Category: প্রচ্ছদ

  • অর্ধলক্ষাধিক পরিবারের ঘরে ত্রান সামগ্রী, দেশে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন বিসিসির

    অর্ধলক্ষাধিক পরিবারের ঘরে ত্রান সামগ্রী, দেশে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন বিসিসির

     

    করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত অর্ধ লক্ষ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া নেয়া বিভিন্ন কর্ম তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে কর্মহীন হয়ে পড়া নগরীর ৫২ হাজারেরর অধিক অসহায় মানুষকে খাদ্য সামগ্রী ঘরে গিয়ে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ডেঙ্গুর বিস্তাররোধে মশক নিধন কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে। অপরদিকে পানি সরবরাহ বিভাগে নগরজুড়ে জীবনানুনাশক স্প্রে ছিটানোর পরিধী আরো বৃদ্ধি করা হয়েছে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধে বিসিসির ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানও অব্যাহত রয়েছে। বিসিসি সূত্র জানায়, দেশব্যাপী করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর উদ্যোগে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়। শুরুতেই বিসিসির স্টাফদের সুরক্ষায় বায়োমেট্টিক হাজিরা স্থগিত, নগর ভবনসহ নগরীর ১২টি পয়েন্টে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার কার্যক্রম চালু করা হয়। এরপর মেয়রের সরাসরি তত্ত্বাবধানে গত ৩০ মার্চ থেকে অসহায় মানুষদের খাদ্য সহায়তা প্রদান কর্মসূচি শুরু হয়। এর আওতায় ২৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৫২ হাজার পরিবারকে ঘরে ঘরে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়। মেয়রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এ সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে। এদিকে বিসিসির পানি সরবরাহ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুক জানান, মেয়রের নির্দেশে গত দেড়মাস ধরে করোনা রোধে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। গড়ে বর্তমানে প্রতিদিন ৪২ হাজার লিটার জীবানুনাশক পানি স্প্রে করা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, তাদের শাখায় ৯ হাজার ধারন ক্ষমতার নতুন একটি ভাউজার যুক্ত হওয়ায় জীবনুনাশক স্প্রে ছিটানো কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। প্রতিদিন নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক, বাজার ও জনসমাগম হয় এমন এলাকায় স্প্রে ছিটানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এর মধ্যে ছোট দুটি গাড়ীর সাহায্যে নগরীর বর্ধিত এলাকায় এবং বড় গাড়ীর সাহায্যে গুরুত্বপূর্ন সড়কগুলোতে জীবানুনাশক স্প্রে ছিটানো হচ্ছে। অপরদিকে বিসিসির পরিচ্ছনতা কর্মকর্তা ডা. রবিউল ইসলাম জানান, করোনা রোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে। কয়েকশত কর্মী নগরী পরিচ্ছন্ন রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া মশক নিধন কার্যক্রমও চলছে জোরেশোরে। তিনি জানান, ডেঙ্গুর প্রকোপ রোধে মেয়রের নির্দেশে প্রতিদিন সকালে নগরীর ২ থেকে ৩টি ওয়ার্ডে ঝটিকা অভিযানের মাধ্যমে স্প্রে করা হচ্ছে। এবং বিকেলে ফগার মেশিনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ন সড়ক ও ড্রেনে স্প্রে করা হচ্ছে। বিসিসির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফয়সাল হাজবুন জানান, মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে জনগনের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধকল্পে বিসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমতিয়াজ মাহমুদ জুয়েলের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এসকল অভিযানে আভিযানিক এলাকায় উপস্থিত জনসাধারণকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা ও ব্যবসায়ীদের মূল্য বৃদ্ধি না করার জন্য আহবান করা হয়। এদিকে অসহায় মানুষদের সহায়তায় গঠন করা হয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ত্রান তহবিল। গত ৬ এপ্রিল এ তহবিল চালু করেই মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ তাঁর দায়িত্বকালিন সময়ের প্রাপ্য সম্মানির ৩৫ লাখ ৫৪ হাজার টাকা প্রদান করেন।

  • করোনায় খেটে খাওয়া মানুষের স্বস্তি, একজন তিলক্তমার সম্প্রীতির ইফতার

    করোনায় খেটে খাওয়া মানুষের স্বস্তি, একজন তিলক্তমার সম্প্রীতির ইফতার

    তানজিম হোসাইন রাকিব : যখন করোনার থাবায় সারা পৃথিবীর আকাশ কালো মেঘে অন্ধকার ঠিক তখনি একটি স্বনাতন ধর্মালম্বী মেয়ে রাস্তায় রাস্তায় ইফতার বিতরন করে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন | আজ রমজানের ৫ম দিনেও ভাসমান খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য  ইফতার নিয়ে রাস্তায় নেমেছে ছাত্রলীগ নেত্রী তিলক্তমা সিকদার |

     

    কখনো মেঘলা আকাশ কিংবা কখনো বৃষ্টি ঝড়ছে, আর এরইমধ্য দিয়ে নিজের ঘরে হাতে তৈরি করা ইফতার সামগ্রী নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ভাসমান ও খেটে-খাওয়া সাধারণ মানুষদের মাঝে বিতরণ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও ডাকসুর সদস্য তিলোত্তমা সিকদার।

     

     

     

    শনিবার প্রথম রমজান ও রোববার দ্বিতীয় রমজানে বরিশাল নগরের সদররোডসহ বিভিন্ন রাস্তায় তাকে পায়ে হেটে এসব ইফতার সামগ্রী বিতরণ করতে দেখেছেন নগরবাসী। ভিন্নতর এ কাজে এরইমধ্যে সাধারণের ভালোবাসা কুড়িয়েছেন এই ছাত্রী নেত্রী।

     

     

     

    রোববার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে বরিশাল নগরে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিলো, কিন্তু সেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে তিনি ভাসমান ও শ্রমজীবী মানুষের হাতে ইফতার সামগ্রী তুলে দেয়া অব্যাহত রাখেন। ইফতার সামগ্রী বিতরণের সেই ছবি নিজের ফেসবুকে আপলোড দিয়ে তিনি লিখেছেন, বাহিরে প্রচণ্ড বৃষ্টি থাকা সত্বেও তৈরি খাবার নষ্ট হবে পাশাপাশি ওই কর্মহীন মানুষদের কথা ভেবে রমজানের দ্বিতীয় দিনে ইফতার নিয়ে ভাসমান, খেটে খাওয়া মানুষগুলোর দ্বারে দ্বারে। যে পোষ্টের নিচে ৬ ঘন্টার মধ্যেই ২৫ হাজার লাইক ও লাভ রিয়্যাক্ট, ৫ হাজার ২ শত কমেন্ট, ১ হাজার ৭ শত শেয়ার হয়েছে।

     

    গতকালও ইফতার নিয়ে ভাসমান খেটে খাওয়া মানুষের কাছে পৌছেছে স্বনাতন ধর্মলম্বী ছাত্রলীগ নেত্রী তিলক্তমা| আজও ব্যাতিক্রম নয় | আজও ইফতার নিয়ে ছাত্রলীগ নেত্রীকে রাস্তায় নামতে দেখা গেছে|

     

     

     

    এরআগে শনিবার ইফতার বিতরণের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়ে তিনি লিখেছেন, সেদিন টিভিতে অ্যাড দেখছিলাম সবাইকে নিয়ে ভাল থাকার মাঝে রমজানের প্রকৃত মহিমা। এবারের রমজানটা সবার কাছেই অপরিচিত। যারা ঘরে বসে পরিবারের সাথে ইফতার করছে তাদের কাছে কষ্টের না হলেও ভাসমান, শ্রমজীবী শ্রেনীর কাছে এই পবিত্র রমজান ততটাই ভয়ংকর এবং অসহায়ত্বের। তাদের কথা চিন্তা করে প্রথম রমজানে ইফতার তৈরী করে নিয়ে এসেছি রমজানের আনন্দ ভাগ করতে।

     

     

     

    এ পোষ্টেই তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

     

     

     

    সনাতন ধর্মাবলম্বী একটি মেয়ের এমন মানবিক উদ্যোগ যেন সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই সাধুবাদ জানাচ্ছেন তাকে। তিলোত্তমা জানান, শনিবার থেকে রমজান শুরু হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমান একটা বছর অপেক্ষা করে রমজানের জন্য। কিন্তু করোনার মধ্যে এবারের রমজান আগের থেকে ভিন্ন। করোনার সংকটের কারণে অনেকের বাসায় ইফতারের ব্যবস্থা নেই। অনেকের ঘরে খাবার নেই। তাই প্রথম রমজান থেকে বাসায় ইফতার তৈরি করে রাস্তায় বের হয়েছি। সামাজিক দূরত্ব মেনে শতাধিক মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করেছি শনিবার।

     

     

     

    তিনি বলেন, এই ইফতার বিতরণ আমার কাছে জীবনের অন্যতম আনন্দের এক মুহূর্ত মনে হয়েছে। কারণ এসব মানুষ ইফতার পেয়ে যে খুশি হয়েছেন তা দেখে আমার মন ভরে গেছে। আমি চেষ্টা করছি, আমার আয়োজনটা আরেকটু বড় করার।

     

     

     

    এদিকে খোজ নিয়ে জানাগেছে, শুধু ইফতার বিতরণ নয়, লকডাউনের কারণে বিপদে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিলোত্তমা সিকদার। ঢাবির ছাত্রদের মধ্যে যারা লকডাউনের কারণে টিউশনি বা বিকল্প আয়ের পথ হারিয়ে বিপদে পড়েছেন তাদের নাম সংগ্রহ করে সহযোগিতা করছেন তিলোত্তমা। দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিকাশে টাকা পাঠাচ্ছেন তিনি। নিজ হল এবং আশপাশে যারা বিভিন্ন বাসায় আটকা পড়েছেন; তাদের জন্য ১০ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, দুই লিটার তেল ও আটা উপহার হিসেবে পাঠিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তিলোত্তমা সিকদার।

  • দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন ও করোনা মোকাবিলায় বিসিসির অভিযান ও সহয়তা অব্যাহত

    দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন ও করোনা মোকাবিলায় বিসিসির অভিযান ও সহয়তা অব্যাহত

    নোভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে  বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে |

     

    গতকাল বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর নির্দেশনায়,বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে রমযান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও করোনার প্রাদুর্ভাব রুখতে বাজার গুলোতে সামাজিক দূরত্ব বজায় নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

     

    আজ নগরীর কাউনিয়া বিসিক শিল্প নগরীর এলাকার ফরচুন সু হাউসে অভিযান চালানো হয়। এসময় সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখা ও সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার না হওয়ায় ওই প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

     

    গতকাল নগরীর চকবাজার ও নতুন বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

     

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর  সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় করোনা মোকাবিলার চেষ্টা করে যাচ্ছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন কর্মীরা | ইতোপূর্বে বিসিসি মেয়র সেরনিবাত সাদিক আব্দুল্লাহ প্রায় অর্ধলক্ষাধিক পরিবারের ঘরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার (ত্রান সামগ্রী) পৌছে দেন | প্রতিদিন ৪২০০০ লিটার জীবানুনাশক স্প্রে করা হয় বরিশাল নগরীর রাস্তায় | করোনা দুর্যোগের পর যেন ডেঙ্গু আক্রমন করতে না পারে তার জন্য চলছে মশা নিধন কার্যক্রম |

     

    বিসিসি মেয়র বলেন, করোনা মোকাবিলায় এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে |

  • বিসিসি’র অভিযানে ফরচুন সু হাউজকে অর্থদন্ড

    বিসিসি’র অভিযানে ফরচুন সু হাউজকে অর্থদন্ড

    বেলায়েত বাবলু :

    করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রুখতে নগরীর বাজারগুলোতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন। বুধবার নগরীর কাউনিয়া বিসিক শিল্প নগরীর এলাকার ফরচুন সু হাউসে অভিযান চালানো হয়। এসময় সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখা ও সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার না হওয়ায় ওই প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমতিয়াজ মাহামুদ জুয়েলের নেতৃত্বে অভিযানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও ব্যাপক জনসমাগম না করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানানো হয়। ফরচুন সু হাউজের পাশাপাশি কাউনিয় বাঁশের হাট পট্টি, সদর রোড, চকবাজার ও হাসপাতাল রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন বিসিসির ভ্রাম্যমান আদালত।

    অভিযানে প্রসিকিউশন অফিসার ছিলেন কর্পোরেশনের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সৈয়দ এনামুল হক। তিনি জানান অভিযানে বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সচেতনতার উপর বেশী জোর দেয়া হচ্ছে। যাতে করে করোনার এই সময়টাতে সকলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলে। এবং কেউ যাতে পন্যমূল্য বাড়াতে না পারে সেদিকেও খেয়াল রাখা হচ্ছে।

  • দেশে ২৪ ঘণ্টায় ৬৪১ করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু আরও ৮ জনের

    দেশে ২৪ ঘণ্টায় ৬৪১ করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু আরও ৮ জনের

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৪১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ৮ জন। মোট মারা গেছেন ১৬৩ জন।

     

    আজ বুধবার দুপুরে করোনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

     

    এর আগে মঙ্গলবার দেশে ৫৪৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয় ও ৩ জনের মৃত্যু হয়।

  • আজও স্বনাতন ধর্মালম্বী তিলক্তমা ইফতার নিয়ে ভাসমান মানুষের দুয়ারে উপস্থিত

    আজও স্বনাতন ধর্মালম্বী তিলক্তমা ইফতার নিয়ে ভাসমান মানুষের দুয়ারে উপস্থিত

    কখনো মেঘলা আকাশ কিংবা কখনো বৃষ্টি ঝড়ছে, আর এরইমধ্য দিয়ে নিজের ঘরে হাতে তৈরি করা ইফতার সামগ্রী নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ভাসমান ও খেটে-খাওয়া সাধারণ মানুষদের মাঝে বিতরণ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও ডাকসুর সদস্য তিলোত্তমা সিকদার।

     

    শনিবার প্রথম রমজান ও রোববার দ্বিতীয় রমজানে বরিশাল নগরের সদররোডসহ বিভিন্ন রাস্তায় তাকে পায়ে হেটে এসব ইফতার সামগ্রী বিতরণ করতে দেখেছেন নগরবাসী। ভিন্নতর এ কাজে এরইমধ্যে সাধারণের ভালোবাসা কুড়িয়েছেন এই ছাত্রী নেত্রী।

     

    রোববার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে বরিশাল নগরে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিলো, কিন্তু সেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে তিনি ভাসমান ও শ্রমজীবী মানুষের হাতে ইফতার সামগ্রী তুলে দেয়া অব্যাহত রাখেন। ইফতার সামগ্রী বিতরণের সেই ছবি নিজের ফেসবুকে আপলোড দিয়ে তিনি লিখেছেন, বাহিরে প্রচণ্ড বৃষ্টি থাকা সত্বেও তৈরি খাবার নষ্ট হবে পাশাপাশি ওই কর্মহীন মানুষদের কথা ভেবে রমজানের দ্বিতীয় দিনে ইফতার নিয়ে ভাসমান, খেটে খাওয়া মানুষগুলোর দ্বারে দ্বারে। যে পোষ্টের নিচে ৬ ঘন্টার মধ্যেই ২৫ হাজার লাইক ও লাভ রিয়্যাক্ট, ৫ হাজার ২ শত কমেন্ট, ১ হাজার ৭ শত শেয়ার হয়েছে।

    আজও ব্যাতিক্রম নয়, ইফতার নিয়ে ভাসমান খেটে খাওয়া মানুষের কাছে পৌছেছে স্বনাতন ধর্মলম্বী ছাত্রলীগ নেত্রী তিলক্তমা|

     

    এরআগে শনিবার ইফতার বিতরণের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়ে তিনি লিখেছেন, সেদিন টিভিতে অ্যাড দেখছিলাম সবাইকে নিয়ে ভাল থাকার মাঝে রমজানের প্রকৃত মহিমা। এবারের রমজানটা সবার কাছেই অপরিচিত। যারা ঘরে বসে পরিবারের সাথে ইফতার করছে তাদের কাছে কষ্টের না হলেও ভাসমান, শ্রমজীবী শ্রেনীর কাছে এই পবিত্র রমজান ততটাই ভয়ংকর এবং অসহায়ত্বের। তাদের কথা চিন্তা করে প্রথম রমজানে ইফতার তৈরী করে নিয়ে এসেছি রমজানের আনন্দ ভাগ করতে।

     

    এ পোষ্টেই তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

     

    সনাতন ধর্মাবলম্বী একটি মেয়ের এমন মানবিক উদ্যোগ যেন সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই সাধুবাদ জানাচ্ছেন তাকে। তিলোত্তমা জানান, শনিবার থেকে রমজান শুরু হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমান একটা বছর অপেক্ষা করে রমজানের জন্য। কিন্তু করোনার মধ্যে এবারের রমজান আগের থেকে ভিন্ন। করোনার সংকটের কারণে অনেকের বাসায় ইফতারের ব্যবস্থা নেই। অনেকের ঘরে খাবার নেই। তাই প্রথম রমজান থেকে বাসায় ইফতার তৈরি করে রাস্তায় বের হয়েছি। সামাজিক দূরত্ব মেনে শতাধিক মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করেছি শনিবার।

     

    তিনি বলেন, এই ইফতার বিতরণ আমার কাছে জীবনের অন্যতম আনন্দের এক মুহূর্ত মনে হয়েছে। কারণ এসব মানুষ ইফতার পেয়ে যে খুশি হয়েছেন তা দেখে আমার মন ভরে গেছে। আমি চেষ্টা করছি, আমার আয়োজনটা আরেকটু বড় করার।

     

    এদিকে খোজ নিয়ে জানাগেছে, শুধু ইফতার বিতরণ নয়, লকডাউনের কারণে বিপদে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিলোত্তমা সিকদার। ঢাবির ছাত্রদের মধ্যে যারা লকডাউনের কারণে টিউশনি বা বিকল্প আয়ের পথ হারিয়ে বিপদে পড়েছেন তাদের নাম সংগ্রহ করে সহযোগিতা করছেন তিলোত্তমা। দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিকাশে টাকা পাঠাচ্ছেন তিনি। নিজ হল এবং আশপাশে যারা বিভিন্ন বাসায় আটকা পড়েছেন; তাদের জন্য ১০ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, দুই লিটার তেল ও আটা উপহার হিসেবে পাঠিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তিলোত্তমা সিকদার।

  • আরও ৩ জন মৃত্যুর মিছিলে, নতুন শনাক্ত ৫৪৯ 

    আরও ৩ জন মৃত্যুর মিছিলে, নতুন শনাক্ত ৫৪৯ 

    প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনা মোট ১৫৫ জনের প্রাণ কেড়ে নিলো। আক্রান্ত হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৫৪৯ জন। ফলে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছয় হাজার ৪৬২।

     

    মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

     

    তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার হাজার ৩৩২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৪ হাজার ৭৩৩টি। নতুন যাদের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, তাদের মধ্যে আরও ৫৪৯ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৪৬২ জন। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও তিনজন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৫ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়ে উঠেছেন আরও আটজন। সব মিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১৩৯ জন।

     

    করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

     

    প্রায় চার মাস আগে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের প্রায় পৌনে ৩১ লাখ। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ ১১ হাজার। তবে সোয়া নয় লাখের মতো রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

     

    গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

     

    প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। যদিও এরই মধ্যে সীমিত পরিসরে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার কিছু পোশাক কারখানা সীমিত পরিসরে খুলতে শুরু করেছে। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে কি-না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • আজও বরিশালের রাস্তায় ঘুরে ঘুরে ইফতার বিতরণ করলেন ছাত্রলীগ নেত্রী তিলোত্তমা

    আজও বরিশালের রাস্তায় ঘুরে ঘুরে ইফতার বিতরণ করলেন ছাত্রলীগ নেত্রী তিলোত্তমা

    নিজস্ব প্রতিবেদক :: কখনো মেঘলা আকাশ কিংবা কখনো বৃষ্টি ঝড়ছে, আর এরইমধ্য দিয়ে নিজের ঘরে হাতে তৈরি করা ইফতার সামগ্রী নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ভাসমান ও খেটে-খাওয়া সাধারণ মানুষদের মাঝে বিতরণ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও ডাকসুর সদস্য তিলোত্তমা সিকদার।

    শনিবার প্রথম রমজান ও রোববার দ্বিতীয় রমজানে বরিশাল নগরের সদররোডসহ বিভিন্ন রাস্তায় তাকে পায়ে হেটে এসব ইফতার সামগ্রী বিতরণ করতে দেখেছেন নগরবাসী। ভিন্নতর এ কাজে এরইমধ্যে সাধারণের ভালোবাসা কুড়িয়েছেন এই ছাত্রী নেত্রী।

    রোববার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে বরিশাল নগরে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিলো, কিন্তু সেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে তিনি ভাসমান ও শ্রমজীবী মানুষের হাতে ইফতার সামগ্রী তুলে দেয়া অব্যাহত রাখেন। ইফতার সামগ্রী বিতরণের সেই ছবি নিজের ফেসবুকে আপলোড দিয়ে তিনি লিখেছেন, বাহিরে প্রচণ্ড বৃষ্টি থাকা সত্বেও তৈরি খাবার নষ্ট হবে পাশাপাশি ওই কর্মহীন মানুষদের কথা ভেবে রমজানের দ্বিতীয় দিনে ইফতার নিয়ে ভাসমান, খেটে খাওয়া মানুষগুলোর দ্বারে দ্বারে। যে পোষ্টের নিচে ৬ ঘন্টার মধ্যেই ২৫ হাজার লাইক ও লাভ রিয়্যাক্ট, ৫ হাজার ২ শত কমেন্ট, ১ হাজার ৭ শত শেয়ার হয়েছে।

    এরআগে শনিবার ইফতার বিতরণের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়ে তিনি লিখেছেন, সেদিন টিভিতে অ্যাড দেখছিলাম সবাইকে নিয়ে ভাল থাকার মাঝে রমজানের প্রকৃত মহিমা। এবারের রমজানটা সবার কাছেই অপরিচিত। যারা ঘরে বসে পরিবারের সাথে ইফতার করছে তাদের কাছে কষ্টের না হলেও ভাসমান, শ্রমজীবী শ্রেনীর কাছে এই পবিত্র রমজান ততটাই ভয়ংকর এবং অসহায়ত্বের। তাদের কথা চিন্তা করে প্রথম রমজানে ইফতার তৈরী করে নিয়ে এসেছি রমজানের আনন্দ ভাগ করতে।

    এ পোষ্টেই তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    সনাতন ধর্মাবলম্বী একটি মেয়ের এমন মানবিক উদ্যোগ যেন সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই সাধুবাদ জানাচ্ছেন তাকে। তিলোত্তমা জানান, শনিবার থেকে রমজান শুরু হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমান একটা বছর অপেক্ষা করে রমজানের জন্য। কিন্তু করোনার মধ্যে এবারের রমজান আগের থেকে ভিন্ন। করোনার সংকটের কারণে অনেকের বাসায় ইফতারের ব্যবস্থা নেই। অনেকের ঘরে খাবার নেই। তাই প্রথম রমজান থেকে বাসায় ইফতার তৈরি করে রাস্তায় বের হয়েছি। সামাজিক দূরত্ব মেনে শতাধিক মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করেছি শনিবার।

    আজও প্রচণ্ড বৃষ্টি ছিল। নিজের তৈরি খাবার নষ্ট হবে ভেবে এবং ভাসমান, গরীব-অসহায় মানুষগুলোর কথা ভেবে বৃষ্টির মধ্যেই ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছি।

    তিনি বলেন, এই ইফতার বিতরণ আমার কাছে জীবনের অন্যতম আনন্দের এক মুহূর্ত মনে হয়েছে। কারণ এসব মানুষ ইফতার পেয়ে যে খুশি হয়েছেন তা দেখে আমার মন ভরে গেছে। আমি চেষ্টা করছি, আমার আয়োজনটা আরেকটু বড় করার।

    এদিকে খোজ নিয়ে জানাগেছে, শুধু ইফতার বিতরণ নয়, লকডাউনের কারণে বিপদে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিলোত্তমা সিকদার। ঢাবির ছাত্রদের মধ্যে যারা লকডাউনের কারণে টিউশনি বা বিকল্প আয়ের পথ হারিয়ে বিপদে পড়েছেন তাদের নাম সংগ্রহ করে সহযোগিতা করছেন তিলোত্তমা। দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিকাশে টাকা পাঠাচ্ছেন তিনি। নিজ হল এবং আশপাশে যারা বিভিন্ন বাসায় আটকা পড়েছেন; তাদের জন্য ১০ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, দুই লিটার তেল ও আটা উপহার হিসেবে পাঠিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তিলোত্তমা সিকদার।

  • করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দেড়শ’ ছাড়াল, আক্রান্ত আরও ৪৯৭

    করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দেড়শ’ ছাড়াল, আক্রান্ত আরও ৪৯৭

    দেশে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে ১৫২ জনের মৃত্যু হলো। আক্রান্ত হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪৯৭ জন। ফলে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে পাঁচ হাজার ৯১৩।

    সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    বিজ্ঞাপন

    তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় চার হাজার ১৯২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে তিন হাজার ৮১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫০ হাজার ৪০১টি। নতুন যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে তার মধ্যে আরও ৪৯৭ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৯১৩ জনে। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও সাতজন, এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫২ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও নয়জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৩১ জন।

    নতুন করে যারা মারা গেছেন, তাদের ছয়জন পুরুষ ও একজন নারী। পাঁচজন রাজধানী ঢাকার, একজন সিলেট ও একজন রাজশাহীর বাসিন্দা। পাঁচজনের বয়স ৬০ বছরের বেশি। একজনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এবং ১০ বছরের নিচে একজন শিশু মৃত্যুবরণ করেছে।

    বিজ্ঞাপন

    বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে ৮৫ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন এক হাজার ২২০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ২৯ জন এবং এ পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ৭৩৮ জন।

    সারাদেশে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে নয় হাজার ৭৩৮টি। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে আছে তিন হাজার ৯৪৪টি ও ঢাকার বাইরে পাঁচ হাজার ৭৯৪টি। বর্তমানে করোনা চিকিৎসার জন্য আইসিইউ শয্যা রয়েছে ৩৪১টি এবং ডায়ালাইসিস ইউনিট আছে ১০২টি।

    বিজ্ঞাপন

    এ পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টাইন মিলিয়ে কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে এক লাখ ৭৯ হাজার ৪০১ জনকে। এদের মধ্যে ছাড় পেয়েছেন এক লাখ এক হাজার ৭২২ জন। বর্তমানে মোট কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৭৭ হাজার ৬৭৯ জন। তাদের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারন্টাইনে আছেন ছয় হাজার ৩০৭ জন এবং হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৭১ হাজার ৩৭২ জন।

    সারাদেশের ৬৪ জেলা এবং সেখানকার উপজেলায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৬০১টি প্রতিষ্ঠান। এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ৩০ হাজার ৬৩৫ জনকে কোয়ারেন্টাইন সেবা দেয়া যাবে।

    বুলেটিনের শুরুতে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে দেশের আরও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম শুরুর অগ্রগতি তুলে ধরেন ডা. নাসিমা সুলতানা।

    করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধও জানানো হয় বুলেটিনে।

    গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ সাত হাজার। তবে পৌনে নয় লাখের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

    গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

    প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। এসব পদক্ষেপের মূলে রয়েছে মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব বজায়, বিশেষত ঘরে রাখা। কিন্তু সশস্ত্র বাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশের টহল জোরদার করেও মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না বিধায় করোনাভাইরাসের বিস্তার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

  • বরিশালে অর্ধলক্ষ কর্মহীন পরিবারের ঘরে ত্রান সমগ্রী পৌছে দিলেন মেয়র সাদিক

    বরিশালে অর্ধলক্ষ কর্মহীন পরিবারের ঘরে ত্রান সমগ্রী পৌছে দিলেন মেয়র সাদিক

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    করোনা দূর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র নির্দেশে, বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি (মন্ত্রী) আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর নিবির পর্যাবেক্ষনে এবং বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় গভীর রাতে কর্মহীন দরিদ্র পরিবারের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা।

    প্রধান মন্ত্রীর শেখ হাসিনার নির্দেশে, এবং বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সার্বিক ব্যাবস্থাপনা মাফিক “নগরীর প্রতিটি হতদরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘরে ঘরে খাদ্য-সামগ্রী পৌছে দেয়া হচ্ছে |

    কর্মসূচী” গতকাল ছিলো ২৮ তম দিন | গতকাল পর্যন্ত আনুমানিক ৫০,০০০ হাজার এর অধিক পরিবারের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌছে দিয়েছেন,বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ |

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রমে ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দলমত ধর্ম নির্বিশেষে কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরন করা হয়।

    গতকাল রাত্রে নগরীর ১১ নং ও ১৮ নং ওয়ার্ড এর জনগনের মাঝে আনুমানিক ৩ হাজার পরিবারের মাঝে এই খাদ্যসামগ্রী পৌছে দেয়া হয় |

    সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ প্রথমে, বলেছিলেন ৪০ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিবেন,কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এ পর্যন্ত অর্ধ লক্ষাধিক পরিবার এর মাঝে এই খাদ্যসামগ্রী পৌছে দিয়েছেন,, এবং এক বার্তায় সিটি মেয়র জানিয়েছেন এই নগরীর প্রতিটি ঘরে ঘরে খাদ্যসামগ্রী পৌছে দেওয়া কর্মসূচী কার্যক্রম চলমান থাকবে, এবং নগরীর একটি অসহায় পরিবার ও এই খাদ্যসামগ্রী পৌছে দেয়া কর্মসূচী র বাইরে থাকবেনা।