Category: প্রচ্ছদ

  • ‘মা’ তোমায় ভীষন ভালবাসি

    ‘মা’ তোমায় ভীষন ভালবাসি

     

    বেলায়েত বাবলু: 

    ‘মা’। একটি শব্দ। একটি মমতার নাম। কিন্তু এর ব্যাপ্তি ভুবনজুড়ে। এক কথায় ত্রিভুবনের সবচেয়ে মধুরতম শব্দ ‘মা’। কবি কাজী কাদের নেওয়াজ যথার্থই লিখেছেন ‘মা কথাটি ছোট্ট অতি/কিন্তু জেনো ভাই/ইহার চেয়ে নাম যে মধুর/ত্রিভুবনে নাই।’ আসলেই মায়ের মতো কেউ আপন নয়, কস্মিনকালেও কেউ হতে পারে না। নির্দ্বিধায় বলা যায়, ‘মা’ তার সহজাত মমত্ব দিয়ে আমৃত্যু সন্তানকে আগলে রাখেন অসামান্য দরদে। সন্তানের রোগে-শোকে মা-ও তাই আক্রান্ত হন।

    আজ মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর এই দিনটি আমাদের স্মরণ করে দেয় মায়ের মর্যাদার কথা। প্রতিটি সন্তানের মধ্যে কাজ করে মাকে ভালোবাসার ও তার কাছে ঋণের কথা ভেবে উদ্বেল হওয়ার বাড়তি প্রেরণা। দিনটিতে তারা অনেকেই মাকে কিছু না কিছু উপহার দেয়ার চেষ্টা করেন। ছুটে গিয়ে মায়ের আঁচলতলে আশ্রয় নেন। কেউবা দূরে থাকা মায়ের ছোঁয়া পেতে দ্বারস্থ হন টেলিফোনের।  হচ্ছেআর যারা ইতিমধ্যেই মা-কে হারিয়েছেন তারা স্রষ্টার কাছে দু’হাত তুলে অশ্র“পাত করেন।

    আসলে ‘মা’ এমন একটি শব্দ যার মূল্য আজ পর্যন্ত কেউ পরিশোধ করতে পারেনি। আমি সর্বদা মনে প্রানে বিশ্বাস করি ‘মা’ শব্দের ওজন এতো বেশি যে কেবল ব্যক্তি নয় এর ভার এই জমিন কিংবা আকাশে বহন করতে পারেনি। তাইতো তার পদতলেই আমাদের স্বর্গ। ‘মা’ কখনোই হেলাফেলার কিছু নয়। ‘মা’ তো ‘মা’-ই। কিন্তু তারপরও এর ব্যতিক্রমও রয়েছে। আমাদের অনেকেই ভুলে যান তার শেকড়-কে। সন্তানদের অবহেলায় মা-বাবার ঠিকানা হয় বৃদ্ধাশ্রম।

    আসলে কালের বির্বতনে আমরা সবাই কেমন জানি স্বার্থপর হয়ে উঠছি। আজ মমতাময়ী মাকে দেয়ার মতো তেমন কোন সময় আমাদের হাতে নেই। মায়ের পছন্দের জিনিসটি তার হাতে তুলে দিতে আমরা বারংবার ব্যর্থ হই। মোবাইলে টাকা ভরে আমরা দিনরাত প্রেমিক-প্রেমিকার সাথে কথা বলি। প্রতিনিয়ত তাদের ভালমন্দের খবর রাখি। কিন্তু দুই-এক টাকা খরচ করে মায়ের খবর নিতে পারিনা। তার ঔষধ কেনার পয়সা আমাদের হয়না। তাকে কিছু কিনে দেয়ার মতো সামর্থ আমাদের থাকেনা। আবার সামর্থ থাকলেও কেমন জানি মায়ের প্রতি অবহেলা করি।

    জীবন চলার পথে এতাটুকু বুঝেছি জগৎ সংসারের শত দুঃখ-কষ্টের মাঝে যে মানুষটির একটু সান্ত্বনা আর স্নেহ-ভালবাসা আমার সমস্ত বেদনা দূর করে দেয় সেই মানুষটিই হলো আমার ‘মা’। মায়ের চেয়ে আপনজন পৃথিবীতে আর কেউ নেই। মা-ই সন্তানের একমাত্র নিঃস্বার্থ বন্ধু। দুঃখে-কষ্টে, সংকটে-উত্থানে যে মানুষটি স্নেহের পরশ বিছিয়ে দেয় তিনি হচ্ছেন আমার সবচেয়ে আপনজন ‘মা’। একটি কথা সকলেই আমার সাথে এক বাক্যে স্বীকার করবেন যে, প্রত্যেকটি মানুষ পৃথিবীতে আসা এবং বেড়ে উঠার পেছনে প্রধান ভূমিকা মায়ের। পৃথিবীর প্রতিটি মা যদি সহিষ্ণু, মমতাময়ী, কল্যাণকামী না হতেন তবে মানব সভ্যতার চাকা শ্লথ হয়ে যেত। জন্মের সূচনাপর্ব থেকে পরিণত বয়স পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে মায়ের অবদান অতুলনীয়। সন্তানের জন্ম ও বেড়ে ওঠার পেছনে মা-বাবার উভয়ের হাত রয়েছে-একথাটিও অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে এটি সর্বজনস্বীকৃত যে, এতে মায়ের ভূমিকাই প্রধান। আমি প্রতিনিয়ত উপলদ্ধি করি মা হচ্ছেন সন্তানের সুখ-দুঃখের অনন্ত সাথী। মা সন্তানের সুখে সুখী হন, আবার সন্তানের দুঃখে দুঃখী হন। নিজের সমস্ত স্বাদ-আহ্লাদ, আনন্দ বেদনা বিলিয়ে দেন সন্তানের সুখ-শান্তির জন্য। তার হৃদয়ের প্রবহমান প্রতিটি রক্ত কণিকায় রয়েছে সন্তানের জন্য ভালবাসা। মা তার সন্তানকে তিলে তিলে গড়ে তোলেন। সন্তানকে ঘিরেই মায়ের স্বপ্নের ডাল-পালা বিস্তার করতে থাকে। পৃথিবীতে একমাত্র মায়ের ভালবাসা ও দানই নিস্বার্থ ও বিনিময়হীন। মায়ের একনিষ্ঠ প্রচেষ্টায় আমরা দেখতে পাই সুন্দর পৃথিবীর এই বিচিত্র সৌন্দর্যের সমারোহ। মায়ের কাছেই আমরা গ্রহণ করি জীবনের প্রথম পাঠ। ‘মা’ শব্দটি উচ্চারণের মধ্যদিয়েই প্রত্যেকের পরিচয় ঘটে ভাষার বিস্তৃত ভুবনের সাথে। মা আমাদেরকে শেখান মহানুভবতার শিক্ষা, সেবার আদর্শ, মহৎপ্রাণ চাহিদা।  ‘মা দিবস’ সেই মমতাময়ী মায়ের জন্য। শুধুই তাদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য। সবচেয়ে আপন মানুষটি মা-কে আরো বেশি ভালোবাসার জন্য।  যদিও সন্তানের জন্য গর্ভধারিণীকে বিশেষভাবে ভালোবাসার কোনো বিশেষ দিন নেই। তারপরও কালেক্রমে নানা সূত্রে মায়ের অপার মহিমা তুলে ধরারও একটি দিন এসে গেছে। প্রতি বছর মা দিবসে মায়েদের নিয়ে কিছু লেখার চেষ্ঠা করি। আর যার বেশীরভাগ জুড়ে থাকে আমার মমতাময়ী মায়ের কথা। আমি আমার উপলদ্ধি থেকে বুঝেছি একজন মা তার সন্তানের জন্য কতোটা ত্যাগ করতে পারে। আজ বিশ্ব মা দিবসে আমি বিশ্বের সকল মায়ের পাশাপাশি আমার জনম দুখী মায়ের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। আমি জানি এবং সবসময় মনে প্রানে বিশ্বাস করি আমার মা আমাকে আগলে না রাখলে আজ আমার ভালভাবে বেড়ে ওঠা, লেখা পড়া করা কোন কিছুই হয়ে উঠতো না। মা না থাকলে আমার জীবনের গল্প এতো সুখকর হতোনা। বার্ধ্যকের কারনে মমতাময়ী মা আমার আজ বিছানায় শয্যাশায়ী। অনেক দিন হয়ে গেছে মায়ের হাতের রান্না খাইনা। এখন মান ভাঙাতে কেউ আর মুড়ি আর ডিম ভেজে আমার সামনে দেয়না, বাবলা বলে কেউ আর ডাক দেয়না। সময়ের বির্বতনে আমিও কেমন জানি স্বার্থপর হয়ে গেছি। আগের মতো মায়ের খোঁজ রাখিনা,  তাঁর পাশে গিয়ে বসিনা। মা আমি তোমাকে আসলে প্রতিটা মুহূর্তে স্মরণ করি। তুমি আমার উপর রাগ করোনা। আমি তোমাকে ভুলে যাইনি। সবসময় তোমাকে মিস করি। কষ্ঠে থাকলেই আমি তোমার মুখটা সামনে এনে সাহসী হই। মাঝে মাঝে মনের অজান্তেই বলে উঠি, মা তোমায় ভীষন ভালবাসি।

  • মেয়র সাদিকের অনুরোধেই বরিশালে মার্কেট খুলছেনা ব্যবসায়ীরা।

    মেয়র সাদিকের অনুরোধেই বরিশালে মার্কেট খুলছেনা ব্যবসায়ীরা।

    ব‌রিশা‌ল সি‌টি ক‌র্পো‌রেশ‌নের মেয়‌র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অনু‌রো‌ধে রোববার থে‌কে মার্কেট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত থে‌কে স‌রে এ‌সে‌ বন্ধ রাখার ঘোষনা দি‌য়ে‌ছে মা‌লিক স‌মি‌তি।

     

    শ‌নিবার রাত পৌ‌নে ১২টায় চকবাজার দোকান মা‌লিক স‌মি‌তির সাধারন সম্পাদক শেখ আব্দুর র‌হিম এই ঘোষনা দেন।

     

    এসময় তি‌নি ব‌লেন, জীবন ও জী‌বিকার ম‌ধ্যে জীবন‌কে প্রাধান্য দি‌য়ে ঈদ উপল‌ক্ষে দোকানপাট দোকান পাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হ‌য়েছে।

     

    এর আ‌গে ব‌রিশাল সি‌টি ক‌র্পো‌রেশ‌নের মেয়র সে‌রনিয়াবাত সা‌দিক আব্দুল্লাহর আহ্বা‌নে সারা দি‌য়ে নগীরর কা‌লিবা‌ড়ি রোডস্থ বাসভব‌নে বৈঠ‌কে ব‌সেন মা‌লিক স‌মি‌তির নেতৃবৃন্দ। এসময় মেয়র ক‌রোনা ভাইরা‌সের সংক্রমন এড়া‌তে জনস্বা‌র্থে ‌দোকানপাট বন্ধ রাখার অনু‌রোধ জানান। মেয়রের এই আহ্বা‌নে সারা দি‌য়ে তারা ঐক্যমত প্রকাশ ক‌রেন।

     

    এসময় মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ ব‌লেন, মূলত ক‌রোনা সংক্রমন থে‌কে নগরবাসী ও ব‌রিশালবা‌সী‌কে রক্ষার জন্য ব্যবসায়ী‌দের এই অনু‌রোধ জানান। অনু‌রোধ রক্ষা করায় ব্যবসায়ী‌দের ধন্যবাদ জানান তি‌নি।

     

    উ‌ল্লেখ্য, নগরীর চকবাজার, কাঠপ‌ট্টি, লাইন‌রোড , হেমা‌য়েত উ‌দ্দিন রোড ও পদ্মাবতী এলাকায় ৫ শতা‌ধিক দোকান র‌য়ে‌ছে। ঈদ কেনাকাটায় প্র‌তিবছর নগরবাসী এখা‌নেই ভির জ‌মি‌য়ে থা‌কেন

  • করোনায় দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৬৩৬ জন, মৃত্যু ৮

    করোনায় দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৬৩৬ জন, মৃত্যু ৮

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৩৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া মারা গেছেন আরও ৮ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২১৪ । দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ হাজার ৭৭০ জন।

     

    এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৪৬৫ টি। নমুনা সংগ্রহ করা হয় ৫২৪৭ টি।

     

    আজ শনিবার দুপুরে করোনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

     

    গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়।

     

    এদিকে গত ১০ দিনে (২৯ এপ্রিল-৮ মে) দেশে ৬৬৭২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩১৩৪ জন। এছাড়া ৮ মার্চ প্রথম শনাক্তের একমাস পর ৮ এপ্রিল পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২১৮ জন। পরবর্তী একমাস ৮ মে এসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩ হাজার ১৩৪। এতে দেখা যায় গত একমাসে আক্রান্ত হয়েছে ১% এর কিছুবেশি আর এই মাসেই আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৯৯%।

     

    দেশে গত ২৮ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫৪৯ জন। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২রা মে ৫৫২ জন, ৩রা মে ৬৬৫ জন, ৪ঠা মে ৬৮৮, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬জন , ৮ মে ৭০৯ জন।

  • ঢাকা-১২ আসনে ত্রাণ বিতরণ করেন  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  আসাদুজ্জামান খান কামাল

    ঢাকা-১২ আসনে ত্রাণ বিতরণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল

    নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১২ আসনে ত্রাণ বিতরণ করেছেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান খান কামাল এম.পি–

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর পক্ষে উক্ত ত্রান বিতরন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (পিআরও)শরীফ মাহমুদ অপু। মনিপুরীপারায় মন্ত্রীর নিজ বাসার সামনে বসে এ কার্যক্রম চলে |

     

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এর পক্ষ থেকে  ওয়ার্ড  আওয়ামীলীগ নেতাদের হাতে ত্রান তুলে দেন  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় এর পি.আর.ও শরীফ মাহমুদ অপু |

     

     

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়  এর পি.আর.ও শরীফ মাহমুদ অপুর পর্যাবেক্ষনে সপ্তাহব্যাপি চলবে এ ত্রান বিতরন কার্যক্রম | দরিদ্র , অসহায় , ভাসমান খেটে খাওয়া মানুষদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এ ত্রান সামগ্রী  পৌছে   দেবেন  ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর নেতাকর্মীরা|

  • করোনা মহামারীতে”গভীর রাতেও চলছে বিসিসি কর্মীদের পরিস্কার কার্যক্রম

    করোনা মহামারীতে”গভীর রাতেও চলছে বিসিসি কর্মীদের পরিস্কার কার্যক্রম

    করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারি সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর গত ১২ এপ্রিল বরিশাল জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করে প্রশাসন।

     

     

     

    এক মাসের অধিক সময় ধরে গণজমায়েত রোধ, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করণ, কর্মহীনদের খাদ্য সহায়তা প্রদানসহ সরকারি একাধিক নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষে মাঠ পর্যায়ে কাজ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

     

     

     

    টানা এ লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি যারা মেনেছেন, তারা প্রয়োজন ছাড়া যেমন ঘর থেকে বের হয়নি, তেমনি অপ্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও বন্ধ রাখা হয়েছে। এক কথায় জরুরি সেবাপ্রদান প্রতিষ্ঠান ছাড়া সবারই কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যায়। বেশিরভাগ মানুষই অনেকটা ছুটির আমেজ কাটিয়ে উঠেছেন।

     

    তবে গেলো একমাস ধরে কাজ বন্ধ রাখার কোন সুযোগ হয়নি বরিশাল সিটি করপোরেশেনর পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীদের। সংকটময় মুহুর্তেও যথানিয়মে কোন অযুহাত ছাড়াই তারা নগর পরিষ্কারের কাজটি করে যাচ্ছেন। ফলে শহরের রাস্তাঘাটগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন অর্থাৎ ঝকঝকে তকতকেই থাকছে। আর এ ঝকঝকে তকতকে রাখতে প্রয়োজনবোধে পায়ে বুট, হাতে গ্লোভস আর মুখে মুখোশও ব্যবহার করছেন তারা।

     

     

     

    যদিও সাধারণ নগরবাসীর অসহযোগিতা দুঃখ রয়েছে তাদের, তারপরও নগর পরিষ্কার রাখার কাজটিতে অনীহা নেই এসব পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের। বরং ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের পাশাপাশি, সড়কে জীবানুনাশক তরল ছিটানো, মশক নিধনে স্প্রে ও ড্রেন পরিষ্কারের কাজটি করছেন পুরোদমে।

     

     

     

    বরিশাল সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, পরিচ্ছন্নতা বিভাগে প্রায় ১ হাজার কর্মী রয়েছে বর্তমানে। যাদের মধ্যে একটি বড় অংশ নগরের ত্রিশটি ওয়ার্ডে রাস্তাঘাট ও ফুটপাত ঝাড়ু দেয়ার কাজ করেন। অপর একটি অংশ ড্রেন ও নালা পরিষ্কারের কাজ করে থাকেন। এছাড়া ছোট ভ্যান ও পিকআপে করে নগরের বিভিন্ন বাসা-বাড়ি এবং নির্ধারিত স্থানের ময়লা ডাম্পিং প্লেসে নেয়ার কাজটি করেন অন্য একটি গ্রুপ। এর বাহিরে সড়কে জীবানুনাশক তরল ছিটানো, মশক নিধনে স্প্রেও নিয়মিত করছে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা।

     

     

     

    নিয়মিত এসব কাজ করোনার সংকটময় পরিস্থিতিতেও নগরবাসীর সেবা নিশ্চিতের লক্ষে বন্ধ রাখা হয়নি। বরং ঝুঁকিকালীন এই সময়টাতে স্বাভাবিক বেতন পেয়েই খুশি পরিচ্ছন্ন কর্মীরা।

     

     

     

    পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা জানান, নগরকে পরিষ্কার রাখা যেমন তাদের কাজ, তেমনি একটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে নগরবাসীর জন্য একটি সেবাও। তাই করোনার কথা চিন্তা না করে কোন অযুহাত ছাড়াই মন দিয়ে নিয়মিত কাজটি করে যাচ্ছেন।

     

     

     

    তবে কিছু মানুষের আচরণে দুঃখও প্রকাশ করেছেন তারা। নগরের বটতলা, পুলিশ লাইন, ব্যপ্টিষ্ট মিশন এলাকার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা জানান, বিকেল থেকে গভীররাত অব্দি পর্যায়ক্রমে এ শহর পরিষ্কারের কাজ করেন তারা। ফলে সকালে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন একটি শহরের দেখা পান নগরবাসী। কিন্তু করোনার বর্তমান সময়ে কিছু লোক ইচ্ছে করে তাদের পরিচ্ছন্নতার কাজগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন।

     

     

     

    পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের অভিযোগ বটতলা, পুলিশ লাইন এলাকার কিছু ব্যক্তি রয়েছেন যারা আমরা ময়লা নেয়ার পরে রাস্তাঘাটের নির্ধারিত স্থানগুলোতে ময়লা ফেলছেন। তাদের অনুরোধ করার পরও এটি করে যাচ্ছেন। ওইসব লোকদের দাবি ময়লার ভেতরে এসে তারা ময়লা ফেলতে পারবে না। কিন্তু এতে আমাদের পরিশ্রমটা বৃথা হয়ে যাচ্ছে। আর তাদের কথা আমরা ভাবলেও আমাদের কথা তারা কতটা ভাবছে।

     

     

     

    এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু বলেন, নগর প্রশাসনও মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ’র প্রতক্ষ নির্দেশনা কাজ পরিচালিত করে যাচ্ছেন। আবার মহা ক্রান্তিকালেও পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা পিছু হটেননি। কারণ মেয়র তাদের ভালোবাসেন, তারা মেয়রকে ভালোবাসেন। একমাত্র সেরনিয়বাত সাদিক আব্দুল্লাহ যিনি দাবি তোলার আগেই পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বেতন বাড়িয়ে দিয়েছেন।

     

     

     

    তিনি বলেন, ময়লা-আবর্জা পরিষ্কারের পাশাপাশি নগরের রাস্তাঘাট জীবানুমুক্ত রাখতে প্রতিদিন ৪২ হাজার লিটার তরল স্প্রে করা হচ্ছে। মশক নিধনে ১৮ হাজার লিটার লার্ভাসাইড ছিটানো হচ্ছে প্রতিদিন। পর্যাপ্ত অ্যাডাল্টিসাইডও রয়েছে, যা প্রয়োজন অনুসারে দেয়া হবে।

     

     

     

    তবে সবকিছুর পরও নগরবাসীকে আরো সচেতন হতে হবে, নিজের বাড়ির আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি যেখানে, সেখানে ময়লা ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

     

     

     

    বিসি সি’র প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ও ভ্যাটেনারি সার্জন ডাঃ রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন, শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে আন্তরিকতার সাথেই তাদের কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছেন। চালানো হচ্ছে  মশক নিধন কার্যক্রমও।

     

     

     

    যদিও নিজেদের শহরকে সুন্দর রাখতে নগরবাসিকে আরো সচেতন হতে হওয়ার আহবান জানিয়েছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

     

     

     

    উল্লেখ্য সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই নগর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। যে কারণে তিনি এরইমধ্যে নগরবাসীর কাছ থেকে বেশ সুনামও কুড়িয়েছেন। আবার নগর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কাজটি কষ্ট করে যে শ্রমিকরা করছেন, তাদের কষ্ট লাঘবে বেতনও সর্বোপ্রথম বড় অংকে বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে বাস্ত

  • বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের পৃথক স্থানে ‍পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত ও কমপক্ষে ৩ জন আহত হয়েছেন

    বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের পৃথক স্থানে ‍পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত ও কমপক্ষে ৩ জন আহত হয়েছেন

    শুক্রবার (০৮ মে) বরিশালের বাবগঞ্জ উপজেলার রহমপুর ও গৌরনদী উপজেলার বাটাজোরে পৃথক এ দুটি দুর্ঘটনা ঘটে।

    বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল সূত্রে জানাগেছে, বেলা ১২ টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর এলাকায় ব্যাটারিচালিক অটোরিক্সা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে আলাউদ্দিন ও সালাউদ্দিন নামে দুই যাত্রী গুরুত্বর আহত হলে তাদের উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সেখানকার চিকিৎসকরা সালাউদ্দিনে মৃত বলে ঘোষনা করেন। নিহত সালাউদ্দিন বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর এলাকার বাসিন্দা।

     

    অপরদিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর এলাকায় ওভারটেক করতে গিয়ে ট্রাকের সাথে ধাক্কা লেগে একটি সিএনজি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে ওই গাড়ির চালক রাসেল হাওলাদার, যাত্রী কাওসার আলী ও রিয়াজুল আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে রিয়াজুল (২৮) কে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষনা করেন। মৃত রিয়াজুল পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার চৈতা এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে।

     

    উভয়ের মৃতদেহ শেবাচিম হাসপাতালের লাশ রাখা কক্ষে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওয়ার্ড মাষ্টার আবুল কালাম।

  • আরও ৭০৯ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ২০০ ছাড়াল

    আরও ৭০৯ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ২০০ ছাড়াল

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৭০৯ জন এবং মারা গেছেন ৭ জন। এ ছাড়া সুস্থ হয়েছে ১৯১ জন।

    আজ শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় মহাখালী থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

     

    তিনি বলেন, ‘আমরা গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করেছি ৫ হাজার ৭০৭টি। নমুনা পরীক্ষা করেছি ৫ হাজার ৯৪১টি। এই সংগৃহীত নমুনা থেকে শনাক্ত রোগী পেয়েছি ৭০৯ জন। এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার ১৩৪ জন। সুস্থ হয়েছে ১৯১ জন। মোট সুস্থ হয়েছে ২ হাজার ১০১ জন। এ ছাড়া মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। মোট মৃত্যু হয়েছে ২০৬ জনের।’

     

    মৃতের মধ্যে পুরুষ ৫ জন ও নারী ২ জন রয়েছে বলে জানান অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

    এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার শনাক্ত হয়েছিল ৭০৬ জন, মৃত্যু হয় ১৩ জনের। এ ছাড়া সুস্থ হয়েছে ১৩০ জন। এর আগে বুধবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল ৭৯০ জন, মৃত্যু হয় ৩ জনের। তার আগের দিন মঙ্গলবার শনাক্ত হয় ৭৮৬ জন, মারা যায় ১ জন।

     

    বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। আর গত ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে দিনে দিনে এর সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে।

  • করোনা সংকটে অসহায় মানুষের পাশে মানবিক পুলিশ সদস্য

    করোনা সংকটে অসহায় মানুষের পাশে মানবিক পুলিশ সদস্য

    বরিশাল প্রতিনিধি ॥
    করোনার ভয়াল আগ্রাসনে কর্মহীন মানুষগুলো ঘরবন্দী হয়ে চরম অনিশ্চয়তার
    মধ্যে জীবন-যাপন করছেন। এরই মধ্যে দুঃখ, কষ্ট আর যন্ত্রণা বুকে চেপে
    সংসার নামক ঘানিকে টেনে নিচ্ছে অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার।
    অসহায় ও বিপন্ন এ জনগোষ্ঠির প্রায় শতাধিক পরিবারের পাশে বিশ্বস্ত বন্ধুর
    মতো দাড়িয়েছেন মানবিক পুলিশ সদস্য রাজিব হোসেন।

     

    বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে কর্মরত এ পুলিশ সদস্য তার হাতে গড়া
    সামাজিক ও স্বেচ্ছসেবী সংগঠন “মনিরাম সেবা ইউনিটি গ্রুপ” এর সদস্যদের
    নিয়ে ঘরবন্দী মানুষগুলোর বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছেন খাদ্যসামগ্রী।

     

    সংগঠনের কর্মীদের মাধ্যমে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের
    অসহায় পরিবারগুলোর তথ্য সংগ্রহ করে চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয়
    খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেট নিয়ে তাদের বাড়িতে বাড়িতে হাজির হচ্ছেন তিনি।
    গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল থেকে তার এই মানবিক সহায়তার কার্যক্রম চলছে।

     

    আজ শুক্রবার (৮ এপ্রিল) স্থানীয় মনিরাম বাজার সংলগ্ন কয়েকটি বাড়িতে নিজ
    হাতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেন তিনি। এসময় রাশেদ বাবু, ইব্রাহিম, নয়ন,
    তাছিন কামাল, রুহিন, তারিম, অহিদসহ সংগঠনের বেশ কয়েকজন সদস্য উপস্থিত
    ছিলেন।

     

    এদিকে পুলিশ সদস্য রাজিব হোসেন এমন মানবিক কাজ করে এলাকাবাসীর হৃদয় জিতে
    নিয়েছে। তারা পুলিশ সদস্য ও তার সংগঠনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।

     

    পুলিশ সদস্য রাজিব হোসেন বলেন, ঘরে থাকা কর্মহীন অসহায় অনেক পরিবারেই
    একদিন কাজ না করলে রান্না হয় না। এটি নিয়ে চিন্তা করতে গিয়েই কিছু করার
    ইচ্ছে জাগলো। এক্ষেত্রে “মনিরাম সেবা ইউনিটি গ্রুপ”

     

    এর সকল সদস্যরা
    অক্লান্ত পরিশ্রম করে আমাকে বেশ সহযোগিতা করেছে। ভবিষ্যতেও আমাদের
    সংগঠনের পক্ষ থেকে অসহায় মানুষগুলোর জন্য এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

  • মক্কায় করোনা আক্রান্ত হয়ে বরিশালের যুবকের মৃত্যু

    মক্কায় করোনা আক্রান্ত হয়ে বরিশালের যুবকের মৃত্যু

    প্রাণঘাতী কোভিড-১৯ করোনায় আক্রান্ত হয়ে সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীর জ‍্যাবেলে নুর হাসপাতালে ছয়দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কাছেমাবাদ গ্রামের মাহফুজ সরদার (৪২) নামের এক প্রবাসী যুবক মৃত্যুবরন করেছেন। তিনি (মাহফুজ) ওই গ্রামের মৃত সামছুল হক সরদারের পুত্র।

     

    শুক্রবার সকালে সৌদি আরবে বসবাসরত মাহফুজের সহদর মাসুদ সরদার মোবাইল ফোনে জানান, কর্মের সুবাধে তারা তিন ভাই দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবে বসবাস করছেন। এরমধ্যে তার মেঝ ভাই মাহফুজ সরদার দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে রয়েছেন। সেখানে তিনি ট্যাক্সির চালক ছিলেন। গত কয়েকদিন পূর্বে জ্বর, সর্দি, কাশি ও গলা ব‍্যাথায় আক্রান্ত হয়ে মক্কা নগরীর জ‍্যাবেলে নুর হাসপাতালে করোনা পরীক্ষর জন্য যায়। রির্পোটে তার করোনা পজেটিভ আসায় তাৎক্ষনিক তাকে ওই হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে ছয়দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে গত ৭ মে ভোরে সে মারা যায়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ পুত্র ও ২ কন্যা রেখে গেছেন।

     

    মৃত মাহফুজের প্রতিবেশী ও সৌদি প্রবাসী নজরুল ইসলাম জানান, মাহফুজ ছিলো সৌদি আরবে অবস্থানরত বরিশালবাসীর কাছে একটি পরিচিত মুখ। প্রবাসীরা অসুবিধায় পরলে খবর পেলেই নিঃস্বার্থভাবে মাহফুজ এগিয়ে আসতো সবার সহযোগিতার জন্য। এছাড়াও বরিশাল থেকে পবিত্র হজ¦ পালন করতে আসা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ থেকে শুরু করে সব হাজীদের সেবক হিসেবে মাহফুজের অগ্রনী ভূমিকা ছিলো।

     

    নজরুল ইসলাম আরও জানান, গত ৫ মে হাসপাতালে শষ্যাশয়ী মাহফুজের সাথে তার ভিডিও কলে শেষ কথা হয়েছে। তখন সে (মাহফুজ) শুধু বলেছে, ভাই আমার অবস্থা ভালো না, আমার সন্তানদের দিখে খেয়াল রাখিও।

     

    সূত্রমতে, বাংলাদেশ থেকে মৃত মাহফুজের ওয়ারিশগনের চেয়ারম্যান সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য কাগজপত্র যাওয়ার পর তাকে (মাহফুজকে) সরকারীভাবে দাফন করা হবে। বর্তমানে তার মৃত দেহ মক্কার জ‍্যাবেলে নুর হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।

  • করোনায় দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৭০৯ জন, মৃত্যু ৭

    করোনায় দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৭০৯ জন, মৃত্যু ৭

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭০৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া মারা গেছেন আরও ৭ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২০৬। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ হাজার ১৩৪ জন।

     

    এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫ হাজার ৯৪১ টি।

     

    আজ শুক্রবার দুপুরে করোনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

     

    গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়।