Category: প্রচ্ছদ

  • একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ২২, সর্বোচ্চ আক্রান্ত ১৭৭৩

    একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ২২, সর্বোচ্চ আক্রান্ত ১৭৭৩

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরো ১ হাজার ৭৭৩ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৮ হাজার ৫১১। এ সময়ের মধ্যে মারা গেছেন আরো ২২ জন। সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ৪০৮। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ হাজার ২৬২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
    এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৩৯৫ জন সুস্থ হয়েছেন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৫ হাজার ৬০২ জন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি বলেন, যারা দেশবাসীর পাশে বিভিন্ন দাঁড়িয়েছেন তাদের সবার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।

    বুলেটিনে করোনার বিস্তাররোধে সবাইকে বাড়িতে থাকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

    প্রসঙ্গত, বিগত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে বৈশ্বিক মহামারিতে পরিণত করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২৫ লাখ ছুঁইছুঁই। মারা গেছেন এক লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষ। তবে ৬ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি রোগী ইতিমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

    বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এপ্রিলের শুরু থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা।

    প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি নানা পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে; যার মূলে রয়েছে মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। মানুষকে ঘরে রাখতে রাজপথের পাশাপাশি পাড়া-মহল্লায় টহল দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশ।

  • দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত ১৬১৭, মৃত্যু ১৬

    দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত ১৬১৭, মৃত্যু ১৬

    দেশে চব্বিশ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে নতুন করে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৩৮৬ জনের। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১.৪৪ শতাংশ।
    একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৬১৭ জন। এ পর্যন্ত দেশে কভিড-১৯ মোট আক্রান্ত দাঁড়াল ২৬ হাজার ৭৩৮ জন। চব্বিশ ঘণ্টায় ২১৪ জন নিয়ে মোট আরোগ্যের সংখ্যা ৫ হাজার ২০৭ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ১৯.৪৭ শতাংশ।
    বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নতুন করে মৃত্যু হওয়া ১৬ জনের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ। ৩ জন নারী। ঢাকা বিভাগের সাতজন, চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচজন, সিলেট বিভাগের একজন, রংপুর বিভাগের তিনজন। হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের, বাসায় চারজনের।

    তিনি আরও বলেন, বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে ০-১০ বছরের মধ্যে একজন, ২১-৩০ বছরের মধ্যে একজন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে একজন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে একজন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ৬১-৭০ বছরের মধ্যে চারজন, ৭১-৮০ বছরের মধ্যে দুজন এবং ৮১-৯০ বছরের মধ্যে একজন।
    তিনি জানান, চব্বিশ ঘণ্টায় দেশের ৪৩টি ল্যাব থেকে নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১১ হাজার ১৩৮টি, এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে ১০ হাজার ২০৭টি নমুনা। তাতে সর্বোচ্চ রেকর্ড ১ হাজার ৬১৭ শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া গেছে।
    এসময় করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানান তিনি।
    দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

  • গভীর রাতে অপ্রত্যাশিত দৃশ্যের খোজে মেয়র সাদিক

    গভীর রাতে অপ্রত্যাশিত দৃশ্যের খোজে মেয়র সাদিক

    যার যতো সুনাম তার ততো বদনাম, এ যেনো এদেশীয় সমাজব্যাবস্থার একটি ব্যাধি অথবা ধারায় রূপ নিয়েছে। তদ্রুপ দায়িত্বশীলদের নিয়ে সমালোচনাও থাকে বেশী। এই গন্ডি থেকেও বেরুতে পারেননি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহ। বরিশাল মহানগর আ.লীগের সাধারন সম্পাদক এই নেতার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের স্বপ্ন দেখায় সিটি কর্পোরেশনকে করেছেন দূর্নীতিমুক্ত। করোনা দূর্যোগে ত্রাণ দিয়ে নিজেকে নিয়ে গেছেন আলোচনার শীর্ষে। তার চেয়েও বেশী প্রশংসিত হচ্ছেন তার ত্রাণ বিতরন কার্যক্রমের ব্যতিক্রমতায়। এতসব ব্যাস্তততার মাঝে বিশেষ করে সিটি কর্পোরেশনের অনিয়ম ধরতে অথবা স্বচক্ষে দেখতে এই নেতা গভীর রাতে এই শহরে ঘোরেন, কখনও একা বা কিছু সঙ্গীসমেত।

    তার ঘনিষ্ঠজনদের অভিমত, করোনা দূর্যোগে এই নেতা প্রকাশ্যে না থেকে অনেকটা অন্তরালে থাকায় কিছুটা বিতর্ক হয়েছিলো। স্থানীয় রাজনীতিতে বিষয়টি ইস্যু হিসেবে নিয়ে বেশ কিছুদিন আলোচনায় মাঠ গরম করে তোলে। কিন্তু সেই সমালোচনা যখন ধোপে টেকেনি, তখন রেশন কার্ড বিতরণ নিয়ে দলীয়করনের অভিযোগ তুলে ফাঁপরে ফেলতে চেয়েছিলো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। কিন্তু যখন প্রায় ৯০হাজার মানুষের মাঝে ত্রাণ দিয়ে নিজেকে ভাগ্যবিধাতার দূত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে আভির্ভূত হয়েছেন, তখন নিন্দুকরাও চুপসে গেলেন।

    বিশেষ করে তার অদৃশ্যে থাকা নিয়ে চরম আলোচনায় রহস্য সৃষ্টি হলেও আসলে তিনি অন্তরালে নয়, প্রকাশ্যেই আছেন। দিনে নয়, গভীর রাতে এই নেতাকে প্রায় নগরীতে ঘুরতে দেখা গেছে। মিডিয়া কর্মীরা তার এই অবস্থানগত রহস্য ভেদ করতে না পারলেও এখন নিশ্চিত হয়েছেন এই নেতা প্রকাশ্যেই আছেন, রাতে ঘুরেফিরে স্বচোখে দেখছেন কোথায় নিহিত রয়েছে নগরীর ত্রুটি-বিচ্যুতি।

    সূত্র জানায়, প্রতিদিনই তার উদ্যোগে চলছে ত্রাণ তৎপরতা। রাতের গভীরতা বৃদ্ধির সাথে সিটি কর্পোরেশনের ট্রাকভর্তি ত্রাণ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তালিকা ধরে বিভিন্ন ওয়ার্ডে। এই ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে যেনো কোনো বিশৃঙ্খলতা না ঘটে তা নিশ্চিত করতে মেয়র সাদিক নিজেই মাঠে নামেন ভিন্ন এক অববয়ে। তার উপস্থিতিতে ত্রাণের চালভর্তি ট্রাক কীভাবে যায় এবং সঠিক তালিকা অনুযায়ী তা বিতরন করা হচ্ছে কিনা তা তদারকি করতেই বর্তমানে মেয়র সাদিককে রাতে নগরীতে দেখা যায়। কিন্তু তার বেশভূশ দেখে অনুমান করা সহজতর হয়না, এই সেই যুববয়সী মেয়র।
    অপর একটি সূত্র বলছে, শুধু ত্রাণ বিষয়ক নয়, নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও নিজ চোখে পরখ করতে সড়কের এককোণে নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে প্রত্যক্ষ করেন সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বশীলতা আর পরিচ্ছন্ন কর্মীদের কাজের গতি। অনিয়ম দেখলেই তিনি তাৎক্ষণিক কোনো ভ’মিকায় না গিয়ে পরদিন শুরু করেন একশ্যান, যা ড্রামা অর্থাৎ নাটকীয়তায় পরিণত হয় হঠাৎ অবহেলায় অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহনে। মেয়রের এই পদক্ষেপে তার অনুসারীরা ভারতীয় একটি চলচিত্রের ফাটাকেস্ট’র সাথে তুলনা করেন।

    এর যুতসই কারনও রয়েছে। দুর্নীতিতে অক্টোপাসের ন্যায় আঁকড়ে ধরে রাখা সিটি কর্পোরেশনকে দুর্নীতিমুক্ত করতে বাঘা বাঘা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যাবস্থা নিয়ে কাউকে করেছেন ওএসডি আবার কেউ হয়েছেন দপ্তর অদল-বদল। নিশ্চিত হওয়া গেছে, এক্ষেত্রে কোনো সুপরিশ আমলে নেয়নি। দলের মধ্যে কথা চালু রয়েছে যে, নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে এই নগরের মেয়র তারই দলীয় নেতা সম্পর্কে পিতা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকেও ছাড় দেন না, রাখেন না কোনো সুপারিশ। ফলস্রুতিতে অন্তত সিটি কর্পোরেশনে মেয়র সাদিক নামটি এখন মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হয়েছে, কখন কার চেয়ার কেড়ে নেন ব্যার্থতায়।

    পাশাপশি সাংগঠনিক বিষয়েও তিনি বেশ কঠোর রয়েছেন। তার অনুসারীদের মন্তব্য, এই নেতাকে এমনটি আগে দেখা যায়নি। মেয়র হিসেবে নগর ভবনের ক্ষমতা নেওয়া ও নগর আ.রীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর সেই সাদিক আব্দুল্লাহ আর এই সাদিক আব্দুল্লাহ এক নয়। উদাহরন হিসেবে বলা যেতে পারে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সুজনকে বহিস্কারে তার কঠোর মনোভাবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়। শুধু সুজন নয় , এমন অনেক নেতাকর্মী রয়েছেন, যাদের অনিয়মের অভিযোগ সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় তাদের ভাগ্যের সিঁকে ছিড়ে কালীবাড়ি সড়কের তার বাসভবনে দরজায় অঘোষিত সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে আসা যাওয়ায় নিষেধাঞ্জা জারি করা হয়। যেকারনে সাদিক আব্দুল্লাহর চারপাশে থাকা অনেক অনুগত্য রাজনৈতিক সহোচরদের এখন আর দেখা যায়না।

    নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রের দেয়া তথ্য সমর্থনযোগ্য এমন একটি সিদ্ধান্তের কথা জানা গেছে। মেয়র সাদিক তার অনুসারী এমনকি নগর আ.লীগ নেতাদের সতর্কবার্তা দিয়েছেন অনিয়ম ও সাংগঠনিক দায়িত্ব অবহেলা বরদাস্ত করা হবেনা। ছাত্রলীগ নেতা সুজনের রাজনৈতিক ছন্দপতনের উদাহরন দেখে নেতারা এখন এতটাই সতর্ক তাদের নেতা মেয়র সাদিকের গতিবিধি নজর রাখতে নিজেদের ভ’ত-ভবিষ্যতের ভাবনায়। ঐ সূত্রটি বলছে এই নেতা যাকে, যেভাবে, যেখানে দায়িত্ব দিয়েছেন তা যথার্থভাবে পালন হচ্ছে কিনা তা তদারকিতে তার নিজের কিছু বিশ্বস্ত সোর্স তৈরী করেছেণ। আবার কেউ এই তথ্যের বিরোধিতা করে বলতে চাইছেন এই নেতা কাউকেই বিশ্বাস করেননা যতক্ষণ পর্যন্ত নিজে নিশ্চিত না হন ঘটনার বাস্তবতা।

    এই পদক্ষেপের আলোকেই ত্রাণ তৎপরতা তদারকি আর নগর পরিচ্ছন্নতা দেখতে কখনো মধ্যরাত থেকে শেষরাত পর্যন্ত চুপিসারে নগরীতে ঘোরেন। কখনও নিজের গাড়িতে, আবার কখনও কৌশলগত কারণে মোটরসাইকেল চেপে দুরন্ত গতির এই নেতা একটানে ঘুরে আসেন নগরীর একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত। কিন্তু তিনি রাতে বেশী সোচ্চার, দিনে অদৃশ্যে ঘরবন্দী থাকেন সেই প্রশ্নে এই নেতাকে বর্তমান বরিশাল রাজনীতিতে রহস্যময় পুরুষ হিসেবে ভাব হচ্ছে। এমন অভিমত ব্যাক্ত করে সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছে, মেয়র সাদিকের কৌশল অতো সহজ নয়। যেকারনে তিনি অল্প বয়সে হয়েছেন মেয়র, পেয়েছেন নগর আ.লীগের সাধারন সম্পাদকের গুরুত্বপূর্ণ পদ। নিন্দুকেরা বা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা সমালোচনায় তার গতিরোধ ও ইমেজ নিয়ে টানাটানি করলেও সেই রশি ছিড়ে পড়ছে এই নেতার রাজনৈতিক পরিপক্কতায়। ফলে কোনোভাবেই পেরে উঠছে না, বা বুঝতে সক্ষম হচ্ছেনা কখন কোন গতিবিধিতে নিজ ঘর থেকেই খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি রাতের বরিশালে পিচঢালা পথে পা রাখছেন।

  • ২৪ ঘণ্টায় ১২৫১ করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ২১

    ২৪ ঘণ্টায় ১২৫১ করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ২১

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৫১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া মারা গেছেন আরও ২১ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩৭০ জন। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৫ হাজার ১২১ জন। এছাড়া ২৪ ঘণ্টা সুস্থ হয়েছে ৪০৮ জন। মোট সুস্থ হয়েছে চার হাজার ৯৯৩ জন। সুস্থের হার ১৯.৮৮ শতাংশ ও মৃত্যু হার ১.৪৭ শতাংশ।

    এর আগে গতকাল সোমবার দেশে মোট ১৬০২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয় ও ২১ জন মারা যায়।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৮ হাজার ৪৪৯ টি। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৯ হাজার ৯১টি।

    আজ মঙ্গলবার দুপুরে করোনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

    গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়।

    এদিকে দেশে গত ২৮ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫৪৯ জন। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২রা মে ৫৫২ জন, ৩রা মে ৬৬৫ জন, ৪ঠা মে ৬৮৮, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬জন, ৮ মে ৭০৯ জন এবং ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, ১১ মে ১০৩৪ জন, ১২ মে ৯৬৯, ১৩ মে সব্বোর্চ ১ হাজার ১৬২ জন, ১৪ মে ১০৪১, ১৫ মে ১২০২, ১৬ মে ৯৩০, ১৭ মে ১২৭৩ ও ১৮ মে ১৬০২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

  • ঢাকা ও বরিশাল দুই নগরপিতার সততার চমক

    ঢাকা ও বরিশাল দুই নগরপিতার সততার চমক

      জনসেবা. উন্নয়ন ও দুর্নীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সততার অগ্র পথিক হিসাবে চমক দেখিয়েছেন বরিশালে জনন্দিত সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও ঢাকা দক্ষিন সিটি মেয়র শেখ ফজলে নুর তাপস।

    বরিশালে মেয়র হিসাবে দায়িত্ব গ্রহনের পরে বিসিসির সকল অনিয়ম দুর্নীতি মুক্ত করতে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীদের ওএসডি করা সহ সকল ঘুষ বানিজ্য ও অনিয়ম দুর করেন মেয়র সাদিক । গোটা নগরবাসী তার সুফল ভোগ করতেছে। পাশা পাশি উন্নয়ন কাজ তরান্বিত করা ও জনদুর্ভোগ কমানো এবং সর্বোচ্চ নাগরিক সেবা নিশ্চিত করে চলেছেন তিনি । এখন আর দপ্তরে ঘুষের জন্য ফাইল আটকে থাকেনা। নগরবাসী বিসিসিতে গেলে সেখানকার কর্মকর্তা কর্মচারীরা মানুষকে সম্মান দিয়ে কথা বলে। আগে নগরবাসীকে মক্কেল মনে করতো আর এখন বিসিসির কেউকে খুশি করতে চাইলে এক বাক্যে বিসিসির স্টাফরা বলেন কিছু লাগবে না. আগে চাকরিটা বাচাঁন।

    অর্থাৎ চাকরি হারানোর ভয়ে কেউ অনিয়ম করার সাহস পাচ্ছে না। নগরীতে এখন আর প্রভাবসালীদের অনিয়মের দাপট চলেনা। তবে কিছু বড় মেয়ারা বেজার হলেও বরিশালের শতকারা ৯০ ভাগ মানুষ মেয়র সাদিক আবদুল্লার এমন পদক্ষেপকে সমর্থন করে প্রসংসা করছেন ।

    এছারাও সপ্তাহে দু দিন নাগরিকরা তাদের সুখ দুখের কথা মেয়রের নিকট বলতে পারেন।। এতে নতুন দৃস্টান্ত স্থাপন করেছেন মেয়র সাদিক। সড়ক সংস্কারে এখন কোন ঠিকাদার অনিয়ম করার সাহস পায় না। বর্তমানে মহামারি করোনা মোকাবেলায় নগরীতে এপর্যন্ত প্রায় ৬৮ হাজার কর্মহীন পরিবারের ঘরে খাদ্য সহায়তা পৌছে দিয়ে প্রধামন্ত্রী নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে চলেছেন।।

    অপর দিকে মেয়র সাদিক আবদুল্লার মত সততা নিয়েই কাজ শুরু করেছেন তার ফুফাতো ভাই ঢাকা দক্ষিন সিটির নব নির্বাচিত মেয়র শেখ ফজলে নুর তাপস। সপথ নিয়েই মেয়র তাপস প্রথমে দুই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করেছেন । আশা করি সেখানেও থাকবেনা কোন অনিয়ম। মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও মেয়র তাপসের মত সব জনপ্রতিনিধিরা সততা নিয়ে কাজ করলে বাংলাদেশে গুটি কয়েক দুর্নীতিবাজরা অনিয়ম করার সাহস পেতোনা। সরকার ও দলের দুর্নাম হতোনা।

  • ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ শনাক্ত ১৬০২, মৃত্যু ২১

    ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ শনাক্ত ১৬০২, মৃত্যু ২১

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬০২ জন করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময় মারা গেছেন সর্বোচ্চ ২১ জন।

    এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত ২৩ হাজার ৮৭০ জন করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হলেন। আর এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩৪৯ জন।

    দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানানো হয়।

    গতকাল রোববার দেশে করোনায় সংক্রমিত ১ হাজার ২৭৩ জন শনাক্ত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। আর মারা গিয়েছিলেন ১৪ জন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২১ জনের মধ্যে পুরুষ ১৭ জন ও নারী ৪ জন। তাঁদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭ জন, কুমিল্লা বিভাগে একজন ও রাজশাহী বিভাগে একজন রয়েছে।
    মারা যাওয়া ব্যক্তিদের বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ২ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী ছয়জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৮ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৫ জন রয়েছেন।
    গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২১২ জন। এ নিয়ে সর্বমোট ৪ হাজার ৫৮৫ জন সুস্থ হয়েছেন।
    ব্রিফিংয়ের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ৭৮৮ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়।

    দেশে এখন ৪১টি ল্যাবে (পরীক্ষাগার) করোনা পরীক্ষা করা হয়।
    গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। আর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
    করোনার ঝুঁকি এড়াতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • একজন শেখ হাসিনার গল্প

    একজন শেখ হাসিনার গল্প

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    আজ ১৭ মে, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৮১ সালের এদিন দীর্ঘ নির্বাসন শেষে তিনি বাংলার মাটি ও মানুষের কাছে ফিরে আসেন। সেদিন বিকেল সাড়ে ৪টায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বোয়িং বিমানে তিনি ভারতের রাজধানী দিল্লী থেকে কোলকাতা হয়ে তৎকালীন ঢাকা কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেন।

    ভারতে নির্বাসিত জীবনের কথা বলতে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতেই শেখ হাসিনা বলেন, “ভাবলাম দেশের কাছে যাই। কখনও শুনি, মা বেঁচে আছে। কখনও শুনি, রাসেল বেঁচে আছে। একেক সময় একেক খবর পেতাম। ওই আশা নিয়ে চলে আসলাম। কেউ বেঁচে থাকলে ঠিক পাব।
    “২৪ অগাস্ট দিল্লি পৌঁছলাম। মিসেস গান্ধী (ইন্দিরা গান্ধী) আমাদের ডাকলেন। ওনার কাছ থেকে শুনলাম, কেউ বেঁচে নেই। হুমায়ুন রশীদ সাহেব আগে বলেছিলেন। কিন্তু, আমি রেহানাকে বলতে পারি নাই। কারণ, ওর মনে একটা আশা ছিল, কেউ না কেউ বেঁচে থাকবে।”
    “দিল্লিতে মিসেস গান্ধী থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন। ওয়াজেদ সাহেবকে (এম ওয়াজেদ মিয়া) এটমিক এনার্জিতে কাজের ব্যবস্থা করে দিলেন।”
    কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে শেখ হাসিনা বলেন, “এটা কী কষ্টের .. যন্ত্রণার কাউকে বুঝিয়ে বলতে পারব না।”
    অর্থের কারণে ১৯৭৭ সালে বোন শেখ রেহানার বিয়েতে লন্ডনে যেতে না পারার বেদনা তুলে ধরে তিনি বলেন, “দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে যাব, অত টাকা ছিল না। আর, কোথায় থাকব?”
    ১৯৮০ সালে লন্ডনে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইন্দিরা গান্ধীর ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা স্মরণ করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।
    “ওর (শেখ রেহানা) যখন বাচ্চা হবে, আমি মিসেস গান্ধীকে গিয়ে বললাম, আমি যেতে চাই রেহানার কাছে। উনি ব্যবস্থা করে দিলেন। টিকেটের ব্যবস্থা করে দিলেন। থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন।”
    “৮০ এর শেষে দিল্লিতে ফিরে আসি। টাকাও ছিল না। আর, কার কাছে হাত পাতা.. ভালো লাগত না।”
    ১৯৮০ সালে বিদেশে থাকার সময়ই আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত করা হয় রাজনীতির বাইরে থাকা শেখ হাসিনাকে।
    তিনি বলেন, “এত বড় সংগঠন করার অভিজ্ঞতাও আমার ছিলে না। আমার চলার পথ অত সহজ ছিল না।”
    দল এবং দলের বাইরে নানা প্রতিকূলতার কথা তুলে শেখ হাসিনা বলেন, “খুনিরা বহাল তবিয়তে বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরত। স্বাধীনতার বিরোধীরা তখন বহাল তবিয়তে। তারাই ক্ষমতার মালিক। যে পরিবারকে একেবারে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিলো, সে পরিবারের একজন এসে রাজনীতি করবে।
    “সেটা এত সহজ ছিল না, প্রতি পদে পদে প্রতিবন্ধকতা ছিল।”
    বক্তব্যের এই পর্যায়ে উপস্থিত নেতাদের আওয়ামী লীগের নতুন নেতৃত্ব খুঁজতে বলেন শেখ হাসিনা; তবে সবাই সমস্বরে ‘না না’ বলে ওঠেন।
    শেখ হাসিনা বলেন, “নতুন নেতৃত্ব খোঁজা দরকার। জীবন-মৃত্যু আমি পরোয়া করি না। মৃত্যুকে আমি সামনে থেকে দেখেছি। আমি ভয় পাইনি।
    “আমি বিশ্বাস করি, আমার আব্বা আমাকে ছায়ার মতো আমাকে দেখে রাখেন.. আর, উপরে আল্লাহর ছায়া আমি পাই।”
    “মেয়ের হাত ধরে দুটা সুটকেস নিয়ে চলে আসি। আমি মনে করি, আমাকে যেতে হবে, কিছু করতে হবে,” ৩৯ বছর আগের এই দিনটিতে দেশে ফেরার কারণ ব্যাখ্যা করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

     

  • সর্বোচ্চ শনাক্তের নতুন রেকর্ড, মৃত্যু আরও ১৪ জনের

    সর্বোচ্চ শনাক্তের নতুন রেকর্ড, মৃত্যু আরও ১৪ জনের

    দেশে মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট ৩২৮ জন মারা গেলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ২৭৩ জন। এতে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২২ হাজার ২৬৮ জনে।

    রোববার (১৭ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। বুলেটিন উপস্থাপন করেন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

    তিনি নতুন যুক্ত হওয়া একটিসহ মোট ৪২টি ল্যাবের নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আট হাজার ৫৭৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় আট হাজার ১১৪টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো এক লাখ ৭৫ হাজার ৪০৮টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও এক হাজার ২৭৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ২৬৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ১৪ জন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩২৮ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ২৫৬ জন। সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন চার হাজার ৩৭৩ জন।

    ডা. নাসিমা করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানান বুলেটিনে।

    গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বকেই কাঁপিয়ে চলেছে। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা এখন পর্যন্ত সোয়া ৪৭ লাখ। মৃতের সংখ্যা তিন লাখ ১৩ হাজার ছাড়িয়েছে। তবে ১৮ লাখের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

    বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তারপর দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। লম্বা হচ্ছে মৃত্যুর মিছিলও।

  • আজ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

    আজ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

    আজ ১৭ মে, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৮১ সালের এদিন দীর্ঘ নির্বাসন শেষে তিনি বাংলার মাটি ও মানুষের কাছে ফিরে আসেন। সেদিন বিকেল সাড়ে ৪টায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বোয়িং বিমানে তিনি ভারতের রাজধানী দিল্লী থেকে কোলকাতা হয়ে তৎকালীন ঢাকা কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেন।

    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন। এসময় তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা প্রবাসে থাকায় ঘাতকদের হাত থেকে তারা রেহাই পান।

    পরবর্তী সময়ে ১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। এরপরেই তিনি ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন।

    শেখ হাসিনাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানানোর জন্য উপস্থিত প্রায় ১৫ লাখ মানুষের হৃদয় ছোঁয়া ভালবাসার জবাবে এদিন তিনি বলেন, ‘বাংলার মানুষের পাশে থেকে মুক্তির সংগ্রামে অংশ নেয়ার জন্য আমি দেশে এসেছি। আমি আওয়ামী লীগের নেত্রী হওয়ার জন্য আসিনি। আপনাদের বোন হিসাবে, মেয়ে হিসাবে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগের কর্মী হিসাবে আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই।’

    স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন দেশব্যাপী প্রতিবছর বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করলেও এবার করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন কর্মসূচি পালিত হচ্ছেনা।

    আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনটিকে দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস উল্লেখ করে বলেন, ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে এদেশের গণতন্ত্র নস্যাৎ ও স্বাধীনতার মূল্যবোধ ভূলুণ্ঠিত করা হয়। ১৯৮১ সালের ১৭ মে রাজনীতিবিদ হিসাবে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আবারো দেশে স্বাধীনতার মূল্যবোধ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।

    আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর যারা ছিল অবহেলিত ও নির্যাতিত, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনে ও তাঁর নেতৃত্বের পরশে তারা আবারো জেগে ওঠার সাহস ও প্রেরণা পায়। এদিন শেখ হাসিনার নামে যথার্থই জেগে উঠে বাংলাদেশ।

  • দেশে নতুন শনাক্ত ৯৩০ জন, মারা গেছেন আরও ১৬ জন

    দেশে নতুন শনাক্ত ৯৩০ জন, মারা গেছেন আরও ১৬ জন

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৩০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া মারা গেছেন আরও ১৬ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩১৪ জন। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ৯৯৫ জন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬৭৮২টি।

    আজ দুপুরে করোনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

    এদিকে দেশে গত ২৮ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫৪৯ জন। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২রা মে ৫৫২ জন, ৩রা মে ৬৬৫ জন, ৪ঠা মে ৬৮৮, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬জন, ৮ মে ৭০৯ জন এবং ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, ১১ মে ১০৩৪ জন, ১২ মে ৯৬৯, ১৩ মে সব্বোর্চ ১ হাজার ১৬২ জন, ১৪ মে ১০৪১ ও ১৫ মে ১২০২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।