Category: প্রচ্ছদ

  • শনাক্ত ছাড়ালো ২০ হাজার, আরো ১৫ জনের মৃত্যু

    শনাক্ত ছাড়ালো ২০ হাজার, আরো ১৫ জনের মৃত্যু

    করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ২৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১২০২জন। মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০০৬৫ জনে। ২৪ ঘন্টায় সুস্থ্য হয়েছেন ২৭৯ জন। মোট সুস্থ্য হয়েছেন আজ পর্যন্ত ৩৮৮২ জন।

    ১৫ মে, শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয় ৮৫৮২ টি। এর মধ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১২০২ জন।

    ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে প্রাণহানির সংখ্যা শুক্রবা, ১৫ মে পর্যন্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৩ হাজার ৬১৯ জনে।

    গত ১৭ এপ্রিল সারাদেশকে করোনাভাইরাস সংক্রমণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

  • বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ১০ জন করোনা আক্রান্ত

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ১০ জন করোনা আক্রান্ত

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ-বিএমপি এর ১০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

    গত ১১ মে মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিণ জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আবুল কালাম আজাদের গাড়িচালকের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হলে তার সংস্পর্শে আসা মোট ৪৯ জনকে আইসোলেশনে রাখা হয়।

    বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এই ৪৯ জনের মধ্য থেকে ১০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে।

    আক্রান্তদের মধ্যে ১০ জন সৈনিক পদে বরিশাল পুলিশ লাইনে কর্মরত রয়েছেন। যার মধ্যে একজন নারী সৈনিক রয়েছেন, তার বয়স ২২ বছর।

    বাকী ৯ জন পুরুষ এবং তাদের বয়স ১৯ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে।

    এমন তথ্য  নিশ্চিত করেছেন বরিশাল জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেল।

  • ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ১০৪১ জন, মৃত্যু ১৪

    ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ১০৪১ জন, মৃত্যু ১৪

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৪১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া মারা গেছেন আরও ১৪ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৮৩। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ হাজার ৮৬৩ জন।

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে করোনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

    গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়।

    এদিকে দেশে গত ২৮ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫৪৯ জন। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২রা মে ৫৫২ জন, ৩রা মে ৬৬৫ জন, ৪ঠা মে ৬৮৮, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬জন, ৮ মে ৭০৯ জন এবং ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, ১১ মে ১০৩৪ জন, ১২ মে ৯৬৯ ও ১৩ মে সব্বোর্চ ১ হাজার ১৬২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

  • দেশে একদিনে রেকর্ড ১১৬২ করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ১৯

    দেশে একদিনে রেকর্ড ১১৬২ করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ১৯

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৬২ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া মারা গেছেন আরও ১৯ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৬৯। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজার ৮২২ জন।

    আজ বুধবার দুপুরে করোনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৭৮৬২ টি এবং নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭৯০০ টি। মোট ৪১ ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়েছে।

    গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়।

    এদিকে দেশে গত ২৮ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫৪৯ জন। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২রা মে ৫৫২ জন, ৩রা মে ৬৬৫ জন, ৪ঠা মে ৬৮৮, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬জন, ৮ মে ৭০৯ জন এবং ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, ১১ মে সব্বোর্চ ১০৩৪ জন ও ১২ মে ৯৬৯ করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

  • বরিশাল জেলায় এক মাসে ৫৮ জনের করোনা শনাক্ত, সুস্থ ৩৪

    বরিশাল জেলায় এক মাসে ৫৮ জনের করোনা শনাক্ত, সুস্থ ৩৪

    দীর্ঘ এক মাসে বরিশাল জেলার বিভিন্ন স্থানে এ পর্যন্ত ৫৮ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যার মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৪ জন। শতাংশের হিসাবে সুস্থ হওয়ার হার অর্ধেকেরও বেশি।

    এর বাইরে জেলায় করোনা পজিটিভ একজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। যদিও ১২ এপ্রিল মারা যাওয়া ওই ব্যক্তি বরিশালের মুলাদী উপজেলার বাসিন্দা। মৃত্যুর পর তার নমুনা পরীক্ষা করা হলে সেই রিপোর্টে করোনা পজিটিভ দেখা যায়।

    গতকাল মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) দিনগত রাতে জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেল সূত্র জানায়, সর্বশেষ বরিশাল জেলায় মঙ্গলবার নমুনা পরীক্ষা করে দুইজনের শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে একজন বরিশাল নগরের কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা, নারী বয়স (২০)। অন্যজন উজিরপুর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নার্স, বয়স (২৭)।

    বরিশালের জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান জানান, রিপোর্ট পাওয়ার পরপরই করোনায় আক্রান্তদের অবস্থান অনুযায়ী তাদের লকডাউন করা হয়েছে। তাদের আশপাশের বসবাসের অবস্থান নিশ্চিত করে লকডাউন করার প্রক্রিয়া চলচ্ছে। পাশাপাশি তাদের অবস্থান এবং কোন কোন স্থানে যাতায়াত ও কাদের সংস্পর্শে ছিলেন তা চিহ্নিত করার কাজ চলছে, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এদিকে, এখন পর্যন্ত জেলায় মোট করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৫৮ জনের। যার মধ্যে ২৪ জন নারী ও ৩৪ জন পুরুষ রয়েছেন। পাশাপাশি তাদের মধ্যে শূন্য থেকে ২০ বছর বয়সী ৬ জন, ২০ থেকে ৫০ বছর বয়সী ৪০ জন এবং ৫০ থেকে তার ঊর্ধ্বে রয়েছেন ১২ জন।

    জেলার মধ্যে বরিশাল নগরে ২৩, বাবুগঞ্জে ১২, মেহেন্দীগঞ্জে পাঁচ, উজিরপুরে পাঁচ, হিজলায় তিন, গৌরনদীতে তিন, বানারীপাড়ায় দুই, বাকেরগঞ্জে দুই, সদর উপজেলা এক, মুলাদী এক এবং আগৈলঝাড়া একজন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।

    মোট আক্রান্তের মধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত আটজন ইন্টার্ন চিকিৎসকসহ ছয়জন চিকিৎসক, ছয়জন নার্স ও একজন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শকসহ মোট ১৬ জন। এছাড়া সোমবার বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এক সদস্যর নমুনা পরীক্ষা করা হলে তার রিপোর্টে পজিটিভ আসে। যার ফলে জেলায় প্রথম কোনো পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হলেন।

    জানা গেছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) উপ-কমিশনার উত্তর জোনের কার্যালয়ে গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন ওই পুলিশ সদস্য। জ্বর গলাব্যাথাসহ করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে গত শনিবার পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। সোমবার নমুনা সংগ্রহ করে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। নমুনা পরীক্ষায় তার শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া যায়।

    এ ঘটনায় তার সংস্পর্শে আসা উপ-কমিশনার উত্তর জোনের কার্যালয়ে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা, কর্মচারীকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান।

    পাশাপাশি তার সংস্পর্শে আসাদের মধ্যে বেশকিছু পুলিশ সদস্যর নমুনা সংগ্রহ করে পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। ওই গাড়ি চালকের সংস্পর্শে কারা কারা ছিলো তাদের চিহ্নত করে নমুনা সংগ্রহের কাজ চলছে বলেও জানিয়েছে নগর স্বাস্থ্য বিভাগ।

  • নগর সেবক সাদিক আবদুল্লাহ, জনগনের স্বার্থ রক্ষায় যিনি আপোষহীন যোদ্ধা

    নগর সেবক সাদিক আবদুল্লাহ, জনগনের স্বার্থ রক্ষায় যিনি আপোষহীন যোদ্ধা

    বেলায়েত বাবলু :: চমকের সাথে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নাম অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। সোজা সাপ্টায় বলতে গেলে সাদিক আবদুল্লাহ আর চমক যেন একে অন্যের পরিপূরক হয়ে গেছে। সর্বশেষ বরিশালের ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠকে যোগদান করে তিনি যে অনুরোধ করেছিলেন তাঁর অনুরোধে সাড়া দিয়ে এ বছরের ঈদের মার্কেট না খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যবসায়ীরা। এর আগে সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো। সেরনিয়াবাত সাদিক আদুল্লাহ সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন তা ১১ বছরের মতো। তাঁর এসময়ে চল পথ অতো মসৃন। অনেক ত্যাগ তিতীক্ষার মাধ্যমে তাঁকে এ অবস্থানে আসতে হয়েছে। তবে তাঁর চলার পথ যেমন মসৃন ছিলনা তিনি যেটাতে হাত দিয়েছেন সেটাতেই সফল হয়েছেন।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হওয়ার আগে তৃনমূলের চাহিদা থাকার পরেও তাকে মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। ২০১৮ সালের ৩০ জুলাইয়ের বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচনে মনোনয়ন নিয়েও অনেক নাটকীয়তার জন্ম হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত অনেকটা চমক নিয়েই আওয়ামী লীগ তথা ১৪ দলের সমর্থন নিয়ে মেয়র প্রার্থী হন রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তারপর আর তাকে পিছু ফিরে তাঁকাতে হয়নি। বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোটের হেভিওয়েট প্রার্থী, সাবেক হুইপ ও মন্ত্রী মজিবর রহমান সরোয়ারকে স্মরণকালের বিপুল ভোটে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হন তিনি।

    আওয়ামী লীগের কোন প্রার্থী হিসেবে ও জীবনের প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই সাদিক আবদুল্লাহ সবাইকে চমকে দিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। দায়িত্ব গ্রহনের পর নগর ভবনকে ঢেলে সাজাতে গিয়ে তিনি ব্যাপক কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করেণ। অবসরে যাওয়া স্টাফদের একসাথে সকল টাকা পরিশোধ করে দেয়া ছিলো একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।

    এছাড়া অনিয়মিত কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি, ভাতা প্রদান, নিয়মিত কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রতি মাসের বেতন পরিশোধ, ঈদে ঘরে ফেরা মানুষদের জন্য রাত জাগে সার্ভিস দেয়া, যাত্রীদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস, বরিশাল বিশ্ব বিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা, সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য নগরভবনে বিশেষ সেবা চালু সবই তার সময়কার প্রথম।

    মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ দায়িত্ব নেয়ার পর ঘূর্নিঝড় মোকাবেলায় নিজ প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। দিনরাত পরিশ্রম করে নগরবাসীকে বগ ধরণের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করেছেন। সাংগঠনিকভাবেও তিনি অত্যন্ত বিচক্ষনতা ও সাফল্যের পরিচয় দিয়েছেন। অনেকটা তাঁর কর্ম প্রচেষ্ঠায় প্রথমবারের মতো নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাঁর দক্ষতার কারণেই সংগঠনের ভিতরে এখন পর্যন্ত কোন প্রতিদ্বন্দ্বি গড়ে উঠেনি।

    ২০১৮ সালের ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মলেনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সর্বশেষ দেশের সর্বত্র করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় কর্মহীন মানুষের পাশেও তিনি দাঁড়িয়েছেন আপনজনের মতো। সরাসরি তাঁর তত্ত্বাবধানে এ পর্যন্ত নগরীর ৬২ হাজার পরিবারের কাছে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে। অসহায় মানুষদের সাহাযার্থে গঠন করা হয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ত্রান ফান্ড। যাতে তিনি তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে পাওয়া সব টাকা দান করেছেন। তিনি বারবার বলতে চাচ্ছেন তাঁর নিজের কোন চাওয়া-পাওয়া নেই। জনগনের স্বার্থ রক্ষাই তাঁর প্রধান কাজ। তিনি প্রায়শই বলে থাকেন জনগন আছে বলেই আমরা নেতা।

    করোনার এই সময়টাতে তিনি সকলকে ঘরে থাকার আহবান জানিয়ে বলেছেন তার নগরীতে কেউ না খেয়ে থাকবেনা। কারো দরকার হলে যোগাযোগ করলেই খাবার পৌঁছে দেয়া হবে। তাঁর কাছে ৬০ / ৬২ হাজার না যতোদিন প্রয়োজন হবে করোনার দূর্যোগের সময় অসহায়দের কাছে খাবার পৌঁছে দেয়া হবে।

  • একদিনে আক্রান্ত ৯৬৯, মোট মৃত্যু ২৫০

    একদিনে আক্রান্ত ৯৬৯, মোট মৃত্যু ২৫০

    বিশ্বব্যাপী মহামারি রূপ নেয়া করোনাভাইরাসে প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। বাংলাদেশেও আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে রেকর্ড সংখ্যক ৯৬৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৬ হাজার ৬৬০ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৫০ জনে।

    মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    ডিসেম্বরে প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে বেশিরভাগ দেশই ভাইরাসটিতে তেমন পাত্তা দেয়নি। অনেক দেশই ধারণা করেছিল, এটি চীনা ভাইরাস এবং এর সংক্রমণ হয়তো ইউরোপ-আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়বে না। এজন্য সেখানকার দেশগুলো তেমন কোনো পদক্ষেপও নেয়নি। ফলও দিতে হচ্ছে তাদের। কারণ সংক্রমণ সংখ্যার দিক থেকে প্রথম দেশগুলোর তালিকার মাঝেই নেই চীন।

    বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হলেও প্রথম মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার। ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়ানো হয় সেই ছুটি, যা এখনও অব্যাহত আছে। পঞ্চম দফায় সেই ছুটি বাড়ানো হয় ৫ মে পর্যন্ত। তার আগেই আরেক দফা ছুটি বাড়িয়ে ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়।

    করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার তথ্যানুযায়ী মঙ্গলবার (১২ মে) পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ লাখ ৮৭ হাজার ৩৩২ জন। এছাড়া এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৪২ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪০ জনের শরীরে।

    আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৫ লাখ ২৭ হাজার ৪৮৭ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ২৪ লাখ ৪১ হাজার ১২১ জন। এদের মধ্যে ২৩ লাখ ৯৪ হাজার ১৮৫ জনের শরীরে মৃদু সংক্রমণ থাকলেও ৪৬ হাজার ৯৩৬ জনের অবস্থা গুরুতর।

  • হাসানাত আব্দুল্লাহর  শোক

    হাসানাত আব্দুল্লাহর শোক

    উজিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি, সাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল খালেক আজাদ এর মৃত্যুতে

    পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক(মন্ত্রী) আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এম,পির শোক

    ———————-

    উজিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি, সাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল খালেক আজাদ এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়ার সদস্য, পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির  আহবায়ক(মন্ত্রী),আওয়ামীলীগ সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোডের্র সদস্য, বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি, আলহাজ¦ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি।

  • ঈদের পোশাক না কিনে দরিদ্রদের সহায়তার অনুরোধ বিসিসি মেয়র এর

    ঈদের পোশাক না কিনে দরিদ্রদের সহায়তার অনুরোধ বিসিসি মেয়র এর

    দলীয় নেতাকর্মীদের ঈদের পোশাক না কিনে, সেই টাকা দিয়ে বাড়ির পাশের দরিদ্র পরিবারকে সহায়তার মাধ্যমে ঈদ পালন করার অনুরোধ জানিয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    তিনি বলেন, ঈদ তো কত পালন করেছি জীবনে। ৪৬ বছর বয়সে ৪৬টি ঈদ গেছে, ৪৬টি কোরবানি গেছে। বেঁচে থাকলে ইনশাআল্লাহ সবারই ঈদ-কোরবানি আবারো পালন করা হবে। আমার নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে একটা অনুরোধ থাকবে আজ দোকান-পাট খোলা থাকলে আপনারা যে জামাটা কিনতেন, সেই জামাটার টাকা দিয়ে আপনার পাশে যে দরিদ্র পরিবারটি আছে তাকে নিয়ে ঈদ পালন করুন। আমার মনে হয় না এতে আপনার জামা পড়ার থেকে কোনো অংশে আনন্দ কম হবে।

    সবাইকে অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মেয়র সাদিক বলেন, বরিশাল সিটি এলাকার প্রতিটি মানুষের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে কোনো ঘরে খাবার না থাকলে, কোনো অসুবিধা থাকলে আমাকে জানান। আমি সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সাধ্য অনুযায়ী খাবারগুলো বাসায় পৌঁছে দেবো। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নিজে তদারকি করে ৬২ হাজার পরিবারের ঘরে খাদ্য সহায়তা এরইমধ্যে পৌঁছে দিয়েছি এবং আরও সাহায্য আসছে। ফলে এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

    শনিবার (০৯ মে) মধ্যরাতে বরিশাল নগরের কালিবাড়িরোডস্থ সেরনিয়াবাত ভবনে দোকান মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আরও বলেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে যত লোক মারা গেছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেন আমাদের এ থেকে শিগগির রেহাই দেন।

    ‘দোকান খোলা রাখার বিষয়ে আমি সাংবাদিক ও নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। সিটি করপোরেশনের ফেসবুক পেজেও এ বিষয়ে আমি মতামত চেয়েছি, সেখানে ১ ঘণ্টায় ২ হাজারেরও বেশি মতামতের সবগুলোই ছিলো নেগেটিভ, কোন পজিটিভ কমেন্ট পাইনি। সবাই দোকান খোলা রাখার বিপক্ষে। যে কারণে আমি ব্যবসায়ীদের অনুরোধ জানিয়েছি, তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। ব্যবসায়ীরা মানবতার দিক বিবেচনা করে দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জনগণের স্বার্থে তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমার অনুরোধ তারা রেখেছেন এজন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই।’

    সভার বিষয়ে চকবাজার ব্যবসায়ী মা‌লিক স‌মি‌তির সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর র‌হিম জানান, জীবন ও জীবিকার মধ্য থেকে আমরা জীবনকে বেছে নিলাম। মেয়রের অনুরোধে এবং কর্মচারীসহ জনসাধারণের কথা চিন্তা করে সংক্রমণ রোধে আমরা জীবনকে বেছে নিয়েছি। বেঁচে থাকলে আমরা বহু ঈদ করতে পারবো। রোববার (১০ মে) থেকে আমরা চকবাজারের সব দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি আজ নগরের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। সেখানে মেয়রের অনুরোধের বিষয়টি বলা হবে। আশা করি নগরের সব দোকানপাট ঈদ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

  • একদিনেই শনাক্তের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গেল, মৃত্যু আরও ১১ জনের

    একদিনেই শনাক্তের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গেল, মৃত্যু আরও ১১ জনের

    মহামারি করোনাভাইরাস দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট ২৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ৩৪ জন। যা দেশে করোনা হানা দেয়ার পর সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। সব মিলিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫ হাজার ৬৯১।

    সোমবার (১১ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।

    তিনি নতুন সংযুক্ত একটিসহ মোট ৩৭টি ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্তে আরও সাত হাজার ২৬৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় সাত হাজার ২০৮টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো এক লাখ ২৯ হাজার ৮৬৫টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও এক হাজার ৩৪ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এটি ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ৬৯১ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ১১ জন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৩৯-এ। আর গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ২৫২ জন। সব মিলিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন দুই হাজার ৯০২ জন।

    নতুন করে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ, ছয়জন নারী। আটজন ঢাকা বিভাগের, দুজন চট্টগ্রাম এবং একজন রংপুর বিভাগের। এদের মধ্যে সত্তরোর্ধ্ব একজন, ষাটোর্ধ্ব একজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব চারজন, চল্লিশোর্ধ্ব দুজন, ত্রিশোর্ধ্ব দুজন এবং ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী একজন রয়েছেন।

    গত রোববার (১০ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের বুলেটিনে জানানো হয়, করোনায় বিগত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাঁচ হাজার ৭৩৮টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ৮৮৭ জনের দেহে, যা সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। সে হিসাবে আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও হয়েছে সর্বোচ্চ রোগী শনাক্তের রেকর্ড।

    সোমবারের বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে আরও ১৮৩ জনকে এবং বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন দুই হাজার ২৩৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৬২ জন এবং এ পর্যন্ত ছাড়া পেয়েছেন এক হাজার ১৭৬ জন। সারাদেশে আইসোলেশন শয্যা আছে আট হাজার ৬৩৪টি। আইসিইউ শয্যা আছে ৩৩৫টি এবং ডায়ালাইসিস ইউনিট আছে ১০২টি।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে দুই হাজার ৩৬০ জনকে। এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে দুই লাখ ১২ হাজার ৯৮৩ জনকে। গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড় পেয়েছেন দুই হাজার ৪৩৯ জন। এ পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন এক লাখ ৭৬ হাজার ৬৪০ জন। বর্তমানে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৩৬ হাজার ৩৪৩ জন।

    দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের জন্য ৬১৫টি প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সেবা দেয়া যাবে ৩০ হাজার ৯৫৫ জনকে।

    বুলেটিনে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়। ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, আপনার সুস্থতা আপনার হাতে। এ বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা যেন স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলি।

    চীনের উহান শহরে গত ডিসেম্বরে প্রথম শনাক্ত হলেও এখন গোটা বিশ্বই করোনাভাইরাসের কবলে। মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৪২ লাখ। মৃতের সংখ্যা দুই লাখ ৮৪ হাজার প্রায়। তবে প্রায় ১৫ লাখ রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

    গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। লম্বা হচ্ছে মৃত্যুর মিছিলও।

    প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সারাদেশে চলছে ছুটি। বন্ধ বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহন। যদিও ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় পোশাক কারখানা খুলে দেয়া হয়েছে। এছাড়া গত রোববার (১০ মে) থেকে শর্তসাপেক্ষে খুলে দেয়া হয়েছে দোকানপাট ও শপিংমলও।