফুলেল শুভেচ্ছা

    বরিশাল প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির পক্ষ থেকে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে ফুলেল শুভেচ্ছা

    শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির পক্ষ থেকে সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। গতকাল রাতে এনেক্স ভবনে সিটি মেয়রকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান কার্যকরি পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি এ্যাড. মু. ইসমাইল হোসেন নেগাবান মন্টু, সাধারণ সম্পাদক কাজী মিরাজ, সহ-সভাপতি পুলক চ্যাটার্জি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম মোফাজ্জেল, পাঠাগার সম্পাদক রুবেল খান, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুখেন্দ এদবর, দপ্তর সম্পাদক এম নাসির উদ্দিন, ক্রীড়া সম্পাদক দেওয়ান মোহন, সদস্য নুরুল আলম ফরিদ, নজরুল ইসলাম চুন্নু, সৈয়দ দুলাল, সাগর বৈদ্য।

    এসময় প্রেসক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, বর্তমান সরকার সাংবাদিকদের পূর্নস্বাধীনতা দিয়েছে। বরিশালেও এই স্বাধীনতা রয়েছে। আমরা খারাপ কাজ করলে যেভাবে আপনারা কলম ধরেন তেমনিভাবে আমাদেরকে ভালো কাজেও পত্রিকার মাধ্যমে উৎসাহিত করবেন। তিনি বলেন, আমি স্বাধীন সংবাদপত্রে বিশ্বাস করি এবং সে লক্ষ্যে আপনাদের আগামীতেও সহযোগিতা করে যাব।

  • সবাইকে করোনা ভ্যাকসিন নেয়ার আহবান বিসিসি মেয়রের

    সবাইকে করোনা ভ্যাকসিন নেয়ার আহবান বিসিসি মেয়রের

    বরিশাল সিটি কর্পােরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ সবাইকে করোনা ভ্যাকসিন নেয়ার আহবান জানিয়েছেন।

    আজ ৪ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় বরিশাল নগরীর এ্যানেক্স ভবনে আলোচনা সভায় এ আহবান জানান।

    এসময় মেয়র বলেন, বরিশালে প্রথমে একজন ডাক্তার এই ভ্যাকসিন নিবেন। তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ৩০ ওয়ার্ডেই ভ্যাকসিনের জন্য রেজিষ্ট্রেশন বুথ খোলা হয়েছে।

    আগামী ৭ ফেব্রুয়ারী বরিশালে আনুষ্ঠানিক ভাবে টিকা প্রদান করা হবে। বরিশালে ৩টি হাসপাতালে টিকা প্রদান করা হবে।

    বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল সদর হাসপাতাল, বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে দেয়া হবে করোনা টিকা।

    প্রথম ধাপে ৫৫ বছরের উর্দ্ধবষসীদের দেয়া হবে। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রথম পর্যায়ে ১০ হাজার টিকা দেয়া হবে বলেও জানান মেয়র।

  • কায়েদ ছাহেব হুজুর এর সহধর্মিণীর ইন্তেকাল : মেয়র সাদিক’র শোক প্রকাশ

    কায়েদ ছাহেব হুজুর এর সহধর্মিণীর ইন্তেকাল : মেয়র সাদিক’র শোক প্রকাশ

    মরহুম হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর রহ. – এর সহধর্মিণী ও হযরত মাওলানা খলিলুর রহমান নেছারাবাদী হুজুরের মাতা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বার্ধক্যজনিত কারনে নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না… রাজিঊন)।

    তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্। তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

  • বরিশাল ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    বরিশাল ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সংগ্রামী সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এর নির্দেশে ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ বরিশাল মহানগর এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ মঙ্গলবার ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সভাপতি বজলুর রহমান এর সভাপতিত্বে ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রস্তুতি সভার সঞ্চালন করেন,সাধারন সম্পাদক আতিকুর রহমান মুন্না।

     

    উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরোয়ার রাজিব, সাংগঠনিক সম্পাদক নুর উদ্দিন শাহিন, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর কার্যকরী কমিটির সদস্য শেখ আরাফাত জামান বাবু,উপ-প্রচার সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জনি,বরিশাল ১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মজিবর রহমান, বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আতিকুল্লাহ মুনিম, সাজ্জাদ সেরনিয়াবাত , বাহাউদ্দিন জাহাঙ্গীর ,বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শাহাদাৎ ইসলাম সুমন, মহানগর যুবলীগ সদস্য শহীদুল্লাহ রেজভী ও মহানগর আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ এর সভাপতি,সাবেক বাকসু সদস্য পলাশ চৌধুরী এবং মহানগর ছাত্রলীগ এর মাইনুল ইসলাম ও শাকিল,সহ ১১ নং ওয়ার্ড এর সকল সহযোগী সংগঠন এর তৃণমূল নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

     

    উক্ত সভায় আগামী ১০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির খসড়া মহানগর আওয়ামীলীগ এর দপ্তর এ জমা দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

  • ১০ হোন্ডা ২০ গুন্ডা, সেদিন আর নেই : প্রধানমন্ত্রী

    ১০ হোন্ডা ২০ গুন্ডা, সেদিন আর নেই : প্রধানমন্ত্রী

    মানুষ এখন আন্তরিকভাবে ভোট দিচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছে, এখন ইভিএম’র মাধ্যমে ভোট হচ্ছে যেখানে কারচুপি করার কোনো সুযোগ নাই। যার যার ভোট সে নিজে দিতে পারে।

    অতীতের নির্বাচনকালীন প্রহসনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ১০টা হোন্ডা ২০টা গুন্ডা নির্বাচন ঠান্ডা- সেদিন আর এখন নেই বা ভোট বন্ধ থাকলেও একজনকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হতো-সেদিনও নেই।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ, মেয়র নির্বাচনে কমিশনারদের মধ্যে কখনো কখনো গোলমাল হয়, সেটা আলাদা।

    অতীতের নির্বাচনগুলো কেমন ছিল সেই প্রশ্ন উত্থাপন করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যাদের গায়ে হাজারো কাদার ছিটা তারা আবার বড় কথা বলে কোন মুখে? সেটাই আমার প্রশ্ন।’

    তিনি বলেন, আজকাল অনেক কথা এবং অনেক সমালোচনা শুনি, অনেক প্রশ্ন বিএনপি নেতারা করেন। হ্যাঁ প্রশ্ন করেন, সমালোচনা করেন কিন্তু জানি না তারা আয়নায় নিজেদের চেহারাটা ভালভাবে দেখেন কি না।

    খালেদা জিয়ার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, মেকআপের জন্য চেহারা আয়নায় দেখলেও নিজেদের কাজটাকে তারা দেখেন না।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুনরায় বিএনপি’র নেতৃত্ব শূন্যতার প্রতি ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগের সমর্থন বৃদ্ধির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, যার প্রতিফলন স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে দেখা গেছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি’র আজকে সেই দশা। তারা যত বক্তৃতা দিক আর যত কথাই বলুক না কেন তাদের নেতৃত্বের অভাব রয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি যখন একটা দলের নেতা তখন তাদের ওপর মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস কিছুই থাকে না। সেই বিশ্বাস ও আস্থা এখন আর তাদের প্রতি জনগণের নেই। আস্তে আস্তে সেই জায়গাটা সরে গেছে।’

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, মানুষ আওয়ামী লীগের কাছ থেকে যেহেতু সেবা পেয়েছে, দেশের উন্নয়ন হচ্ছে, দেশের মানুষের কল্যাণ হচ্ছে কাজেই স্বাভাবিকভাবেই দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আওয়ামী লীগ অর্জন করেছে। যার প্রতিফলন আমরা দেখলাম আমাদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে।

    প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা মঙ্গলবার একাদশ জাতীয় সংসদের একাদশ অধিবেশনের সমাপনী অধিবেশনে প্রদত্ত ভাষণে এসব বলেন।

    স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এ সময় অধিশেনে সভাপতিত্বে করছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে অনেক কথা, আমাদের দুর্ভাগ্য ও হাসি পায় যে, যাদের গায়ে দুর্নীতির ছাপ, যারা ক্ষমতায় থাকাকালে বাংলাদেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, এতিমের অর্থ আত্মসাতের দায়ে যাদের নেতাকে কারাবরণ করতে হয়, ১০ ট্রাক অস্ত্র পাচারের মামলা রয়েছে যাদের বিরুদ্ধে, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে বিরোধী দলের নেতাকে হত্যার প্রচেষ্টার মামলায় যারা সাজাপ্রাপ্ত, তারা যদি জনগণের নেতৃত্বে থাকে তবে সেই দল জনগণের কাজ করবে কীভাবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে এত কথা অথচ এরকম একটা কাজ নিজস্ব অর্থায়নে করলাম। সেটার প্রশংসা তো করতেই পারল না। উল্টো বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া বলেছিলেন, জোড়া-তালি দিয়ে পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে। জোড়া-তালি দিয়ে পদ্মা সেতু করা হচ্ছে কেউ উঠবেন না।

    তিনি বলেন, তাহলে নদীটা পার হবে কিসে? যদি নৌপথে যেতে হয় তাহলে নৌকায় যেতে হবে। উপায় তো নেই। নৌকায় চড়তে হবে।

    তিনি বলেন, ‘আমাদের নৌকা অনেক বড়, কোনো অসুবিধে নেই। সবাইকে নেব, তবে দেখে নেব, কেউ আবার নৌকায় বসে নৌকা ফুটো না করে।’

    এ অধিবেশনটি প্রত্যক্ষ করতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সংসদ ভবনে আসেন এবং অধিবেশন প্রত্যক্ষ করেন বলে স্পিকার জানান।

    শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাসের ধাক্কা সামলাতে আমরা ৩১ দফা নির্দেশনা দিয়েছি। সঙ্গে প্রণোদনা তো ছিলই। করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে আলোচনা শুরু হলে আমরা অগ্রিম টাকা দিয়ে ভ্যাকসিন বুকিং দিয়েছি। ভ্যাকসিন নিয়ে অনেক ব্যঙ্গ শুনেছি। এখন তো ভ্যাকসিন এসেছে। ভ্যাকসিন নিজেই সেসবের উত্তর দিয়েছে।

    তিনি বলেন, অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন আমরা ক্রয় করেছি। এই ভ্যাকসিন নেওয়ার পর খারাপ কোনো রিঅ্যাকশনের কথা শোনা যায়নি। তারপরও আমরা মনিটর করছি। আগামি ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে সবাইকে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হবে। এ নিয়ে দেশে প্রশংসা শুনিনি। কিন্তু জাতিসংঘের মহাসচিব প্রশংসা করেছেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রথম কারা করোনা ভ্যাকসিন পাবেন সেটাও আমরা ঠিক করে ফেলেছি। করোনার ভ্যাকসিন যারা নিচ্ছেন তাদের এখনও মাস্ক পরে থাকতে হবে, সবসময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত বিশ্ব থেকে করোনা ভাইরাস না যায় ততক্ষণ পর্যন্ত মাস্ক পরে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

    বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসক্রিপশনে একদা রেল শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে কর্মচ্যূতি ঘটিয়ে রেল বন্ধের উদ্যোগের বিরুদ্ধে তিনি সরকারের এসেই নতুন নতুন রেল স্টেশন স্থাপন, রেলের নতুন ইঞ্জিন ও ক্যারেজ ক্রয়েয় মাধ্যমে রেল পুনরুজ্জীবিত করার পদক্ষেপ তুলে ধরেন ।

    পাশাপাশি, সরকার সারাদেশে যোগাযোগের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করে ৪শ ২৮টি রেলসেতু নির্মাণ এবং ৪৯১ কি.মি. রেললাইন নির্মাণ করেছে এবং ১ হাজার ১শ’ ৮১ কি.মি. রেলপথ সংস্কার করা হয়েছে, বলেন তিনি।

    ’৯৬ সালে সরকারের আসার পরই যমুনা সেতুতে রেল এবং বিভিন্ন ইউটিলিটি সার্ভিস যুক্ত করে আওয়ামী লীগ সরকার একে মাল্টিপারপাস করার উদ্যোগ গ্রহণ করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যমুনা সেতুতে রেললাইন স্থাপনে বিশ্বব্যাংক বাধা দিলেও আমি বলেছিলাম এটা করবোই। আর এখন রেলই সবচেয়ে ভায়াবল প্রমাণিত হওয়ায় পৃথক রেল সেতুও আমরা নির্মাণ করছি।’

    ঢাকা শহরে যানজট নিরসনে এক্সপ্রেসওয়ে ও মেট্রোরেল নির্মাণের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন তিনি।

    পদ্মা সেতু নিয়ে সমালোচনাকারিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়ে আপনারা যদি মুন্সিগঞ্জে সেতুর পাড় পর্যন্ত যান তাহলেই দেখবেন রাস্তাটা কী রকম করেছি। এটা আদৌ বাংলাদেশ বলে মনে হবে না।

    এ প্রসঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে এবং কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, উন্নয়নের প্রচেষ্টা থাকলে যে উন্নয়নটা করা যায় সেটাই আমরা প্রমাণ করেছি।

    প্রধানমন্ত্রী এ সময় করোনা পরিস্থিতির আরো উন্নয়ন ঘটলে স্কুল-কলেজসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে উল্লেখ করে বলেন,‘শতভাগই পাশ করানো হয়েছে কিন্তু তারা যখন শিক্ষা নেবে তখনই কে টিকবে আর কে টিকবে না সেটা যাচাই করা যাবে। আর স্কুল-কলেজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না যেতে পারায় শিক্ষার্থীদের যে দুঃখ এইচএমসি’র ফলাফলে সেটা দূর হবে।’ এর ফলে তারা পড়াশোনার মনযোগী হয়ে আগামীতে আরো ভাল ফল করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    যুব সমাজের কর্মসংস্থানের জন্য সরকার চতুর্থ শিল্প বিপ্লবকে লক্ষ্য ধরে দক্ষ জনশক্তি তৈরীর লক্ষ্যে নানাবিধ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, দক্ষ কর্মী তৈরীর প্রশিক্ষণ প্রদানে সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সিআরআই’র পক্ষ থেকে এবং ইয়াং বাংলার পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

    করোনাভাইরাসের মধ্যেও সারাদেশে প্রাক প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে পাঠপুস্তক বিতরণ অব্যাহত রেখেছে এবং প্রায় ২ কোটি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি এবং উপবৃত্তি প্রদান করে যাচ্ছে, বলেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় তাঁর সরকার সারাদেশে ২ হাজার ডাক্তার, ৬ হাজার নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মী এবং ল্যাব টেকনিশিয়ানদের নিয়োগ প্রদান করেছে। সেইসাথে চিকিৎসা খাতে আরো জনবল দরকার রয়েছে সেগুলো নেয়া হবে।

    সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশে-বিদেশে নানা অপপ্রচার হচ্ছে, শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘মুজিবের বাংলায় কেউ গৃহহীন থাকবে না। ইতোমধ্যে ৭০ হাজার গৃহহীনকে ঘর করে দেয়া হয়েছে। আরও ১ লাখ ঘর নির্মাণকাজ চলছে। মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে এ ঘরগুলো হস্তান্তর করা হবে।’

    শেখ হাসিনা বিরোধীদলীয় নেতার অনুপস্থিতির কথা তুলে ধরে বলেন, ‘এ অধিবেশন করোনার সময়ে চলছে। যার জন্য হয়তো সব সংসদ সদস্যকে একই সঙ্গে আনা সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের বিরোধীদলীয় নেতার এখানে আসার কথা ছিল। কিন্তু তার বাসায় একজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে তিনি জনগণের কথা চিন্তা করে এখানে আসেননি। আমরা তার বক্তৃতা শুনতে পারলাম না এ জন্য আমি দুঃখিত, কিন্তু তার ভেতর যে জনগণের প্রতি কল্যাণমূলক চিন্তা তার জন্য তাকে ধন্যবাদ। তবে, তিনি এলে ভালো হতো আমরা তার বক্তব্যও শুনতে পেতাম।’