Category: প্রচ্ছদ

  • বরিশালে করোনা আক্রান্ত মোট ৮৭২, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১৪০

    বরিশালে করোনা আক্রান্ত মোট ৮৭২, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১৪০

    বরিশালে গত ২৪ ঘন্টায় আরো ১০ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে এই নি‌য়ে জেলায় ক‌রোনা আক্রা‌ন্তের সংখ্যা দাড়িয়েছে ৮৭২ জনে। অদ্যাবধি এ জেলায় করোনা থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ১৪০ জন রুগী। জেলায় মৃত্যুবরণ করেছে ১২ জন ব্যক্তি।

    আজ আজ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১ জন, আগৈলঝাড়া উপজেলার ১ জন, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত ১ জন নার্স, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনভুক্ত কাউনিয়া, ০১ নং ওয়ার্ড, স্ব-রোড, চাঁদমারি প্রত্যেক এলাকার ০১ জন করে ০৪ জন, বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত ০৩ জন ব্যক্তিসহ মোট ১০ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে। আজ ১৩ জুন শনিবার বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ এর মাইক্রোবায়লোজি বিভাগে স্থাপিত আরটি-পিসিআর ল্যাবে বেশ কিছু নমুনা পরীক্ষা করা হলে ১০ জনের রিপোর্ট পরেজটিভ আসে। বরিশাল জেলা প্রশাসক এস, এম, অজিয়র রহমান জানান, রিপোর্ট পাওয়ার পর পরই ওই ১০ জন ব্যাক্তির অবস্থান অনুযায়ী তাকে লকডাউন করা হয়েছে। তাদের আশপাশের বসবাসের অবস্থান নিশ্চিত করে লকডাউন করার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি তাদের অবস্থান এবং কোন কোন স্থানে যাতায়াত ও কাদের সংস্পর্শে ছিলেন তা চিহ্নিত করার কাজ চলছে, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আজ পর্যন্ত বরিশাল জেলায় ২৩১ জন নারী এবং ৬৪১ জন পুরুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এদের মধ্যে শূণ্য থেকে ২০ বছর বয়স পর্যন্ত আক্রান্ত ৫১ জন, ২০ থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত আক্রান্ত ৬৬৩ জন, ৫০ থেকে তার উর্ধে ১৫৮ জন। আজ করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ২১ বছরের যুবক এবং ৫০ বছর বয়সী রোগী রয়েছে। বরিশাল জেলায় করোনা আক্রান্ত উপজেলা সমূহ বরিশাল মহানগরী ৬৮২, সদর উপজেলা ১৬ জন (রায়পাশা কড়াপুর, শায়েস্তাবাদ-২, টুংঙ্গীবাড়িয়া, চাঁদপুরা, জাগুয়া-৪, চরকাউয়া-৪ এবং চরমোনাই-৩), বাবুগঞ্জ ৩৩ জন, উজিরপুর ৩০ জন, বাকেরগঞ্জে ২৭ জন, মেহেন্দীগঞ্জ ১৫ জন, মুলাদী ১২জন, গৌরনদীতে ২০জন, বানারীপাড়া ২০জন, আগৈলঝাড়া ১১জন এবং হিজলা ৬ জনসহ মোট ৮৭২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের আজ ১ জনসহ মোট ১১৭ জন ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।অদ্যাবধি এ জেলায় ১২ জন করোনা পজিটিভ ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেন। মুলাদী উপজেলায় ২ জন, বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ১ জন, বরিশাল মহানগরীর আলেকান্দা এলাকার ২ জন, রুপাতলী চান্দুর মার্কেট এলাকায় ১ জন, ভাটিখানা এলাকার ২ জন, রাহাত আনোয়ার হাসপাতালের ১ জন, বাজার রোড এলাকার ১ জন, বাবুগঞ্জ উপজেলায় ১ জন, গৌরনদী উপজেলায় ১ জন। গত ১২ এপ্রিল এ জেলায় প্রথমবারের মতো মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়

  • করোনায় আরও ৪৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২ হাজার ৮৫৬

    করোনায় আরও ৪৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২ হাজার ৮৫৬

    বিশ্বব্যাপী মহামারি রূপ নেয়া করোনাভাইরাসে প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ৪৪ জন। এ নিয়ে করোনা শনাক্ত হয়ে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাড়ালো ১ হাজার ১৩৯ জনে।

    এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৬৩৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যার মধ্যে ২ হাজার ৮৫৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৮৪ হাজার ৩৭৯ জনে। সুস্থ হয়েছেন ৫৭৮ জন। এছাড়া শনাক্তের হার ২০.৯৪%।

    আজ শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় বলে জানায় সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। আর ১৮ মার্চ প্রথম একজনের মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়।

  • বরিশাল বিভাগে নতুন শনাক্ত ৮৪ জন, মৃত্য ২

    বরিশাল বিভাগে নতুন শনাক্ত ৮৪ জন, মৃত্য ২

    গত চব্বিশ ঘন্টায় বরিশাল বিভাগে নতুন আরও ৮৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

    এ নিয়ে বিভাগে করোনাভাইরাসে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৯৮ জনে।

    নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সর্বোচ্চ আক্রান্ত বরিশাল জেলায় ৫১ জন। এছাড়াও পটুয়াখালি জেলায় ১২ জন, ভোলা জেলায় ১০ জন, পিরোজপুর জেলায় ৫ জন, বরগুনা জেলায় ৩ জন ও ঝালকাঠি জেলায় ৩ জন আক্রান্ত হয়েছে।

    চব্বিশ ঘন্টায় বরিশাল বিভাগে আরো ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে।

    মৃত ২ জনের একজন বরিশাল ও অন্যজন পটুয়াখালি জেলার বাসিন্দা।

    এই সময়ে নতুন করে সুস্থ হয়েছে ২৩ জন । এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেছে ৩৫৬ জন।

    ১২৯৮ জনের মধ্যে বরিশাল জেলায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত ৮১০ জন, পটুয়াখালীতে ১২০ জন, ভোলায় ৮৬ জন, পিরোজপুরে ৯৯ জন, বরগুনায় ১০০ জন ও ঝালকাঠিতে ৭৮ জন।

    এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল।

    ইনস্টিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স এন্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভসের তথ্য মতে, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার একজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

    এছাড়াও শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জেলার বানারিপাড়া উপজেলার ৬ জন, উজিরপুর উপজেলার ৩ জন, বাবুগঞ্জ উপজেলার ২ জন, বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৫ জন, হিজলা উপজেলার ১ জন, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ২ জন ও সদর উপজেলাধীন কালিজিরা এলাকার ১ জন শনাক্ত হয়েছে।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় হাটখোলা, বাজার রোড, আলেকান্দা, ভাটিখানা প্রত্যেক এলাকার ২ জন করে ৮ জন, বটতলা, সাগরদি, রুপাতলি, মুন্সী গ্যারেজ, কাউনিয়া, পলাশপুর, সদর হাসপাতাল রোড, চাঁদমারি, কাশিপুর, বগুড়া রোড, ফকিরবাড়ি, মেডিকেল স্টাফ কোয়ার্টার প্রত্যেক এলাকার ১ জন করে ১২ জন নতুন শনাক্ত হয়েছে।

    চব্বিশ ঘন্টায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের আরো ৩ জন সদস্য শনাক্ত হয়েছে।

    শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩ জন নার্স, ১ জন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ২ জন স্টাফ সহ ৬ জন শনাক্ত হয়েছে। এছড়াও সদর জেনারেল হাসপাতালের ১ জন চিকিৎসকের করোনা পজিটিভ এসেছে।

    এ সময়ে ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, বরিশাল বিভাগে গত চব্বিশ ঘন্টায় সর্বোচ্চ করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়েছে। লকডাউন উঠে যাওয়ার পর পর এ বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

    তিনি আরো বলেন, বরিশাল ইতোমধ্যে রেড জোনের আওতায় এসেছে। তাই দ্রুত লকডাউন কার্যকর না হলে রোগীর সংখ্যা আরো বাড়বে।

  • চব্বিশ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৩ হাজার ৪৭১ জনের, মৃত্যু ৪৬

    চব্বিশ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৩ হাজার ৪৭১ জনের, মৃত্যু ৪৬

    গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ৪৬ জন। এ নিয়ে করোনা শনাক্ত হয়ে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ৯৫ জন।

    এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৪৭১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মোট শনাক্ত ৮১ হাজার ৫২৩ জন। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৫ হাজার ৯৯০টি।

    আজ শুক্রবার দুপুরে করোনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়। উল্লেখ্য, গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়।

  • নতুন ৩ হাজার ১৮৭ জনের করোনা শনাক্ত, মারা গেছেন আরও ৩৭ জন

    নতুন ৩ হাজার ১৮৭ জনের করোনা শনাক্ত, মারা গেছেন আরও ৩৭ জন

    গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ৩৭ জন। এ নিয়ে করোনা শনাক্ত হয়ে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ৪৯ জন।

    এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ১৮৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে করোনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

    গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়।

  • বরিশালে নতুন করে ৫৮ জনের করোনা শনাক্ত, মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু

    বরিশালে নতুন করে ৫৮ জনের করোনা শনাক্ত, মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু

    বরিশাল জেলায় নতুন করে ৫৮ জন ব্যক্তির করোনা শনাক্ত হয়েছে। আজ বুধবার শনাক্ত হওয়া ৫৮ জন সহ অদ্যাবধি এ জেলায় ৭৫৯ জন ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

    আজ ১০ জুন এ জেলায় করোনা আক্রান্ত ০৮ জন ব্যক্তি সুস্থতা লাভ করেছেন। অদ্যাবধি এ জেলায় মোট ১২৫ জন ব্যক্তি করোনা থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

    আজ জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী ০ জন ব্যক্তির তথ্য পাওয়া গেছে। এ জেলায় ০৯ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন।

    আজ ১০ জুন শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিকেল সাড়ে ৪ টায় বজলুল রহমান (৭০) নামে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত্যুবরণ করেছেন। আজ রিপোর্টে তার নমুনা পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ এসেছে।

    আজ ইনস্টিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স এন্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভস থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী গৌরনদী উপজেলার ০৩ জন, ০১ জন চিকিৎসকসহ বানারীপাড়া উপজেলার ০৪ জন, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় ০২ জন, ০১ জন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারসহ ০৩ জন,সদর উপজেলার ০২ জন, বাবুগঞ্জ ও মুলাদী প্রত্যেক উপজেলায় ০১ জন করে ০২ জন সহ মোট ১৬ জন, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী গৌরনদী উপজেলায় ০৩ জন, আগৈলঝাড়া উপজেলায় ০১ জন, মুলাদী উপজেলায় ০১ জন, উজিরপুর উপজেলায় ০২ জন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ০৫ জন সদস্য, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত ০১ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক ও ০১ জন মেডিকেল অফিসার, ০৬ জন নার্স, ০১ জন ড্রাইভারসহ মোট ০৯ জন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনভুক্ত সাগরদি ও বাংলাবাজার প্রত্যেক এলাকার ০৩ জন করে ০৬ জন, রুপাতলি এলাকার ০২ জন, কাউনিয়া, সদর রোড, কলেজ এভিনিউ, কালু শাহ সড়ক, চান্দু মার্কেট, হসপিটাল রোড, বগুড়া রোড, কাশিপুর, ভাটিখানা মোড়, গোডাউন রোড ও নথুল্লাবাদ এলাকার ০১ জন করে ১১ জন, সদর উপজেলাধীন জাগুয়া এলাকার ০২ জন সহ মোট ৫৮ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে।

    গত ১২ এপ্রিল থেকে অদ্যাবধি বাবুগঞ্জ উপজেলায় ২৯ জন, সদর উপজেলায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ,নার্স ও শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ছাত্রসহ ৬১৪ জন, উজিরপুর উপজেলায় ২৬ জন, বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ২১ জন, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় ১৩ জন, হিজলা উপজেলায় ০৫ জন, বানারীপাড়া উপজেলায় ১৩ জন, মুলাদী উপজেলায় ১২ জন, গৌরনদী উপজেলায় ১৬ জন, আগৈলঝাড়া উপজেলায় ১০ জন করে মোট ৭৫৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।

    আজ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত ০১ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক ও ০১ জন মেডিকেল অফিসার, ০৬ জন নার্স, ০১ জন ড্রাইভার, উজিরপুর উপজেলার ০১ জন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, বানারীপাড়া উপজেলার ০১ জন চিকিৎসক সহ স্বাস্থ্য বিভাগের ১১ জন ব্যক্তির করোনা শনাক্ত হয়েছে। আজ শনাক্ত হওয়া ০২ জন সহ অদ্যাবধি এ জেলায় স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত ১০৬ জন ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

    উল্লেখ্য, গত ১২ এপ্রিল এ জেলায় প্রথমবারের মতো মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ০২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়।

  • দেশে করোনায় মৃত্যু হাজার ছাড়ালো, নতুন শনাক্ত ৩ হাজার ১৯০

    দেশে করোনায় মৃত্যু হাজার ছাড়ালো, নতুন শনাক্ত ৩ হাজার ১৯০

    মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এতে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল এক হাজার ১২ জনে।

    বুধবার (১০ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    বরাবরের মতোই ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবাইকে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, মুখে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। নিজের সুরক্ষা নিজের হাতে।

    করোনাভাইরাসের ছোবলে এখন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে গোটা বিশ্ব। গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়ানোর পর এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা সোয়া ৭৩ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃতের সংখ্যা চার লাখ ১৪ হাজার প্রায়। তবে ৩৬ লাখ ১৬ হাজার রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম শনাক্ত হয় করোনাভাইরাস।

  • বেগম সাহান আরা আব্দুল্লাহ

    বেগম সাহান আরা আব্দুল্লাহ

    বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর সহধর্মিণী বীর মুক্তিযোদ্ধা বেগম সাহান আরা আব্দুল্লাহ  বরিশাল শহরের কাউনিয়া এলাকায় অভিজাত কাজী পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর  পিতার নাম কাজী মোখলেসুর রহমান। ছাত্র জীবন থেকেই বেগম সাহান আরা আব্দুল্লাহ রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৬৯ সালে তিনি বরিশাল মহিলা কলেজের ভিপি নির্বাচিত হন। একই ছাত্রসংসদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বেগম আরজু মনি সেরনিয়াবাত, আওয়ামী যুবলীগের সম্মানিত চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের মাতা।  পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। তিনি পঁচাত্তরের ট্র্যাজেডির বেচে যাওয়া গুলিবিদ্ধ একজন প্রত্যক্ষ দর্শী । সেদিন ঘাতকের গুলিতে তাঁর চার বছরের শিশু পুত্র সুকান্ত বাবু, শ্বশুর আবদুর রব সেরনিয়াবাত, ননদ বেবী সেরনিয়াবাত, দেবর আরিফ সেরনিয়াবাত, এবং ভাসুর শহিদ সেরনিয়াবাত নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

    বেগম সাহান আরা আব্দুল্লাহ  একজন মহীয়সী নারী হিসেবে সমাজ ও রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন নিজ গুণাবলীতে। রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ও মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে যেমন যুক্ত ছিলেন, তেমনি ছিলেন সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর অন্যতম পৃষ্ঠপোষক। তিনি বরিশালের অন্যতম নাট্য সংগঠন শব্দাবলী গ্রুপ থিয়েটারের উপদেষ্টামণ্ডলীর চেয়ারম্যান ছিলেন। যুক্ত ছিলেন প্রান্তিকের সাথেও।

    বীর মুক্তিযোদ্ধা বেগম সাহান আরা  আব্দুল্লাহ ৭ জুন ২০২০ইং (রবিবার) রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) । মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তিনি স্বামী, তিন পুত্র, এক কন্যা এবং নাতী-নাতনীসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। পুত্র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বর্তমানে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।  বেগম সাহান আরা আব্দুল্লাহ  বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ এর আপন বড় মামী। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    আওয়ামী যুবলীগ এর পক্ষ থেকে সবার দোয়া কামনা করা হচ্ছে।

  • বরিশালে নতুন করে চিকিৎসক-নার্স-পুলিশসহ ২৭ জনের করোনা শনাক্ত

    বরিশালে নতুন করে চিকিৎসক-নার্স-পুলিশসহ ২৭ জনের করোনা শনাক্ত

    বরিশাল জেলায় নতুন করে ২৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় ৭০১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আজ করোনা আক্রান্ত ১৫ জন সুস্থতা লাভ করেছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট ১১৭ জন ব্যক্তি করোনা থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এবং করোনা আক্রান্ত হয়ে একজন মৃত্যুবরণ করেছেন। এতে করে ৮ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন।

    মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তি আলেকান্দা এলাকার জাহাংগীর (৬২)। তিনি গত ৭ জুন মৃত্যুবরণ করেন। গতকাল তার নমুনা করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ ফলাফল এসেছে।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে বরিশাল জেলা প্রশাসনের মিডিয়িা সেলে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    আক্রান্তদের মধ্যে গৌরনদী উপজেলার ৪ জন, উজিরপুর উপজেলার ১ জন, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত ১ জন পুলিশ সদস্য, নার্সিং কলেজের ১ জন স্টাফ নার্স, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ১ জন চিকিৎসক, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ২ জন সদস্য, জেলা পুলিশের ৩ জন সদস্য, রেঞ্জ পুলিশের ১ জন স্টাফ, নগরীর রুপাতলি এলাকার ৩ জন, কাউনিয়া, কাঠালতলা, সাগরদি, কাশিপুর, কলেজ রোড প্রত্যেক এলাকার ১ জন করে ৫ জন, বিভিন্ন ব্যাংকে কর্মরত ৪ জন ব্যক্তি, হিসাবরক্ষণ অফিসের ১ জন স্টাফ।

    বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমান জানান, রিপোর্ট পাওয়ার পর পরই ওই ২৭ জন ও মৃত ব্যাক্তির অবস্থান অনুযায়ী তাকে লকডাউন করা হয়েছে তাদের আশপাশের বসবাসের অবস্থান নিশ্চিত করে লকডাউন করার প্রক্রিয়া চলচ্ছে। পাশাপাশি তাদের অবস্থান এবং কোন কোন স্থানে যাতায়াত ও কাদের সংস্পর্শে ছিলেন তা চিহ্নিত করার কাজ চলছে, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বরিশাল বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়াল

    বরিশাল বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়াল

    বরিশাল বিভাগে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্তের সংখ্যা হাজার ছাড়াল। আজ মঙ্গলবার বিভাগে নতুন করে ৭০ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বরিশাল জেলায়, ৫৭ জন। নতুন শনাক্ত ৭০ জন নিয়ে বিভাগে মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৬৪।

    স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এ নিয়ে জুনের প্রথম নয় দিনে (১ থেকে ৯ জুন) এই বিভাগে শনাক্ত হয়েছে ৫৬১ রোগী, যা মোট শনাক্তের ৫২ দশমিক ৭২ ভাগ। বিভাগের মোট আক্রান্ত ১ হাজার ৬৪ রোগীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বরিশাল জেলায়, ৬৭৪ জন। এর সিংহভাগই বরিশাল নগর এলাকার বাসিন্দা। এই সংখ্যা ৫৪৪ জন, যা বিভাগের মোট রোগীর ৫১ দশমিক ১২ ভাগ।

    এ পর্যন্ত বিভাগে ২১ জন কোভিড-১৯ রোগী মারা গেছেন। এর মধ্যে বরিশালে সাতজন, পটুয়াখালী জেলায় পাঁচজন, পিরোজপুরে তিনজন, বরগুনায় দুজন, ঝালকাঠিতে দুজন এবং ভোলায় দুজন রোগী মারা গেছেন।

    স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, বরিশালে করোনা সংক্রমণ হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়ে তা আশঙ্কাজনক পর্যায়ে চলে গেছে। গত ৯ এপ্রিল বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলার ৩২ ও ৭০ বছর বয়সী দুই ব্যক্তি করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর পর তাঁদের দুজনের নমুনা পরীক্ষা করোনা পজিটিভ হওয়ার মধ্য দিয়ে বিভাগের প্রথম দুজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০ এপ্রিলের মধ্যে বিভাগের ছয় জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বিভাগে সংক্রমণের সংখ্যা ছিল ৮৯। ৩১ এপ্রিল তা ১১৭ জনে দাঁড়ায়। এরপর মে মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে তা আরও বেড়ে দাঁড়ায় ২১৬ জনে। মে মাসের শেষ দুই সপ্তাহে, অর্থাৎ ৩০ মে তা প্রায় তিন গুণ বেড়ে হয় ৫৬০ জন। আর জুনের প্রথম ৯ দিনে তা ৫৬১ বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৬৪ জনে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত ৭০ জনের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যা বরিশালে। এ জেলায় নতুন শনাক্ত হয়েছে ৫৭ জন। এ নিয়ে এ জেলায় মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭৪। এ ছাড়া পিরোজপুরে নতুন তিনজনসহ ৯০ জন, বরগুনায় দুজনসহ আক্রান্ত ৮২ জন। পটুয়াখালীতে নতুন চার জনসহ মোট আক্রান্ত ৮২ জন। ঝালকাঠিতে নতুন দুজনসহ ৬৬ জন এবং ভোলায় দুজনসহ মোট আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৬।

    বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, ‘গত ৯ দিনের সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যাচ্ছে, বরিশাল বিভাগে আশঙ্কাজনক হারে কোভিড সংক্রমণ বাড়ছে। এর মধ্যে বরিশাল নগর করোনা সংক্রমণের হটস্পটে পরিণত হচ্ছে। গোটা বিভাগের অর্ধেকের বেশি রোগী নগরের। ঈদের সময় বিপুলসংখ্যক লোকের বিভিন্ন স্থান থেকে বাড়ি ফেরার কারণেও সংক্রমণ বাড়ছে। এটা প্রতিরোধে এখন কঠোর লকডাউনের বিকল্প নেই। তবে এখনো আমরা লকডাউনের কোনো নির্দেশনা পাইনি।’