Category: প্রচ্ছদ

  • দেশে করোনায় একদিনে আরও ২১ জনের, নতুন শনাক্ত ১৯৭৫

    দেশে করোনায় একদিনে আরও ২১ জনের, নতুন শনাক্ত ১৯৭৫

    দেশে বেড়েই চলেছে করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৯৭৫ জন, মারা গেছে ২১ জন এবং সুস্থ হয়েছে ৪৩৩ জন।

    আজ সোমবার দুপুর আড়াইটায় মহাখালী থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

    তিনি বলেন, ‘আমরা গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮টি ল্যাবের মধ্যে নমুনা সংগ্রহ করেছি ১১ হাজার ৫৪১টি। পূর্বের নমুনাসহ পরীক্ষা করেছি ৯ হাজার ৪৫১টি। এই সংগৃহীত নমুনা থেকে শনাক্ত রোগী পেয়েছি ১ হাজার ৯৭৫ জন। এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ৩৫ হাজার ৫৮৫ জন।’

    অধ্যাপক নাসিমা বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণ করেছে ২১ জন। এ পর্যন্ত মৃত্যু দাঁড়ালো ৫০১ জন। সুস্থ হয়েছে ৪৩৩ জন। মোট সুস্থ হয়েছে ৭ হাজার ৩৩৪ জন।’

    এর আগে রোববার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল ১ হাজার ৫৩২ জন, মৃত্যু হয় ২৮ জনের। তার আগের দিন শনিবার আক্রান্ত হয় ১ হাজার ৮৭৩ জন, মারা যায় ২০ জন।

    বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। আর গত ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে দিনে দিনে এর সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে।

  • শেখ হাসিনার পক্ষে নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    শেখ হাসিনার পক্ষে নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে নগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    মুসলমান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর সকলের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ শান্তি সমৃদ্ধি এমন প্রত্যাশায় সর্ব স্থরের জনগনকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সকলকে বৈশ্বিক দূর্যোগ পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদের উৎসব উদযাপনের আহবান জানান সাদিক আবদুল্লাহ।

  • দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫৩২ জন করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ২৮

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫৩২ জন করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ২৮

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫৩২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া মারা গেছেন আরও ২৮ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৮০ জন। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩১ হাজার ৭৩৭ জন। ২৪ ঘণ্টা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪১৫ জন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৯০১ জন।

    আজ রোববার দুপুরে করোনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৯ হাজার ১৮৪ টি। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে হাজার ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫৮৩ টি।

    এর আগে গতকাল শনিবার দেশে মোট ১৮৭৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয় ও ২০ জন মারা যায়।

    গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়।

    এদিকে দেশে গত ২৮ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫৪৯ জন। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২রা মে ৫৫২ জন, ৩রা মে ৬৬৫ জন, ৪ঠা মে ৬৮৮, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬জন, ৮ মে ৭০৯ জন এবং ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, ১১ মে ১০৩৪ জন, ১২ মে ৯৬৯, ১৩ মে ১ হাজার ১৬২ জন, ১৪ মে ১০৪১, ১৫ মে ১২০২, ১৬ মে ৯৩০, ১৭ মে ১২৭৩, ১৮ মে ১৬০২, ১৯ মে ১২৫১ জন ও ২০ মে ১৬১৭, ২১ মে ১৭৭৩ ও ২২ মে ১৬৯৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

  • বরিশাল শেবাচিমে জীবাণুনাশক ডিজইনফেকটেন্ট চেম্বার উদ্বোধন করেন মেয়র সাদিক

    বরিশাল শেবাচিমে জীবাণুনাশক ডিজইনফেকটেন্ট চেম্বার উদ্বোধন করেন মেয়র সাদিক

    নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা রোধে জীবানুমুক্ত করতে ৩টি ডিজইনফেক্টর চেম্বার বসানো হয়েছে।

    আজ শনিবার (২৩ মে) সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে এই চেম্বার উদ্বোধনকালে হাসপাতালের পরিচালকসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মেয়র আধুনিক তিনটি ট্যাব দিয়েছেন যাতে করে হাসপাতালে থাকা রোগিরা স্বজনদের সাথে সরাসরি কথা বলতে পারেন।

    Image may contain: one or more people and people standing

    এসময় সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেন বলেন, শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতলের মাঝের গেট, জরুরী বিভাগের সামনে ও করোনা ওয়ার্ডের প্রবেশ দ্বারে এই চেম্বার বসানো হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে অন্য প্রতিষ্ঠানেও দেয়া হবে। যাতে করে করোনার বিস্তার রোধ করা যায়।

    Image may contain: 1 person, indoor

    এসময় হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ বাকির হোসেন বলেন, এই চেম্বার দেয়ার ফলে হাসপাতালে প্রবেশের সময় জীবানু মুক্ত হয়ে প্রবেশ করতে পারবে বলে চিকিৎসা কার্যক্রমে সাথে যুক্তরা নিরাপদ থাকবেন।

  • বরিশালে নতুন করে নার্স-পুলিশসহ ৪ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ১৪১

    বরিশালে নতুন করে নার্স-পুলিশসহ ৪ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ১৪১

    নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশাল জেলায় নতুন করে আরো ৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আজ শনিবার (২৩ মে) ঢাকা ইনস্টিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স এন্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভ থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী মুলাদী উপজেলার ১ জন, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে ল্যাব থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১ জন নার্স, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ১ জন সদস্য ও নগরীর রুপাতলি এলাকার ১ জনসহ মোট ৪ জন ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হয়েছে।

    শনাক্ত হওয়া ৪ জনসহ এ নিয়ে জেলায় ১৪১ জনেকরোনা শনাক্ত হয়েছে। এ জেলায় আজ কেউ করোনা থেকে সুস্থ হয়নি। এছাড়া এ পর্যন্ত জেলায় ৪২ জন ব্যক্তি করোনা থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    উল্লেখ্য, গত ২৩ এপ্রিল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে প্রথমবারের মতো ৩ জন ব্যক্তিকে করোনা থেকে সুস্থতার ছাড়পত্র প্রদান করা হয়।

    গত ১২ এপ্রিল থেকে বাবুগঞ্জ উপজেলায় ১২ জন, সদর উপজেলায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ছাত্রসহ ৯৮ জন, উজিরপুর উপজেলায় ৮ জন, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় ৫ জন, বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ৪ জন, বানারীপাড়া, হিজলা, মুলাদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার প্রত্যেকটিতে ৩ জন করে, গৌরনদী উপজেলার ২ জনসহ ১৪১ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।

    আজ শনাক্ত হওয়া শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১ জন নার্স সহ করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এ জেলায় স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত ১০ জন চিকিৎসক (ইন্টার্ন চিকিৎসক ০৪ জন), ৯ জন নার্স, ১ জন মেডিকেল টেকনলজিস্ট, ১ জন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শকসহ সর্বমোট ২১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

    মুলাদী উপজেলায় করোনা শনাক্ত হওয়া ১ জন ব্যক্তি ১২ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেছেন।

    উল্লেখ্য, গত ১২ এপ্রিল এ জেলায় প্রথমবারের মতো মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পরিপ্রেক্ষিতে ঐদিনই জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

  • শেষ রাতে মেয়র সাদিকের ডাক, টুটুল দিলেন সাড়া

    শেষ রাতে মেয়র সাদিকের ডাক, টুটুল দিলেন সাড়া

    শাকিব বিপ্লব :: এবার ঈদে কাপড় নয় অন্তত খাবার প্রয়োজন, এমন বান্তবতা বিবেচনায় ঈদপূর্ব দরিদ্র মানুষের ঘরে আবারও ত্রাণ পৌঁছে দিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। গতকাল শুক্রবার মধ্য রাত থেকে ভোর পর্যন্ত নগরীর বৃহৎ এলাকা কাউনিয়ায় ৯টি ট্রাকযোগে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছানোর পর তার অনুসারী দলীয় নেতৃবৃন্দ বাড়ি বাড়ি কড়া নেড়ে মেয়র সাদিকের পাঠানো উপহার গ্রহনের আহবান রাখেন। ঘুম ভেঙে অপ্রত্যাশিত এই ডাকে চমকে উঠা পরিবারগুলো ত্রাণের খাবার পেয়ে সন্তুষ্টির ঢেঁকুর গিলে অভিনন্দন জানান এই নেতাকে দুর্যোগে পাশে আসায়। অবশ্য সাদিক আবদুল্লাহ নিজে মাঠে না এসে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সেল ফোনের লাইভে পর্যবেক্ষন করছিলেন বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য প্রাপ্ত।

    গত শুক্রবার রাত ২ টার পর এই ত্রাণ দেওয়ার পদক্ষেপে এক অভাবনীয় দৃশ্যের অবতারণা ঘটে সিটি কর্পোরেশনের সবুজ রঙের মিনি ট্রাক যেভাবে উপস্থিত হয়, সে দৃশ্য যেনো দুর্গতদের মাঝে সহায়তার প্রদীপ জ্বালানোর আদলে রূপ নেয়। এক বাড়িতে ডাকা-ডাকি শুনে আরেক বাড়ির পড়শিরাও ছুটে আসে ট্রাকের ধারে। এ সময় ওয়ার্ড আ.লীগের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ যার যার দরজায় দাঁড়ানোর অনুরোধ রেখে ত্রাণ প্রাপ্তিতে আশ্বস্ত করে শৃঙ্খলা বজায় রাখেন বলে শোনা যায়।

    দলীয় সূত্র জানায়, ইতিপূর্বে ত্রাণ থেকে বঞ্চিত এবং ঈদকে সামনে রেখে অত্র এলাকায় অন্তত ৬ হাজার পরিবারকে পুনরায় ত্রাণ সামগ্রী দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ। ঈদের ৩ দিন পূর্বে অর্থাৎ শুক্রবার এই ত্রাণ দেয়া শুরু হলো। এই কার্যক্রম আজ শনিবার রাতেও চলবে। প্রথমদিনে প্রায় ৩৬’শ পরিবারের মাঝে চাল-ডাল-আলু-সাবান একাত্রিত বস্তাভর্তি এই সামগ্রী আকস্মিক দেয়ার সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন ঘটে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে। দ্বিতীয় দিনে আজ রাতে আরও ৫’শ পরিবারকে টার্গেট করে ত্রাণ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু কখন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হবে, এ বিষয়টি কৌশলগত কারণ অর্থাৎ বিশৃঙ্খলতা রোধে আগে-ভাগে জানানো থেকে বিরত থাকা হচ্ছে।

    কাউনিয়া এলাকার ২নং ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি মোঃ পান্না, সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন জিয়া ও ছাত্রনেতা রইজ আহমেদ মান্না ও যুবলীগ নেতা শেখ তরিকুল ইসলাম সুজা এই ত্রাণ কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়ে বঞ্চিতদের তালিকা ধরে বাড়ি বাড়ি উপস্থিত হন। রাত ২টার পরই হঠাৎ শুরু হয় ত্রাণ বিতরণ পর্ব। এ সময় মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর রাজনৈতিক সহোচর ও ব্যবসায়ীক নেতা নিরব হোসেন টুটুল গোটা বিষয়টি মনিটর্রিং করেন। এই রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব প্রতিটি জায়গায় অবস্থান নিয়ে ত্রাণ সঠিকভাবে বা আগে-পরে পেয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হন। বলা বাহুল্য যে, মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ করোনা দুর্যোগে এ পর্যন্ত পর্যাপ্ত ত্রাণ বিতরণ করে অনন্য এক নজির স্থাপন করেছেন বরিশাল প্রেক্ষাপটে। সেক্ষত্রে তিনি প্রকাশ্যে না আসলেও নিরব হোসেন টুটুলকে আস্তার যায়গায় রেখে সার্বিক তত্বাবাধায়নের দায়িত্ব দিয়ে সফল হয়েছেন। ইতোপূর্বে তার রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুষ্ঠানমালাসমূহে সাফল্যের ক্ষেত্রেও টুটুলের অবদান রয়েছে বলে দলীয় নেতাদে অভিমত পাওয়া যায়। এবার ত্রাণ বিতরণে বিশৃঙ্খলা রোধ এবং সুষ্ট তদারকিতে সাদিক আবদুল্লাহ সমূহ অনেক বিতর্ক এড়াতে সক্ষম হয়েছেন বলে মন্তব্য রয়েছে।

    ধারণা করা হচ্ছে, কাউনিয়া এলাকায় ত্রাণ বিতরণের প্রথম পর্বে কিছু বিশৃঙ্খলায় এক ব্যক্তি একাধিক বার ত্রাণ পাওয়ার অভিযোগ এবং রেশন কার্ড বিতরণ নিয়ে বিতর্ক ওঠায় সম্ভবত আবারো টুটুলকে ভরসার প্রতীক হিসেবে গতকাল গভীর রাতে ডাক দেন কাউনিয়ায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম স্ব-চোঁখে দেখে বঞ্চিতদের হতাশা অবসনকল্পে। কথা অনুযায়ী কাজ অর্থাৎ গভীর রাতে নেতা সাদিক আবদুল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত নিরব হোসেন টুটুল ঠিকই দক্ষতার ধারাবাহিকতা রাখেন।

    প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক সূত্র জানায় , প্রথমে ৭টি গাড়িভর্তি ত্রাণ দেয়ার পর আরও প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে এবং সময় থাকায় ভোরে ফজরের আযানের পূর্ব আরও ২ ট্রাক খাবার সামগ্রী নিয়ে আসা হয়। স্থানীয় আ.লীগ নেতা জিয়া উদ্দিন এই প্রতিবেদককে জানান, এবারের ঈদের আনন্দের বদলে খেয়ে-পড়ে বেঁচে থাকাই বড় দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে সেমাই-চিনি-দুধের বদলে চাল-ডাল দরিদ্র মানুষের কাছে বড় প্রয়োজনীয়তা আমলে নেন মেয়র ও নগর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আবদুল্লাহ। যার ফলস্রুতিতে নতুন করে এই ত্রাণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

    তার এই উদ্যোগে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন ব্যাক্তিবর্গ। সাদিক আব্দুল্লাহ যে কৌশলী তারও প্রমান রাখলেন ঈদপূর্ব এমন উদ্যোগ নিয়ে। এদিকে নতুন করে ত্রাণ দেওয়ার খবরে আজ শনিবার সকালে বহু মানুষ স্থানীয় আ.লীগ নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করতে শোনা গেছে, যেনো আজ ত্রাণ প্রাপ্তির তালিকায় তাদের নাম স্থান পায়।

  • ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৮৭৩ জন শনাক্ত, মৃত্যু আরও ২০ জনের

    ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৮৭৩ জন শনাক্ত, মৃত্যু আরও ২০ জনের

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২০ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। ফলে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মোট ৪৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ৮৭৩ জন। এটি একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। এতে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩২ হাজার ৭৮ জনে।

    শনিবার (২৩ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। বুলেটিন উপস্থাপন করেন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও নয় হাজার ৯৭৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় আগের কিছু মিলিয়ে ১০ হাজার ৮৩৪টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো দুই লাখ ৩৪ হাজার ৬৭৫টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও এক হাজার ৮৭৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৭৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ২০ জন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৫২ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হ‌য়েছেন আরও ২৯৬ জন। এ নি‌য়ে সুস্থ হ‌য়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ছয় হাজার ৪৮৬ জ‌নে।

    নতুন করে যারা মারা গেছেন, তাদের ১৬ জন পুরুষ ও চারজন নারী। চারজন ঢাকা বিভাগের, আটজন চট্টগ্রাম বিভাগের, দুজন করে রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের এবং একজন করে সিলেট ও খুলনা বিভাগের। হাসপাতালে মারা গেছেন ১৫ জন, বাসায় চারজন এবং হাসপাতালে আনার পথে মারা গেছেন একজন। বয়সের দিক থেকে ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী দুজন, ত্রিশোর্ধ্ব তিনজন, চল্লিশোর্ধ্ব তিনজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব আটজন, ষাটোর্ধ্ব তিনজন এবং সত্তরোর্ধ্ব একজন রয়েছেন।

    বুলেটিনে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়।

    গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বকেই কাঁপিয়ে দিচ্ছে। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা এখন প্রায় সোয়া ৫৩ লাখ। মারা গেছেন তিন লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ। তবে ২১ লাখ ৬৯ হাজারের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।
    বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তারপর দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। লম্বা হচ্ছে মৃত্যুর মিছিলও।

  • ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে করোনায় আক্রান্ত ২৩

    ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে করোনায় আক্রান্ত ২৩

    গত ২৪ ঘন্টায় বরিশালে ৬ পুলিশ সদস্য ও ১ নার্সসহ বিভাগে ২৩ জন করোনা রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ৪জন বরিশাল মেট্রোপলিটনে এবং দুইজন জেলা পুলিশে কর্মরত।

    আজ রাতে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাব থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    এ নিয়ে বরিশাল জেলায় ৩৩ পুলিশ সদস্য, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেলার মোট ৮ নার্স করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে বিভাগে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩১ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ১১৪ জন ও মারা গেছেন ৭ জন।

    জানাগেছে, গত ২৪ ঘন্টায় মেট্রো এলাকার পুলিশ সদস্যসহ মোট ৩৩ পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া পুলিশ পরিবারেরও তিনজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

    গত ১১ মে পুলিশ কর্মকর্তার গাড়ী চালক কনস্টেবল আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই একে একে ৩৩ জন পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৭ জনকে ঢাকাস্থ রাজারবাগ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকীরা বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    এদিকে আজ শুক্রবার করোনা পরীক্ষার রিপোর্টে ৩০ বছর বয়সী শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক নার্স করোনায় পজেটিভ পাওয়া গেছে।

    এদিকে বরিশাল জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান জানান, গত ২৪ ঘন্টায় বরিশাল জেলায় ১২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৩৭ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪১ জন ও মারা গেছেন ১ জন। আজ আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পুলিশ ও নার্স বাদে বটতলা ও সদর রোড এলাকার একজন করে মোট দুইজন।

    বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগীয় পরিচালক ডা. বাসুদেব দাস জানান, গত ২৪ ঘন্টায় বরিশাল বিভাগে ২৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত বিভাগে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩১ জন। এর মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ১১৪ জন ও মারা গেছেন ৭ জন।

  • একদিনে করোনায় সর্বোচ্চ ২৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৯৪

    একদিনে করোনায় সর্বোচ্চ ২৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৯৪

    দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একদিনে আরও ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪৩২ জনে।

    এই সময়ের মধ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৬৯৪১ জন। এ নিয়ে সর্বমোট আক্রান্ত ৩০ হাজার ২০৫।

    এ ছাড়া নতুন করে ৫৮৮ জনসহ মোট ৬ হাজার ১৯০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    শুক্রবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন অধিদফতরটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ৯৯৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ হাজার ৭২৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ১ হাজার ৬৯৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন ২৪ জন। এই সময়ের মধ্যে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন আরও ৫৮৮ জন।

    ডা. নাসিমা জানান, শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২০.৪৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১.৪৩ শতাংশ।

    তিনি আরও জানান, মৃত্যুর বয়স বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২১-৩০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে ২ জন, ৫১-৬০ বছরের ৫ জন, ৬১-৭০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৭১-৮০ বছরের মধ্যে ২ জন, ৮১-৯০ বছরের মধ্যে একজন মারা গেছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জানান, মারা যাওয়া কোভিড রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯ জন, বরিশালে একজন ও মময়মনসিংহে একজন রয়েছেন।

    এর মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ১৫ জন, বাড়িতে ৮ জন এবং মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন একজন।

    আগের দিন বৃহস্পতিবার দেশে করোনাভাইরাসের রেকর্ড রোগী শনাক্ত হয়। ওইদিন দেশে ১ হাজার ৭৭৩ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, মৃত্যু হয় ২২ জনের।

    প্রসঙ্গত গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ এবং এ রোগে আক্রান্ত প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।

    ২৫ মার্চ প্রথমবারের মতো রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানায়, বাংলাদেশে সীমিত পরিসরে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বা সামাজিকভাবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হচ্ছে।

  • সে যে একজন সাদিক, নগরবাসির চিন্তায় নির্ঘুম রাত

    সে যে একজন সাদিক, নগরবাসির চিন্তায় নির্ঘুম রাত

    তানজিম হোসাইন রাকিব: প্রাণ কেড়ে নিতে সময়ের অদৃশ্য শক্তি করোনাভাইরাস আতঙ্ক থেকেও অধিকতর চিন্তা-ভাবনা দেখা দিয়েছিলো ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। ধেয়ে আসছে, এই খবরে বরিশালের চারিদিকে চরম আতঙ্ক আর উৎকন্ঠায় একরাত পার হলো গতকাল বুধবার ২০মে ঘনঘোর আঁধারে এক পরিবেশ। বরিশালের শুধু প্রশাসন নয়, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক মহল পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং ক্ষয়ক্ষতি রোধে দিনের শুরু থেকে সর্বাত্মক চেষ্টায় ও কর্মপ্রয়াসে ফুটে উঠেছে কতটা মানুষের জন্য নিবেদিত। বিশেষ করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ কাটিয়েছেন নির্ঘুম এক রাত।

    সবাই যখন ঘুমে বিভোর তখন জেগে থাকা একজন ক্ষমতাসীন দলের নেতা প্রকৃতির ভয়ঙ্কর গতিবিধির সর্বশেষ তথ্য জানতে তার চোখ ছিলো অতন্দ্র প্রহরীদের ন্যায়।

    বরিশাল নগর আ.লীগের সাধারণ সস্পাদক ও সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ তার দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদেরও মাঠে নামিয়ে দিয়েছিলেন , স্ব্চ্ছোসেবকের ভ’মিকায়। ইতিপূর্বে এধরনের দুর্যোগে এই নেতা নিজেই স্পীডবোটযোগে নৌপথে নেমে হ্যান্ডমাইকে মানুষকে সতর্কতায় ভ’মিকা রাখতে দেখা গেলেও এবার করোনায় নিরাপত্তাজনিত কারনে ঘর থেকেই বরিশালে প্রস্তুতির সার্বিক চিত্র মনিটরিং করছিলেন। একপর্যায়ে রাতে তিনি ঘর থেকে বের হয়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন, এমনটি জানালেন তার ঘনিষ্টজনরা।

    এই নেতাও সকাল থেকে উদ্বিগ্ন ছিলেন ঝড়ের গতিবেগ বরিশালকে ছোঁয়া দেয় কিনা এমন আশঙ্কা মাথায় রেখে। বিশেষ করে নদীতীরবর্তী এলাকার দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন নয়া এই দূর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আশ্বস্ত করার পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের সহায়তা বা নির্দেশনা মানতে। তিনিও প্রস্তুত ছিলেন, আম্ফান যদি বরিশালকে আহত করে ক্ষয়ক্ষতির ধ্বংসস্ত’পে রূপ দেয় তাহলে পরবর্তী করণীয়সমূহ বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণে।

    জানা যায়, সন্ধ্যার পরই শুরু হয় অম্ফানের তান্ডব। সুন্দরবনে আঘাত হানার পর ঝাপটা আসতে থাকে দক্ষিণাঞ্চলে। প্রথমে যেভাবে বাতাসের গতিবেগ যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছিল তাতে আশঙ্কা তৈরী হয়েছিলো বরিশাল জেলায় আম্ফান প্রকৃতির বৈরীতায় বিবর্ণ করে তুলতে যাচ্ছে। ভাগ্যসহায়, ধীরে ধীরে বাতাসের গতিবেগ কমে আসলেও গুমট ভাব মানুষের ভিতরকার আতঙ্ক আরও ভর করে।

    ধারনা করা হচ্ছে, প্রশাসন ও রাজনৈতিক মহলের সম্মিলিত পূর্বপ্রস্তুতিতে এঅঞ্চলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অতোটা বেশী নয়। তবে মর্মদায়ক ঘটনার খবর পাওয়া গেছে কলাপাড়া থেকে। সেখানে সতর্কীকরণ প্রচারণা চালাতে গিয়ে নদীতে নৌকা ডুবে শাহ আলম মীর (৫৫) নামের এক স্বেচ্ছাসেবক নিখোঁজ রয়েছেন। হিজলায় গভীর রাতে মেঘনায় দুই ট্রলারের সংঘর্ষে নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর ট্রলার মাঝি রাসেল হাওলাদারের মৃতদেহ উদ্ধার করতে স্থানীয়রা সক্ষম হয়েছেন। ভোলার চরফ্যাসনের কচ্চপিয়ায় ঝড়ে গাছের নিচ চাপা পড়ে সিদ্দিক ফকির নামের ৭০ বছরের একজন মারা গেছেন।

    এই ক্ষয়ক্ষতির তুলনায় আম্ফানের যে গতিবেগের কথা প্রচার পেয়েছিলো এবং সন্ধ্যার পর তার আলামত শুরু হওয়ায় ভীতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি অস্বাভাবিক ছিলোনা। কিন্তু বরিশাল জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ ক্ষমতাসীন মহল প্রকৃতির এই বৈরীতাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্ব ইতিহাস পর্যালোচনায় ভয়ঙ্করতা থেকে। উদ্বিগ্ন মানুষ রাতের গভীরতায় ক্লান্তিতে যখন ঘুমে আচ্ছন্ন তখন মেট্রোপুলিশ কমিশনার সাহাবুদ্দিন খান ও মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ চিন্তামগ্নে নির্ঘুম রাতটিতে ছিলেন সরব । পাশাপাশি জেলা প্রশাসক মোঃ অজিউর রহমান ও পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি রাতভর খোঁজখবর নিতে থাকেন, দিতে থাকেন সকল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা থেকে শুরু করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশনা।

    এদিক থেকে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর ভুমিকা তাদের থেকেও ছাড়িয়ে যায় বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সম্ভাব্য আঘাত কি করে সামাল দেয়া যায়, সে নিয়ে দিনভর ব্যাস্ততা, রাতে উভয়ের চিন্তা আরও প্রবলতর হয়ে ওঠে। অন্তত বিভাগীয় এই শহরে আম্ফানের প্রবেশ করলেও মোকাবিলায় দৃঢ়তার সাথে জনতার পাশে থাকতে মাঠে থাকা দলীয় কর্মীদের সাথে সার্বক্ষীণক যোগাযোগ রাখেন সেহরীর পূর্বমূহূর্ত পর্যন্ত। রাতভর ব্যস্ত সময় পার করেছেন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে। যদিও  সম্ভাব্য ইতিহাসের বড় ঝড়ের ছোবল আশঙ্কায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় ছিলেন কিন্তু মানসিকভাবে ছিলেন দৃঢ়চেতা। করোনার দুর্যোগের মাঝে আবার নতুন ঝামেলার উপসর্গ আম্ফান মোকাবিলায় তার কর্মপ্রয়াসে ফুটে উঠেছে তারা কতটা মানুষের জন্য নিবেদিত।