বরিশাল বিভাগে নতুন শনাক্ত ৮৪ জন, মৃত্য ২

গত চব্বিশ ঘন্টায় বরিশাল বিভাগে নতুন আরও ৮৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

এ নিয়ে বিভাগে করোনাভাইরাসে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৯৮ জনে।

নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সর্বোচ্চ আক্রান্ত বরিশাল জেলায় ৫১ জন। এছাড়াও পটুয়াখালি জেলায় ১২ জন, ভোলা জেলায় ১০ জন, পিরোজপুর জেলায় ৫ জন, বরগুনা জেলায় ৩ জন ও ঝালকাঠি জেলায় ৩ জন আক্রান্ত হয়েছে।

চব্বিশ ঘন্টায় বরিশাল বিভাগে আরো ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে।

মৃত ২ জনের একজন বরিশাল ও অন্যজন পটুয়াখালি জেলার বাসিন্দা।

এই সময়ে নতুন করে সুস্থ হয়েছে ২৩ জন । এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেছে ৩৫৬ জন।

১২৯৮ জনের মধ্যে বরিশাল জেলায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত ৮১০ জন, পটুয়াখালীতে ১২০ জন, ভোলায় ৮৬ জন, পিরোজপুরে ৯৯ জন, বরগুনায় ১০০ জন ও ঝালকাঠিতে ৭৮ জন।

এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল।

ইনস্টিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স এন্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভসের তথ্য মতে, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার একজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এছাড়াও শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জেলার বানারিপাড়া উপজেলার ৬ জন, উজিরপুর উপজেলার ৩ জন, বাবুগঞ্জ উপজেলার ২ জন, বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৫ জন, হিজলা উপজেলার ১ জন, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ২ জন ও সদর উপজেলাধীন কালিজিরা এলাকার ১ জন শনাক্ত হয়েছে।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় হাটখোলা, বাজার রোড, আলেকান্দা, ভাটিখানা প্রত্যেক এলাকার ২ জন করে ৮ জন, বটতলা, সাগরদি, রুপাতলি, মুন্সী গ্যারেজ, কাউনিয়া, পলাশপুর, সদর হাসপাতাল রোড, চাঁদমারি, কাশিপুর, বগুড়া রোড, ফকিরবাড়ি, মেডিকেল স্টাফ কোয়ার্টার প্রত্যেক এলাকার ১ জন করে ১২ জন নতুন শনাক্ত হয়েছে।

চব্বিশ ঘন্টায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের আরো ৩ জন সদস্য শনাক্ত হয়েছে।

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩ জন নার্স, ১ জন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ২ জন স্টাফ সহ ৬ জন শনাক্ত হয়েছে। এছড়াও সদর জেনারেল হাসপাতালের ১ জন চিকিৎসকের করোনা পজিটিভ এসেছে।

এ সময়ে ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, বরিশাল বিভাগে গত চব্বিশ ঘন্টায় সর্বোচ্চ করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়েছে। লকডাউন উঠে যাওয়ার পর পর এ বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

তিনি আরো বলেন, বরিশাল ইতোমধ্যে রেড জোনের আওতায় এসেছে। তাই দ্রুত লকডাউন কার্যকর না হলে রোগীর সংখ্যা আরো বাড়বে।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *