Category: প্রচ্ছদ

  • আজ মৃত্যু সর্বোচ্চ ৬৪ , শনাক্ত ৩৬৮২ জন

    আজ মৃত্যু সর্বোচ্চ ৬৪ , শনাক্ত ৩৬৮২ জন

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৬৪ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মারা গেলেন ১৮৪৭ জন। নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩৬৮২ জন। এপর্যন্ত শনাক্ত হলেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৪৮৩ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৫৯ হাজার ৬২৪ জন।

    ৩০ জুন, মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৮ হাজার ৪২৬টি। এদের মধ্যে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩৬৮২ জন।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল ৫৪৯ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮ জন, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন, ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, শরীরে ধরা পড়ে কোভিড-১৯ নামের ভাইরাসটি।

    ১১ মে প্রথমবারের মতো দেশে একদিনে সহস্রাধিক করোনারোগী শনাক্ত হয়। সেদিন ১০৩৪ জনের শরীরে ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এরপর ১২ মে ৯৬৯ জন, ১৩ মে ১১৬২ জন, ১৪ মে ১৪১ জন, ১৫ মে ১২০২ জন, ১৬ মে ৯৩০ জন, ১৭ মে ১২৭৪ জন, ১৮ মে ১৬০২ জন, ১৯ মে ১২৫১ জন, ২০ মে ১৬১৭ জন, ২১ মে ১৭৭২ জন, ২২ মে ১৬৯৪ জন, ২৩ মে ১৮৭৩ জন, ২৪ মে ১৫৩২ জন, ২৫ মে ১৯৭৫ জন, ২৬ মে ১১৬৩ জন, ২৭ মে ১৫৪১ জন, ২৮ মে ২০২৯ জন, ২৯ মে ২৫২৩ জন, ৩০ মে ১৭৬৪ জন,৩১ মে ২৫৪৫, ১ জুন ২৩৮১, ২ জুন ২৯১১ জন, ৩ জুন ২৬৯৫ জন, ৪ জুন ২৪২৩ জন, ৫ জুন ২৮২৮ জন, ৬ জুন ২৬২৩ জন, ৭ জুন ২৭৪৩ জন, ৮ জুন ২৭৩৫ জন, ৯ জুন ৩১৭১ জন, ১০ জুন ৩১৯০ জন, ১১ জুন ৩১৮৭ জন, ১২ জুন ৩৪৭১ জন, ১৩ জুন ২৮৫৬ জন, ১৪ জুন ৩১৪১ জন, ১৫ জুন ৩০৯৯ জন, ১৬ জুন ৩৮৬২ জন, ১৭ জুন ৪০০৮ জন, ১৮ জুন ৩৮০৩ জন, ১৯ জুন ৩২৪৩ জন, ২০ জুন ৩২৪০ জন, ২১ জুন ৩৫৩১ জন, ২২ জুন ৩৪৮০ জন, ২৩ জুন ৩৪১২ জন, ২৪ জুন ৩৪৬২ জন ২৫ জুন ৩৯৪৬ জন , ২৬ জুন ৩৮৬৮ জন, ২৭ জুন ৩৫০৪ জন, ২৮ জুন ৩৮০৯ জন, ২৯ জুন ৪ ০১৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

    এদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যমতে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা পৃথিবীতে এ ভাইরাসে আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ ৮ হাজার ৪২০ জনে। এদের মধ্যে ৫ লাখ ৮ হাজার ৭৭ জন ইতোমধ্যে মারা গেছেন। বিপরীতে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫৬ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫৫ জন। বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৪২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৮৮ জন করোনারোগী, যাদের মধ্যে ৫৭ হাজার ৫৩৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

  • ২৪ ঘন্টায় করোনায় ৪৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪০১৪ জন

    ২৪ ঘন্টায় করোনায় ৪৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪০১৪ জন

    প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরো ৪৩ জন। নতুন শনাক্ত হয়েছেন ৪০১৪ জন।

    এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট ১৭৮৩ জন মারা গেলেন। এছাড়া আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৪১ হাজার ৮০১ জনে।

    সোমবার (২৯ জুন) বেলা আড়াইটায় নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।

    এর আগে, একই দিন সোমবার (২৯ জুন) সকালে রাজধানীর সদরঘাটের বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চ ডুবির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় এরই মধ্যে ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    এদিকে করোনার ব্রিফিং-য়ে নাসিমা বলেন, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ হাজার ৮৩৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। ৬৫টি ল‌্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এখন পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭ লাখ ৪৮ হাজার ৪২৯টি।

    ব্রিফিং এ অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৫৩ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়েছেন মোট ৫৭ হাজার ৭৮০ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪০ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

  • দেশে করোনায় আরও ৪৩ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩৮০৯

    দেশে করোনায় আরও ৪৩ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩৮০৯

    প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিয়েছেন আরও ৪৩ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হলো ১৭৩৮ জনের।

    রোববার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত বুলেটিনে যুক্ত হয়ে করোনাভাইরাস সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরেন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

    তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ হাজার ৩৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আগের নমুনাসহ মোট পরীক্ষা করা হয় ১৮ হাজার ৯৯টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা হলো ৭ লাখ ৩০ হাজার ১৯৭টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ৮০৯ জনের মধ্যে। শনাক্তের হার ২১ দশমিক ০৫ শতাংশ।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের এ অতিরিক্ত মহাপরিচালক জানান, নতুন করে যে ৪৩ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ২৯ জন ও নারী ১৪জন। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ২৬ শতাংশ।

    গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়ানো করোনাভাইরাস গোটা বিশ্বকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে। বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৯৯ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। মৃতের সংখ্যাও ৫ লাখ ছুঁই ছুঁই করছে। তবে ৫৩ লাখের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। আর প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।

    এর আগে শনিবারের (২৭ জুন) ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছিল- ৩ হাজার ৫০৪ জনের শরীরে জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে ৩৪ জনের প্রাণ কেড়ে নেয় এ ভাইরাস। এদিন দেশের ৫৮ ল্যাবে করোনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১৫ হাজার ৫৯টি। আগের নমুনাসহ মোট পরীক্ষা করা হয় ১৫ হাজার ১৫৭টি।

  • বরিশাল বিভাগে আক্রান্ত ছাড়ালো আড়াই হাজার

    বরিশাল বিভাগে আক্রান্ত ছাড়ালো আড়াই হাজার

    বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৬০৯ জনে। এরমধ্য থেকে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৮৩ জন। শনিবার পিরোজপুরে একজন কেরানা রোগী মৃত্যুবরণ করায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ৫৪। এমনটাই জানিয়েছেন বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ বাসুদেব কুমার দাস।

    আজ রবিবার (২৮ জুন) বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় ১২৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এসময়ের মধ্যে তিন জেলায় ২৩ জন রোগী সুস্থ্য হয়েছেন। তা হলো বরিশাল জেলায় ১৩ জন, পটুয়াখালীতে ১ জন এবং বরগুনায় ৯ জন।

    এদিকে করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে বিদেশি নাগরিকসহ ভিন্ন জেলা (সংক্রমিত) থেকে আগত ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিনে রাখার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফলে গত ১০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনসহ বিভাগের ৬ জেলায় মোট ২০৯২৫ জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়।

    যারমধ্যে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয় ১৮ হাজার ৫৬১ জনকে, আর এরমধ্যে ১৫ হাজার ৪২০ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন জেলায় হাসপাতালে (প্রতিষ্ঠানিক) কোয়ারেন্টিনে ২ হাজার ৩৬৪ জন রয়েছেন এবং এ পর্যন্ত ১ হাজার ২০৮ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানিয়েছেন, বিভাগের মধ্যে এ পর্যন্ত বরিশাল জেলায় ১ হাজার ৪২২ জন, পটুয়াখালীতে ৩২৬, ভোলায় ২৬০, পিরোজপুরে ১৯৪, বরগুনায় ২১৪ ও ঝালকাঠিতে ১৯৩ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে।

    এছাড়া মৃত্যু হওয়া করোনা পজিটিভ ৫৪ জনের মধ্যে বরিশাল নগরসহ জেলায় ২০ জন, পটুয়াখালীতে ১৬ জন, ঝালকাঠিতে ৮ জন, পিরোজপুরে ৫ জন, ভোলায় ৩ জন ও বরগুনায় ২ জন রয়েছেন।#

  • করোনায় আরও ৩৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৫০৪

    করোনায় আরও ৩৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৫০৪

    করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ১ হাজার ৬৯৫ জন কোভিড রোগী মারা গেলেন।

    এই সময়ে ৩ হাজার ৫০৪ জন শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হলেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৭৮ জন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ১৮৫ জন এবং মোট সুস্থ ৫৪ হাজার ৩১৮ জন।

    শনিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জানান, গত ঘণ্টায় ১৫ হাজার ৫৯টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্বের নমুনাসহ ১৫ হাজার ১৫৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩ হাজার ৫০৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। মোট আক্রান্ত ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৭৮ জন। শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ১২ শতাংশ।

    তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে পুরুষ ৩২ জন ও নারী ২ জন। এ নিয়ে মোট মারা গেলেন ১ হাজার ৬৯৫ জন।

    নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ১৮৫ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ ৫৪ হাজার ৩১৮ জন।

    শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪০ দশমিক ৫৪ শতাংশ ও মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৭ শতাংশ।

    তিনি আরও জানান, বয়স বিভাজনে ২১-৩০ বছরের মধ্যে একজন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে একজন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৬১-৭০ বছরের মধ্যে ১৩ জন এবং ৭১-৮০ বছরের মধ্যে ৭ মারা গেছেন।

    নাসিমা জানান, বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগে ১৩ জন, চট্টগ্রামে ১০ জন, সিলেটে ৪ জন, রাজশাহীতে ৪ জন, খুলনায় একজন এবং রংপুরে ২ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে হাসপাতালে ৩০ জন ও বাড়িতে ৪ জন মারা গেছেন।

    প্রসঙ্গত গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগীশনাক্ত হন ৮ মার্চ এবং এ রোগে আক্রান্ত প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।

    ২৫ মার্চ প্রথমবারের মতো রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানায়, বাংলাদেশে সীমিত পরিসরে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বা সামাজিকভাবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হচ্ছে।

  • করোনায় আরও ৪০ মৃত্যু, আক্রান্ত ৩৮৬৮

    করোনায় আরও ৪০ মৃত্যু, আক্রান্ত ৩৮৬৮

    করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ১ হাজার ৬৬১ জন কোভিড রোগী মারা গেলেন।

    এই সময়ে ৩ হাজার ৮৬৮ জন শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হলেন ১ লাখ ৩০ হাজার হাজার ৪৭৪ জন।

    প্রসঙ্গত গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগীশনাক্ত হন ৮ মার্চ এবং এ রোগে আক্রান্ত প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।

    ২৫ মার্চ প্রথমবারের মতো রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানায়, বাংলাদেশে সীমিত পরিসরে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বা সামাজিকভাবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হচ্ছে।

  • নতুন করে আরও ৩৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৩৯৪৬

    নতুন করে আরও ৩৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৩৯৪৬

    মারণঘাতী করোনাভাইরাস আক্রান্তে ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আরও ৩৯ জনের প্রাণ হারিয়েছে। এ নিয়ে ১ হাজার ৬২১ জনের মৃত্যু হলো। একই সময়ে করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৩৯৪৬ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্ত সংখ্যা ১ লাখ ২৬ হাজার ৬০৬ জন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

    সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা অনলাইনে বুলেটিনে তুলে ধরে বলেন, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ হাজার ৫৮৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৭ হাজার ৯৯৯টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৬লাখ ৭৮ হাজার ৪৪৩টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ৯৪৬ জনের মধ্যে। শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৯২ শতাংশ। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এক লাখ ২৬ হাজার ৬০৬ জন।

    নতুন করে যে ৩৯ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ৩২ জন ও নারী ৭ জন। এ নিয়ে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে দেশে মোট মারা গেলেন এক হাজার ৬২১ জন। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যু হার ১ দশমিক ২৮ শতাংশ।

    এর আগে বুধবারের (২৪ জুন) বুলেটিনে জানানো হয়, ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১৬ হাজার ৪৩৩টি নমুনা পরীক্ষায় করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ৪৬২ জনের মধ্যে। সে হিসাবে আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু বেড়েছে দুজনের। দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড আছে ৫৩ জনের। সে তথ্য জানানো হয় ১৬ জুনের বুলেটিনে। আর সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড আছে চার হাজার আট জনের। এ তথ্য জানানো হয় ১৭ জুনের বুলেটিনে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৮২৯ জন। সব মিলিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা এখন ৫১ হাজার ৪৯৫ জন। সুস্থতার হার ৪০ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

    গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারী ৩৯ জনের বয়স বিশ্লেষণে দেখা গেছে ২১ থেকে ৩০ বছরের ২ জন, ত্রিশোর্ধ্ব ১ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ৭ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৯ জন, ষাটোর্ধ্ব ১২ জন, সত্তরোর্ধ্ব ৭ জন, আশি বছরের বেশি বয়সী ৭ জন এবং ৯০ বছরে বেশি বয়সী একজন রয়েছেন।

    তাদের মধ্যে ১০ জন ঢাকা বিভাগের, ১০ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৫ জন রাজশাহী বিভাগের, ৫ জন খুলনা বিভাগের, ৩ জন ময়মনসিংহ বিভাগের, বরিশাল বিভাগে ২ জন ও রংপুরে বিভাগের ৪ জন রয়েছেন।

    যে ৩৯ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে ২৮ জন হাসপাতালে এবং ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বাসায়।’

  • আজ মৃত্যু ৩৭, আক্রান্ত ১ লাখ ২২ হাজার

    আজ মৃত্যু ৩৭, আক্রান্ত ১ লাখ ২২ হাজার

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৩৭ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মারা গেলেন ১৫৮২ জন। নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩৪৬২ জন। এপর্যন্ত শনাক্ত হলেন ১ লাখ ২২ হাজার ৬৬০ জন। আজ সুস্থ হয়ে উঠেছে ২০৩১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৪৯ হাজার ৬৬৬ জন।

    ২৪ জুন, বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৬ হাজার ৪৩৩টি। এদের মধ্যে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩৪৬২ জন।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল ৫৪৯ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮ জন, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন, ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, শরীরে ধরা পড়ে কোভিড-১৯ নামের ভাইরাসটি।

    ১১ মে প্রথমবারের মতো দেশে একদিনে সহস্রাধিক করোনারোগী শনাক্ত হয়। সেদিন ১০৩৪ জনের শরীরে ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এরপর ১২ মে ৯৬৯ জন, ১৩ মে ১১৬২ জন, ১৪ মে ১৪১ জন, ১৫ মে ১২০২ জন, ১৬ মে ৯৩০ জন, ১৭ মে ১২৭৪ জন, ১৮ মে ১৬০২ জন, ১৯ মে ১২৫১ জন, ২০ মে ১৬১৭ জন, ২১ মে ১৭৭২ জন, ২২ মে ১৬৯৪ জন, ২৩ মে ১৮৭৩ জন, ২৪ মে ১৫৩২ জন, ২৫ মে ১৯৭৫ জন, ২৬ মে ১১৬৩ জন, ২৭ মে ১৫৪১ জন, ২৮ মে ২০২৯ জন, ২৯ মে ২৫২৩ জন, ৩০ মে ১৭৬৪ জন,৩১ মে ২৫৪৫, ১ জুন ২৩৮১, ২ জুন ২৯১১ জন, ৩ জুন ২৬৯৫ জন, ৪ জুন ২৪২৩ জন, ৫ জুন ২৮২৮ জন, ৬ জুন ২৬২৩ জন, ৭ জুন ২৭৪৩ জন, ৮ জুন ২৭৩৫ জন, ৯ জুন ৩১৭১ জন, ১০ জুন ৩১৯০ জন, ১১ জুন ৩১৮৭ জন, ১২ জুন ৩৪৭১ জন, ১৩ জুন ২৮৫৬ জন, ১৪ জুন ৩১৪১ জন, ১৫ জুন ৩০৯৯ জন, ১৬ জুন ৩৮৬২ জন, ১৭ জুন ৪০০৮ জন, ১৮ জুন ৩৮০৩ জন, ১৯ জুন ৩২৪৩ জন, ২০ জুন ৩২৪০ জন, ২১ জুন ৩৫৩১ জন, ২২ জুন ৩৪৮০ জন, ২৩ জুন ৩৪১২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

    এদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যমতে, বুধবার সারা পৃথিবীতে আক্রান্ত বেড়ে ৯৩ লাখ ৫৩ হাজার ৭৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে। মোট প্রাণহানি হয়েছে ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৮০৫ জনের। বিপরীতে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫০ লাখ ৫১ হাজার ৭১১ জন। এখনো চিকিৎসা নিচ্ছেন ৩৮ লাখ ৩২ হাজার ২১৯ জন করোনারোগী, যাদের মধ্যে ৫৭ হাজার ৯১১ জনের অবস্থা গুরুতর।

  • আওয়ামী লীগের ৭১ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

    আওয়ামী লীগের ৭১ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

    আজ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭১ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এ. কে. এম. জাহাঙ্গীর এবং সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।
    এছাড়া আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বাসভবনে বাদ এশা দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে।

  • বরিশালে নতুন করে র‌্যাব-পুলিশসহ ৫৩ জনের করোনা শনাক্ত, একজনের মৃত্যু

    বরিশালে নতুন করে র‌্যাব-পুলিশসহ ৫৩ জনের করোনা শনাক্ত, একজনের মৃত্যু

    বরিশাল জেলায় নতুন করে ৫৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় ১২৭৫ জন ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। পাশাপাশি জেলায় করোনা আক্রান্ত ১৩ জন ব্যক্তি সুস্থতা লাভ করেছেন। যাতে করে মোট ২১৪ জন ব্যক্তি করোনা থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এবং করোনা আক্রান্ত হয়ে ১ জন মৃত্যুবরণ করেছে। এ নিয়ে জেলায় ১৮ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন।

    সোমবার (২২ জুন) রাতে বরিশাল জেলা প্রশাসনের মিডিয়িা সেলে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    আক্রান্তদের মধ্যে মুলাদী উপজেলার ৫ জন, হিজলা উপজেলায় ১ জন নার্স ও ১ জন স্বাস্থ্য সহকারীসহ ৪ জন, বাকেরগঞ্জ, উজিরপুর, বাবুগঞ্জ, বানারীপাড়া প্রত্যেক উপজেলার ১ জন করে ৪ জন, বরিশাল নগরীর অক্সফোর্ড মিশন রোড এলাকার ৫ জন, মেডিকেল স্টাফ কোয়ার্টার এলাকার ৪ জন, কাউনিয়া ও বগুড়া রোড প্রত্যেক এলাকার ৩ জন করে ৬ জন, সদর রোড, আলেকান্দা ও ভাটিখানা প্রত্যেক এলাকার ২ জন করে ৬ জন, রুপাতলি, নতুন বাজার, কালীবাড়ি রোড, লাইন রোড প্রত্যেক এলাকার ১ জন করে ৪ জন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ৫ জন সদস্য, নৌ-পুলিশের ১ জন সদস্য, র‍্যাব-৮ এ কর্মরত ৪ জন, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত ১ জন চিকিৎসক, ১ জন নার্স, ১ জন স্টাফ, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ১ জন চিকিৎসক ও সদর উপজেলাধীন রায়পাশা কড়াপুর এলাকার ১ জন।

    বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমান জানান, রিপোর্ট পাওয়ার পর পরই ওই ৫৩ জন ও মৃত ব্যাক্তির অবস্থান অনুযায়ী তাদের লকডাউন করা হয়েছে। তাদের আশপাশের বসবাসের অবস্থান নিশ্চিত করে লকডাউন করার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি তাদের অবস্থান এবং কোন কোন স্থানে যাতায়াত ও কাদের সংস্পর্শে ছিলেন তা চিহ্নিত করার কাজ চলছে। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে