Category: প্রচ্ছদ

  • বরিশালে ৩০ হাজার লিটার থেকে বৃদ্ধি করে ৪২ হাজার লিটার জীবাণুনাশক স্প্রে করছে বিসিসি

    বরিশালে ৩০ হাজার লিটার থেকে বৃদ্ধি করে ৪২ হাজার লিটার জীবাণুনাশক স্প্রে করছে বিসিসি

     

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে বরিশাল নগরীতে প্রতিদিন ৩০ হাজার লিটার থেকে বৃদ্ধি করে বর্তমানে ৪২ হাজার লিটার জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সহ বর্ধিত এলাকাগুলোতেও এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

     

    “করোনা প্রতিরোধে সচেতন হোন। আপনার সুস্থতার জন্যই কাজ করে যাচ্ছি আমরা। ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন। পরিবারের সবার সুস্থতা নিশ্চিত করুন।

  • বরিশালে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ কার্যক্রম বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    বরিশালে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ কার্যক্রম বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    সহকারী বার্তা সম্পাদক //তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    বরিশালে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ কার্যক্রম বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল হালিম। সভায় ত্রাণ বিতরণ যেন সমন্বিতভাবে করা হয় সে বিষয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এছাড়াও বক্তারা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন- বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ ফারুক শামীম, সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথ, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মইদুল ইসলাম, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান, বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেনসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • দৈনিক ৩০ হাজার লিটার জীবাণুনাশক স্প্রে করছে বিসিসি

    দৈনিক ৩০ হাজার লিটার জীবাণুনাশক স্প্রে করছে বিসিসি

    করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে নগরীতে প্রতিদিন চলছে জীবাণুনাশক স্প্রেকরণ কার্য্রক্রম। গতকাল পর্যন্ত দৈনিক ৩০ হাজার লিটার জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়েছিল। যা আজ থেকে বৃদ্ধি হয়ে ৪২ হাজার লিটার করা হয়েছে। এখন থেকে প্রতিদিন ৪২ হাজার লিটার করে প্রতিদিন নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক ও সকল ওয়ার্ডের ছোট রাস্তায় স্প্রে করা হবে।
    পাশাপাশি অব্যাহত আছে দৈনিক মশক নিধন কার্যক্রম।

    “করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ঘরে অবস্থান করুন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। মাহে রমযানের পবিত্রতা রক্ষা করুন। নিজে সুস্থ থাকুন, পরিবারের সকলের সুস্থতা নিশ্চিত করুন”

  • দুর্যোগের সময় কেউ কারও পেছনে লেগে থাকা ঠিক না : প্রধানমন্ত্রী

    দুর্যোগের সময় কেউ কারও পেছনে লেগে থাকা ঠিক না : প্রধানমন্ত্রী

    সরকারের দেয়া সাহায্যের ক্ষেত্রে অনিয়ম করায় ১১টি ডিলারশিপ বাজেয়াপ্ত ও ৪০ ডিলারশিপধারীকে সাজা দেয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ব্যবস্থা নিতে গিয়ে আমরা দেখেছি, কিছু কিছু জায়গায় দেখা যায় আশপাশের লোক ষড়যন্ত্র করেই একজন আরেকজনকে ফাঁসিয়ে দেয়। তদন্ত করতে গেলে দেখা যায়, সেখানে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। সেরকম অবস্থাও আছে। এই দুর্যোগের সময় কেউ কারও পেছনে লেগে থাকবে, এটা কিন্তু ঠিক না। বরং সবাইকে সাহায্য করতে হবে।

     

    বৃহস্প‌তিবার ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলার সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

     

    শেখ হাসিনা বলেন, ৩৫০ জন সংসদ সদস্যসহ চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর মিলিয়ে প্রায় ৬১ হাজার ৫৭৯ জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে সাহায্য বিতরণ হচ্ছে। মাঝে মাঝে কিছু খবর আসে, যা সত্যিই আমাদের দুঃখ দেয়। দুর্যোগের সময় মানুষ ঘরে বসে আছে। কাজ করতে পারছে না। তাদের আমরা খাদ্য সহযোগিতা দিচ্ছি। এই সাহায্যের মধ্যে কেউ থাবা দিক, আমরা চাই না। এরকম যদি কোনো ঘটনা ঘটে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।

     

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিত্তবানদের আমরা আহ্বান করেছি, তারা এগিয়ে আসছেন। আমাদের সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, এমনকি শিক্ষকরাও এগিয়ে আসছেন। অনেকে নিজের উদ্যোগে খাদ্য সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। তারপর আমি বলব, কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়ম হলে আমরা বরদাস্ত করব না।

     

    তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে আমরা দেখেছি বেশ কিছু মামলা হয়েছে। এ ধরনের মামলা ঘটনা যেন আর না হয়। ১১টি ডিলারশিপ বাজেয়াপ্ত হয়েছে, ৪০টির মতো সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে। এসব ঘটনা ঘটার পর আমরা তদন্ত করতে গিয়ে দেখেছি, খুব বেশি অনিয়ম না। যেটুকু দেখা গেছে, সেটুকু দেখা যাক আমরা চাই না।’

  • করোনাভাইরাসে আরও ৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৪১৮

    করোনাভাইরাসে আরও ৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৪১৮

    করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৪৫ জনে। আক্রান্ত হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪১৮ জন। এতে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে পাঁচ হাজার ৪১৬। এছাড়া নতুন করে সুস্থ হয়েছেন আরও নয়জন। ফলে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১২২ জনে।

     

    শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

     

    তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় তিন হাজার ৬৮০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে তিন হাজার ৪৭৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৬ হাজার ৫৮৯টি। নতুন যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে তার মধ্যে আরও ৪১৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৪১৬ জনে। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও পাঁচজন, এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৪৫ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও নয়জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১২২ জন।

     

    নতুন করে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী। চারজন রাজধানীর এবং একজন ঢাকার দোহারের বাসিন্দা। এদের মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সী এক শিশুও রয়েছে। এ শিশুটি কিডনিজনিত সমস্যায় (নেফ্রোটিক সিনড্রোম) ভুগছিল। এরই মধ্যে তার করোনা পজিটিভ আসে। বাকিদের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব একজন এবং পঞ্চাশোর্ধ্ব তিনজন।

     

    করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

     

    চীনের উহান থেকে গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সোয়া ২৯ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ। তবে সোয়া আট লাখের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

     

    গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

     

    প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। এসব পদক্ষেপের মূলে রয়েছে মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব বজায়, বিশেষত ঘরে রাখা। কিন্তু সশস্ত্র বাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশের টহল জোরদার করেও মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না বিধায় করোনাভাইরাসের বিস্তার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

  • করোনায় আরও ৯ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩০৯

    করোনায় আরও ৯ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩০৯

    মহামারি করোনাভাইরাস দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও নয় জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে ১৪০ জনের মৃত্যু হলো। আক্রান্ত হিসেবে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৩০৯ জন। এতে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে চার হাজার ৯৯৮।

     

    শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

     

    করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

     

    মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে বই পড়া, বাগান করা এবং শারীরিক ব্যায়াম করার পরামর্শ দেয়া হয় বুলেটিনে। রোজার ইফতারে পানিসহ তরল খাবার বেশি করে গ্রহণেরও পরামর্শ দেয়া হয় এসময়।

     

    গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সোয়া ২৮ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃতের সংখ্যা প্রায় দুই লাখ ছুঁই ছুঁই। তবে আট লাখ রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

     

    গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

     

    প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। এসব পদক্ষেপের মূলে রয়েছে মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব বজায়, বিশেষত ঘরে রাখা। কিন্তু সশস্ত্র বাহিনী, র্যাব ও পুলিশের টহল জোরদার করেও মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না বিধায় করোনাভাইরাসের বিস্তার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

  • মহিলা বিজ্ঞানীর শরীরেই প্রথম শুরু হল করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষা,গোটা বিশ্ব তাকিয়ে অক্সফোর্ডের দিকে

    মহিলা বিজ্ঞানীর শরীরেই প্রথম শুরু হল করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষা,গোটা বিশ্ব তাকিয়ে অক্সফোর্ডের দিকে

    রেজুয়ানুর রহমান সফেন:

    আপাতত আশা দেখাচ্ছে লন্ডনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়৷ কারণ সেখানে শুরু হল মানবদেহে পরীক্ষা-নিরীক্ষা৷ বিজ্ঞানীদের আশা সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফল মিলবে৷

     

    মহিলা বিজ্ঞানীর শরীরেই প্রথম শুরু হল করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষা,গোটা বিশ্ব তাকিয়ে অক্সফোর্ডের দিকে

     

    করনোর ভ্যাকসিন কবে আসবে? ভ্যাকসিনেই একমাত্র মুক্তি এই মারণ রোগ থেকে৷ এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে৷ কিন্তু বিজ্ঞানীরা কবে সেই লড়াইয়ের সরঞ্জাম তৈরি করতে পারবে, সেটাই এই লাখ টাকার প্রশ্ন৷ আপাতত আশা দেখাচ্ছে লন্ডনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়৷ কারণ সেখানে শুরু হল মানবদেহে পরীক্ষা-নিরীক্ষা৷ বিজ্ঞানীদের আশা সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফল মিলবে৷

     

    আপাতত দু’জনের শরীরে শুরু হয়েছে পরীক্ষা৷ ৮০০ জন স্বেচ্ছাসেবকের মধ্যে বেছে নেওয়া হয়েছিল দু’জনকে৷ তবে প্রথম যার শরীরে ইঞ্জেকশন পুশ করা হয়েছে তিনি একজন মহিলা৷ নাম এলিসা গ্র্যানাতো৷ তিনি নিজেও একজন বিজ্ঞানী৷ নিজের ইচ্ছাতেই তিনি এগিয়ে এসেছে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে৷ এলিসা জানিয়েছেন যে তিনি আশাবাদী এই ভ্যাকসিন খুব শীঘ্রই তৈরি করা হবে৷

     

    দু’রকম ভাবে চলবে পরীক্ষা৷ ভ্যাকসিন পরীক্ষার অংশগ্রহণকারীদের দুটি দলে ভাগ করা হয়েছে৷ একদলের ওপর চলবে করোনার পরীক্ষা, অন্য দলটি বেছে নেওয়া হয়েছে ম্যানিনজাইটিস ভ্যাকসিনের জন্য৷ যাদের শরীরের ওপর গবেষণা চালানো হবে, তাদের রাখা হয়েছে পর্যবেক্ষণে৷

  • করোনায় আরও ৪ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৫০৩

    করোনায় আরও ৪ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৫০৩

    মহামারি আকার ধারণ করা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বাংলাদেশে এই বৈশ্বিক মহামারীতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩১ জনে।

    এছাড়া একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫০৩ জন। এ নিয়ে সর্বমোট আক্রান্ত চার হাজার ৬৮৯ জন।

    শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    এছাড়া নিজের বাসা থেকে এতে সংযুক্ত হন রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

    বুলেটিনে বলা হয়, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আইইডিসিআরসহ ২১টি প্রতিষ্ঠানে তিন হাজার ৬৮৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৯ হাজার ৭৭৬টি। নতুন যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে তার মধ্যে আরও ৫০৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

    ফলে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার হাজার ৬৮৯ জনে। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও চারজন। এদের মধ্যে চারজনই পুরুষ, এবং সবাই ঢাকার বাসিন্দা। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৩১ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়ে উঠেছেন আরও চারজন। ফলে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা ১১২।

    বুলেটিন উপস্থাপনকালে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে বাড়িতে থাকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

  • গরীব বান্ধব মেয়র সাদিক, ঘরে বসে খাবার পেল ৪২ হাজার পরিবার

    গরীব বান্ধব মেয়র সাদিক, ঘরে বসে খাবার পেল ৪২ হাজার পরিবার

    আসাদুজ্জামান ॥ মহামারী করোনা ভাইরাসের দুর্যোগ মোকাবেলায় বরিশাল নগরীর প্রায় ৪২ হাজার কর্মহীন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের বাসায় খাবার পৌছে দিয়ে বিশাল জনগোষ্ঠির সেবক হিসেবে কাজ করে গরীবের মেয়র হিসেবে চিহিৃত হয়েছেন বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। যতদিন করোনা ভাইরাসের তান্ডব থাকবে ততদিন কর্মহীন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের বাসায় খাবার পৌছে দেয়া অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে। তারুন্যের অহংকার যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এই মহামারিতে জনগনের সেবা করে গরীবের মেয়র হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন নগরীর সিংহভাগ খেটে খাওয়া মানুষ। কেবল খাদ্য সহায়তাই নয়, মেয়র তার নিজের বিসিসির সম্মানির প্রায় সাড়ে ৩৫ লাখ টাকা নগরবাসীর জন্য গঠিত ত্রান তহবিলে জমা দিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে আস্থার স্থলে পরিনত হয়েছেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    জানা গেছে, করোনা মহামারী ভাইরাস আক্রমনের পরে নগরবাসীর জন্য সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়। কালীবাড়ী রোডের মেয়রের বাস ভবনকে খাদ্য সহায়তা কেন্দ্র হিসেবে ঘোষনা করা হয়। সেখান থেকে নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে হাজার হাজার কর্মহীণ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেয়া শুরু হয়। গতকাল ২৬তম দিন হিসেবে প্রায় ৪২ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    এছাড়াও প্রতিদিনি জীবাণুনাশক পানি প্রায় ৩০ হাজার লিটারের বেশি নগরীতে দেয়া হচ্ছে। মশক নিধন স্প্রে প্রতিটা ওয়ার্ডে দিচ্ছে সিটি কর্পোরেশন। নগরীর জনবহুল এলাকাগুলোতে মোড়ে মোড়ে সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে নগরীতে মাইকিংসহ উল্লেখযোগ্য জনবহুল এলাকাগুলোতে ২৪ ঘন্টা মাইকিং হচ্ছে। সিটি কর্পোশেনের কর্মকর্তা কর্মচারী, ওয়ার্ড কাউন্সিলর, আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের প্রায় ১৫শত লোক খাদ্য সহায়তা দিতে মেয়রের নির্দেশে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন। নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ও সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের সাথে প্রতিদিন ভিডিও কণফারেন্স’র মাধ্যমে সার্বক্ষনিক মনিটরিং করে নগরবাসীর সেবা নিশ্চিত করছেন সিটি মেয়র। নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে বিসিসির পরিচ্ছন্ন কর্মীরা আগের চেয়ে বেশি উদ্যোমে কাজ করছেন।

    বরিশালের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কণফারেন্সসহ বরিশালে জেলা প্রশাসন ও আইন শৃংখলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগসহ নগরবাসীকে ঘরে থাকার আহবান জানিয়ে প্রচারনা চালিয়ে করোনা মোকাবেলায় কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। বৃহত্তর বরিশালের সেবাকেন্দ্র শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর স্বজনদের ৩ বেলা খাবারের ব্যবস্থা করে গোটা দক্ষিনবঙ্গে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন মেয়র।

    মেয়র নির্বাচিত হয়ে নগরবাসীর উদ্দেশ্য সিটি মেয়র বলেছিলেন, তিনি মেয়র হিসেবে নয় সেবক হিসেবে কাজ করবেন। তার এই বক্তব্য ’র সঠিকতা বাস্তবে রূপায়িত হয়েছে। বিসিসির দুর্নীতি রোধে পদক্ষেপ নিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত হওয়ার পরে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় কর্মহীনদের ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়ে সব শ্রেণী পেশাসহ তৃণমূল গরীবদের নিকট এবার গরীবের মেয়র হিসেবে প্রশংসিত হয়েছেন। করোনা ভাইরাস মহামারী শুরু হলে কয়েকজনে ত্রাণ দেয়ার নামে ফটোসেশন নিয়ে ব্যাপক আলোচিত হলেও তাদেরকে এখন কর্মহীনদের পাশে দেখা যাচ্ছেনা।

    কেবল তারাই নয়, বৃহৎ রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃবৃন্দ ও বিত্তবানদের খাদ্য সহায়তায় এগিয়ে আসার খবর পাওয়া যায়নি। সিটি কর্পোরেশনের ত্রান তহবিল গঠন করার পরে সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ নগরীর বিত্তবানদেরকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছিলেন। বরিশাল নগরীতে খান সন্স কোম্পানী, এম ই পি কোম্পানী, অমৃত লাল দে কোম্পানী,সহ প্রায় ১০টির বেশি কোম্পানী রয়েছে।

    এছাড়াও নগরীতে শত শত কোটি টাকার মালিক বিত্তবানদের সংখ্যাও প্রায় সহ¯্রাধিক রয়েছে। কর্মহীন পরিবার কে সহায়তা দিতে এ পর্যন্ত এই সকল বিত্তবানদের কে এগিয়ে আসার খবর মেলেনি। এই মহা দুর্যোগে নগরবাসীর ক্লান্তিলগ্নে প্রায় অর্ধ লক্ষ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়ে খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে দৃষ্টান্ত স্থাপনের বিষয়ে বিশিষ্টজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শহীদ আবদুর রব বরিশাল প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সর্বজন শ্রদ্ধেয় এ্যাড. এস এম ইকবাল বলেন, মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ একজন সৎ ব্যক্তি, এই দুর্যোগে গরীবদের ভরসা মেয়র সাদিক। কর্মহীনদের ঘরে ঘরে খাবার পৌছে দিয়ে গরীবের ভালোবাসায় শিক্ত হয়েছেন। সুষম বন্টনের মধ্যে দিয়ে নিরলস জনগনের সেবক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

    বরিশালের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিকজন শব্দাবলী গ্রুপ থিয়েটারের সভাপতি নাট্যজন সৈয়দ দুলাল বলেন, মহামারী করোনা শুরু হলে প্রথমে খুচরা কয়েকজনে ত্রাণ সহায়তার নামে ফটোসেশন দিয়ে ঘরে উঠেছেন। কিন্তু সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ কর্মহীন ও অসহায় প্রতিটি মানুষের ঘরে খাবার পৌছে দিয়ে গরীবের অন্তর জয় করেছেন। অনেকেই সাদিক আবদুল্লাহকে গরীবের মেয়র হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক কাজল ঘোষও একই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সাদিক আবদুল্লাহ নগরবাসী ও গরীবের সেবক তা প্রমান করেছেন।

    বরিশালের বিশিষ্ট সাংবাদিক মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের বরিশাল জেলা সভাপতি শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের বার বার নির্বাচিত সাংবাদিক নেতা দৈনিক আজকের পরিবর্তন পত্রিকার সম্পাদক কাজী মিরাজ মাহমুদ বলেন, এতো কম সময়ে ৪২ হাজার কর্মহীন পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরন শুধু মাত্র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষেই সম্ভব, এটি একটি বড় মনের পরিচয়, বিশেষ করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে তেমন কোনো অনুদান না পৌছলেও তার এই সাহসী পদক্ষেপ নগরবাসীর মনে অনেকটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।

    বরিশাল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাউথ এ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্স প্রাইভেট লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হালিম রেজা মোফাজ্জেল বলেন, প্রায় অর্ধলক্ষ কর্মহীন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘরে খাবার পৌছে দিয়ে গরীব বান্ধব মেয়র হিসাবে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন, সিটি মেয়র সাদিক আবদু

  • বিশ্ব ধরিত্রী দিবসে ঢাকার চিঠি

    বিশ্ব ধরিত্রী দিবসে ঢাকার চিঠি

    হ্যালো ঢাকার মানুষজন,

     

    কেমন আছো তোমরা? জানো একটা স্বপ্ন দেখেছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ছায়া সুনিবিড়-শান্তির নীড় গাছের সারিগুলো শাহবাগ-বাংলামোটর ছাড়িয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত পৌঁছেছে। আবার দোয়েলে চত্বর থকে মতিঝিল শাপলা চত্বর পর্যন্ত ঢেক গেছে সবুজের মায়ায়, সচিবালয়ের বেরসিক দেয়ালে রীতিমত প্রজাপতির উল্লাস উচ্ছ্বাস। ওদিকে চন্দ্রিমার বৃক্ষ ছায়া, বিজয় স্মরণি পেরিয়ে মহাখালীর কাছাকাছি এসে ঠেকেছে।

     

    বাড়ি গুলোর বারান্দায় চড়ুইয়ের সাথে আরও কত রকম পাখির মিতালি, আর তা দেখে শিশুদের আনন্দ, আকাশ ছোঁয়া যেন। ঘুমটা যখন ভাঙলো ঠিক করলাম তোমাদের লিখবো।

     

    বুকভরা অভিমান নিয়ে আজ লিখছি। জানি ভালো নেই তোমরাও। আচ্ছা, ঘরবন্দী এই সময়ে মনে পরে, রাস্তায় হর্নের বিকট শব্দ, আগে যাওয়ার ভয়াবহ আর অসুস্থ প্রতিযোগিতা, ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট, কেবলই আমি আমি করে এত অস্থির ছিলে তোমরা যে মৃত্যুপথ যাত্রীর অ্যাম্বুলেন্সের আর্তনাদও নাড়া দিতো না তোমাদের।

     

    সভা-সেমিনার-টকশোতে পরিবেশ দূষণ নিয়ে ঝড়তোলা তোমরাই দেদারসে কালো ধোঁয়া আর ক্যামিকেলে গলা টিপে হত্যা করেছো শহরের নদী-বিল-খাল। আর তোমাদের পরিবেশ মন্ত্রণালয় পর্যন্ত বৈধতা দিয়েছে গাছ কাটাকে কখনো কখনো। অনেক সময় নির্লজ্জের মত যেখানে সেখানে কফ থুথু ফেলে, ফেইসবুকে ঝড় তুলেছে, ” ঢাকা বসবাসের অযোগ্য “।

     

    তোমাদের এই বন্দীদশার কাব্যে স্রষ্টা জুড়ে দিয়েছেন কিছু শুভ পৃষ্ঠা। নাকি দামি রেস্তোঁরায় চেক ইন-পার্টি সেলিব্রেশনের আফসোস আর ইন্টারনেটে ভয়াবহ ব্যস্ততায় সেগুলো খুঁজে পাওনি তোমরা? কখনো ভেবেছ, তোমার এক বেলার খাবার বিলের টাকা এই বিপদেও খেটে খাওয়া মানুষটার পুরো ২ সপ্তাহের ..পুরো পরিবারের খরচ।

     

    আচ্ছা, তুমি নিশ্চয়ই তোমার মায়ের সেই গন্ধটা টের পাচ্ছ? আচ্ছা, স্মৃতি হাতড়িয়ে বাবার সাথের দূরত্বটা কমছে ইদানীং? তোমার প্রিয় মানুষটির কষ্ট আর জীবনভর ত্যাগের গল্পটা এখন বুঝতে পারছ নিশ্চয়? সন্তানরা শেষ কবে একটানা এতদিন কাছে পেয়েছিলো তোমাকে? এভাবে কখনও ভেবেছ, অপার্থিব এসব সুযোগ যারা লুফে নিতে পারছো না, তাদের চেয়ে দুর্ভাগা আর কে আছে?

     

    তোমরা প্রার্থনা করো, শুভবুদ্ধির তরে, এরপর তোমরা ফিরবে, আর একটু সংযত হয়ে, ছুটবে একসাথে ভালবেসে….তোমরা আমাকে ভালবাসবে হিসেব নিকেশ আর চাওয়া পাওয়ার সমীকরণ না মিলিয়েই। তোমাদের অবিরত আড্ডায় আবারো মুখরিত হবে টিএসসি, ডানা মেলবে হাজারো স্বপ্ন। এইসব অপেক্ষার ইতি ঘটবে আমার বিশ্রাম শেষে, শুধু অনুরোধ একটাই, ভুলে যেও না এই কঠিন সময়টাকে।

     

    ইতি…

    তোমাদের তিলোত্তমা ঢাকা।