Category: প্রচ্ছদ

  • বরিশাল বিভাগে ৪৬৬৯ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ৯৫

    বরিশাল বিভাগে ৪৬৬৯ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ৯৫

    বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় এ পর্যন্ত মোট চার হাজার ৬৬৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ২৩৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৯৫ জনের।

    বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ১৬২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর গেল ২৪ ঘণ্টায় ভেলা, পিরোজপুর ও ঝালকাঠি ব্যতীত বিভাগের তিন জেলায় ৯১ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন।

    php glass

    পাশাপাশি সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, সম্প্রতি মৃত্যুবরণ করা পিরোজপুর সদরের সেলিমের (৬০) রিপোর্টে করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। ফলে এ নিয়ে বিভাগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৯৫ জনে।

    ksrm

    এদিকে করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে বিদেশি নাগরিকসহ ভিন্ন জেলা (সংক্রমিত) থেকে আসা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিনে রাখার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফলে গত ১০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনসহ বিভাগের ছয় জেলায় মোট ২৫ হাজার ৭৮৩ জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। যারমধ্যে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয় ২১ হাজার ৫০২ জনকে। এরমধ্যে ১৮ হাজার ৩৮০ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভাগের বিভিন্ন জেলায় হাসপাতালে (প্রতিষ্ঠানিক) কোয়ারেন্টিনে চার হাজার ২৮১ জন রয়েছেন। এ পর্যন্ত দুই হাজার ৪৮১ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

    এর বাইরে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসা পাওয়া রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৭২৫ জন। এরইমধ্যে এক হাজার ২৫০ জনকে ছাড়পত্রও দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া এ পর্যন্ত শুধুমাত্র বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশন ও করোনা ওয়ার্ডে মোট ১৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। যারমধ্যে ৫৪ জন করোনা পজিটিভ রোগী ও বাকিরা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

    এদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানিয়েছেন, বিভাগের মধ্যে এ পর্যন্ত বরিশাল জেলায় দুই হাজার ৮৬ জন, পটুয়াখালীতে ৮১৪ জন, ভোলায় ৪৪৩ জন, পিরোজপুরে ৪৮১ জন, বরগুনায় ৪৬৪ জন ও ঝালকাঠিতে ৩৮১ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। যারমধ্যে গোটা বিভাগে দুই হাজার ২৩৪ জন করোনা পজিটিভ রোগী সুস্থ হয়েছেন। যাদের এরইমধ্যে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া মৃত্যু হওয়া করোনা পজিটিভ ৯৫ জনের মধ্যে বরিশাল নগরসহ জেলায় ৩৬ জন, পটুয়াখালীতে ২৫ জন, ঝালকাঠিতে ১২ জন, বরগুনায় নয়জন, পিরোজপুরে আটজন ও ভোলায় পাঁচজন রয়েছেন।

  • দেশে মৃত্যু ছাড়ালো আড়াই হাজার, নতুন শনাক্ত ৩০৩৪

    দেশে মৃত্যু ছাড়ালো আড়াই হাজার, নতুন শনাক্ত ৩০৩৪

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৫১ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মারা গেলেন ২৫৪৭ জন। নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩০৩৪ জন। এপর্যন্ত শনাক্ত হলেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৩৫৯ জন। আজ সুস্থ হয়েছে ১৯৪০ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৯৬৩ জন।

    ১৭ জুলাই, শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৩ হাজার ৪৬০টি। এদের মধ্যে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩০৩৪ জন।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল ৫৪৯ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮ জন, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন, ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, শরীরে ধরা পড়ে কোভিড-১৯ নামের ভাইরাসটি।

    ১১ মে প্রথমবারের মতো দেশে একদিনে সহস্রাধিক করোনারোগী শনাক্ত হয়। সেদিন ১০৩৪ জনের শরীরে ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এরপর ১২ মে ৯৬৯ জন, ১৩ মে ১১৬২ জন, ১৪ মে ১৪১ জন, ১৫ মে ১২০২ জন, ১৬ মে ৯৩০ জন, ১৭ মে ১২৭৪ জন, ১৮ মে ১৬০২ জন, ১৯ মে ১২৫১ জন, ২০ মে ১৬১৭ জন, ২১ মে ১৭৭২ জন, ২২ মে ১৬৯৪ জন, ২৩ মে ১৮৭৩ জন, ২৪ মে ১৫৩২ জন, ২৫ মে ১৯৭৫ জন, ২৬ মে ১১৬৩ জন, ২৭ মে ১৫৪১ জন, ২৮ মে ২০২৯ জন, ২৯ মে ২৫২৩ জন, ৩০ মে ১৭৬৪ জন,৩১ মে ২৫৪৫, ১ জুন ২৩৮১, ২ জুন ২৯১১ জন, ৩ জুন ২৬৯৫ জন, ৪ জুন ২৪২৩ জন, ৫ জুন ২৮২৮ জন, ৬ জুন ২৬২৩ জন, ৭ জুন ২৭৪৩ জন, ৮ জুন ২৭৩৫ জন, ৯ জুন ৩১৭১ জন, ১০ জুন ৩১৯০ জন, ১১ জুন ৩১৮৭ জন, ১২ জুন ৩৪৭১ জন, ১৩ জুন ২৮৫৬ জন, ১৪ জুন ৩১৪১ জন, ১৫ জুন ৩০৯৯ জন, ১৬ জুন ৩৮৬২ জন, ১৭ জুন ৪০০৮ জন, ১৮ জুন ৩৮০৩ জন, ১৯ জুন ৩২৪৩ জন, ২০ জুন ৩২৪০ জন, ২১ জুন ৩৫৩১ জন, ২২ জুন ৩৪৮০ জন, ২৩ জুন ৩৪১২ জন, ২৪ জুন ৩৪৬২ জন ২৫ জুন ৩৯৪৬ জন , ২৬ জুন ৩৮৬৮ জন, ২৭ জুন ৩৫০৪ জন, ২৮ জুন ৩৮০৯ জন, ২৯ জুন ৪ ০১৪ জন, ৩০ জুন ৩৬৮২ জন, ১ জুলাই ৩৭৭৫ জন, ২ জুলাই ৪০১৯ জন, ৩ জুলাই ৩১১৪ জন, ৪ জুলাই ৩২৮৮ জন, ৫ জুলাই ২৭৩৮ জন, ৬ জুলাই ৩২০১ জন, ৭ জুলাই ৩০২৭ জন, ৮ জুলাই ৩৪৮৯ জন, ৯ জুলাই ৩৩০৭ জন, ১০ জুলাই ২৯৪৯ জন, ১১ জুলাই ২৬৮৬ জন, ১২ জুলাই ২৬৬৬ জন, ১৩ জুলাই ২৬৮৬ জন, ১৪ জুলাই ৩১৬৩ জন, ১৫ জুলাই ৩৫৩৩ জন, ১৬ জুলাই ২৭৩৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

    এদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটার’র তথ্য মতে, শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত সারা পৃথিবীতে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ১ কোটি ৩৯ লাখ ৬৪ হাজার ৬৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৪৩ জন ইতোমধ্যে মারা গেছেন।

  • সাহেদ গ্রেপ্তার, ঢাকায় আনা হলো হেলিকপ্টারে

    সাহেদ গ্রেপ্তার, ঢাকায় আনা হলো হেলিকপ্টারে

    রিজেন্ট হাসপাতালের বহুল আলোচিত প্রতারণার দায়ে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে গ্রেপ্তারের পর ঢাকায় আনা হয়েছে। সকাল ৯টার দিকে ঢাকার তেজগাঁওয়ের পুরান বিমানবন্দরে অবতরণ করে তাকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি।

    এর আগে আজ আজ ১৫ জুলাই, বুধবার ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর গ্রামের লবঙ্গবতী নদীর তীর সীমান্ত এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এরপর সকাল ৮টা ১০ মিনিটের দিকে তাকে নিয়ে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় হেলিকপ্টার।

    র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (এএসপি) সুজয় সরকার তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, বুধবার ভোরে র‌্যাবের একটি বিশেষ অভিযানে সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে অবৈধ অস্ত্র জব্দ করা হয়।

    জানা গেছে, নদী পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে যাবার চেষ্টায় বেশ কিছুদিন ধরে সাতক্ষীরাতে অবস্থান করছিলেন সাহেদ।

    র‌্যাব জানায়, যেন কেউ চিনতে না পারে সেজন্য বোরকা পরে নৌকায় করে নদী পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন সাহেদ। তবে র‌্যাবের নজরদারির কারণে পালাতে পারেননি তিনি।

    সরকারের সঙ্গে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে টাকার বিনিময়ে করোনাভাইরাস শনাক্তের নমুনা সংগ্রহ করা এবং ভুয়া সনদ দেওয়ার অভিযোগ গত ৬ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায় র‌্যাব। পরদিন উত্তরা পশ্চিম থানায় র‌্যাব বাদী হয়ে মো. সাহেদকে এক নম্বর আসামি করে মামলা করে। সেই মামলায় ৮ দিন পলাতক থাকার পর গ্রেপ্তার হলেন সাহেদ করিম।

  • করোনাভাইরাসে ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩০৯৯

    করোনাভাইরাসে ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩০৯৯

    প্রানঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট ২ হাজার ৩৯১ জনের মৃত্যু হলো। একই সময়ে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৯ জন। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৮৯৪ জনে। এ সময় সুস্থ্য হয়েছেন ৪ হাজার ৭০৩ জন।

    শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মহাখালী থেকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন পড়েন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    বুলেটিনে প্রতিদিনের মতো করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবাইকে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, মুখে মাস্ক পরা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান ডা. নাসিমা সুলতানা। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলতে সকলের প্রতি আহবান জানান তিনি।

    উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। সবশেষ হিসাবে দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৮৯৪ জনে। মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৩৯১ জনের। দেশে মোট সুস্থ হয়েছেন ৯৮ হাজার ৩১৭ জন।

    চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দিয়ে উঠলেও এখন ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ৩০ লাখ ৩৬ হাজার ৫৮৭ জন। মৃত্যু পাঁচ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৪ জন। সুস্থ হয়েছেন ৭৫ লাখ ৮২ হাজার ৪২৬ জন।

  • বরিশালে নতুন করে ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ১৯০৭

    বরিশালে নতুন করে ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ১৯০৭

    বরিশালে গত ২৪ ঘন্টায় আরো ৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। এ নি‌য়ে জেলায় ক‌রোনা আক্রা‌ন্তের সংখ্যা দাড়িয়েছে ১৯০৭ জনে। পাশাপাশি জেলায় করোনা থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ৬৩৫ জন রুগী। জেলায় মৃত্যুবরণ করেছে ৩৩ জন ব্যক্তি।

    রোববার (১১ জুলাই) রাতে বরিশাল জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    আক্রান্তদের মধ্যে- উজিরপুর উপজেলার ১ জন, বরিশাল নগরীর কালুশাহ সড়ক, কালীবাড়ি রোড, রুপাতলী প্রত্যেক এলাকার ১ জন করে ৩ জন, ব্যাংকে কর্মরত ১ জন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত ২ জন, জেলা পুলিশে কর্মরত ২ জন।

    বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমান জানান, রিপোর্ট পাওয়ার পর পরই ওই ৯ জন ব্যাক্তির অবস্থান অনুযায়ী তাদের লকডাউন করা হয়েছে। তাদের আশপাশের বসবাসের অবস্থান নিশ্চিত করে লকডাউন করার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি তাদের অবস্থান এবং কোন কোন স্থানে যাতায়াত ও কাদের সংস্পর্শে ছিলেন তা চিহ্নিত করার কাজ চলছে, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • দেশে করোনায় আরও ৪৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৬৬৬

    দেশে করোনায় আরও ৪৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৬৬৬

    দেশে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট মারা গেলেন দুই হাজার ৩৫২ জন। একই সময়ে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও দুই হাজার ৬৬৬ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৮৩ হাজার ৭৯৫ জনে।

    করোনাভাইরাস বিষয়ে রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    বুলেটিনে ডা. নাসিমা করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

    গোটা বিশ্বকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে করোনাভাইরাস। গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়ানোর পর বিশ্বজুড়ে এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এখন এক কোটি ২৮ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি। মৃতের সংখ্যা পাঁচ লাখ ৬৮ হাজার প্রায়। তবে প্রায় পৌন এক কোটি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।

  • বরিশালে বিভাগে ৪০৬০ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ৮৩

    বরিশালে বিভাগে ৪০৬০ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ৮৩

    বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় এ পর্যন্ত মোট চার হাজার ৬০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৫০৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৮৩ জনের।

    বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ১১৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর গেল ২৪ ঘণ্টায় ভোলা ও ঝালকাঠি ব্যতীত বিভাগের চার জেলায় ৪২ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন।

    পাশাপাশি সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, সম্প্রতি মৃত্যুবরণ করা পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার সূর্যবানুর (৮৬) রিপোর্টে করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। ফলে এ নিয়ে বিভাগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ জনে।

    এদিকে করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে বিদেশিষ নাগরিকসহ ভিন্ন জেলা (সংক্রমিত) থেকে আসা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিনে রাখার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফলে গত ১০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনসহ বিভাগের ছয় জেলায় মোট ২৪ হাজার ৪৬২ জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। যার মধ্যে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয় ২০ হাজার ৭৪৩ জনকে। এর মধ্যে ১৭ হাজার ৫১৩ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভাগের বিভিন্ন জেলায় হাসপাতালে (প্রতিষ্ঠানিক) কোয়ারেন্টিনে তিন হাজার ৭১৯ জন রয়েছেন। এ পর্যন্ত এক হাজার ৮২৪ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

    এর বাইরে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসা পাওয়া রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৫৯৪ জন। এরইমধ্যে এক হাজার ৭১ জনকে ছাড়পত্রও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এ পর্যন্ত শুধুমাত্র বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশন ও করোনা ওয়ার্ডে মোট ১২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে ৪৯ জন করোনা পজিটিভ রোগী ও বাকিরা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

    এদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানিয়েছেন, বিভাগের মধ্যে এ পর্যন্ত বরিশাল জেলায় এক হাজার ৮৯৮ জন, পটুয়াখালীতে ৬৭৫ জন, ভোলায় ৩৮৮ জন, পিরোজপুরে ৩৮৯ জন, বরগুনায় ৩৮৩ জন ও ঝালকাঠিতে ৩২৭ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। যার মধ্যে গোটা বিভাগে এক হাজার ৫০৪ জন করোনা পজেটিভ রোগী সুস্থ হয়েছেন। যাদের এরই মধ্যে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া মৃত্যু হওয়া করোনা পজিটিভ ৮৩ জনের মধ্যে বরিশাল নগরসহ জেলায় ৩১ জন, পটুয়াখালীতে ২৫ জন, ঝালকাঠিতে ১১ জন, পিরোজপুরে ছয়জন, বরগুনায় পাঁচজন ও ভোলায় পাঁচজন রয়েছেন।

  • বরিশালে নতুন করে ২৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ১৮৯৮

    বরিশালে নতুন করে ২৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ১৮৯৮

    বরিশাল জেলায় নতুন করে ২৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় ১৮৯৮ জন ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। পাশাপাশি জেলায় করোনা আক্রান্ত ১৩ জন ব্যক্তি সুস্থতা লাভ করেছেন। যাতে করে জেলায় মোট ৫৬৫ জন ব্যক্তি করোনা থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। আজ জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেনি। এরআগে জেলায় ৩১ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন।

    শনিবার (১০ জুলাই) রাতে বরিশাল জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    আক্রান্তদের মধ্যে- গৌরনদী উপজেলার ২ জন ও সদর উপজেলার ২ জন, হিজলা উপজেলার ৪ জন, বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১ জন স্বাস্থ্য সহকারী, বানারীপাড়া, গৌরনদী, মেহেন্দীগঞ্জ ও উজিরপুর প্রত্যেক উপজেলার ১ জন করে ৪ জন, বরিশাল নগরীর বটতলা এলাকার ৪ জন, কাউনিয়া ও রুপাতলি এলাকার ২ জন করে ৪ জন, বিএম কলেজ রোড, হাসপাতাল রোড, নথুল্লাবাদ, সদর রোড, ফকির বাড়ি প্রত্যেক এলাকার ১ জন করে ৫ জন, ব্যাংকে কর্মরত ১ জন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত ২ জন।

    বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমান জানান, রিপোর্ট পাওয়ার পর পরই ওই ২৯ জন ব্যাক্তির অবস্থান অনুযায়ী তাদের লকডাউন করা হয়েছে। তাদের আশপাশের বসবাসের অবস্থান নিশ্চিত করে লকডাউন করার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি তাদের অবস্থান এবং কোন কোন স্থানে যাতায়াত ও কাদের সংস্পর্শে ছিলেন তা চিহ্নিত করার কাজ চলছে। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • আজ মৃত্যু ৩০, শনাক্ত ছাড়ালো ১ লাখ ৮১ হাজার

    আজ মৃত্যু ৩০, শনাক্ত ছাড়ালো ১ লাখ ৮১ হাজার

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৩০ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মারা গেলেন ২৩০৫ জন। নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৬৮৬ জন। এপর্যন্ত শনাক্ত হলেন ১ লাখ ৮১ হাজার ১২৯ জন। আজ সুস্থ হয়েছে ১৬২৮ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৪ জন।

    ১১ জুলাই, শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১১ হাজার ১৯৩ টি। এদের মধ্যে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৬৮৬ জন।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল ৫৪৯ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮ জন, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন, ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, শরীরে ধরা পড়ে কোভিড-১৯ নামের ভাইরাসটি।

    ১১ মে প্রথমবারের মতো দেশে একদিনে সহস্রাধিক করোনারোগী শনাক্ত হয়। সেদিন ১০৩৪ জনের শরীরে ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এরপর ১২ মে ৯৬৯ জন, ১৩ মে ১১৬২ জন, ১৪ মে ১৪১ জন, ১৫ মে ১২০২ জন, ১৬ মে ৯৩০ জন, ১৭ মে ১২৭৪ জন, ১৮ মে ১৬০২ জন, ১৯ মে ১২৫১ জন, ২০ মে ১৬১৭ জন, ২১ মে ১৭৭২ জন, ২২ মে ১৬৯৪ জন, ২৩ মে ১৮৭৩ জন, ২৪ মে ১৫৩২ জন, ২৫ মে ১৯৭৫ জন, ২৬ মে ১১৬৩ জন, ২৭ মে ১৫৪১ জন, ২৮ মে ২০২৯ জন, ২৯ মে ২৫২৩ জন, ৩০ মে ১৭৬৪ জন,৩১ মে ২৫৪৫, ১ জুন ২৩৮১, ২ জুন ২৯১১ জন, ৩ জুন ২৬৯৫ জন, ৪ জুন ২৪২৩ জন, ৫ জুন ২৮২৮ জন, ৬ জুন ২৬২৩ জন, ৭ জুন ২৭৪৩ জন, ৮ জুন ২৭৩৫ জন, ৯ জুন ৩১৭১ জন, ১০ জুন ৩১৯০ জন, ১১ জুন ৩১৮৭ জন, ১২ জুন ৩৪৭১ জন, ১৩ জুন ২৮৫৬ জন, ১৪ জুন ৩১৪১ জন, ১৫ জুন ৩০৯৯ জন, ১৬ জুন ৩৮৬২ জন, ১৭ জুন ৪০০৮ জন, ১৮ জুন ৩৮০৩ জন, ১৯ জুন ৩২৪৩ জন, ২০ জুন ৩২৪০ জন, ২১ জুন ৩৫৩১ জন, ২২ জুন ৩৪৮০ জন, ২৩ জুন ৩৪১২ জন, ২৪ জুন ৩৪৬২ জন ২৫ জুন ৩৯৪৬ জন , ২৬ জুন ৩৮৬৮ জন, ২৭ জুন ৩৫০৪ জন, ২৮ জুন ৩৮০৯ জন, ২৯ জুন ৪ ০১৪ জন, ৩০ জুন ৩৬৮২ জন, ১ জুলাই ৩৭৭৫ জন, ২ জুলাই ৪০১৯ জন, ৩ জুলাই ৩১১৪ জন, ৪ জুলাই ৩২৮৮ জন, ৫ জুলাই ২৭৩৮ জন, ৬ জুলাই ৩২০১ জন, ৭ জুলাই ৩০২৭ জন, ৮ জুলাই ৩৪৮৯ জন, ৯ জুলাই ৩৩০৭ জন, ১০ জুলাই ২৯৪৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

    এদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটার’র তথ্য মতে, শনিবার সকাল সোয়া ৯টা পর্যন্ত সারা পৃথিবীতে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ১ কোটি ২৬ লাখ ২৫ হাজার ১৫৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন ৫ লাখ ৬২ হাজার ৭৬৯ জন। বিপরীতে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৩ লাখ ৬১ হাজার ৪৫৪ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন ৪৭ লাখ ৯৩৩ জন, এদের মধ্যে ৫৮ হাজার ৮৯৮ জনের অবস্থা গুরুতর।

  • করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ৫৫ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩০২৭

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৫ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই হাজার ১৫১ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও তিন হাজার ২৭ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৫ জনে।

    করোনাভাইরাস বিষয়ে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    তিনি নতুন যুক্ত একটিসহ মোট ৭৪টি ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৩ হাজার ৪৯১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৩ হাজার ১৭৩টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো আট লাখ ৭৩ হাজার ৪৮০টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ২৭ জনের মধ্যে। ফলে শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৫ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৫৫ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে দুই হাজার ১৫১ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও এক হাজার ৯৫৩ জন। এতে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৭৮ হাজার ১০২ জনে।

    গতকালের পরিস্থিতি
    গতকাল সোমবারের (৬ জুলাই) বুলেটিনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা রোগীদের মধ্যে আরও ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১৪ হাজার ২৪৫টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ২০১ জনের মধ্যে। সে হিসাবে আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমলেও বেড়েছে মৃত্যু। দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড আছে ৬৪ জনের। সে তথ্য জানানো হয়, ৩০ জুনের বুলেটিনে। সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড চার হাজার ১৯ জনের, যা জানানো হয় ২ জুলাইয়ের বুলেটিনে।

    বুলেটিনে ডা. নাসিমা করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের আহ্বান জানান।

    করোনাভাইরাসের ছোবলে গোটা বিশ্ব এখন মৃত্যুপুরী। গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়ানোর পর বিশ্বজুড়ে এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এখন এক কোটি ১৭ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি। মৃতের সংখ্যা পাঁচ লাখ ৪১ হাজার ছাড়িয়েছে। তবে সাড়ে ৬৭ লাখের মতো রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।