Category: প্রচ্ছদ

  • ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

    ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

    দেশের ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ সোমবার। বাংলা, বাঙালির স্বাধিকার অর্জনের লক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জন্ম হয়।

    উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ও প্রচীন ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭৩তম বার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    সংগঠনটির ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বর্ণাঢ্যভাবে পালন করতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংসদের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

    এ উপলক্ষে সোমবার (৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সব সাংগঠনিক কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকাল ৮টায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং সাড়ে ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে কেক কাটা হবে।

    এদিকে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলানায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেবেন।

    বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিক্রমায় ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৫৪’র প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়, ৫৮’র আইয়ুববিরোধী আন্দোলন, ৬২’র শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬’র ৬ দফার পক্ষে গণঅংশগ্রহণের মাধ্যমে মুক্তির সনদ হিসেবে এই দাবিকে প্রতিষ্ঠা করে। এরপর ৬৯’র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে কারাগার থেকে মুক্ত করে আনা, ৭০’র নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয়লাভ এবং ৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে পরাধীন বাংলায় লাল সবুজের পতাকার বিজয় ছিনিয়ে আনতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

    ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান স্বাধীনতা অর্জনের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে অংশ নেয় ছাত্রলীগ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা সপরিবারে হত্যার পর ছিনতাই হয়ে যায় স্বাধীনতার চেতনা ও গণতান্ত্রিক ধারা।

    ১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশে ফিরে স্বাধীনতার চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক ধারা পুনরুদ্ধারে আন্দোলনের সূচনা করেন। ছাত্রলীগ ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অনন্য ভূমিকা পালন করে।

  • বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

    1. বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের ৭৫ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার (১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি এ্যাড. এ.কে.এম জাহাঙ্গীর ও সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে আগেই মনোনিত করা হয়।

    কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে আছেন- সহ-সভাপতি এ্যাড. আফজালুল করিম, এ্যাড, কে,বি,এস আহম্মেদ কবির, গাজী নঈমুল হােসেন লিটু, আনােয়ার হােসাইন, আমীর হােসেন তালুকদার, সাইদুর রহমান রিন্টু, ইঞ্জিনিয়ার হেমায়েত উদ্দিন খান, নজরুল ইসলাম, এ্যাড. নাসির আহম্মেদ বাবুল, আবুল ফারুক হুমায়ুন, জেবুন্নেসা আফরোজ।

    যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী মুনির উদ্দিন তারিক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এ্যড. গোলাম সরোয়ার রাজিব, আইন বিষয়ক সম্পাদক,এ্যাড. সৈয়দ গোলাম মাসুদ বাবলু, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রাশেদ শাহনেওয়াজ খান রানা, ত্রান ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মােয়াজ্জেম হােসেন ফিরোজ, দফতর সম্পাদক হেমায়েত উদ্দিন সেরনিয়াবাত সুমন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা সাইদুর রহমান কাশেমী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মােঃ চান মিয়া,
    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. রফিকুল ইসলাম ঝন্টু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর শাহনাজ পারভীন মিতা, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক এ,এম,জি কবির ভুলু, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মাসুদ খন্দকার, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হােসেন টুটুল, শ্ৰম সম্পাদক কায়সার হােসেন শিপন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মােঃ মিজানুর রহমান, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক জহুরুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ নূর উদ্দিন শাহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম জাহিদুর রহমান মনির, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাইদ আহম্মেদ মান্না, উপ-দফতর সম্পাদক পাপ্পা দাস, উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জনি, কোষাধ্যক্ষ তৌহিদুল ইসলাম।

    পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ৩৬ জনকে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়েছে। তারা হলেন- গােলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম তােতা, আমান সেরনিয়াবাত, কাজী নজরুল ইসলাম মনু, এ্যাড. আনিচ উদ্দিন শহিদ, এ্যাড, রফিকুল ইসলাম খােকন, নিজামুল ইসলাম নিজাম, এ্যাড. গোলাম কবির বাদল, এস.এম জাকির হােসেন, ফরাদ বিন আলম জাকির, মেহেদী হাসান চৌধুরী (বাদল), ফজলুল করিম শাহিন, মেজবাহ উদ্দিন জুয়েল, পরিমল চন্দ্র দাস, কামরুজ্জামান কারুন, মােফিজুর রহমান টুটু, কামরুল আহসান, আজিম সরােয়ার দিদার, আখতারুজ্জামান গাজী হিরু, এ্যাড. সামছুন্নাহার মুক্তি, লিপি অব্দুিল্লাহ, মাহাবুব মাের্শেদ শামিম, মীর মিজানুর জামান সােহেল, এ,টি,এম শহিদুল্লাহ কবির, হারুন অর রশিদ, নজরুল ইসলাম নিলু, শরিফ মাে. আনিছুর রহমান, শেখ মিজানুর রহমান দিপু, মজিবুর রহমান মৃধা, মজিবুর রহমান পনু, মোস্তফা কামাল, এ, কে এম মােস্তফা সেলিম, কবির হােসেন, আফতাব হোসেন, মােঃ মেহেদী পারভেজ খান আবির, শেখ আরাফাত হােসেন বাবু।

    প্রসঙ্গত, প্রায় এক বছর আগে সভাপতি এ্যাড. এ.কে.এম জাহাঙ্গীর ও সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ আওয়ামী লীগের আংশিক কমিটি দেওয়া হয়। মুখ্রবার আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নির্দেশে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ এই কমিটির অনুমোদন দেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    ওবায়দুল কাদের পূর্ণাঙ্গ কমিটির প্রতি আশাবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আশা করি, এই কমিটির নবনির্বাচিত সব সদস্য নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা, আন্তরিকতা ও সততার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হবেন এবং সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় আওয়াামী লীগকে আরো সুদৃঢ় সংগঠিত ও শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করবেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষুধা-দারিদ্র্য-শোষণ-বঞ্চনা এবং দুর্নীতিমুক্ত একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের সংগ্রামে জনগণকে সম্পৃক্ত এবং ঐক্যবদ্ধ করতে নতুন নেতৃত্ব যথাযথ ভূমিকা পালন করবে বলে বিশ্বাস করি।’

  • সৈয়দ আশরাফের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী

    সৈয়দ আশরাফের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী

    আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক স্থানীয় সরকার ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার।

    ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

    ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারে বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ জাতীয় চার নেতার নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাজ্য চলে যান সৈয়দ আশরাফ। প্রবাসজীবনে যুক্তরাজ্যে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।

    আশরাফুল ইসলাম ১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং কিশোরগঞ্জ সদর আসনে আওয়ামী লীগ থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সে সময় তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    এরপর ২০০১ সালের ১ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় নির্বাচিত হন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দ আশরাফ। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।

    সৈয়দ আশরাফ ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। স্বাধীনতার পর ময়মনসিংহ জেলার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। এ ছাড়া দায়িত্ব পালন করেন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহপ্রচার সম্পাদক হিসেবে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার যুদ্ধে অংশ নেন প্রয়াত নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

  • করোনা ভ্যাক্সিন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সমন্বয় সভা

    করোনা ভ্যাক্সিন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সমন্বয় সভা

    করোনা ভাইরাস ভ্যাক্সিন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এ সম্পর্কিত কমিটির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ এনেক্স ভবনস্থ সম্মেলন কক্ষে মাননীয় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্’র সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ড. অমিতাভ সরকার, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম (বার) সহ বরিশাল মহানগরীর বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই সভায় করোনা ভাইরাসের ভ্যাক্সিন আসার পরবর্তী সময়ের পদক্ষেপগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

  • মহানগর আ’লীগ সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীরের মায়ের মৃত্যু

    মহানগর আ’লীগ সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীরের মায়ের মৃত্যু

    • করোনায় মারা গেলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর হোসেনের মাতা রাবেয়া বেগম। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর। তিনি ৬ ছেলে ও তিন মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

    বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন জানান, আওয়ামী লীগ সভাপতির মাতা বুধবার ভর্তি হলে পরীক্ষায় করোনা পজেটিভ আসে। শুক্রবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু ঘটে।

    অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, বার্ধক্যজনিত কারণে মা দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। পরে শেবাচিমে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর করোনা পজেটিভ আসে।

     

    বাদ আসর আমানতগঞ্জ ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে নগরীর মুসলিম গোরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

  • বরিশালে নানা আয়োজনে বিজয় দিবস উদযাপিত

    বরিশালে নানা আয়োজনে বিজয় দিবস উদযাপিত

    বরিশালে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে মহান বিজয় দিবস। বুধবার সকাল সাড়ে ৬টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় সংলগ্ন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।

     

    এর পরপরই বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশ কমিশনার সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, রাজনৈতিক, বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনসহ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে স্মৃতি স্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান নির্বিঘœ এবং শান্তিপূর্ণ করতে শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা গ্রহণ করে পুলিশ।

     

    সকাল ৯টায় ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। পরে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারীরা এখনও সক্রিয়।

     

    এখনও তারা স্বাধীন দেশের স্থপতির ভাস্কর্য ভাঙ্গার দুঃসাহস দেখায়। তাদের অপতৎপরতা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ লড়াই চালিয়ে যাবে।
    সকাল ১১টার দিকে স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে বরিশাল দক্ষিণ ও উত্তর জেলা এবং মহানগর বিএনপি।

     

    পরে নগরীতে বিজয় র‌্যালি করে বিএনপি। এ সময় মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য
    ভুলুণ্ঠিত। গণতন্ত্র এখনও সুদূর পরাহত। বিএনপি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

     

    এদিকে সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধু স্মৃতিস্তম্ভে উপাচার্যের নেতৃত্বে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেন নকরে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।
    সকাল ৯টায় বরিশাল সার্কিট হাউজ চত্বরে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্থর করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. অমিতাভ সরকার।

     

    এ সময় বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন এবং রেঞ্জ ও মেট্রো পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে বিজয় দিবসের কার্যক্রমের সূচনা করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. অমিতাভ সরকার। সকাল ১১টায় জেলা পুলিশ লাইনসে পুলিশের মুক্তিযোদ্ধা সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।

     

    এছাড়া বিজয় দিবস উপলক্ষে সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসনের হলরুমে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়াও সরকারি, বেসরকারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে নানা আয়োজনে বরিশালে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়। এদিকে দিবসটি উপলক্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে।

     

    এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে পরিচিত করেছেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি।

     

    তিনি স্বাধীনতা প্রাপ্ত যুদ্ধ-বিধ্বস্ত একটি দেশকে পূর্ণগঠন করেছেন মাত্র সাড়ে তিন বছরে। তিনি দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ধর্মীয় মূল্যবোধসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। যার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

     

    বুধবার সকাল ১০টায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন।

     

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীনের সঞ্চালনায়
    সভায় আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আরিফ হোসেন, প্রাণ রসায়ন ও জীব প্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রেহানা পারভীন এবং অফিসার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সেরনিয়াবাত। আলোচনা সভা শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন প্রতিযোগিতা আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক
    ড. মো. খোরশেদ আলম। এর আগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ক্যাম্পাসের বঙ্গবন্ধু স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে। এর পরপরই ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদন করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স এসোসিয়েশন, গ্রেড ১১-১৬ ও গ্রেড ১৭-২০ কল্যাণ পরিষদ, বঙ্গবন্ধু হল, শেরে বাংলা হল, শেখ হাসিনা হল ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সংগঠন উত্তরাধিকার।

  • বরিশাল নগরীর বর্নিল সাজ জানাচ্ছে বিজয়ের শুভেচ্ছা

    বরিশাল নগরীর বর্নিল সাজ জানাচ্ছে বিজয়ের শুভেচ্ছা

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    বাঙালি জাতির সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অর্জনের স্মৃতিবিজড়িত এবং পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে বুক ভরে নি:শ্বাস নেয়ার বিজয়ের দিন আজ। ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। বাঙালি জাতির আত্মগৌরবের দিন।

    দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে নগরীজুড়ে সড়ক, স্থাপনা, ভবনগুলো সেজেছে লাল-সবুজসহ নানা রঙের বাতিতে।

    মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বরিশালের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, লাল-সবুজের পতাকার আবহে রঙিন বাতিতে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন স্থাপনা। বড় বড় ভবনগুলো যেন এক একটি বিশাল পতাকা। শুধু স্থাপনাই নয়, সড়ক পথও আলোর ঝলকানিতে রঙিন হয়ে উঠেছে।

    সন্ধ্যার পর রঙবেরঙের আলোকচ্ছটায় ঝলমলিয়ে ওঠে এলাকাগুলো। আলো দিয়ে তৈরি করা হয় প্রিয় লাল-সবুজ পতাকা। মনকাড়া এমন আলোকসজ্জায় মুগ্ধ অনেকেই।

    নগরীর হাতেম আলী কলেজ, বি.এম কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নগর ভবন, বিভিন্ন অফিস আদালত সহ বিভিন্ন স্থানে শোভা পাচ্ছে নানা রঙের বাতি। আলোর ঝলকানিতে পুরো বরিশাল হয়ে উঠেছে বর্ণিল।

    নগরীর সদর রোড, লঞ্চঘাট, চাঁদমারি,সাগরদি, রুপাতলি, চৌমাথা, নথুল্লাবাদ, জেলখানার মোড়, বটতলা, বাংলাবাজার সহ সব জায়গার ডিভাইডার ও ল্যাম্পপোস্টে লাগানো হয়েছে বিজয় দিবসের বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন। এসব ব্যানার-ফেস্টুনে রয়েছে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের কথা ও জাতিকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

    নগর জুড়ে লাল-সবুজের আলোকসজ্জা উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করছে। মনকাড়া এমন আলোকসজ্জায় মুগ্ধ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। এমন দৃশ্য দেখতে কেউ কেউ ঘুরতে বেড়িয়েছেন, কেউবা ক্যামেরাবন্দি করছেন নিজেকে।

  • আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

    আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

    মুক্তিযুদ্ধের শেষ লগ্নে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের হাতে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে আজ সোমবার যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।

    ১৯৭১ সালের এ দিনে দেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিল্পী, লেখক ও সাংবাদিকসহ অন্যান্য মেধাবী ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে চোখ বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে ধরে নিয়ে নৃশংসভাবে নির্যাতন ও হত্যা করা হয়। পরে তাদের মরদেহ রাজধানীর রায়েরবাজার ও মিরপুরসহ বিভিন্ন বধ্যভূমিতে পাওয়া যায়।

    পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তানি বাহিনী তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আল বদর ও আল শামস বাহিনীর সদস্যদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ঠান্ডা মাথায় এ গণহত্যা চালায়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ যাতে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে।

    শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, ডা. ডালিম চৌধুরী, অধ্যাপক মুনিরুজ্জামান, ডা. ফজলে রাব্বি, সাংবাদিক সিরাজুদ্দিন হোসেন, সাহিত্যিক শহীদুল্লাহ কায়সার, অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র দেব, অধ্যাপক ড. জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, অধ্যাপক সান্তোষ ভট্টাচার্য, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, সাংবাদিক খন্দকার আবু তালেব, নিজামুদ্দিন আহমেদ, এসএ মান্নান, এএনএম গোলাম মুস্তফা, সৈয়দ নাজমুল হক ও সেলিনা পারভিন।

    শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ‘আজ ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এ দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের, যারা ১৯৭১ সালে বিজয়ের প্রাক্কালে হানাদার বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে শাহাদত বরণ করেন। আমি তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।’

    তিনি বলেন, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধাপে ধাপে বহু আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে মুক্তিসংগ্রামের জন্য প্রস্তুত করেন। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তারই আহ্বানে গোটা জাতি মুক্তিসংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ছিনিয়ে আনে চূড়ান্ত বিজয়। হানাদার বাহিনী তাদের নিশ্চিত পরাজয় আঁচ করতে পেরে জাতিকে মেধাশূন্য করার হীন উদ্দেশ্যে স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার-আলবদর-আল শামস বাহিনীর সহযোগিতায় ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিল্পীসহ বহু গুণীজনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। জাতি হারায় তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে এ এক কলঙ্কজনক অধ্যায়।

    ‘বুদ্ধিজীবীরা দেশ ও জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির রূপকার। তাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা, সৃজনশীল কর্মকাণ্ড, উদার ও গণতান্ত্রিক চিন্তাচেতনা জাতীয় অগ্রগতির সহায়ক। জাতির বিবেক হিসেবে খ্যাত আমাদের বুদ্ধিজীবীরা তাদের ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টি, যুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারকে পরামর্শ প্রদানসহ বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনা দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিতে বিপুল অবদান রাখেন। কিন্তু, জাতির দুর্ভাগ্য, বিজয়ের প্রাক্কালে হানাদারবাহিনী পরিকল্পিতভাবে এ দেশের খ্যাতনামা বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে। জাতির জন্য এ এক অপূরণীয় ক্ষতি। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের রেখে যাওয়া আদর্শ ও পথকে অনুসরণ করে অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে পারলেই তাদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে’, বলেন আবদুল হামিদ।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, ‘আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কময় দিন। মহান মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ও তাদের দোসররা পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।’

    তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দীর্ঘ ২৪ বছরের পাকিস্তানি বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে দেশের আপামর জনসাধারণকে সংগঠিত করে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে নিরীহ ও নিরস্ত্র বাঙালির ওপর হত্যাযজ্ঞ শুরু করলে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। জাতির পিতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিন্তু, মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় জামায়াতসহ ধর্মাদ্ধ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। তারা রাজাকার, আলবদর ও আলশামসবাহিনী গঠন করে পাক হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করার পাশাপাশি হত্যা, ধর্ষণ,  অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ করে। বাঙালি জাতির বিজয়ের প্রাক্কালে তারা দেশের শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, প্রকৌশলী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদসহ দেশের মেধাবী সন্তানদের নির্মমভাবে হত্যা করে।

    ‘স্বাধীনতা বিরোধীরা এই পরিকল্পিত নৃশংস হত্যাযজ্ঞের মধ্য দিয়ে পরাজয়ের প্রতিশোধ নেয়। বাংলাদেশ যাতে আর কখনও মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে, সেটাই ছিল এ হত্যাযজ্ঞের মূল লক্ষ্য।’

    তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের এই পরাজিত শক্তি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যসহ হত্যা করে। এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তারা হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করে। ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথ বন্ধ করে দেয়। মার্শাল ল’ জারির মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করে। স্বাধীনতাযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসকে বিকৃত করে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে আওয়ামী লীগ সরকার বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় এনেছে। বিচারের রায় কার্যকর করা হচ্ছে। এই কুখ্যাত মানবতাবিরোধীদের যারা রক্ষার চেষ্টা করছে, তাদেরও একদিন বিচার হবে। এসব রায় বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মা শান্তি পাবে। দেশ ও জাতি কলঙ্কমুক্ত হবে।’

    আমি শহীদ বুদ্ধিজীবীসহ সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে, বলেন তিনি।

    করোনা মহামারির কারণে এ বছর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের এ দুঃখজনক ঘটনার স্মরণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন দিবসটি উপলক্ষে ভার্চুয়ালি সেমিনার ও আলোচনাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করছে।

  • বিসিসি মেয়রের শোক

    বিসিসি মেয়রের শোক

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২৮ নং ওয়ার্ডের সম্মানিত কাউন্সিলর, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ও বরিশাল জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন আজ বিকাল ৪ টা ৩০ মিনিটে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)।

    তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্।তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সকলের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

  • বরিশালে হাসানাত আবদুল্লাহ’র জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    বরিশালে হাসানাত আবদুল্লাহ’র জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক( মন্ত্রী), বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপির ৭৬ তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে বরিশালে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার বাদ আছর বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে কালীরোডস্থ সেরনিয়াবাত বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়।

    দোয়া মাহফিলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ভিসি অধ্যাপক ছাদেকুল আরেফিন,বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি অ্যাড. তালুকদার মোঃ ইউনুস,বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. একেএম জাহাঙ্গীর, বিভিন্ন পৌর মেয়র,উপজেলার চেয়ারম্যান, বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহন করেন।