Category: প্রচ্ছদ

  • সরকারি চাকরিজীবীরা রাষ্ট্র ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরূপ মন্তব্য করলেই ব্যবস্থা

    সরকারি চাকরিজীবীরা রাষ্ট্র ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরূপ মন্তব্য করলেই ব্যবস্থা

    সরকার বা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে হেয়প্রতিপন্ন করে, এমন কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও-ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক ও শেয়ার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বিরত থাকতে বলা হয়েছে। অন্যথায় এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন বলে জানানো হয়েছে।

    ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ অনুসরণ করার বিষয়ে পরিপত্র জারি করে বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সর্তক করে দিয়েছে।

    পরিপত্রে বলা হয়েছে, জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থী কোনো রকম তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

    অন্য কোনো রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য সম্বলিত কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

    কোনো সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে, এমন বা ধর্মনিরপেক্ষতা নীতির পরিপন্থী কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা যাবে না।

    জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে, এমন কোনো বিষয় লেখা, অডিও বা ভিডিও ইত্যাদি প্রকাশ বা শেয়ার করা যাবে না। এছাড়া ভিত্তিহীন, অসত্য ও অশ্লীল তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে হবে।

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে, এমন কোনো পোস্ট, কমেন্ট, লাইক ও শেয়ার করা যাবে না।

    জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে, এমন কোনো বিষয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা যাবে না।

    এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বিষয়বস্তু ও বন্ধু নির্বাচনে চাকরিজীবীদের সতর্কতা অবলম্বন এবং অপ্রয়োজনীয় ট্যাগ, রেফারেন্স বা শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

    যদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার বা নিজ অ্যাকাউন্টে ক্ষতিকারক কোনো কনন্টেট পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দায়ী হবেন। এজন্য প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • শিকারপুর জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ

    শিকারপুর জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ

    : বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়।
    ইউনিয়নের মোট ৭০ জন জেলেদের প্রত্যেকে ৪০  কেজি করে চাল প্রদান করা হয়।আজ সকাল দশটায় ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে জেলেদের হাতে চাল তুলে দেন ইউনিয়ন
    পরিষদের চেয়ারম্যান মো সরোয়ার হোসেন হাওলাদার,উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির,ইউপি সদস্য আশরাফ হোসেন রাঢ়ী,মোহাম্মদ সেলিম মুন্সি,সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্য মোছাম্মদ শিউলি বেগম সহ ইউ পি সদস্য বৃন্দ।

     

  • করোনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপকের মৃত্যু

    করোনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপকের মৃত্যু

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর ড. নাজমুল করিম চৌধুরী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি…রাজিউন)।

    গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান অধ্যাপক ড. নাজমুল করিম চৌধুরী। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

     

    তিনি বলেন, ‘ঢাবির সাবেক অধ্যাপক ড. নাজমুল করিম করোনাতেই মারা গেছেন। গত পরশু দিন তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। পরে টেস্টে তার করোনা পজিটিভ এসেছে। এরপর থেকে তিনি হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।’

    ডা. মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন আরও বলেন, ‘তার আগে থেকেই কিছু শারীরিক জটিলতা ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বুধবার রাত দেড়টার দিকে তিনি মারা গেছেন।’

     

     

    তবে অধ্যাপক ড. নাজমুল করিম করোনায় মারা যায়নি বলে দাবি করেছেন ফারইস্ট ইন্টান্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো.মামুন। তিনি বলেন, ‘ভিসি স্যার হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। তার করোনা হয়নি।’

    গত পরশু দিন স্যারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বলেও জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার।

    মো.মামুন আরও বলেন, এর আগেও স্যারের (ড. নাজমুল করিম চৌধুরী) দুবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। তার দুটা রিং পরানো আছে।

    এদিকে, অধ্যাপক ড. নাজমুল করিমের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান। সেইসঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমাবেদনা জানান তিনি।

     

     

    অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘তিনি একজন খ্যাতিমান শিক্ষক ছিলেন। তার এমন মৃত্যু আমাদের সবাইকে ব্যথিত করেছে। আমি উনার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার উনার অবদান শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।’

  • ৯০ লাখ ২৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আওয়ামী লীগ : ওবায়দুল কাদের

    ৯০ লাখ ২৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আওয়ামী লীগ : ওবায়দুল কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, করোনা ভাইরাসের সময়ে এ পর্যন্ত ৯০ লাখ ২৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

    বৃহস্পতিবার সকালে তার সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে ৯০ লাখ ২৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা এবং নগদ ৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা অর্থ সহায়তা দিয়েছে।’

    দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগের ত্রাণ তৎপরতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগে ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, দলীয় সংসদ সদস্যসহ আমাদের জনপ্রতিনিধি দলের পক্ষে সারাদেশে এই ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। এখনও ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ টাকা বিতরণ সারা দেশের তৃণমূল পর্যায়ে অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া পিপিই, মাস্ক, গ্লাভস, স্যানিটাইজার, ব্লিচিং পাউডার ও স্প্রে মেশিনসহ স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    করোনা পরিস্থিতি সামনে আরও কঠিন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আক্রান্ত ২১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৭তম। সামনে আরও কঠিন সময় আসতে বলে অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। এই চ্যালেঞ্জিং সময় অতিক্রম করতে হবে আমাদের সাহসিকতার সাথে। এজন্য আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের মানসিক প্রস্তুতি রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে আছে। এই মহামারী মোকাবেলায় শেখ হাসিনা যে ধৈর্য, কর্মনিষ্ঠা, প্রজ্ঞা, সাহস ও দায়িত্বশীলতা দেখিয়েছেন তা দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হচ্ছে।

    ওয়ান ইলেভেনের সময় দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি স্মরণ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আজ ৭ মে আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন ২০০৭ সালের এই দিনে চিকিৎসা শেষে যুক্তরাষ্ট্র থেকে শত বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে দেশে ফিরে আসেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার চেয়েছিল তিনি যেন দেশে ফিরে না আসেন।

    কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা অসীম সাহসের সঙ্গে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে ফিরে আসেন দেশের মাটিতে। যাতে ফিরে না আসতে পারে সেজন্য ফিরে আসার দিনে তখনকার সরকার তখনকার সরকার তার বিরুদ্ধে মামলা করে ওয়ারেন্ট জারি করে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলোকে টিকিট না দেয়ার জন্য চাপ তৈরি করে। কিন্তু তাকে তারা বাধা দিয়ে রাখতে পারেনি। তিনি দেশে ফিরে আসেন।বাসস

  • গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আরও ১৩ জনের মৃত্যু

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আরও ১৩ জনের মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯৯ জনে। এই সময়ে দেশে আরও ৭০৬ জনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে,

     

    এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ১২ হাজার ৪২৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া এই সময়ে আক্রান্ত থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৩০ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ১৯১০ জন।

     

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

  • নগরীর ৪০টি পুজা মন্ডপে খাদ্য-সামগ্রী পৌছে দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    নগরীর ৪০টি পুজা মন্ডপে খাদ্য-সামগ্রী পৌছে দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি রোধে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ইমাম ও মুয়াজ্জিনের পর এবার ননগরীর ৪০টি পুজা মন্ডপে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর উদ্যোগে ও সরাসরি তত্বাবধানে এ খাদ্য সহায়তা বিতরন করা হয় বুধবার রাতে।  বিসিসি সূত্রে জানা গেছে, নগরীর ব্যক্তিগত ও সার্বজনীন মিলিয়ে ৩০টি ওয়ার্ডের মোট ৪০টি পুজা মন্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে এ খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়। এদিকে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার ফলে সরকারিভাবে সাধারণ ছুটি ঘোষনাসহ অনেক এলাকা লকডাউন করা হয়। এর ফলে নগরীর খেটে খাওয়া অগনিত মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে।  এসকল অসহায় মানুষের দূর্দশা লাঘবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ও মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে গত ৩০ মার্চ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরন কার্যক্রম শুরু করা হয়। তারই ধারাবাহিকতা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এপর্যন্ত নগরীর ৬০ হাজারের অধিক অসহায় পরিবারের মাঝে এসহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়। যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন অসহায় পরিবারের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে সম্ভব সবধরণের সহযোগিতার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হবে।  জনসাধারণের নিরাপদে ঘরে থাকা নিশ্চিত করতে এসব খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।  মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ খাদ্য সহায়তা প্রদান কার্যক্রম নিজে সরাসরি মনিটরিং করছেন। তার নির্দেশে বিসিসির স্টাফরা দ্বারে দ্বারে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে

  • ডিজিটালি বিচারকাজ চালাতে অধ্যাদেশ হচ্ছে

    ডিজিটালি বিচারকাজ চালাতে অধ্যাদেশ হচ্ছে

    করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে ভিডিও কনফারেন্সসহ অন্যান্য ডিজিটাল মিডিয়ার সাহায্যে বিচারকাজ সম্পন্ন করতে মন্ত্রিসভা ‘আদালত কর্তৃক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২০’ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

    বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে বিশেষ ব্যবস্থায় অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। পরে বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এব্যাপারে ব্রিফ করেন।

    এছাড়া ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) আইন, ২০২০’ এর খসড়া এবং ‘দি ইনকাম ট্যাক্স (এমেনমেন্ড) অর্ডিন্যান্স, ২০২০’ এর খসড়ারও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘প্রস্তাবিত অধ্যাদেশটি কার্যকর হলে বিদ্যমান প্রেক্ষাপটে ভিডিও কনফারেন্সসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে।’

    তিনি বলেন, ‘এই ব্যবস্থায় আসামিকে জেলখানায় রেখে, আইনজীবীকে বাসায় রেখে ও সাক্ষীকে অন্য জায়গায় রেখে ভিডিও কনফারেন্সিং ও অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতি প্রয়োগ করে বিচারকার্য করা সম্ভব হবে। এটাই হলো এই অধ্যাদেশের মূল বিষয়।’

    তিনি আরও বলেন, ‘এখন আইন মন্ত্রণালয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে অধ্যাদেশ হিসেবে জারি করবে। আর পার্লামেন্ট বসার প্রথম দিনই এটি সেখানে উপস্থাপিত হবে।’

     

    এই আইন প্রণয়নের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কোভিড-১৯ এর কারণে দীর্ঘ সময় ধরে আদালত বন্ধ থাকায় মামলা জট যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে তেমনি বিচারপ্রার্থীরা বিচার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সে অবস্থা দূর করার লক্ষ্যে এবং বিচার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য ভিডিও কনফারেন্সিংসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম করার জন্যই ‘আদালত কর্তৃক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২০’ এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, যেহেতু সংসদ চলছে না, কাজেই এটিকে পাস করা যাবে না। তাই এটিকে অধ্যাদেশ আকারে চূড়ান্ত করা হয়েছে। বাসস

  • করোনায় দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৭০৬ জন, মোট ১২ হাজার ৪২৫

    করোনায় দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৭০৬ জন, মোট ১২ হাজার ৪২৫

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭০৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১২ হাজার ৪২৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৬৩৮২ টি এবং নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৮৬৭ টি।

     

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে করোনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

     

    এর আগে বুধবার একদিনে দেশে রেকর্ড ৭৯০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয় ও ৩ জনের মৃত্যু হয়।

     

    গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়।

  • ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৭৯০ জন

    ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৭৯০ জন

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা ও মৃত্যু বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী। নতুন করে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন ৭৯০ জন। এটি ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ শনাক্ত।

     

    দেশের করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

     

     

    গতকাল মঙ্গলবার ৭৮৬ জন নতুন শনাক্তের কথা জানানো হয়েছিল। আর ১ জনের মারা যাওয়ার কথা জানানো হয়।

     

    আজকের ব্রিফিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে মোট মারা গেছেন ১৮৬ জন। মোট শনাক্তের সংখ্যা ১১ হাজার ৭১৯ জন।

     

    গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ২৪১ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়। আগের দিন ৫ হাজার ৭১১ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত পরীক্ষা করা হয়েছে ৯৯ হাজার ৫৯৩ জনের নমুনা। দেশে এখন ৩৩টি ল্যাবে করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

     

     

    গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। আর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

  • দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৭৯০ জন, করোনায় আরও ৩ মৃত্যু

    দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৭৯০ জন, করোনায় আরও ৩ মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৯০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ৬৪৬ । করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ৩ জন। এ নিয়ে দেশে মোট মারা গেছেন ১৮৬ জন।

     

    আজ বুধবার দুপুরে করোনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

     

    এর আগে মঙ্গলবার দেশে ৭৮৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয় ও ১ জনের মৃত্যু হয়।

     

    পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ৪ এপ্রিল সারাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৬১ জন। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে ৪ মে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ হাজার ১৪৩ জনে। একমাসে করোনা রোগী বেড়েছে ১০ হাজার ৭৩ জন। এছাড়া ৪ এপ্রিল দেশে শনাক্ত হয়েছিলো ৯ জন করোনা রোগী। ৪ মে শনাক্ত হয় ৬৮৮ জন।

     

    গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়।