Category: প্রচ্ছদ

  • দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৭৮৬ জন, করোনায় আরও ১ মৃত্যু

    দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৭৮৬ জন, করোনায় আরও ১ মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৮৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দশ হাজার ৯২৯ । করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট মারা গেছেন ১৮৩ জন।

     

    আজ মঙ্গলবার দুপুরে করোনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

    ,ু,,

    এর আগে সোমবার দেশে ৬৮৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয় ও ৫ জনের মৃত্যু হয়।

     

    পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ৪ এপ্রিল সারাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৬১ জন। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে ৪ মে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ হাজার ১৪৩ জনে। একমাসে করোনা রোগী বেড়েছে ১০ হাজার ৭৩ জন। এছাড়া ৪ এপ্রিল দেশে শনাক্ত হয়েছিলো ৯ জন করোনা রোগী। ৪ মে শনাক্ত হয় ৬৮৮ জন।

     

    গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়।

  • দেশে করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, নতুন করে আক্রান্ত ৬৮৮

    দেশে করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, নতুন করে আক্রান্ত ৬৮৮

    দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জন মারা গেছেন। একই সময়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন ৬৮৮ জন।

    বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এসব তথ্য জানান। দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত এ ব্রিফিং অনলাইনে হয়।

    দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

  • মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ৩০৩ জন ইমাম-মুয়াজ্জিন কে খাদ্য সহায়তা পৌছে দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ৩০৩ জন ইমাম-মুয়াজ্জিন কে খাদ্য সহায়তা পৌছে দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি রোধে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এবার বরিশাল নগরীতে বসবাসকারী ৩০৩জন ইমাম ও মুয়াজ্জিনের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর উদ্যোগে ও সরাসরি তত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ ইমাম সমিতি বরিশাল মহানগর শাখার দেয়া তালিকা অনুসারে এ খাদ্য সহায়তা বিতরন শুরু হয় রবিবার রাতে।  প্রথমদিন তারাবি নামাজের পরপরই এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। নগরীর ১  নম্বর থেকে ২০ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ ও বসতবাড়ীতে থাকা ইমাম ও মুয়াজ্জিমদের কাছে গিয়ে  খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়। বিসিসি সূত্রে জানা গেছে, নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের মোট ৩০৩ জন ইমাম, মুয়াজ্জিমকে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়ার কার্যক্রম আজ শেষ হবে। এদিকে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার ফলে সরকারিভাবে সাধারণ ছুটি ঘোষনাসহ অনেক এলাকা লকডাউন করা হয়। এর ফলে নগরীর খেটে খাওয়া অগনিত মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে।  এসকল অসহায় মানুষের দূর্দশা লাঘবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ও মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে গত ৩০ মার্চ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরন কার্যক্রম শুরু করা হয়। তারই ধারাবাহিকতা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এপর্যন্ত নগরীর ৬০ হাজারের অধিক অসহায় পরিবারের মাঝে এসহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়। যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন অসহায় পরিবারের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে সম্ভব সবধরণের সহযোগিতার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হবে।  জনসাধারণের নিরাপদে ঘরে থাকা নিশ্চিত করতে এসব খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।  মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ খাদ্য সহায়তা প্রদান কার্যক্রম নিজে সরাসরি মনিটরিং করছেন। এক্ষেত্রে তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দর সাথে যুক্ত হয়ে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন।

  • গত ২৪ ঘন্টায় দেশে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ৬৬৫ জন, মৃত্যু ২

    গত ২৪ ঘন্টায় দেশে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ৬৬৫ জন, মৃত্যু ২

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস আরও দুজনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৭৭ জনে। একই সময়ে আক্রান্ত হিসেবে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৬৬৫ জন। এতে দেশে ভাইরাসটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল নয় হাজার ৪৫৫ জনে।

     

    রোববার (৩ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

     

    তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ হাজার ২১৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে আগের কিছু মিলিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে পাঁচ হাজার ৩৬৮টি। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৮১ হাজার ৪৩৪টি। নতুন যাদের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, তাদের মধ্যে আরও ৬৬৫ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এটি এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের সংখ্যা। ফলে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন নয় হাজার ৪৫৫ জন। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও দুজন। এদের একজনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছর, অপরজন ষাটোর্ধ্ব। একজন নারায়ণগঞ্জের, অপরজন রংপুরের বাসিন্দা। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭৭ জনে। আর এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৬৩ জন।

     

    গত শনিবারের (২ মে) বুলেটিনে জানানো হয়, বিগত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। আক্রান্ত হয়েছেন ৫৫২ জন।

     

    রোববারের বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন নেয়া হয়েছে ৬৫ জনকে এবং বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন এক হাজার ৬৩৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৬০ জন। এ পর্যন্ত ছাড়া পেয়েছেন এক হাজার ৮২ জন।

     

    রাজধানীসহ সারাদেশে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে নয় হাজার ৬৩৮টি। তন্মধ্যে ঢাকায় তিন হাজার ৯৪৪টি এবং রাজধানীর বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে আছে পাঁচ হাজার ৬৯৪টি।

     

    হোম এবং প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে নয় হাজার ৮৭৪ জনকে। একই সময়ে কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়া পেয়েছেন দুই হাজার ১৪৯ জন। সব মিলিয়ে ছাড়া পেয়েছেন এক লাখ ৯২ হাজার ৫৯২ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৬৭ হাজার ৭৩৯ জন।

     

    করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

     

    করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে। তবে ছড়িয়ে পড়া এ ভাইরাস ক্রমে গোটা বিশ্বকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩৫ লাখ। মৃতের সংখ্যা দুই লাখ ৪৪ হাজারেরও বেশি। তবে সোয়া ১১ লাখ রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

     

    গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

     

    প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। যদিও ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় খুলেছে পোশাক কারখানা। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে কি-না, তা নিয়ে সন্দিহান বিশেষজ্ঞরা।

  • করোনায় বিসিসি’র নাগরিক সেবা আগের চেয়েও গতিশীল

    করোনায় বিসিসি’র নাগরিক সেবা আগের চেয়েও গতিশীল

    মহামারী করোনা সংক্রমণে থমকে গেছে অনেক কিছুই। তবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নগরবাসীর সেবার গতিকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন বিসিসি কর্মীরা। মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে সকল কাউন্সিলর এবং বিসিসির সর্বস্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা মাঠে তৎপর। ঝুঁকি জেনেও এই করোনাকালে তারা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন আগের চেয়েও দ্রুত গতিতে।

     

    ইতমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিসিসি মেয়রের উদ্যোগে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক পরিবারে খাদ্য সহায়তা পৌছে দেওয়া হয়েছে।

     

     

     

    করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে বরিশাল নগরীতে প্রতিদিন ৪২ হাজার লিটার জীবাণুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সহ বর্ধিত এলাকাগুলোতেও এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

     

     

     

    পরিস্কার পরিচ্ছনা কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে। বিভিন ড্রেন পরিস্কার সহ নগরীকে পরিচ্ছন্ন ও ভাইরাস মুক্ত রাখাতে প্রাণপন চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিসিসি।

     

     

     

    মশার প্রকোপ রুখতে ছেটানো হয়েছে মশা নিরোধক ওধুধ। তাছাড়া নাগরিক সেবার অন্যান্য খাতে এমনই তৎপরতা দেখা গেছে। এতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সচেতন নগরবাসী।

     

     

     

    বিসিসি মেয়র সকলের জন্য শুভ কামনা জানিয়ে বলেছেন, করোনা প্রতিরোধে সচেতন হোন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সকলের সুরক্ষার জন্য কাজ করে যাচ্ছি আমরা। আপনারা ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন।

  • বরিশালের ৬ জেলায় করোনা আক্রান্ত ১১৭, সুস্থ-১৯, মৃত্যু ৬ জন

    বরিশালের ৬ জেলায় করোনা আক্রান্ত ১১৭, সুস্থ-১৯, মৃত্যু ৬ জন

    বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় মোট ১১৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। যাদের মধ্যে দুইজন ভারতীয় নাগরিকসহ বেশ কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মীও রয়েছে।

    বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, করোনার সংক্রমন প্রতিরোধে বিদেশী নাগরিকসহ ভিন্ন জেলা (সংক্রমিত) থেকে আগত ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিনে রাখার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

    ফলে গত ১০ মার্চ থেকে শুক্রবার (০১ মে) পর্যন্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনসহ বিভাগের ৬ জেলায় মোট ৯ হাজার ৬৬৬ জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। যারমধ্য হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয় ৯ হাজার ৩৫ জনকে, আর এরমধ্যে ৬ হাজার ৪১৯ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

    এছাড়া বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন জেলায় হাসপাতালে (প্রতিষ্ঠানিক) কোয়ারেন্টিনে ৬৩১ জন রয়েছেন এবং এ পর্যন্ত ৪৫৪ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

    অপরদিকে গত ২৪ ঘন্টায় বিভাগের ৬ জেলায় ১৬৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে প্রেরণ করা হয়েছে এবং গত ২৪ ঘন্টায় বিভগের ৬ জেলায় ১৬১ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

    এছাড়া বিভাগের মধ্যে শুধুমাত্র পিরোজপুর ও বরগুনা জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় মোট ১৮ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে, এছাড়া শুধুমাত্র বরগুনা জেলায় ১৩ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

    এরবাহিরে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ২২০ জন রোগী আইসোলেশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং এরইমধ্যে ১১২ জনকে ছাড়পত্রও দেয়া হয়েছে।

    এদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ বাসুদেব কুমার দাস জানিয়েছেন, বিভাগের মধ্যে এ পর্যন্ত বরিশাল জেলায় ১২ জন, পটুয়াখালীতে ১, পিরোজপুরে ১ ও বরগুনায় ৫ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন। যাদের এরইমধ্যে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

    এছাড়া বরিশালের মুলাদীতে, পটুয়াখালী জেলার সদর উপজেলায় ১ জন, মির্জাগঞ্জে ১ ও দুমকিকে ১ জন এবং বরগুনা জেলার আমতলী ও বেতাগীতে ১ জন করে ৬ জন ব্যক্তির করোনায় মৃত্যু হয়েছে বলে জানান তিনি।

  • ৬০ হাজার কর্মহীন পরিবার পেলো ত্রান সহায়তা,সর্বমহলে প্রশংসিত বিসিসি মেয়র

    ৬০ হাজার কর্মহীন পরিবার পেলো ত্রান সহায়তা,সর্বমহলে প্রশংসিত বিসিসি মেয়র

    তানজিম হোসাইন রাকিব : করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর ব্যাবস্থাপনায় বরিশাল নগরীর প্রায় ৬০ হাজার কর্মহীন পরিবার পেল ত্রান সহায়তা | গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রায় ৬০ হাজার পরিবার এই খাদ্য সহায়তার আওতায় এসেছে বলে জানা গেছে | গতকাল নগরীর ১ নং ওয়ার্ড, ৩ নং ওয়ার্ড, ৯ নং ওয়ার্ড এবং ২৯ নং ওয়ার্ড এ ত্রান সমগ্রী বিতরন করা হয়|

     

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে,  ইতোমধ্যে কর্মহীন হয়ে পড়া নগরীর ৬০ হাজারেরর অধিক অসহায় মানুষকে খাদ্য সামগ্রী ঘরে গিয়ে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ডেঙ্গুর বিস্তাররোধে মশক নিধন কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে।  অপরদিকে পানি সরবরাহ বিভাগে নগরজুড়ে জীবনানুনাশক স্প্রে ছিটানোর পরিধী আরো বৃদ্ধি করা হয়েছে।  জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধে বিসিসির ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানও অব্যাহত রয়েছে। বিসিসি সূত্র জানায়, দেশব্যাপী করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর উদ্যোগে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়। শুরুতেই বিসিসির স্টাফদের সুরক্ষায় বায়োমেট্টিক হাজিরা স্থগিত, নগর ভবনসহ নগরীর ১২টি পয়েন্টে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার কার্যক্রম চালু করা হয়। এরপর মেয়রের সরাসরি তত্ত্বাবধানে গত ৩০ মার্চ থেকে অসহায় মানুষদের খাদ্য সহায়তা  প্রদান কর্মসূচি শুরু হয়। এর আওতায় ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৬০ হাজার পরিবারকে ঘরে ঘরে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়। মেয়রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এ সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে। এদিকে বিসিসির পানি সরবরাহ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুক জানান, মেয়রের নির্দেশে গত দেড়মাস ধরে করোনা রোধে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। গড়ে বর্তমানে প্রতিদিন ৪২ হাজার লিটার জীবানুনাশক পানি স্প্রে করা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, তাদের শাখায় ৯ হাজার ধারন ক্ষমতার নতুন একটি ভাউজার যুক্ত হওয়ায় জীবনুনাশক স্প্রে ছিটানো কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। প্রতিদিন নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক, বাজার ও জনসমাগম হয় এমন এলাকায় স্প্রে ছিটানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এর মধ্যে ছোট দুটি গাড়ীর সাহায্যে নগরীর বর্ধিত এলাকায় এবং বড় গাড়ীর সাহায্যে গুরুত্বপূর্ন সড়কগুলোতে জীবানুনাশক স্প্রে  ছিটানো হচ্ছে। অপরদিকে বিসিসির পরিচ্ছনতা কর্মকর্তা ডা. রবিউল ইসলাম জানান, করোনা রোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে। কয়েকশত কর্মী নগরী পরিচ্ছন্ন রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া মশক নিধন কার্যক্রমও চলছে জোরেশোরে। তিনি জানান, ডেঙ্গুর প্রকোপ রোধে মেয়রের নির্দেশে প্রতিদিন সকালে নগরীর ২ থেকে ৩টি ওয়ার্ডে ঝটিকা অভিযানের মাধ্যমে স্প্রে করা হচ্ছে। এবং বিকেলে ফগার মেশিনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ন সড়ক ও ড্রেনে স্প্রে করা হচ্ছে। বিসিসির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা  ডা. ফয়সাল হাজবুন জানান, মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে জনগনের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধকল্পে বিসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমতিয়াজ মাহমুদ জুয়েলের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এসকল অভিযানে আভিযানিক এলাকায় উপস্থিত জনসাধারণকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা ও ব্যবসায়ীদের মূল্য বৃদ্ধি না করার জন্য আহবান করা হয়। এদিকে অসহায় মানুষদের সহায়তায় গঠন করা হয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ত্রান তহবিল।  গত ৬ এপ্রিল এ তহবিল চালু করেই মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ তাঁর দায়িত্বকালিন সময়ের প্রাপ্য সম্মানির ৩৫ লাখ ৫৪ হাজার টাকা প্রদান করেন।

     

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর অক্লান্ত পরিশ্রম ও সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় দেশে উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করল বিসিসি | বিসিসি মেয়র জানান, করোনা মোকাবিলায় এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে |

  • দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৫৭১ জন, করোনায় আরও মৃত্যু ২

    দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৫৭১ জন, করোনায় আরও মৃত্যু ২

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৭১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ৮ হাজার ২৩১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ২ জন। এ নিয়ে দেশে মোট মারা গেছেন ১৭০ জন।

     

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯৯৮ টি এবং পরীক্ষা করা হয় ৫ হাজার ৫৭৩ টি টি।

     

    আজ শুক্রবার দুপুরে করোনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

     

    এর আগে বৃহস্পতিবার দেশে ৫৬৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয় ও ৫ জনের মৃত্যু হয়। তার আগের দিন শনাক্ত হয় ৬৪১ জন।

     

    গতকাল পর্যন্ত মোট করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৪ হাজার ৬৬৬ জনের। তাঁদের মধ্যে গত ১০ দিনেই পরীক্ষা হয় ৩৮ হাজার ৬২ জনের। যা প্রায় ৬০ শতাংশ। দেশে এখন মোট ২৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হচ্ছে। ১৭ এপ্রিল পযন্ত পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল ১৭টি।

     

    গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়।

  • বরিশালে ৪০২ কওমি মাদরাসায় প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা

    বরিশালে ৪০২ কওমি মাদরাসায় প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা

    পবিত্র রমজান উপলক্ষে সারা দেশের ৬ হাজার ৯৫৯ কওমি মাদরাসায় ৮ কোটি ৩১ লাখ ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    জানা যায়, সারা দেশের ৬ হাজার ৯৫৯ কওমি মাদরাসায় ৮ কোটি ৩১ লাখ ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্যে বরিশালে ৪০২টি রয়েছে।

  • করোনাভাইরাসে মৃত বেড়ে ১৬৮, নতুন শনাক্ত ৫৬৪

    করোনাভাইরাসে মৃত বেড়ে ১৬৮, নতুন শনাক্ত ৫৬৪

    মহামারি করোনাভাইরাস দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৬৮ জনের। করোনায় আক্রান্ত হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৫৬৪ জন। ফলে দেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল সাত হাজার ৬৬৭ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও ১০ জন। সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১৬০ জন।

     

    বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

     

    তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ হাজার ৬২৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে চার হাজার ৯৬৫টি। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬৪ হাজার ৬৬৬টি। নতুন যাদের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, তাদের মধ্যে আরও ৫৬৪ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন সাত হাজার ৬৬৭ জন। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও পাঁচজন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৮ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও ১০ জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৬ জন।

     

    নতুন করে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে তিনজন পুরুষ এবং দুজন নারী। দুজন ষাটোর্ধ্ব এবং তিনজন চল্লিশোর্ধ্ব।

     

    বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে ১৩৮ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন এক হাজার ৪২০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৫৮ জন এবং এ পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ৮৯১ জন।

     

    সারাদেশে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে নয় হাজার ৬৩৮টি। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে আছে তিন হাজার ৯৪৪টি এবং ঢাকার বাইরে পাঁচ হাজার ৬৯৩টি। বর্তমানে করোনা চিকিৎসার জন্য আইসিইউ শয্যা রয়েছে ৩৪১টি এবং ডায়ালাইসিস ইউনিট আছে ১০২টি।

     

    গত ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে দুই হাজার ৬৭ জনকে। এ পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে এক লাখ ৭৭ হাজার ২৪৫ জনকে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে ১১৫ জনকে। এ পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে নয় হাজার ২৭৪ জনকে। হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে দুই হাজার ১৮২ জনকে এবং এ পর্যন্ত মোট কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে এক লাখ ৮৬ হাজার ৫১৯ জনকে। গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৭৮২ জন এবং এ পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন এক লাখ ১৫ হাজার ৩৭ জন। বর্তমানে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৭১ হাজার ৪৮৩ জন।

     

    ডা. নাসিমা সুলতানা বুলেটিনের শুরুতেই জানান, সবমিলিয়ে দেশে এখন ২৯টি সরকারি ও বেসরকারি ল্যাবরেটরিতে করোনার নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে। প্রতিদিনের বুলেটিনে সবগুলোর ফলাফল জানানো হবে।

     

    তিনি জানান, নতুন করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ, সেন্ট্রাল পুলিশ হাসপাতাল রাজারবাগ এবং বেসরকারি এভারকেয়ার হাসপাতাল (সাবেক অ্যাপোলো) নমুনা পরীক্ষা শুরু করেছে। স্কয়ার ও ইউনাইটেড হাসপাতালে নমুনা সংগ্রহ শুরু হলেও এখনো রিপোর্ট আসেনি। তাছাড়া ইতোমধ্যে ল্যাবএইড, ইবনে সিনা, তায়েরুনেসা মেমোরিয়াল হাসপাতাল (টিএমএমএস) ও রেফায়েতউল্ল্যাহ হাসপাতালও নমুনা পরীক্ষার আবেদন করেছে। আবেদনগুলো বিবেচনাধীন রয়েছে এবং শর্তসাপেক্ষে দুই-একদিনের মধ্যে তাদেরও অনুমোদন দেয়া হবে। নমুনা পরীক্ষার জন্য পিসিআর ল্যাবের যে শর্ত দেয়া হয়েছে তা পূরণ করতে পারলে যে কোনো বেসরকারি হাসপাতালকে অনুমোদন দেয়া হবে।

     

    করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

     

    চার মাস আগে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস ক্রমে গোটা বিশ্বকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা সোয়া ৩২ লাখ ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে সোয়া দুই লাখ। তবে প্রায় ১০ লাখ রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

     

    গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

     

    প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। যদিও এরই মধ্যে সীমিত পরিসরে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার কিছু পোশাক কারখানা সীমিত পরিসরে খুলতে শুরু করেছে। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে কি-না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।