Category: প্রচ্ছদ

  • বরিশাল বিভাগে একদিনে করোনা সংক্রমন বাড়ল দ্বিগুন

    বরিশাল বিভাগে একদিনে করোনা সংক্রমন বাড়ল দ্বিগুন

    বরিশাল বিভাগে করোনা সংক্রমন অস্বাভাবিকভাবে হ্রাস পেয়ে আবার ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে একইভাবে বৃদ্ধি পেল। মাত্র একদিনে বিভাগে ৬ জেলায় করোনা রোগী শনাক্তের সংখ্যাটা ৩৬ থেকে দ্বিগুনেরও বেশী বৃদ্ধি পেয়ে ৭৪-এ উন্নীত হয়েছে। এসময়ে ঢাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে করোনা উপসর্গে আরো একজন মারা গেছেন। বরিশাল বিভাগে করোনা সংক্রমনে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাড়িয়েছে ১০৭ জনে। আর সরকারী হিসেবে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৫ হাজার। তবে স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমিত হিসেবনুযায়ী সোমবার দুপুরের পূর্ববর্তি ২৪ ঘন্টায় বরিশাল বিভাগে আরো ১১৪ জনসহ মোট ৩ হাজার ২০৬ জনের সুস্থ হয়ে ওঠার কথা বলা হয়েছে।

    গত ২৪ ঘন্টায় বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা ও পিরোজপুরে করোনা রোগী শনাক্তের সংখ্যাটা বেড়েছে কয়েকগুন। তবে বরগুনা ও ঝালকাঠীতে আক্রান্তর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। ভোলাতে বরিশাল বিভাগের দ্বিতীয় পিসিআর ল্যাব চালু হবার প্রথম দিনে ১৮ জনের নমুনা পরিক্ষায় ৮ জনের দেহে করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে।

    গত ২৪ ঘন্টায় বরিশালে করোনা আ্যক্রান্তের সংখ্যা দাড়িয়েছে ১৩’তে। যা আগের ২৪ ঘন্টায় ছিল ৮ জন। জেলাটিতে এ পর্যন্ত ৪০ জনের মৃত্যু ছাড়াও মোট আক্রান্ত ২ হাজার ৩৬২। এসময়ে পিরোজপুরে আক্রান্তের সংখ্যা আগের ২৪ ঘন্টায় ৩ জন থেকে ৯গুন বেড়ে ২৭-এ উন্নীত হয়েছে। জেলাটিতে এ পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু ছাড়াও আক্রান্তের সংখ্যা ৬৪১। পটুয়াখালেীতেও আক্রান্তের সংখ্যা আগের দিনের তিনগুন বেড়ে ৫ থেকে ১৭’তে উন্নীত হয়েছে। জেলাটিতে গত ২৪ ঘন্টায় একজন সহ মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাড়িয়েছে ২৮। আক্রান্ত ৯৮২। ভোলায় আক্রান্তের সংখ্যা আগের দিনের ১ থেকে ১৮’তে উন্নীত হয়েছে। জেলাটিতে এপর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যু ছাড়াও আক্রান্তের সংখ্যা সরকারী হিসেবে ৪৯৫ জন।

    তবে বরগুনাতে আক্রান্তের সংখ্যা আগের দিনের ১২ থেকে ৮ জনে হ্রাস পেয়েছে। আগের দিন একজন মারা গেলেও সোমবার কোন মৃত্যু ছিলনা। জেলাটিতে এ পর্যন্ত ৫৯৫ জন আক্রান্তের মধ্যে মারা গেছেন ১৩ জন। ঝালকাঠীতেও আক্রান্তের সংখ্যা অগের দিনের ৭ থেকে একজনে নেমে এসছে। এ জেলাতেও মোট আক্রান্ত ৪৩৬-এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের।

    এদিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ২৪ ঘন্টায় একজনের মৃত্যু ছাড়াও সুস্থ হয়ে ওঠায় ১২ জনকে ছাড়পত্র দেয়ার পরে চিকিৎসাধীন ছিল ৪১ জন। এসময়ে ওয়ার্ডটিতে নতুন ৫ জন রোগী ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে হাসপাতালটির করোনা ওয়ার্ডে নতুন কোন রোগী ভর্তি না হলেও ছাড়পত্র পেয়ে ঘরে ফিরেছেন ৬ জন। এ ওয়ার্ডে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ২৬ জন। যা গত পনের দিনের সর্বনিম্ন।

    হাসপাতালটির আইসোলেশন ও করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীনদের মধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় ৭ জনের নমুনা পরিক্ষায় ৩ জনের দেহে করোনা সংক্রমন নিশ্চিত হয়েছেন চিকিৎসকগন। এ পর্যন্ত হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীনদের মধ্যে ৮৯৯ জনের নমুনা পরিক্ষায় ৩৪১ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তবে হাসাপতালটির করোনা ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে মোট ভর্তিকৃত ১ হাজার ১৪০ জনের মধ্যে এপর্যন্ত ৯১৬ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হলেও মারা গেছেন ১৬১ জন।

  • করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৭৭২

    করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৭৭২

    দেশে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) মৃত্যুর তালিকা। গত ২৪ ঘণ্টায় এ ভাইরাস কেড়ে নিয়েছে আরও ৩৭ জনের প্রাণ। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট মারা গেলেন দুই হাজার ৯৬৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা মিলেছে আরও দুই হাজার ৭৭২ জনের মধ্যে। ফলে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এখন দুই লাখ ২৬ হাজার ২২৫।

    সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক দৈনন্দিন বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    তিনি পিসিআর-ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজার ৫৪৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আগের কিছু মিলিয়ে পরীক্ষা করা হয় ১২ হাজার ৮৫৯টি নমুনা। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১১ লাখ ২৪ হাজার ৪১৭টি। নতুন পরীক্ষায় করোনা মিলেছে দুই হাজার ৭৭২ জনের মধ্যে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ ২৬ হাজার ২২৫ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে আরও ৩৭ জনের। ফলে ভাইরাসটিতে মোট মারা গেলেন দুই হাজার ৯৬৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও এক হাজার ৮০১ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ২৫ হাজার ৬৮৩ জনে।

    গতকালের তথ্য
    গতকাল রোববারের (২৬ জুলাই) বুলেটিনে জানানো হয়, করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৪ জন মারা গেছেন। ১০ হাজার ৭৮টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয় আরও দুই হাজার ২৭৫ জনের দেহে। সে হিসাবে আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে রোগী শনাক্তের সংখ্যা। দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড আছে ৬৪ জনের। সে তথ্য জানানো হয়, ৩০ জুনের বুলেটিনে। সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড চার হাজার ১৯ জনের, যা জানানো হয় ২ জুলাইয়ের বুলেটিনে।

    করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত ও সুস্থ থাকতে বরাবরের মতো সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয় বুলেটিনে।

    বৈশ্বিক পরিস্থিতি
    চীনের উহান শহর থেকে ছড়ানো করোনাভাইরাস মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে গোটা বিশ্বকে। গত ডিসেম্বরের পর থেকে এখন পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা এক কোটি ৬৪ লাখ ২৪ হাজার ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা ছয় লাখ ৫২ হাজারের বেশি। তবে সুস্থ রোগীর সংখ্যা এক কোটি ৫২ হাজার ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। আর এতে প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।

  • বিসিসিতে শিশু ও যুবদের কল্যাণে বাজেট বৃদ্ধির দাবি

    বিসিসিতে শিশু ও যুবদের কল্যাণে বাজেট বৃদ্ধির দাবি

    করোনা মহামারীকালীন শিশু ও যুব কল্যাণে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বাজেটে ওয়ার্ডভিত্তিক সুনির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবিতে মেয়র বরাবর সাত দফা সুপারিশ করেছে বরিশাল শিশু ও যুব ফোরাম। বরিশাল শিশু ও যুব ফোরাম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসাবে বরিশাল সিটিতে শিশু ও যুবদের কল্যাণে কাজ করে।

    বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী মোঃ ইসরাইল হোসেনের কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন বরিশাল শিশু ফোরামের সদস্য রাহিমা ইসলাম মিম, যুব ফোরামের সভাপতি মোঃ আবু সুফিয়ান শেখ এবং ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিসের সমন্বয়কারী সোহানুর রহমান। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ বরিশাল এপির স্পন্সরশীপ ও চাইল্ড প্রটেকশন অফিসার চার্চিল দাসপারিশগুলো হলো- বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে শিশুদের সুরক্ষার জন্য খাতভিত্তিক সুনির্দিষ্ট বাজেট বরাদ্দ অব্যাহত রাখা, খুলনা সিটি কর্পোরেশনে অবস্থিত জনগণের মাঝে কোভিড-১৯ বিষয়ক সচেতনতাসহ বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম বন্ধে মাইকিং এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রমের ব্যবস্থা করা, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে শিশুদের জন্য আলাদা আলাদা ডাটাবেজ প্রণয়ন, সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনী প্রকল্পের আওতায় শিশুশ্রমে নিয়োজিত শিশু পরিবার, প্রতিবন্ধী ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশু পরিবারের জন্য বরাদ্দের পরিমাণ বৃদ্ধি, মহামারীকালীন স্বাস্থ্যখাতে শিশুদের জন্য আলাদা বাজেট বরাদ্দ রাখা, যাতে করোনা মহামারীকালীন কোনো শিশুই স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, যুবকদের জন্য প্রশিক্ষণখাতে বিশেষ বরাদ্দ রাখা এবং এই সময়ে যুবকরা যাতে ঘরে বসে উপার্জন করতে পারে সেজন্য বিশেষ অনলাইন ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা।

  • আজ ৩৫ মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৪৮

    আজ ৩৫ মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৪৮

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৩৫ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মারা গেলেন ২৮৩৬ জন। নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৫৪৮ জন। এপর্যন্ত শনাক্ত হলেন ২ লাখ ১৮ হাজার ৬৫৮ জন। আজ সুস্থ হয়েছে ১৭৬৮ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯৭৬ জন।

    ২৪ জুলাই, শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১২ হাজার ২৭টি। এদের মধ্যে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৫৪৮ জন।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল ৫৪৯ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮ জন, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন, ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, শরীরে ধরা পড়ে কোভিড-১৯ নামের ভাইরাসটি।

    ১১ মে প্রথমবারের মতো দেশে একদিনে সহস্রাধিক করোনারোগী শনাক্ত হয়। সেদিন ১০৩৪ জনের শরীরে ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এরপর ১২ মে ৯৬৯ জন, ১৩ মে ১১৬২ জন, ১৪ মে ১৪১ জন, ১৫ মে ১২০২ জন, ১৬ মে ৯৩০ জন, ১৭ মে ১২৭৪ জন, ১৮ মে ১৬০২ জন, ১৯ মে ১২৫১ জন, ২০ মে ১৬১৭ জন, ২১ মে ১৭৭২ জন, ২২ মে ১৬৯৪ জন, ২৩ মে ১৮৭৩ জন, ২৪ মে ১৫৩২ জন, ২৫ মে ১৯৭৫ জন, ২৬ মে ১১৬৩ জন, ২৭ মে ১৫৪১ জন, ২৮ মে ২০২৯ জন, ২৯ মে ২৫২৩ জন, ৩০ মে ১৭৬৪ জন,৩১ মে ২৫৪৫, ১ জুন ২৩৮১, ২ জুন ২৯১১ জন, ৩ জুন ২৬৯৫ জন, ৪ জুন ২৪২৩ জন, ৫ জুন ২৮২৮ জন, ৬ জুন ২৬২৩ জন, ৭ জুন ২৭৪৩ জন, ৮ জুন ২৭৩৫ জন, ৯ জুন ৩১৭১ জন, ১০ জুন ৩১৯০ জন, ১১ জুন ৩১৮৭ জন, ১২ জুন ৩৪৭১ জন, ১৩ জুন ২৮৫৬ জন, ১৪ জুন ৩১৪১ জন, ১৫ জুন ৩০৯৯ জন, ১৬ জুন ৩৮৬২ জন, ১৭ জুন ৪০০৮ জন, ১৮ জুন ৩৮০৩ জন, ১৯ জুন ৩২৪৩ জন, ২০ জুন ৩২৪০ জন, ২১ জুন ৩৫৩১ জন, ২২ জুন ৩৪৮০ জন, ২৩ জুন ৩৪১২ জন, ২৪ জুন ৩৪৬২ জন ২৫ জুন ৩৯৪৬ জন , ২৬ জুন ৩৮৬৮ জন, ২৭ জুন ৩৫০৪ জন, ২৮ জুন ৩৮০৯ জন, ২৯ জুন ৪ ০১৪ জন, ৩০ জুন ৩৬৮২ জন, ১ জুলাই ৩৭৭৫ জন, ২ জুলাই ৪০১৯ জন, ৩ জুলাই ৩১১৪ জন, ৪ জুলাই ৩২৮৮ জন, ৫ জুলাই ২৭৩৮ জন, ৬ জুলাই ৩২০১ জন, ৭ জুলাই ৩০২৭ জন, ৮ জুলাই ৩৪৮৯ জন, ৯ জুলাই ৩৩০৭ জন, ১০ জুলাই ২৯৪৯ জন, ১১ জুলাই ২৬৮৬ জন, ১২ জুলাই ২৬৬৬ জন, ১৩ জুলাই ২৬৮৬ জন, ১৪ জুলাই ৩১৬৩ জন, ১৫ জুলাই ৩৫৩৩ জন, ১৬ জুলাই ২৭৩৩ জন, ১৭ জুলাই ৩০৩৪ জন, ১৮ জুলাই ২৭০৯ জন, ২৪৫৯ জন, ২০ জুলাই ২৯২৮ জন, ২১ জুলাই ৩০৫৭ জন, ২২ জুলাই ২৭৪৪ জন, ২৩ জুলাই ২৮৫৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

    এদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটার’র তথ্য মতে, শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত সারা পৃথিবীতে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৬৬ হাজার ৮৪০ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ৬ লাখ ৩৬ হাজার ৭৮৯ জন ইতোমধ্যে মারা গেছেন।

  • আজ মৃত্যু ৪২, শনাক্ত ছাড়ালো ২ লাখ ১৩ হাজার

    আজ মৃত্যু ৪২, শনাক্ত ছাড়ালো ২ লাখ ১৩ হাজার

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৪২ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মারা গেলেন ২৭৫১ জন। নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৭৪৪জন। এপর্যন্ত শনাক্ত হলেন ২ লাখ ১৩ হাজার ২৫৪ জন। আজ সুস্থ হয়েছে ১৮০৫ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ২০২ জন।

    ২২ জুলাই, বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১২ হাজার ৫০ টি। এদের মধ্যে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৭৪৪ জন।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল ৫৪৯ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮ জন, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন, ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, শরীরে ধরা পড়ে কোভিড-১৯ নামের ভাইরাসটি।

    ১১ মে প্রথমবারের মতো দেশে একদিনে সহস্রাধিক করোনারোগী শনাক্ত হয়। সেদিন ১০৩৪ জনের শরীরে ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এরপর ১২ মে ৯৬৯ জন, ১৩ মে ১১৬২ জন, ১৪ মে ১৪১ জন, ১৫ মে ১২০২ জন, ১৬ মে ৯৩০ জন, ১৭ মে ১২৭৪ জন, ১৮ মে ১৬০২ জন, ১৯ মে ১২৫১ জন, ২০ মে ১৬১৭ জন, ২১ মে ১৭৭২ জন, ২২ মে ১৬৯৪ জন, ২৩ মে ১৮৭৩ জন, ২৪ মে ১৫৩২ জন, ২৫ মে ১৯৭৫ জন, ২৬ মে ১১৬৩ জন, ২৭ মে ১৫৪১ জন, ২৮ মে ২০২৯ জন, ২৯ মে ২৫২৩ জন, ৩০ মে ১৭৬৪ জন,৩১ মে ২৫৪৫, ১ জুন ২৩৮১, ২ জুন ২৯১১ জন, ৩ জুন ২৬৯৫ জন, ৪ জুন ২৪২৩ জন, ৫ জুন ২৮২৮ জন, ৬ জুন ২৬২৩ জন, ৭ জুন ২৭৪৩ জন, ৮ জুন ২৭৩৫ জন, ৯ জুন ৩১৭১ জন, ১০ জুন ৩১৯০ জন, ১১ জুন ৩১৮৭ জন, ১২ জুন ৩৪৭১ জন, ১৩ জুন ২৮৫৬ জন, ১৪ জুন ৩১৪১ জন, ১৫ জুন ৩০৯৯ জন, ১৬ জুন ৩৮৬২ জন, ১৭ জুন ৪০০৮ জন, ১৮ জুন ৩৮০৩ জন, ১৯ জুন ৩২৪৩ জন, ২০ জুন ৩২৪০ জন, ২১ জুন ৩৫৩১ জন, ২২ জুন ৩৪৮০ জন, ২৩ জুন ৩৪১২ জন, ২৪ জুন ৩৪৬২ জন ২৫ জুন ৩৯৪৬ জন , ২৬ জুন ৩৮৬৮ জন, ২৭ জুন ৩৫০৪ জন, ২৮ জুন ৩৮০৯ জন, ২৯ জুন ৪ ০১৪ জন, ৩০ জুন ৩৬৮২ জন, ১ জুলাই ৩৭৭৫ জন, ২ জুলাই ৪০১৯ জন, ৩ জুলাই ৩১১৪ জন, ৪ জুলাই ৩২৮৮ জন, ৫ জুলাই ২৭৩৮ জন, ৬ জুলাই ৩২০১ জন, ৭ জুলাই ৩০২৭ জন, ৮ জুলাই ৩৪৮৯ জন, ৯ জুলাই ৩৩০৭ জন, ১০ জুলাই ২৯৪৯ জন, ১১ জুলাই ২৬৮৬ জন, ১২ জুলাই ২৬৬৬ জন, ১৩ জুলাই ২৬৮৬ জন, ১৪ জুলাই ৩১৬৩ জন, ১৫ জুলাই ৩৫৩৩ জন, ১৬ জুলাই ২৭৩৩ জন, ১৭ জুলাই ৩০৩৪ জন, ১৮ জুলাই ২৭০৯ জন, ২৪৫৯ জন, ২০ জুলাই ২৯২৮ জন, ২১ জুলাই ৩০৫৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

    এদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটার’র তথ্য মতে, বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সারা পৃথিবীতে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ১ কোটি ৫০ লাখ ৯৩ হাজার ২৪৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ৬ লাখ ১৯ হাজার ৪৬৫ জন ইতোমধ্যে মারা গেছেন। বিপরীতে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯১ লাখ ১০ হাজার ৬২৩ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন ৫৩ লাখ ৬৩ হাজার ১৫৮ জন করোনারোগী, যাদের মধ্যে ৬৩ হাজার ৬৮৮ জনের অবস্থা গুরুতর।

  • মোট মৃত্যু ২৭০৯, শনাক্ত ২ লাখ ১০ হাজার

    মোট মৃত্যু ২৭০৯, শনাক্ত ২ লাখ ১০ হাজার

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৪১ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মারা গেলেন ২৭০৯ জন। নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩০৫৭ জন। এপর্যন্ত শনাক্ত হলেন ২ লাখ ১০ হাজার ৫১০ জন। আজ সুস্থ হয়েছে ১৮৪১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৩৯৭ জন।

    ২১ জুলাই, মঙ্গবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১২ হাজার ৮৯৮টি। এদের মধ্যে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩০৫৭ জন।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল ৫৪৯ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮ জন, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন, ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, শরীরে ধরা পড়ে কোভিড-১৯ নামের ভাইরাসটি।

    ১১ মে প্রথমবারের মতো দেশে একদিনে সহস্রাধিক করোনারোগী শনাক্ত হয়। সেদিন ১০৩৪ জনের শরীরে ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এরপর ১২ মে ৯৬৯ জন, ১৩ মে ১১৬২ জন, ১৪ মে ১৪১ জন, ১৫ মে ১২০২ জন, ১৬ মে ৯৩০ জন, ১৭ মে ১২৭৪ জন, ১৮ মে ১৬০২ জন, ১৯ মে ১২৫১ জন, ২০ মে ১৬১৭ জন, ২১ মে ১৭৭২ জন, ২২ মে ১৬৯৪ জন, ২৩ মে ১৮৭৩ জন, ২৪ মে ১৫৩২ জন, ২৫ মে ১৯৭৫ জন, ২৬ মে ১১৬৩ জন, ২৭ মে ১৫৪১ জন, ২৮ মে ২০২৯ জন, ২৯ মে ২৫২৩ জন, ৩০ মে ১৭৬৪ জন,৩১ মে ২৫৪৫, ১ জুন ২৩৮১, ২ জুন ২৯১১ জন, ৩ জুন ২৬৯৫ জন, ৪ জুন ২৪২৩ জন, ৫ জুন ২৮২৮ জন, ৬ জুন ২৬২৩ জন, ৭ জুন ২৭৪৩ জন, ৮ জুন ২৭৩৫ জন, ৯ জুন ৩১৭১ জন, ১০ জুন ৩১৯০ জন, ১১ জুন ৩১৮৭ জন, ১২ জুন ৩৪৭১ জন, ১৩ জুন ২৮৫৬ জন, ১৪ জুন ৩১৪১ জন, ১৫ জুন ৩০৯৯ জন, ১৬ জুন ৩৮৬২ জন, ১৭ জুন ৪০০৮ জন, ১৮ জুন ৩৮০৩ জন, ১৯ জুন ৩২৪৩ জন, ২০ জুন ৩২৪০ জন, ২১ জুন ৩৫৩১ জন, ২২ জুন ৩৪৮০ জন, ২৩ জুন ৩৪১২ জন, ২৪ জুন ৩৪৬২ জন ২৫ জুন ৩৯৪৬ জন , ২৬ জুন ৩৮৬৮ জন, ২৭ জুন ৩৫০৪ জন, ২৮ জুন ৩৮০৯ জন, ২৯ জুন ৪ ০১৪ জন, ৩০ জুন ৩৬৮২ জন, ১ জুলাই ৩৭৭৫ জন, ২ জুলাই ৪০১৯ জন, ৩ জুলাই ৩১১৪ জন, ৪ জুলাই ৩২৮৮ জন, ৫ জুলাই ২৭৩৮ জন, ৬ জুলাই ৩২০১ জন, ৭ জুলাই ৩০২৭ জন, ৮ জুলাই ৩৪৮৯ জন, ৯ জুলাই ৩৩০৭ জন, ১০ জুলাই ২৯৪৯ জন, ১১ জুলাই ২৬৮৬ জন, ১২ জুলাই ২৬৬৬ জন, ১৩ জুলাই ২৬৮৬ জন, ১৪ জুলাই ৩১৬৩ জন, ১৫ জুলাই ৩৫৩৩ জন, ১৬ জুলাই ২৭৩৩ জন, ১৭ জুলাই ৩০৩৪ জন, ১৮ জুলাই ২৭০৯ জন, ২৪৫৯ জন, ২০ জুলাই ২৯২৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

    এদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটার’র তথ্য মতে, মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৮টা পর্যন্ত সারা পৃথিবীতে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৫১ হাজার ২৪৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ৬ লাখ ১৩ হাজার ১৪৬ জন ইতোমধ্যে মারা গেছেন। বিপরীতে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৯ লাখ ৬ হাজার ২৯৭ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৫৩ লাখ ৩১ হাজার ৮০৩ জন করোনারোগীর মধ্যে ৫৯ হাজার ৮১৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

  • করোনাভাইরাসে ২৪ ঘণ্টায় মারা গেলেন ৫০ জন, নতুন শনাক্ত ২৯২৮

    করোনাভাইরাসে ২৪ ঘণ্টায় মারা গেলেন ৫০ জন, নতুন শনাক্ত ২৯২৮

    দেশে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) মৃত্যুর মিছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫০ জন মারা গেছেন এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে। ফলে ভাইরাসটিতে মোট দুই হাজার ৬৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও দুই হাজার ৯২৮ জনের দেহে। ফলে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ সাত হাজার ৪৫৩ জনে।

    করোনাভাইরাস বিষয়ে সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    বরাবরের মতো বুলেটিনে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান ডা. নাসিমা।

    বৈশ্বিক পরিস্থিতি
    গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়ানোর পর গোটা বিশ্বকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে করোনাভাইরাস। বিশ্বজুড়ে এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এখন এক কোটি সাড়ে ৪৬ লাখের মতো। মৃতের সংখ্যা ছয় লাখ নয় হাজারের বেশি। তবে ৮৭ লাখ লাখ ৩৮ হাজারের মতো রোগী সুস্থ হয়েছেন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। আর এতে প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।

  • বরিশাল বিভাগের নতুন আরও ১৩০ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ৪৮০১

    বরিশাল বিভাগের নতুন আরও ১৩০ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ৪৮০১

    বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় এ পর্যন্ত মোট চার হাজার ৮০১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ৩৮১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৯৫ জনের।

    গড়ে মোট আক্রান্তের মধ্যে ৪৯.৫৯ শতাংশ রোগী এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন। যার মধ্যে বরিশাল জেলায় ৪৭.৭২ শতাংশ, পটুয়াখালীতে ৪৪.০৫ শতাংশ, ভোলায় ৬৯.৩৬ শতাংশ, পিরোজপুরে ৪৫.৬৩ শতাংশ, বরগুনায় ৫২.৭৪ শতাংশ ও ঝালকাঠিতে ৫০.৬৪ শতাংশ রোগী সুস্থ হয়েছেন। হিসেব অনুযায়ী এ পর্যন্ত বিভাগের মধ্যে ভোলা জেলায় সুস্থের হার সর্বোচ্চ।

    এদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ১৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর গেল ২৪ ঘণ্টায় ঝালকাঠি ব্যতীত বিভাগের পাঁচ জেলায় ১৪৭ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন। এছাড়া গেল ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে বিভাগে কারো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

    অপরদিকে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে বিদেশি নাগরিকসহ ভিন্ন জেলা (সংক্রমিত) থেকে আসা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিনে রাখার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফলে গত ১০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনসহ বিভাগের ছয় জেলায় মোট ২৬ হাজার ২৩ জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। যার মধ্যে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয় ২১ হাজার ৬১৪ জনকে। এরমধ্যে ১৮ হাজার ৪৩৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া বিভাগের বিভিন্ন জেলায় হাসপাতালে (প্রতিষ্ঠানিক) কোয়ারেন্টিনে চার হাজার ৪০৯ জন রয়েছেন। এ পর্যন্ত দুই হাজার ৬০০ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

    এর বাইরে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসা পাওয়া রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৭৫১ জন। এরইমধ্যে এক হাজার ২৯৬ জনকে ছাড়পত্রও দেয়া হয়েছে।

    এছাড়া এ পর্যন্ত শুধুমাত্র বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশন ও করোনা ওয়ার্ডে মোট ১৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে ৫৪ জন করোনা পজিটিভ রোগী ও বাকিরা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

  • দেশে করোনাভাইরাসে আরও ৩৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৪৫৯

    দেশে করোনাভাইরাসে আরও ৩৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৪৫৯

    দেশে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মানুষের মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৭ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এ ভাইরাস। ফলে ভাইরাসটিতে মোট দুই হাজার ৬১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আরও দুই হাজার ৪৫৯ জনের দেহে মিলেছে এ ভাইরাস। ফলে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ চার হাজার ৫২৫ জনে।

    করোনাভাইরাস বিষয়ে রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। অনলাইনে বুলেটিন পড়েন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    তিনি ৮০টি ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ হাজার ৯৩৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১০ হাজার ৬২৫টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১০ লাখ ২৮ হাজার ২৯৯টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও দুই হাজার ৪৫৯ জনের মধ্যে। ফলে শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ চার হাজার ৫২৫ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৩৭ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে দুই হাজার ৬১৮ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও এক হাজার ৫৪৬ জন। এতে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ১১ হাজার ৬৪২ জনে।

    গতকালের তথ্য
    গতকাল শনিবারের (১৮ জুলাই) বুলেটিনে বলা হয়, করোনা আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১০ হাজার ৯২৩টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও দুই হাজার ৭০৯ জনের দেহে। সে হিসাবে আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমলেও বেড়েছে মৃত্যু। দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড আছে ৬৪ জনের। সে তথ্য জানানো হয়, ৩০ জুনের বুলেটিনে। সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড চার হাজার ১৯ জনের, যা জানানো হয় ২ জুলাইয়ের বুলেটিনে।

    বরাবরের মতো বুলেটিনে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান ডা. নাসিমা।

    বৈশ্বিক পরিস্থিতি
    গোটা বিশ্ব এখন করোনাভাইরাসের থাবায় বিপর্যস্ত। গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়ানোর পর বিশ্বজুড়ে এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এখন এক কোটি ৪৪ লাখ ৩০ হাজারের বেশি। মৃতের সংখ্যা ছয় লাখ পাঁচ হাজার প্রায়। তবে সোয়া ৮৬ লাখের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।

  • দেশে শনাক্ত ছাড়ালো ২ লাখ

    দেশে শনাক্ত ছাড়ালো ২ লাখ

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৩৪ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মারা গেলেন ২৫৮১ জন। নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৭০৯ জন। এপর্যন্ত শনাক্ত হলেন ২ লাখ ২ হাজার ৬৬ জন। আজ সুস্থ হয়েছে ১৩৭৩ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ৯৮ জন।

    ১৮ জুলাই, শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১০ হাজার ৯২৩টি। এদের মধ্যে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৭০৯ জন।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল ৫৪৯ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮ জন, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন, ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, শরীরে ধরা পড়ে কোভিড-১৯ নামের ভাইরাসটি।

    ১১ মে প্রথমবারের মতো দেশে একদিনে সহস্রাধিক করোনারোগী শনাক্ত হয়। সেদিন ১০৩৪ জনের শরীরে ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এরপর ১২ মে ৯৬৯ জন, ১৩ মে ১১৬২ জন, ১৪ মে ১৪১ জন, ১৫ মে ১২০২ জন, ১৬ মে ৯৩০ জন, ১৭ মে ১২৭৪ জন, ১৮ মে ১৬০২ জন, ১৯ মে ১২৫১ জন, ২০ মে ১৬১৭ জন, ২১ মে ১৭৭২ জন, ২২ মে ১৬৯৪ জন, ২৩ মে ১৮৭৩ জন, ২৪ মে ১৫৩২ জন, ২৫ মে ১৯৭৫ জন, ২৬ মে ১১৬৩ জন, ২৭ মে ১৫৪১ জন, ২৮ মে ২০২৯ জন, ২৯ মে ২৫২৩ জন, ৩০ মে ১৭৬৪ জন,৩১ মে ২৫৪৫, ১ জুন ২৩৮১, ২ জুন ২৯১১ জন, ৩ জুন ২৬৯৫ জন, ৪ জুন ২৪২৩ জন, ৫ জুন ২৮২৮ জন, ৬ জুন ২৬২৩ জন, ৭ জুন ২৭৪৩ জন, ৮ জুন ২৭৩৫ জন, ৯ জুন ৩১৭১ জন, ১০ জুন ৩১৯০ জন, ১১ জুন ৩১৮৭ জন, ১২ জুন ৩৪৭১ জন, ১৩ জুন ২৮৫৬ জন, ১৪ জুন ৩১৪১ জন, ১৫ জুন ৩০৯৯ জন, ১৬ জুন ৩৮৬২ জন, ১৭ জুন ৪০০৮ জন, ১৮ জুন ৩৮০৩ জন, ১৯ জুন ৩২৪৩ জন, ২০ জুন ৩২৪০ জন, ২১ জুন ৩৫৩১ জন, ২২ জুন ৩৪৮০ জন, ২৩ জুন ৩৪১২ জন, ২৪ জুন ৩৪৬২ জন ২৫ জুন ৩৯৪৬ জন , ২৬ জুন ৩৮৬৮ জন, ২৭ জুন ৩৫০৪ জন, ২৮ জুন ৩৮০৯ জন, ২৯ জুন ৪ ০১৪ জন, ৩০ জুন ৩৬৮২ জন, ১ জুলাই ৩৭৭৫ জন, ২ জুলাই ৪০১৯ জন, ৩ জুলাই ৩১১৪ জন, ৪ জুলাই ৩২৮৮ জন, ৫ জুলাই ২৭৩৮ জন, ৬ জুলাই ৩২০১ জন, ৭ জুলাই ৩০২৭ জন, ৮ জুলাই ৩৪৮৯ জন, ৯ জুলাই ৩৩০৭ জন, ১০ জুলাই ২৯৪৯ জন, ১১ জুলাই ২৬৮৬ জন, ১২ জুলাই ২৬৬৬ জন, ১৩ জুলাই ২৬৮৬ জন, ১৪ জুলাই ৩১৬৩ জন, ১৫ জুলাই ৩৫৩৩ জন, ১৬ জুলাই ২৭৩৩ জন, ১৭ জুলাই ৩০৩৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

    এদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটার’র তথ্য মতে, শনিবার সকাল সোয়া ৮টা পর্যন্ত সারা পৃথিবীতে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ১ কোটি ৪১ লাখ ৮৯ হাজার ২২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ৫ লাখ ৯৯ হাজার ৩৪১ জন ইতোমধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন। বিপরীতে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৪ লাখ ৫৫ হাজার ২০৬ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন ৫১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৭৬ জন, এদের মধ্যে ৬০ হাজার ১৩৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।