Category: প্রচ্ছদ

  • বরিশালে চোরের পক্ষ নিয়ে ঠিকাদারের সম্মানহানিতে মরিয়া একটি মহল

    বরিশালে চোরের পক্ষ নিয়ে ঠিকাদারের সম্মানহানিতে মরিয়া একটি মহল

    বরিশাল নগরীতে জেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য মিজানুর রহমানকে পিটিয়ে জখম করার ঘটনা নিয়ে নয়া মিশন চালাচ্ছে সমিতির নেতারা।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- গত ৩০ জুন চাদমারী বিদুত অফিসের সামনে ঠিকাদার পলাশ চৌধুরীর মোটরসাইকেল চুরি করার সময় হাতনাতে এলাকার লোকজনের কাছে ধরা খায় শ্রমিক মিজানুর রহমান। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে কয়েকটি কিল-ঘুষি দিলে সে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে ঐ অফিসের ঠিকাদারদের অন্য একটি মহল ঐ শ্রমিককে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে ঠিকাদার ও আওয়ামিলীগ নেতা পলাশ চৌধুরীর বিরুদ্ধে থানায় একটি চাঁদা দাবীর অভিযোগ করায়।
    ঘটনা এখানেই থেমে থাকেনি। নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের ম্যানেজ করে আজ (৬ জুলাই) একটি নামকাওয়াস্তে মানববন্ধনও করানো হয়েছে। কথা হচ্ছে করোনার এ দুঃসময়ে সমিতির নেতারা কোন সদস্যদের পাশে না দাড়ালেও হঠাৎ করে একটি মানববন্ধন করায় নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। মাত্র ৫মিনিটের ঐ মানববন্ধনে শুধুই ছিল ফটোসেশান।

    জানা গেছে- মিজান নামের ঐ শ্রমিক আসলে একজন ওয়েলিন্ডিং শ্রমিক। সে চাঁদমারী এলাকায় একটি ওয়ার্কশপে কাজ করে। তাহলে সে নির্মাণ শ্রমিক হলো কি করে? সর্বমহলে এ প্রশ্ন উঠেছে। অন্যদিকে পলাশ চৌধুরী বিদ্যুৎ বিভাগের একজন নিয়মিত ঠিকাদার। তিনি বরিশাল মহানগর মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মলীগের সভাপতি ও বিএম কলেজ বাকসুর সাবেক সদস্য। তার সম্মানহানির চেষ্টায় ব্যস্ত রয়েছে একটি মহল।

    সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে তারা। জেলা ইমারত শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন মোল্লা, দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি স্বপন দত্ত, মো. বাচ্চু দুরানী, আঃ রহিম হাওলাদার ও আঃ মালেক হাওলাদার প্রমুখ।

  • ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৩২০১

    ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৩২০১

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৪৪ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মারা গেলেন ২০৯৬ জন। নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩২০১ জন। এপর্যন্ত শনাক্ত হলেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬১৮ জন। আজ সুস্থ হয়েছে ৩৫২৪ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭৬ হাজার ১৪৯ জন।

    ৬ জুলাই, সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৪ হাজার ২৪৫ টি। এদের মধ্যে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩২০১ জন।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল ৫৪৯ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮ জন, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন, ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, শরীরে ধরা পড়ে কোভিড-১৯ নামের ভাইরাসটি।

    ১১ মে প্রথমবারের মতো দেশে একদিনে সহস্রাধিক করোনারোগী শনাক্ত হয়। সেদিন ১০৩৪ জনের শরীরে ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এরপর ১২ মে ৯৬৯ জন, ১৩ মে ১১৬২ জন, ১৪ মে ১৪১ জন, ১৫ মে ১২০২ জন, ১৬ মে ৯৩০ জন, ১৭ মে ১২৭৪ জন, ১৮ মে ১৬০২ জন, ১৯ মে ১২৫১ জন, ২০ মে ১৬১৭ জন, ২১ মে ১৭৭২ জন, ২২ মে ১৬৯৪ জন, ২৩ মে ১৮৭৩ জন, ২৪ মে ১৫৩২ জন, ২৫ মে ১৯৭৫ জন, ২৬ মে ১১৬৩ জন, ২৭ মে ১৫৪১ জন, ২৮ মে ২০২৯ জন, ২৯ মে ২৫২৩ জন, ৩০ মে ১৭৬৪ জন,৩১ মে ২৫৪৫, ১ জুন ২৩৮১, ২ জুন ২৯১১ জন, ৩ জুন ২৬৯৫ জন, ৪ জুন ২৪২৩ জন, ৫ জুন ২৮২৮ জন, ৬ জুন ২৬২৩ জন, ৭ জুন ২৭৪৩ জন, ৮ জুন ২৭৩৫ জন, ৯ জুন ৩১৭১ জন, ১০ জুন ৩১৯০ জন, ১১ জুন ৩১৮৭ জন, ১২ জুন ৩৪৭১ জন, ১৩ জুন ২৮৫৬ জন, ১৪ জুন ৩১৪১ জন, ১৫ জুন ৩০৯৯ জন, ১৬ জুন ৩৮৬২ জন, ১৭ জুন ৪০০৮ জন, ১৮ জুন ৩৮০৩ জন, ১৯ জুন ৩২৪৩ জন, ২০ জুন ৩২৪০ জন, ২১ জুন ৩৫৩১ জন, ২২ জুন ৩৪৮০ জন, ২৩ জুন ৩৪১২ জন, ২৪ জুন ৩৪৬২ জন ২৫ জুন ৩৯৪৬ জন , ২৬ জুন ৩৮৬৮ জন, ২৭ জুন ৩৫০৪ জন, ২৮ জুন ৩৮০৯ জন, ২৯ জুন ৪ ০১৪ জন, ৩০ জুন ৩৬৮২ জন, ১ জুলাই ৩৭৭৫ জন, ২ জুলাই ৪০১৯ জন, ৩ জুলাই ৩১১৪ জন, ৪ জুলাই ৩২৮৮ জন, ৫ জুলাই ২৭৩৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

    এদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটার’র তথ্য মতে, সোমবার দুপুর পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ১ কোটি ১৫ লাখ ৭২ হাজার ১২৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭ জন।

  • বরিশাল বিভাগে আক্রান্ত বেড়ে ৩২৯৮, মৃত্যু ৭৩

    বরিশাল বিভাগে আক্রান্ত বেড়ে ৩২৯৮, মৃত্যু ৭৩

    বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় এ পর্যন্ত মোট তিন হাজার ২৯৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ১০৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৭৩ জনের।

    বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ১০০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর গেল ২৪ ঘণ্টায় পটুয়াখালী ও বরগুনা ব্যতীত বিভাগের চার জেলায় ২৬ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন।

    পাশাপাশি সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, সম্প্রতি মৃত্যুবরণ করা ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার সুনীল কুমার (৫০), ঝালকাঠি সদরের আব্দুর রব (৮০), বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জসিম (৩৫), বরিশাল নগরের ভাটিখানা এলাকার কবির হোসেন (৫৫), বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সুরুচির (৫০) রিপোর্টে করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। ফলে এ নিয়ে বিভাগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ জনে।

    এদিকে করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে বিদেশি নাগরিকসহ ভিন্ন জেলা (সংক্রমিত) থেকে আসা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিনে রাখার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফলে গত ১০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনসহ বিভাগের ছয় জেলায় মোট ২২ হাজার ৭৯১ জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। যার মধ্যে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয় ১৯ হাজার ৭৬২ জনকে। এর মধ্যে ১৬ হাজার ৬০২ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন জেলায় হাসপাতালে (প্রতিষ্ঠানিক) কোয়ারেন্টিনে তিন হাজার ২৯ জন রয়েছেন। এ পর্যন্ত এক হাজার ৫০০ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

    এর বাইরে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসা পাওয়া রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৪৩৬ জন। এরইমধ্যে ৯০৩ জনকে ছাড়পত্রও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শুধুমাত্র বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশন ও করোনা ওয়ার্ডে মোট ১১২ জনের মৃত্যু হয়েছে এ পর্যন্ত। যার মধ্যে ৪১ জন করোনা পজেটিভ রোগী ও বাকিরা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

    এদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানিয়েছেন, বিভাগের মধ্যে এ পর্যন্ত বরিশাল জেলায় এক হাজার ৬৮১ জন, পটুয়াখালীতে ৫১১ জন, ভোলায় ৩১৯ জন, পিরোজপুরে ২৪৪ জন, বরগুনায় ৩০১ জন ও ঝালকাঠিতে ২৪২ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। যার মধ্যে গোটা বিভাগে এক হাজার ১০৫ জন করোনা পজেটিভ রোগী সুস্থ হয়েছেন। যাদের এরই মধ্যে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া মৃত্যু হওয়া করোনা পজেটিভ ৭৩ জনের মধ্যে বরিশাল নগরসহ জেলায় ২৮ জন, পটুয়াখালীতে ২২ জন, ঝালকাঠিতে ১০ জন, পিরোজপুরে পাঁচজন, ভোলায় চারজন ও বরগুনায় চারজন রয়েছেন।

  • করোনায় দেশে মৃত্যু ছাড়ালো ২ হাজার, শনাক্ত ২৭৩৮

    করোনায় দেশে মৃত্যু ছাড়ালো ২ হাজার, শনাক্ত ২৭৩৮

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৫৫ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মারা গেলেন ২০৫২ জন। নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৭৩৮ জন। এপর্যন্ত শনাক্ত হলেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৪১৭ জন।

    ৫ জুলাই, রবিবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৩ হাজার ৯৮৮ টি। এদের মধ্যে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৭৩৮ জন।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল ৫৪৯ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮ জন, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন, ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, শরীরে ধরা পড়ে কোভিড-১৯ নামের ভাইরাসটি।

    ১১ মে প্রথমবারের মতো দেশে একদিনে সহস্রাধিক করোনারোগী শনাক্ত হয়। সেদিন ১০৩৪ জনের শরীরে ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এরপর ১২ মে ৯৬৯ জন, ১৩ মে ১১৬২ জন, ১৪ মে ১৪১ জন, ১৫ মে ১২০২ জন, ১৬ মে ৯৩০ জন, ১৭ মে ১২৭৪ জন, ১৮ মে ১৬০২ জন, ১৯ মে ১২৫১ জন, ২০ মে ১৬১৭ জন, ২১ মে ১৭৭২ জন, ২২ মে ১৬৯৪ জন, ২৩ মে ১৮৭৩ জন, ২৪ মে ১৫৩২ জন, ২৫ মে ১৯৭৫ জন, ২৬ মে ১১৬৩ জন, ২৭ মে ১৫৪১ জন, ২৮ মে ২০২৯ জন, ২৯ মে ২৫২৩ জন, ৩০ মে ১৭৬৪ জন,৩১ মে ২৫৪৫, ১ জুন ২৩৮১, ২ জুন ২৯১১ জন, ৩ জুন ২৬৯৫ জন, ৪ জুন ২৪২৩ জন, ৫ জুন ২৮২৮ জন, ৬ জুন ২৬২৩ জন, ৭ জুন ২৭৪৩ জন, ৮ জুন ২৭৩৫ জন, ৯ জুন ৩১৭১ জন, ১০ জুন ৩১৯০ জন, ১১ জুন ৩১৮৭ জন, ১২ জুন ৩৪৭১ জন, ১৩ জুন ২৮৫৬ জন, ১৪ জুন ৩১৪১ জন, ১৫ জুন ৩০৯৯ জন, ১৬ জুন ৩৮৬২ জন, ১৭ জুন ৪০০৮ জন, ১৮ জুন ৩৮০৩ জন, ১৯ জুন ৩২৪৩ জন, ২০ জুন ৩২৪০ জন, ২১ জুন ৩৫৩১ জন, ২২ জুন ৩৪৮০ জন, ২৩ জুন ৩৪১২ জন, ২৪ জুন ৩৪৬২ জন ২৫ জুন ৩৯৪৬ জন , ২৬ জুন ৩৮৬৮ জন, ২৭ জুন ৩৫০৪ জন, ২৮ জুন ৩৮০৯ জন, ২৯ জুন ৪ ০১৪ জন, ৩০ জুন ৩৬৮২ জন, ১ জুলাই ৩৭৭৫ জন, ২ জুলাই ৪০১৯ জন, ৩ জুলাই ৩১১৪ জন, ৪ জুলাই ৩২৮৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

    এদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটার’র তথ্য মতে, রবিবার দুপুর পর্যন্ত সারা পৃথিবীতে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ১ কোটি ১৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৩৯ জন।

  • দেশে মৃত্যু ২ হাজার ছুঁই ছুঁই, শনাক্ত ছাড়ালো দেড় লাখ

    দেশে মৃত্যু ২ হাজার ছুঁই ছুঁই, শনাক্ত ছাড়ালো দেড় লাখ

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৩৮ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মারা গেলেন ১৯২৬ জন। নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৪০১৯ জন। এপর্যন্ত শনাক্ত হলেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৭ জন। আজ সুস্থ হয়েছে ৪৩৩৪ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৬৬ হাজার ৪৩৬ জন।

    ২ জুলাই, বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৮ হাজার ৩৬২ টি। এদের মধ্যে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৪০১৯ জন।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল ৫৪৯ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮ জন, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন, ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, শরীরে ধরা পড়ে কোভিড-১৯ নামের ভাইরাসটি।

    ১১ মে প্রথমবারের মতো দেশে একদিনে সহস্রাধিক করোনারোগী শনাক্ত হয়। সেদিন ১০৩৪ জনের শরীরে ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এরপর ১২ মে ৯৬৯ জন, ১৩ মে ১১৬২ জন, ১৪ মে ১৪১ জন, ১৫ মে ১২০২ জন, ১৬ মে ৯৩০ জন, ১৭ মে ১২৭৪ জন, ১৮ মে ১৬০২ জন, ১৯ মে ১২৫১ জন, ২০ মে ১৬১৭ জন, ২১ মে ১৭৭২ জন, ২২ মে ১৬৯৪ জন, ২৩ মে ১৮৭৩ জন, ২৪ মে ১৫৩২ জন, ২৫ মে ১৯৭৫ জন, ২৬ মে ১১৬৩ জন, ২৭ মে ১৫৪১ জন, ২৮ মে ২০২৯ জন, ২৯ মে ২৫২৩ জন, ৩০ মে ১৭৬৪ জন,৩১ মে ২৫৪৫, ১ জুন ২৩৮১, ২ জুন ২৯১১ জন, ৩ জুন ২৬৯৫ জন, ৪ জুন ২৪২৩ জন, ৫ জুন ২৮২৮ জন, ৬ জুন ২৬২৩ জন, ৭ জুন ২৭৪৩ জন, ৮ জুন ২৭৩৫ জন, ৯ জুন ৩১৭১ জন, ১০ জুন ৩১৯০ জন, ১১ জুন ৩১৮৭ জন, ১২ জুন ৩৪৭১ জন, ১৩ জুন ২৮৫৬ জন, ১৪ জুন ৩১৪১ জন, ১৫ জুন ৩০৯৯ জন, ১৬ জুন ৩৮৬২ জন, ১৭ জুন ৪০০৮ জন, ১৮ জুন ৩৮০৩ জন, ১৯ জুন ৩২৪৩ জন, ২০ জুন ৩২৪০ জন, ২১ জুন ৩৫৩১ জন, ২২ জুন ৩৪৮০ জন, ২৩ জুন ৩৪১২ জন, ২৪ জুন ৩৪৬২ জন ২৫ জুন ৩৯৪৬ জন , ২৬ জুন ৩৮৬৮ জন, ২৭ জুন ৩৫০৪ জন, ২৮ জুন ৩৮০৯ জন, ২৯ জুন ৪ ০১৪ জন, ৩০ জুন ৩৬৮২ জন, ১ জুলাই ৩৭৭৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

    এদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই দুপুর পর্যন্ত সারা পৃথিবীতে এ ভাইরাসে আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৮ লাখ ১৯ হাজার ৭৬২ জন। এ ভাইরাসে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫ লাখ ১৯ হাজার ২৭২ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬০ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৮ জন করোনারোগী।

  • বরিশাল নগরীতে বেড়েছে মটরটসাইকেল চোর চক্রের দৈরত্ব, নিশ্চুপ প্রশাসন

    বরিশাল নগরীতে বেড়েছে মটরটসাইকেল চোর চক্রের দৈরত্ব, নিশ্চুপ প্রশাসন

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ বরিশালে যেন নিয়মিত বিরতিতে মোটরসাইকেল চুরির হিড়িক পড়েছে। দিনে দুপুরে হরহামেশেই চুরি হয়ে যাচ্ছে মোটরসাইকেল। ১০-১৫ মিনিট সময় পেলেই কৌশলে মোটরসাইকেল নিয়ে উধাও হয়ে যায় তারা। মোটরসাইকেল চোরদের একটি শক্তিশালী দল গড়ে উঠেছে। এদের রয়েছে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। জানা যায়, উপজেলার বিভিন্নস্থানে গত কয়েক দিনে অন্তত ৫/৭টি মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। নগরীর সব জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্যরা। সুধু ঘুরে বেড়ানোতেই থেমে নেই এরা। সুযোগ বুঝেই নিয়া যায় একটি মানুষের সারা জীবনের সঞ্চয়ে কেনা মটরসাইকেলটি। যখন মানুষের সখের মোটরসাইকেল টি চুরি হয়ে যায় তখন একটি মানুষ নিঃস্ব প্রায়। সব কিছু চোখের সামনে থাকলেও প্রশাসন এই দিক মনে হয় নিরবতা পালন করছে।

    ৩০ জুন,২০২০। নিজের ব্যাক্তিগত মোটরসাইকেলটি নিজের কর্মস্থল চাঁদমারি বিদ্যুৎ অফিসের সামনে রেখে তার ঠিকাদারি সাইটের কার্যক্রম দেখাশুনা করছিলেন আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ, বরিশাল মহানগরের সভাপতি মুহাঃ পলাশ চৌধুরী। হটাৎ একজন লোককে মোটরসাইকেল এর আসে পাশে ঘোরাঘুরি করতে দেখলে পলাশ চৌধুরীর মনে সন্দেহ জাগে। সে দূর থেকে মোটরসাইকেল এর দিকে খেয়াল রাখতে থাকে। এক সময় মোটরসাইকেলটি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় লোকটাকে ধরে ফেলে এবং স্থানীয় লোক দুই একটা চড় থাপ্পর দেওয়ার পরে চোরটি কোনোরকম ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    পরে খোজ নিয়ে জানা যায়, চুরির চেষ্টা করা যুবকটির নাম মিজানুর রহমান। পিতার নাম তাহের আলী। মিজানুর রহমান বাবুগঞ্জের বায়লাখালী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় একটি ওয়ার্লিং এর দোকানে মিস্ত্রির কাজ করতেন এবং মোটরসাইকেল চোর চক্রের সাথে জরিত।

    নগরীতে এরকম মিজানুর রহমানের মত হাজারো মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য ঘুরাফিরা করছে। চুরি হচ্ছে শত মানুষের স্বপ্নের মোটরসাইকেল। এ ব্যাপারে প্রশাসন নজর না দিলে এরকম ঘটনা বন্ধ হবে না।

  • আজ মৃত্যু ৪১, শনাক্ত ছাড়ালো প্রায় দেড় লাখ

    আজ মৃত্যু ৪১, শনাক্ত ছাড়ালো প্রায় দেড় লাখ

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৪১ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মারা গেলেন ১৮৮৮ জন। নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩৭৭৫ জন। এপর্যন্ত শনাক্ত হলেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ২৫৮ জন। আজ সুস্থ হয়েছে ২৪৮৪ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৬২ হাজার ১০২ জন।

    ১ জুলাই, বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৭ হাজার ৮৭৫টি। এদের মধ্যে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩৭৭৫ জন।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল ৫৪৯ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮ জন, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন, ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, শরীরে ধরা পড়ে কোভিড-১৯ নামের ভাইরাসটি।

    ১১ মে প্রথমবারের মতো দেশে একদিনে সহস্রাধিক করোনারোগী শনাক্ত হয়। সেদিন ১০৩৪ জনের শরীরে ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এরপর ১২ মে ৯৬৯ জন, ১৩ মে ১১৬২ জন, ১৪ মে ১৪১ জন, ১৫ মে ১২০২ জন, ১৬ মে ৯৩০ জন, ১৭ মে ১২৭৪ জন, ১৮ মে ১৬০২ জন, ১৯ মে ১২৫১ জন, ২০ মে ১৬১৭ জন, ২১ মে ১৭৭২ জন, ২২ মে ১৬৯৪ জন, ২৩ মে ১৮৭৩ জন, ২৪ মে ১৫৩২ জন, ২৫ মে ১৯৭৫ জন, ২৬ মে ১১৬৩ জন, ২৭ মে ১৫৪১ জন, ২৮ মে ২০২৯ জন, ২৯ মে ২৫২৩ জন, ৩০ মে ১৭৬৪ জন,৩১ মে ২৫৪৫, ১ জুন ২৩৮১, ২ জুন ২৯১১ জন, ৩ জুন ২৬৯৫ জন, ৪ জুন ২৪২৩ জন, ৫ জুন ২৮২৮ জন, ৬ জুন ২৬২৩ জন, ৭ জুন ২৭৪৩ জন, ৮ জুন ২৭৩৫ জন, ৯ জুন ৩১৭১ জন, ১০ জুন ৩১৯০ জন, ১১ জুন ৩১৮৭ জন, ১২ জুন ৩৪৭১ জন, ১৩ জুন ২৮৫৬ জন, ১৪ জুন ৩১৪১ জন, ১৫ জুন ৩০৯৯ জন, ১৬ জুন ৩৮৬২ জন, ১৭ জুন ৪০০৮ জন, ১৮ জুন ৩৮০৩ জন, ১৯ জুন ৩২৪৩ জন, ২০ জুন ৩২৪০ জন, ২১ জুন ৩৫৩১ জন, ২২ জুন ৩৪৮০ জন, ২৩ জুন ৩৪১২ জন, ২৪ জুন ৩৪৬২ জন ২৫ জুন ৩৯৪৬ জন , ২৬ জুন ৩৮৬৮ জন, ২৭ জুন ৩৫০৪ জন, ২৮ জুন ৩৮০৯ জন, ২৯ জুন ৪ ০১৪ জন, ৩০ জুন ৩৬৮২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

    এদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যমতে, বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত সারা পৃথিবীতে এ ভাইরাসে আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৫ লাখ ৮৫ হাজার ৬৪১ জন। এদের মধ্যে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৯১৩ জন ইতোমধ্যে মারা গেছেন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫৭ লাখ ৯৫ হাজার ৬৫১ জন করোনারোগী। বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন ৪২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৭ জন, যাদের মধ্যে ৫৭ হাজার ৭৮৮ জনের অবস্থা গুরুতর।

  • বরিশালে নতুন করে ১৬ জনের করোনা শনাক্ত, সুস্থ ৪০

    বরিশালে নতুন করে ১৬ জনের করোনা শনাক্ত, সুস্থ ৪০

    বরিশাল জেলায় নতুন করে ১৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় ১৫৩০ জন ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। পাশাপাশি জেলায় করোনা আক্রান্ত ৪০ জন ব্যক্তি সুস্থতা লাভ করেছেন। যা নিয়ে জেলায় মোট ৩৩৬ জন ব্যক্তি করোনা থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এবং জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ১ জন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন। এতে করে জেলায় ২৪ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন।

    মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে বরিশাল জেলা প্রশাসনের মিডিয়িা সেলে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    আক্রান্তদের মধ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলার ২ জন, উজিরপুর উপজেলার ১ জন, বরিশাল নগরীর রুপাতলি এলাকার ২ জন, কাউনিয়া, বটতলা, মেডিকেল কলেজ লেন, বাংলাবাজার, ব্রাউন কম্পাউন্ড প্রত্যেক এলাকার ১ জন করে ৫ জন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কর্মরত ১ জন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ২ জন সদস্য, রেঞ্জ পুলিশে কর্মরত ২ জন, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১ জন স্টাফ।

    বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমান জানান, রিপোর্ট পাওয়ার পর পরই ওই ১৬ জন ও মৃত ব্যাক্তির অবস্থান অনুযায়ী তাদের লকডাউন করা হয়েছে। তাদের আশপাশের বসবাসের অবস্থান নিশ্চিত করে লকডাউন করার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি তাদের অবস্থান এবং কোন কোন স্থানে যাতায়াত ও কাদের সংস্পর্শে ছিলেন তা চিহ্নিত করার কাজ চলছে। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বরিশাল বিভাগে নতুন করে ৬৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২৯১৩

    বরিশাল বিভাগে নতুন করে ৬৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২৯১৩

    • বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় এ পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৯১৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন ৮৯৫ জন এবং মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৩ জনের।

      বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় ৬৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর এসময়ের মধ্যে ৬ জেলায় ৮০ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন।

      পাশাপাশি সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, সম্প্রতি মৃত্যুবরণ করা তিন জনসহ এ বিভাগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৬৩ জনে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

      এদিকে করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে বিদেশি নাগরিকসহ ভিন্ন জেলা (সংক্রমিত) থেকে আগত ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিনে রাখার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফলে গত ১০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনসহ বিভাগের ৬ জেলায় মোট ২১ হাজার ৯২০ জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়।

      যারমধ্য হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয় ১৯ হাজার ২৭৩ জনকে, আর এরমধ্যে ১৬ হাজার ১৯ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন জেলায় হাসপাতালে (প্রতিষ্ঠানিক) কোয়ারেন্টিনে ২ হাজার ৬৪৭ জন রয়েছেন এবং এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩৫৪ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

      এর বাইরে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসা প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৬২ জন এবং এরইমধ্যে ৮০২ জনকে ছাড়পত্রও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শুধুমাত্র বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশন ও করোনা ওয়ার্ডে মোট ৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এ পর্যন্ত। যারমধ্যে ৩৭ জন করোনা পজিটিভ রোগী ও বাকিরা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

      বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানিয়েছেন, বিভাগের মধ্যে এ পর্যন্ত বরিশাল জেলায় ১ হাজার ৫৩০ জন, পটুয়াখালীতে ৪২১, ভোলায় ২৮৭, পিরোজপুরে ২১৪, বরগুনায় ২৪৭ ও ঝালকাঠিতে ২১৪ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। যারমধ্যে গোটা বিভাগে ৮৯৫ জন করোনা পজিটিভ রোগী সুস্থ হয়েছেন। যাদের এরইমধ্যে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

      এছাড়া মৃত্যু হওয়া করোনা পজিটিভ ৬৩ জনের মধ্যে বরিশাল নগরসহ জেলায় ২৪ জন, পটুয়াখালীতে ২০ জন, ঝালকাঠিতে ৮ জন, পিরোজপুরে ৫ জন, ভোলায় ৪ জন ও বরগুনায় ২ জন রয়েছেন।

  • বরিশাল বিভাগে আক্রান্ত ২৮৪৮ জন, মৃত্যু ৬০

    বরিশাল বিভাগে আক্রান্ত ২৮৪৮ জন, মৃত্যু ৬০

    বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় এ পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৮৪৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এছাড়া সুস্থ হয়েছে ৮১৫ জন এবং মৃত্যু হয়েছে মোট ৬০ জনের।

    মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় ১২৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর গেলো ২৪ ঘণ্টায় পটুয়াখালী ব্যতিত বিভাগের ৫ জেলায় ৭২ জন রোগী সুস্থ হয়েছে।

    পাশাপাশি সর্বোশেষ তথ্যানুযায়ী, সম্প্রতি মৃত্যুবরণ করা বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আব্দুল্লাহ খান (৭৫), পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার শাহানাজ পারভীন (৬২) ও ভোলা সদরের খোরশেদ আলমের (৮২) রিপোর্টে করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। ফলে এ নিয়ে বিভাগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা গিয়ে ৬০ জনে দাঁড়িয়েছে।

    এদিকে করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে বিদেশি নাগরিকসহ ভিন্ন জেলা (সংক্রমিত) থেকে আগত ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিনে রাখার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফলে গত ১০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনসহ বিভাগের ৬ জেলায় মোট ২১ হাজার ৫২৯ জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়।

    এর মধ্য হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয় ১৮ হাজার ৯৪৬ জনকে, আর এরমধ্যে ১৫ হাজার ৮৩৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন জেলায় হাসপাতালে (প্রতিষ্ঠানিক) কোয়ারেন্টিনে ২ হাজার ৫৮৩ জন রয়েছেন এবং এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৯৮ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসা প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৩০ জন এবং এরইমধ্যে ৭৪৪ জনকে ছাড়পত্রও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শুধুমাত্র বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশন ও করোনা ওয়ার্ডে মোট ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এ পর্যন্ত। এর মধ্যে ৩৫ জন করোনা পজিটিভ রোগী ও বাকিরা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

    এদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানিয়েছেন, বিভাগের মধ্যে এ পর্যন্ত বরিশাল জেলায় ১ হাজার ৫১৪ জন, পটুয়াখালীতে ৩৯১, ভোলায় ২৮৬, পিরোজপুরে ২০৮, বরগুনায় ২৪৭ ও ঝালকাঠিতে ২০২ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে গোটা বিভাগে ৮১৫ জন করোনা পজিটিভ রোগী সুস্থ হয়েছে। এছাড়া মৃত্যু হওয়া করোনা পজিটিভ ৬০ জনের মধ্যে বরিশাল নগরসহ জেলায় ২৩ জন, পটুয়াখালীতে ১৮ জন, ঝালকাঠিতে ৮ জন, পিরোজপুরে ৫ জন, ভোলায় ৪ জন ও বরগুনায় ২ জন রয়েছেন।