Category: প্রচ্ছদ

  • বরিশালে মাথা গোজার ঠাঁই পেলো ১০০৯ পরিবার

    বরিশালে মাথা গোজার ঠাঁই পেলো ১০০৯ পরিবার

    আজ ২৩ জানুয়ারি শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় গণভবন প্রান্ত, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রান্ত এবং ৪৯২ টি উপজেলায় এক যোগে উদ্যোগী দপ্তর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এর প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ভূমিহীন ও গৃহহীন দের মাঝে জমি ও গৃহ হস্তান্তর করা হয়। সারা বাংলাদেশে ৬৬ হাজার ১ শত ৮৯ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে জমি ও গৃহ হস্তান্তর করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
    বরিশাল জেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভ উদ্বোধনের সাথে সাথে তার পক্ষ থেকে বরিশাল সদর উপজেলায় জমি এবং গৃহ হস্তান্তর করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র জনাব সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম এমপি, এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিভাগীয় কমিশনার বরিশাল ড. অমিতাভ সরকার, জেলা প্রশাসক বরিশাল জনাব জসীম উদ্দীন হায়দার, জনাব তালুকদার মোঃ ইউনুস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বরিশাল জনাব প্রশান্ত কুমার দাস, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বরিশাল সদর আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরিশাল সদর জনাব মোঃ মুনিবুর রহমানসহ মুক্তিযোদ্ধা, সুধীজন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।
    No description available.
    উল্লেখ্য,মুজিব বর্ষ উপলক্ষে বরিশাল জেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন ১ হাজার ৫শ’ ৫৬টি পরিবারকে জমি সহ নতুন নির্মিত গৃহ দিচ্ছে সরকার।
  • বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র শোক

    বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র শোক

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর নির্ধারক, শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাব এর সম্মানিত সদস্য ও বরিশাল নিউজ এডিটরস্ কাউন্সিলের সদস্য এবং দৈনিক বরিশাল অঞ্চল এর বার্তা সম্পাদক বেলায়েত বাবলু – এর পিতা খোকা মিয়া আজ বৃহস্পতিবার নিজ বাসভবনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন।

    তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন

  • বরিশালে রাস্তার নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে মেয়র সাদিক

    বরিশালে রাস্তার নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে মেয়র সাদিক

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন এলাকার রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। বিসিসি মেয়রের নির্দেশনা সঠিক ভাবে কাজ করতে হবে।

    তবে সেই কাজ তদারকি করার জন‌্য বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ইঞ্জিনিয়ার থাকবে পাশে। এর পরেও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ নিজেই কাজ পরিদর্শন করেছেন বলে জানিয়েছে তার ঘনিষ্ট সূত্র।

    তারই ধারাবাহিকতায় আজ বরিশাল নগরীর কাউনিয়া প্রধান সড়কের নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে গিয়ে স্থানীয় ও কাজে কর্মরতদের সাথে কথা বলেন।

  • বরিশালে ২৭টি নৌপথে ৪৭০ কিমি দৈর্ঘ্যে খননের প্রস্তাবনা

    বরিশালে ২৭টি নৌপথে ৪৭০ কিমি দৈর্ঘ্যে খননের প্রস্তাবনা

    বরিশাল বিভাগের নদীসমূহের নাব্যতা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা হ্রাস, জলাভূমি বাস্তু পুনরুদ্ধার, সেচ ও ল্যান্ডিং সুবিধাদি বৃদ্ধি করে নদী ব্যবস্থাপনার সম্ভাব্যতা যাচাই” শীর্ষক সমীক্ষার ওপর কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা ১২ টায় বরিশাল নগরের সার্কিট হাউজের সভাকক্ষে বিআইডব্লিউটিএ’র আয়োজনে বিভাগীয় প্রশাসনের সহযোগীতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

    কর্মশালার শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে বিআইডব্লিউটিএ’ র ড্রেজিং বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রকিবুল ইসলাম তালুকদার জানান, বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে পরিবহনের প্রধান মাধ্যম নৌপথ। সম্প্রতি সমুদ্র উপকূলীয় এ অঞ্চলে মোংলা বন্দরের ব্যবহার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি এবং পায়রা বন্দরের উন্নয়নের কারণে এ অঞ্চলটির নৌপথ ব্যবহারে নদীসমূহের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু উজান থেকে এবং জোয়ারের মাধ্যমে ভাটি থেকে আগত পলির কারণে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে নৌপথে নাব্যতা হ্রাস পেয়েছে। এই অঞ্চলের বেশিরভাগ নদীর প্রধান চ্যানেলে পর্যাপ্ত নাব্যতা থাকলেও সারাবছর সব ধরনের নৌচলাচলে জন্য নাব্যতা উন্নয়ন এবং কিছু কিছু ছোট নদী ও খাল পুনরুদ্ধার করার প্রয়োজন রয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ( বানৌপক) “বরিশাল বিভাগের নদীসমূহের নাব্যতা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা হ্রাস, জলাভূমি বাস্তু পুনরুদ্ধার, সেচ ও ল্যান্ডিং সুবিধাদি বৃদ্ধি করে নদী ব্যবস্থাপনার সম্ভাব্যতা যাচাই” শীর্ষক এক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল এন্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) এই প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষা পরিচালনা করেছে। এ প্রকল্পের আওতায় সর্বমোট ৩১ টি নৌপথ বিবেচনা করা হয়েছে যার দৈর্ঘ্য প্রায় ১,৪৭৫ কিমি।

    তিনি জানান, এ প্রকল্পের সামগ্রিক উদ্দেশ্য হল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের, বিশেষত বরিশাল বিভাগের নদীগুলোর টেকসই ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে কারিগরি, পরিবেশগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক আঙ্গিক বিবেচনায় রেখে একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করা। এ প্রকল্পের অনাতম উদ্দেশ্য গুলোহল নদীসমূহের নাব্যতা বৃদ্ধি ও ক্ষেত্র বিশেষে পুনরুদ্ধার, বর্তমানে উপস্থিত ঘাট বা ল্যান্ডিং স্টেশনের সার্বিক অবস্থার উন্নয়ন, নতুন ঘাট বা ল্যান্ডিং স্টেশন নির্মাণের ক্ষেত্রে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন, নৌপথের নিরাপদ ও সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, পর্যটন, জলজ পরিবেশ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জলাবদ্ধতা দূরীকরণ।

    কর্মশালায় সমীক্ষার বরাত দিয়ে জানানো হয়, বরিশাল অঞ্চলের অধিকাংশ নদীসমূহ উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় জোয়ার ভাটা একটি প্রাত্যহিক ঘটনা। মেঘনা নদীর মোহনা হতে পলি মাটি জোয়ারের মাধ্যমে এ অঞ্চলে সঞ্চালিত হয় যা এ অঞ্চলের নদীগুলোকে গতিশীল করে রেখেছে। নদীসমূহের নাব্যতা বৃদ্ধি, প্রধান চ্যানেলের সঙ্গে ঘাটসমূহের সংযোগ স্থাপন, সেচ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি, জলজ সম্পদ বৃদ্ধি এবং নদীর পাড় ভাঙন রোধের লক্ষ্যে নৌপথসমূহের বিভিন্ন অংশে খননের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ৩১ টি নৌপথের মধ্যে মাত্র ৪ টি নৌপথে পর্যাপ্ত গভীরতায় থাকায় ড্রেজিং কার্যক্রমের প্রয়োজন নেই। অবশিষ্ট নৌপথে প্রায় ৪৭০ কিমি দৈর্ঘ্যে খননের প্রস্তাবনা করা হয়েছেছে যার ক্যাপিটাল ড্রেজিং পরিমাণ প্রায় ৪২ মিলিয়নন ঘনমিটার। পরবর্তীতে নৌপথসমূহে নাব্যতা বজায় রাখার জন্য ৭ বছর সংরক্ষণ ড্রেজিং এর প্রস্তাব করা হয়েছেছে যার পরিমাণ হবে প্রায় ১৭০ মিলিয়ন ঘনমিটার।

    সমীক্ষায় বিআইডব্লিউটিএ হতে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন বন্দর এর অধীন ঘাটসমূহের তালিকা ও তথ্যাদি সংগ্রহ করা হয়। এছাড়া নদী বন্দরের নিয়ন্ত্রণের অধীন ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে বিদ্যমান সব ঘাট এর তথ্য উদঘাটনে সিইজিআইএস সমীক্ষা এলাকায় সকল নৌপথে মাঠ পর্যায়ে জরিপ পরিচালনার মাধ্যমে মোট ২৪৪টি ঘাট চিহ্নিত করে। ট্রাফিক সমীক্ষা, স্থানীয় জনগণের চাহিদা, ঘাটে প্রয়োজনীয় সুবিধাদির অভাব, নৌপথের সংযোগ, নদীর অবস্থা ও প্রস্থ প্রভৃতি বিবেচনাপূর্বক নতুন ঘাট এবং বিদ্যমান ঘাট উন্নয়নের জন্য গৃহীত পরিকল্পনায় তিনটি নতুন লঞ্চ ঘাট নির্মাণ, ষাটটি লঞ্চ ঘাট, এগারোটি কার্গোঘাট, আটত্রিশটি খেয়াঘাট উন্নয়ন এবং তিনটি ঘাট পর্যটনের উন্নয়নের জনা প্রস্তাব করা হয়েছে।

    খননকৃত মাটির যথাযথ ব্যবস্থাপনার জন্য মাঠ জরিপ ও স্থানীর জনগণের সাথে মতবিনিময়ের মাধ্যমে উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। ড্রেজিং কাজ পরিচালনা, ঘাট এবং অন্যান্য ল্যান্ডিং সুবিধাদি বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রস্তাবিত অবকাঠামো নির্মাণের কারণে পরিবেশের উপর প্রভাব বিশ্লেষণের মাধ্যমে এ প্রকল্পের যথার্থতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে এবং পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব প্রশমনের জন্য পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার সুপারিশ করা হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী,বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ড. অমিতাভ সরকারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বিআইডব্লিউটিএ ‘র চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক- এনজিপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি।

  • সেবার মান আরো বৃদ্ধি করতে বিএমপি পুলিশে ৪ টি নতুন পিকআপ সংযোজন

    সেবার মান আরো বৃদ্ধি করতে বিএমপি পুলিশে ৪ টি নতুন পিকআপ সংযোজন

    জনগনের প্রত্যাশা পূরনে সেবার মান আরও বৃদ্ধি করতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশে ৪ টি নতুন পিকআপ সংযোজন করা হয়েছে।

     

    আজ সোমবার (১৮ জানুয়ারী) বেলা ১২ টায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান এ পিকআপ গুলো হস্তান্তর করেন।এর মধ্যে কোতয়ালী থানায় ২ টি, কাউনিয়া থানায় ১ টি ও মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে ১ টি সহ মোট ৪ টি পিকআপ হস্তান্তর করা হয়েছে।

     

     

    এ সময় বিএমপি কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বলেন, জনগনের কাংক্ষিত সেবা অতি দ্রুত সময়ের মধ্য নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।এই পিকআপ গুলো ব্যাবহার করে অতিদ্রুততার সাথে জনগনের কাছে পুলিশি সেবা পৌছে দিতে হবে।

     

    মনে রাখতে হবে আমরা বৃটিশ বা পাকিস্তানি পুলিশ নই।আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশের পুলিশ। আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের জনগনের প্রত্যাশার পুলিশ।সুতরাং জনগনের কাছে সত্যিকারার্থে নির্ভেজাল সেবা পৌছে দেওয়াটাই আমাদের সফলতা।

     

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রলয় চিসিম,উপ-পুলিশ কমিশনার(সদর দপ্তর)আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ,উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটি এসবি)মোঃ জুলফিকার আলী হায়দার, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর) রুনা লায়লা, সহকারী পুলিশ কমিশনার ষ্টাফ অফিসার শাহেদ আহমেদ চৌধুরী,

    সহকারী পুলিশ কমিশনার(ডিবি) মোঃ রবিউল ইসলাম শামীম,কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নুরুল ইসলাম,কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিমুল করিম সহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।

  • জাতির পিতা ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবাধিকারকর্মী-বিএমপি কমিশনার

    জাতির পিতা ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবাধিকারকর্মী-বিএমপি কমিশনার

    বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন (BHRC) এর ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। গতকাল ১০ জানুয়ারি বগুড়া রোডস্থ মুমীতু কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন (BHRC) এর বরিশাল জেলা শাখা কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার।

    এসময় তিনি বলেন, ‘আজ ১০ জানুয়ারি। এই দিনে স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘদিন পাকিস্তানের কারাভ্যন্তরে বন্দি থেকে বাংলায় প্রত্যাবর্তন করেছিলেন। তাই এই দিনটি বাঙালি জাতীয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন ।

    আজকের এই বিশেষ দিনে আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারবর্গ ও সকল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।

     

    এসময় তিনি মানবাধিকার আদায়ে যে সকল সংগঠন কাজ করেন তাদের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘মানবাধিকার আদায়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সংবিধানের চেয়ে বাংলাদেশের সংবিধান অত্যন্ত আধুনিক। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় আপনারা যারা কাজ করেন আমরা আপনাদের সহযোগি সংস্থা, আমরা একই নৌকার সারথী।

     

    আমাদেরকে যার যার অবস্থান থেকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যেতে হবে। তবেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ সম্ভব হবে।

     

    এ সময় তিনি বলেন অন্যান্য শ্রেণি-পেশার কাজের ধরনের সাথে বাংলাদেশ পুলিশের কাজের ধরনের অনেক পার্থক্য রয়েছে। আমাদের কাজের ধরন ও পরিধি অনেক ব্যাপক, অত্যন্ত জটিল প্রকৃতির এবং সংবেদনশীল। এই ব্যাপক পরিসরে কাজ করতে গিয়ে আমাদের কোনো সদস্যের কোন ধরনের অন্যায়কে আমরা ছাড় দেই না।

     

    তিনি আরো বলেন চলমান বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস এর প্রতিষেধক হাতে না পাওয়া পর্যন্ত আমাদেরকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আই.ই.ডি. সি.আর কর্তৃক ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। বিশেষ করে মাস্ক ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদেরকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যেতে হবে।

     

    উল্লেখ্য যে, উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মাহমুদুল হক খান মামুন, গভর্নর, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন। প্রফেসর স.ম. ইমানুল হাকিম, সাবেক অধ্যক্ষ, বি এম কলেজ বরিশালসহ মানবাধিকার কমিশনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি গন।

  • স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

    স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

    ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। পাকিস্তানের বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এদিন তিনি সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন।
    এর আগে ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালি কারাগারে দীর্ঘ ৯ মাস কারাভোগের পর মুক্তি লাভ করেন তিনি। পরে তিনি পাকিস্তান থেকে লন্ডন যান। তারপর দিল্লী হয়ে ঢাকা ফেরেন বঙ্গবন্ধু।
    দিবসটি পালন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ও দলের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবন ও সারাদেশে দলীয় কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন এবং আলোচনা সভা।
    দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী প্রধান করেছেন।
    ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে বঙ্গবন্ধু সর্বস্তরের জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। স্বাধীনতা ঘোষণার অব্যবহিত পর পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নির্দেশে তাঁকে গ্রেফতার করে তদানীন্তন পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে নিয়ে আটক রাখা হয়।
    ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে নয় মাস যুদ্ধের পর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলেও ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে জাতি বিজয়ের পূর্ণ স্বাদ গ্রহণ করে।
    জাতির পিতা পাকিস্তান থেকে ছাড়া পান ১৯৭২ সালের ৭ জানুয়ারি ভোর রাতে ইংরেজি হিসেবে ৮ জানুয়ারি। এদিন বঙ্গবন্ধু ও ড. কামাল হোসেনকে বিমানে তুলে দেয়া হয়। সকাল সাড়ে ৬টায় তাঁরা পৌঁছান লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে। বেলা ১০টার পর থেকে বঙ্গবন্ধু কথা বলেন, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ, তাজউদ্দিন আহমদ ও ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীসহ অনেকের সঙ্গে। পরে ব্রিটেনের বিমান বাহিনীর একটি বিমানে করে পরের দিন ৯ জানুয়ারি দেশের পথে যাত্রা করেন।
    দশ তারিখ সকালেই তিনি নামেন দিল্লীতে। সেখানে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, সমগ্র মন্ত্রিসভা, প্রধান নেতৃবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধান এবং অন্যান্য অতিথি ও সেদেশের জনগণের কাছ থেকে উষ্ণ সংবর্ধনা লাভ করেন সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের পিতা শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু ভারতের নেতৃবৃন্দ এবং জনগণের কাছে তাদের অকৃপণ সাহায্যের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। তাঁর এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে আখ্যায়িত করেছিলেন ‘অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা হিসেবে।’
    এদিন বেলা ১টা ৪১ মিনিটে তিনি ঢাকা এসে পৌঁছেন। চূড়ান্ত বিজয়ের পর ১০ জানুয়ারি বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুকে প্রাণঢালা সংবর্ধনা জানানোর জন্য প্রাণবন্ত অপেক্ষায় ছিল। আনন্দে আত্মহারা লাখ লাখ মানুষ ঢাকা বিমান বন্দর থেকে রেসকোর্স ময়দান পর্যন্ত তাঁকে স্বতঃস্ফূর্ত সংবর্ধনা জানান। বিকাল পাঁচটায় রেসকোর্স ময়দানে প্রায় ১০ লাখ লোকের উপস্থিতিতে তিনি ভাষণ দেন।
    পরের দিন দৈনিক ইত্তেফাক, সংবাদসহ বিভিন্ন পত্রিকায় বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিয়ে এভাবেই লিখা হয়- ‘স্বদেশের মাটি ছুঁয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্মাতা শিশুর মতো আবেগে আকুল হলেন। আনন্দ-বেদনার অশ্রুধারা নামলো তার দু’চোখ বেয়ে। প্রিয় নেতাকে ফিরে পেয়ে সেদিন সাড়ে সাত কোটি বাঙালি আনন্দাশ্রুতে সিক্ত হয়ে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু ধ্বনিতে প্রকম্পিত করে তোলে বাংলার আকাশ-বাতাস।’
    জনগণ নন্দিত শেখ মুজিব সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দাঁড়িয়ে তাঁর ঐতিহাসিক ধ্রুপদি বক্তৃতায় বলেন, ‘যে মাটিকে আমি এত ভালবাসি, যে মানুষকে আমি এত ভালবাসি, যে জাতিকে আমি এত ভালবাসি, আমি জানতাম না সে বাংলায় আমি যেতে পারবো কিনা। আজ আমি বাংলায় ফিরে এসেছি বাংলার ভাইয়েদের কাছে, মায়েদের কাছে, বোনদের কাছে। বাংলা আমার স্বাধীন, বাংলাদেশ আজ স্বাধীন।
    সশ্রদ্ধ চিত্তে তিনি সবার ত্যাগের কথা স্মরণ করেন এবং সবাইকে দেশ গড়ার কাজে উদ্বুদ্ধ করে বলেন, ‘আজ থেকে আমার অনুরোধ, আজ থেকে আমার আদেশ, আজ থেকে আমার হুকুম ভাই হিসেবে, নেতা হিসেবে নয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে নয়। আমি তোমাদের ভাই, তোমরা আমার ভাই। এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত না পায়, এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি বাংলার মা-বোনেরা কাপড় না পায়, এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি এদেশের যুবক যারা আছে তারা চাকরি না পায়। মুক্তিবাহিনী, ছাত্র সমাজ তোমাদের মোবারকবাদ জানাই তোমরা গেরিলা হয়েছো, তোমরা রক্ত দিয়েছো, রক্ত বৃথা যাবে না, রক্ত বৃথা যায় নাই।
    বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘একটা কথা- আজ থেকে বাংলায় যেন আর চুরি-ডাকাতি না হয়। বাংলায় যেন আর লুটতরাজ না হয়। বাংলায় যারা অন্য লোক আছে অন্য দেশের লোক, পশ্চিম পাকিস্তানের লোক বাংলায় কথা বলে না, তাদের বলছি তোমরা বাঙালি হয়ে যাও। আর আমি আমার ভাইদের বলছি তাদের উপর হাত তুলো না আমরা মানুষ, মানুষ ভালোবাসি। ‘তবে যারা দালালি করেছে যারা আমার লোকদের ঘরে ঢুকে হত্যা করেছে তাদের বিচার হবে এবং শাস্তি হবে’ উল্লেখ করে জাতির পিতা বলেন, ‘তাদের বাংলার স্বাধীন সরকারের হাতে ছেড়ে দেন, একজনকেও ক্ষমা করা হবে না। তবে আমি চাই স্বাধীন দেশে স্বাধীন আদালতে বিচার হয়ে এদের শাস্তি হবে। আমি দেখিয়ে দিতে চাই দুনিয়ার কাছে শান্তিপূর্ণ বাঙালি রক্ত দিতে জানে, শান্তিপূর্ণ বাঙালি শান্তি বজায় রাখতেও জানে।’
    বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘আমায় আপনারা পেয়েছেন। আমি আসছি। জানতাম না আমার ফাঁসির হুকুম হয়ে গেছে আমার সেলের পাশে, আমার জন্য কবর খোড়া হয়েছিলো। আমি প্রস্তুত হয়েছিলাম, বলেছিলাম আমি বাঙালি, আমি মানুষ, আমি মুসলমান, মুসলমান একবার মরে দুইবার মরে না। আমি বলেছিলাম, আমার মৃত্যু আসে যদি আমি হাসতে হাসতে যাবো। আমার বাঙালি জাতকে অপমান করে যাবো না, তোমাদের কাছে ক্ষমা চাইবো না। এবং যাবার সময় বলে যাবো জয় বাংলা, স্বাধীন বাংলা, বাঙালি আমার জাতি, বাংলা আমার ভাষা, বাংলার মাটি আমার স্থান।’

  • বরিশালে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপিত

    বরিশালে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপিত

    আজ (১০ই)জানুয়ারী স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর অস্থায়ী প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন বরিশাল সিটি মেয়র,জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ,কৃষকলীগ,শ্রমীকলীগ,জেলা ও মহানগর যুবলীগ সহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতারা। আজ রোববার সকাল নয়টায় নগরীর শহীদ সোহেল চত্বরে দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    এখানে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহ, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সংসদ এ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুচ, জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য ও সংরক্ষিত সংসদ সদস্য সৈয়দা রুবিনা আক্তার মিরা,মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট একে এম জাহাঙ্গীর হোসাইন,সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ সহ যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতারা। এছাড়াও এখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও বিভিন্ন সমাজিক সংগঠনের নেতা কর্মীরা শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। দিবসটি উপলক্ষে বিকেলে দলীয় কার্যালয়ের সমানে অলোচনা সভার আয়োজন করেছে জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ

  • জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪১ সালের পূর্বে এদেশকে উন্নত দেশে পরিনত করবে-বিসিসি মেয়র

    জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪১ সালের পূর্বে এদেশকে উন্নত দেশে পরিনত করবে-বিসিসি মেয়র

    স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ পত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের আয়োজনে আলোচনা সভার বিশেষ অতিথি বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেছেন, আমাদের জননেত্রী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নতশীল দেশ উপহার দেয়ার অঙ্গিকার নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এভাবে আমাদের সকলের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে আমাদের দেশ ৪১ সালের পূর্বেই উন্নত বাংলাদেশ পরিনত হবে ইনশাল্লাহ।

     

    তিনি আরো বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন নিয়ে ১০ই জানুয়ারী যেদিন লক্ষ লক্ষ মুক্তিকামী জনতার উপস্থিতিতে দেশের মাটিতে পা রাখেন সেদিনই বাংলাদেশ পরিপূর্ণ স্বাধীনতা এসেছিল।

     

    পরবর্তীতে স্বাধীনতার পরাজিত ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে দেশ থেকে মুছে ফেলার কাজ করে গেছেন তার।

     

    আমরা রাজনীতি করি কিছু পাওয়ার জন্য নয় রাজনীতি করি মানুষকে দেবার জন্য। তাই আমাদের সকলকে মিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নমূলক কাজ যেন আরো বেগ হয়ে উঠে সেদিকে লক্ষ রেখেই আমাদের নেতা কর্মীদের সু-শৃঙ্খলভাকে কাজ করার জন্য আহবান জানান।

     

    রবিবার বিকালে সোহেল চত্বর দলীয় কার্যলয়ের সামনে বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট এ.কে.এম জাহাঙ্গীর হোসাইনের সভাপতিত্বে এসময় আরো এক বিশেষ অতিথি বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সাবেক সংসদ এ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস বক্তব্য রাখেন।

     

    আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও তার রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আরো বক্তব্য রাখেনে জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আনিসুর রহমান,মহানগর সহ-সভাপতি এ্যাড,কেবিএস আহমেদ কবির, সহ-সভাপতি এ্যাড,আফজালুল কবির,মহানগর যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এ্যাড, গোলাম সরোয়ার রাজিব,যুগ্ম সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবু,জেলা আওয়ামীলীগ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু,মহানগর স্বোচ্ছাসেবক লীগ আহবায়ক আজিজুর রহমান শাহিন, মহানগর শ্রমিকলীগ সাধারন সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস, জেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান হাং,মহানগর যুবলীগ আহবায়ক এ্যাড, রফিকুল ইসলাম খোকন, জেলা ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক আঃ রাজ্জাক,মহানগর ছাত্রলীগ নেতা মাইনুর ইসলাম প্রমুখ।

     

    জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আজ রবিবার (১০) জানুয়ারী সকালে নগরীর শহীদ সোহেল চত্বর দলীয় কার্যালয়ের সামনে বঙ্গন্ধু অস্থায়ী প্রতিকৃর্তিতে সকাল নয়টায় বরিশাল সিটি মেয়র,জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ সহ দলীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

  • বঙ্গবন্ধুর সমাধীতে শ্রদ্ধা জানালেন বরিশাল মহানগর আ’লীগ

    বঙ্গবন্ধুর সমাধীতে শ্রদ্ধা জানালেন বরিশাল মহানগর আ’লীগ

    গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নবগঠিত বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী নেতৃবৃন্দ। আজ বুধবার(৬ জানুয়ারী)সকালে শ্রদ্ধা জানানো হয় বলে নিশ্চিত করেছেন নবগঠিত বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক হেমায়েত উদ্দিন সুমন সেরনিয়াবাত।

     

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর ও সাধারন সম্পাদক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সমাধীতে শ্রদ্ধা শেষে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এ্যাড. আফজালুল করিম, সাবেক সাংসদ জেবুন্নেছা আফরোজ, ১নং প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু,

     

    যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবু, কাজী মুনির উদ্দিন তারিক, এ্যাড. গোলাম সরোয়ার রাজিব, এম. জাহিদুল ইসলাম, শেখ সাইদ আহম্মেদ মান্না, বরিশাল মহানগর কার্যনির্বাহী সদস্য ও শহীদ আবদুর রব সেরনিবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক এস এম জাকির হোসেনসহ আরো অনেকে।